Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    মঞ্জিল সেন এক পাতা গল্প457 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পোড়োবাড়ি

    খবরটা প্রথম কে দিয়েছিল বা কেমন করে এল সে গবেষণায় না গেলেও, কাঞ্চনপুরের একটা পুরোনো বাড়িতে যে ভূতের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে সে-খবরটা কিন্তু মিথ্যে নয়। গাঁয়ের অনেকেই নাকি সেই ভূতকে স্বচক্ষে দেখেছে— তবে ভূত না পেতনি সেটাই হচ্ছে কথা, কারণ যারা দেখেছে তারা সবাই একবাক্যে বলেছে, ভূত পুরুষ নয়, নারী।

    যাই হোক; এমন একটা রগরগে খবর আগেভাগে ছাপাবার কৃতিত্বের অধিকারী কোন পত্রিকাই না হতে চায়! ‘বার্তা সমাচার’ আর ‘প্রভাতী বার্তা’র মধ্যে দীর্ঘকালের রেষারেষি। পাশাপাশি তাদের আপিস, দুই মালিকের মধ্যে দূর সম্পর্কের একটা আত্মীয়তাও আছে, আর দুই সম্পাদকের মধ্যে পরিচয় ও বন্ধুত্ব ইস্কুলের নীচু ক্লাস থেকে। কিন্তু তা হলে কী হবে, কাগজের ব্যাপারে তাদের মধ্যে দারুণ রেষারেষি। কে কাকে টেক্কা দেবে, চমকপ্রদ খবরে কে কাকে মাত করবে, এই নিয়ে দুই পত্রিকার মধ্যে যেন যুদ্ধ লেগেই আছে।

    ‘বার্তা সমাচার’-এর প্রবীণ সম্পাদক ঘোষাল মশাই খবরটা পেয়েই রথীনকে ডেকে পাঠলেন। মাত্র সাতাশ বছর বয়স রথীনের, কিন্তু এর মধ্যেই সাংবাদিক হিসাবে বেশ নাম করেছে, বিশেষ করে চমক লাগাবার মতো খবরে ওর হাতটা খোলে ভালো। যেমন লেখার ভঙ্গি, তেমন ভাবের বিন্যাস।

    রথীনকে ঘটনা খুলে বললেন ঘোষাল মশাই। আরও বললেন, ‘প্রভাতী বার্তা’ খবরটা পাবার আগেই ‘বার্তা সমাচার’-এ সবিস্তার ওই ভূতুড়ে কাহিনি প্রকাশ করা চাই-ই।

    কাঞ্চনপুর যেতে হলে ট্রেনে যাওয়াই ভালো; বাসে অনেক ধকল, সময়ও নেবে বেশি। জায়গাটা সম্বন্ধে একটা মোটামুটি ধারণা করেই রথীন রওনা দিয়েছিল। বিকেল তিনটে নাগাদ ছোট্ট স্টেশনে ও নেমে পড়ল। ভূতুড়ে বাড়িটা স্টেশন থেকে হাঁটাপথে মিনিট পনেরো কুড়ি বলেই ও শুনেছিল। রথীন হেঁটে যাওয়াই স্থির করল।

    ভূতুড়ে বাড়িটার নাম ‘দি রিট্রিট’। শহর থেকে দূরে প্রায় অজ পাড়াগাঁয়ে বাড়িটার অমন নামের সার্থকতা অস্বীকার করা যায় না। বাড়ির মালিকের যে রসবোধ ছিল সে-বিষয়ে সন্দেহ নেই।

    বাড়িটার এবং বাড়ির মালিকের সম্বন্ধে খোঁজখবর করে রথীন যা জানতে পেরেছে তা হল এই—

    প্রায় কুড়ি বছর আগে রাজেশ সরকার নামে এক ভদ্রলোক মিলিটারি থেকে অবসর নেবার পর সদ্য বিয়ে করা বউকে নিয়ে এখানে বসবাস শুরু করেন। মিলিটারিতে অবসরের বয়স পঞ্চাশ। ভদ্রলোক একা মানুষ ছিলেন তাই বেশ মোটা টাকা জমিয়েছিলেন। অবসর নেবার মুখে হঠাৎ তাঁর অধীনস্থ এক হাবিলদারের সুন্দরী, তরুণী মেয়েকে তিনি বিয়ে করে বসেন। এত জায়গা থাকতে কাঞ্চনপুরে কেন যে তিনি এসেছিলেন তার সঠিক কারণ অবশ্য জানা যায়নি। হয়তো ছোটোবেলায় এখানে তাঁর কোনো স্মৃতি জড়িয়ে ছিল। যাই হোক, ছোট্ট একটা দোতলা বাড়ি বানিয়ে সুন্দরী বউকে নিয়ে তিনি এখানে কায়েম হয়ে বসলেন। কিছুকাল বেশ সুখেই কেটেছিল, তারপরই ঘটল বিপত্তি। বাড়ি থেকে খানিকটা দূর দিয়ে বয়ে গেছে একটা নদী। গ্রীষ্মকালে সেটাকে দেখায় একটা খালের মতো, কিন্তু বর্ষায় সেটাই ফুলেফেঁপে ভীষণ মূর্তি ধরে। এক বর্ষার রাত্তিরে রাজেশ সরকারের তরুণী স্ত্রী ইন্দুমতী হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে গেল। পরদিন সকালে নদীর পাড়ে পাওয়া গেল তার চটিজোড়া। ইন্দুমতী নদীর ধারে মাঝে মাঝে বেড়াতে যেত। সেদিনও নিশ্চয় তাই গিয়েছিল, কিন্তু যেমন করেই হোক রাক্ষুসী নদী তাকে গ্রাস করেছে। খানিকটা দূরে তার শাড়িটাও পাওয়া গেল। জেলেরা মাছ ধরার জন্য কয়েকটা খুঁটি পুঁতেছিল, তাইতে আটকে ছিল শাড়িটা, ইন্দুমতীর দেহটা কিন্তু কাছেপিঠে পাওয়া যায়নি। যাই হোক, দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু সম্বন্ধে গাঁয়ের লোকের মনে কোনো সন্দেহ ছিল না। রাজেশ সরকার সেদিন অসুস্থ ছিলেন তাই সারাদিন বাড়ির বাইরে বেরোননি, শুয়েই কাটিয়েছিলেন। বাড়িতে যে লোকটি রান্নাবান্না করত তার মুখেই একথা শোনা গিয়েছিল।

    ইন্দুমতীকে হারিয়ে একেবারে ভেঙে পড়লেন রাজেশ সরকার। আকস্মিক এই দুর্ভাগ্যকে কিছুতেই তিনি মানিয়ে নিতে পারলেন না। একা একা বসে থাকতেন, কেউ এলে কথাবার্তা বলতেন না, খাওয়া-দাওয়া প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। তারপরই একদিন কড়িকাঠে তাঁর ঝুলন্ত দেহটা আবিষ্কৃত হল। ইন্দুমতীরই একটা প্রিয় শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন তিনি।

    ব্যস, তারপর থেকেই ওই বাড়িটা পরিত্যক্ত। এমনিতেই বাড়িটা লোকালয়ের কিছুটা বাইরে, নিরিবিলি জায়গা, রাত্তিরে গা ছম ছম করা আশ্চর্য নয়। তার ওপর দু-দুটো অস্বাভাবিক মৃত্যু। সন্ধের পর ও বাড়ির ধার কাছ দিয়েও যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেল। ফলে চারপাশে জঙ্গল হয়ে বাড়িটা সত্যিকার পোড়োবাড়ি হয়ে উঠেছে। তবে এতদিন কিন্তু কেউ ভূত-টুত দেখেনি। মাত্র দিনকতক হল কয়েকজন পথচারী প্রকাশ্য দিনের আলোয় ও বাড়ির দোতলার একটা জানলায় একজনকে দেখেছে। যে ঘরে রাজেশ গলায় দড়ি দিয়েছিলেন, সেই ঘরের জানলায় দূর থেকে একটা মুখই শুধু তারা দেখতে পেয়েছিল, মেয়েমানুষের মুখ, তাও অল্পক্ষণের জন্য। হঠাৎ অদৃশ্য হয়েছিল সেই মুখ। ওটা যে, নদীতে ডুবে মরা ইন্দুমতীর মুখ সে-বিষয়ে কারু সন্দেহ ছিল না। ওখানকারই কোনো লোকের মুখ থেকে ঘটনাটি কেমন করে জেনেছিলেন ‘বার্তা সমাচার’-এর সম্পাদক, হরিপদ ঘোষাল।

    শীতের পড়ন্ত বিকেল। চারদিক খোলামেলা, উত্তুরে হাওয়াটা বেশ মালুম দিচ্ছিল রথীনকে।

    পোড়োবাড়ির ঠিক অবস্থানটা জেনে নেবার জন্য রথীন বুড়ো মতো একজন মানুষকে পথের নিশানা জিজ্ঞাসা করল। বুড়ো লোকটি ওর মুখের দিকে একটুক্ষণ হাঁ করে তাকিয়ে থেকে বলল, ‘ওই বাড়িতে কী দরকারটা পড়ল আপনার বাবুমশাই? ওটা যে ভূতের বাড়ি জানেন না?’

    ‘সেজন্যই তো যাচ্ছি,’ রথীন হেসে জবাব দিল। ‘আমি খবরের কাগজের লোক, ওই বাড়িটা সম্বন্ধে কাগজে লিখব বলে এসেছি। ছবিও তুলব।’ কাঁধের ক্যামেরাটা ও দেখাল।

    ‘অ,’ লোকটি একটু ভুরু কুঁচকাল, ‘এই পথ ধরে সিধে চলে যান। একটা মস্ত অশত্থ গাছ দেখবেন, সেই গাছটা ছেইড়ে বাঁ-দিকে ঘুরবেন। নাকবরাবর চলে যাবেন, তাহলেই বাড়িটা চোখে পড়বে। দেখলেই চিনতে পারবেন। চারদিকে জঙ্গল। ধারেপিছে ঘর বাড়ি নাই। হ্যাঁ বাবু, একটু সাবধানে থাকবেন। ক-দিন ধরে তেনাকে দেখা যেতেছে, তাই গাঁয়ের লোকজন ওই পথে এখন আর হাঁটে না। দিনে দিনেই ফিরে আসবেন, আঁধার করবেন না।’

    বুড়ো লোকটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে রথীন হাঁটা শুরু করল। পথ যতটা কম মনে করেছিল কিংবা শুনেছিল, তা কিন্তু নয়। গাঁয়ের লোকের পথের দূরত্ব সম্বন্ধে জ্ঞান চিরকালই একটু অস্পষ্ট। ‘ওই হোথা,’ ‘আট্টু আগুলেই,’ এসব কথার আক্ষরিক অর্থ ধরতে গেলে ঠকতে হয়। প্রায় কুড়ি মিনিট হাঁটার পর তবেই অশ্বত্থ গাছটা চোখে পড়ল রথীনের। বুড়ো লোকটির কথামতো এবার ও বাঁ-দিকের রাস্তা ধরল। আরও কতক্ষণ হাঁটতে হবে কে জানে! গ্রামটা স্টেশন থেকে বেশ দূরেই।

    পথ ক্রমেই নির্জন হয়ে আসছে। এদিকটায় ঘরবাড়িও কম। হঠাৎ কীসের একটা অনুভূতিতে রথীন ফিরে তাকাল। এ পথের সে একাই পথিক নয়, আরও একজন তার পেছনে পেছন আসছে। ঋজু খাড়া চেহারা, রগের দু-পাশের চুলে পাক ধরেছে, টুথব্রাশের মতো ছাঁটা গোঁফ। স্মার্ট চেহারা। একটা জলপাই রঙের প্যান্ট আর ঘি রঙের শার্টে ভদ্রলোককে মানিয়েছে ভালো। চেহারা দেখে বয়স অনুমান করা মুশকিল। পঁয়ত্রিশও হতে আবার পঞ্চান্নও হতে পারে।

    এই নির্জন পথে একজন সঙ্গী পেয়ে রথীন মনে মনে খুশিই হল। পরমুহূর্তে একটা সন্দেহ উঁকি দিল ওর মনে। ভদ্রলোক ‘প্রভাতী বার্তা’র রিপোর্টার নয় তো? তারই মতো খবর পেয়ে ছুটে এসেছে তাদের কাগজের ওপর টেক্কা দেবার আশায়। কিন্তু ভদ্রলোককে আগে দেখেছে বলে মনে পড়ল না। ‘প্রভাতী বার্তা’র সব রিপোর্টারকেই সে অল্প-বিস্তর চেনে। তবে কি নতুন লোক!

    ভদ্রলোকের মুখের দিকে সন্দিগ্ধ দৃষ্টিতে তাকাল রথীন, তারপর জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনাকে এতক্ষণ দেখিনি তো! কোথা থেকে আসছেন?’

    ‘এখানেই থাকি আমি,’ ভদ্রলোক সংক্ষেপে জবাব দিলেন।

    ‘ও,’ মনে মনে হাঁপ ছাড়ল রথীন। ‘ভালোই হল, আপনাদের এখানে যে ভূতুড়ে বাড়ি আছে আমি সেখানেই যাচ্ছি। কুড়ি বছর আগে ওই বাড়ির মালিকের তরুণী স্ত্রী নদীতে ডুবে মারা গিয়েছিলেন, তাঁকে নাকি আবার দেখা গেছে!’

    ‘হ্যাঁ, আমিও তাই শুনেই আসছি,’ ভদ্রলোক জবাব দিলেন।

    রথীন ভুরু কোঁচকাল। ভদ্রলোক এখানেই থাকেন অথচ খবরটা শুনেই আসছেন, তার মানে কী।

    ভদ্রলোক বোধ হয় ওর মনের কথা বুঝলেন, মৃদু হেসে বললেন, ‘আমি এখানে ছিলাম না, খবরটা পেয়ে আজই আসছি।’

    ‘ও, তা ভালোই হল,’ রথীন স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বলল, ‘একজন সঙ্গী পাওয়া গেল।’

    হাঁটতে হাঁটতে ওরা বাড়ির কাছে এসে পড়ল। সত্যিই বাড়িটা অনেক দিনের পরিত্যক্ত, বাইরে থেকে অন্তত তাই মনে হয়। এখানে ওখানে চুন-বালি-সিমেন্ট খসে পড়ে ইট বেরিয়ে পড়েছে, কার্নিশ থেকে গোটা কয়েক বট না অশ্বত্থ গাছ গজিয়েছে। চারপাশে বুনো গাছগাছড়া, ঝোপঝাড়। ওরা দু-জন একটা বড়ো ঝোপের পেছনে দাঁড়াল, অনেকটা নিজেদের আড়াল করে। দিনের বেলা যদি ইন্দুমতীর প্রেতাত্মা দেখা দেয় তবে এখান থেকে দেখাই ভালো। নিরাপদ দূরত্ব তো বটেই, তা ছাড়া রথীন জেনে নিয়েছিল যে ঘরে তেনাকে দেখা গিয়েছিল তার জানলাটা পশ্চিমমুখো অর্থাৎ ওরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছে তার নাকবরাবর দোতলায়।

    কিছুক্ষণ কেটে গেল। সূর্য পশ্চিম দিকে হেলছে। বাড়িটার দেওয়ালে, জানলায় পড়ন্ত রোদ এসে পড়েছে। আর বড়োজোর ঘণ্টাখানেক, তারপরই সূর্য অস্ত যাবে। নেমে আসবে অন্ধকার, রথীন উশখুশ করছিল, অন্ধকার নামার আগেই ওকে স্টেশনে ফিরতে হবে। এই অচেনা, অজ পাড়াগাঁয়ে রাত কাটাতে ও রাজি নয়। হোটেল থাকলেও নয়, অবশ্য আছে কি না সে-বিষয়ে ঘোর সন্দেহ আছে ওর মনে।

    দোতলার পশ্চিমমুখো একটা ঘরের জানলাগুলো খোলা। একটা জানলায় আবার পর্দার মতো কী-একটা কাপড় ঝুলছে। বাড়িতে কেউ যদি বাসই না করে তবে পর্দা এল কোথা থেকে?

    হঠাৎ একটা হিম শিহরন বয়ে গেল রথীনের সারা অঙ্গে। জানলার পর্দাটা একটু সরে গেছে, আর সেই ফাঁক দিয়ে উঁকি মারছে একটা মুখ। একজন মহিলার মুখ। রোদ পড়েছে সেই মুখে, স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। বয়স চল্লিশ পঁয়তাল্লিশের কম হবে না। এককালে হয়তো সুন্দরী ছিলেন, কিন্তু এখন শীতের পড়ন্ত বেলার মতোই ম্লান, চোখ-মুখই তা বলছে।

    একটা অস্ফুট উক্তি কানে যেতেই রথীন চমকে পাশ ফিরে তাকাল। সঙ্গীর কথা সে ভুলেই গিয়েছিল। ভদ্রলোকের দু-চোখ বিস্ফারিত, মুখটা হঠাৎ যেন ঝুলে পড়েছে। আপন মনেই তিনি বলে উঠলেন, ‘ওর যে এত বয়স হতে পারে তা আমার মনে ছিল না। আমি ভাবতেই পারিনি।’

    ‘কী বলছেন আপনি!’ রথীন অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল।

    ‘না, মানে,’ ভদ্রলোক একটু থতোমতো খেয়ে বললেন, ‘আমি ওকে কুড়ি বছর আগে দেখেছিলাম কিনা তাই সে-চেহারার কথাই মনে ছিল, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে যে চেহারা বদলায় সেটা আমি ভুলেই গিয়েছিলাম।’

    ভূতের আবার বয়স আছে নাকি! মানুষের মতো তাদেরও চেহারা বদলায়! ভদ্রলোকের কথায় রথীন মনে মনে না হেসে পারল না। ও আবার জানলার দিকে ঘাড় ফেরাল। কিন্তু জানলার মুখ অদৃশ্য হয়েছে, পর্দাটাও যথাস্থানে শোভা পাচ্ছে। উত্তেজনার বশে ও ঝোপের আড়াল থেকে বেরিয়ে পড়েছিল। হয়তো ইন্দুমতীর প্রেতাত্মা ওকে দেখে ফেলেছে তাই মিলিয়ে গেছে।

    অসম সাহসী না হলেও রথীন ভীতু নয়। তা ছাড়া মাথার ওপর সূর্য, স্পষ্ট দিনের আলো। অন্ধকার হলে নয় কথা ছিল, কিন্তু এই দিনে দিনে ভূতের ভয়ে পালাবার কোনো যুক্তি থাকতে পারে না, বরং ব্যাপারটা একটু খতিয়ে দেখার এমন সুবর্ণ সুযোগ আর হয়তো ওর জীবনে আসবে না। সঙ্গীর দিকে ফিরে ও বলল, ‘চলুন, আমরা বাড়ির ভেতর ঢুকে ইন্দুমতীর প্রেতাত্মার মোলাকাত করি। দিনের বেলা ভূত-পেতনির দেখা পাওয়া যায় বলে কখনো শুনিনি। ব্যাপারটা কেমন যেন রহস্যজনক মনে হচ্ছে।’

    ভদ্রলোকের দিক থেকে তেমন উৎসাহ কিন্তু দেখা গেল না। তিনি হঠাৎ যেন চুপসে গেছেন।

    ‘চলুন,’ উদাসীনভাবে তিনি বললেন।

    বাড়ির সদর দরজায় পৌঁছে ভদ্রলোক থমকে দাঁড়ালেন, বললেন, ‘আমি আর ভেতরে যাব না।’

    রথীন মনে মনে চটল, ভাবল ভদ্রলোকের চেহারা অ্যাথলিটদের মতো হলে কী হবে, ভীষণ কাপুরুষ।

    ‘ঠিক আছে, আপনি এখানেই অপেক্ষা করুন, আমি একাই যাচ্ছি,’ বীরদর্পে ও ভেতরে ঢুকে পড়ল। ভেতরে ঢুকে ও কিন্তু অবাকই হল। ঘরটা পোড়োবাড়ির মতো নয়, যেন হালে ধোয়া মোছা হয়েছে। দোতলার সিঁড়ির দিকে তাকিয়ে ওর বুকের ভেতরটা হঠাৎ লাফাতে শুরু করল। একা একা উপরে উঠবে! একটু বেশি হঠকারিতা হয়ে যাবে না! কিন্তু কোথা থেকে সিঁড়ির ওপর এসে পড়া এক ঝলক রোদ ওর মনে সাহস ফিরিয়ে আনল। তারপরই ওর নজর পড়ল সিঁড়ির মুখে এক জোড়া মেয়েদের জুতোর ওপর। আবার ভুরু কোঁচকাল ও। ভূত জুতো পরে নাকি! এ নিশ্চয়ই একটা জাল-জুয়োচুরির ব্যাপার! সমস্ত ঘটনাটাই হয় সাজানো নয় মস্ত একটা ধাপ্পা। বুক ঠুকে ও ওপরে উঠে গেল।

    দোতলার ডান দিকের ঘরের দরজাটা বন্ধ। রথীন আস্তে আস্তে ধাক্কা দিল সেই দরজায়। কোনো সাড়া-শব্দ নেই, দরজাও খুলল না। আবার ধাক্কা দিল রথীন, এবার একটু জোরে।

    ‘কে?’ কাঁপা কাঁপা মেয়েলি কণ্ঠে প্রশ্ন হল।

    ‘খুলুন দরজা,’ রথীন বলল, ‘ভয় নেই;;আমি আপনার কোনো অনিষ্ট করব না।’ সঙ্গেসঙ্গে ওর মনে পড়ল যাকে ও অভয় দিচ্ছে, আসলে তার একজন ভূত বা পেতনি হবার কথা। তাকেই সে ভরসা দিয়ে বলছে, ‘ভয় নেই’ কথাটা মনে হতেই ওর ভীষণ হাসি পেল।

    ভেতর থেকে দরজা খোলার শব্দ হল। রথীন দেখল ওর সামনে দাঁড়িয়ে আছে জানালায় দেখা সেই মহিলা। মুখটা তাঁর ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।

    ‘কে আপনি? এখানে কী করছেন?’ বেশ একটু রুক্ষ স্বরেই প্রশ্ন করল রথীন।

    ‘আমার বাড়ি এটা,’ মিন মিন করে ভদ্রমহিলা জবাব দিলেন। খুব ভয় পেয়েছেন মনে হল।

    ‘আপনার বাড়ি!’ রথীন ঠিক বুঝতে পারে না।

    ‘হ্যাঁ, মানে তাই ছিল আগে। আমার স্বামী তৈরি করেছিলেন এই বাড়িটা।’

    ‘আপনার স্বামী!’ রথীন অবিশ্বাসের কণ্ঠে বলল।

    ‘হ্যাঁ, আমার স্বামীর নাম রাজেশ সরকার। মিলিটারি থেকে অবসর নেবার পর এই বাড়িটা উনি বানিয়েছিলেন।’

    ‘আপনিই তবে ইন্দুমতী দেবী?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কিন্তু আমি শুনেছিলাম আপনি নদীতে ডুবে মারা গিয়েছিলেন।’

    ‘না,’ ভদ্রমহিলা একটা দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে বললেন, ‘আসল ঘটনা তা নয়। আপনাকে তবে খুলেই বলি। বিয়ের সময় আমাদের বয়সের অনেক তফাত ছিল। ওঁর পঞ্চাশ আর আমার মাত্র কুড়ি। আমাকে উনি সুখী করার জন্য সবরকম চেষ্টাই করেছিলেন, কিন্তু তখন আমার অল্প বয়স, তাই কিছুতেই আমার মন উঠছিল না, ভাবতাম বুড়ো স্বামী। তা ছাড়া এই অজ পাড়াগাঁয়ে এসে সারাজীবন কাটাবার মোটেই ইচ্ছে ছিল না আমার। এখানে আনন্দ-ফুর্তি নেই, হইচই নেই, যেন বনবাস। কিন্তু এই একটা ব্যাপারে উনি আমার কথায় কান দেননি। ওঁর ধারণা হয়েছিল শহরে থাকলে ছেলে-ছোকরারা আমার দিকে নজর দেবে, আমিও হয়তো বিগড়ে যাব। এসব ভেবেই এ জায়গাটা ওঁর পছন্দ হয়েছিল।

    কিছুদিন পর আমার অসহ্য লাগতে লাগল, জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠল। উনি ছাড়া দ্বিতীয় কারু সঙ্গে কথাবার্তা বলার পর্যন্ত লোক নেই, দিন আর কাটতে চায় না। শেষ পর্যন্ত আমি এক মতলব আঁটলাম। এক বিকেলে ছোট্ট একটা পুঁটুলি আর একটা ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। ওঁর অসুখ করেছিল, ঘুমুচ্ছিলেন, কাজের লোকটাকে আমি স্টেশনের দিকে পাঠিয়েছিলাম। দেখছেন তো এদিকটা কেমন নিরিবিলি, তবু এখন কিছু ঘরবাড়ি উঠেছে, তখন তাও ছিল না। কিছু কেনাকাটা করতে হলে সেই স্টেশনের দিকেই যেতে হত। নদীর ধারে এসে আমি পুঁটুলি খুলে পুরোনো একজোড়া চটি ফেলে দিলাম, একটা শাড়ি নদীতে ভাসিয়ে দিলাম। গাঁয়ের পথ ছেড়ে অনেকটা ঘুরপথ হেঁটে আমি স্টেশনে এসে ট্রেন ধরলাম। সন্ধে হয়ে গিয়েছিল, তার ওপর একটু বড়ো করে ঘোমটা দিয়েছিলাম, তাই কেউ আমার মুখ দেখতে পায়নি। সোজা চলে গেলাম কলকাতায়, মা-বাবাকেও কিছু জানালাম না। কলকাতায় একটা মেয়ে হস্টেলে আমার এক বন্ধু ছিল। টেলিফোন আপিসে কাজ করত। আমি ওর কাছে গিয়েই উঠলাম, সব খুলে বললাম। ও আমাকে শুধু আশ্রয়ই দিল না, আমার একটা কাজও জুটিয়ে দিল। আমি অন্য নাম নিলাম, ইন্দুমতী হয়ে গেল বাসন্তী। যে জীবন আমি চেয়েছিলাম তাই হাতের মুঠোয় এসে গেল। হইহুল্লোড়ে দিনগুলি বেশ কেটে যাচ্ছিল। তারপর আবার আমি বিয়ে করলাম। এক বড়োলোকের ছেলেকেই আমি বেছে নিয়েছিলাম। কিছুদিন বেশ সুখেই কাটল। কিন্তু তারপরই আমার দ্বিতীয় স্বামীর গুণের পরিচয় পেতে লাগলাম। স্বভাবচরিত্র খারাপ। এ নিয়ে প্রায়ই আমাদের তুমুল ঝগড়া হত। শেষ পর্যন্ত আমরা ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলাম। আমার দ্বিতীয় স্বামী ছাড়াছাড়ির শর্ত হিসাবে ব্যাঙ্কে আমার নামে মোটা টাকার একটা অ্যাকাউন্ট খুলে দিয়েছিল। সেটার ওপর ভরসা করে আবার আমি চাকরি খুঁজে নিলাম।

    এর পরেও কয়েকজন বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে এসেছিল, কিন্তু আমি রাজি হইনি। বিয়ের ওপর আমার ঘেন্না ধরে গিয়েছিল। ক্রমে যতই বছর কাটতে লাগল, প্রথম স্বামীর কথা মনে করে অনুশোচনা হতে লাগল আমার। তিনি আমাকে সত্যিই ভালোবাসতেন, সুখী করার জন্য অনেক চেষ্টাই করেছিলেন, কিন্তু আমি তাঁর সঙ্গে অবিশ্বাসের কাজ করেছি। অনেকবার ভেবেছিলাম চিঠি লিখব, কিন্তু কেন যেন সাহসে কুলোয়নি। এখন মনের সঙ্গে যুদ্ধ করে হেরে গিয়েছি। দিন কয়েক হল যা হয় হবে ভেবে এখানে এসেছি। কিন্তু এসে দেখি ঘরবাড়ির কী ছিরি, যেন একটা পোড়োবাড়ি। কর্তার সঙ্গেও এ ক-দিনে দেখা হয়নি। তিনি এখানে আছেন নাকি চলে গেছেন তাও জানি না। গাঁয়ের লোকের কাছে যেতেও সাহস হচ্ছে না। আমি যে ডুবে মরেছি তা এখানকার সবার নিশ্চয়ই জানে, সেইরকম ফন্দিই আমি এঁটেছিলাম। এখন নিজের পরিচয় দিলে সবাই আমাকে হয় মিথ্যেবাদী নয় ভূত ভাববে। এমনিতেও ভয়ে ভয়ে সিটিয়ে আছি। কর্তা এসে আমাকে দেখলে কীভাবে নেবেন জানি না তো।’

    রাজেশ সরকারের আত্মহত্যার খবরটা যে ভদ্রমহিলা জানেন না তা এতক্ষণে বুঝতে পারল রথীন। এই তবে ঘটনা! হঠাৎ একটা কথা মনে করে ও জিজ্ঞাসা করল, ‘কিন্তু এ-কদিন আপনি এখানে আছেন, খাওয়া-দাওয়ার কী করছেন? বাড়িতে কেউ যদি না-ই থাকে তবে সেসবের পাটও নিশ্চয় নেই।’

    ‘আমি আসার সময় রামকে মানে আমার ছোকরা চাকরকে সঙ্গে এনেছি। একা আসার সাহসও ছিল না। সে-ই স্টেশন থেকে বাজার করে আনে, রান্না করে। ঘরদোর আমরা দু-জন এ ক-দিনে যতটা পেরেছি পরিষ্কার করেছি, যা নোংরা হয়েছিল।’

    ‘কই ওকে তো দেখছি না?’ রথীন বলল।

    ‘কেনাকাটা করতে গেছে। ওকে আমি বলে দিয়েছি আমার সম্বন্ধে কাউকে কিছু না বলতে, এ বাড়িতে আমরা যে আছি তাও যেন না বলে। খুব চালাক ছেলে।’

    ‘হ্যাঁ !’ রথীন স্বগতোক্তি করল। ব্যাপারটা এখন ওর কাছে জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে। অনুতপ্তা ইন্দুমতী ফিরে এসেছে তার প্রথম স্বামীর কাছে, কিন্তু তিনি যে তারই শোকে আত্মঘাতী হয়েছে সে-খবরটা বেচারি জানে না। এদিকে জানলায় তাকে দেখে গাঁয়ের লোক ভূত ভেবেছে আর সেটা যেমন করেই হোক গিয়ে পৌঁছেছে ‘বার্তা সমাচার’-এর সম্পাদকের কানে। রাজেশ সরকারের মর্মান্তিক খবরটা এখন দেওয়া উচিত হবে কি না তাই ও ভাবছিল। ভদ্রমহিলার কথায় ওর চমক ভাঙল।

    ‘একটা কথা আমি বুঝতে পারছি না,’ ভদ্রমহিলা অনেকটা যেন আপন মনেই বললেন।

    ‘কী কথা?’ রথীন কৌতূহলী হয়ে উঠল।

    ‘এতদিন পরেও ওঁর চেহারা কিন্তু একটুও বদলায়নি, ঠিক সেইরকমই আছেন দেখতে। আশ্চর্য!’

    ‘কার কথা বলছেন আপনি!’ রথীনের বিস্ময়ের যেন শেষ নেই।

    ‘ওঁর কথাই বলছি,’ ভদ্রমহিলা জবাব দিলেন, ‘আপনারা যখন ঝোপের আড়াল থেকে জানলার দিকে তাকিয়েছিলেন, আমি আপনাদের দেখতে পেয়েছিলাম।’

    ‘কী বলছেন আপনি!’ রথীন হতবুদ্ধির মতো প্রশ্ন করল।

    ‘ঠিকই বলছি,’ ভদ্রমহিলা একটু মুচকি হাসলেন। ‘আপনারা ভেবেছিলেন আমি আপনাদের দেখতে পাইনি, কিন্তু তা নয়। রাস্তা দিয়ে আপনারা যখন কথা বলতে বলতে আসছিলেন, তখন আমি আপনাদের দেখেছিলাম। এতদিন পর কীভাবে ওঁর মুখোমুখি হব সেই ভেবেই আমি ভীষণ ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। তাই দরজা খুলতে দেরি হচ্ছিল। কিন্তু উনি নীচে কী করছেন?’

    রথীনের সমস্ত শরীরে যেন একটা বিদ্যুৎ খেলে গেল। মুহূর্তকাল, তারপরই ও একছুটে সিঁড়ি বেয়ে তরতর করে নীচে নেমে এল। দরজার কাছে কাউকে সে দেখতে পেল না। আশেপাশেও কেউ নেই। দূরেও কাউকে দেখা যাচ্ছে না— ফাঁকা, খাঁ খাঁ করছে চারদিক।

    সূর্য পশ্চিমে আরও হেলে পড়েছে। হিমেল হাওয়ায় সারা গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল রথীনের। আসলে ভূত কে এখন সেটা ওর কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন
    Next Article অরিগামির গোলকধাঁধায় – মাহরীন ফেরদৌস

    Related Articles

    মঞ্জিল সেন

    উপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    ভয় সমগ্র ২ – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    মঞ্জিল সেন

    অদ্বিতীয় সত্যজিৎ : সত্যজিতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }