Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র ২ – মঞ্জিল সেন

    মঞ্জিল সেন এক পাতা গল্প360 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালরাত্রি

    চিরটাকাল বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা মেরে আর হেসে-খেলে দিনগুলি কাটিয়ে, চল্লিশ পেরোবার পর বরেন দুম করে বিয়ে করে বসল। বরেনের টাক মাথা, গোলগাল চেহারার পাশে ওর কমবয়সি সুন্দরী বউকে বেমানান লাগলেও ও কিন্তু বউকে নিয়ে একটু বেশিরকমই মাতামাতি শুরু করে দিল। বেশি বয়সে বিয়ে করলে সব পুরুষমানুষেরই মাথায় বোধ হয় একটু ছিট দেখা যায়, ভারসাম্য বজায় রাখা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা ওর বাড়াবাড়ি দেখে কৌতুক বোধ করতাম, ঠাট্টা-বিদ্রূপে জর্জরিত করতাম, ও কিন্তু কিছুই গায়ে মাখত না।

    বিয়ের মাসখানেক পর বরেন সস্ত্রীক পুরী বেড়াতে গেল, আমি অফিসের কাজে পাটনা বদলি হলাম। কলকাতায় ফিরলাম বছর দুই পর। বরেনের সঙ্গে হঠাৎ একদিন রাস্তায় দেখা। ওকে দেখে আমি চমকে উঠলাম, এই দুই বছরে ও যেন একেবারে বুড়ো হয়ে গেছে। ওর সঙ্গে কথা বলে মনে হল ও যেন আগের বরেনের প্রেতাত্মা, চোখে-মুখে সেই হাসিখুশি ভাবের বদলে একটা দারুণ দুশ্চিন্তার ছাপ প্রকট হয়ে উঠেছে। আমি ওকে ওর বউয়ের কথা জিজ্ঞেস করতেই ও যেন কেমন ফ্যালফ্যাল করে আমার মুখের দিকে তাকাল, আমি মনে মনে একটু অস্বস্তিই বোধ করলাম, অজান্তে হয়তো ওর কোনো দুর্বল জায়গায় আঘাত করেছি। বরেন কিন্তু নিজেকে সামলে নিল, তরপর বলল, ‘বন্ধুদের মধ্যে তুই-ই আমার সবচেয়ে অন্তরঙ্গ ছিলি, এতদিন যা কাউকে বলিনি আজ তোকে তাই বলব, কারো কাছে মন খোলসা করতে না পারলে আমি বোধ হয় পাগল হয়ে যাব।’

    আমরা দু-জনে লেকের ধারে এক নিরিবিলি জায়গা বেছে বসলাম। বরেন আমাকে একটা সিগারেট দিয়ে নিজে সিগারেট ধরাল, তারপর তার কাহিনি শুরু করল

    ‘তোর হয়তো মনে আছে, বিয়ের পর মানসীকে নিয়ে আমি পুরী বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমরা একটা হোটেলে উঠি। মানসীকে একান্তভাবে পাওয়ার জন্য আমি ইচ্ছে করেই লোকজনের ভিড় নেই এমন একটা হোটেল খুঁজে বের করেছিলাম, হয়তো ভাগ্যই আমাকে ওখানে টেনে নিয়ে গিয়েছিল। হোটেলটা দোতলা, খুব পুরোনো, আমরা ছাড়া আরও জনা পাঁচেক লোক সেইসময় হোটেলে ছিল। অথচ অন্যান্য হোটেলে তিলধারণের জায়গা ছিল না। আমাদের হোটেল সমুদ্রের ধারে হলেও একটু ছাড়া ছাড়া, এজন্যই বোধ হয় ভিড়ও কম।

    দিন কয়েক বেশ আনন্দেই কেটে গেল, সমুদ্রের বালুতটে সকাল-বিকেল আমরা বেড়াতাম, নির্জনতা আমার কাছে যেন একটা আশীর্বাদের মতো মনে হয়েছিল। মানসীও সমুদ্র দেখে মুগ্ধ। ওর বাবা ছিলেন সামান্য কেরানি। সীমিত আয়, তার ওপর পাঁচটি মেয়ে, মানসীর তাই কোনোদিন বাংলার বাইরে যাওয়া ঘটেনি। সমুদ্রের নীল জল যখন ঢেউয়ের পর ঢেউ তুলে শতধা হয়ে তীরে আছড়ে পড়ত আর সাদা সাদা ফেনার পুঞ্জ তিরবেগে ছুটে এসে অনেকটা ভিজিয়ে দিত, ও তখন সেই ফেনার মধ্যে পা ডুবিয়ে ছোটো মেয়ের মতো দু-হাতে তালি দিয়ে হেসে উঠত।

    ‘একদিন হঠাৎ আমি লক্ষ করলাম হোটেলে আমরা দু-জন এবং এক বৃদ্ধ ভদ্রলোক ছাড়া আর কেউ নেই। আমি তখন ব্যাপারটায় অত গুরুত্ব দিইনি, ভেবেছিলাম যাঁরা এসেছিলেন তাঁরা ছুটি ফুরিয়ে যাওয়ায় আবার যে যার কর্মস্থানে ফিরে গেছেন। যে বৃদ্ধ ভদ্রলোকটি ছিলেন তাঁর নাম মি পট্টনায়ক, উড়িষ্যার অধিবাসী। আমার সঙ্গে তাঁর অল্প ক-দিনের মধ্যেই বেশ আলাপ জমে উঠল। ভদ্রলোক কটকে একটা নামি কোম্পানির সেলস ম্যানেজার, অফিসের কাজেই পুরী এসেছেন। ভদ্রলোক বেশ জ্ঞানী, ওড়িয়া সভ্যতা ও সংস্কৃতির অনেক তত্ত্বই তাঁর মুখে আমি শুনলাম।

    ‘সেদিন ছিল পূর্ণিমা তিথি। সকাল থেকেই মানসীকে কেমন যেন চঞ্চল মনে হচ্ছিল, একটা অস্থিরতা ওকে যেন পীড়া দিচ্ছে, কথায় কথায় অন্যমনস্ক হয়ে যাচ্ছে,। আমার কোনো কথাই যেন ওর কানে যাচ্ছে না। ওর হাবভাবে আমি রীতিমতো শঙ্কিত হয়ে পড়লাম। সন্ধেবেলা চাঁদ উঠল, পূর্ণ চন্দ্র, রুপোলি আলোয় চারদিক ঝলমল করছে। চাঁদের আলোয় সমুদ্রের ঢেউগুলিকে অদ্ভুত সুন্দর দেখাচ্ছে। পূর্ণিমার আকর্ষণে ঢেউয়ের তীব্রতাও বেড়েছে, সমুদ্র যেন মত্ত হয়ে উঠেছে। আমি আর মি পট্টনায়ক একতলায় হোটেলের লাউঞ্জে বসে ছিলাম, সামনেই সমুদ্র। মানসী দোতলায় আমাদের নির্দিষ্ট ঘরে একাই ছিল, বিকেল থেকে মাথা ধরেছে বলে ও সেই যে বিছানা নিয়েছিল আর ওঠেনি।

    মি পট্টনায়কের মুখের জ্বলন্ত সিগারের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ কেন জানি নিজেকে বড়ো নিঃসঙ্গ মনে হতে লাগল, একটা অহেতুক আশঙ্কায় মন ভরে উঠল। হোটেলে মাত্র আমরা তিনজন ছাড়া আর কেউ নেই। চাকর-বাকরদের টিকি দেখা যাচ্ছে না, গোটা হোটেলটা প্রায় অন্ধকার, চাঁদের আলোয় ভূতুড়ে বাড়ি বলে মনে হচ্ছে। মি পট্টনায়কের গলার স্বরে আমি প্রায় চমকে উঠলাম। তিনি বললেন, আপনি ভূত বিশ্বাস করেন মি ঘোষ? আমি উত্তর দিলাম, না দেখা পর্যন্ত বিশ্বাস করি না। মি পট্টনায়ক কয়েকবার তাঁর সিগারে ঘন ঘন টান দিয়ে সেটাকে ছুড়ে ফেলে দিলেন। মাটিতে আছড়ে পড়ে ওটা থেকে আগুনের ফুলকি ছিটকে বেরোল। সেদিকে চোখ দুটো রেখে মি পট্টনায়ক বললেন, আজ আপনাকে একটা বিচিত্র কাহিনি শোনাব। ঘটনাটি ঘটেছিল এই হোটেলেই আর সেটাও ছিল এক পূর্ণিমার রাত। মি পট্টনায়ক একটু থামলেন, যেন নিজেকে গুছিয়ে নিলেন। তারপর আবার শুরু করলেন, প্রায় পঞ্চাশ বছর আগের কথা, এই হোটেল সবে চালু হয়েছে, এমন সময় আপনাদের বাংলা মুলুক থেকে এক ভদ্রলোক তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে হোটেলে এসে উঠলেন। ভদ্রলোকের যথেষ্ট বয়স হয়েছে, সেই তুলনায় স্ত্রীর বয়স নেহাতই অল্প। ভদ্রমহিলা বেশ সুন্দরী। বেশি বয়সে কচি বউ হলে সাধারণত যা হয়ে থাকে, এক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হয়নি। ভদ্রলোক সবসময় চোখে চোখে রাখতেন বউকে, একদম চোখের আড়াল করতেন না। কোনো পরপুরুষের সঙ্গে স্ত্রীকে কথা বলতে দেওয়া দূরের কথা, কাউকে তাঁর সুন্দরী বউয়ের ওপর মুগ্ধ দৃষ্টি বুলোতে দেখলে তিনি অগ্নিশর্মা হয়ে উঠতেন। ভালো কথা, ভদ্রলোকের পদবিও ছিল আপনার মতো ঘোষ।

    ‘তখন পুরীতে হোটেল এত বেশি ছিল না, তাই নির্জনতা সত্ত্বেও অনেকেই হৃতস্বাস্থ্য উদ্ধারের আশায় এই হোটেলে আস্তানা গাড়তেন। মি ঘোষের বউয়ের নাম ছিল মালবিকা। গরিবের ঘরের সুন্দরী মেয়ে, অবস্থার বিপাকেই বয়সের অনেকটা পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও একজন প্রৌঢ়কে স্বামিত্বে বরণ করতে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন একথা বলা বাহুল্য। মি ঘোষ দীর্ঘকাল কঠিন অসুখে ভুগে ডাক্তারদের পরামর্শ মতো পুরী এসেছেন, মাসখানেক থাকবেন। দিন দশেক পর কাশীনাথ নামে একজন যুবক এই হোটেলে এসে উঠল। কাশীনাথ কলকাতার এক ধনী ব্যবসায়ীর একমাত্র সন্তান, পুরী বেড়াতে এসেছে। কাশীনাথের যেমন সুন্দর স্বাস্থ্য তেমনি সে ছিল সুপুরুষ। মালবিকাকে দেখে প্রথম দর্শনেই সে মুগ্ধ হল, তার চোখে-মুখে যে সপ্রশংস ভাব ফুটে উঠল তা মালবিকার দৃষ্টি এড়াল না। তার বন্দি বিহঙ্গিনী জীবন যেন একটা ঝোড়ো হাওয়ায় চঞ্চল হয়ে উঠল। প্রথম দু-দিন শুধু চোরা চোখের চাউনি দিয়েই ওরা পরস্পরের মনোভাব বুঝে নিয়েছিল, তারপর মি ঘোষের চোখকে ফাঁকি দিয়ে তাদের গোপনে দেখাসাক্ষাৎ শুরু হল। তবে মি ঘোষের চোখকে ফাঁকি দিতে তারা পারেনি, পরের ঘটনা শুনলেই তা আপনি বুঝতে পারবেন।

    ‘কাশীনাথ মালবিকাকে বোঝাল, এক প্রৌঢ়ের সঙ্গে ব্যর্থ জীবন কাটাবার কোনো মানেই হয় না। তার সুন্দর জীবনটা কেন সে নষ্ট করবে। তার চাইতে সে স্বামীকে ত্যাগ করে কাশীনাথের সঙ্গে চলুক, ও তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে ঘরে তুলবে। মালবিকা প্রথমে তার প্রস্তাবে রাজি হয়নি, সংস্কারই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু কাশীনাথের যুক্তিতর্ক আবেগের কাছে তার সমস্ত প্রতিরোধ বন্যার জলে কুটোর মতো ভেসে গেল। ওরা ঠিক করল, এক রাত্রে মি ঘোষকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আচ্ছন্ন করে রেখে পালাবে।

    ‘ওরা যখন এই ফন্দি আঁটছিল, তখন মি ঘোষ অন্ধকারের আড়ালে নিজেকে গোপন রেখে তাদের সব কথা শুনছিলেন, আর তাঁর চোখে-মুখে ফুটে উঠেছিল জিঘাংসার এক পৈশাচিক ছাপ।

    ‘আগেই বলেছি, সেটা ছিল এক পূর্ণিমার রাত। সব আয়োজন ঠিক। কাশীনাথ ওষুধের দোকান থেকে কয়েকটা ঘুমের ওষুধের বড়ি কিনে মালবিকার হাতে দিল। রাত্রে শুতে যাবার আগে মি ঘোষের এক গ্লাস জল খাওয়া বরাবরের অভ্যেস, সেই জলে মালবিকা সুযোগ বুঝে বড়ি মিশিয়ে দেবে।

    ‘মালবিকার মনে সেদিন সকাল থেকেই আশা ও আশঙ্কার যে প্রচণ্ড ঝড় উঠেছিল, তা অনুমান করতে কষ্ট হয় না।

    ‘কথা ছিল, রাত ঠিক বারোটার সময়, মি ঘোষ যখন ঘুমের বড়ির প্রভাবে আচ্ছন্ন থাকবেন, কাশীনাথ তাঁদের ঘরের দরজায় মৃদু করাঘাত করবে আর মালবিকাও সঙ্গেসঙ্গে একবস্ত্রে বেরিয়ে পড়বে। কিন্তু ব্যাপারটা ঘটে গেল উলটো।

    ‘রাত্রে খাবার সময় মি ঘোষ এক ফাঁকে মালবিকার জলের গ্লাসে গুঁড়ো করা ঘুমের বড়ি মিশিয়ে দিলেন। ফলে ঘরে ফিরে আসার কিছুক্ষণ পরই মালবিকা ঘুমিয়ে পড়ল। গভীর সে-ঘুম। আর মি ঘোষ অন্ধকার ঘরে অপেক্ষা করতে লাগলেন। তাঁর চোখ দুটো হিংস্র শ্বাপদের মতোই জ্বলছিল।

    ‘ঠিক রাত বারোটার সময় দরজায় শব্দ হল, ঠক ঠক ঠক।

    ‘আস্তে আস্তে দরজা খুলে গেল। আর জানলা দিয়ে এসে পড়া এক ঝলক চাঁদের আলোয় কাশীনাথ যা দেখল, তাতে সে আতঙ্কে দু-পা পেছিয়ে গেল। কোথায় মালবিকা! মূর্তিমান যমের মতো দাঁড়িয়ে আছেন মি ঘোষ। তাঁর চোখে-মুখে হিংস্র শ্বাপদের অভিব্যক্তি, হাতে উদ্যত ছোরা।

    ‘কাশীনাথ আর আত্মরক্ষার সময় পেল না, মি ঘোষ তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন। তীক্ষ্ন অস্ত্র হৃৎপিণ্ড বিদ্ধ করল। কাশীনাথের পরনে ছিল ধুতি পাঞ্জাবি। পাঞ্জাবির বুকের কাছটা রক্তে ভিজে একটা গোল আকার ধারণ করল। এসব কথা অবশ্য বিচারের সময় জানা গিয়েছিল।

    ‘বিচারে মি ঘোষের ফাঁসি হয়।

    ‘আর মালবিকা! তার যখন ঘুম ভাঙল, তখন সব শেষ হয়ে গেছে। চারদিকে রক্তের ছড়াছড়ি, আর কাশীনাথের রক্তাক্ত মৃতদেহটা দরজার কাছে পড়ে আছে। বীভৎস সেই দৃশ্যে মালবিকা বুক-ফাটা আর্তনাদ করে উঠল, তারপরই সে যেন পাথর হয়ে গেল।

    ‘এই ঘটনার পর মালবিকাও আর বেশিদিন বাঁচেনি। মরবার আগে একবার মাত্র সে মুখ খুলেছিল। বলেছিল, কাশীনাথ আবার আসবে, আমি ওর জন্য অপেক্ষা করব।

    ‘মি পট্টনায়ক আর একটা সিগার ধরিয়ে আবার বলতে শুরু করলেন, ক্রমে লোকে এই ঘটনা ভুলে গেল। ঠিক পাঁচ বছর পরে এক বয়স্ক ভদ্রলোক তাঁর দ্বিতীয়পক্ষের স্ত্রীকে নিয়ে ওই ঘরটায় ছিলেন। সেটা ছিল আজকের তারিখ, অর্থাৎ যে রাত্রে কাশীনাথ খুন হয়েছিল। মাঝরাত্রে হঠাৎ দরজায় ঠক ঠক শুনে ভদ্রলোক এবং তাঁর স্ত্রী জেগে উঠলেন। দরজা খুলে দিতেই এক ভয়াবহ দৃশ্য তাঁদের চোখে পড়ল। আবছা অন্ধকারে যেন একটা ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে আছে। তার জামার বুকের কাছটা রক্তাক্ত, আর তার দু-চোখে যেন প্রাণহীন দৃষ্টি।

    ‘ভদ্রলোক ভীষণ ভয় পেয়ে সঙ্গেসঙ্গেই হার্টফেল করেন, আর তাঁর স্ত্রী মূর্ছা যান। যখন তাঁর জ্ঞান হল তখন তিনি উন্মাদিনী।

    ‘এরপর থেকে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর এক পূর্ণিমা তিথির মাঝরাতে ওই ঘরের দরজায় নাকি করাঘাত শোনা যায়।

    ‘মি পট্টনায়ক থামলেন। একটু চুপ করে থেকে যেন আপন মনেই তিনি বললেন, আজ সেই কালরাত্রি, আর আপনারা আছেন সেই অভিশপ্ত ঘরে। আপনি একটু বেশি বয়সেই বিয়ে করেছেন। আর আপনার স্ত্রী সুন্দরী। কী ভয়ানকভাবে সব মিলে যাচ্ছে!

    ‘মি পট্টনায়কের কথা শুনে আমি হেসে উঠলাম। বললাম, এই বিংশ শতাব্দীতে এসব আজগুবি কাহিনি আপনি বিশ্বাস করেন?

    ‘ভদ্রলোক সঙ্গেসঙ্গে উত্তর দিলেন না, যেন কী ভাবলেন। তারপর বললেন, এই ঘটনার সময় আমি এখানে ছিলাম, আমার বয়স তখন পনেরো। সেই বীভৎস ঘটনা আমার মনে এমন দাগ কেটেছিল যে, এখনো সব কিছু যেন আমার চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছে। একটা ব্যাপার আমার কাছে আশ্চর্য লাগছে, মালবিকার সঙ্গে আপনার স্ত্রীর অদ্ভুত সাদৃশ্য। দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর পরেও, ওঁকে দেখে প্রথম দিন আমি চমকে উঠেছিলাম।

    ‘ভদ্রলোকের কথা শুনে আমার পিঠের শিরদাঁড়া বেয়ে যেন একটা হিম শিহরন বয়ে গেল।

    ‘মি পট্টনায়ক বললেন, আমি প্রেততত্ত্ব নিয়ে একটু ঘাঁটাঘাঁটি করি। ওই ঘটনার পাঁচ বছর পরে দ্বিতীয় ঘটনা এবং তারপর প্রতি পাঁচ বছর অন্তর দরজায় করাঘাত আমাকে কৌতূহলী করে তোলে। গত কুড়ি বছর ধরে এই কালরাত্রে কী-একটা দুর্নিবার আকর্ষণে আমি এখানে না এসে পারি না। ওই ব্যাপারে এই হোটেলে দুর্নাম ছাড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগেনি, তাই পারতপক্ষে কেউ এই হোটেলে ঘেঁষতে চান না। শুধু যাঁরা জানেন না, তাঁরাই এই হোটেলে এসে ওঠেন। দেখছেন না, আজ হোটেল ফাঁকা। যে চাকরটা আমাদের খাবার দেয়, তাকেও দেখা যাচ্ছে না। একটু পরেই ম্যানেজার নিজের হাতে খাবার দিয়ে চলে যাবেন, রাত দশটার পর কাউকেই আপনি পাবেন না।

    ‘আমি বললাম, কিন্তু আপনি…!

    ‘মি পট্টনায়ক একটু হাসলেন। তারপর বললেন, আমার ভয় নেই, এক সিদ্ধ বাবাজির মন্ত্রপূত কবচ ভূত-প্রেতের হাত থেকে আমার সবসময় রক্ষা করে। তবে আপনাদের কথা আলাদা। আপনি যদি আমার কথা শোনেন, তবে আমি বলব, আপনারা এই মুহূর্তে এই হোটেল ছেড়ে চলে যান।

    ‘আমি বললাম, এই রাত্রে কোথায় যাব! কোনো হোটেলেই জায়গা হবে না।

    ‘মি পট্টনায়ক বললেন, কোথাও জায়গা না পান, স্টেশনে গিয়ে রাত কাটান, আপনাদের ভালোর জন্যই বলছি।

    ‘ঠিক এই সময় হোটেলের ম্যানেজার আমার হাতে একটা টিফিন ক্যারিয়ার দিয়ে বললেন, আজ লোকজন নেই— আপনাদের খাবারটা এর মধ্যে দিয়ে দিলাম, ঘরেই খেয়ে নেবেন।

    ‘আমি পুতুলের মতো হাত বাড়িয়ে টিফিন ক্যারিয়ারটা নিলাম।

    ‘মি পট্টনায়ক হঠাৎ চেয়ার ছেড়ে উঠে হোটেলের ভেতর চলে গেলেন।

    ‘আমি ঘরে এসে দেখলাম, মানসী অঘোরে ঘুমুচ্ছে। বিকেলে মাথার যন্ত্রণায় ও সত্যি কষ্ট পাচ্ছিল। এখন শান্তভাবে ঘুমুচ্ছে দেখে, আমি আর ওকে জাগালাম না। একাই খেয়ে নিলাম। একটা সিগারেট ধরিয়ে আমি ভাবতে লাগলাম, মি পট্টনায়কের কথায় কতটা গুরুত্ব দেওয়া উচিত। শেষ পর্যন্ত ভেবে দেখলাম, মানসীর এই অসুস্থ অবস্থায় ওকে উঠিয়ে উদ্দেশ্যহীনভাবে হোটেল থেকে বেরিয়ে পড়ার কোনো অর্থ হয় না। রাত্রে একটু সাবধান থাকলেই চলবে। তা ছাড়া ভূতুড়ে গল্পে আতঙ্কিত হয়ে পালিয়ে যাওয়াটাও আমার পৌরুষে লাগল।

    ‘প্রায় রাত দশটা পর্যন্ত আমি একটা গল্পের বই পড়লাম। তারপর আমার হাই উঠতে লাগল। দরজাটা বন্ধ করে, আলো নিভিয়ে আমি শুয়ে পড়লাম। আর প্রায় সঙ্গেসঙ্গেই গাঢ় ঘুম আমাকে গ্রাস করল।

    ‘হঠাৎ কেন জানি না, আমার ঘুমটা ভেঙে গেল! খোলা জানলা দিয়ে চাঁদের আলো ঘরে ঢুকেছে। সেই আলোতে আমি অবাক হয়ে দেখলাম মানসী খাটের ওপর উঠে বসেছে। ওর দু-চোখ দরজার দিকে, যেন কিছু একটার জন্য ও সাগ্রহে প্রতীক্ষা করছে।

    ‘ঠিক সেই সময় একটা দেয়াল ঘড়িতে ঢং ঢং করে বারোটা বাজল। আর আমি স্পষ্ট শুনতে পেলাম, কেউ যেন জুতো পায়ে সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠে আসছে। আমার সমস্ত শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠল। ভয়ে আমি যেন মূক হয়ে গেছি।

    ‘মানসী আস্তে আস্তে খাট থেকে নেমে দাঁড়াল। ওর দু-চোখে যেন আকুল প্রত্যাশা। তারপরই আমি শুনলাম ঠক ঠক ঠক। দরজায় কেউ যেন করাঘাত করছে।

    ‘মানসী দু-হাত বাড়িয়ে আত্মনিবেদনের ভঙ্গিতে দরজার দিকে প্রায় ছুটে গেল।

    ‘আর সেই মুহূর্তে আমার সম্বিত ফিরে এল। আমি একলাফে ওকে জাপটে ধরলাম। মানসী আমার হাত থেকে নিজেকে মুক্ত করবার জন্য উন্মাদিনীর মতো যুঝতে লাগল। আঁচড়ে কামড়ে আমাকে ক্ষতবিক্ষত করে তুলল। কিন্তু আমি আমার বাহুবন্ধন শিথিল করলাম না। আমার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় যেন আমার কানে কানে বলছিল, মানসী ছাড়া পেলেই দরজা খুলে দেবে, আর তারপর সর্বনাশ হয়ে যাবে।

    ‘এদিকে দরজায় ঠক ঠক শব্দটা বেজেই চলেছে। যে করাঘাত করছে, সে যেন ক্রমশই অধৈর্য হয়ে উঠছে। আমার সঙ্গে সমানে ধস্তাধস্তি করে মানসী যেন ক্লান্ত হয়ে পড়ছিল। তারপর একসময় ও জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।

    ‘আমি ওকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম, তারপর দরজার কাছে গিয়ে বেশ জোরে জোরে ‘রাম’ নাম করতে লাগলাম। আশ্চর্য, দরজায় করাঘাতের শব্দটা যেন থেমে গেল, তারপর যেন কেউ ক্লান্ত পদক্ষেপে সিঁড়ি দিয়ে আবার নীচে নামতে লাগল। আমার ঘরের জানলা দুটো ছিল সমুদ্রের দিকে মুখ করা, রাস্তাটাও সমুদ্রের ধার দিয়ে চলে গেছে। আমি একটা জানলার সামনে দাঁড়ালাম। পরক্ষণেই ধুতি-পাঞ্জাবি পরা একটা মূর্তি যেন অনেকটা টলতে টলতে হোটেল থেকে বেরিয়ে এল। তার হাঁটা-চলার ভঙ্গি অদ্ভুত, হাত দুটো যেন শরীর থেকে আলগাভাবে ঝুলছে, যেন দম দেওয়া একটা দানবীয় পুতুল টলতে টলতে এগোচ্ছে। হঠাৎ মূর্তিটা ফিরে আমার দিকে তাকাল আর আমার সমস্ত শরীরে যেন একটা বিদ্যুৎ-শিহরন বয়ে গেল। ফুটফুটে জ্যোছনায় আমি স্পষ্ট দেখলাম তার মুখ অস্বাভাবিক সাদা, যেন এক ফোঁটা রক্ত নেই মুখে, ঘোলাটে দু-চোখে যেন একটা তীব্র ধিক্কারের চিহ্ন ফুটে উঠেছে। আর তার পাঞ্জাবির বুকের কাছে গোল রক্তের ছাপ। বোধ হয় মুহূর্তকাল সে আমার দিকে তীব্র দৃষ্টিতে তাকিয়েছিল, তারপরই আমি অজ্ঞান হয়ে যাই।

    ‘যখন আমার জ্ঞান হল তখন সবে ভোর হয়েছে, মানসী বিছানায় অঘোরে ঘুমোচ্ছে।’

    বরেন তার কাহিনি শেষ করল তারপর আর একটা সিগারেট ধরিয়ে বলল, মানসীকে এ নিয়ে আমি কোনো কথা বলিনি, মানসীও এ নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য করেনি। আমার ধারণা সেরাত্রে যা ঘটেছিল তা ওর মনে নেই, যেন একটা ঘোরের মধ্য দিয়ে ওর রাতটা কেটেছে, কিন্তু তারপর থেকেই ওর একটা আশ্চর্য পরিবর্তন আমি লক্ষ করেছি। গত দু-বছরে ওই তিথিতে ও যেন কেমন চঞ্চল হয়ে ওঠে, পুরী বেড়াতে যেতে চায় আর মাঝরাত্রে উঠে দরজার দিকে তাকিয়ে থাকে। ওকে চোখে রাখবার জন্য, রাত্রে আমি ভালো করে ঘুমুতে পর্যন্ত পারি না। সেটা অবশ্য এমন কিছু নয়, আমি ভয়ে কাঁটা হচ্ছি এই ভেবে যে, আর তিন বছর বাদে ওই তারিখে আবার না জানি কী ঘটে। ভালো কথা, ওই রাত্রে ধস্তাধস্তির সময় মানসী বারকয়েক ‘কাশীনাথ’ ‘কাশীনাথ’ বলে চেঁচিয়ে উঠেছিল।

    বরেন চুপ।

    আমি স্তম্ভিত হয়ে ভাবতে লাগলাম, মানসীই কি পঞ্চাশ বছর আগেকার মালবিকা! সমস্ত ঘটনাটাই কি সেই পুরোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি মাত্র! কিন্তু তাও কি সম্ভব!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅদ্বিতীয় সত্যজিৎ : সত্যজিতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী – মঞ্জিল সেন
    Next Article উপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    Related Articles

    মঞ্জিল সেন

    ভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    উপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    অদ্বিতীয় সত্যজিৎ : সত্যজিতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }