Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভিখারি – নগীব মাহফুজ : অনুবাদ – রাফিক হারিরি

    রাফিক হারিরি এক পাতা গল্প158 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভিখারি – ৩

    তিন

    এখন থেকে তুমি নিজেই ডাক্তার। তুমি স্বাধীন। আর মুক্ত থেকে যে কাজ করা হয় সেটা সৃষ্টিশীল কাজ বলে মনে করা হয়। এমনকি সেটা যদি শরীরের মেদ কমানোর কাজও হয়ে থাকে। আমরা যদি বলি মানুষকে শুধুমাত্র গোগ্রাসে খাওয়া আর উদরমুক্তির জন্য তৈরী করা হয়নি বরং আত্মার মুক্তির জন্য তৈরী করা হয়েছে তাহলে তুমি দেখতে আগস্টের মেঘগুলি কেমন চকচকে হয়ে পড়ত আর ঝড়ো বাতাসগুলি কেমন সুর করে গেয়ে উঠত।

    কিন্তু এখন এই মানুষের ভিড় আর ঘামের গন্ধের মাঝে ব্যায়াম করাটা তোমার জন্য খুব কষ্টকর একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তোমার পাগুলো এমনভাবে চলছিল যে মনে হচ্ছিল তুমি এই প্রথমবারের মতো কিভাবে হাঁটতে হয় সেটা শিখছ। চোখদুটি দানবের চোখের মতো যেন বড় হয়ে বের হয়ে আসছিল। ক্লান্ত হয়ে সে পাশেই একটা বেঞ্চে বসে পড়ল। পচিশ বছরের অন্ধত্ব নিয়ে যেন তুমি মানুষগুলিকে দেখছিলে।

    এভাবেই হয়তো নদীর তীর আদম আর হাওয়ার সৃষ্টি দৃশ্য দেখেছিল। অথচ তাদের কেউই জানত না কে স্বর্গ থেকে বের হয়ে পৃথিবীতে আসছে। কায়রোর ছোট্ট এক কর্মচারীর ছেলে কোনো অভিযোগ ছাড়াই দীর্ঘ একটা যৌবন হেঁটে পার করে ফেলেছে অথচ তার পরবর্তী প্রজন্ম একটু হাঁটতে গিয়ে মাটির সাথে যুদ্ধ করছে আর মানসিক অবসাদে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। অতীত খুব শীঘ্রই খাঁচার ভেতর থেকে বের হয়ে আসবে আর অনেক বেশি যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

    ‘ওসমান তুমি আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছ কেন?’ ওমর বলল।

    ‘তুমি কি ফুটবল খেলতে চাও না?’ ওসমান বলল।

    ‘আমি খেলাধুলা পছন্দ করি না।’

    ‘কবিতা ছাড়া কি আর কিছুই না?’

    ‘তোমার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থেকে বের হওয়ার উপায় নেই। আর তোমার সাথে তর্ক করেই কি লাভ। তুমি তো জানো কবিতা আমার জীবন। কবিতার দুটো লাইন আমার কাছে প্রজাপতির দুটো পাখার মতো স্বৰ্গীয় নাচ নাচতে নাচতে আকাশে মিলিয়ে যায়। ব্যাপারটাতো এমনই ঠিক না মোস্তফা?’

    টেকো মাথার মোস্তফা বলল, ‘আমাদের চারপাশে যে কোনো কিছুরই অস্তিত্ব এক নিখুঁত শিল্পকর্ম ছাড়া আর কিছু না।’

    একদিন ওমরের বন্ধু সমাজতন্ত্র আন্দোলনের ছাত্রনেতা ওসমান একটা আন্দোলনের আড্ডায় বেশ সোরগোল করেই বলেছিল, ‘আমাদের সব ধরনের সমস্যার একটা যাদুকরি সমাধান আমি পেয়েছি। আমরা সর্বোচ্চ একটা আদর্শিক রাষ্ট্রে পৌঁছতে পারি। কবিতার ছন্দগুলো আজ প্রকম্পিত বিস্ফোরণে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্ব নয় আমরা আরেক মাধ্যাকর্ষণের কথা বলছি যাকে কেন্দ্র করে এক কাল্পনিক ভারসাম্যে সবকিছু ঘুরপাক খাচ্ছে। একটা আরেকটার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে না আবার একটার উপর আরেকটা পড়ছে না। কিন্তু যখনই আমরা কোনো কষ্ট আর বাধার মুখোমুখি হই তখনি আমরা পরিণতি খারাপ হওয়ার পরেও আরামদায়ক বিছানার দিকে ছুটে যাই। শরীরের মেদ আর থলথলে চর্বিকে মেনে নিয়ে হাঁটার পরিবর্তে দামী কেডিলাক গাড়িতে করে ছুটে বেড়াই।’

    সমুদ্র সৈকতে নানা রং-এর ছাতাগুলো একটার সাথে আরেকটা মিশে দাঁড়িয়ে আছে। দেখে মনে হচ্ছে বিচিত্র রকমের কোনো দুর্গ। ছাতাগুলোর নিচে প্রায় অর্ধ- উলঙ্গ শরীরগুলো শুয়ে আছে। সমুদ্রের তীরে ঘামের কটু দুর্গন্ধ ছড়িয়ে আছে আর সূর্যটা প্রখর তাপ দিয়ে যাচ্ছে।

    বাছিনা হাসি হাসি মুখে দাঁড়িয়েছিল। মেদহীন চমৎকার গড়ন। তার তামাটে হাত আর পা দেখা যাচ্ছে। মাথার চুলগুলো নীল রঙের সুতির একটা টুপি দিয়ে ঢাকা।

    ওমর নিজেও প্রায় অর্ধউলঙ্গ অবস্থায় শুয়ে আছে। তার বুকের কালো লোমগুলো সূর্যের দিকে মুখ করে বুক উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। তার ছোট মেয়ে জামিলা পায়ের কাছে বসে বালি দিয়ে পিরামিড বানাচ্ছিল। স্ত্রী জয়নাব পাশে চামড়ার একটা খাটিয়ার উপর হেলান দিয়ে শুয়েছিল। তার ভারী শরীর আর বুকের দিকে নির্লজ্জ মানুষগুলো প্রায় নিষ্পলক তাকিয়ে ছিল।

    প্রিয় মোস্তফা,

    শিল্পসাহিত্য নিয়ে আমি তোমার সাপ্তাহিক নিবন্ধটি পড়েছি। খুবই অসাধারণ আর ধারালো একটা নিবন্ধ। তুমি বলেছ যে তুমি হলে খই আর দুধ বিক্রেতা। এই সব কথা ছাড় আসল কথা হলো সূক্ষ্ম বিশ্লেষণীমূলক কলম চালনায় তোমার রয়েছে ভালো অভিজ্ঞতা। এমনকি ঠাট্টা করেও তুমি যেটা লেখ সেখানেও একটা শৈলী থাকে।

    তোমাকে ধন্যবাদ যে তুমি আমাদের বিষয়ে জানতে চেয়েছ, যদিও এটা ছিল খুবই সংক্ষিপ্ত। তোমার প্রবন্ধগুলোর জন্য এই চিঠিগুলোকে তুমি দ্বিতীয় স্তরে রাখতে পার। কিন্তু এই মুহূর্তে তোমার সাথে আমার দীর্ঘ একটা বৈঠক দেয়ার প্রয়োজন। জয়নাব ভালো আছে। সে তার অভিবাদন তোমাকে জানিয়েছে। এবং তোমার প্রয়োজনীয় ঔষুধগুলোর কথা তোমাকে মনে করিয়ে দিতে বলেছে। আমি মনে করি তার এই অহেতুক উদ্বেগজনিত সমস্যা খুব স্বাভাবিক। তুমি তো জানো কিছু হলেই ওষুধের প্রতি তার একটা স্বাভাবিক দূর্বলতা আছে। সে ওষুধ পছন্দ করে। বাছিনা বেশ আনন্দে আছে। আমি যেভাবে চাইছিলাম সেভাবে বাছিনার মনটা আমি এখন পড়তে পারছি। তবে জামিলাকে নিয়ে আমরা সবাই খুব সুখে আছি। কারণ সে এখনো কিছুই বোঝে না। তুমি আমার উন্নতির কথা শুনলে অবাক হবে। আমি পনের পাউন্ড ওজন এর মধ্যে কমিয়ে ফেলেছি, এক হাজার কিলোমিটার হেঁটেছি, কয়েক টন মাংস খাওয়া থেকে বিরত থেকেছি। ডিম, মাখন, দুধ তৈল মাছ সব কিছু পরিহার করেছি। আমি বুঝতে পেরেছি খাবারের প্রতি আগ্রহ শুধু মৃত্যুকেই ডাকে। তুমি ছাড়া যখন আমি অন্য কাউকে আর কথা বলার মতো খুঁজে পেলাম না তখন আমি নিজেই নিজের সাথে কথা বলছি। জয়নাব কথাবার্তায় যদিও খুব সংযমী কিন্তু তারপরেও আমি বুঝতে পারছি না কেন এই শান্ত সংযমী কথাবার্তা আমাকে খুব বিরক্ত করছে। সমুদ্র থেকে এক কিলোমিটার দূরে একটা উন্মাদ লোকের সাথে আমার দেখা হয়েছিল। সে তার পাশ দিয়ে যেই যাচ্ছিল তাকেই লক্ষ্য করে নেতাদের মতো হাত তুলে দুর্বোধ্য ভাষায় কথা বলছিল। একমাত্র তার কথাবার্তাই আমি মুগ্ধ হয়ে শুনছিলাম। বেশ মজা পেয়েছিলাম তার কথা শুনে। সে আমাকে দেখে বলল, ‘আমি কি তোমাকে বলিনি?’

    আমি বেশ গুরুত্ব দিয়ে বললাম, ‘হ্যাঁ  বলেছ।’

    ‘তাহলে লাভটা কি হলো? আগামীকালই পুরো নগরীটা ভরে যাবে বোয়াল মাছে তখন তো তুমি পা রাখার জন্য এক ইঞ্চি জায়াগাও পাবে না।’

    ‘পৌরসভার উচিত…’

    সে আমার কথার মাঝখানে বাধা দিয়ে বলল, ‘পৌরসভা কিছুই করবে না। বরং তারা পর্যটনের জন্য আরো উৎসাহের সাথে এটাকে স্বাগতম জানাবে। ফলে এখানকার অবস্থা এমন হবে যে এলাকার বাসিন্দারা পালাবে আর কৃষিকাজের রাস্তাগুলো অভিবাসীদের লাইন দিয়ে ভরে যাবে। আর এই সমস্ত কারণে মাছের দাম বাড়তেই থাকবে।’

    আমি তার মনটাকে পড়তে চাইছিলাম। যাই হোক আমি এখন একটা সুখী পরিবারের বাবা। আমি খুব সন্তর্পণে দেখছি যখন বাছিনাকে আমি গোপনে কানে কানে কিছু বলছি তখন জামিলা আমাদের উপর সমুদ্রের বালি নিয়ে চড়াও হচ্ছে। যালিমে আমাদের বাড়িটা খুবই আরামপ্রদ আর বিলাসবহুল। গতকাল আমরা যখন বিচের কেবিনে ছিলাম তখন আমাদের এক প্রতিবেশী বলল যে অ্যাপার্টমেন্ট বাড়িগুলো সরকার জাতীয়করণ করে ফেলবে। জয়নাবের মুখটা বিবর্ণ হয়ে গেল। সে আমার দিকে সাহায্যের জন্য তাকাল। আমি বললাম, ‘আমাদের অনেক টাকা আছে।’

    সে জিজ্ঞেস করল, ‘টাকা কি আমাদের রক্ষা করতে পারবে?’

    ‘আমরা আমাদের ভাগ্যের বিরুদ্ধে অনেকগুলো ইন্সুরেন্স করে রেখেছি।’

    সে আবারো উদ্বেগ মেশানো গলায় বলল, ‘কিন্তু তুমি নিশ্চিত হলে কিভাবে..?’

    আমি তাকে বাধা দিয়ে বললাম, ‘তার আগে তুমি আমাকে বলো তুমি এত মোটা কিভাবে হয়ে গেলে?’

    সে বলল, ‘তোমার যৌবনে তুমি তাদের মতো ছিলে। সমাজতন্ত্র ছাড়া তুমি আর কোনো কথা বলতেই পছন্দ করতে না। আমি মনে করি এটা এখনো তোমার রক্তের ভেতরে আছে।’

    তার পর সে আমাকে আবারো মনে করিয়ে দিল আমি যেন তোমাকে ঠিক মতো ঔষুধের কথা বলি। মোস্তফা আমি কোনো কিছুকেই গুরুত্ব দেই না। সত্যি কথা বলতে কি কোনো কিছুই আমাকে উদ্বেগী করে না। আমি জানি না আমার কি ঘটতে যাচ্ছে। আমার কাছে সব ধরনের কথাবার্তা অর্থহীন মনে হয়। দৈবাৎ একদিন আমি অন্ধকারে দুইজন প্রেমিকপ্রেমিকার কথা বার্তা শুনেছিলাম।

    প্রেমিকটি বলছিল, ‘প্রিয়তমা এটা খুব বিপজ্জনক হয়ে যাচ্ছে।’

    মেয়েটি বলল, ‘তার মানে এটার অর্থ হলো তুমি আমাকে ভালবাস না।’

    ‘কিন্তু তুমি তো খুব ভালো করেই জানো আমি তোমাকে ভালবাসি।’

    ‘তুমি খুব যুক্তিপূর্ণভাবেই কথা বলছ যার অর্থ তুমি আমাকে ভালবাস না।’

    ‘তুমি কি দেখনি আমি একজন বয়ঃপ্রাপ্ত বিবাহিত দায়িত্ববান পুরুষ।’

    ‘তুমি আমাকে শুধু বলো যে তুমি কি আর আমাকে ভালবাস না?’

    ‘আমরা একসাথেই ধ্বংস হয়ে যাব আর আমাদের বাড়িঘরগুলো ধ্বংস করে দেব।’

    ‘তুমি কি এই সব আজেবাজে কথা বন্ধ করবে।’

    ‘তোমার নিজের স্বামী আছে মেয়ে আছে, আমার স্ত্রী আছে সন্তান আছে।’

    ‘আমি তো বলেছি আমাকে আর ভালবাসার দরকার নেই।’

    ‘কিন্তু আমি তোমাকে ভালবাসি।’

    ‘তাহলে ভালবাসা ছাড়া আমার আর কোনো স্মৃতি রইল না।’

    আমি বেশিক্ষণ এই চমকপ্রদ গোপন কাহিনীর পাশে না থেকে চলে আসলাম আর মনে মনে হাসলাম মহিলাটার সাহস দেখে আর লোকটার আতঙ্ক দেখে। কিন্তু তারা অনেক দিন পর আমার বুকের ভেতর পুরাতন এক বন্ধুর কথা মনে করিয়ে দিল। সেটা হলো ভালবাসা। প্রেম। আল্লাহ জানে কত দীর্ঘকাল হয়েছে ভালবাসা ছাড়া আমি কাটিয়েছি। কিভাবে আমি একজন প্রেমিকার হৃদয়ে আবার ঢুকতে পারি। তুমি তো জানো জয়নাব আমার একমাত্র ভালবাসা। কিন্তু সেটাতো ছিল বিশ বছর আগে।

    এখানে আমি আমার ওজন কমানোর চেষ্টা করছি আর জয়নাবকে দেখছি একটা পরিবারের ভিত্তি রক্ষায় পরিচালকের ভূমিকায়। বিশ্বাস করো আমি সত্যি বলছি কোনো কিছুতেই এখন আমি আর আগ্রহ পাই না। আমি জানিনা আমার কি হতে যাচ্ছে বা কি পরিবর্তন হচ্ছে। আনন্দ করো বন্ধু। আমি আমার স্বাস্থ্য রক্ষা করছি কিন্তু আসলে আমি পাগল হতে যাচ্ছি।

    আমার মনে হয় তুমিই খুব ভাগ্যবান।

    .

    ‘ঔষুধের বিষয়ে তাকে লিখতে ভুলো না।’

    ‘আমি তাকে সেটা লিখেছি।’

    বাছিনা তুমি দেখতে কি সুন্দর। তোমার শারীরিক গঠন পৃথিবীর আনন্দের কথাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। আর আমি হলাম পুরনো একজন মানুষ। তোমার নির্দেশনার জন্য তোমার মাকে ঠিক করলাম। যাতে তুমি পৃথিবীকে বুঝতে পারো। এটা খুবই চিন্তার বিষয় যে তুমি জীবন সম্পর্কে কিছুই জানো না। আমি তোমাকে কাছে কাছে রাখছি। তোমার আর আমার মাঝে খোলামেলা কথা বলার পরও কি তুমি কিছু বিষয় আমার কাছে গোপন করো নি? সমুদ্র তীরের এই অর্ধ নগ্ন মানুষগুলো, বাতাসে সমুদ্রের ঢেউয়ে আকুল করা ঘ্রাণ কি তার মাঝে কোনো প্রভাব ফেলেনি। হা প্রভু সমাজটা যেন তার চিন্তাভাবনা আর ক্রিয়াকলাপের সাথে তাল মিলিয়ে চলে নয়তো সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    ওমর বাছিনাকে বলেছিল সে তখন ওমরের চেয়ারের পাশেই বালির উপর বসা।

    ‘ইতিপূর্বে একসাথে আমাদের এত ভালো সময় যায়নি।’

    ‘এটা তোমার দায়িত্ব ছিল।’

    ‘আমিতো সারাটা জীবন শুধু তোমাদের জন্যই অফিসে কাটালাম।’

    বাছিনা তার হাতের উপর ভর করে পেট আর বুক সূর্যের দিকে মুখ করে শুয়ে পড়ল। খোলা চকচকে আকাশ থেকে সূর্যের কিরণ তখন তার বুকে আর পেটের উপর পড়ছিল। আকাশে এক খণ্ড সাদা মেঘ ভেলার মতো ভেসে বেড়াচ্ছে। বাছিনার মা হাতের কাজ করছিল। সেখান থেকে মাথা না তুলেই বাছিনাকে বলল, ‘তাকে বলো যে তার স্বাস্থ্য এখন সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

    ‘অট্টালিকাগুলো জাতীয়করণের চেয়েও কি বেশি গুরুত্বপূর্ণ?’

    সে দৃঢ়ভাবেই বলল, ‘বাড়িঘরগুলো জাতীয়করণের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

    ওমর বলল, ‘সামাজিক উপযোগিতা আসলেই ভালো একটা বিষয়।’

    জয়নাব কিছুই বলল না।

    সে আবার বলল, ‘আমি যখন আবার স্বাভাবিক জীবনে চলে যাব তখন এমন একটা দর্শন চালু করব যেটা সত্যিকার অর্থে সুখই নিয়ে আসবে।’

    ‘আল্লাহ আমাদের সকল বিপদ থেকে রক্ষা করুক।’

    ‘আল্লাহ চায় আমরা যেন তার কাছে সকল মানুষের মঙ্গল প্রার্থনা করি।’

    তারপর সে জয়নাবের দিকে তাকিয়ে বেশ কৌশুলি চোখে বলল, ‘কিন্তু এই অবস্থায় আল্লাহ কিভাবে আমাদের প্রার্থনার উত্তর দিবেন?’

    জয়নাব তার কথার অর্থ বুঝতে পারল কিন্তু কোনো উত্তর দিল না। ওমরও প্রসঙ্গ ভুলে গিয়ে আরেকটা চিন্তায় ডুব দিল। সে এখন বেশ হাল্কা, প্রফুল্ল আর শক্তিবোধ করছে। একদিন বাছিনা তোমার কাছ থেকে আরেকজনের তত্ত্বাবধানে চলে যাবে। ঐযে দূরে বসে জামিলা বালির পিরামিড বানাচ্ছে সেও। তুমি আসলে কি চাও।

    তোমার মক্কেল তোমাকে বলেছিল, ‘আমি আমার কেসটা মহোদয়ের কাছে বিশ্বস্ততার সাথে অর্পণ করতে চাই।’

    কি হাস্যকর মাননীয় কাউন্সেলর। এই সব কিছুই জাতীয় সার্কাসের কাজের জন্য দিয়ে দেয়া হচ্ছে।

    নানা রকম অদ্ভুত চিন্তায় ওমর আবারো উৎকণ্ঠিত হয়ে পড়ল।

    ‘প্রিয়তম তোমার কি হয়েছে? তোমাকে খুব বিক্ষিপ্ত মনে হচ্ছে।’

    ‘না তেমন কিছু না।’

    ‘তুমি ঠিক আছ তো?’

    ‘আমি তাই মনে করি।’

    ‘কিন্তু আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় মনে হচ্ছে তোমার এখন একটু যত্ন নেয়া দরকার।’

    ‘অভিজ্ঞতাকে অবশ্য আমাদের গুরুত্ব দেয়া উচিত।’

    ‘আমি কি তোমাকে রান্নার বিষয়ে মতামত দিতে পারি।’

    ‘রান্নার জন্য কোনো মতামতের দরকার আছে কি?’

    জয়নাব বলল, ‘একজন সফল পরিতৃপ্ত ব্যক্তি শয়তানের দুষ্ট চোখের শিকার হতে পারে।’

    ‘তুমি সেটা বিশ্বাস করো?’

    ‘না বিশ্বাস করি না। কিন্তু মাঝে মাঝে সন্দেহ এক ধরনের ব্যাখ্যা খোঁজার চেষ্টা করে।’

    ‘তাহলে তোমাদের এখন সবার ভূতের ওঝার কাছে যেতে হবে।’

    ‘তুমি কি মনে করো ভূতের এই আছর তোমার চরিত্রে নেই?’

    ওমর হাসতে হাসতে বলল, ‘ছোটখাটো এই সব আছর তেমন কোনো ক্ষতিকর না।’

    ‘বাদ দাও এইসব কথাবার্তা।’

    তারা যখন বাড়ির পথে ফিরে যাচ্ছিল তখন জয়নাব তার দুই মেয়ের জন্য রাস্তায় ওমরের সাথে একটু দাঁড়াল।

    ‘তোমার জন্য আমার কাছে একটা সু-সংবাদ আছে।’

    কথা শুনে ওমর বেশ রহস্যময় ভাবে জয়নাবের দিকে তাকাল।

    ‘আমি বাছিনার মাঝে কিছু একটা লক্ষ্য করছি যেটা আগে কখনো দেখিনি।’

    ‘আগে কখনোই তুমি তার মাঝে এমন লক্ষ্য করো নি?’

    ‘হ্যাঁ। ওমর সে একজন কবি।’

    ওমর বিস্ময়ে তার ভ্রূ দুটি উপরের দিকে তুলে তাকাল।

    ‘আমি তাকে নিবিষ্ট মনে লিখতে দেখেছি। সে আমাকে নিশ্চিত করেছে যে এটা কবিতা ছিল। আমি হাসতে হাসতে তাকে বলেছিলাম.. ‘

    জয়নাব একটু ইতস্তত করছিল। তখন ওমর জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি তাকে কি বলেছিলে?’

    ‘আমি তাকে বলেছিলাম তুমিও কবি হতে যাচ্ছ।’

    সে ভ্রূ কুচকে বলল, ‘তুমি তাকে বলোনি এই কাজ করতে গিয়ে কিভাবে আমি এর শেষ করেছিলাম।’

    ‘কিন্তু এই বয়সে তার মতো একটা মেয়ের কবিতা লেখাতো দারুণ ব্যাপার।’

    ‘ঠিক আছে।’

    ‘এখন তুমি অবশ্যই তার কবিতাগুলো পড়বে আর তাকে উপদেশ পরামর্শ দিবে।’

    ‘আমার উপদেশের যদি কোনো গুরুত্ব থাকে তাহলে সেটা আমার জন্যই মঙ্গলজনক হবে।’

    ‘তুমি কি সংবাদটা শুনে খুশি হওনি?’

    ‘অনেক খুশি হয়েছি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article দ্য লিটল প্রিন্স – আন্তোইন দি সেইন্ট জুঁপেরী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Our Picks

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }