Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤷

    উদাসী রাজকুমার – ১.১

    ১

    উত্তর পাঞ্চাল রাজ্যের রাজধানী অহিচ্ছত্রপুরে এক মধ্যরাত্রে এক দারুণ বিপদ এসে হানা দিল। বাইরের কোনও শত্রুর আক্রমণের চেয়েও এই বিপদ আরও সাঙ্ঘাতিক। রাজ্যের সাধারণ প্রজা থেকে শুরু করে সৈন্যসামন্তরাও ছুটোছুটি করতে লাগল প্রাণভয়ে। চতুর্দিকে মহাকোলাহল।

    এই রাজ্যের রাজা এক বিশালকায় পুরুষ। যেমন লম্বা, তেমন চওড়া। পাত্র-মিত্রদের মাঝখানে দাঁড়ালে তাঁর মাথা অনেকখানি উঁচু হয়ে থাকে, আর তিনি যখন হাঁটেন, তখন মনে হয় এক চলন্ত পর্বত। এই রাজার নাম মহাচূড়ামণি।

    তবে এই রাজার বাহুবল যতখানি, সেই তুলনায় বুদ্ধিবল বেশ কম। তিনি ভালবাসেন যুদ্ধ করতে এবং ঘুমোতে। এক পক্ষকাল আগেই তিনি কাম্পীল্য নামে অন্য একটি রাজ্যের রাজধানী আক্রমণ করে ঘোরতর সংগ্রামের পর বিজয়ী হয়ে ফিরেছেন। সত্যিই দারুণ বীরত্ব দেখিয়েছেন তিনি সেই যুদ্ধে। আর কোনও দেশের রাজা নিজে অস্ত্র হাতে নিয়ে সেনাবাহিনীর একেবারে সম্মুখে গিয়ে যুদ্ধ করেন না। রাজা মহাচূড়ামণির রুদ্র মূর্তি দেখলেই বিপক্ষের সৈন্যদের বুক কাঁপে, তারা অস্ত্র ফেলে দিয়ে পালায়।

    যুদ্ধজয় করে দর্পের সঙ্গে ফিরে এসেছেন মহাচূড়ামণি, এখন তাঁর ঘুমোবার সময়। টানা এক মাস তিনি ঘুমোবেন। দিনে একবার জাগেন শুধু খাওয়ার জন্য। গোটা একটা হরিণের মাংস তিনি একাই শেষ করে দিতে পারেন, তার সঙ্গে অন্যান্য অনেক খাদ্য তো আছেই। এক-একদিন খেতে-খেতেই তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। তাঁর ঘুম একেবারে কুম্ভকর্ণের মতন।

    আজ এই বিপদের রাতেও কিছুতেই রাজার ঘুম ভাঙানো যাচ্ছে না। এইরকম ঘুমের সময় রাজপ্রাসাদ ছেড়ে রাজা মহাচূড়ামণি উদ্যানের মধ্যে অন্য একটি বাড়িতে থাকেন। রাজপ্রাসাদে অনেক মানুষজন, অসংখ্য দাস-দাসী, তাদের চলাফেরা ও কথাবার্তায় রাজার ঘুমের ব্যাঘাত হয়, তাই তিনি এক মাস এখানে একা কাটাবেন বলে স্থির করেছেন।

    মন্ত্রী, সেনাপতি ও অমাত্যরা সকলে মিলে একসঙ্গে ডাকাডাকি করেও ঘুম ভাঙাতে পারছে না রাজার। রাজার স্বর্ণময় খাটটি প্রায় সারা ঘরজোড়া, তিনি হাত-পা ছড়িয়ে চিত হয়ে শুয়ে আছেন। তাঁর নাসিকা- গর্জন মেঘের ডাকের মতন, তাঁর বিশাল ভুঁড়িটি নিশ্বাসের সঙ্গে-সঙ্গে উঠছে আর নামছে।

    রাজার গায়ে ঠেলা দিয়ে জাগাবার চেষ্টা করার সাহস কারও নেই। রাজ-অঙ্গ যে-কেউ স্পর্শ করতে পারে না। তা ছাড়া রাজার শিয়রের কাছে রাখা আছে তাঁর খাপসুদ্ধু তরবারি। কাঁচা ঘুম ভাঙালে রাজা মহা ক্রুদ্ধ হয়ে উঠবেন, চোখের সামনে যাকে প্রথম দেখবেন, তার কোনও কথা না শুনেই হয়তো তার মুণ্ডটা কেটে ফেলবেন ঘচাত করে।

    একমাত্র উপায় মহারানিকে ডেকে আনা। এ রাজ্যের সবাই জেনে গেছে, মহাশক্তিমান রাজা মহাচূড়ামণি এ-পৃথিবীতে শুধুমাত্র ভয় পান রানি তলতাদেবীকে। রানি তলতাদেবী তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমতী রমণী, তাঁর কাছে রাজা পদে পদে বুদ্ধিতে হেরে যান। রাজকার্য অধিকাংশই চলে রানির পরামর্শে। অনেক সময় বিচারসভায় রাজা কোনও লোককে ভুল করে শাস্তি দিতে গেলে রানি এসে বাধা দেন। রানির কাছে সুবিচার পেয়ে অনেকেই ধন্য-ধন্য করে তাঁর নামে। এ-দেশের সাধারণ মানুষ রাজাকে যমের মতো ভয় পায় বটে, কিন্তু তারা ভালবাসে রানি তলতাদেবীকে।

    রাজাকে জাগাবার জন্য এই উদ্যানভবনে রানিকে নিয়ে আসার জন্য দৌবারিকেরা ছুটে গেল। কিন্তু বিপদ ক্রমেই কাছে এগিয়ে আসছে। যত দেরি হবে, ততই সর্বনাশ। মস্ত বড় রাজপ্রাসাদের কোন কক্ষে রানি আছেন, তা খুঁজে বার করে তাঁকে সংবাদ দিতে-দিতেই অনেক সময় পেরিয়ে যাবে।

    রানি এসে পৌঁছনো পর্যন্ত অপেক্ষা না করেই রাজার শিয়রের কাছে এগিয়ে গেলেন রাজপুরোহিত ছম্ভী।

    রাজপুরোহিত ছম্ভীর ফরসা ছিপছিপে চেহারা, তাঁর মুখখানা চকচকে, কখনও দাড়ি-গোঁফ গজায়নি, মাথার চুলও পাতলা। তাঁর নাকটা বাজপাখির ঠোঁটের মতন, চোখ দুটি হীরের মতন উজ্জ্বল। মন্ত্রী-সেনাপতিরাও রাজপুরোহিতকে বিশেষ মান্য করে।

    এর আগে আর কখনও রাজাকে এমনভাবে ঘুম থেকে জাগাতে হয়নি। রাজার ভয়ঙ্কর মেজাজের কথা সবাই জানে। দরজার কাছে দাঁড়ানো রাজপুরুষেরা দারুণ উৎকণ্ঠার সঙ্গে তাকিয়ে রইলেন।

    রাজপুরোহিত ছম্ভী প্রথমে চক্ষু বুজে একটা মন্ত্র পাঠ করলেন। তারপর তাঁর ডান হাতখানি রাখলেন রাজার বুকের ওপর।

    সঙ্গে-সঙ্গে রাজা চোখ মেলে তাকালেন। এত ডাকাডাকিতেও তাঁর ঘুম ভাঙেনি, অন্যের সামান্য ছোঁয়াতেই জেগে উঠলেন তিনি।

    এত বড় শরীর নিয়েও রাজা মহাচূড়ামণি চোখের নিমেষে উঠে বসলেন, ডান হাতের থাবা দিয়ে ছম্ভীর টুটি চেপে ধরে বজ্রের মতন গর্জন করে উঠলেন, “কে? কে রে তুই?”

    দরজার কাছে রাজপুরুষেরা হাহাকার করে উঠলেন। মন্ত্রী দারুক বললেন, “মহারাজ, মহারাজ, ক্রোধ সংবরণ করুন! উনি রাজপুরোহিত! মহারাজ, শুনুন!”

    ততক্ষণে রাজা মহাচূড়ামণি ছম্ভীকে আছাড় মারার জন্য এক হাতেই শূন্যে তুলে ফেলেছেন।

    ছম্ভী কিন্তু ভয় পাননি। তিনি সেই অবস্থাতেই বললেন, “মহারাজ, আমি নিজের মৃত্যুর জন্য চিন্তা করি না, কিন্তু আমাকে মারলে আপনার ব্রাহ্মণ-হত্যার পাপ হবে! আমাকে নামিয়ে দিন, আমার কথা শুনুন!”

    রাজা মহাচূড়ামণির ঘুমের ঘোর এতক্ষণে কাটল। তিনি ছম্ভীকে মাটিতে নামিয়ে দিলেন। তারপর তাড়াতাড়ি তাঁর পায়ের ধুলো নিয়ে অস্ফুট গলায় বললেন, “রাজপুরোহিত? এত রাত্রে আপনি আমার কক্ষে এসেছেন কেন?” ছম্ভী কিছু বলার আগেই অন্যরা একসঙ্গে কথা বলে উঠল, কারও কথাই ঠিকমতন বোঝা গেল না।

    রাজা রক্তচক্ষে দরজার দিকে তাকাতেই সবাই চুপ হয়ে গেল।

    ছম্ভী তখন বললেন, “মহারাজ! দারুণ বিপদ। আগুন!”

    রাজা মহাচূড়ামণি ভুরু কুঁচকে বললেন, “আগুন? তার জন্য আমাকে জাগাতে হবে কেন? জল ঢেলে দিন!”

    ছম্ভী বললেন, “হে মহারাজ, এ যে-সে আগুন নয়, অতি সাঙ্ঘাতিক।” রাজা মহাচূড়ামণি বললেন, “বেশি আগুন তো বেশি করে জল ঢালার ব্যবস্থা করুন। প্রজাদের সেই কাজে লাগিয়ে দিতে পারেননি? এত সামান্য কারণে অসময়ে আমার ঘুম ভাঙানো উচিত হয়নি!”

    ছম্ভী বললেন, “হে মহারাজ, আমাদের সকলের অনুরোধ, আপনি একবার বাইরে আসুন। আপনি নিজের চক্ষে দেখলে বিপদের গুরুত্বটা ঠিক অনুধাবন করতে পারবেন।”

    রাজা দেখলেন, অন্য সকলেও মিনতিপূর্ণ চোখে হাতজোড় করে আছে।

    রাজা একবার নিজের বিছানার দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

    তাঁর শরীর খুব ঘুম চাইছে, কিছুতেই বিছানা ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করছে না। আগুনের কথাটা তাঁর মাথায় ঠিক ঢোকেনি, তাঁর ধারণা হল, আবার তাঁকে যুদ্ধে যেতে হবে!

    তিনি হুঙ্কার দিয়ে উঠলেন, “পাদুকা!”

    স্বর্ণময় খাটের নীচেই রাজার জুতো-জোড়া রাখা আছে। কিন্তু রাজা মহাচূড়ামণি নিজে তো আর খাটের নীচে মাথা ঝুঁকিয়ে সে জুতো টেনে আনবেন না, নিজে জুতো পায়েও দেবেন না, একজন ভৃত্য পরিয়ে দেবে।

    কে এখন জুতো পরাবে? দরজার কাছে এত বড়-বড় সব রাজকর্মচারীরা রয়েছেন যে, কোনও ভৃত্যই তাঁদের কাছাকাছি থাকতে সাহস পায় না। জুতো পরাবার দায়িত্ব রাজার নিজস্ব ভৃত্য সুসীমের, কিন্তু তাকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও।

    অন্য সকলেই বিপদের চিন্তায় অধীর, অকারণে দেরি হয়ে যাচ্ছে। সকলেই তাকিয়ে আছেন জুতো জোড়ার দিকে। রাজপুরোহিত ছম্ভী চামড়ার জুতোয় হাত দিতে পারেন না। মন্ত্রী দারুকও ব্রাহ্মণ। অনেকে মিলে সুসীমের নাম ধরে ডাকাডাকি করছেন, তবু তার সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।

    তখন সেনাপতি চম্পক এগিয়ে এসে খাটের নীচে থেকে জুতো জোড়া টেনে এনে বললেন, “মহারাজ, পাদুকা পরিধান করুন!”

    রাজা মহাচূড়ামণি সেই মণি-মাণিক্যখচিত নাগরা পরবার জন্য পা এগিয়ে দিলেন, সেনাপতি চম্পক দৈত্যের পায়ের মতন সেই পা দু’খানি নিজের বক্ষে ধারণ করে অতি সাবধানে জুতো পরিয়ে দিলেন।

    রাজা মহাচূড়ামণি অট্টহাস্য করে উঠে বললেন, “বাঃ সেনাপতি, তুমি বেশ যত্ন করে পাদুকা পরাতে পারো তো! কার কাছে শিখলে?”

    চম্পক বললেন, “কারও কাছেই শিখিনি মহারাজ। তবে বিপদের সময় মানুষকে সব কিছুই করতে হয়। প্রতিটি মুহূর্ত এখন মূল্যবান!”.

    রাজা মহাচূড়ামণি আবার হাসিমুখে বললেন, “বাঃ বেশ! আজ থেকে তুমি আর সেনাপতি রইলে না। যে-সেনাপতি বিপদের সময় অস্ত্র ধারণ না করে অন্যের পাদুকা ধারণ করে, সে সেনাপতির যুদ্ধ করা মানায় না!”

    তরুণ সেনাপতি চম্পক নিদারুণ বিস্ময়ের সঙ্গে বলে উঠলেন, “মহারাজ, এ বিপদ সেরকম নয়…”

    তাকে বাধা দিয়ে, মুখের হাসি মুছে ফেলে, রাজা ধমক দিয়ে বললেন, “চোপ! আর কোনও কথা নয়। আজ থেকে সুসীমের বদলে তুমি আমার পাদুকা পরাবার কাজে নিযুক্ত হলে!”

    রাজার এই অদ্ভুত আদেশের প্রতিবাদ করার সাহস পেল না কেউ।

    রাজপুরোহিত ছম্ভী বললেন, “মহারাজ, শীঘ্র একবার অলিন্দে চলুন!”

    রাজা মহাচূড়ামণি খাটের ওপর থেকে তাঁর হিরণ্যক নামে বিশাল তলোয়ারটি তুলে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন বীরদর্পে।

    এই দ্বিতল গৃহটির সামনে এবং পেছনে দুটি বেশ বড় গোল অলিন্দ। সামনের অলিন্দটিতে দাঁড়িয়ে রাজা অনেক সময় প্রজাদের দর্শন দেন। বড়-বড় যুদ্ধ ছাড়া অন্যান্য রাজকার্যের ভার রাজা তাঁর মন্ত্রী এবং মহারানির ওপরেই দিয়ে রেখেছেন। তিনি রাজদরবারেও বিশেষ যান না।

    এখন রাজা মহাচূড়ামণি সামনের অলিন্দের দিকে এগিয়ে যেতেই ছম্ভী বললেন, “মহারাজ, ওইদিকে নয়, পিছনের দিকে চলুন।”

    রাজা আবার অবাক হলেন। পিছনের অলিন্দে দাঁড়ালে শুধু উদ্যানের শোভা দেখা যায়। রাজার বাগানে অনেকরকম ফুল ও ফলের গাছ। আর রয়েছে একটি চতুষ্কোণ দিঘি, তার জল স্ফটিকের মতন স্বচ্ছ। ওই দিঘিতে শুধু মহারাজ আর মহারানি তলতাদেবী এবং দুই রাজকুমার ছাড়া আর কারও স্নানের অধিকার নেই! দিঘিটি এতই সুন্দর যে, কেউ-কেউ বলে, এক-একদিন জ্যোৎস্না রাতে অপ্সরারা ওখানে স্নান করার জন্য আকাশ থেকে নেমে আসে। অপ্সরাদের ওপর তো রাজার কোনও হুকুম খাটে না!

    রাজা মহাচূড়ামণি জিজ্ঞেস করলেন, “কেন, পিছন দিকে কেন?”

    ছম্ভী বললেন, “মহারাজ, বিপদ আসছে ওই দিক থেকেই!”

    দিঘিটি ছাড়িয়েও রাজার উদ্যান অনেকখানি জায়গা জুড়ে। সম্পূর্ণ উদ্যানটাই প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। তারপর বিস্তীর্ণ যবের ক্ষেত। সেই খেতের মাঝে-মাঝে রয়েছে কয়েকটি গ্রাম। একেবারে শেষ গ্রামটির নাম অট্টা। তারপরেই গহন বন। সেই বন যে কতদূর ছড়ানো তার আর সীমানা পাওয়া যায় না। সেই অরণ্য মিশে গেছে হিমালয় পাহাড়ে। ওদিকে আর কোনও রাজ্য নেই।

    পিছন দিকের অলিন্দে এসে দূরের অরণ্যের দিকে আঙুল তুলে ছম্ভী বললেন, “মহারাজ, ওই দেখুন!”

    এই মধ্যরাত্রির অন্ধকারেও পশ্চিমের আকাশ লাল হয়ে গেছে। অরণ্যের মাথার ওপর লকলকে আগুনের শিখা যেন জিভ দিয়ে চেটে নিচ্ছে আকাশের কালো রং। দূরের গ্রামগুলি থেকে অস্পষ্টভাবে ভেসে আসছে মানুষের আর্ত চিৎকার। গৃহপালিত এবং বন্য পশুরা প্রাণভয়ে ডাকতে ডাকতে ছোটাছুটি করছে।

    রাজা মহাচূড়ামণি বললেন, “জঙ্গলে আগুন লেগেছে!”

    ছম্ভী বললেন, “হ্যাঁ, মহারাজ, আগুন! ভয়ঙ্কর আগুন!”

    রাজা মহাচূড়ামণি বললেন, “এই আগুন নিভিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করতে পারেননি? গ্রামগুলি যে ধ্বংস হয়ে যাবে! প্রজারা না পারে, আমার সৈন্যদের তো বলতে পারতেন, পুকুর-নদী থেকে জল তুলে-তুলে ওই আগুনের সঙ্গে লড়াই করতে! এর জন্য আমাকে জাগাতে হবে কেন?”

    ছম্ভী বললেন, “মহারাজ, এখনও বুঝতে পারছেন না, এ যে-সে আগুন নয়। দাবানল! এই দাবানল নেভাবার সাধ্য কারও নেই!”

    এতক্ষণে মহারাজ মহাচূড়ামণি যেন বিপদের গুরুত্ব বুঝলেন। তাঁর মুখে ভয়ের ছায়া পড়ল। তিনি অস্ফুটভাবে বললেন, “দাবানল! দাবানল!”

    ছম্ভী এবার অশুভ ইঙ্গিতের সঙ্গে বললেন, “মহারাজ, আপনার বাল্যকালের কথা মনে নেই?”

    রাজা মহাচূড়ামণি সবেগে ঘুরে দাঁড়িয়ে বললেন, “হ্যাঁ, মনে আছে। এখন কী হবে? আমার এত সাধের উদ্যান, রাজপ্রাসাদ ছারখার হয়ে যাবে!”

    মন্ত্রী দারুক এবার এগিয়ে এসে বললেন, “মহারাজ, রাজপ্রাসাদ তো যাবেই, রাজধানীও বাঁচবে না! এখন আপনার প্রাণ রক্ষা করাই আমাদের প্রধান কর্তব্য! সেইজন্যই অসময়ে আপনাকে জাগিয়েছি!”

    রাজা মহাচূড়ামণি একটুক্ষণের জন্য অভিভূতের মতন চুপ করে রইলেন। অনেকদিন আগে, মহাচূড়ামণির পিতার আমলে এইরকম দাবানল রাজধানী পর্যন্ত ধেয়ে এসেছিল। সেবারেও কিছুই প্রায় রক্ষা করা যায়নি। মহাচূড়ামণির পিতা কৌস্তুভমণি প্রজাদের আদেশ দিয়েছিলেন, জল দিয়ে সেই আগুনের সঙ্গে সংগ্রাম করতে। তাতে অনেক প্রজা পুড়ে মরে। আগুনের লেলিহান শিখা এই রাজধানী ধ্বংস করে শেষ পর্যন্ত থেমেছিল উত্তরের গঙ্গানদীর ধারে গিয়ে। কৌস্তুভমণি তাঁর রানি ও পুত্র-কন্যাদের নিয়ে রাজধানী ছেড়ে পলায়ন করেছিলেন, পথেই মহারানিকে মৃত্যুবরণ করতে হয়।

    সেই ভয়াবহ স্মৃতি মনে পড়ে যেতেই রাজা মহাচূড়ামণি কেঁপে উঠলেন। তিনি বললেন, “তা হলে আর কোনও আশা নেই। এখনই রাজধানী ছেড়ে উত্তরের দিকে পলায়ন করতে হবে। মন্ত্রী, আমার রথ সাজাতে বলো! আমি মহারানির কাছে যাচ্ছি! প্রজাদেরও বলো, নগর ছেড়ে যেতে, সর্বত্র ঢোল দিয়ে দাও!”

    রাজার এই আদেশ শোনার আগেই দলে-দলে প্রজা ঘর-বাড়ি ছেড়ে ছুটে পালাতে শুরু করেছে। কেউ-কেউ জিনিসপত্রের মায়া ত্যাগ করে চলে যেতে পারছে না, অন্যরা টানাটানি করছে তাদের হাত ধরে। কেউ-কেউ সোনাদানার সঙ্গে-সঙ্গে তাদের বাসনপত্র, জামাকাপড়, এমনকি বিছানা পর্যন্ত বেঁধে-ছেঁদে বিরাট পুঁটলি ঘাড়ে করে ছুটতে গিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে।

    এদিকে রাজপ্রাসাদেও হুলুস্থুলু বেধে গেছে। দাস-দাসীরাও টের পেয়ে গেছে দাবানলের কথা। সবাই জানে, এই দাবানল একবার ধেয়ে এলে আর কোনওমতেই রাজধানী বাঁচানো যাবে না। সবাই পালাবার জন্য ব্যস্ত।

    মহারানি তলতাদেবী তাঁর দুই পুত্রকে নিয়ে ঘুমিয়েছিলেন, এত গোলমালে তাঁরও ঘুম ভেঙে গেছে। তিনি বিশেষ চঞ্চল হলেন না। তিনি অন্য রাজ্যের রাজকুমারী, এখানে রানি হয়ে এসেছেন, তিনি আগেরবারের দাবানলের সাঙ্ঘাতিক বিধ্বংসী রূপ দেখেননি। তিনি যেন বুঝতেই পারছেন না, অত দূরের আগুনকে এত ভয় পাবার কী আছে!

    দাস-দাসীদের ভয়ার্ত আবেদন শুনে তিনি স্বয়ং প্রাসাদের ছাদে উঠে দেখলেন পশ্চিমের আকাশ। ভোরের সূর্য উদয়ের সময়েও যেন আকাশ এমন রক্তবর্ণ ধারণ করে না। আগুন এখনও বেশ দূরে আছে, তবু যেন শোনা যাচ্ছে সেই আগুনের করাল হুঙ্কার!

    বয়স্ক দাস-দাসীরা আগেরবারের দাবানলের ইতিহাস শোনালেও মহারানি তলতাদেবী খুব যেন বিচলিত হলেন না। তিনি নেমে এলেন ছাদ থেকে। নিজের শয়নঘরের দ্বারের সামনে একবার দাঁড়ালেন। দুই রাজকুমার দৃঢ় আর তীক্ষ্ণ নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে। তাদের একজনের বয়েস আট বছর, অন্যজনের তিন। মহারানি তলতাদেবী আদেশ দিলেন রাজকুমারদের যেন জাগানো না হয়!

    ততক্ষণে দৌবারিকেরা এসে অপেক্ষা করছে মহারানিকে মহারাজার কাছে নিয়ে যাবার জন্য। মহারানি নিজে থেকেই উদ্যান-প্রাসাদে যাবার জন্য উদ্যত হয়েছিলেন, দৌবারিকদের বার্তা শুনে তিনি বললেন, “আমি নিজেই যাচ্ছি, তোমাদের আমার সঙ্গে আসবার দরকার নেই। তোমরা রাজধানীর প্রজাদের মধ্যে প্রচার করো যে, এই দাবানলকে ভয় পাবার কিছু নেই!”

    মহারাজ মহাচূড়ামণি এবং তাঁর দলবলের সঙ্গে মহারানি তলতাদেবীর দেখা হয়ে গেল উদ্যানের মাঝখানে।

    মহাচূড়ামণি ব্যস্ত হয়ে বললেন, “মহারানি, শিগগির তৈরি হয়ে নাও! এখনই রাজধানী ত্যাগ করে আমাদের অনেক দূরে চলে যেতে হবে! রথ প্রস্তুত করতে বলেছি, তুমি রাজকুমারদের ডাকো!”

    মহারানি তলতাদেবী ছম্ভীর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “এই আগুন থামাবার কি কোনও উপায়ই নেই?”

    ছম্ভী বললেন, “না, মহারানি। আগুন আর দাবানল তো এক নয়। দাবানলের অগ্রগতি রোধ করার সাধ্য কারও নেই। বন্যা আর অগ্নি, এদের সঙ্গে কি মানুষ যুদ্ধ করতে পারে?”

    সাদা সিল্কের শাড়িপরা রানি তলতাদেবীর মুখের ওপর এসে পড়েছে জ্যোৎস্নার আলো। তিনি পশ্চিমের লাল আকাশের দিকে একবার তাকালেন, তারপর নিজের অধর দংশন করে কিছু চিন্তা করতে লাগলেন।

    তারপর তিনি আপনমনে বললেন, “এই সুন্দর উদ্যান, এই রাজপুরী, প্রজাদের ঘরবাড়ি, মন্দির, দেবালয় সব পুড়ে ছাই হয়ে যাবে? এগুলি বাঁচাবার কি কোনও উপায় সত্যিই নেই? নিশ্চয়ই আছে।”

    মহারাজ উতলাভাবে বললেন, “অগ্নিদেব ক্রুদ্ধ হয়েছেন। এখন আমাদের পলায়ন করা ছাড়া গতি নেই। তুমি জানো মহারানি, আমি কোনও যুদ্ধে ভীত হই না, কিন্তু ক্রুদ্ধ অগ্নির সঙ্গে সংগ্রাম করা যায় না। তুমি যখন মহারানি হয়ে এ রাজ্যে আসোনি, তখনও একবার এই দাবানল আমাদের সর্বস্বান্ত করেছিল। আর দেরি কোরো না, রাজকুমারদের তৈরি করে নাও।”

    মহারানি জিজ্ঞেস করলেন, “আগেরবারের ওই দাবানল অরণ্য থেকে রাজধানীতে পৌঁছুতে কতটা সময় লেগেছিল?”

    মহারাজ তাকালেন ছম্ভীর দিকে।

    ছম্ভী বললেন, “সেবারে অরণ্যে দাবানল শুরু হয়েছিল সন্ধ্যার সময়। আমার স্পষ্ট মনে আছে, কয়েক দণ্ডের মধ্যে আগুন হু-হু করে এগিয়ে আসে। মধ্যরাত্রির এইরকম সময়ে আগুন এসে রাজধানী অহিচ্ছত্রপুর গ্রাস করেছিল। কিছুই রক্ষা পায়নি।”

    মহারানি বললেন, “অর্থাৎ আজকের আগুন এখন যেখানে রয়েছে, সেখান থেকে এই প্রাসাদ পর্যন্ত পৌঁছতে আরও অন্তত দু’ঘণ্টা লাগবে?”

    রাজপুরোহিত মাথা নেড়ে সম্মতি জানিয়ে বললেন, “তা হতে পারে। বাতাসের বেগ তেমন প্রবল না। আরও অন্তত তিন ঘণ্টা সময় পাওয়া যাবে মনে হয়। এর মধ্যেই নগর একেবারে জনশূন্য করে দিতে হবে। মহারানি, আমি মনে করি, মহারাজ আর আপনি রাজকুমারদের নিয়ে আগে-আগে চলে যান। গঙ্গা পার হয়ে কোনও নিরাপদ স্থানে অবস্থান করুন। আপনাদের জীবনই সবচেয়ে মূল্যবান।”

    মন্ত্রীও কিছু বলতে যাচ্ছিলেন, মহারানি ডান হাত উঁচু করে তাঁকে থামিয়ে দিলেন। তারপর রাজা ও রাজপুরোহিতের দিকে চেয়ে বললেন, “আমাকে কিছুটা সময় দিন। এখনই প্রজাদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালাবার দরকার নেই। আমি আগে চেষ্টা করে দেখি, এ আগুন থামাতে পারি কি না!”

    মহারাজ মহা বিস্ময়ের সঙ্গে বললেন, “তুমি আগুন থামাবে?” মহারানি বিনা দ্বিধায় উত্তর দিলেন, “হ্যাঁ।”

    অন্য কেউ এরকম কথা বললে তাকে মনে করা হত পাগল! অতি মূৰ্খ কিংবা উন্মাদ ছাড়া কি কেউ দাবানল থামাবার কথা ভাবতে পারে?

    কিন্তু ইনি মহারানি তলতাদেবী। এঁর বুদ্ধির কথা সবাই জানেন। এমন বিপদের মধ্যে ইনি কিছুতেই বাজে কথা বলবেন না।

    ছম্ভী তবু বললেন, “হে মহারানি, আপনি কী করে এই আগুনের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন? এখন প্রখর গ্রীষ্ম, অধিকাংশ নদী-নালা আর পুকুরই শুকিয়ে গেছে, কোথাও প্রায় জল নেই। জল থাকলেও বিশেষ সুবিধে হত না। এখন সব কিছুই শুকনো বলে আগুন আরও বেশি তেজে এগিয়ে আসছে।”

    মহারানি তলতাদেবী বললেন, “আপনারা এখানে অপেক্ষা করুন। প্রজাদের শান্ত থাকতে বলুন। আগে থেকেই হুড়োহুড়ি করে তারা অনেক জিনিসপত্র নষ্ট করবে কেন? আমার সঙ্গে মাত্র দশজন অশ্বারোহী দিন। আমি তাদের নিয়ে আগুনের দিকে এগিয়ে যাব। তাদের সঙ্গে থাকবে জ্বলন্ত মশাল।”

    মহারাজ মহাচূড়ামণির ভুরু দু’খানি কপাল ছাড়িয়ে যাবার উপক্রম। মুখখানা হাঁ হয়ে গেছে। কোনওক্রমে বললেন, “মশাল?”

    মহারানি বললেন, “হ্যাঁ, আমার সঙ্গের লোকদের হাতে শুধু মশাল থাকলেই চলবে। আর কোনও অস্ত্রশস্ত্র দরকার নেই।”

    মহারাজ বললেন, “তুমি আগুন নিয়ে আগুনের সঙ্গে সংগ্রাম করতে যাবে?”

    মহারানি এবার সামান্য হেসে বললেন, “শুধু অস্ত্রবল কিংবা গায়ের জোরেই সব সংগ্রামে জয়ী হওয়া যায় না। অগ্নিদেবতার সঙ্গে যুদ্ধ করবে মানুষের বুদ্ধি!”

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Our Picks

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }