Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অমনিবাস ২ – মানবেন্দ্র পাল

    মানবেন্দ্র পাল এক পাতা গল্প507 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    খয়রামারির শ্মশানে

    আজ পর্যন্ত অনেক জ্ঞানী—গুণী—ধনী লোক দেখেছি। দাতা, পরোপকারী লোকও কম দেখেনি। কিন্তু ব্রজমামার মতো অমন সাহসী লোক বড় একটা চোখে পড়েনি। এই সাহস জঙ্গলে ঢুকে বাঘের মুখোমুখি হওয়া বা চোর ডাকাতের সঙ্গে লড়াই করা নয়। এ—সাহস অন্য ধরনের।

    আমার বয়েস এখন সত্তর পেরিয়ে গেছে। রীতিমতো শহরে থাকি। ইলেকট্রিক লাইট, পাখা, ফোন, টি. ভি.—আধুনিক শহুরে—জীবনের সবকিছু সুবিধাই ভোগ করি। মরে গেলে ইলেকট্রিক চুল্লিতেই নিশ্চিন্তে পুড়ব, এ—ও জানি। কিন্তু জীবনের প্রথম কুড়ি বছর কাটাতে হয়েছিল গ্রামের বাড়িতে। আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে গ্রামের অবস্থা কীরকম ছিল তা তোমরা কল্পনাও করতে পারবে না।

    ধুলো—ভরা রাস্তা, চারিদিকে বাঁশঝাড়, পুরোনো জমিদারের বিশাল বিশাল আমবাগান, কোথাও খাঁ—খাঁ মাঠ, এখানে—ওখানে ডোবা, খাল। সূর্য ডোবার আগেই রাস্তা জনশূন্য। সন্ধে হবার সঙ্গে সঙ্গে চক্রবর্তীদের আমবাগানে সমস্বরে শেয়াল ডেকে উঠত—হুক্কাহুয়া—হুক্কাহুয়া।

    সেই ডাক আজকের তোমরা শোনেনি। শেয়াল আজ আর চোখেই পড়ে না।

    শীতকালে গভীর রাতে দূরে ফেউ—এর ডাক শোনা যেত। সে এক অদ্ভুত ডাক— ফে—উ—ফে—উ। মনে হতো কোনও জন্তুর ভয়ে গলার স্বর বেরোচ্ছে না।

    তা সত্যিই তারা ভয় পেত। বাঘ বেরোলেই পিছনে ফেউ লাগত। শেয়ালের মতো সেই জন্তুরা বাঘের পিছনে পিছনে যেত আর ওই অদ্ভুত ডাক ডেকে সবাইকে যেন সাবধান করে দিত—বাঘ বেরিয়েছে।

    বাঘ তাড়া করলে ফেউ প্রাণের ভয়ে ছুটে পালিয়ে যেত।

    এই বাঘ মারবার জন্যে বাইরে থেকে শিয়াল আসত। কিন্তু সহজে বাঘ মারা যেত না। উলটে বাঘের কামড়ে মরতে হত।

    এ ছাড়া ছিল চোর—ডাকাতের ভয়। ভয়ই ছিল তখন গ্রামের মানুষের সব কাজের বাধা। সন্ধে হলেই ছাগল, গোরু সামলে যে যার ঘরে খিল দিয়ে থাকত।

    এসব ছাড়াও আর একটা ভয় ছিল রাত্তিরে, যখন মড়া নিয়ে যেত। আমাদের বাড়ি থেকে শ্মশান অনেকদূর। বাড়ি থেকে যে কাঁচা—রাস্তাটা পশ্চিম দিকে বাঁশঝাড়, ডুমুরের ঝোপ—জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে এঁকে—বেঁকে বড় রাস্তায় গিয়ে মিশেছে, সেই রাস্তা দিয়ে অন্তত এক কিলোমিটার পথ হেঁটে গেলে ডানদিকে বাঁক নিতে হত। এখান থেকেই আর—একটা সরু রাস্তা বেরিয়েছে। তার একপাশে ধানজমি আর একপাশে খাল। এখানে আছে একটা পিরের দরগা। তার পাশে বিরাট জোড়া বটগাছ। সার—সার ঝুরি নেমেছে। দিনের বেলাতেও জায়গাটা অন্ধকার। এখানে এসে লোকেরা মড়া নামিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম করে। তারপর আবার যাত্রা। আরও অন্তত আধ কিলোমিটার হাঁটার পর খয়রামারির খাল। এখানেও যত রাজ্যের মড়া এনে পোড়ানো হয়। এই মড়া দেখলে খুব ভয় করত।

    গভীর রাত্রে আর এক—একদিন দূর থেকে যখন শোনা যেতু ”বলো হরি, হরি বোল—” তখন মশারির নিচে শুয়েও কী জানি কেন ভয়ে বুক কেঁপে উঠত। মনে হতো মড়া নিয়ে বোধহয় এদিকেই আসছে। অনেক দূরে, জোড়া বটগাছের দিকে।

    ছোটবেলায় আমরা গ্রামের মধ্যে এই ধরনের নানা ভয়ে জবুথবু হয়ে থাকতাম।

    তারপর যখন আমার বয়স সতেরো আঠারো হল তখন একদিন ও—পাড়ার ব্রজমামা ডেকে পাঠালেন। ব্রজমামার বয়স তখন ত্রিশ—বত্রিশ। ব্যায়ামপুষ্ট দেহ। চওড়া বুক। সে বুকের মধ্যে ভয়—ডর বাসা বাধতে পারেনি। কথায় কথায় প্রাণখোলা হাসি। বানে—বন্যায়, রোগে—মহামারিতে ব্রজমামা হাজির। এইজন্যে গ্রামের সকলেই ব্রজমামাকে শুধু ভালোবাসত না, খাতিরও করত। সবাই জানত বিপদে—আপদে ব্রজমামা ছুটে আসবেনই। বেশিরভাগ সময়েই খালিগা, পরনে লঙ্গি। খুব ইচ্ছে করত ওঁর সঙ্গে দুটো কথা বলতে। কিন্তু নাগাল পেতাম না। কেননা একদল ডাকাবুকো ছেলে সবসময়েই ওঁকে ঘিরে থাকত।

    সেই ব্রজমামা হঠাৎ আমায় ডেকে পাঠালেন। আমি কৃতার্থ হলাম।

    আমি যেতেই ব্রজমামা আমার কাঁধে হাত রেখে একমুখ হেসে বললেন,—তোকে খুঁজছিলাম। দেখি হাতের মাসল।

    হাত শক্ত করে গুটিয়ে মাসল দেখালাম। উনি টিপে—টিপে দেখলেন। খুব যে খুশি হলেন তা মনে হল না। তবু বললেন,—ঠিক আছে। আজ সন্ধের পর আমি খয়রামারির শ্মশানে থাকব। তুই আসবি। একা আসবি।

    চমকে উঠলাম। বলেন কী ব্রজমামা! সন্ধেবেলা খয়রামারির শ্মশানে আমি যাব! তাও একা!

    কিন্তু তাঁর মুখের উপর না বলার ক্ষমতা কারো নেই।

    ব্রজমামা অবশ্য আর দাঁড়ালেন না। তাঁর অনেক কাজ। কয়েকটি ছেলেদের সঙ্গে তিনি চলে গেলেন। চলে যাবার সময় শুধু একটি কথাই বলে গেলেন,—তাহলে সন্ধেবেলায় আবার দেখা হচ্ছে।

    যাব কি যাব না এসব জিজ্ঞেস করার দরকারও মনে করলেন না।

    সব শুনে মা তো প্রায় কাঁদো কাঁদো। বাবা গুম হয়ে গেলেন। কিন্তু ব্রজমামার মতো পরোপকারি জনপ্রিয় মানুষের কথা ঠেলা যে যাবে না। একথাও তাঁরা বুঝলেন।

    সারা দুপুর শুধু ছটফট করেছি। বেলা যতই পড়তে লাগল, ততই বুকের কাঁপুনি শুরু হল। কেমন যেন মনে হল, আজই আমার জীবনের শেষ দিন। কেননা সন্ধেবেলায় একা একা নির্জন ওই বটতলা, পিরের দরগা দিয়ে খয়রামারি যাওয়া মানেই অপঘাতে মৃত্যু। কী নেই এখানে? লোকে দিনের বেলাতেই একা যেতে সাহস করে না, তো সন্ধেবেলা! তখন একমনে ঠাকুর—দেবতার কাছে প্রার্থনা করতে লাগলাম— তোমরা যে যেখানে আছ, সন্ধের আগেই এমন কিছু করো যাতে আমার যাওয়া না হয়। ঝড় হোক, প্রচণ্ড বৃষ্টি হোক, ভূমিকম্প হোক। তোমাদের ইচ্ছেয় কী না হয় ঠাকুর! আমায় বাঁচাও।

    কিন্তু নির্দয় দেব—দেবীরা সেদিন সতেরো বছরের একটি ছেলের কাতর প্রার্থনায় কান দেননি। অন্য অনেক দিনের মতোই নির্বিঘ্নে বেলা পড়ে এল।

    বাবা গম্ভীর গলায় বললেন,—যেতেই যখন হবে, তখন এখনি রওনা হও।

    রওনা হতেই হল। বাঁ হাতে একটা লণ্ঠন আর ডান হাতে লাঠি। মা দুগগা দুগগা বলে চোখ বুজিয়ে ঠাকুর—দেবতাদের প্রণাম জানালেন। তারপর হঠাৎ ছুটে এসে আমার কানে কানে বললেন,—তেমন কিছু দেখলে রামনাম করবি ভুলিসনে যেন।

    বাড়ি থেকে বেরিয়ে সেই কাঁচা রাস্তা ধরে হাঁটছি। দু’পাশে বাঁশঝাড়, ডুমুরের বন,বনতুলসীর ঝোপ। বড় রাস্তায় পড়ে যেন খানিকটা হাঁপ ছাড়লাম। এখনও এক কিলোমিটার পথ হাঁটতে হবে। মনের জোরে হাঁটতে লাগলাম। এদিকে বেলা পড়ে আসছে। তার আগেই বটতলায় পৌঁছতে হবে—একটা বটগাছে রক্ষে নেই, জোড়া বটগাছ।

    একসময়ে সেখানেও পৌঁছে গেলাম। তখন অন্ধকার নেমে এসেছে। বটতলায় একটু বসে লণ্ঠন জ্বেলে নিলাম। তারপর আবার হাঁটা।

    ভর সন্ধেবেলায় খয়রামারির খালের ধারে উঁচু জমিটায় এসে পৌঁছলাম। এই উঁচু জায়গাতেই মড়া পোড়ানো হয়। অনেকখানি জায়গা জুড়ে জমিটা। একটি টিনের চালাঘর। সামনে রক। শ্মশানযাত্রীরা মড়া নামিয়ে এখানে বিশ্রাম করে। শ্মশানের একদিকে একটা বেলগাছ। ঘুটঘুট্টি অন্ধকার। খালের ধারে একটা নিভে যাওয়া চিতা থেকে তখনও শুরু হয়ে ধোওয়া বেরোচ্ছে।

    কিন্তু কোথায় ব্রজমামা? এই নির্জন অন্ধকার শ্মশানে একা আমি—সতেরো বছরের একটি ছেলে।

    ডাকলাম,—ব্রজমামা!

    সাড়া নেই।

    কী ব্যাপার? আমায় আসতে বলে নিজেই এলেন না? কিন্তু ওই ধরনের ফালতু মানুষ তো উনি নন।

    কী করব দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাবতে লাগলাম। একবার ভাবলাম, ফিরে যাই। আমি তো এসেছিলাম। উনি না এলে কী করতে পারি?

    তারপর ভাবলাম, এদিকটা একটু ঘুরে দেখি। কিন্তু শ্মশান বলে কথা। শুধু ভয় নয়, কেমন গা ঘিনঘিন করে। এখানে—ওখানে ভাঙা কলসি পড়ে রয়েছে। ও—পাশে মড়া বইবার পরিত্যক্ত বাঁশের চালি। তারই পাশে ছেঁড়া তোশক, বিছানার ময়লা চাদর, তেলচিটে ফাটা বালিশ। এসবই মৃতদেহের সঙ্গে এসেছিল। এখন ফেলে দিয়ে গেছে। একটা কীরকম আঁশটে দুর্গন্ধ। নাক টিপে ধরলাম। বাড়ি গিয়ে শ্মশানে যাবার প্রায়শ্চিত্তের জন্যে স্নান তো করতেই হবে। হয়তো ভাতও মুখে তুলতে পারব না। এই আঁশটে গন্ধটা নাকে লেগে থাকবেই।

    গুটি—গুটি এগোচ্ছিলাম ব্রজমামাকে খুঁজতে। লণ্ঠনটার জোরও তেমন নেই, তার ওপর মাঝে—মাঝে খালের ধার থেকে একটা দমকা হাওয়া উঠছিল—যে হাওয়াটা আমাদের ওদিকে পাওয়া যায় না।

    এখানকার লোকে বলে—

    ”খয়রামারির খাল

    দমকা হাওয়া উঠলে পরে

    করবে নাজেহাল।”

    এ সেই সব্বোনেশে দমকা হাওয়া।

    আরও মুশকিল হয়েছে, দমকা হাওয়ায় মড়া পোড়ানো ছাইগুলো এদিকেই উড়ে আসছে।

    —ব্রজমামা!

    আবার সভয়ে ডেকে উঠলাম। কিন্তু কোথায় ব্রজমামা।

    হঠাৎ শক্ত মতন কী যেন মাড়িয়ে ফেললাম। লণ্ঠনটা ভালো করে তুলে দেখতে যাব, হঠাৎ পিছন থেকে কে আমার পিঠে হাত রেখে বলে উঠল,—ওরে ওটা ভূতের হাত নয়, মানুষেরই আধপোড়া হাত। ভালো করে পোড়েনি। শেয়ালে মুখে করে এনেছে।

    চেয়ে দেখলাম ব্রজমামা। হাসছেন।

    —যাক, তাহলে ঠিকঠাক আসতে পেরেছিস। ভয় করেনি তো?

    কী আর বলব। শুধু মাথা নাড়লাম।

    —কোথায় ছিলেন এতক্ষণ?

    ব্রজমামা হেসে বললেন,—বটতলা থেকেই তোর পিছু পিছু আসছি। শোন, কাল আমাদের সমিতিতে গিয়ে নাম লিখিয়ে আসবি। তোর বাবার সঙ্গে অবশ্য কথা বলে নেব।

    বুঝলাম সাহসের পরীক্ষা দিয়ে তবেই আমি ওঁর সমিতির সভ্য হতে পেরেছি। তবে একটা কথা পরে জেনেছি। বাবা কিন্তু সেদিন আমায় একলা ছাড়েননি। দূর থেকে বাবা, ছোটকা আর ভোলা কৈবর্ত লাঠি—হাতে পিছু পিছু এসেছিলেন বটতলা পর্যন্ত। ব্রজমামাকে দেখে ওঁরা সরে যান। ব্রজমামা ভাগ্যি টের পাননি।

    ব্রজমামার দলে নাম লেখাবার পর আমার প্রথম কাজ হল মড়া পোড়ানো। গ্রামে রোগের অভাব নেই, কিন্তু অভাব ভালো ডাক্তারের। ফলে চিকিৎসার অভাবে লোক মরে বেশি। মরে বেশি, কিন্তু মড়া নিয়ে যাবার লোকের খুব অভাব। প্রথমত অনাত্মীয়দের মড়া—কী রোগে মরেছে তার ঠিক নেই। সেই মড়া কাঁধে চাপিয়ে অতদূরে খয়রামারির খালে নিয়ে যাওয়া মোটেই সুখের ব্যাপার নয়। তার ওপর শ্মশানের তো ওইরকম বীভৎস ব্যাপার। জোড়া বটতলা ছাড়াও বেলগাছটারও দুর্নাম আছে খুব। লোকে বলে—

    ”শ্মশানের বেলগাছে

    ব্রহ্মদত্যি পা ঝুলিয়ে আছে।

    গায়ে যেন না লাগে পা

    সাবধানে এড়িয়ে চলে যা।”

    যত সাবধানে এড়িয়ে যাও না কেন, যদি কোনওরকমে তাঁর অদৃশ্য পদযুগল তোমার গায়ে লাগে, সঙ্গে সঙ্গে তিনি দু’পা দিয়ে তোমার গলাটা সাঁড়াশির মতো আঁকড়ে ওপরে তুলে নেবেন।

    এইসব কারণে লোকে সহজে মড়া নিয়ে যেতে রাজি হয় না। নানা ছলছুতো করে এড়িয়ে যায়। তখনই নিজের দলবল নিয়ে এগিয়ে আসেন ব্রজমামা। সেই দলে এখন আমিও একজন হয়েছি। যে ছেলে দূরে শ্মশানযাত্রীদের মুখে ‘বলো হরি, হরি বোল’ শুনে ভয়ে কানে আঙুল চাপা দিত, সেই—ই এখন মড়া পোড়াতে যাচ্ছে। একমাত্র ভরসা, ব্রজমামা পাশে—পাশে আছেন।

    আমাদের গ্রামের একপ্রান্তে কাতীখেপী থাকত। আসল নাম কোনওকালে হয়তো ছিল কাত্যায়নী। তারপর ক্রমে—ক্রমে ওই নামটা যে কী করে কাতীখেপী হয়ে দাঁড়াল, তা বলতে পারব না। কুচকুচে কালো, মোটা, ঢ্যাবা—ঢ্যাবা চোখ, মাথায় রোঁওয়া—রোঁওয়া চুল। দেখলেই ভয় করে।

    কাতীখেপীর নিজের বলতে কেউ ছিল না। বেজায় বদরাগি। তার কুঁড়েঘরের পিছনে একটা পেয়ারা গাছ ছিল। খুব দুঃসাহসী ছেলেরা পেয়ারা পাড়তে গেলে কাতীখেপী গালিতে ভূত ভাগিয়ে দিত,—মর মর, বাঁশবুকো, ওলাউটা—কবে খয়রামারি যাবি?

    শুধু গাল দিতে দিতেই কাতী চুপ করত না। ইট—পাটকেল যা হাতের কাছে পেত, তাই ছুঁড়ে মারত। একদিন একটা ছেলেকে ইট ছুড়ে এমন মেরেছিল, যে মাথা ফেটে রক্তারক্তি কাণ্ড। তাই শুনে ব্রজমামার মতো ধীর—শান্ত মানুষটিও কাতীখেপীকে তাড়া করে গিয়েছিলেন। কাতীখেপী বঁটি ছুড়ে এমন মেরেছিল যে ব্রজমামাকে একমাস বিছানায় পড়ে থাকতে হয়েছিল। কাতীখেপীর আরও গুণ ছিল। সুযোগ পেলেই লোকের বাড়ির ছাগলছানা, মুরগি চুরি করত। একবার একটা ছোটো ছেলে হারিয়ে গেল। লোকে বলাবলি করত—কাতীখেপীই ওকে চুরি করে কিংবা ভুলিয়ে—ভালিয়ে বাইরে বিক্রি করে দিয়েছে। এককথায় কাতীখেপী ছিল গাঁয়ের আতঙ্ক।

    শোনা গেল, কাতীখেপীর নাকি কী রোগ হয়েছে। ব্রজমামার যতই রাগ থাক, তবু নিজের গ্যাঁটের পয়সা খরচ করে একজন ডাক্তার পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ডাক্তারকে কাতী এমন বাপান্ত করে গাল দিয়েছিল যে ডাক্তার পালিয়ে আসতে পথ পায়নি।

    দু’দিন পর বেলা তিনটে নাগাদ বাবা এসে বললেন,—কাতীটা মরেছে।

    শুনে সবাই যেন নিশ্চিন্ত হল।

    কিন্তু,—বাবা বললেন,—ওকে ঘাটে নিয়ে যাবে কে? কেউ নাকি ওর ত্রিসীমানায় ঘেঁষছে না।

    বললাম,—তা হলে কী হবে? ঘরের মধ্যেই পচবে?

    বাবা বললেন,—তাই কী কখনও হয়? একটা কিছু ব্যবস্থা হবেই।

    সেই দিনই সন্ধের মুখে ব্রজমামা ডেকে পাঠালেন। দক্ষিণপাড়ার একজন বুড়ো মরেছে, নিয়ে যেতে হবে। তার আত্মীয়স্বজন কেউ নেই।

    তবু রক্ষে, কাতীখেপীকে নয়। এই ভর সন্ধেবেলা মড়া বইবার জন্যে মা কিছুতেই ছাড়বেন না। কিন্তু যেতে আমাকে হলই—কেননা সমিতির নিয়ম অনুযায়ী আমাকে তিন সত্যি করতে হয়েছে, যখনই মড়া পোড়াবার ডাক আসবে, তখনই যেতে হবে।

    জামা ছেড়ে, খালি গায়ে, কোমরে গামছা বেঁধে বেরিয়ে পড়লাম। সমিতি থেকে ব্রজমামা আমাদের জনা—ছয়েক নিয়ে বুড়োর বাড়ি এলেন। বাঁশকাটা, চালিবাঁধা, নতুন কাপড় কিনে এনে মড়া ঢাকা দেওয়া ইত্যাদি করতে আরও প্রায় দু—ঘণ্টা কেটে গেল। তারপর হরিধ্বনি দিয়ে মড়া কাঁধে নিয়ে খয়রামারির পথ ধরলাম।

    এই প্রথম আমি মড়া বইছি। চারজন কেঁদোর মধ্যে আমি একজন। অন্যদের অভ্যাস আছে। আমার নেই। বাঁশের চাপে কাঁধ টাটিয়ে যাচ্ছে। তবু পারছি না বলার উপায় নেই। মাঝে—মাঝে সকলের সঙ্গে আমিও চেঁচাচ্ছি,—বলো হরি, হরি বোল।

    অন্ধকার হয়ে গেছে। একজনের হাতে লণ্ঠন। কাঁধে মড়া তুললেই পায়ের গতি বেড়ে যায়। সবাই যেন ছুটছে। যার হাতে লণ্ঠন, সে পিছিয়ে পড়ছে। তারপর সেও ছুটে কাছে আসছে। তার হাতের দোলানিতে লণ্ঠনটা দুলছে এপাশ—ওপাশ, ঠিক যেমন চালির ওপর বুড়োর মাথাটা দুলছে এদিক—ওদিক।

    কখন বড় রাস্তায় উঠে এসেছি খেয়াল করিনি। এখনও অনেক পথ। একসময়ে ফের ঢালু কাঁচা রাস্তা। রাস্তা বড়ই খারাপ। এবড়ো—খেবড়ো। প্রতি পদে হোঁচট খাচ্ছি।

    এর মধ্যে আমাকে সরিয়ে দিয়ে অন্য একজন কাঁধ দিয়েছে। এমনি করে এক—একজন পালা করে কাঁধ দিচ্ছে। ফের আমার পালা।

    ব্রজমামা বললেন,—গামছাটা বেড়ির মতো করে কাঁধে দিয়ে নে। লাগবে না।

    তাই করলাম।

    হনহন করে ছুটছি। এখানে—ওখানে বাঁশঝাড়, তেঁতুলগাছ, গাবগাছ। ওদিকে খাঁ—খাঁ মাঠ, কোথাও জলাভূমি। ঝোপে—ঝাড়ে জোনাকি জ্বলছে, ঝিঁঝিঁ ডাকছে।

    হঠাৎ একটা ঝোপের মধ্যে থেকে কী একটা জন্তু মুখ বাড়াল। তার চোখদুটো জ্বলছে। আমার বুক কেঁপে উঠল। তার পাশেই আর—একটা, তার পাশে আরও একটা। শুধু তাকাচ্ছে না—দাঁত খিঁচিয়ে লাফিয়ে পড়বার তাল করছে।

    আমি আবার ঝোপের ধারেই ছিলাম। ভয়ে চেঁচিয়ে উঠলাম,—ব্রজমামা—

    ব্রজমামা শান্ত গলায় বললেন,—খ্যাপা শেয়াল বোধহয়। ওদিকে তাকাসনে। বলেই গলার স্বর তুলে চেঁচিয়ে উঠলেন,—বলো হরি, হরি বোল। সঙ্গে সঙ্গে সকলেই হরিধ্বনি দিল। আমরা খুব তাড়াতাড়ি সেই ঝোপটা পেরিয়ে এলাম।

    কিন্তু আমার মন থেকে খটকা গেল না। শেয়াল অনেক দেখেছি। কিন্তু খ্যাপা শেয়াল কখনও দেখিনি। বেশ, তাই না হয় হল। তা বলে একসঙ্গে তিন—তিনটে খ্যাপা শেয়াল! একইসঙ্গে দাঁত খিঁচোবে!

    খয়রামারিতে যখন পৌঁছলাম, তখন সন্ধে হয়ে গেছে। জনশূন্য শ্মশানঘাটের একদিকের কাঠের পোস্টে কাচে ঢাকা একটা কেরোসিনের ডিবে জ্বলছে টিমটিম করে। অল্প দূরে একটা চিতা সবে জ্বলতে শুরু করেছে।

    আমাদের কাঠগুলো এনে এক জায়গায় জড়ো করবেন বলে ব্রজমামা কোদাল দিয়ে চুলো কাটতে লাগলেন। চুলো কাটা হলে ব্রজমামা অন্য চিতাটা দেখতে গেলেন। চিতার দিকে তাকিয়েই বলে উঠলেন,—আরে, কাতী পুড়ছে! কিন্তু লোকজন গেল কোথায়?

    তারপর চিতার চারপাশ দেখে বললেন,—চালি নেই। শুধু ফাটা বালিশ আর মাদুর, একটা বাঁশ। তাহলে বুকে বাঁশ দিয়েই মাদুর মুড়ে মাত্র দুজনে ঝুলিয়ে এনেছে। খেপীর কপাল দ্যাখ, চালিতে শুয়ে—শুয়েও আসতে পারল না।

    তারপর আমাদের কাছে এসে চিতা সাজানোর তদারকি করতে লাগলেন। মৃতদেহ যাতে তাড়াতাড়ি পুড়ে যায়, সেটাই সবচেয়ে আগে লক্ষ রাখা উচিত। চিতার আগুন যেন মাঝখানে নিভে বা কমে না যায়। এইজন্যে চিতা সাজানোটাই কঠিন কাজ। নইলে মৃতদেহ আধপোড়া থেকে যাবে।

    আমি এসবের কিছুই জানি না। আমার কাজ হল চিতার কাঠগুলো এগিয়ে দেওয়া। তারপর চিতা তৈরি হলে ব্রজমামা ভালো করে দেখে নিলেন। এবার বুড়োর মৃতদেহটি দুজনে ধরে খুব যত্ন করে চিতার উপরে শুইয়ে দেওয়া হল। তার ওপর আবার কাঠ সাজিয়ে দেওয়া হল। বুকে, দু’পাশে। অনেক কিছু ধর্মীয় আচার এই সময়ে করা হয়। কিন্তু এই বুড়োর জন্যে কে করবে এসব? কাতীখেপীরও কেউ করেনি।

    সঙ্গে বুড়োর এক নাবালক দূরসম্পর্কীয় আত্মীয় এসেছিল। একগুচ্ছ পাটকাঠি জ্বালিয়ে কয়েকবার মৃতদেহটি পরিক্রমা করে সেই—ই বুড়োর মুখে ঠেকিয়ে দিল। ব্যস, মুখাগ্নি হয়ে গেল। এবার ব্রজমামা চিতায় আগুন দিলেন। বলো হরি, হরি বোল। আমরাও অমনি ব্রজমামার গলায় গলা মিলিয়ে সমস্বরে চেঁচিয়ে উঠলাম,—”বলো হরি, হরি বোল।”

    চিতা দাউ দাউ করে জ্বলছে লাগল। এবার বেশ কয়েক ঘণ্টার মতো নিশ্চিন্ত। আমরা একটু দূরে গিয়ে বসে রইলাম। আগুনের হলকা এখানেও আসছিল। সেইসঙ্গে ধোঁওয়া আর চামড়া পোড়ার গন্ধ। শুধু অবিচল ব্রজমামা। একটা বাঁশ হাতে করে আগুনের তাত অগ্রাহ্য করে চিতার দিকে তাকিয়ে। মাঝে—মাঝে বাঁশ দিয়ে খুঁচিয়ে জ্বলন্ত কাঠগুলো ঠিক করে দিচ্ছিলেন।

    হঠাৎ আমাদেরই একজন ভয়ে চিৎকার করে উঠল,—ওরে বাবা গো!

    তার চিৎকারে আমরা পিছু ফিরে তাকালাম। ব্রজমামাও ছুটে এলেন। উঃ, কী ভয়ংকর! দেখলাম, জ্বলন্ত চিতার উপর কাতীখেপী সোজা হয়ে উঠে বসেছে। তার সর্বাঙ্গ পুড়ে বীভৎস হয়ে গেছে। সে দৃশ্য দেখে সবাই প্রাণভয়ে ছুটতে শুরু করেছে। আমি কিংকর্তব্যবিমূঢ়। ভয়ে গা—হাত—পা কাঁপছে ঠকঠক করে। ব্রজমামা হুংকার ছেড়ে সবাইকে ডাকলেন।

    —কোথায় পালাচ্ছিস ভীতুর দল? এখানে এসে চুপটি করে বোস।

    একে—একে যদিও সবাই ফিরে এল, কিন্তু দাঁড়িয়ে রইল দূরে। শুধু কাতীখেপীর চিতার দিকে এগিয়ে গেলেন ব্রজামমা। আমাকে ডাকলেন,—এই ভোম্বল, এদিকে আয়।

    ব্রজমামা তো বললেন,—এদিকে আয়, কিন্তু চিতার ওপর ওই যে মূর্তিখানি সাক্ষাৎ পিশাচের মতো খাড়া হয়ে বসে আছে, তার কাছে যাই কী করে? ঘাড়ের ওপর লাফিয়ে পড়তে কতক্ষণ?

    তবু যেতে হল। ব্রজমামার আদেশ।

    ব্রজমামা তাঁর হাতের বাঁশটা দিয়ে জ্বলন্ত কাতীখেপীর বুকে গুঁতো দিতেই দেহটা আবার চিতার ওপর পড়ে গেল।

    —কীরে, ভয় পাচ্ছিস? ধ্যুত এ সব যা ভাবছিস তা নয়। চিতা ঠিকমতো না সাজিয়ে কোনওরকমে জ্বালিয়ে দিয়ে ওরা পালিয়ে গেছে। আগুনের তাপে মাসলে শিরে টান পড়ায় ওরকম হয়। ওসব কিছু নয়।

    এসব কিছু তো নয়—কিন্তু আসবার সময়ে তিন—তিনটে শেয়াল যে একসঙ্গে দাঁত খিঁচোচ্ছিল, তাও কি কিছু নয়? তাই যদি না হবে, তাহলে ব্রজমামা সঙ্গে—সঙ্গে হরি বোল হরি বোল, করে উঠেছিলেন কেন?

    ব্রজমামা আমাদের বৈজ্ঞানিক জ্ঞানুটুকু দিয়ে ক্ষান্ত হলেই পারতেন। কিন্তু তাঁর সব কিছুতেই বাড়াবাড়ি। বললেন,—কাতী বেঁচে থাকতে যা করেছে, তা করেছে। কিন্তু মরার পর দেহটা যাতে ঠিকঠাক পোড়ে সেটুকু না করলে বেচারা স্বর্গে গিয়েও শান্তি পাবে না। বলেই কাতীর ওপর থেকে জ্বলন্ত কাঠগুলো নামাতে লাগলেন। বাধ্য হয়ে আমাদেরও হাত লাগাতে হল। তারপর এতটুকু ইতস্তত না করে চিতা থেকে কাতীখেপীর ঝলসানো দেহটা একাই টেনে তুলে এনে মাটিতে শুইয়ে দিলেন।

    এবার আমাদের বললেন,—অর্ধেক কাঠ নামিয়ে ফেল। দেখিস আগুনে হাত না পোড়ে।

    আমরা সেইরকম করলাম। তারপর ব্রজমামা কোথা থেকে একটা মোটা কাঠ এনে আড়াআড়িভাবে চিতার ওপর রাখলেন। বললেন,—মাজার নিচে মোটা কাঠের ঠেকা না দিলে এমনিই হয়। এরপর তিনি আবার কাতীখেপীর সেই বীভৎস দেহটা বুকের ওপর তুলে নিয়ে মা যেমন করে ঘুমন্ত শিশুকে যত্ন করে বিছানায় শুইয়ে দেয়, তেমনি করে শুইয়ে দিলেন। কোমরটা রইল মোটা কাঠের ওপরে।

    —নে, এবার কাঠগুলো ওর ওপর চাপিয়ে দে।

    কত সহজেই না ব্রজমামা আদেশ করলেন। কিন্তু সেই সমস্ত জ্বলন্ত কাঠ, জ্বলন্ত চিতার ওপর সাজানো যে কী কঠিন, সে অভিজ্ঞতা কোনওদিন ভুলব না।

    চিতা দাউদাউ করে জ্বলে উঠল। ব্রজমামা নিশ্চিন্ত মনে বললেন,—এবার শান্তিতে পোড় কাতী! শেয়াল—কুকুরে আর টানাটানি করবে না

    ২০০২, ডিসেম্বর, কিশোর ভারতী

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনতুন নতুন নাটক – সম্পাদনা: মনোজ মিত্র
    Next Article ভৌতিক অমনিবাস – মানবেন্দ্র পাল

    Related Articles

    মানবেন্দ্র পাল

    অশরীরী আতঙ্ক – মানবেন্দ্র পাল

    November 13, 2025
    মানবেন্দ্র পাল

    ভৌতিক অমনিবাস – মানবেন্দ্র পাল

    November 13, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }