Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাসিন্ধুর ওপার থেকে – প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত

    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প123 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২য় অধ্যায় – মহানির্বাণের সুর : বৌদ্ধ ধর্মীয় সংগীত এবং অন্যন্য

    ২য় অধ্যায় – মহানির্বাণের সুর : বৌদ্ধ ধর্মীয় সংগীত এবং অন্যন্য

    ধর্মারোহণ

    বৌদ্ধধর্মের জয়যাত্রার পুরোধা হলেন গৌতম বুদ্ধ বা সিদ্ধার্থ। গৌতমের জন্ম হয় খ্রিস্টপূর্ব ৫৬৩ অব্দের কাছাকাছি কোনো এক সময়ে।১ তার পিতা শুদ্ধোদন ছিলেন শাক্যবংশীয় রাজা। এছাড়াও বিনয়পিটক  ও বুদ্ধচর্যা থেকে জানা যায় ভদ্দীয় ও দন্তপানি নামক শাক্য রাজাদের কথা।

    সিদ্ধার্থের জন্ম হয় কপিলাবস্তু থেকে কয়েক মাইল দূরে লুম্বিণী নামে এক শালবনে। সিদ্ধার্থের জন্মের ৩১৯ বছর পর আপন রাজ্যাভিষেকের বিংশতিবর্ষে সম্রাট অশোক এই স্থানে একটি প্রস্তরশিলা স্থাপন করেছিলেন যা আজও বর্তমান। জন্মের পরমুহূর্তে সিদ্ধার্থের মাতৃবিয়োগ ঘটলে মাসি গৌতমীর তত্ত্বাবধানে তিনি বড়ো হয়ে ওঠেন।

    ছোটোবেলা থেকে সিদ্ধার্থকে সংসার-বিষয়ে উদাসীন এবং সর্বদা চিন্তামগ্ন থাকতে দেখে পিতা শুদ্ধোদন ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে সন্তান হারানোর ভয়ে প্রতিবেশী কোলীয় গণরাজ্যের কন্যা যশোধরার সঙ্গে পুত্রের বিয়ে দেন। তাদের একটি সন্তান হয়, যার নাম রাহুল।

    বৃদ্ধ, পীড়িত, মৃত ও সন্ন্যাসী—এই চার দৃশ্য দেখে সিদ্ধার্থ সংসার সম্পর্কে আরো উদাসীন হয়ে পড়েন এবং একদিন গৃহত্যাগ করেন ‘মোক্ষ’-র সন্ধানে। বুদ্ধগয়ায় একটি পিপুলগাছের তলায় বসে ধ্যান করার সময় তিনি ‘বোধি’ লাভ করেন ও গৌতম বুদ্ধ নাম গ্রহণ করেন।

    সিদ্ধার্থের এই জ্ঞানদর্শন ছিল :

    দুঃখই দুঃখের কারণ, দুঃখের বিনাশ আছে ও দুঃখ নিরোধের পথও আছে।

    যে ধর্ম বর্তমান তা সবই কোনো হেতু থেকে জাত এবং সেই হেতুরও বিনাশ আছে।

    মহাশ্রমণের এটিই ছিল শ্রেষ্ঠ অভিমত।

    গৌতম ২৯ বছর বয়সে গৃহত্যাগ করেন (৫৩৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে)। গভীর চিন্তনের মাধ্যমে ছত্রিশ বছর বয়সে তাঁর ‘বোধি’ লাভ হয় (৫২৮ খ্রিস্টপূর্বে) এবং বৌদ্ধধর্মের সূচনা ঘটে। এরপর ৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি তাঁর ধর্মের প্রচার সাধন করেন এবং ৪৮৩ খ্রিস্টপূর্বে আশি বছর বয়সে কুশীনগর নামক স্থানে তাঁর নির্বাণ ঘটে। সেই মুহূর্তের একশো বছরের মধ্যে ভারত, চিন, জাপান, শ্যামদেশ তথা অন্যান্য জায়গায় বৌদ্ধধর্মের বিকাশ লক্ষণীয় এবং আজও এই প্রভাব সমভাবে বর্তমান।২

    নেপথ্য সংগীত

    বৌদ্ধধর্মের প্রতিস্থাপনের সময় থেকেই বৌদ্ধ ধর্মীয় সংগীতের উদ্ভব বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন। বৌদ্ধ ধর্মীয় সংগীত মূলত বৌদ্ধশিক্ষা ও দর্শন—এই প্রধান দুটি অবলম্বনের ওপর দণ্ডায়মান। কালক্রমে এই ধর্মীয় সংগীতও বিভিন্ন ভাগে, যেমন শিন্টো ধর্মীয়, তাও ধর্মীয়, জেন ধর্মীয় ভাবধারায় উদবুদ্ধ হয় এবং এতে প্রচুর বিবর্তন পাওয়া যায়। এই বিশেষ সংগীত ভারতীয় দর্শনের প্রবহমান ধারার মধ্যে নব্য গবেষণা, নব্য আলোচনার ধারার সৃষ্টি করেছিল।৩ তিববতীয় বৌদ্ধসংগীত এই ধারাকে আরও ভাবগম্ভীর ও কালোত্তীর্ণ করে তোলে। বৌদ্ধমন্ত্র, বৌদ্ধ পুথি অবলম্বিত এই বিশেষ ‘শাস্ত্রীয়’ সংগীত বৌদ্ধ দর্শনকে সমগ্র পৃথিবীর কাছে এক অনন্যসাধারণ রূপদান করে। বৌদ্ধকলা, ধর্ম ও দর্শনের এটি এক অসাধারণ মেলবন্ধন৪। প্রাচীনযুগ থেকে আধুনিক যুগধারায় যা আজও এক বিস্ময়কর সৃষ্টি।

    বৌদ্ধধর্ম

    খ্রিস্টপূর্ব ৪৭৮ অব্দ থেকেই বৌদ্ধধর্মের পাশাপাশি বৌদ্ধ সংগীতের বিকাশ। এই সংগীত পারতপক্ষে বৌদ্ধ দর্শন অনুপ্রাণিত এবং বৌদ্ধ শিল্পকলার এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এই প্রাচীন মন্ত্রগুলির উচ্চারণের মাধ্যমে গীতসংগীত মূলত বুদ্ধের চারটি মূল সিদ্ধান্তের প্রতিধবনি।

    ১. ঈশ্বরকে অস্বীকার করা (অন্যথায় মানুষ স্বয়ং নিজের প্রভু—এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা হয়)

    ২. আত্মাকে নিত্য স্বীকার না-করা (অন্যথায় নিত্য একরকম মানলে তার পরিশুদ্ধি ও মুক্তি অসম্ভব)

    ৩. কোনো গ্রন্থকে মূল প্রামাণ্য হিসেবে স্বীকার না করা (অন্যথায় বুদ্ধিমত্তা ও অভিজ্ঞতা মূল্যহীন)

    ৪. জীবনপ্রবাহকে এই শরীরের মধ্যে সীমিত করা (অন্যথায় জীবন ও তার নানা বৈচিত্র্য কার্যকারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন না-হয়ে শুধুমাত্র এক আকস্মিক ঘটনারূপে প্রতিভাত হবে) কে প্রতিবিম্বিত করে।৫

    বৌদ্ধ শিক্ষা, দর্শন ও সংগীত এই চার সিদ্ধান্তের উপর বিরাজমান। প্রথম তিনটি শিক্ষায় এটি বৌদ্ধধর্মকে অন্যান্য ধর্ম থেকে এবং চতুর্থটিতেবস্তুবাদ থেকে পৃথক করে। বৌদ্ধসংগীত এই চারটি ধারায় সুস্নাত হয়ে বৌদ্ধধর্মের দর্শনকে আলোকোত্তীর্ণ পথে পরিচালনা করে।

    বৌদ্ধধর্মে তার সাংগীতিক ভাবধারা, মতানুসারে শ্রীজ্ঞান অতীশ দীপঙ্করের মাধ্যমে বিকশিত হয়। প্রথম প্রথম এটি বৌদ্ধ সংঘ বা মঠগুলিতে গাওয়া হয়ে থাকত। বৌদ্ধ ধর্মীয় সংগীত গাওয়া হত পালি-সংস্কৃত ও প্রাকৃত ভাষায় জাতক ও ত্রিপিটক-এর নির্বাচিত অংশ নিয়ে। বৌদ্ধ ভিক্ষুরাই মূলত এই গানগুলি গাইতেন বা প্রাচীন তারের যন্ত্রে তা বাজাতেন।৬ তাদের একসময় নিয়মিত সাংগীতিক চর্চায় লিপ্ত থাকতে হত।

    বৌদ্ধ ধর্মীয়সংগীত মূলত আমরা যেটি পাই তা হল—’হনকিওকু’ (Honkyoku)। এটি বৌদ্ধ সংগীতের একটি বিশেষ খণ্ডরূপ। ‘হনকিওকু’ আসলে ‘শাকুহাচি’ (Shaku hachi) বা ‘হোচিকু (Hochiku) সংগীতের অন্তর্গত। বিশেষত জাপানি জেন সন্ন্যাসীরা এইগুলি গাইতেন যাঁদের প্রচলিত নাম ‘কোমুসো’ (Kyomuso)।৭ এই ‘কোমুসো’রাই ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ‘হনকিওকু’ চর্চা শুরু করেন পূর্ণব্রহ্ম বা বোধিলাভের আশায়। এর পরেই জেন ধর্মতেও সংগীতের আমূল পরিবর্তন আসে। সৃষ্টি হয় বৌদ্ধ ধর্মীয়সংগীত ও তার নবরূপীকরণ। নির্মাণ হয় ‘হাইকু’-র (Hyku) এবং এই ত্রিপদী পদ্যও কালক্রমে গোটা তিববতে প্রচলিত হয়।৮ এরপরে সপ্তদশ শতাব্দীর শেষে (আনুমানিক) বৌদ্ধ সংগীতে তিববতি তান্ত্রিকধারার মূল প্রভাব লক্ষ করা যায় যা বৌদ্ধ ধর্মীয় আঙ্গিককে আরো ভাবগম্ভীর করে তোলে।

    এরপরে অষ্টাদশ শতাব্দীতে আমরা উল্লেখ পাই কিনকো কুরাসাওয়ার (Kinko Kurasaur) যিনি কিনা ‘কোমুসো’ সম্প্রদায়ভুক্ত এবং যিনি সারা জাপান ঘুরে বেড়ান বহুবছর ধরে সেই বিশেষ সংগীত ‘হোচিকু’র সন্ধানে।৯ বহুবছর ভ্রমণের পর ছত্রিশ রকমের ‘হোচিকু’র খণ্ডস্বরলিপি উদ্ধার করে আনেন তিনি। এগুলি সেই সন্ন্যাসীর নামানুসারে ‘কিনকো-রু-হনকিওকু’ নামে সর্বজনবিদিত হয়। পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মীয়সংগীতের একটি বড়ো পর্যায় বৌদ্ধধর্মীয় মন্ত্র বা শ্লোকনির্ভর। বৌদ্ধ মন্ত্রগুলি বৌদ্ধ দর্শন ও ভাবধারায় অনুপ্রাণিত এবং নানান নামে বা বৈশিষ্ট্যে নানা জায়গায় সমৃদ্ধ, যেমন—

    অমিতাভ নামের পুনরুচ্চারণে আদি বৌদ্ধ সংঘগুলিতে।

    শৌম্য (Shomyo) নামে জাপানি তেনডাই (Tendai)১০ এবং সীঙ্গন (Shingon) বৌদ্ধধর্মে।

    এটি বিশেষ গালবাদ্য ও ওঁঙ্কার ধবনিরূপে তিববতি বৌদ্ধধর্মে পরিচিত।

    তিববতি বৌদ্ধধর্ম ও তার সংগীত সর্বাপেক্ষা বৃহৎ বৌদ্ধদর্শন ও সাংগীতিকরূপ হিসেবে তিববতে প্রতিষ্ঠিত। এর মধ্যে সুপ্রাচীন যন্ত্রসংগীত বিশেষত তারের যন্ত্র এবং সাতটি মুখওয়ালা বৃহৎ ‘শাকুহাসি’ বাঁশি তথা শঙ্খ এবং চামড়ার ড্রাম জাতীয় (নাকাড়া) বাদ্য বিদ্যমান। এই তিববতি সংগীত বেশির ভাগই প্রাচীন তিববতি-ব্রাহ্মী বা সংস্কৃতে পাওয়া যায়। এই শ্লোকগুলি অধিকাংশই জটিল, তত্ত্বসাপেক্ষ ও নানান ধর্মীয় উৎসবে গাওয়া হয়ে থাকে। এর মধ্যে ‘কিসিয়াং’ বা ‘ইয়াং’ মন্ত্রটি সময়সাপেক্ষে ব্যাপ্তি ও পরিধি বিস্তারে সক্ষম। অন্যান্য ঘরানাগুলির মধ্যে (তান্ত্রিক বৌদ্ধ ধর্মমতানুসারে) সনাতনি ‘গেলুপা’ (Gelugpa school), রোমান্টিক ‘নিংমাপা’ (Nyingmapa school) এবং ‘সাকোপা’ ও ‘কাওপা’তে বিভক্ত।১১ ‘সোম-ইয়া’ বা ‘শৌম্য’ ঘরানাতেও ‘ইয়োকোকু’ ও ‘রিকোওকু’ দ্রষ্টব্য।

    শিন্টোধর্ম ও তার সংগীত

    বৌদ্ধধর্ম পরবর্তী ও তার বহুলপ্রভাব বিজরিত এই ধর্ম মূলত জাপানে বিশেষ সমৃদ্ধ। আধুনিক জাপানের এক-তৃতীয়াংশ লোক এই শিন্টোধর্মাবলম্বী। এটি অষ্টম শতাব্দীতে জাপানে পরিচিতি লাভ করে। শিন্টো শব্দটি মূল চিনা শব্দ ‘শিনটাও’ (Shin-tao) অর্থাৎ ঈশ্বর বা মোক্ষলাভের পথ থেকে জাত। এর নামকরণই একে বৌদ্ধধর্ম থেকে সামান্য আলাদা করে দেয়। জাপানে এর আদিনাম ‘কামি-নো মিচি’ (kami-no-michi)।১২ প্রত্নতাত্ত্বিক ধর্মোৎসবের অঙ্গরূপেও এটি সর্বদা দর্শনের সনাতনী ভাবধারা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি থেকে একটু ভিন্ন। বিশেষত, শিন্টোধর্মের মূল প্রবক্তা—’ইয়ামাতো’ (Yamato) নামের একটি অতীন্দ্রিয় গোষ্ঠী, যারা বৌদ্ধধর্মের প্রভাব ও বৈশিষ্ট্যমুখী হয়েও একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ভাবধারা, বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক মতবাদে বিশ্বাস করত এবং এদেরই লেখনী দ্বারা এটি অষ্টম শতাব্দীতে সর্বজনবিদিত হয়। ধর্মশাসনের পাশাপাশি ইয়ামাতোরা অনেকেই স্বদেশশাসনে নিজেদের নিয়োজিত করেছিল যাদের আমরা ‘কোকুতাই শিন্টো’১৩ নামে জানি। এই ‘ইয়ামাতো’ গোষ্ঠী পদাঙ্কনুসরণ করেই শিন্টোর ধর্মীয় ইতিহাস প্রথম লেখা হয় এবং আজও এই সংগীত জাপান ছাড়াও অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলিতে সমানভাবে সমাদৃত।

    শিন্টোসংগীত হল মূলত শিন্টোধর্মের নানান উৎসবের সংগীত। শিন্টোধর্মীয় সংগীত বৌদ্ধধর্মের মতোই পুরাতনী সাংগীতিক ভাবধারায় উদবুদ্ধ। এটি আসলে ‘গাগাকু’ (Gagaku)-র একটি বিশেষ ভাগ, যেটি হল প্রাচীন জাপানি সংগীত ও নৃত্যকলার ভাণ্ডার। এছাড়াও শিন্টোসংগীতে পাওয়া যায় ‘কাগুরা’-র১৪ বৈশিষ্ট্যাবলি। ‘কাগুরা’ও প্রাচীন শিন্টো ধর্মীয়সংগীতের একটি মূল অধ্যায়, যার দুটি ভাগ :

    ১. মি-কাগুরা (Mi-kagura) যেটি সুপ্রাচীন শিন্টো ধর্মীয়সংগীতের অংশ

    ২. সাটো-কাগুরা (Sato-kagura) যেটি প্রাচীন শিন্টোসংগীত হলেও প্রাচীন ভাবধারামুক্ত।

    এছাড়াও শিন্টো ধর্মীয়সংগীতে নানাবিধ যন্ত্রসংগীতের উপাদান লক্ষণীয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল—’ফিউ’ (Fue) নামের একটি বিশেষ বাঁশি, ‘সুজুমি’ (Tsuzumi) নামের চামড়ার বাদ্যযন্ত্র। শিন্টো লোকসংগীতের মধ্যে অন্যতম হল ‘সাটোকাগুরা’ (Satokagura)।১৫ ‘তাইকো’ (Taiko) সংগীত এই ধর্মীয় সংগীতের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত। বিখ্যাত ‘সাটো-কাগুরা’ যা কিনা প্রাচীন শিন্টোলোক-সংগীতের অংশ তা প্রথম প্রথম ‘ইয়ামাতো’ সন্ন্যাসীরা গেয়ে গেয়ে বেড়াতেন। পরবর্তীকালে এই সংগীতের পবিত্র দার্শনিক ভাবধারা, সহজধর্মিতা ও একমুখীকরণ জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় নেয়নি।

    তাও বা ডাওধর্ম ও তার সংগীত

    তাও বা ডাওধর্ম প্রাচীন চিনের সর্বাপেক্ষা বৃহৎ ধর্ম ও দার্শনিক মতবাদের নাম। এই ধর্মের প্রবর্তন ছয় খ্রিস্টপূর্বাব্দে বিখ্যাত ধর্মগুরু ‘লাও জু’র (Lao TZu) লেখা তাও তে চিং গ্রন্থের মাধ্যমে ঘটে। তাও তে চিং বিশেষত অতীন্দ্রিয় শক্তির পথপ্রদর্শক।১৬ তাও ধর্মের এই সুপ্রাচীন ধর্মগ্রন্থটি মূলত প্রাচীন প্রাকৃতিক শক্তি ও প্রকৃতির মধ্যে এক অভাবনীয় মেলবন্ধনের নজির। যেখানে ব্যক্তিবিশেষ তার আদিসত্তার নিকট ও তার প্রকৃতি মূল্যায়নে সক্ষম সেটিই তাও-এর মূল উৎস। এই ধর্ম মূলত বৌদ্ধ মতবাদ, কনফুসীয় দর্শন ও প্রাচীন চৈনিক অতীন্দ্রিয়বাদের যোগসূত্রধার।১৭ এই বিশেষ ধর্মীয় মতবাদে তাও তে চিং ছাড়াও ‘চুয়াং জু’, ‘লি জু’ ও ‘হুই নান জু’ যুগে যুগে এই বিশেষ ধর্মীয় চিন্তাধারাকে আরও উন্নত পর্যায়ে সংহত করেছে। ‘তাও’ বা ‘ডাওইজমের’ প্রকৃত ব্যাপ্তি ঘটে বিখ্যাত ‘হান’ সাম্রাজ্যের (২৩ – ২২০ খ্রি.)-এর শেষ ভাগে। এরা মূলত ‘পবিত্র ত্রয়ী’র উপাসক যারা স্বর্গ-মর্ত্য ও মানুষের অধীশ্বর।১৮

    কনফুসীয় ভাবধারার উন্মেষ অনেকাংশে তাওইজমেও পরিলক্ষিত হয়। এই তাও সংগীত এরই পরিপূরক। তাও সংগীত তার ধর্মের মতোই যথেষ্ট প্রভাবশালী ও মানবমননে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থানের অধিকারী যা প্রাচ্য দর্শনের ইতিহাসে বৌদ্ধ সংগীতের ও মতবাদের সমসাময়িক। সংগীতের সাথে ‘তাও’ ধর্মের সম্পর্ক বহুদিনের এবং ধর্মীয় সংগীত হিসেবে এর ভূমিকা ও প্রভাবও লক্ষণীয়। ‘তাও’ বা ‘ডাও’ ধর্মীয় সংস্কৃতিতে সংগীতের ভূমিকা নানাবিধ। তাও ধর্মাবলম্বীরা মনে করেন সংগীতই হল ‘ঈশ্বরের সহিত কথোপকথনের’ একমাত্র মাধ্যম। এটি তাওধর্মাবলম্বীদের উৎসাহপ্রদানে, আত্মার অন্তরঙ্গ ধবনি শুনতে এবং এই বিশেষ ধর্মটিকে আরও ভালোভাবে জানতে সাহায্য করে। তাওকে অনুসরণ করতে হলে আগে নিজের অন্তর্ধ্বনিকে জানতে হবে। এই ধর্মীয় বিশ্বাসটি ‘ইন’ ও ‘ইয়াং’—এই দুটি ভিন্ন সংগীতের মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত। এই বিশেষ সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় উৎসবটি অস্ট্রেলিয়ার ‘চিরসবুজ’ তাওয়িস্ট চার্চে১৯ ‘ডিয়াগন’ (Deagon) বা ‘কুয়ান ইন’-এর জন্মদিবস পালন উপলক্ষ্যে উদযাপিত হয়। ধর্মীয় সংগীত ও তার যন্ত্রানুষঙ্গ এখানে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে। তাও ‘ধর্মীয়’ ধর্মগুরু বা যাজকেরা ‘কুয়ান ইন’-এর—যিনি ক্ষমার দেবতা—তাঁর স্তুতিপাঠ করেন। বিশেষত ‘চেলো’, ‘হার্প’, ও ‘দ্রামস’-এর যন্ত্রানুষঙ্গ কাজ করে থাকে। এই উৎসব তাও ধর্ম্বালম্বীদের একটি পবিত্র উৎসব যা তাও মতবাদীদের ধর্মমাহাত্ম্য, তাও দর্শন ও সংস্কৃতির পরিচায়ক। তাও ধর্মীয় সংগীত পরিবেশন কালে অধ্যক্ষগুরু হাত নাড়িয়ে এটি পরিচালনা করেন যা চিনা অতীন্দ্রিয়বাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে। এক্ষেত্রে জনপ্রিয় ‘ইয়াং’ সংগীতের পরিবেশন হয় এবং ‘কুইং’ (ধাতব সংগীতযন্ত্র) ও ‘ফাকি’ (ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্রবিশেষ) এই দুটি মুখ্য যন্ত্রের ব্যবহার হয়ে থাকে। এটি মূলত ধ্যানে, সমাধি ও পরমাত্মার আহ্বানকে জানানোর সংগীত। এছাড়াও ‘কুইং’ ও ‘মুইয়ু’২০ নামের আরো বিশেষ দুটি যন্ত্রের মধ্যে দিয়ে ধর্মীয় পরিবেশের সৃষ্টি করা হয়।

    ‘তাও’ বা ‘ডাও’ ধর্মীয় সংগীতের এরূপ অসাধারণ ‘Manifestation’ খুব কম ধর্মেই দেখতে পাওয়া যায়। অনেক সময় মহান ধর্মগুরু লাও-জু-র লেখা তাও তে চিং থেকে নির্বাচিত অংশ পাঠ করে গাওয়া হয়ে থাকে এবং প্রাচ্য দর্শনের সেই আলোকোজ্জ্বল পথের পাথেয়রূপে একে গ্রহণ করা হয়। বিখ্যাত এই ধর্মীয়- সংগীত তাও-ধর্ম্বাবলম্বীদের রোজকার জীবনের একটি অপরিহার্য ও অবিচ্ছেদ্য অঙ্গরূপে বিবেচিত হয়।

    কনফুসীয়ধর্ম ও তার সংগীত

    কনফুসীয়ধর্ম বা ধর্মীয় মতবাদের জনক হলেন বিখ্যাত গুরু কনফুসিয়াস(৫৫১ – ৪৭৯ খ্রি.পূ.)। কনফুসিয়াসের উপদেশ ও কনফুসীয় মতবাদের ভাবধারায় আপ্লুত এই ধর্মের মূল রসদ তার সংগীত। কনফুসিয়ানধর্ম মহাগুরু কনফুসিয়াসের পঠনপাঠনআশ্রিত যা ছ-টি সর্বকালের সর্বজনবিদিত গ্রন্থ :

    ১. পরিবর্তন

    ২. ইতিহাস

    ৩. সংগীত

    ৪. ধর্মীয় স্তোত্র

    ৫. ধর্মীয় সংস্কৃতি ও আচার-আচরণ এবং

    ৬. ধর্মীয় তত্ত্ব ও প্রশ্নাবলি২১।

    চিন প্রদেশে সবচেয়ে পুরোনো ও আধ্যাত্মিক এই দুনিয়ার ধর্মীয় সংগীতের প্রভাব বৃদ্ধিমাত্র একই সঙ্গে চিনদেশীয় ‘হান’ সাম্রাজ্যে এটির ব্যাপ্তি ঘটে। কনফুসীয় ধর্মে সংগীতের প্রভাব অপরিসীম। বিশেষত কনফুসীয় ধর্মসংগীত বৌদ্ধ ও জেনধর্মীয় সংগীতের মতোই সামঞ্জস্যপূর্ণ। কনফুসীয় ধর্মীয় সংগীতে মূলত বাঁশি, শিঙা, চেলো ইত্যাদির বিশেষ উল্লেখ পাওয়া যায়। এই ধর্মীয় সংগীত ‘কোরাসে’ গাওয়া হয়২২–যা সাধারণ মানবজীবনের দুঃখ-কষ্ট ভুলিয়ে তাকে এক উন্নত মার্গের সন্ধান দেয়। এই সংগীত দিয়ে থাকে সেই প্রাচীন দীক্ষা যা বৌদ্ধ, জেন, শিন্টো ধর্মীয় প্রভাবমুক্ত এবং প্রাচ্য দর্শনের এক বিশেষ সাংগীতিক রূপ ও দর্শনের আলোকমণ্ডলের ঠিকানা।

    নিয়ো-কনফুসিয়ানিজম

    নিয়ো-কনফুসীয় ধর্ম প্রকৃতপক্ষে কনফুসীয় ধর্মেরই একটি উত্তর-আধুনিক রূপ। কনফুসীয় ধর্মের আরও উন্নত এবং আধুনিক ধর্মসাধন এই ধর্মে লক্ষণীয়। মূল কনফুসীয় ভাবধারায় এটি অনুপ্রাণিত হলেও বৈশিষ্ট্য, ধর্মাচরণ ও ধর্মীয় রীতিনীতির দিক থেকে এটি কনফুসীয় ভাবধারা থেকে স্বতন্ত্র। এর মূল যোগসূত্র ‘তাং’ (Tang Dynasty) সাম্রাজ্যে এবং বিখ্যাত তাত্ত্বিক ‘তাং-জি তিয়ান’-এর (Tang xie Tian) ভাবাদর্শে এটি উদবুদ্ধ। পূর্ব এশিয়া যথা চিন, জাপান ও কোরিয়ায় বিস্তার। বিখ্যাত নিয়ো-কনফুসীয় সংগীতজ্ঞ হু জিং (Znu xi) ওয়াং ইয়ামমিং (wong yangming) কনফুসীয় সাংগীতিক ভাবধারাকে এক নতুন পথে চালিত করেন, যদিও এই ধর্মের বাদ্যযন্ত্রের পূর্বপরিগণিত বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে বিশেষ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় না।

    উপসংহার

    পাশ্চাত্য ধর্মীয় সংগীতের তুলানান্তরে প্রাচ্যধর্ম ও ধর্মীয় সংগীতের অবদান বেশি বই-কম নয়। যুগ যুগ ধরে প্রাচ্য ধর্ম ও ধর্মীয় সংগীতের ইতিহাসে এই বিশেষ পরিমণ্ডলটি ভাববাদ-অতীন্দ্রিয়বাদ ও দর্শনের মূল বিষয়কে সংগীতের সুনির্মল পরিবেশনায় বিশ্বের মুক্ত মানবজাতিকে আকৃষ্ট করেছে। বিংশ শতাব্দীতে এর সৌকর্য ও নানান তত্ত্ব সাংগীতিক ভাবধারাকে ছাড়িয়ে সৃষ্টি করেছে এক অমোঘ নির্দেশ যা কালক্রমে নির্দেশিত হয়েছে ‘সংগীতই ঈশ্বরলাভের প্রকৃত উপায়’ এই মোক্ষবাদে।

    ***

    ২য় অধ্যায়
    মহানির্বাণের সুর : বৌদ্ধ ধর্মীয় সংগীত এবং অন্যান্য

    ১. Andrew Skitton (2004), A concise history of Buddhism, wind horse, 978-09044766929, p.41

    ২. Julianne Schober (2002), A sacred biogrphy in the Buddhist tradition of South-East Asia, Motilal Banarsidass, p. 20

    ৩. Mark fowler (2005), Zen Buddhism : Belief and practice, Sussex academy press, p. 32

    ৪. Julianne Schober, p. 63

    ৫. Ibid, p. 128

    ৬. Deborah Wong (2001), sounding the centre : history and aesthetics in Thai Buddhist performance, Univ. Of Chicago press, 978–0226905860, p.28

    ৭. Robort E. Buswell (2003) ; Encyclopaedia of Buddhism ; Machillan, 0028657187, p. 57

    ৮. Ibid, p. 130

    ৯. Thomas Merton (1967) ; Mysteries and Zen Master, Farrar, Straus and Giroux, New York, 0374520011, p. 87

    ১০. Jacqueline Stone (2003), Original Enlightenment and the transformtion of medieval Japanese Buddhism, University of Hawaii, 08247820266, p. 15

    ১১. Graham Coleman (1993) ; The Handbook of Tibetan Culture, shambhala, 1570620024. p. 71

    ১২. C. Scott. Littleton (2002), Shinto : Origin, rituals, festivals, spirits and secret places, OUP, 0195218868, p. 49

    ১৩. Ibid, p.55

    ১৪. Ibid, pp. 63–65

    ১৫. Ibid, p. 117

    ১৬. Russell Krikland (2004) ; Taoism : Enduring Tradition, Routledge, 0415263220, p. 52

    ১৭. Ibid, p. 61

    ১৮. Ibid, p. 63

    ১৯. John Bowker (2000), The Music, the Oxford Dictionary of World Religions, p. 239

    ২০. Ibid, p. 241

    ২১. Jonathan Clements (2008) ; Confucius : a biography, Sutton,978-0750947756, p. 167

    ২২. Ibid, pp. 179–181

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরবিজীবনী (১ম খণ্ড) – প্রশান্তকুমার পাল
    Next Article ভুলবে সে গান যদি – প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত

    Related Articles

    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত

    ভুলবে সে গান যদি – প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত

    September 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }