Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাসিন্ধুর ওপার থেকে – প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত

    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প123 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪র্থ অধ্যায় – হামিন অস্ত! হামিন অস্ত! : মুসলমানি বা ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীত

    ৪র্থ অধ্যায় – হামিন অস্ত! হামিন অস্ত! : মুসলমানি বা ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীত

    মুখবন্ধ

    ‘ইসলাম’ শব্দের অর্থ ঈশ্বরের কাছে ঐকান্তিক সমর্থন। ‘ইসলাম’১ সেই বিশ্বাস যা মানুষকে ঈশ্বরের কাছে নিয়ে আসে, নিয়ে আসে একান্ত সমর্পণের মাধ্যমে। এ সেই আকুল সমর্পণ যা মানবজীবনকে ঈশ্বরে লীন হতে শেখায়। আর যাঁরা নিজেদের এই সমর্পণে নিয়ে আসেন তাঁরাই মুসলিম। এই সমর্পণ অনুদীর্ঘ, উদ্দেশ্যরহিত। এই সমর্থন বা আত্মবিনিয়োগ ধবনিত হয় মুসলমানদের ‘সালাম-আলায়কুম’-এ, যার অর্থ ‘ঈশ্বর বা আল্লা সবর্দা যেন আপনার ওপর শান্তিধারা বর্ষিত করেন’। প্রত্যুত্তরে ‘ওয়ালেকুম’ অর্থাৎ, ‘তা যেন নিজের উপরেও বজায় থাকে’।২ পয়গম্বর হজরত মহম্মদ ইসলামিক ইতিহাসের সেই সর্বজনবিদিত কিংবদন্তি—ঈশ্বরপ্রেরিত অন্তিম দূত—যিনি মানবজাতির কল্যাণসাধন করেছেন। ইনি কোনো নতুন ধর্ম প্রতিস্থাপন করেননি। শুধু প্রচার করেছেন বিশ্বভ্রাতৃত্ব, মৈত্রী ও ভালোবাসার নিবিড় পাঠ যা ঈশ্বরের অন্যান্য সন্তানেরা যেমন—আদম, নোয়া, ইব্রাহিম ও মোজেস করে এসেছেন। ত্রুসেডের সময় এই বিশেষ ধর্মীয় মতবাদে বিশ্বাসীদের ‘মহামেডান’ (Muhammadan) বলা হয়েছিল যা অবমাননাকর। যাঁরা ইসলামের ‘রসুল’ ও হজরতের বাণী মেনে চলেন তাঁরাই ‘মুসলিম’ বা ‘মুসলমান’। পয়গম্বর মহম্মদ (৫৭০ – ৬৩১ খ্রি.)৩ তাঁর দীর্ঘ জীবনপথে বিশ্বসৌহার্দ্য, শান্তি ও ভালোবাসার বাণী এভাবেই ছড়িয়ে দিয়েছেন মানবসভ্যতার মননে।

    ‘ইসলামিক সংগীত’৪ বা মুসলিম ধর্মীয় সংগীত এই ধর্মের এক অপরিহার্য ও অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এটি মূলত নানান সাংগীতিক মাধ্যমে জনগণের মঙ্গলার্থে বা ধর্মীয় আবেগে বান ডাকার জন্য (অন্যান্য সকল ধর্মের ন্যায়) নানান স্থান-এ পরিবেশিত হয়। সনাতনি ইসলামিক সংস্কৃতির ধারক ও বাহক দেশগুলির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, মিশর, ইরান, মধ্য এশিয়া, ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান বিশেষ উল্লেখযোগ্য। যেহেতু ইসলাম একটি বহুমুখী সংস্কৃতির প্রতিফলক সেহেতু এর ধর্মীয়সংগীতেও বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য পরিলক্ষিত হয়।

    ‘ইসলামীয়’ ধর্মীয় সংগীতের প্রথম লিখিত বিবরণ পাওয়া যায়, দশম শতাব্দীতে আরবপণ্ডিত ও বিখ্যাত সংগীতজ্ঞ আবু আল-ফারাবির (Abu Al-farabi) লেখায়। বিখ্যাত এই পণ্ডিতের লেখা কিতাব-অল মিউসিকি অল-কবির (প্রাকৃত ফারসি ভাষায় লেখা, The great book of music)৫ বহু পণ্ডিতের মতানুসারে বিশ্ব সংগীত ও ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীতের আদিগ্রন্থ। পণ্ডিত আল-ফারাবি বহু বাদ্যযন্ত্র বাজাতে জানতেন এবং নানান যন্ত্রের উদ্ভাবক। এঁর সৃষ্ট লাতিন-আরবি সংগীতের ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক তত্ত্ব আজও আধুনিক ইসলামিক সংগীতে বর্তমান। এই সুফি সাধক শুধু বিদ্বানই ছিলেন না, ইসলামিক ধর্মীয়সংগীতে এঁর নানাবিধ অসামান্য অবদান চিরস্মরণীয়। আল-ফারাবি নিজে সনাতনি হিন্দু শাস্ত্রীয় বা মার্গসংগীতের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তাঁর মতে মুসলমানদের আবশ্যিক কর্তব্যের মধ্যে দিনে পাঁচ মুহূর্তের ‘নামাজ’ (ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে প্রার্থনার মাধ্যমে আত্মসমর্পণ) যথা, ফজর হতে ঈশা। প্রত্যেক ‘নামাজের’ সময় ব্যবহৃত ‘আজানে’ (ঈশ্বরের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জমায়েত) আরবি ও হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সংগীতের রাগ-রাগিণীর বিধান পাওয়া যায়। এছাড়াও দুটি বিশেষ ইসলামীয় সংগীত যথা—’হমদ-এ-খুদা’ ও ‘নাদ-এ রসুল’৬-এর কথা এঁর লেখায় জানা যায়, যা বস্তুত মহম্মদের স্তুতিগান। এছাড়াও মুসলমানদের নানাবিধ উৎসবেও ধর্মীয় সংগীতের প্রচুর ব্যবহার (যেমন মহরমের সময় ‘মরসিয়া’৭ বা শোকগাথা) এঁর লেখাতেই জানা যায়।

    ইসলামের ভাবদর্শন ইসলামীয় সংগীতের ব্যবহারব্যতীত অন্তঃসার শূন্য। এই বিশেষ ধর্মীয় সংগীত মূলত প্রাচীন আরবদেশীয় যাযাবর শ্রেণি থেকে উদ্ভূত। ইসলামের প্রচারের বহু আগে থেকেই সেখানে ধর্মীয় বাতাবরণের সৃষ্টি। কোরান অনুসারে মক্কার আদিবাসিন্দারা পৌত্তলিক ছিলেন। এঁরা মরুভূমি, সূর্য ও যুদ্ধের দেবতার সাধনা করতেন। এঁদেরই লোকসংগীতে ইসলামের মূল স্বর নিহিত।

    প্রকারভেদ

    ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীতকে আরও ভালোভাবে বোঝার সুবিধার্থে একে কয়েকটি খণ্ডে ভাগ করা যেতে পারে। ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীতের প্রত্যেকটি ধারাই স্বতন্ত্র, স্বতঃস্ফূর্ত ও আধ্যাত্মিকতার মার্গদর্শনরূপে বিরাজমান। বিশেষ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য খণ্ড নিয়ে নীচে আলোচনা করা যেতে পারে :

    ১. শাস্ত্রীয় আরবি ·(Arabic Classical)

    ইসলামীয় ধর্মীয়সংগীতের আদিখণ্ড। মূলত যাযাবর বা আরবি গোষ্ঠীগত সংগীত এখানে প্রকাশ পায়। নোমাডিক অধিবাসীদের মধ্যে এক্ষেত্রে সেলজুক তুর্কি বা আরবি তুর্কিদের কথা সর্বাগ্রে বিদ্যমান। এঁরাই প্রথমত ইসলামধর্মে দীক্ষিত হন। মূলত এঁরা ‘কুরেশ’৮ জাতিগত (মহম্মদ যে জাতিটির প্রধান ছিলেন) এবং ত্রুসেডের সময় আনাতোলিয়া বা পারস্য জয় করেন। অটোমান তুর্কি নামে পরিচিত এই বিশেষ জাতিটিতে সর্বপ্রথম ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীতের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। ত্রুসেডের সময় এঁরা শুধু যুদ্ধই করেননি, এঁদেরই একটি বিশেষ জাতের চারণকবিরা নানাবিধ ধর্মীয় বীরগাথা, ঈশ্বরীয় উপাসনা ও প্রার্থনা রচনা করে গেয়ে গেয়ে বেড়ান। এই চারণকবিদের একটি ভাগ আধ্যাত্মিকতার পথ অবলম্বন করে ঐশ্বরিক স্তুতিগান ও ইসলামীয় দার্শনিক সংগীতে মনোনিবেশ করেন—যাঁদের আমরা ‘সুফি’ নামে চিনি। কয়েকশ বছরের পুরোনো এই সুপ্রাচীন ধর্মীয় সাংগীতিক উন্মেষ ইসলামধর্মে এক নতুন যুগের প্রবর্তন করে যা আজও সুচর্চিত ও ব্যবহারযোগ্য।

    ২. শাস্ত্রীয় তুর্কি (Turkish classical)

    আনাতোলিয়া বা পারস্য জয়ের পর অটোমান তুর্কিদের রাজত্বে ইসলামিক সাংস্কৃতিক-ধর্মীয় ও ধর্মীয় সংগীতের ভাবধারায় তুমুল পরিবর্তন আসে। তুর্কিদের রাজত্বকালে ধর্মীয় সংগীতে প্রথম যন্ত্রানুষঙ্গের সুপরিকল্পিত ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। বিখ্যাত ইসলাম বিশেষজ্ঞ ক্যারেন আমস্ট্রং-এর মতানুসারে পূর্ব ইসলামিক টার্কিতে বসবাসকারী নানা জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ইসলামীয় ভাবধারা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় এক আর্থ-সামাজিক উত্তরণ এ সময়ে লক্ষণীয়। এই সামাজিক ও রীতিনীতির প্রভূত বিবর্তন ইসলামি সংস্কৃতি ও শিল্প-সাহিত্যেও যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে। ধর্মীয় সংগীতে যোগ হয় তুর্কি সংস্কৃতির ছোঁয়া।৯ সৃষ্টি হয় নতুন রচনা, নতুন সুর। পরমকরুণাময় ঈশ্বরের উদ্দেশে এক নতুন নৈবেদ্য। এই সাংগীতিক বিবর্তনের যুগে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করেন নব্য শ্রেণির চারণকবির দল।

    কোরান ও হাদিশ-এর বিভিন্ন রচনা থেকেই শুরু হয় ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীতের জয়যাত্রা। পরবর্তীকালে এই সংগীতের জয়রথ দক্ষিণ এশিয়া থেকে সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। মধ্য প্রাচ্যের ধর্মীয় ভাবধারায় ও আধ্যাত্মিকতায় উদবুদ্ধ এই সংগীত দক্ষিণ এশিয়ার মার্গসংগীতের প্রভাবে আরও সমৃদ্ধি লাভ করে। এছাড়াও সাব-সাহারান আফ্রিকায়, ককেশাস,১০ ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ ফিলিপিনের বৃহৎ মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকসংগীত ও সনাতনি সাংগীতিক ধারায় এই সংগীত আধ্যাত্মিকতার নতুন বিপ্লব ঘটায়।

    ধর্মীয় সংগীতের শাখা-উপশাখা

    ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীত নানান শাখা-উপশাখায় বিভক্ত। এই সমস্ত আবশ্যকীয় শাখা-উপশাখাগুলি যুগে যুগে ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীতে আমূল পরিবর্তন এনেছে। পরিবর্তন এনেছে এর উপস্থাপনায়, ধর্মীয় মতবাদের ভিত্তিতে এবং ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের মূল কাঠামোয় :

    ১. নাশিদ (Nasheed)

    ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও স্বতন্ত্র দিক হল ‘নাশিদ’ বা ‘নাস-হিদ’। এটি ইসলামীয় সংগীতের এমন এক ধারা যেখানে নানান ইসলামীয় ভাবাদর্শকে লোকায়ত সংগীতের প্রেক্ষাপটে তুলে ধরা হয়েছে। এই ধর্মীয় সংগীতের বিশেষ রূপটিতে কোরান শরীফ-এর বিভিন্ন কলমা, বা তনায়াত সুর করে পড়া হয়ে থাকে এবং পরিবেশিত হয় সম্পূর্ণ যন্ত্রানুষঙ্গ ছাড়াই। এই ‘নাশিদে’র১১ সঙ্গে বৈদিক সভ্যতার ‘শ্রুতি’-র মিল পাওয়া যায়। যদিও ঊনবিংশ শতাব্দীতে বেশ কিছু এমন সংগীতকারের দলের পরিচয় পাওয়া যায় যাঁরা ‘নাশিদে’-র পরিবেশনায় প্রথম বাদ্যযন্ত্রের প্রয়োগ সাধন করেন। একসময় এই বিশিষ্ট সাংগীতিক ধারাটি পৃথিবীর বহু রক্ষণশীল মুসলমান সমাজে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। যদিও পরবর্তীকালে এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ‘নাশিদ’-এর প্রচলন সর্বত্র ছড়ায় এবং জনপ্রিয় হয়। ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীত ‘নাশিদ’ ব্যতীত অসম্পূর্ণ ও ভ্রান্ত।

    ২. সুফি (Sufi)

    ইসলামিক ধর্মীয় সংগীতে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, গভীরতম ও আধ্যাত্মিকতার উজ্জ্বল ভাবদর্শনের আধার হল ‘সুফি’ সংগীত বা সাংগীতিক অধ্যায়। আরবিতে তাউফ (taawuf), পারস্যে সুফিগারী, ও ইরানে ‘তাসাউফ’১২ নামে এটি পরিচিত। ইসলামীয় দর্শন, ভাবজগৎ ও অতীন্দ্রিয়বাদের এক স্বতন্ত্র ঘরানা হল সুফিজম। এই বিশেষ ধর্মীয় সাংগীতিক ধারার অনুশীলনকারীদের ‘সুফি’ বলা হয়ে থাকে। সুফি সংস্কৃতি, দর্শন ও সংগীতের ধারক-বাহকদের ‘দারবিশ’ বা ‘দরবেশ’ বলা হয়ে থাকে।

    প্রাচীন সুফি বিশেষজ্ঞরা একে ‘ঈশ্বরের প্রতি একনিষ্ঠ আত্মসমর্পণের বিজ্ঞান’ বলে অভিহিত করে থাকেন। বিখ্যাত সুফি সাধক আহমেদ ইবন অজীবার মতে—’এটি এমন একটি বিজ্ঞান যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি নিজের অন্তরের শুদ্ধতা, ঈশ্বর বিশ্বাস ও পবিত্র ভাবদর্শনে ভ্রমণ করে শিখে নিতে পারে অনন্তের সন্ধান’। সুফি আন্দোলন যুগে যুগে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়েছে এবং ঘটিয়েছে শতসহস্র সংস্কৃতির মেলবন্ধন, ভাষা ও সুরের যোগসূত্র। এই ভাবধারা মূলত ‘সুফি’ সম্প্রদায়ের মধ্যে বিস্তৃত, যাঁরা নিজেদের পয়গম্বর মহম্মদের বংশধর বলে মানেন।

    সমগ্র মুসলমান জগতের মতো সুফি মতাবলম্বীরাও মনে করেন তাঁরা ঈশ্বরের পথযাত্রী এবং একদিন মৃত্যু এবং ‘কেয়ামতের দিন’ পেরিয়ে তাঁরা সেই পবিত্র স্বর্গোদ্যানে হাজির হবেন। শুধু তাঁদের মাধ্যমটি ভিন্ন। সুফিদের মতে সংগীত বা আধ্যাত্মিক সুরের জগৎ-সাধনার মাধ্যমেই এই মার্গটি বা ‘মোকাম’ পাওয়া সম্ভব। অনেকের মতে ‘সুফি’ শব্দের উৎপত্তি আরবি ‘সুউফ-উলফা’ থেকে, যার অর্থ ‘পবিত্র পশমের টুপি’ যা দিয়ে মাথা ঢেকে ধর্মপ্রাণ মুসলিম আল্লার ‘ইবাদৎ’ করেন। আবার অনেকের মতে এটি লাতিন ‘সোফিয়া’ থেকে উদ্ভূত যার অর্থ—’পবিত্র জ্ঞান’।১৩ সুফি—অনেকের মতে—গুরু-শিষ্য পরম্পরায় বিবর্তিত হয়।

    মতান্তরে জানা যায়, প্রথম প্রথম সুফির প্রয়োগ হয়েছিল শুধুমাত্র ইসলামের বিশ্বপরিচিতি ঘটানোর স্বার্থে। আবার অন্যদের মতে, এটি সরাসরি পবিত্র কোরান থেকে জাত যা অবিরত পাঠ করে, গেয়ে, সুরযোজনা করে তার সমৃদ্ধি ঘটাত। ‘পবিত্র’ সেই ‘জগতে’ প্রবেশপথের এটিই মূলফটক বা প্রধানদ্বার। সুফি সাহিত্যেও এর প্রভূত অবদান লক্ষণীয়। সুফি সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে উল্লেখযোগ্য ‘প্রথম’ অবদান যাঁদের, তারা হলেন—উওয়েশ-অল কারণী, হর্ম বিন হিয়ান, হাসান বাসরী ও সৈয়দ ইবন-অল মুসিব।১৪ সুফি মহিলা সাধকদের মধ্যে রাবিয়া বাসরী উল্লেখনীয়। ঈশ্বরের প্রতি তাঁর নজিরবিহীন ভালোবাসার ব্যাখ্যা তাঁর কবিতার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে। হারিখ অল-মুহাগিবি প্রথম সুফি সাধক যিনি ইসলামীয় ধর্মীয় মনস্তত্ত্ব-র উপরে কাজ করেন। এছাড়াও রুমি, সুলতান বাহু, সেলিম চিস্তি, বুল্লেহশা ও ইদ্রীশ শা-র কথা ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য। এঁরা শুধু সুফিসংগীতের মাধ্যমে ইসলামের সাধনাই করেননি উপরন্তু খুব সহজ-সরল-সাবলীল ভাষায় ঈশ্বরের আখ্যান বা ইসলামের দর্শন, আধ্যাত্মিকতা ও ভাববাদের এক অবিস্মরণীয় বিপ্লব ঘটান প্রাত্যহিক জীবনে। এঁদের নাম ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীতে সর্বদা স্বর্ণোজ্জ্বল থাকবে।

    সুফি সাধনার পথকে অনেক সময় ‘ধীকড়’ (dhikr) বা ‘জীকড়’ (zikr) বলা হয়ে থাকে। দক্ষিণ এশীয় মুসলমানি ধর্মীয় সংগীতে ‘ধীকড়’ বেশ অনাড়ম্বর। এখানে বহুলাংশে সুফিসংগীত যন্ত্রানুষঙ্গ বর্জিত—মূলত লোকায়ত ভাবধারায় সম্পৃক্ত। সুফি সংগীতের চরম উৎকর্ষের নিদর্শন দেখা যায় পশ্চিম এশীয় দেশগুলিতে, যেখানে স্তুতিপাঠ, অসামান্য যন্ত্রানুষঙ্গ এবং ‘মেভলভী দরবেশ’দের ‘ঘুরন্ত’ নৃত্য-র অসাধারণ প্রদর্শন-এর মাধ্যমে।

    ‘ইদগাহ’, ‘দরগা’ বা ‘মাজার’ ছাড়াও সুফিসংগীত নানান জনসভাতেও পরিবেশিত হয়ে থাকে। পরিবেশিত হয়ে থাকে বিনোদনের মাধ্যমে পরম করুণাময়ের করুণালাভের উদ্দেশ্যে। এই হল সুফিসংগীত ও সংস্কৃতির উদ্দেশ্য-কর্ম ও বিধেয়।

    ৩. কাসিদা (Qasidah)

    এটি মূলত ইসলামের এক ভিন্নধর্মী কাব্যরূপ। এটি ‘কুরাণ’-এর কিছু নির্বাচিত অংশ ও হজরতের স্তুতিপাঠ। ‘কাসিদা’১৫-কে চারভাগে বিভক্ত করা যেতে পারে, যেমন :

    ক. হমদ : এটি একটি বিশেষ কাব্যসংগীত যা আল্লার গুণগান করে। স্তুতিমন্ত্র বিশেষ।

    খ. নাত বা নদ : এই বিশেষ সংগীতে পয়গম্বর মহম্মদের স্তুতি করা হয়ে থাকে।

    গ. মনকবাত : এই বিশেষ সংগীত বা গান যা ইসলামের ‘ওয়াহিদ’ বা পরমপূজনীয় সাধকদের স্তুতি ও ইসলামীয় দর্শন ও ভ্রাতৃত্ববোধের উন্মেষ ঘটায়।

    ঘ. মদাহ বা মদ-হা : এটিও ধর্মীয় গুরু ও শ্রদ্ধেয় পূর্বসূরিদের উদ্দেশ্যে গীত চারণগীতি।

    ‘কাসিদা’-র এই চারটি ভাগ ছাড়াও আরও একটি বিশেষ ধর্মীয় সাংগীতিক অঙ্গ হল—’গজল’। ‘গজল’ সেই সংগীত যা মানবজীবনে নশ্বর প্রেম, ভালোবাসা, প্রত্যাখ্যান ও প্রেমাস্পদসহ রসকাব্যের আধার। ‘গজল’ সেই পথ যা সাধারণ মনুষ্যজীবনের দুঃখ, দুর্দশা, প্রেম-ভালোবাসা ও গ্লানিকে পবিত্র মনন ভাবধারায় মেলাতে পারে।

    এছাড়াও ‘সিয়া’ সম্প্রদায়ের মধ্যে ‘নাত’ বা ‘নাদ’ প্রীতি লক্ষণীয়। এখানে ঈশ্বরের স্তুতি কালক্রমে পর্যবসিত হয় তাঁর সন্তান ও শেষ পয়গম্বর হজরত মহম্মদের স্তুতিগানে। এই অংশে আরও একটি বিশেষ সাংগীতিক ভাবধারা পরিলক্ষিত হয়, যার নাম—’মরসিয়া’ জারি যা কিনা একটি বিশেষ শোকগাথা। এই শোকগাঁথা বস্তুত কারবালার যুদ্ধে নিহত হাসান-হুসেনের স্মৃতির উদ্দেশে গাওয়া হয়ে থাকে। মূলত মহরমের সময় এই ‘মরসিয়া’ গাওয়া হয়ে থাকে। সমবেত জনতা এই সময় ‘হা হাসান!’ ‘হা হুসেন!’ বলতে বলতে মরসিয়া গায়।

    ৪. কাওয়ালি (Qawali)

    সুফিসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় অঙ্গ হল—’কাওয়ালি’। মূলত এটি সমবেত সংগীত এবং যাঁরা এই সংগীত পরিবেশন করেন তাদের ‘কাওয়াল’১৬ বলা হয়ে থাকে। এই সংগীত সুফিসংগীতের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ও বহুচর্চিত অংশ। কাওয়ালির মূল সৃষ্টি অনেকের মতে পারস্যে আবার অনেকের মতে আরবে পয়গম্বর মহম্মদের ‘কুরেশ’ সম্প্রদায় থেকে, যদিও ইরানের মেভলভী দরবেশদের মধ্যে কাওয়ালির প্রথম উন্মেষ ঘটতে দেখা যায়।

    অন্যতম জনপ্রিয় এই ধর্মীয় সংগীতমাধ্যমটি ইসলামের পৃষ্ঠপোষকতা করে। অত্যন্ত সহজ-সরল অথচ গভীর ভাবদর্শনে সম্পৃক্ত এই ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীতটি অবিভক্ত ভারতের বিখ্যাত সুফিসাধক খাজা মইনুদ্দিন চিশতির সময় বিস্তার লাভ করে। খাজা মইনুদ্দিন চিস্তি নিজেও অসাধারণ কাওয়ালি গাইতেন। কিংবদন্তি আছে যে, মইনুদ্দিন একবার বোগদাদে নিজ বৈমাত্রেয় ভাই-এর বাড়িতে যান অথচ সেই ভাই নিজে ‘হাফিজ’ (প্রবল ধর্মপ্রাণ মুসলিম) হওয়ায় তিনি কোনো ধরনের কোনো সংগীত বরদাস্ত করতে পারতেন না। খাজা মইনুদ্দিন একবেলা সেখানে ঈশ্বর সাধনায় নির্মিত ‘কাওয়ালি’ সংগীত পরিবেশন করতে না-পেরে প্রচণ্ড অস্বস্তিতে পড়েন এবং বাড়ি ছেড়ে বহুদূরে মরুভূমির মধ্যে গিয়ে ‘কাওয়ালি’ গান। গানের এমনই প্রভাব যে সেই রুক্ষ মরুভূমিতে বৃষ্টি নামে ও মরুদ্যান তৈরি হয়। কাওয়ালির জনপ্রিয়তা এ জাতীয় কিংবদন্তি অনুসারে যে-কোন পর্যায়ে যেতে পারে তা সহজেই অনুমান করা যায়।

    ‘কাওয়ালি’-তে মূলত অংশ নেন এক বা দুই প্রধান গায়ক বা ‘খাদিম’। একটি ছোটো গায়কের দল তাঁর গানের রেশ ধরেন। ঊনবিংশ শতাব্দীতে কাওয়ালিতে প্রথম অংশ নেয় তবলা, গাব (নাল জাতীয় বাদ্য) এবং হারমোনিয়াম যন্ত্রানুষঙ্গরূপে। কাওয়াল গায়করা অতিদীর্ঘ বা নাতিদীর্ঘ ‘কাসিদা’ ধরে আল্লা বা হজরতের বা অন্যান্য খলিফাদের গুণগান করেই সরাসরি ‘হমদ’-এ প্রবেশ করেন। এখানে ‘হমদ’-এর বিলম্বিত রূপ প্রায় চোখেই পড়ে না। মূলত মধ্যম ও দ্রুত অঙ্গে এই সংগীত পরিবেশন করা হয় যাতে শ্রোতারা ইসলামের ধর্মীয় আচার-আচরণের পরিপূর্ণ স্বাদ থেকে বঞ্চিত না-হন।

    ইতিহাসে বিখ্যাত নানান কাওয়াল গায়ক ও তাঁদের কাওয়ালির উৎকর্ষের পরিচয় পাওয়া যায়। বিখ্যাত সুফিসাধক খোজা মইনুদ্দিন চিস্তি, হজরত নিজামুদ্দিন আউলিয়া,১৭ সেলিম দরবেশ, বদরুদ্দিন রিয়াজ কাজি প্রমুখের কাওয়ালি আজও গাওয়া হয়ে থাকে। ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে লখনউয়ের কাওয়াল বাচ্চা ভ্রাতৃদ্বয়, রাজস্থানের শাহনাওয়াজ কাওয়াল, আজিম দুরানী ইসলামাবাদী এবং নুসরত ফতে আলি খান ও বেগম আবিদা পরভীন বিশেষ উল্লেখযোগ্য। যুগে যুগে কাওয়ালির গঠন ও প্রয়োগতত্ত্ব নিয়ে প্রচুর কাজ হয়েছে। মূলত আরবি, ফার্সি ও উর্দু ভাষায় এইসব কাওয়ালি নানান মসজিদ, দরগা ও মাজারের সঙ্গে সঙ্গে ইদানীং বিশেষ জনসমাবেশেও পরিবেশিত হচ্ছে। আল্লা এক এবং একক—এই বাণীর সঙ্গে বিশ্বমৈত্রী, সংবেদনা ও সৌহার্দ্যর নিদর্শন হচ্ছে কাওয়ালি।

    অন্যান্য ইসলামিক ধর্মীয়সংগীত

    ইসলামের নানাবিধ বৈচিত্র্যের অন্যতম বৈচিত্র্য এর নানারকম ধর্মীয় সংগীতের প্রয়োগ ও বিবর্তনে। সুফিসংগীত অনুসারে কাসিদা, নাশিদ ও কাওয়ালি ছাড়াও অন্যান্য বেশ কিছু স্বতন্ত্র ধর্মীয়সংগীতের প্রয়োগ ও প্রভাব ইসলামে পাওয়া যায়, যেমন :

    ১. মাওলিদ

    এই বিশেষ ধর্মীয় সংগীতটি মূলত পয়গম্বর হজরত মহম্মদের জন্মদিন উপলক্ষ্যে নানান ভাবে, নানান মতে পরিবেশিত হয়। এই সংগীত সনাতন মতে যন্ত্রানুসঙ্গ বর্জিত ভাবে পরিবেশিত হয়ে থাকে।

    ২. তাজিয়া

    এই সংগীতটি মূলত মহরমে গাওয়া হয়। এটি একটি আবেগপূর্ণ, সাংগীতিক নাট্যরূপ যা ইরান, পাকিস্তান ও ভারত ব্যতীত খুব কম স্থানে পরিবেশিত হয়ে থাকে। এতে মূলত ‘মরসিয়া’১৮ গাওয়া হয় যা ধর্মীয় শোকগাথা এবং কারবালায় ইমাম হুসেন ও তার সঙ্গীদের মৃত্যুর উপর অশ্রুমোচন করার উদ্দেশ্যে।

    ৩. আসুরা

    তাজিয়ার মতো এটিও মহরমের দিন শোকগাথারূপে গাওয়া হয়।

    ৪. সিকিরি

    এটি আরবি শব্দ ‘ধীকড়’ অর্থাৎ ঈশ্বরের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ থেকে জাত। মূলত এটি কাদিরিয়া সুফি-সংগীতরূপে খ্যাত যা পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকা অর্থাৎ তানজানিয়া, মোজাম্বিক, মালাবী, জিম্বাবোয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকায় ওয়া-ইয়াও বা ইয়াও জাতিগোষ্ঠীতে প্রচলিত।

    ৫. মনজুমা

    ইসলামি মানবতাবাদী সংগীত যা ইথিওপিয়া, ঘানা ও উগান্ডাতে বিখ্যাত।

    ৬. মাদিনাবায়ী

    মূলত এটি আরবি ভাষায় রচিত পয়গম্বর মহম্মদের স্তুতিগান বিশেষ।

    সাংগীতিক বৈধ-অবৈধতা

    বহু মুসলিম পণ্ডিতদের মতানুসারে কোরান ও হাদিশ অনুসারে সংগীত ও সংগীতচর্চাকে ইসলামধর্মে অবৈধ বা ‘হারাম’ (forbidden)১৯ মানা হয়। ইসলামিক সংস্কৃতি অনুসারে হজরত মহম্মদ নিজে যে-কোনো সংগীত বা সংগীতচর্চাকে ইসলামে নিষিদ্ধ বা ইসলাম বিরোধী বলে ঘোষণা করেন। যদিও ইসলামি সংগীতজ্ঞ সাফি অল-দিন (১২৯৪ খ্রিস্টাব্দ), অল-মওসিলি (৮৫০ খ্রিস্টাব্দ) ও জিয়ারবে (৮২০ খ্রিস্টাব্দ)-র নেতৃত্বে ইসলামে সংগীতচর্চার যাত্রা শুরু তবু বহু মুসলিম হজরত নির্দেশিত সেই বাণী ‘তারাই আমার প্রেমাস্পদ ও স্নেহভাজন যারা ঈশ্বর সাধনার সময় যৌনচিন্তা, মসলিন, সুরা, নারী ও সংগীত বিসর্জন দেবে’—মেনে চলেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কণ্ঠসংগীতকে ‘হালাল’-রূপে (Permissible) মানা হলেও যন্ত্রসংগীতকে আজও বহুদেশে (ইসলামিক রাষ্ট্র) ‘হারাম’ রূপে মানা হয়। সনাতনি ইসলামি বাদ্যযন্ত্রের মধ্যে—দাফ, বেনজির, জার্ব, রেবানা, তোম্বাক, রেবাব বা রবাব, খামাঞ্চে, তানবুর, আউদ ও শানাই বর্তমান। হারমোনিয়ামের প্রচলন শুধু ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে দেখা যায়।

    এত কিছু বিধিনিষেধ সত্ত্বেও আজ ইসলামিক ধর্মীয়সংগীত বিশ্বধর্মীয় সংগীত সভায় তার স্বতন্ত্র স্থান পেয়েছে। এ শুধু ঈর্ষণীয় নয়, গর্বের, অহংকারের। তাই এই সংগীতকে অনুধাবন করে সোচ্চারে বলা যায়—’হামিনস্ত’! —পৃথিবীতে স্বর্গ বলে যদি কিছু থেকে থাকে তা সত্যি এখানে—এখানে—এখানেই! সুম্মা-মিন!

    ***

    ৪র্থ অধ্যায়
    হামিন অস্ত! হামিন অস্ত! : মুসলমানি বা ইসলামীয় ধর্মীয় সংগীত

    ১. Karen Armstrong (2002), Islam : a short history, Modern library, 978-0812966183, p. 20

    ২. Ibid, p. 27

    ৩. Karen Armstrong (2007) ; Muhammad : A prophet for our time, Harper One, 978-0061166772, p. 9

    ৪. Amnon Shiloah (1995), Music in the world of Islam : A socio-cultural study, Wayne State University press, 978-0814325896, p. 16

    ৫. Sayed Hussin Nassir and Mehdi Aminrazavi (2007) ; An Anthology of philosophy in Persia, vol., I. B. Tauris, p. 135

    ৬. Armon Shiloah, p. 87

    ৭. Karen Armstrong (2007) ; Islam, p. 113

    ৮. Habib H. Touma (2003) ; The Music of the Arabs, Amadeus press, 978-0691150109, p.57

    ৯. Bernard Lewis (2010), Music of a Distant Dream, Princeton up, 978-0691150109, p. 57

    ১০. Ibid, p. 179

    ১১. Amnon Shiloah (1995), p. 136

    ১২. Regula B. Qureshi (2006), Sufi music of India and Pakistan, OUP, 978-015979107, p. 15

    ১৩. Ibid, p. 37

    ১৪. Ibid, pp. 72-74

    ১৫. Suzanne P. Stetkevych (2002), The Poetics of Islamic legitimacy, Indiana UP, p. 86

    ১৬. Regula b. Qureshi, p. 181

    ১৭. Ibid, pp. 113-119

    ১৮. Kristina Nelson (2001), The Art of Reciting the Quran, AUC Press, 978-9774245947, pp. 97-99

    ১৯. M.A.S. Abdul Haleem (2008), The Quran : Oxford world classics ; OUP, 978-0199535958, p. 321

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরবিজীবনী (১ম খণ্ড) – প্রশান্তকুমার পাল
    Next Article ভুলবে সে গান যদি – প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত

    Related Articles

    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত

    ভুলবে সে গান যদি – প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত

    September 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }