Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প1301 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. আজকের পৃথু অন্য পৃথু

    ১৬

    আজকের পৃথু অন্য পৃথু। বড়লোক, সাহেব, কেতাদুরস্ত পৃথু। রুষা আজ সঙ্গে থাকলে খুশি হত। তার স্বামীর এই সত্তাকেই সে সবসময় কাছে চেয়েছিল। সপ্রতিভ, নিখুঁত ইংরিজিবলা, ফর্ম্যাল, ভদ্র; হাই-সোসাইটির পৃথু।

    ওর বুকের মধ্যের এই বন্ধ ঘরটিকে আজ অনেকদিন পর খুলে দিয়েছে ও। অনেকই তো ঘর। তাই বদলে বদলে ব্যবহার করে।

    মুক্কির আই-টি-ডি-সি লজ-এর ডাইনিং রুমে বসেছিলেন টাইগার প্রজেক্টের পারিহার সাহেব। মিস্টার এ, এস, পারিহার। সঙ্গে ছিলেন ফিল্ড ডিরেক্টর লাওলেকার সাহেব। ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের। আর মধ্যপ্রদেশ ট্যুওরিজম ডেভালাপমেন্ট করপোরেশানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিঃ বি, কে, বাগচী। আই-টি-ডি-সি’র মুক্কি লজ-এর ম্যানেজার বারাণসীবাসী সদাই মঘাই পান-চিবুনো ভালমানুষ মিষ্টি-জবানের প্রসাদ সাহেবও ছিলেন। পৃথু সেই সময়ই গিয়ে পড়েছিল ওইদিকে।

    মালাঞ্জখণ্ড-এ কাজ ছিল একটু। বেরিয়েছিল হাটচান্দ্রা থেকে সেই কাক ভোরে। মালাঞ্জ খণ্ড-এর কাজ সারা হয়েছে। হাটচান্দ্রাতে ফিরবে এবারে। দুপুরের খাওয়াটা সেরে নেবার জন্যে থেমেছিল এই লজ-এ।

    কোম্পানিরই একটি গাড়ি নিয়ে এসেছিল। তবে, ড্রাইভার তো ওকে অ্যালট-করা গাড়িখানাই চালায়। তাই নিজেই এ গাড়িটি চালিয়ে এসেছে। সঙ্গে ভুচুর গ্যারাজ থেকে একটি ছেলেকে নিয়ে নিয়েছিল। ক্লীনার, হেল্পার; সব। গাড়ির চাকা-টাকা পাংচার হলে বদলে দেবে। ওসব পারে না পৃথু। লোকে টিটকারি দেয়, রুষা চিৎকার করে, ছেলেমেয়েরা বলে, “অদ্ভুত বাজে লোক বাবাটা!” কিছুই পারে না। আমাদের সব বন্ধুদের বাবারা কত্ব ভাল। কত্ব কী পারে!

    পৃথু মানে।

    সবই মেনে নেয়, কিন্তু করেও না কিছুই। কোনওদিনও করেনি বলে, এখন পারেও না। গাড়ির টায়ার বদলাতে, গভীর জঙ্গলের রাস্তায়, যে সময়টুকু নষ্ট হয়, সেই সময়টুকুতে গাড়ির সামনে, অথবা পেছনে বেশ অনেকখানি হেঁটে নেওয়া যায় একা একা সুগন্ধি নির্জনতায়। ফ্যান বেল্ট বা টায়ার বদলানোর মধ্যে নেই পৃথু। ও “অদ্ভুত বাজে লোক”।

    বাগচী সাহেব বললেন, কী খবর মশাই? যাচ্ছেন না আসছেন?

    যাওয়া মানেই তো আসা। আসা মানেই যাওয়া। কথাটা ও বলল না। কিন্তু মনে পড়ে গেল।

    বিজ্‌লী বলেছিল। কোথায় গেল বিজ্‌লী? চলে গেছে ফিরে। জব্বলপুরে? কে জানে? কত মানুষের সঙ্গেই দেখা হয় পথে যেতে আসতে, কত্বরকমের মানুষ। ক’জনের সঙ্গে আর সম্পর্ক গড়ে ওঠে, থাকে?

    মুখে বলল, মালাঞ্জখণ্ড থেকে আসছি। ফিরে যাব হাটচান্দ্রাতে।

    ব্যসস, এতটুকুই বাংলায় হল কথা। কারণ পারিহার সাহেব, প্রসাদ সাহেব বা লাওলেকার সাহেব, বাংলা কেউই বোঝেন না।

    ইংল্যান্ড-এর রাণীর স্বামী প্রিন্স ফিলিপ নাকি ঘুরে গেলেন কানহা ন্যাশনাল পার্ক-এ অল্প ক’দিন আগেই।

    প্রসাদ সাহেব বললেন।

    তারিখটা শুনে পৃথু, বুঝতে পারল যে যেদিন দিগা পাঁড়ের কুঁড়ের সামনে ঢোল-এ তাড়া-খাওয়া বারাশিঙাকে শামীম মারল, তার দু-তিনদিন পরে বোধহয় প্রিন্স ফিলিপ এসেছিলেন মুক্কিতে। এবং পারিহার সাহেবের মুক্কিতে আসার কথাটা পুন্নোয়া গাঁ-এর লাল্লু যা বলেছিল, তা সত্যিই।

    পৃথু দেখল ওঁরা সকলেই পোচিং সম্বন্ধেই আলোচনা করছেন। কে বা কারা নাকি গতকালই ভাইসেন ঘাট ব্লকে একটা বাইসন মেরে দিয়েছে।

    পারিহার সাহেব রেগে বলছিলেন, এবার ফরেস্ট মিনিস্টারের কাছে আমি অটোমেটিক ওয়েপন চাইব—জে জে দত্ত সাহেবকে ফোন করছি কালই ভোপালে। কী অন্যায়।

    পৃথু চুপ করেছিল। পৃথুর কী? পৃথু তো আর সেদিন মারেনি বারাশিঙাটা। মারতে বলেওনি। পৃথু তো দশ বছরের উপর শিকার একেবারে ছেড়েই দিয়েছে। তবুও, পৃথুর কেমন যেন চোর-চোর লাগছিল নিজেকে।

    এমন সময় লজ-এর রিসেপশান থেকে একটি ছেলে এসে বলল পারিহার সাহেবকে, স্যার, দেবী সিং, সানজানা সাহেবের লোক, দেখা করতে এসেছে।

    ও হ্যাঁ। ডেকে পাঠিয়েছিলাম আমি। পারিহার সাহেব বললেন।

    সানজানা সাহেব রেসপেক্টেবল লোক। আদিবাসীদের জন্যে অনেক কিছু করেছেন, হাইলি কানেকটেড মানুষ। বয়সও হয়েছে অনেক। ওঁর কথাই আসছে না এসবের মধ্যে। কিন্তু কী বলে দেবী সিং? শোনা যাবে।

    ভাবল পৃথু।

    ডাকো তাকে।

    পারিহার সাহেব বললেন।

    দেবী সিং এর নাম শুনেই অবশ্য পৃথুর পিলে চমকে গেছিল। ভেবেছিল, একটু জমিয়ে লাঞ্চটা খাবে বিয়ার সহযোগে। কী বিপত্তি!

    রোদ এসে পড়েছে টেবলটাতে, কাঁচের স্বচ্ছ দেওয়ালের মধ্যে দিয়ে। বাংলোর পা ছুঁয়েই বয়ে-যাওয়া বানজারা নদী দেখা যাচ্ছে। ঝরঝরানি শব্দটা কাঁচে বাধা পাওয়াতে, কম শোনাচ্ছে। এরই মধ্যে এই সব ঝামেলা! সুন্দর সময়ে যত অসুন্দর ব্যাপার। ভাল লাগে না পৃথুর।

    ও তাড়াতাড়ি মুখটা অন্য দিকে ফিরিয়ে নিল।

    অর্ডার দিল, মাটন-বিরিয়ানী, চিকেন-দোঁ পেয়াজা, স্যালাড উইথ টার্টার সস, রায়তা। এবং তার আগে বিয়ার। গোটা তিনেক খাবে কমসে কম। তারপর পান দো-চার, কমসে কম। প্রসাদ সাহেবের কাছ থেকে চেয়ে। তারপর জেলুসেল এম-পি-এস। আট ইয়া দশ। কম সে কম। ও সত্যিই খেতে ভালবাসে! মনোমত খাওয়ার পেলে তো কথাই নেই। রুষা বলে, “বিনি পয়সাতে পেলে তুমি বোধহয় দাদের মলমও খেতে।” হয়তো। খেত।

    দেবী সিং কাঠের সিঁড়ি দিয়ে উঠে আসার আগেই প্রসাদ সাহেব পৃথুর কাছে উঠে এসে বললেন, “লীজিয়ে, দেওতা!”

    বলেই, পৃথুর সামনে হাত জোড় করে মঘাই পান নিয়ে পেশ করলেন, বড়ী খশ-তমিজীর সঙ্গে।

    সাদা আর কালো ডোরা-কাটা একটা মারাত্মক শার্ট পরেছেন প্রসাদ সাহেব। পৃথু পান নিয়ে ধন্যবাদ জানিয়ে, জামাটার দিকে চেয়ে তারিফ করে বলল, “আর রে প্রসাদ সাহাব! ঈ ক্যা বারিক ঔর বেহতন চিজ। মালুম হোতা জৈসে কি সিতারোঁসে রওশনিকি, করিয়েঁ কুদ পড় রহি হ্যাঁয়।”

    এই প্রসাদ সাহেবও কিন্তু সন্ত তুলসীদাসের বড় ভক্ত। রামচরিতমামনস এঁরও মুখস্থ। সবসময় দোঁহা আওড়াচ্ছেন। এমন পরিবেশে, এমন ম্যানেজার পাঠানো উচিত হয়নি আই-টি-ডি-সির। যে-কোনও মুহূর্তে প্রসাদ সাহেবও দিগার মতো সন্ত বনে জঙ্গলে চলে যেতে পারেন। তুলসীদাস আওড়াবেন আর খাবেন মাধুকরী করে। মধ্যপ্রদেশের এই সাতপুরা হিলস-এর জঙ্গল-পাহাড়ও ভারী খতরনাগ। চম্বলে লোকে বাগী হয়ে যায়, এখানে সন্ত হয়ে যায়। দুই-ই সমান। সমাজকে ছেড়ে যাওয়া তো!

    প্রসাদ সাহাব, লাওলেকার সাহাব, বাগচী সাহাব, পারিহার সাহাব সকলেই বহত খুব! বহত খুব বলে উঠলেন।

    প্রসাদ সাহাব বললেন, ইয়ে বঙ্গালী প্যায়েরভিমে তো বানারসওয়ালোঁকো ভি বুড়া হালত সে…

    সেলাম হুজৌর!

    দেবী সিং এসে দাঁড়াল।

    কেয়া? তুম কুছ জানতে হো ইস বারেমে?

    পারিহার সাহেব বললেন।

    নেহী হুজৌর! ম্যায় কুচ্ছো নেহী জানতা হ্যায়।

    লাল্লু নামের কাউকে জানো, পুন্নোয়া বস্তীর?

    নহি হুজৌর!

    ঠুঠা বাইগা বলে কাউকে জানো? দিগা পাঁড়ে? হাটচান্দ্রার মহম্মদ শামীম? পাগলা-ঘোষষা?

    দেবী সিং একবার পৃথুর দিকে চাইল। তারপর চোখ আর গোঁফ একই সঙ্গে নামিয়ে নিল।

    বলল, হ্যাঁ। আমি শুধু ঠুঠা বাইগাকে চিনি।

    কে সে? থাকে কোথায়?

    থাকে হাটচান্দ্রায়। সাহেব-ফ্যাক্টরীতে কাজ করে! খুব ভাল শিকারি ছিল একসময়। আমরা একসঙ্গেই শিকার করেছি। কিন্তু আজকাল আমারই মতো শিকার-টিকার তো ছেড়ে দিয়েছে!

    ঠুঠা বাইগা ছাড়া, অন্য যাদের নাম বললাম, তাদের একজনকেও চেনো না? ঘোষষা কোন জাত? এমন পদবি তো শুনিনি কখনও?

    প্রসাদ সাহেব এ অঞ্চলে নতুন। এর আগে একজন সর্দারজী ম্যানেজার ছিলেন। বললেন, পানকা হবে কি? কবীরপন্থী?

    পারিহার সাহেব বললেন, তাহলে তুমি পাগলা ঘোষষা, শামীম মিঞা, ভুচু বাবু, দিগা পাঁড়ে…?

    না হুজৌর!

    বাগচী সাহেব বললেন, মিঃ ঘোষ, আপনি হয়তো পারিহার সাহেবকে এ ব্যাপারে হেলপ করতে পারেন। হাটচান্দ্রার লোক আছে বোধহয় কিছু।

    আমি? আমি, মানে…।

    পৃথু ঘাবড়ে, গিয়ে তুলে বলল।

    বিয়ারটা কি ফ্ল্যাট হয়ে গেছে? এক ফোঁটাও কিক নেই। যাচ্ছেতাই।

    কাশল পৃথু একটু। কাশতে কাশতেই বলল, কাম, লেটস ওল হ্যাভ সাম বীয়র। উ্য লুক টু বী স্ক্রড-আপ মিঃ পারিহার। বেয়ারা। বিয়ার লাও আউর।

    পকেটে ডাইনার্স ক্লাবের কার্ড আছে কোম্পানির। কোনওই চিন্তা নেই।

    কী মিস্টার ঘোষ?

    নামগুলো লিখে দিন প্লিজ কাগজে। যদিও আমি এখন ছুটিতে আছি, রেসিডেন্ট ডিরেক্টর উধাম সিংকে নিশ্চয়ই বলব। আপনি একটা ওফিসিয়াল চিঠিও না হয় লিখে দেবেন আমাকে, এই যে কার্ড, তার বেসিস এ আমি আমাদের লোক লাগিয়ে পাত্তা করব। তবে ঘোষষা না কী একটা বললেন যেন নাম?

    পাগলা রোষষা।

    লাওলেকর সাহেব বললেন, গ্লাসভর্তি ফ্রথ-এ চুমুক দিতে দিতে।

    পারিহার সাহেব বললেন, রোষষা নয় ঘোষষা।

    বাগচী সাহেব বললেন, আমি ট্যুওরিজম-এর লোক, দিস বীয়র ইজ অন মী। ইন ফ্যাক্ট এসব এন্টারটেইনমেন্ট টু দ্যা রাইট টাইপ অফ পিপল তো তোমার, আই মীন, আই-টি-ডি-সিরই করা উচিত, তোমার লজই ফায়দা উঠোচ্ছে, উঠোবে বেশি করে, আমার গভর্নমেন্টের চেয়ে, কী বলল প্রসাদ?

    প্রসাদ সাহেবের কিছুতেই “না” নেই। উনি একটা টিপিক্যাল বানারসী ভঙ্গি করলেন। ‘হ্যাঁ’ও হয়, ‘না’ও হয়। কথা দিয়ে চিঁড়ে ভিজোতে বেনারস এলাহাবাদ লোকের মতো আর কেউই পারে না। অবশ্য প্রসাদ সাহেব একসেপশান। রিয়্যাল বিনয়ীর মতো হাত জোড় করে সবসময় স্মিতমুখে “ইয়েস” করেই আছেন।

    লাওলেকার সাহেব পাগলা রোষাকে কারেক্ট করে বললেন, পাগলা-ঘোষষা।

    ইয়স।

    পৃথু বলল। পাগলা ঘোষষা।

    আমি নিশ্চয়ই দেখব। আই মীন খুঁজব। কে সে!

    তারপর বলল, একদিন আসা হোক।

    কোথায়? আপনার বাড়িতে? তা ডিনারের নেমন্তন্ন করলেই যাই। মিসেস ঘোষকে বলবেন। উনি তো ভোপালে আসছেন নেক্সট মার্চ-এ। সেমিনার অ্যাটেন্ড করতে। রবীন্দ্র ভবনে বিরাট সেমিনার। যাই বলুন, দারুণ মহিলা আপনার স্ত্রী। ভেরী লাকী লোক। কত গুণ! এবার বলুন কবে নেমন্তন্ন? এতদূরের রাস্তা, জীপে করে যাব ঠাণ্ডাতে, সাহেব-কোম্পানির বড়সাহেবের বাড়ি! কী বলেন?

    পারিহার সাহেব বললেন, নিশ্চয়ই! ভাল খাদ্য পানীয় না হলে চলবে কী করে?

    নো-প্রবলেম। তবে বাড়িতে নানা অসুবিধে লেগেই থাকে। উ্য আর ওলওয়েজ ওয়েলকাম টু দা ক্লাব, টু দ্যা গেস্টহাউস। ইটস ইয়োরস। এনি-টাইম ইজ ইওর-টাইম।

    লাওলেকার সাহেব বললেন, আমি একটা কথা লক্ষ্য করেছি মিঃ ঘোষ। যাদেরই সুন্দরী স্ত্রী থাকেন, তাঁরাই বাড়িতে কাউকেই নিয়ে যেতে চান না।

    পৃথু হাসল।

    আর কেউই হাসলেন না।

    ওর একার হাসিটা রামছাগলের হাসির মতোই শোনাল ওর নিজের কানে।

    মনে মনে বলল, কাউকে আসতে না বলতেই তো শুয়োর, ইঁদুর, কাক, চিল কত কিছু এমনিতেই আসে। আপনাদের মতো ভদ্রলোকদের খামোখা বাড়িতে ডেকে অপমানিত করা কেন? কিন্তু মুখে কিছুই বলল না। লাওলেকার সাহেব তো মারাঠি! মারাঠিই কি? “যাদের নামের শেষে ‘কার’ তারা মারাঠি আর যাদের নামের শেষে ‘আনি-দোয়ানি তারা সবাই সিন্ধি!” পৃথুকে তার আটবছর বয়সে বম্বে থেকে বেড়াতে-আসা একটি বাঙালি ছেলে বলেছিল। লাওলেকার সাহেবকে জিগ্যেস করলে হয় ইদুকারকে চেনেন কি না। পৃথু ভাবে। তারপর ভাবল, থাক। কোন ‘কারের’ সঙ্গে কোন ‘কারের’ কী সম্পর্ক না জানা থাকলে আকার প্রত্যয়ে ঝামেলা বাধতে পারে। কী দরকার? বাঘেদের ডেরাতে বসে ইঁদুরের মতো একটি সামান্য প্রাণীকে নিয়ে আলোচনার?

    বাগচী সাহেব কথা কম বলেন। রাশভারী। বরেন্দ্রভূমের মানুষ। কোনওদিনও যে ওঁর সঙ্গে ভাল করে জমিয়ে আড্ডা দেবে পৃথু তেমন সুযোগ হয়নি। এখানে-ওখানে যেতে-আসতে দেখা হয় নানা জায়গায়। ভোপাল, ইন্দোর, জবলপুর, এটসেট্রা, এটসেট্রা। পৃথুর বাবার রেফারেন্সেই চেনেন বেশি উনি ওকে, তার নিজের পরিচয়ের চেয়ে। পৃথুর নিজের কিছুই নেই। এমনকী, পরিচয়টুকু পর্যন্ত নয়।

    মালাঞ্জখণ্ড-এ কেন গেছিলেন?

    আরে উধাম সিং এর পাগলামি। একটি ইয়াং চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ছেলে, জয়েন করেছে কলকাতা থেকে এসে। একেবারেই বাচ্চা, ভাল করে গোঁফও ওঠেনি মনে হল।

    তার সঙ্গে উধাম সিং-এর এক বাঙালি বন্ধুর মেয়ের সম্বন্ধ করার জন্যে গেছিলাম। পাগলের কাণ্ড। ছুটিতে রয়েছি। তবু। হাত ধরে বলল, ব্রাদার। এই ব্রাদারলি-কাজটা তুমি ছাড়া আর কাউকেই দিতে পারি না।

    কেন, পাগলের হল কেন? আপনার বিয়েও তো নিশ্চয়ই কোনও পাগলেই দিয়েছে? মশাই, পাগলে বিয়ে না দিলে বিয়ে হয় না। পাগলা না-হলে কেউ বিয়েও করে না। হাটচান্দ্রায় গিয়ে খোঁজ করে দেখুন গিয়ে, দেখবেন ওই পাগলা-রোষষাও নিশ্চয়ই বিবাহিত।

    লাওলেকার সাহেব বললেন।

    পারিহার সাহেব আবার কারেক্ট করলেন। পাগলা-ঘোষষা।

    বাগচী সাহেব বিয়ার মাগ এ চুমুক দিয়ে বললেন, তা সম্বন্ধের কী হল? হল?

    মাথা খারাপ! পৃথু বলল।

    গিয়ে দেখি, সে পাত্র বাড়িতেই আছে। বাঙালির ছেলে। একেবারে খাস কলকাতার। মালাঞ্জখণ্ড-এ এসে কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছে। আড্ডা নেই, বন্ধুরা নেই, কী গরম! কী শীত! এখানে ভদ্রলোকে থাকে! চাকরি ছেড়েই দেবে বলছে।

    পাত্রর বাঙালিত্বর কোয়ালিটি সম্বন্ধে অন্তত কোনও সন্দেহই রইল না তাহলে। বাগচি সাহেব বললেন।

    তা ঠিক। পৃথু বলল।

    বিয়ে? বলুন, বিয়ের কী হল? আপনি মূল ইস্যু থেকে সরে যাচ্ছেন মিঃ ঘোষ।

    পারিহার সাহেব বললেন।

    ইয়েস। বিয়ে। বিয়ে, সে কাকে করবে, তা নাকি বি, এ, পাশ করার আগেই ঠিক করে রেখেছিল। বি, এ, পাশ করেছে, সি-এ পাশ করেছে সবে, একটু সিনেমা-টিনেমা দেখা, আর্ট-ফিল্ম, বইমেলা, ফার্নিচারের আর ফারনিশিং এর জন্যে পার্ক স্ট্রীট রাসেল স্ট্রীটের অকশান হাউস ঘুরে ঘুরে দেখা হচ্ছিল, পাখির নীড়ের, পাখির ডিমের জোগাড়-যন্ত্র। ইতিমধ্যে মালাঞ্জখণ্ড। হোয়াট আ ট্র্যাজেডি।

    ভাবা যায় না। লাওলেকার সাহেব বললেন। ট্র্যাজেডি কী মশায়। আমার নিজের ব্যাপার হলে বলতাম ক্যালামিটি! অফ দ্যা হায়েস্ট অর্ডার!

    পাত্রকে, তাহলে দেখলেনটা কী? বিছানায় উপুড় হয়ে বসে ফিঁয়াসেকে চিঠি লিখছে নীল প্যাডের কাগজে?

    দ্যাটস রাইট। ঠিকই তাই। উ্য আর অ্যাবসলুটলি রাইট!

    প্রসাদ সাহেব বললেন, মগর, গোসসা মত হইয়ে ঘোষ সাহাব! আজকালকা বাঙালিলোগ ঘরকা বাহারই জানে নেহী মাংতা হ্যায়, ঔর দেখিয়ে তো পুরানা জামানামে উহনি লোঁগোনে তো তামাম ইণ্ডিয়া ছেঁক লিয়ে থেঁ। হ্যায় কী না? ক্যা?

    বেয়ারা! ঔর বিয়ার।

    আপনি মূল প্রশ্ন থেকে সরে এলেন ঘোষ সাহেব। ডোন্ট ইন্টারাপ্ট প্রসাদ!

    ইয়েস। বলছি।

    বিয়ারে একটা বড় চুমুক দিয়ে পৃথু বলল।

    ইয়েস। মূল প্রশ্ন। রাইট উ্য আর!

    সারাটা জীবনই মূল প্রশ্ন থেকে বারে বারেই সরে আসছে পৃথু।

    ক্রমাগত।

    পৃথুর মতো অনেকেই আছে। পৃথুর চারপাশে অদৃশ্য ভিড়ের অস্তিত্ব অনুভব করে ও। ও জানে, অনেকেই আছে যারা ওরই মতো সমস্ত মূল প্রশ্নকে ভয় পায়।

    একটা সময়, বোধহয় সকলের জীবনেই আসে; শামুকের মতো ধীরে ধীরে মন্থরগতিতে এলেও আসে; যখন মূল প্রশ্নটাকে তেলাপেকার মতো গোঁফ ধরে টেনে তুলে, মাটিতে ফেলে, সামান্য একটু দৌড়তে অনুমতি দিয়েই, ইনকরিজিবল ডাকাতদের বা অনভিপ্রেত সাক্ষীদের যেমন করে শেখানো হয়, শোধরানো, তেমন গদ্দাম। গদ্দাম!

    না, না গুলি নয়।

    চটিব চাঁটি। থেঁৎলে দিতে হয়। চটি দিয়ে বারে বারে। রাইফেলের গুলিতে শুধুই মৃত্যু থাকে, চটির আঘাতে ঘৃণামিশ্রিত মৃত্যু।

    কিন্তু কোথায় যেন পড়েছিল পৃথু, তেলাপোকা, মানুষের বিবেক এবং কচুরিপানা কখনও নাকি মরে না। শুধু ডরম্যান্ট থাকে; আবার জেগে উঠবে বলে।

    ওয়েল ক্যুড বী।

    বেয়ারা, বীয়র!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article ঋজুদা সমগ্ৰ ৫ – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }