Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প1301 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫৬. উধম সিং সাহেব বললেন

    ৫৬

    উধাম সিং সাহেব বললেন, ভেবে দ্যাখো। ওঁরা যা বলেন তার উপরে আমারও কিছু বলার আছে পৃথু। এরকম হঠকারী সিদ্ধান্ত নিও না।

    দেখেছি ভেবে।

    টাকাও বা কত পাবে? এমন কিছু তো নয়! প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচুইটি, কমপেনসেশান সব নিয়ে লাখ আড়াই। মানে, মাসে দু’হাজারের একটু বেশি আয়। ফিক্সড ডিপোজিটেই রাখো কি ইউনিটই কেনো।

    যাদের জন্যে টাকার দরকার ছিল তারাই যখন নেই, তখন টাকা দিয়ে করব কী আমি? দিন, কাগজ দিন। লিখে দিই রেসিগনেশান।

    বোকা কোথাকার। তুমি রেসিগনেশান দিলে ওরা তোমাকে কমপেনসেশান দেবে ভেবেছ? কাল ফোনে কথা হয়েছে আমার লান্‌ডান্‌-এর সঙ্গে। কমপেনসেশান না পেলে তুমি মোটে দু’ লাখ পাবে। আমি তোমার বড় ভাই-এর মতো। কথা শোনো আমার।

    পৃথু ভাবল একটু। তারপর বলল, ঠিক আছে। তাই-ই হোক। তবে, কাগজ দিন, আপনাকেই দায় দিয়ে যাচ্ছি। পঁচিশ হাজার টাকা আমি নেব বাকি টাকা আপনারই হেফাজতে থাক। ফিক্সড-ডিপোজিট করে মাসে মাসে যা সুদ হয় তার অর্দ্ধেক রুষাকে পাঠিয়ে দেবেন। অর্ধেক জমা থাকবে ইকুয়ালি, মিলি ও টুসুর নামে। টুসুর পড়াশুনোর খরচ। মিলির বিয়ে। এই টাকা তখন যেন রুষা খরচ করে।

    আমাকে এর মধ্যে জড়াবে? আমি তো বাইরের লোক পৃথু।

    বাইরের লোকই মানুষের সবচেয়ে আপন লোক সিং সাহেব। আপনরা যখন পর করে দেয় তখন পরই হয় সবচেয়ে আপন। রুষাকে আমি চিঠি লিখে সব জানিয়ে দেব। আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে দেব ওকে।

    পৃথু, তুমি মানে, তোমার জন্যে আমি কি কিছু করতে পারি?

    নাঃ। কী করবেন? কেউই কারও জন্যে কিছু করতে পারে না সিং সাহেব। করার মতো যা-কিছু সব নিজেরই করতে হয় একা একা।

    তোমার কোনও ইচ্ছা কি আমি পূরণ করতে পারি না পৃথু?

    ইচ্ছা?

    হ্যাঁ।

    হাসল পৃথু।

    বলল, আমি যেন ফাঁসির আসামী! আমার শেষ ইচ্ছা পূরণ করার জন্যে সবাই এখন খুউবই ব্যগ্র।

    ওরকম করে বোলো না। তুমি আমার ভাইয়ের মতো। মতো কেন, ভাই-ই।

    একটা ইচ্ছা ছিল। পূর্ণ হল না।

    কী? কী? সেটা কী? আমাকে বলো।

    টুসুকে একবার দেখতে বড় ইচ্ছে ছিল। জানতে ইচ্ছে ছিল, ও-ও কি আর দেখতে চায় না। আমাকে একবারও?

    স্তব্ধ হয়ে গেলেন সিং সাহেব।

    বললেন, এ আর এমন কথা কি? ডিভোর্স তো আজকাল ঘরে ঘরেই হচ্ছে। সেপারেশান। তাছাড়া, টু বী ফ্র্যাঙ্ক, তুমি তো ইদুরকারের বিরুদ্ধে অ্যাডালটরীর কেসও আনতে পারো। রুষাকে ডিভোর্স না-ও দিতে পারো। তুমি তো কোনও জোরই খাটালে না। আইন তো তোমার দিকেই। আশ্চর্য মানুষ তুমি! ইদুরকারকে এমন করে ছেড়ে দিলে লোকে তোমাকেই ভিতু ভাববে। যে মানুষ ডাকু মগনলালকে মারতে পারে একা একা তাকে কি সবাই ভিতু বলেই জানবে?

    সাহসের ডেফিনিশান প্রত্যেকের কাছে আলাদা আলাদা। মন যখন মন থেকে সরে যায় তখন আদালতে গিয়ে সরে যাওয়া মনকে ফিরিয়ে আনার দরবার করা, কি আইনের জোরে অন্যকে শিক্ষা দেওয়াতে আমি বিশ্বাস করি না। রুষা তো আমার বিবাহিতা স্ত্রী, মিলি টুসু তো আমারই ছেলেমেয়ে। ওরা যদি কেউই আমাকে না চায় তাহলে আমি যে খারাপ এতে আমার নিজের অন্তত কোনও সন্দেহ নেই। তাই-ই আদালতে যাব কোন মুখে? আর যাবই বা কেন? সব আইন সকলের জন্যে নয়।

    টুসুকে দেখতে পাওয়ার অসুবিধা কী? তুমি চলে যাও এক্ষুনি আমার গাড়ি নিয়ে। অজাইব সিং তো অসুস্থ।

    গেছিলাম কাল ভোরে।

    গেছিলে?

    উত্তেজিত হয়ে উঠলেন সিং সাহেব।

    তারপর? গেছিলে, তবু, দেখা হল না?

    দারোয়ানেরা আমাকে ঝাঁঝি বস্তির ছেলেধরা বলে মারতে এসেছিল, ঢুকতেই দিল না।

    এ তোমার মিথ্যে অভিমান। চোরের উপর রাগ করে মাটিতে ভাত খাওয়ার মতো। জোর যেখানে খাটাবার, সেখানে জোর খাটাতে হয় পৃথু।

    দারোয়ানরা তোমাকে ঠেকিয়ে রাখবে কী এত সাহস তাদের? তুমি বললে না কেন ইদুরকারকে ডাকতে?

    ইদুরকারের সঙ্গে আমার কী? আমি তো টুসুকেই শুধু দেখাতে চেয়েছিলাম।

    ঠিক আছে। আমি ফোন করছি এক্ষুনি। রুষা অথবা ইদুরকার নিশ্চয়ই জানেই না যে, তুমি গেছিলে।

    হয়তো জানে না।

    অপারেটরের কাছে লাইন চাইলেন সিং সাহেব।

    হ্যালো! আই অ্যাম উধাম সিং। ভেরী গুড মর্নিং ভিনোদ। আই অ্যাম সেন্ডিং পৃথু ডাউন ট্যু ইওর প্লেস। হী ওয়ান্টস টু সী টুসু।

    আই সী! হী ইজ ইন দ্যা স্কুল ন্যাউ? হোয়াট টাইম উইল হী বী ব্যাক? ফোর ও ক্লক?…হোয়াট? টুসু ডাজনট ওয়ান্ট টু সী হিম?

    উধাম সিং সাহেবের মুখটা রাগে লাল হয়ে গেল।

    বললেন, লুক ভিনোদ, উ্য শ্যুড নো হুম আর ইউ টকিং টু। আই অ্যাম নট পৃথু ঘোষ দ্যাট উ্য ক্যান টেক মী ফর আ রাইড। উ্য সান অফ আ বিচ্‌। উ্য লেচারাস্‌, নাস্টী ডগ্‌। …হ্যাড আই বীন পৃথু আই উ্যড হ্যাভ শট উ্য!

    হ্যালো! হ্যালো! হ্যালো!

    হু? রুষা? আমি, অ্যাম উধাম সিং। পৃথু ওয়ান্টস টু সী টুসু বিফোর হী লীভস দিস লাউজী প্লেস্‌।

    হোয়াট? হী, কান্ট? হাউ ড্যু য়্যু মীন? কান্ট হী সী হিজ সান্‌?

    আই সী! আই সী।…

    বলেই ঘটাং করে রিসিভার নামিয়ে রেখে দিলেন উধাম সিং।

    চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে উঠে বলেন, লুক পৃথু। এক্সকিউজ মাই সেয়িং সো, দিস ওয়াইফ অফ ইওরস্ ইজ আ বিচ্‌। উ্য মাস্ট টিচ হার আ লেসসন্‌। আমাকে তুমি একবার “হ্যাঁ” বল, আমি ভোপালে ফোন করছি। নয় তো বম্বেতেই। কালকেই মিঃ কোলাকে আনাব আমি। তারপর শিক্ষা কাকে বলে তা আমি দেখাচ্ছি ওদের দু’জনকেই। তুমি এইভাবে ভীরুর মতো যা তোমারই, তা ছেড়ে চলে যেতে পারো না। উ্য কান্ট। আই উড নট আলাও উ্য টু ডু দ্যাট্‌।

    পৃথু জানালা দিয়ে বাইরে চেয়ে ছিল।

    অনেকক্ষণ পর, সিং সাহেব একটু ঠাণ্ডা হলে বলল, আপনার প্রেসার হাই। আমার কারণে অযথা উত্তেজিত হবেন না সিং সাহেব। আপনার স্বাস্থ্যর জন্যে আমার চিন্তা হয়।

    ড্যাম ইট পৃথু। স্বাস্থ্য! টাকা-পয়সা! ইফ দিস ক্যান হ্যাপেন টু উ্য টুডে, দিস ক্যান হ্যাপেন টু এনীওয়ান টুমরো। ডু উ্য থিংক উই উইল টেক দিস্ লায়িং ডাউন?

    তা বলিনি আমি। আমার মতো সবাই-ই কেন হবে?

    কিন্তু না কেন? হোয়াট নট্‌? উ্য আর নট আ ম্যান পৃথু। উ্য আর নো বিগ-গেম হান্টার। উ্য; উ্য উ্য আর অ্যান্..

    আই নো। আই নো, হোয়াট আই অ্যাম্‌।

    বলেই উঠে দাঁড়াল পৃথু।

    স্যাক মী মাই বস্‌স্‌। উইল উ্য প্লীজ ডু মী দিস্‌ ফেভার? গিভ মী দ্যা স্যাক অ্যান্ড ফরগেট মী। প্লীজ।

    উধাম সিং আবার চেয়ারে বসে পড়ে দুটি হাত মাথায় দিয়ে বললেন, উ্য রিয়্যালী ফর আ স্ট্রেঞ্জ পার্সন্‌। মাচ মোর স্ট্রেঞ্জ দ্যান আই এভার থট অফ্।

    আই অ্যাম্।

    পৃথু বলল।

    তারপর ক্র্যাচ দুটি পাশের চেয়ার থেকে তুলে নিয়ে আস্তে আস্তে সিং সাহেবের কাছে গিয়ে তাঁর পিঠে হাত রেখে বলল, আপনি আমাকে সত্যিই ভালবাসেন সিং সাহেব। আমার দাদা নেই। কিন্তু আপনাকে দেখে বুঝতে পারছি যে, না থেকেও তিনি আছেন। আমার জন্যে কষ্ট পাবেন না আর। ভাবীজীকে আমার নমস্কার দেবেন। কাল যদি আমাকে পাঁচ হাজার টাকা ক্যাশ দেন তো ভাল হয়। পরে, আমার ঠিকানাতে বাকি কুড়ি হাজার টাকার অ্যাকাউন্ট-পেয়ী ড্রাফট পাঠিয়ে দেবেন একটা। আর বাকি টাকাটা…যেমন বললাম…।

    বলেই, প্যাডটা টেনে নিয়ে, সাদা প্যাডের চার পাঁচটি পাতার নিচে সই করে দিল, তারিখ দিয়ে। বলল, রইল সই-করা। যা কিছু লেখার লিখে নেবেন।

    তুমি ব্ল্যাঙ্ক কাগজে সই করে দিলে? আমি যদি মেরে দিই টাকাটা?

    মারলে, মারবেন। যদি পারেন। কেউ কেউ ঠকায়। কারণ ঠকানোই তাদের ধর্ম। কেউ কেউ সুযোগ থাকলেও ঠকাতে পারে না। সেটাই তাদের ধর্ম বলে। আপনি ঠকানোর দলের নন সিং সাহেব। ঠকার দলে।

    একটু চুপ করে, দরজার দিকে এগোতে এগোতে বলল, ভাবলে অবাক লাগে যে, যারা কাউকেই ঠকায় না কখনও, তারাই সবচেয়ে বেশি ঠকে যায় এখানে। আশ্চর্য নিয়ম? তাই-ই না?

    সিং সাহেবের দু’চোখের কোনায়ই জল চিকচিক করে উঠল। চেয়ার ছেড়ে উঠে পৃথুর পাশে এসে তার দু’কাঁধে দু’ হাত রেখে বললেন, আই রিয়্যালী অ্যাম্ সরী ফর উ্য পৃথু। জানি না, তুমি কোথায় যাবে, কী করবে জীবিকা হিসেবে, কোথায় থাকবে? তবে, আমার বাড়ি আর তোমার ভাবীজির স্নেহ তোমার জন্যে থাকবে চিরদিন। তুমি তো জানো! আমি যদি নাও-ও থাকি, তবুও থাকবে। ডোন্ট ফর গেট দ্যাট উ্য হ্যাভ আ হোম, ফুল অফ ওয়ার্মথ্‌, ফর দ্যা রেস্ট অফ ইওর লাইফ।

    উধাম সিং সাহেবের ড্রাইভার পেছনের দরজা খুলে দিল গাড়ির।

    পৃথু বারণ করল। বলল, হেঁটেই যাবে।

    হেঁটে যাবে? হোয়াই?

    ভীষণ রেগে গেলেন সিং সাহেব।

    বিড় বিড় করে বললেন, হাঁটার ক্ষমতাও যদি থাকত! হোয়াট আ পিটী! কী দিনকাল হল। সংসার কী হয়ে গেল!

    উধাম সিং সাহেব বললেন, আর কথা না বলে গাড়িতে ওঠো। আমাকে আর রাগিও না বলে দিচ্ছি।

    আমি ভুচুর গারাজে যাব। গাড়ি কী হবে?

    তুমি যে জাহান্নামেই যাও। আমার গাড়িতেই যাবে। ডোন্ট ইন্টারপট মী পৃথু। আই হ্যাভ মাই রিভলবার ইন মাই ড্রয়ার। আই উইল শ্যুট উ্য ইফ ডিসওবে মী। আর…অসহায়ের মতো বললেন; অর আই উইল শ্যুট মাই সেল্ফ। আই বিলঙ টু দ্যা পাস্ট জেনারেশান্‌। তোমাদের এই প্রজন্মর নারী বা পুরুষ কাউকেই বোঝার ক্ষমতা পর্যন্ত আমার নেই। আই ফীল রেচেড্‌। রিয়্যালী রেচেড্‌।

    এঞ্জিন স্টার্ট করে বাহাদুর বলল, কাঁহা যাইয়েগা সাব?

    অজাইব সিংকা ঘর মালুম হ্যায় বাহাদুর?

    জী সাব।

    হুঁয়াই চলো।

    জী সাব।

    অজাইব সিং-এর যে কী হয়েছে তা কেউই নাকি ডায়াগনাইজ করতে পারছে না। পেটে অসম্ভব ব্যথা। জ্বরও থাকে। খিদে নেই। ঘুম নেই। ভীষণ রোগা হয়ে গেছে নাকি! কোম্পানীর ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলেছিল পৃথু সকালে। ডাক্তার সন্দেহ করছেন, ক্যান্‌সার বলে। টিউমারটা বেশ বড়ও হয়েছে। অপারেট্‌ করলেই যতটুকু আয়ু আছে তাও শেষ হয়ে যাবে বলে জবলপুরের সার্জন-এর ধারণা।

    এমনিতে কতদিন বাঁচবে আর?

    মাস তিনেক। তবে, কষ্ট পাবে বড়।

    হুঁ।

    বলেছিল পৃথু।

    গাড়িটা বাজারের দিকে যাচ্ছে। লাড্ডুর দোকানে যেতে বলল পৃথু। পঁচিশ টাকার লাড্ডু কিনে নিয়ে যাবে অজাইব সিং-এর জন্যে। চাকরিতে ঢোকার প্রথমদিন থেকে অজাইব সিং-ই ওর গাড়ি চালিয়েছে। চমৎকার ড্রাইভার। শুধু গীয়ারেই গাড়ি চালাতো, মোড় নিত গীয়ারের উপর। ক্লাচ্‌-এ কখনও পা ছোঁয়াত না গীয়ার চেঞ্জ করার সময় ছাড়া। আর ব্রেক-এও ছোঁয়াত না অ্যাক্‌সিডেন্ট সামলানো ছাড়া। কে কোন কাজ করে, কার কোন জীবিকা, কে কত বড় শিক্ষিত তাতে কিছুই আসে যায় না। যে, যে-কাজটা করে, সেই কাজে যদি সে গর্ব বোধ না করে; যদি না চেষ্টা করে যে তার কাজটি ঠিক তার মতো ভাল আর খুব কম লোকই করতে সক্ষম, তবে সে মানুষই নয়। অজাইব সিং সেই জাতের মানুষ ছিল, যার কাছে তার জীবিকাটা শুধুই অন্ন-সংস্থানের উপায় নয়, তার চেয়ে আরও বড় কিছু। এই কারণেই পৃথু, চিরদিন ওকে শ্রদ্ধা করে এসেছে। ওর গাড়িতে রুষা, মিলি টুসুকে পাঠিয়ে কখনও ওর চিন্তা হয়নি এক মুহূর্তও।

    লাড্ডু ছিল না। তার কর্মচারী পয়সা নিতে চাচ্ছিল না। পৃথু বলল, নেব না তাহলে। মারীজ্‌ আদ্‌মীর জন্যে লাড্ডু নিয়ে যাচ্ছি, তার অমঙ্গল হবে বিনা-পয়সার মিষ্টি নিয়ে গেলে।

    শেষে রাজি হল লাড্ডুর লোক।

    অনেক দূর অজাইব সিং-এর বস্তি। ও কোয়ার্টারে থাকত না। ওর বউকে নিয়ে কী একটা গোলমাল হয়েছিল কোয়ার্টারে। এতদূর থেকে ও সাইকেলে করে রোজ সকাল আটটাতে শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষায় কী করে যে পৃথুর বাংলোতে ডিউটিতে আসত, তা ভাবলেই অবাক লাগছে। গাড়িতে পৌঁছতেই প্রায় মিনিট কুড়ি লেগে গেল। কে জানে, হয়তো কোনও শর্টকাট রাস্তাতে আসত, জঙ্গল-টাঁড় পেরিয়ে।

    বাহাদুরই দেখিয়ে দিল বাড়িটা। গাড়ি দেখে কয়েকটি কৌতূহলী বাচ্চা এগিয়ে এল। অজাইব সিং-এর সারাটা দিন কাটে গাড়ির মধ্যে বসে অথচ তার বাড়ির মানুষদের এবং প্রতিবেশীদেরও গাড়ি সম্বন্ধে অদম্য কৌতূহল। আজকে পৃথুর মনে হল, একদিনের জন্যে গাড়িটা অজাইব সিংকে ধার দিলেও হয়তো পারত। ওর বউ-বাচ্চাদের নিয়ে গাড়ি চড়িয়ে আনতে পারত ও। এরকম অনেক কিছু করণীয় কাজের কথাই মনে যখন পড়ে, তখন হয়তো অনেকই দেরি হয়ে যায়; পৃথুর সংসারী হওয়ার কর্তব্যরই মতো।

    একজন সুন্দরী মেয়ে ঘর থেকে বাইরে এল। ছিপছিপে শরীর। গায়ের রঙ ফর্সা। সবচেয়ে বড় কথা, মুখে তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধির প্রসাধন। সে বাহাদুরের উর্দী দেখেই এবং গাড়ি দেখেই বুঝল এক ঝলকে, যে, কোম্পানী থেকে এসেছে কোনও সাহেব।

    মেয়েটি বলল, সেলাম সাহাব্‌। বলেই, পা-হারানো পৃথুর দিকে এমনভাবে তাকাল তাতে পৃথু বুঝল পৃথুকে চিনেছে ও। ওর চোখে সম্ভ্রম এবং অনুকম্পাও ফুটে উঠেছিল। খারাপ লাগল পৃথুর।

    পৃথু বলল, সালাম! অজাইব সিং কাঁহা হ্যায়?

    লেটা হুয়া হ্যায় সাহাব। উঠনে নেহি শক্‌তা।

    ম্যায় জারা মিল্‌নে শক্‌তা?

    জরুর! কাহে নেহি সাহাব। ম্যায় উস্‌কো জানানা।

    বলেই, পৃথুকে নিয়ে গেল ঘরে। অজাইব সিং চৌপাইতে শুয়েছিল লাল আর সবুজ চেক চেক একটা লুঙ্গি পরে। গেঞ্জি গায়ে। চেহারার বিশেষ পরিবর্তন দেখল না পৃথু। কেবল রোগা হয়ে গেছে বেশ আর পেটটাই যেন শরীরের সব হয়ে উঠেছে।

    পৃথুকে দেখেই, ভূত দেখার মতো চমকে উঠল অজাইব সিং। তড়াক করে উঠে বসতে গিয়েই পেট ধরে শুয়ে পড়ল আবার। হাসপাতালের দিনগুলোর কথা মনে পড়ল পৃথুর। শুয়ে শুয়েই সেলাম করল অজাইব সিং ওকে। পৃথু, লাড্ডুর প্যাকেটটা ওর স্ত্রীর হাতে দিয়ে চৌপাইরই এক কোণাতে ক্রাচ দুটো বাঁ কাঁধের উপর শুইয়ে রেখে বসল।

    কৈসা হ্যায়? অজাইব সিং?

    অজাইব সিং পেট দেখিয়ে বলল, বহুৎই দর্দ্‌ সাহাব।

    বলেই বলল, আপ কৈসা হ্যায় হুজৌর?

    ম্যায় ফারস্ট্‌ক্লাস। তুম্‌কো জল্‌দি ঠিক হো যানা চাইয়ে অজাইব সিং।

    অজাইবের বুকের মধ্যে প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছিল। সেই মুহূর্তে ওর পেটের ব্যথার চেয়েও যেন বুকের ব্যথাটাই বেশি তীব্র হয়ে উঠল। ইশারায় ও তার স্ত্রীকে বাইরে যেতে বলল। সে বাইরে চলে গেলে, পৃথুর ডান হাতটা টেনে নিয়ে নিজের পেটের উপর রেখে বলল, ইয়ে মেরী পাপ্‌কা নতিজা হুজৌর।

    তুম্‌হারা পাপ? কওন্‌সা পাপ্‌কা বারেঁমে কহ রহা তুম?

    হুজৌর!

    বলেই, থেমে গেল অজাইব সিং। কী এক অব্যক্ত যন্ত্রণায় তার মুখ বিকৃত হয়ে গেল।

    বোলো অজাইব সিং। বোলো, ক্যা তুম বোল্‌নে মাংগতা বোলো।

    হুজৌর, ম্যায় সবকুছ জানতা থা ইদরকার সাব্‌কা বারেমে, মগর, ম্যায় আপকো কুছ্‌ভি বাতায়া নেহী। ওহি পাপ্‌সে ম্যায় ঈ বিমারিসে পরিসান। ভগোয়ান্‌নে মুঝ্‌পর থুক দিয়া। মেরী মওত্‌কা ওয়াক্ত আ চুকা হ্যায়।

    ক্যা ফাল্‌তু বকবকাতা তুম্‌। আরাম করো। সব ঠিক হো যায়েগা। মারীজ্‌কো তক্‌লিফ হোতাহি হ্যায়, মগর উস্‌কো মতলব ঈ নেহী ওয়াক্ত আ চুকা হ্যায়। ঈ সব গলদ বাঁতে বিলকুল মত শোচ্‌না।

    অজাইব সিং পৃথুর হাতটা শক্ত করে পেটের উপর চেপে ধরে বলল আমার মৃত্যুর জন্যে আমি ভয় করছি না। আমার ভয়, আপনার জন্যে। বলেই পা-হীন পৃথুর দিকে চেয়ে বলল, আপনার এই অবস্থা, তার উপর আপনাকে এই সময়ে মেমসাব ছেড়ে চলে গেলেন ছেলেমেয়েকে নিয়ে। আমি বিছানাতে শুয়ে। আর কখনও উঠব না। আপনিও হয়তো আর কোনওদিনও গাড়ি চালাতে পারবেন না। কী হবে হুজৌর আপনার এখন?

    আমি ঠিক আছি অজাইব সিং। তুমি ভাল হয়ে উঠে তোমার গাড়ি আবার চালাবে। তুমি তো কোম্পানীর লোক। আমার ডিউটি না করে অন্য কোনও সাহেবের ডিউটি করবে। কোনও চিন্তা নেই। আমার জন্যে কোনও চিন্তা করতে হবে না তোমার। ঠিক আছি আমি। ফারস্টক্লাস আছি।

    ফা-র-স্ট-ক্লা-শ?

    কথাটা টেনে টেনে পুনরাবৃত্তি করল অজাইব সিং আস্তে আস্তে। তারপর বলল, সব্‌হি আদমী নে আপকো পাগলা সাহাব এইসেই নহী কহতে থে। পাগলা আপ তো সাচমুচই হ্যায় সাহাব।

    পৃথু ওর গায়ে মাথায় হাত বুলিয়ে ওর স্ত্রীকে ভিতরে আসতে বলল। ঘরটার মধ্যে আলো-হাওয়া খেলে না মোটে। এই এপ্রিলের সকাল এগারোটাতেই অন্ধকার। অথচ পৃথু ঘোষের বাংলো কত চমৎকার। আজ অবধি একদিনও খেয়াল হয়নি পৃথুর, অজাইব সিং কেমন ঘরে থাকে তা দেখে আসবার। যে তার জন্যে এত করে, এতবছর এত করল, তার জন্যে পৃথুরও যে কিছুমাত্র করণীয় ছিল, তা সত্যিই মনেও হয়নি একবারও। কোম্পানীর দেওয়া টেরিলীনের উ্যনিফর্ম্‌ আর টুপী আর হাতের এইচ-এম-টি ঘড়ি দেখেই মনে হত, অজাইব সিংও পৃথুর মতই ভাল থাকে, ভাল খায়।

    মনটা হঠাৎই বড় খারাপ হয়ে গেল।

    বলল, লাড্ডু খাও একটা। আমি দেখি।

    ওর স্ত্রী বলল, আপনি খাবেন না একটা?

    পৃথু হেসে বলল, তোমার ঘরে এসেছি, তোমাদের জিনিসই খাব আমি। ঘরে কী আছে?

    ঘরে?

    লজ্জায় পড়ল অজাইব সিং-এর বউ।

    বলল, যবের ছাতু।

    ফারস্টক্লাস। তাই-ই দাও এক গ্লাস শরবৎ করে। নুন আর কাঁচা লঙ্কা দিয়ে। গরম তো পড়েই গেল, কী বল? তার আগে তোমরা লাড্ডু খেয়ে নাও। ছেলেমেয়েরা সব কোথায়?

    ছেলেমেয়ে?

    লজ্জা পেল অজাইব সিং-এর বউ।

    অজাইব সিং-এর ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে আসতে, ওর পেছনে শয্যাশায়ী মানুষটার ওর প্রতি মঙ্গল কামনার দৃষ্টিকে অনুভব করল ও। কী যেন বলল বিড়বিড় করে অজাইব সিং। ঠিক বুঝতে পারল না। সেই সাংকেতিক ভাষা শুনে ওর বউ ঘরে ফিরে গিয়েই আবার ফিরে এল হাতে একটি সস্তা ক্যাসেট নিয়ে।

    এটা কী?

    অবাক হয়ে বলল পৃথু।

    অজাইব্‌-এর স্ত্রী বলল, এটা ও আপনাকে দিল হুজৌর। কখনও মন খারাপ হলে, শুনবেন।

    অবাক হয়ে ক্যাসেটটা বুক পকেটে রাখল পৃথু।

    বাহাদুর গাড়ির দরজা খুলে দিল। গাড়িতে উঠতে উঠতে বলল, অজাইব ভাল হলেই যেন ডিউটিতে আসে। আমি অপেক্ষা করে থাকব ওর জন্যে। ওকে বোলো সে কথা।

    গাড়িটা ছেড়ে দিতেই, পৃথুর দুটি চোয়াল শক্ত হয়ে এল। এইভাবে, ওর পক্ষে হাটচান্দ্রায় থাকা আর সম্ভব হবে না। প্রত্যেকটি মানুষের এত ভালবাসা এবং অনুকম্পার এক কণাও ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা যে ওর নেই। এখান থেকে না-পালালে নিজের কাছে নিজে মুখ দেখাতে পারবে না আর।

    হঠাৎই বিদ্যুৎচমকের মতো মনে পড়ল কথাটা। সেই কথাটাই জিজ্ঞেস করা হল না অজাইব সিংকে।

    বাহাদুরকে বলল, গাড়ি ঘোরাতে।

    অবাক হয়ে হঠাৎ ব্রেক করে, গাড়ি ঘুরিয়ে নিল বাহাদুর। বাহাদুর বড় সাহেবের ড্রাইভার বটে কিন্তু অজাইব্‌-এর মতো নিখুঁত হাত নয় তার। গাড়িকে বড় কষ্ট দিয়ে গাড়ি চালায় ও। পৃথুর বাবা বলতেন, গাড়িও, ঘোড়ারই মতো। এঞ্জিনেরও প্রাণ আছে। তাকে ভালবাসিস, সেও তোকে ভালবাসবে। অজাইব সিং এই কথাটা বুঝত, যেমন বোঝে ভুচুও।

    ওকে ফিরতে দেখে অবাক হল অজাইব-এর বউ।

    পৃথু বলল, একটা কথা ভুলে গেছি।

    গাড়ি থেকে ঘরটা কতটুকু পথ, সেটুকু; আগের দিন হলে দৌড়ে চলে যেত কিন্তু ক্রাচে ভর দিয়ে যেতে অনেকই সময় লাগল।

    অজাইব সিং-এর দুচোখ বেয়ে জল গড়াচ্ছিল। কতখানি তার নিজের জন্যে, আর কতখানি পৃথুর জন্যে কে জানে তা। সবটাই অজাইব সিং-এর নিজের জন্যে হলেই খুশি হত পৃথু।

    করুণা কোরো না। করুণা কোরও না। মনে মনে বলেছিল ও।

    হুজৌর?

    অজাইব সিং, আখ্‌রী কাম যো দিয়াথা তুমকো, ইয়াদ হ্যায়?

    হুজৌর?

    যেন অনেক দূর থেকে বলল অজাইব সিং। কিছুই মনে পড়ল না ওর। মাথাও কি কম কাজ করছে? কে জানে?

    কিছুক্ষণ ওর মুখে তাকিয়ে থেকে পৃথু বলল, ঠিক হ্যায়। তুম আরাম করো। বলেই, বেরিয়ে আসতে যাচ্ছিল যখন, সেই সময় অজাইব সিং বলল, জি হাঁ। হাঁ হুজৌর। তালাস কিয়া থা। পড়া ইয়াদ।

    মিলা নেই?

    মিলাথা হুজৌর।

    মিলাথা?

    স্তব্ধ হয়ে গেল পৃথুর দিশেহারা ক্লান্ত হৃৎপিণ্ড।

    অজাইব সিং বলল, সীওনী।

    সীওনী? ও? সাওনী। মগর, পাত্তা ক্যা?

    পুরা পাত্তা নেহি মিলা হুজৌর। স্রিফ সীওনী।

    বহুত মেহেরবানী অজাইব সিং।

    নহী হুজৌর। কুছ নহী।

    তারপরই অজাইব সিং পৃথুকে বলল, হুঁয়াই আপকি যানা চাহিয়ে হুজৌর।

    বলেই, ভাবল, ধৃষ্টতা হল।

    তাড়াতাড়ি বলল, টুসুবাবাকে সাথ লেকর যানা চাহিয়ে হুজৌর। বহুতই পেয়ার হ্যায় উ বাচ্চোঁকা দিলমে, আপ্‌কো লিয়ে।

    পৃথু আর কিছু না বলে, আরেকবার ওর মাথায় হাত রেখে চলে এল।

    ঘরের বাইরেই একফালি উঠোন। ঘন ম্যাজেন্টা-রঙা বোগোনভোলিয়া ফুটেছে। পুর্টোলেকার দল আগুন লাগিয়ে দিয়েছে দেওয়ালের পাশে পাশে। কে জানে হয়তো পৃথুর মালির কাছ থেকেই নিয়ে এসেছিল বীজ। ঘুঘু ডাকছে মস্ত কৃষ্ণচূড়া গাছের ছায়ায় বসে। ঘুঘুররর্‌-ঘু-ঘু-র্‌-র্‌-র্‌-র যেখানে শৌখীন নারী, সেখানেই গাছ, সেখানেই ফুল; পাখি। পৃথুর বাড়িও এরকমই ছিল।

    একদিন!

    ছিল!

    গাড়িটা জোরে ছুটে চলেছে। ভুচুর কাছে পৌঁছে এ গাড়ি ছেড়ে দেবে। ভুচুর কাছেই খাবে আজ দুপুরে। রাতে আজ একবার বিজ্‌লীর সঙ্গে দেখা করে আসবে। রাতটা তার একার। অনেককিছু ভাবার। রুষাকে চিঠি লেখার। তারপর ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই বেরিয়ে পড়বে ও এ জায়গা ছেড়ে। চোরের মতোই যাবে। অনেকদিন তো হল একই জায়গায়।

    দিগা প্রায়ই একটা দোঁহা বলত তুলসীদাসের মানসমুক্তাবলী থেকে।

    “মাগি মাধুকরী খাত তে সোরত গোড় পসারি

    পাপ প্রতিষ্ঠা বরি পরী তাতে বাড়ী বারি”

    মানে, যতদিন মাধুকরী করে খেত, ততদিনই ছিল ভাল। নিশ্চিন্তে ছিল। পা ছড়িয়ে শুত। কিন্তু এদিকে পাপময়ী প্রতিষ্ঠা বাড়ল, তাতে শুধু ঝাঞ্ঝাটই বাড়ল। বড় বেশি নিশ্চিন্ত আরামে ছিল পৃথু এতদিন। চাকরি, গাড়ি, সুস্থতা, স্ত্রী, বাড়ি, প্রতিষ্ঠা। ভালই হল, যা হল। দিন আনবে, দিন খাবে। অঙ্গহীন, প্রেমহীন, আরামহীন, অনিশ্চিত জীবনই তো আসল জীবন। প্রতি মুহূর্তে জীবনের নতুন নতুন মানে খুঁজে পাবে। মুহূর্ত থেকে মুহূর্তে বাঁচবে এবার। জিড্ডু কৃষ্ণামূর্তির জীবনদর্শনের স্বাদ পাবে। ঈশ্বর হয়তো যা কিছুই করেন, মঙ্গলের জন্যেই। “সত্য মূল সব সুকৃত সুহাত্র।” সমস্ত সুন্দর সুকৃতের মূলই সত্যই থাকে? যা মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে তাকে জীর্ণ বস্তুর মতো ছেড়ে ফেলে তার নিজের জীবনের সত্যকে এবার দেড়খানা পায়ে হেঁটে হেঁটে খুঁজে বেড়াবে বাকি জীবন। দিগাই বলেছিল, দুঃখ কিসের? রোদ আছে, চাঁদ আছে, ফুল আছে, পাখি আছে। জীবনে এখনও অনেকই সুন্দর কিছুকে অনুভব করার, প্রত্যক্ষ করার বাকি আছে। পৃথু বলল, নিজেকে। তাই-ই তো! সেই প্রকৃত সুন্দরের ধ্যানে নিজেকে নিয়োজিত করো। একজন সামান্য নারীর দেওয়া দুঃখ অথবা অন্য একজন সামান্য নারীর কাছ থেকে প্রত্যাশার আনন্দর আকাঙক্ষার চেয়েও অনেক অনেক বড় কিছু পাওয়ার আছে জীবনে। জীবনের মূলে চলে যাও, অনুভূতির মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে।

    আনন্দম্‌। আনন্দম্। আনন্দম্।

    আনন্দম কথাটির প্রকৃত অর্থ এতদিনে যেন ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে তার কাছে। দাবি আর কর্তব্য আর দৈনন্দিনতার ভারে চাপা-পড়া ইঁট-চাপা ফ্যাকাশে জীবন নয়। “আকাশ ভরা সূর্য তারা বিশ্বভরা প্রাণ”-এর আভাস যেন পেতে আরম্ভ করেছে পৃথু ইতিমধ্যেই একটু একটু করে। “তাহারি মাঝখানে আমি পেয়েছি মোর স্থান, বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান। …কান পেতেছি, চোখ মেলেছি, ধরার বুকে প্রাণ ঢেলেছি, জানার মাঝে অজানারে করেছি সন্ধান, বিস্ময়ে তাই জাগে, জাগে আমার গান…আকাশ ভরা সূর্য তারা, বিশ্বভরা প্রাণ…”

    ভুচু রান্না ঘরেই ছিল। খিচুড়ি রাঁধছিল। বুকে অ্যাপ্রন লাগিয়ে। বাবুর্চির মত। ভুনি খিচুড়ি। পৃথু ভালবাসে বলে। পৃথু যেতেই বলল, আমার মন বলছে, তোমার চোখ দেখেই যে; তুমি কোনও ফন্দি আঁটছ পৃথুদা।

    কিসের ফন্দি?

    পালাবার ফন্দি। আমাদের সকলকে ফাঁকি দিয়ে পালাবার ফন্দি। বলল, ঠিক বলছি কিনা?

    পৃথু, ক্রাচ দুটো রেখে, ইজিচেয়ারে আধশোয়া হয়ে বলল, এত ভালবাসা, এত আদর ছেড়ে পালানো কি সোজা ভুচু?

    সোজা হয়তো নয়। কিন্তু তোমার অসাধ্য কিছুই নেই। তবু, তোমার তো পালিয়ে যাবার জো আছে পৃথুদা। আমাদের কথা কখনও কি ভেবেছ? তুমি না থাকলে, আমার কী হবে? আমার যে আর কেউ নেই। ছেলেবেলায় বাবা মাকে হারিয়েছি। তোমাকে পেয়ে, সব শুন্যতাই ভুলে ছিলাম। তুমিও এখন বদ্‌-বুদ্ধি আঁটছ। পৃথু চুপ করে রইল। মনে মনে বলল, বদ্‌-হাওয়া লেগেছে তার গায়ে, পাখি কখন উড়ে যায়?

    বলল, যেখানেই যাই না কেন, ঠিকানা একটা তো থাকবেই। না থাকলেই হয়তো ভাল হত। তবু, থাকবে। আর থাকলে, সেটা তোমার অজানা থাকবে না। নিজের ক্ষতি করেছি কি ভাল, সেটা এখনও জানার সময় আসেনি। তবে, তোমাদের সকলেরই যে ক্ষতি করেছি, সেটা বুঝি। এবার পামেলাকে বিয়ের কথাটা বলল। একটু গুছিয়ে বসো এবারে। অনেকদিন তো বাউণ্ডুলেপনা করলে। রোজগারও কম করনি এবং করছ না।

    ভুচু বলল, দাঁড়াও পৃথুদা। ফ্রিজ-এ বীয়ার রেখেছি; নিয়ে আসি। খিচুড়ির সঙ্গে বীয়ারই জমে ভাল।

    বলেই, ভুচু চলে গেল।

    পৃথু চলে-যাওয়া ভুচুর দিকে চেয়ে বলল, দাও। শেষ-খাওয়া খেয়ে নি। এর পরে তো ডাল-ভাতই জুটবে কিনা ঠিক নেই। এসব আর পাব কোত্থেকে? তুমি, গিরিশদা, সাবীর সাহেব, তোমরা সব অভ্যেসই খারাপ করে দিয়েছ আমার।

    ফেনাসুদ্ধ বীয়ার নিয়ে এল ভুচু দুটি বীয়ার মাগ্‌-এ করে। একটা তেপায়া এনে রাখল পৃথুর জন্যে ইজিচেয়ারের ডানদিকে। যাতে বার বার ওকে কষ্ট করে না উঠতে হয়। নিজের বীয়ার মাগটা কোলে নিয়ে বসল চেয়ারে। মুখোমুখি।

    চীয়ারস্।

    ভুচু বলল।

    চীয়ারস্‌। কিন্তু তুমি আমার কথাটা এড়িয়ে যাচ্ছ ভুচু। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবার পর এ নিয়ে আমি বার তিনচার তোমার বিয়ের কথাটা ওঠালাম। তুমি অ্যাভয়েড করছ।

    বিয়ে হচ্ছে। হুদার সঙ্গে নুরজেহানের। তোমাকে বলিনি। সময়মত দাওয়াত্‌ও পাবে। বেচারি সাবির সাহেব হয়তো থাকবেন না ততদিন। কিন্তু আমি থাকব। আমিই তো বর-কর্তা। আর শামীম; ন্যাচারালী, কনে-কর্তা।

    এই সম্বন্ধ আবার কবে হল?

    যেদিন তোমার পা হারালে তুমি, সেই রাতেই হুদা পেল নুরজেহানকে। মানে, কথা পাকা হল। জবলপুরের হোটেলে। কারও সর্বনাশ, কারও পৌষমাস। হুদা খুব ভালবাসে নুরজেহানকে।

    তা না হয় হল, তোমার বিয়েটা ঠেকছে কিসে?

    দাঁড়াও, মনোমত পাত্রী পাই; তবে তো! না হয়, তুমিই একটি দেখে শুনে দাও। আসলে, তোমাকে চোখের সামনে দেখে, বিয়ে করার কথাতেই হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে আসে আজকাল পৃথুদা। বিয়ের এত দিন পরে তোমার মতো স্বামীকেও ছেড়ে দিতে যে জাতের পাঁচ মিনিট সময় লাগে, আর যাই হোক তাদের বিয়ে করার কথা ভেবে দেখতে হয় নতুন করে। সত্যিই সাহস হয় না।

    পৃথু বলল, ভুচু, তোমাকে একটা কথা বলব। রুষার সম্বন্ধে আমার আড়ালে তোমরা যা খুশি তাইই বলো; আমি শুনতে আসব না। কিন্তু আমার সামনে ওরকম করে বোললা না। একটা কথা মনে রেখো, আমি রুষাকে ভালবাসি। ওর মতো মেয়ে হয় না। দোষ, সবই আমার। সব দোষ। বিবাহিত জীবনের যোগ্য আমি নই।

    অবাক চোখে তাকাল ভুচু পৃথুর দিকে কিছুক্ষণ। তারপর বলল, সরি পৃথুদা। বলেই, এক চুমুকে বীয়ার শেষ করে দিল নিজের।

    বলল, দাঁড়াও। বীয়ার আনি। অনেক আছে। ভাল করে খাও তুমি।

    ফ্রিজ খুলতে খুলতে নিজের মনেই বলল, ভুচু, সাধে কি লোকে বলে, পাগলা ঘোষষা! ভাবা যায় না। একজন হারামজাদি মেয়ের জন্যে এখনও এত প্রেম! সব মেয়েই হারামজাদি!

    ভুচু ফিরলে, পৃথু বলল, মেয়ে দেখার কথা উঠছে কিসে? পামেলা কি এক্ষুনি বিয়ে করতে রাজি নয়।

    বীয়ারের বুড়বুড়ি-কাটা হলুদ-রঙা মাগ্‌-এর গভীরে চোখ রেখে ভুচু বলল, পামেলার বিয়ে হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, শী ইজ ইন দ্যা ফ্যামিলি ওয়ে। দু’মাস হল প্রেগ্‌নান্টও হয়েছে। আ ফাস্ট ওয়ার্কার। চমকে উঠে পৃথু, সোজা হয়ে বসল। বলো কী? সে কী?

    হ্যাঁ। তাইই। মনে কোরও না যে এ পৃথিবীতে তুমিই একমাত্র শকঅ্যাবজর্বার। তোমার এই চেলাও কম যায় না।

    কাকে বিয়ে করল?

    একজন আই এ এস ছেলেকে। ওদের স্বজাতি। মুণ্ডা। রাঁচীর কাছেই বাড়ি।

    এই সাড়ে তিন মাস কি কম সময় পৃথুদা? এরই মধ্যে তো তুমি কত কিছু হারালে। ক্রীসমাস ঈভের রাতে তোমাকে হাসপাতালে রেখে আমি হোটেল থেকে অনেকই চেষ্টা করেছিলাম ট্রাঙ্ক কল-এ ওর সঙ্গে কথা বলবার। জবলপুর থেকে লাইন কিছুতেই পেলাম না। ক্রীসমাস ঈভের পার্টিতেই ওর সঙ্গে প্রথম আলাপ পামেলার। তাছাড়া আমার এই ডাকাত-ফাকাতদের সঙ্গে এনকাউন্টার, ওর পক্ষে প্রচণ্ড ডিসটার্বিং ছিল। ওর মায়েরও আপত্তি ছিল ভীষণ। কোথায় ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের বউ আর কোথায় অশিক্ষিত এক মোটর-মেকানিকের বউ। আমাকে তোমরা ভালবাসো, তোমাদেরই গুণ সেটা। সমাজে আমার দাম আর ক’ পয়সা?

    পৃথু স্তব্ধ হয়ে রইল।

    ভুচু বলল, আসলে, সকলে তো বাইরেটাই দেখে পৃথুদা। জেলাস ভিতর অবধি নজর চলে এমন চোখ তো সকলকে দেনও না আর ক্রাইস্ট। দিলে কি, রুষাবৌদি তোমাকে ফেলে ভিনোদ ইদুরকারের কাছে চলে যেতে পারত? তাঁর তুলনায় পামেলা তো অতি সাধারণ মেয়ে!

    বীয়ার মাগ্‌-এ চুমুক দিয়ে পৃথু বলল, আসলে হয়তো বেশিরভাগ মেয়েই সাধারণ। কবি-সাহিত্যিকরাই তাদের কল্পনা দিয়ে তাদের আহামরি করে তোলে। কিন্তু সে যাই হোক, তোমার এই ট্রাজেডির জন্যেও আমি দায়ী। ক্রীসমাস ঈভ-এ তুমি থাকলে, এটা হয়তো ঘটত না, ডাকাত ফাকাতের সঙ্গে জড়িয়ে না পড়লেও…

    ঘটত। যা ঘটার তা ঠিকই ঘটত। সবই প্রি-ডেসিটনড পৃথুদা। তাছাড়া, বিশ্বাস করো, তোমার দুঃখই যদি তোমাকে অভিভূত না করে থাকে, তাহলে আমার এই সামান্য দুঃখ…। কোনও ব্যাপারই নয়। তাছাড়া, দুঃখই বা বলব কেন? বলব, আনন্দই। যে মেয়ের মন অত সহজে সরে যায়, তার মন তো রুষা বউদির মতো বিয়ের অনেক বছর পরও সরতে পারত। এসব কথা বরং থাক। অন্য কথা বলো। আর কী খাবে বলো? ওমলেট ভেজেছি, কড়কড়ে করে আলুভাজা, বেগুন-ভাজা আর শুকনো লংকা ভাজা। আচারও আছে সঙ্গে। লেবু আর বড় লংকার।

    অন্যমনস্ক হয়ে গেছিল পৃথু। জবাব দিল না কোনও।

    ভুচু বলল, ভাবছ কী অত? খাও। ভাল করে বীয়ার না খেলে আমার রান্না কি মুখে দিতে পারবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article ঋজুদা সমগ্ৰ ৫ – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }