Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প1301 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭. ঠুঠা বাইগা আর দেবী সিং

    ৭

    ঠুঠা বাইগা আর দেবী সিং দুজনেই হাঁপাচ্ছিল।

    আগের দিন তো আর নেই!

    একটা সময় ছিল যখন এর চেয়েও উঁচু পাহাড়ে ওরা চোদ্দ পাউন্ড ওজনের ডাবল-ব্যারেল রাইফেল কাঁধে করেও প্রায় দৌড়ে উঠেছে।

    চমৎকার মালভূমি। টাইগার প্রোজেক্ট হওয়ার পর থেকে জানোয়ার বেড়ে গেছে অনেক। গাছপালা, ঘাসবন সবই বেড়েছে। বছরের বারোমাস, জঙ্গল নিজেই নিজের মালিক হয়ে রয়েছে এখন। অন্য কারওরই তাঁবেদার নয় সে। অনেকদিন শরিকে শরিকে মামলা চলার পর মহাল্‌ ফিরে পেলে জমিদারের মনে যেমন এক আত্মপ্রসাদ আসে, কান্‌হার জঙ্গলের মনের এখন সেইরকম অবস্থা। বৃষ্টিও বেড়েছে জঙ্গল বাড়াতে; শুকনো নদী-নালা বেয়ে জল ছুটছে, দিগন্ত থেকে দিগন্তে, সবুজ শাড়ি পরা মেয়ের মতো সবুজ চুল উড়িয়ে, সবুজ পাড় ছড়িয়ে দৌড়ে যাচ্ছে জঙ্গল। তাতে ঠুঠা বাইগার হারিয়ে যাওয়া গ্রামকে খুঁজে পাওয়া আরওই দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে।

    কিছুক্ষণ জিরিয়ে নিয়ে দেবী সিং বলল, চল, মালভূমির অন্য দিকটাতে যাই। তারপর দ্যাখো ভালো করে, কোনও চিহ্ন দেখতে পাও কি না।

    বিন্ধ্য আর সাতপুরা পর্বতমালাকে জুড়ে দিয়েছে মাইকাল পাহাড়শ্রেণী। এই বৃত্তের মধ্যেই বয়ে চলেছে একদিকে বান্‌জার, অন্যদিকে হাঁলো। এই দুই উপত্যকার মধ্যবর্তী অঞ্চলই কান্‌হা। অপরূপ।

    ঠুঠা বাইগা একটা চুট্টা বের করে, হাঁটু গেড়ে বসল, কাঁধ থেকে ঝোলা আর বন্দুকটা নামিয়ে রেখে দেবী সিংকে বলল, ধরাও ধরাও। অত তাড়া কিসের। চল, যাব এখন। দিনের তো অনেকই বাকি। আর রাত হলেই বা কী? রাতের আর দিনে তফাত কি খুব আছে আমাদের? তাছাড়া, এ যাত্রা তিনদিন তিন রাত থাকব বলে তো ঠিকই করে এসেছি।

    আসলে, মনে মনে ঠুঠা হাল ছেড়ে দিতে আরম্ভ করেছে। এ জীবনে ও আর ওর শিকড়ে ফিরতে পারল না বোধহয়।

    দেবী সিং বলল, জানো তো, এখন জঙ্গলে চুট্টা খাওয়াও মানা। কখন আগুন লেগে যাবে। ফোরেস্ট-ফায়ার।

    ঠুঠা বাইগা মুখ বিকৃত করে বলল, গুলি মারো! তিনকাল পার করে এককালে ঠেকলাম এসে, জঙ্গলের পোকা আমরা, আমাদের জঙ্গলের নিয়ম শেখাতে এলেন! বাঘ মারা মানা! বাঘ দেখাও মানা। বাঘ-বাঘিনীর আদর-করা দেখলে মহা সর্বনাশ হবে। যেন তোমার ছোট ভাই আর ভাদ্র বউয়ের কারবারই দেখছ! শালারা! কালে কালে কতই দেখব আর। গ্রাম, গ্রামের চিহ্ন পর্যন্ত উড়িয়ে দিল, এখন ফোরেস্ট ফায়ারের ভয়ে গর্তে গিয়ে ঢুকব ছুঁচোর মতো। মনের সুখে একটা বিড়ি পর্যন্ত খেতে পারব না।

    দেবী সিং, ঠুঠার চেয়ে অনেক ঠাণ্ডা মাথার মানুষ। অনেক সাহেব-সুবো শিকারির সঙ্গে শিকার খেলেছে সারা জীবন। তাছাড়া, সান্‌জানা সাহেবের কাছে এক সময় থেকেছিল বলে সুশিক্ষাও পেয়েছে। সহবৎ শিখেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলাতে শিখেছে নিজেকে।

    ও বলল, রাগ করলে হবে কেন? তা হিসাব করে বলো তো দেখি, শুধু তুমি আর আমি মিলেই সারা জীবনে নিজেরাই ক’টা মারলাম এবং শিকারিদের দিয়েই বা ক’টা মারালাম? বাঘ। শুধু বাঘই। বাঘের হিসেবেই ধরো শুধু। অন্য জানোয়ারদের কথা ছেড়েই দাও।

    দেবী সিং-এর কথাতে দুজনেই আঙুল গুণতে লাগল নিজের হিসাব করে। ঠুঠা প্রথমে বলল, নিজে দশটা, শিকারিরা বারোটা।

    দেবী সিং বলল, আমি ন’টা। শিকারিরা পনেরোটা। তবে? তবেই হিসাব করো। আমরা দুজনেই ছেচল্লিশটা সাবড়ে দিয়েছি। তা এমন চললে, বাঘের বংশ লোপই হয়ে যেত না কি আর কিছুদিনেই? আমরা এবং আমাদের মতোই অন্যরাও এমন করলে?

    ঠুঠা বলল, কিন্তু এর জন্যে দায়িটা কারা বল দেখি? আমরা? না সরকার নিজে? যেই ইন্ডিপিণ্ডিরি হয়ে গেল, অমনি…।

    ঠুঠা এই ইংরিজিটা শিখেছে।

    দেবী সিং শুধোল, মানেটা কি?

    ভারত স্বাধীন, মানেই ইন্ডিপিণ্ডিরি। ইন্ডিপিণ্ডিরি হয়ে যেতেই সব শিকার কোম্পানী গড়ে উঠল রাতারাতি, বর্ষার দিনে শালের জঙ্গলের নীচে অসংখ্য কুকুরমুত্তার মতো বিদিশি টাকার ভীষণই দরকার ছিল না কি সরকারের সেই সময়। ফোরিন ইক্সচিঞ্জ। একটা বাঘ মারতে পারলে, বা একটা বাঘকে মাচার নীচে বা জীপ থেকে দেখাতে পারলেই এক এক কম্পানী পাঁচ-পাঁচ হাজার দশ-দশ হাজার ডলার পেত। সে শিকারী ছাই, বাঘ মারতে পারুক আর নাই-ই পারুক। গরমেন্টের ‘ফুরেন ইক্সচিঞ্জি’ হত। তা ‘ফুরেন ইক্সচিঞ্জি’ করতে গিয়েই তো সব বাঘ ফুটে গেল। হিসেব করে বল দেখি, ইংরেজ আমলে ক’টা বাঘ মারা পড়েছে এই মুক্কি, সুফ্‌কর, ভাইসেনঘাট, কিস্‌লি কি সীওনী বা মান্দলাতে? ক’টাই বা মারা পড়েছে ইন্ডিপিন্ডিরির পর? ইংরিজি আমলে আইন, শৃঙ্খলা, ভয়-ডর ছিল। ইন্ডিপিন্ডিরি হয়ে, সবই গেল। যাই-ই বল, আর তাই-ই বল।

    দেবী সিং চুট্টায় বড় একটা টান লাগিয়ে বলল ‘সবই গেল’ এ কথাটা তোমার বোধহয় ঠিক নয়। অনেকেই ভাল হয়েছে। সবই খারাপ হয়েছে এ কথা বলাটা অন্যায়। তোমার নজরটা বড়ই একপেশে ঠুঠা।

    তা হবে।

    অভিমানের গলায় বলল ঠুঠা।

    তারপর তাকিয়ে রইল বিস্তীর্ণ ঘাসে ছাওয়া মালভূমিটার দিকে। বেশ ঠাণ্ডা এখানে। সকালের রোদেও গা-হাত ঠাণ্ডা হয়ে আসছে। মেমসাহেবের চুলের মতো নরম, সোনালি দেখাচ্ছে হাওয়াতে ইলিবিলি-কাটা ঘাসের মাঠকে। ধু ধু করছে ভোঁর ঘাসের মাঠ। মধ্যে একটি মাত্র শিমুল দাঁড়িয়ে আছে, একা। যেন, বস্তির গাওয়ান্‌। একটি ঝর্ণা মালভূমি ফুঁড়ে বেরিয়ে কোনাকুনি নেমে গেছে পাহাড়ের গায়ের হরজাই জঙ্গল, বাঁশের ঘন ঝাড় বেয়ে নীচের ঘন গভীর কালচে শাল জঙ্গলের দিকে।

    পাহাড়ের পায়ের কাছে বাঁশই বেশি। বাইসন, বাঘ, শুয়োররা পছন্দ করে, এই বাঁশ জঙ্গল। এইসব জঙ্গলে হাতি নেই। কেন নেই, তা বলতে পারবে না ওরা, কিন্তু ছোটবেলা থেকেই দেখেছে যে, নেই। হর্‌জাই জঙ্গল, পাহাড়ের গায়ে গায়ে। জঙ্গল খুবই ঘন। নীচে নেমে গেলে শালই বেশি। আর মাঝে-মাঝেই প্রকাণ্ড সব ঘাসীমাঠ, যাদেরই কোনও একটার মধ্যে লুকিয়ে আছে ঠুঠার গ্রাম। গ্রাম, গ্রামের স্মৃতি।

    এই সমস্ত জঙ্গলই পাতা-ঝরা জঙ্গল। কোনওদিনও পাতা ঝরে না, এমন চির সবুজ জঙ্গল আছে বলেও শুনেছে ঠুঠা ও দেবী সিং, অনেক বিদিশি শিকারির কাছে। কত দেশের শিকারিই দেখল ওরা এ জীবনে। কত সাহেব, মেমসাহেব, কত হাসির, কত দুঃখের, মজার সব কাণ্ড কারখানা। ভাবতে বসলে, সময় উড়ে যায় কাপাস তুলোর মতো। তাই-ই ভাবে না। সে সব নিয়ে লিখতে পারলে, যদি তেমন লেখাপড়া জানত ওরা, তবে কত কীই না লিখতে পারত। মোটা-মোটা সব দুঃখ-হাসির বই।

    আজ থেকে পঞ্চাশ বছরেরও বেশি আগে, ইংরেজদের আমলে, পশ্চিমে বান্‌জার-এর উপত্যকা এবং পুবে হাঁলোর উপত্যকায় প্রথমে এই কান্‌হা পার্ক-এর পত্তন হয়েছিল। পরিষ্কার মনে আছে দেবী সিং-এর। মধ্যপ্রদেশ বলে কোনও জায়গাই ছিল না তখন। সি পি, সেন্ট্রাল প্রভিন্স। সাহেবরা বলত। সি পি টিক। সি পি টাইগার। সেগুন ও শাল দুই-ই যদিও বিখ্যাত, তবুও, সেগুনেরই নাম ছিল বেশি। বার্মার স্যালউইন নদীর উপত্যকায় নাকি সবচেয়ে ভাল সেগুন হত। কিন্তু ভারতবর্ষের সবচেয়ে ভাল সেগুন হত এই সেন্ট্রাল প্রভিন্স বা সি পি-তেই। সি পি ছাড়াও বার্মার সীমান্তে, মণিপুরেও ভাল সেগুন পাওয়া যেত।

    সান্‌জানা সাহেবের কাছেই এসব শুনেছিল দেবী সিং।

    এসব গল্প দেবী সিং-এর ছেলে বা নাতিকে করলে তারা ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকে। সে সব এক জগতের; অন্য সময়ের খবর। এরা জানবে কী করে? তাছাড়া, ওসব ব্যাপারে ওদের কোনও আগ্রহও নেই।

    ঠুঠা ভাবছিল, উনিশশো পঞ্চান্ন-ছাপান্ন সালে কান্‌হার ন্যাশনাল পার্কের পত্তন করলেন ফরেস্ট ডিপার্ট। ইন্ডিপিন্ডিরির পর। কিন্তু সেই পার্কে-র এলাকা ছিল বান্‌জার-এর উপত্যকার এ এলাকাই। তাই না?

    চুট্টার ছাই ঝেড়ে ঠুঠা শুধোল দেবী সিংকে।

    যতদূর মনে পড়ে, ঠিকই। তবে, ওই সময় বোধহয় এলাকা বাড়িয়েও ছিল একটু। মনে নেই? সেই যেবার কলকাতার গুহ সাহেব এসেছিলেন। ফারস্ট-ক্লাস একটা বাঘ মারলেন। নর্‌ বাঘ। সঙ্গে তাঁর বন্ধু এসেছিলেন জনসন সাব্‌। সেই যে মাদীন্ বাঘ মারলেন যিনি। কোন্ জনসন? সেই যে হে, দণ্ডকারণ্যর লেসলি জনসন সাহেব, আই সি এস-এর ছোট ভাই! কে, এই জনসন। কি হে ঠুঠা! ভুলেই গেলে? সাহেবরা ঘড়ি দিয়ে গেলেন দুটো আমাদের। যাওয়ার সময়। গুহ সাহেবের সেই বাঘটা নিয়ে গণ্ডগোল হল না কত?

    ও হ্যাঁ হ্যাঁ। এবার মনে পড়েছে। সেই জনসন সাব তো দিল্লীর রেভিন্যু বোর্ড-এর মেম্বার ছিলেন। তাই না? মনে আছে না? খুব আছে। আরে গণ্ডগোল বলে গণ্ডগোল। গুলি খেয়ে বাঘ গিয়ে সেঞ্চুরি-এরিয়ার মধ্যে ঢুকল। গুহসাহেব পায়ে হেঁটে বাঘকে ফলো করে মারলেন। তুমি আর আমি দুজনেই তো ছিলাম এক সঙ্গে। কি দেবী সিং? ঠিক বলছি তো নাকি?

    হ্যাঁ হ্যাঁ। সব মনে আছে। চোখ মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল ঠুঠার। হ্যাঁ। ফোরেস্ট-ডিপার্ট কেস করবে বলল। বলল, বাঘ মারা হয়েছে সেঞ্চুরীর ভিতরে।

    দ্যাখো মজা! বাইরে গুলি খাওয়া বাঘকে যদি সেঞ্চুরি এরিয়ার মধ্যে ছেড়ে দিতেন গুহসাহেব, তাহলে লাভটা কার হত?

    বাঘেরই হত! আর কার? জমিয়ে ফোরেস্ট-ডিপার্টের গার্ডদেরই খেত, মানুষখেকো হয়ে।

    ওরা দুজনে হাসল একসঙ্গে।

    হ্যাঁ তখন সেঞ্চুরীর এরিয়া বাড়িয়ে করল কত?

    ঠিক কত মনে নেই, বোধ হয় সাড়ে চারশ’ মতো হবে।

    সাড়ে চারশ’? কি মাইল?

    আরে ইস্‌কুয়ার। ইস্‌কুয়ার কিঃ মিঃ। তখন তো কিমিটিমি ছিল না। মাইল। ওরকমই হবে। কাছাকাছি।

    ঠুঠা বলল, হবে কিমি কিংবা মাইল তা যতখানি হোক। বাইশটা গ্রাম তো উচ্ছেদই করে দিল।

    ওই বাইশটা ছাড়া, আগে যেসব গ্রাম মহামারীতে উজোড় হয়েছিল সেগুলোকে খেয়েছিল জঙ্গল। আমার গ্রামটাও খেয়ে দিল। গ্রাম-খাকী! থুঃ!

    আওয়াজ করে থুথু ফেলল ঠুঠা বাইগা।

    এখন সেঞ্চুরীর এরিয়া কত?

    এখন? সবসুদ্ধু দু’ হাজার ইস্‌কুয়ার কি মি-র উপরই হবে। কম নয়। বাফার জোন-টোন নিয়ে। অবশ্য, বন এবং জানোয়ার বাড়াবার জন্যে অনেক কিছুই করছে কিন্তু এখন ফরেস্ট ডিপার্ট।

    তা করুক। কিন্তু এই শালা রেঞ্জার মহা টেঁটিয়া আছে। আমরা সব আদিবাসী। আমাদেরও শিকার একেবারে বন্ধ করে দিল। একদিন হয়ে যাবে ইসপার-উসপার।

    দেবে একদিন একঠে তীর ঠুকে, কোনও ছেলে-ছোকরা।

    হুঁ! ছেলে-ছোকরারা কি আমাদের মতো? আমাদের মতো হিম্মৎ নেই তাদের।

    তা যা বলেছো। হিম্মৎ নেই। গায়ে জোর নেই।

    চল, এবার যাওয়া যাক।

    কোনদিকে?

    চল, এই ঘাসবনের শেষে কী আছে দেখে আসি। যদি পাহাড়ের ওই মাথায় গিয়ে কিছু দেখতে পাও।

    এ তো মস্ত মাঠ। দেবী সিং। এর শেষই নেই।

    আছে। আছে। শেষ নেই এমন কিছু আছে নাকি পৃথিবীতে? সব কিছুরই শেষ আছে।

    শেষে পৌঁছেও যদি না দেখি? না দেখতে পাই?

    তবে আবারও দেখব। মানে, খুঁজব। খুঁজতেই যখন এসেছি।

    তারপর ঠুঠাকে প্রবোধ দেওয়ার গলায় বলল, তুমি বড় সহজেই নিরাশ হয়ে পড় ঠুঠা।

    যত সহজে ভাবছ, তত সহজে নয়।

    কি? করবেটা কী?

    আবার নতুন জায়গায় খুঁজব। তোমার গ্রাম বের করবই। আচ্ছা, তোমাদের গ্রামে, মঙ্গলা বলে কোনও মেয়ে ছিল? ভারী মিষ্টি মেয়ে।

    ছিল!

    উদাসীন গলায় বলল ঠুঠা।

    ছিল?

    বললাম তো হ্যাঁ। কেন? তুমি চিনতে?

    হুঁ।

    যাঃ শালা!

    কেন?

    আমারও ভাল লাগত ওকে। তা বিয়ে করল ইতোয়ার। দেখো দেবী সিং, দোস্তী আমাদের জবরদস্ত হওয়ার আরও একটা কারণ ঘটল বল?

    ঠিক।

    তাহলে, গ্রামটা বোধহয় পেয়েই যাব, কী বল?

    বান্‌জারী যাব বলেই তো আসা। আচ্ছা, তোমাদের বান্‌জারী গ্রামের সেই শিমুল গাছ দুটো ঠিক কেমন ছিল?

    দেবী সিং শুধোল।

    ওরে বাবাঃ। মস্ত শিমুল। অত বড় জোড়া শিমুল এ তল্লাটেই ছিল না। বাবার কাছে গল্প শুনেছি নাঙ্গা বাইগা আর নাঙ্গা বাইগীনের নামে আমার বাবার ঠাকুর্দা পুঁতেছিল শিমুল দুটো। বান্‌জারের পাশের এক বাইগা গ্রাম থেকে চারা তুলে এনে।

    নাঙ্গা বাইগা নাঙ্গা বাইগীনের নামেই যদি লাগাল, তো সাজা গাছ লাগাল না কেন? শাকুয়াও তো পারত লাগাতে?

    দেবী সিং শুধোল?

    কেন, তা কী করে জানব।

    চলল। এবার ওঠো। অনেকক্ষণ আরাম হয়েছে।

    ওরা দুজনে হাঁটতে লাগল, পৌষের রোদে, সোনালি ধু ধু ঘাসের বনে, সাতপুরা পর্বতশ্রেণীর মাথার উপরের এক অনামা মালভূমিতে। শীতের হাওয়া হু হু করে ঘাসে বিলি কেটে ওদের চুল এলোমেলো করে বয়ে আসছিল পশ্চিম থেকে, পাহাড়শ্রেণীর গায়ের শীতের দিনের রুখু, কিন্তু মিষ্টি গন্ধ বয়ে নিয়ে। সোঁ সোঁ করছে হাওয়াটা। হাওয়ার স্রোতের বিপরীতে, ওদের মাথা সামনে সামান্য ঝুঁকিয়ে, একটি হারিয়ে যাওয়া গ্রামের ইতিহাস পুনরাবিষ্কারের উদ্দেশ্যে জঙ্গল পাহাড়ের দুজন আদিম প্রাগৈতিহাসিক প্রাণী হেঁটে চলেছে। তাদের একজনের কাঁধে একটি দোনলা বন্দুক। অন্যজনেরও কাঁধে একটি এক নলা। গাদা। একটি করে সস্তা কাপড়ের থলে, তাতে দুটি কম্বল। কিছু চাল-ডাল, আলু, নুন। অনেকই সম্ভার।

    প্রকৃতি সব কিছুই দিয়েছিলেন মানুষকে, এবং অন্যান্য প্রাণীদের। অন্যদের সকলেরই কুলিয়েও গেল তাতে। কুলোল না একমাত্র মানুষেরই। বড় লোভী, মুর্খ জানোয়ার এ। সকলের জন্যেই সব ছিল। জংলি কুকুর ঢোলদের জন্যে বারাশিঙা, খরগোশ-এর জন্যে ঘাস, শেয়ালের জন্যে খরগোশ, হরিণের জন্যে আমলকি, চিতার জন্যে হরিণ, শম্বরের জন্যে বহেড়া, কুলথী, অড়হর, আর বাঘের জন্যে শম্বর।

    একটি বন্দুক আর একমুঠো চাল ডাল এবং একটি কম্বলেই স্বচ্ছন্দে হেসে, গেয়ে, নেচে, হয়তো চলে যেত দিন, সাধারণ মানুষের। এত দৌড়তে হতো না, টেনশান থাকত না, লোভ মানুষকে এমন করে গলায় দড়ি বাঁধা কুকুরের মতো টেনে নিয়ে যেত না ক্রমাগত তার অবধারিত মৃত্যুর দিকে। মানুষই সর্বনাশ করেছে মানুষের। মানুষের লোভ আর অতিমাত্রায় ঔৎসুক্য-ভরা মস্তিষ্কই তার সবচেয়ে বড় শত্রু। অথচ যে শত্রুর বাস তার বুকের ভিতর, তার মস্তিষ্কর ভিতরেই, তাকে সে চিরদিন খুঁজে বেড়িয়েছে বাইরে।

    ঠুঠা খুঁজছে ওর হারিয়ে-যাওয়া জঙ্গলের গ্রামকে। ঠুঠার অত সব গভীর ভাবনা ভাবার মতো মানসিকতা নেই। শিক্ষা নেই, বুদ্ধি নেই। যদি থাকত, তবে ও নিশ্চয়ই জানত যে ও একা নয়, জানত যে হাটচান্দ্রার সাহেবদের মতে, এ পৃথিবীর অসংখ্য পোকার মতো অগণ্য শিক্ষিত সর্বজ্ঞ মানুষদেরও একাধিক গ্রাম ছিল, যেখানে ছিল মানুষের আদিবাস; সেই সমস্ত আদিবাস শহরের মালটিস্টোরিড্‌ বাড়ি, টি-ভির অ্যানটেনা, কনস্যুমার গুডস-এর বিজ্ঞাপনের ভিড়ে হারিয়ে গেছে। যা-কিছু অনাবিল ছিল, সেই সমস্ত কিছু অনাবিলকে মানুষ তার নিজের হাতেই আবিল করেছে, লোভে, ঈর্ষায়, অন্য মানুষের প্রতি জীঘাংসায়। হয়তো, ঠুঠার গ্রামেরই মতো, আদিবাসটিকে এরা কেউই ইচ্ছে করলেও আর খুঁজে বের করতে পারবে না। অপ্রয়োজনের বিলাস, অকারণ প্রতিযোগিতা, অনভিপ্রেত ঈর্ষার ইথারে হারিয়ে গেছে, সেই সব সুন্দর সুখী গ্রামগুলি, দিনগুলি চিরতরে, যে সব গ্রামে, যে সব সুন্দর শান্তির, নূপুর-নিক্কণিত অবকাশে মানুষ নামক একদল জীবের স্থায়ী ভাবে এবং সুখে বাস করার কথা ছিল।

    তফাৎটা এই-ই।

    প্রাকৃত, ইংরিজি না-জানা “অশিক্ষি তো’ ঠুঠা তবু খোঁজ করে, তার আদিবাসের। উজোন বেয়ে যাবার মতো মানসিক জোর এই সামান্য মানুষটার তবুও আছে। সে পরশ পাথরের মতো তবুও খুঁজে ফেরে। খোঁজে না, বুদ্ধিমান শিক্ষিত মানুষেরা।

    ওরা দুজনে চলেছে। সারা দুপুরই প্রায় চলতে হবে ওদের ওই ঘাসী মালভূমিটুকু পেরুতে। কাঁধে-ঝোলানো দুটি বন্দুকের কালো নল উঁচু হয়ে আছে ওদের দুজনের মাথার উপরে। ওদের দুজনকে দূর থেকে দুটি আলাদা মানুষ বলে আর চেনা যাচ্ছে না। আসলে, বোধ হয় কোনও মানুষই আলাদা নয়।

    এখন ওরা আরও দূরে চলে গেছে, হাওয়ায় ঢেউ-খেলা ঘাসবনে। এতই দূরে যে, এখন মানুষ বলেও ওদের চেনা যাচ্ছে না। বন্দুকের নল দুটিকে মনে হচ্ছে, দুটি শিং। মনে হচ্ছে, অদ্ভুত দর্শন, দু’শিং এবং চার-পা-ওয়ালা কোনও এক বিদ্‌ঘুটে জানোয়ার এলোমেলো পা ফেলে হেঁটে চলেছে সাতপুরা পাহাড়শ্রেণীর মাথার উপর দিয়ে, আদিম গন্ধ-ভরা ঘাসে ঘাসে কোনও অজানা গন্তব্যের দিকে। তারা নিজেদের মধ্যে নিজেদের ভাষায় কথা বলতে বলতে যাচ্ছে, পাখিরই ভাষার মতো, বারাশিঙারই ভাষার মতো, তাদেরও এক ভাষা আছে। যদিও কথা বলছে ওরা, কিন্তু বড়হা দেব-এর ফুঁ-এর হু-হু হাওয়া ওদের সব কথা উড়িয়ে নিচ্ছে, কাপাস তুলোর মতো ছড়িয়ে দিচ্ছে ঘাস বনে। বনে বনে কানাকানি উঠছে। বড়হা দেব, কিছুটা ক্ষমা, কিছুটা স্নেহ, কিছুটা অনুকম্পার সঙ্গে চেয়ে আছেন তাঁরই সৃষ্টির এই আশ্চর্য, গোলমেলে দুটি দু-পেয়ে প্রাণীর দিকে।

    মালভূমির ঘাসী-প্রান্তর পেরোতে ওদের প্রায় দু ঘন্টা লাগল। এই দু’ঘণ্টার সমস্ত সময়ই এক ঝাঁক লাল আর হলুদ প্রজাপতি ওদের মাথার উপরে ঘুরে ঘুরে উড়তে উড়তে, কাঁপতে কাঁপতে গেল, যেন রাজার মাথায় ছাতা ধরে।

    প্রান্তরের শেষে পৌঁছে আবারও ওদের অবাক হবার পালা।

    একটা বড় পাথরের উপরে বসে পড়ল দুজন। যারা উলঙ্গাবস্থা থেকে জঙ্গলের মধ্যেই বড় হয়েছে তাদেরও অবাক করার মতো অনেক কিছু এখনও গোপন আছে বনের বুকের কোরকে। কী আশ্চর্য! ভোঁর ঘাসের এক আদিগন্ত মাঠ। লাল-সাদা ফুলে, বুড়ি বিকেলে সেই মাঠকে কোনও স্বপ্নের মাঠ বলে মনে হচ্ছে। বাঁয়ে, মাঠের সীমানা দিয়ে বয়ে গেছে বান্‌জার নদী। সাদা বালি এবং পাথরের রেখায়। এত উপর থেকে দূরের নদীকে মনে হচ্ছে একটি দুধ-রঙা অজগর সাপ, এঁকেবেঁকে চলে যাচ্ছে তার স্বপ্নের গুহার দিকে।

    দেবী সিং প্রথমে ঘোর কাটিয়ে উঠে কথা বলল।

    বলল, এই মাঠের মধ্যে কতগুলো গ্রাম ঘুমিয়ে আছে কে জানে?

    ঠুঠা কথা না বলে, চেয়ে ছিল নীচে।

    কোথায় গেল? শিমুল দুটো? কোথাও কোনও চিহ্ন নেই। নাঃ। এখানে ছিল না তাদের গ্রাম। গ্রামের কাছের নদীর চেহারাও ছিল অন্যরকম। নদীতে একটা মস্ত দহ ছিল উঁচু প্রপাতের নীচে। সাঁতার কাটত ওরা ছেলেবেলায়। হনসোকে একদিন আদর করেছিল চ্যাটালো গরম পাথরে শুইয়ে এক শীতের দুপুরে সেইখানে।

    কিংবা কে জানে? হয়তো এত দূর থেকে ওরই ঠিক ঠাহর হচ্ছে না।

    দেবী সিং বলল, কী বুঝছো হে, ঠুঠা?

    এত কাটাং আর ছোটা বাঁশ এল কোত্থেকে বলত? ঘাসী মাঠের ডানদিকে? পাহাড়ের পায়ের কাছে?

    স্বগতোক্তির মতো বলল ঠুঠা।

    আমার “বান্‌জারী” গ্রামের কাছে কোনওরকম বাঁশই ছিল না। বস্তির বড়দের যেতে হত তিন ক্রোশ পথ কাটাং বাঁশ আর ছোট বাঁশ কেটে আনতে ঘর তৈরি বা মেরামতের সময়।

    তবে?

    এ নয়।

    কী করবে?

    যাব।

    কোথায়?

    ওই মাঠে নামব।

    তারপর?

    মাঠ পেরোব।

    তারপর?

    শ্রাবণের ঘন কালো মেঘের মতো শালের বন পেরোব।

    তারপর?

    আরও অনেক বন, নদী, সাতপুরা, মাইকাল; সব পাহাড়, সব মাঠ।

    তারও পর যদি না পাও?

    পাব।

    মনে মনে নিরুচ্চারে বলল, পাবই!

    আমি মানুষের বাচ্চা। প্রকৃতি, এই বন, এই পাহাড় নদী এদের কারও কাছেই আমি হার মানব না দেবী সিং। তুমি শুধু আমাকে একটু সাহায্য কোরও। আমার হারানো গ্রামকে আমি খুঁজে বের করবই। যতদিন প্রকৃতির মধ্যে, প্রকৃতিরই এক জানোয়ার হয়ে বাস করেছিলাম ততদিন অন্য কথা ছিল। এখন বেরিয়েই যখন এসেছি, অন্য জাতের হয়ে গেছি, অন্য গ্রামে বাস করছে আমার জ্ঞাতি গোষ্ঠীরা, গা থেকে বনের গন্ধ মুছেই যখন গেছে, তখন আমি তো বেজাত সাহেব কোম্পানীর কর্মচারী, এখন আর ছাড়াছাড়ি নেই। প্রকৃতিকে ভাল করে আমিও শেখাব। শালী! আমার গ্রাম না দেবে তো আমিও ওঁকে দেখে নেব। সাইআম, উইক্কে, কুসরে, ধারয়া, মারাই, বড়াহ্‌দেব সব দেব-দেবীরই আমি মাথা ফাটিয়ে দেব পাথর মেরে, যদি-না এই কান্‌হার বন আমাকে আমার গ্রাম ফিরিয়ে দেয়।

    দেবী সিং ঠুঠা বাইগার মুখের দিকে একদৃষ্টে চেয়ে একটা চুট্টা বের করে মুখে দিতে যাচ্ছিল।

    ওর দিকে ফিরে ঠুঠা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। বলল, পাব। ঠিক পাব। দেখে নিও তুমি, দেবী সিং।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article ঋজুদা সমগ্ৰ ৫ – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }