Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প1301 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২১. মিস্টার দিগা পাঁড়ে

    ২১

    মিস্টার দিগা পাঁড়ে?

    এ যন্ত্রণার মধ্যেও পৃথুর হাসি পায়।

    ডাক। মেরী, ঘরেই ডাক।

    বলেই, ওর মনে পড়ে যায় যে হাইলি-রেসপেক্টেবল ভদ্রলোকের বাড়ি এটা। সরি, সাহেব-মেম-এর বাড়ি। দিগা পাঁড়ের মতো অসভ্য জংলি লোককে কোনওক্রমেই এ বাড়ির ভিতরে আসতে দেওয়া যায় না।

    পৃথু, তাড়াতাড়ি বলে ওঠে, না, না, ডেকো না, ভিতরে ডেকো না। বাইরেই চেয়ার পেতে দাও, আমিই যাচ্ছি।

    দিগা পাঁড়ে স্যুট পরে না, জুতো পরে না, ইংরিজি বলে না, পাইপ খায় না। না, না।

    মনে মনে বলে পৃথু।

    তারপর বলে, শোনো মেরী, প্লিজ! খাওয়ার আছে কি কিছু?

    নাঃ। কিছুই নেই।

    জানত পৃথু। সাহেব-মেমরা না-বলে কয়ে কেউ কারও বাড়ি আসে না, অসময়ে খায় না, এসব ঘাস্টলি ইণ্ডিয়ান হ্যাবিটস। যেই আসবে, তাকেই খেতে দিতে হবে এ আবার কী কথা?

    মেরী বলল, চিজ আছে স্যার। ডিমও আছে। ওমলেট বা চিজ টোস্ট করে দেব কি?

    ওহো! তাই তো! দিগা তো মাত্র একবেলা, একচড়াই খায়, তাও স্বপাক, যদিও জাত বিচার নেই ওর। ও তো এসব কিছুই খাবে না। মনে পড়ে গেল পৃথুর। বাঁচা গেল, লজ্জা থেকে।

    নাঃ। ওসবের দরকার নেই। শোনো মেরী! ভাল করে এক গ্লাস ফ্রেশ-লাইম বানিয়ে দাও।

    শীতকালটাকে অনেকই কারণে পৃথু ভালবাসে। তার মধ্যে অন্যতম প্রধান কারণ এই-ই যে দিনের বেলা তার কাছে, বাড়িতে কোনও মূর্খ ইল-ম্যানারড লোক না-বুঝে, না-জেনে চলে এলে বাইরের বাগানে বা লন-এ স্বচ্ছন্দে বসাতে পারে। পৃথুরও ইজ্জৎ থাকে আগন্তুকদের কাছে। বসতে পারে। রুষা এবং আগন্তুকেরও কাছে বে-ইজ্জৎ হতে হয় না।

    ফ্রেশ লাইম! সাহেবের জন্যে? এই সাহেবের জন্যে আনব স্যার?

    হ্যাঁ। সাহেবের জন্যে।

    উইথ ওয়াটার? অর সোডা স্যার?

    ওয়াটার।

    সুইট? অর সল্ট স্যার?

    সইট? সইট। উইথ প্লেন্টি অফ সুইটস। বেশি করে চিনি দিয়ে।

    আপনার ব্রেকফাস্ট তাহলে কী হবে স্যার? কুক তো রেডি করে ফেলেছে। আপনি কি ডাইনিং টেবলে আসবেন না স্যার?

    বাইরেই দাও।

    বাইরে যে কাক স্যার। মেমসাহেব বলেছেন, বাইরে কোনও খাবার ব্যাপারই নয়! কাক চামচ নিয়ে গেছিল।

    তবে? কী হবে?

    যাবার আগেই খেয়ে নিন। আমি বরং এখানেই নিয়ে আসছি।

    আমি খাব না।

    সে কি?

    হ্যাঁ। আমি খাব না।

    খাবার নষ্ট হলে মেমসাহেব যে বকবেন!

    দমবন্ধ লাগে পৃথুর। গলায় বকলেস বাঁধা কুকুরের মতো পরাধীন বলে মনে হয়! বুকের মধ্যে গভীর কষ্ট বোধ করে একরকম!

    নষ্ট কোরো না।

    কী করে স্যার?

    উঃ।

    মেরীর এই অদ্ভুত ন্যাগিং-সেবা অসহ্য লাগে মাঝে মাঝে।

    কী করে স্যার? ব্রেকফাস্ট নষ্ট, না-করব স্যার?

    আঃ! তোমরাই খেয়ে নাও। তুমিই খেয়ে নাও। দুখী আর তুমি!

    সে তো নষ্টই হবে।

    যা বলছি করো। আর কথায় কথায় স্যার স্যার কোরো না আমাকে। অনেকদিন বলেছি।

    পৃথু ভাবছিল মেরীকে বলে কীই বা লাভ? ভাবছিল, নষ্ট কিছুই হয় না আসলে আমার পেটে গেলে কাজে লাগত আর তোমাদের পেটে গেলে নষ্ট হবে?

    থ্যাঙ্ক উ্য!

    বলে, কিণ্ডারগার্টেনের মেয়ের মতো ভঙ্গি করল মেরী।

    পৃথু বাইরে বেরতে গেল।

    মেরী বলল, মালটিভিটামিনস ট্যাবলেট?

    দাও। জেলুসেল? খালি পেটে খাবেন?

    দাও। পান খেলেই দরকার হবে।

    নিয়ে আসছি স্যার। বাইরে। এক্ষুনি।

    আমার জন্যে শুধু এক কাপ চা দেবে। আর কিছুই না।

    ইয়েস স্যার।

    দিগা চেয়ারে না-বসে, ঘাসেরই উপর উবু হয়ে বসেছিল। কাছে যেতেই, পৃথু দেখল, তার চোখমুখ ফোলা। মনে হল, শরীরে প্রচণ্ড জ্বরও। ঠোঁটের কোণায় রক্ত শুকিয়ে আছে, মনে হল, ঘুমোয়ওনি অনেকদিন। মুখে এবং ডান হাতে কাটা দাগ। রক্ত শুকোয়নি সেখানেও।

    সংসারে কিছু লোকের মুখে এক আশ্চর্য সমর্পণ-তন্ময়তা থাকে। দিগার মুখটিও তেমন। কারও প্রতিই ওর কোনও অনুযোগ অভিযোগ নেই। একেবারেই নয়। নিজের প্রতিও নয়। কে বা কারা তাকে ধরে এমন করে মারল?

    পৃথু ডাকল, দিগা!

    কী!

    ব্যাপার কী?

    দিগা হাসল।

    তার শুকোনো-রক্ত ঠোঁটের সেই আশ্চর্য হাসিতে কৌতুক, এবং অশেষ ক্ষমা মাখানো ছিল।

    তোমাকে মারল কে? বনবিভাগের লোকেরা?

    না, পুলিশ। বালাঘাট থেকে এসেছিল। পুলিশ ছেড়ে দেবার পর আমাকে ধরে নিয়ে গেছিল ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের লোকেরা। জীপে করে এসেছিল। নিয়ে গিয়ে, জিজ্ঞাসাবাদ করল সুফকর এর বনবাংলোতে। অনেকই তো দূর। অফসর, সব জানল। আমাকে জিগগেস করে।

    কী জানল?

    কে শিকার করল বারাশিঙা? কেমন করে করল? ইত্যাদি।

    তুমি কী বললে?

    বললাম, আপনি, শামীম ভাই, ঠুঠা আমার কাছে এসেছিলেন পিকনিক করতে। এমন সময় ঢোলরা বারাশিঙাটাকে ছিঁড়তে ছিঁড়তে হাঁলো নদী পেরিয়ে তাড়িয়ে নিয়ে এল আমারই ডেরার সামনে। বলতে গেলে, ঢোলদের হাতের নৃশংস মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানোর জন্যেই এবং ওদের ভয়-পাইয়ে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাতেই গুলির আওয়াজ করার জন্যেই বন্দুক ছুঁড়েছিলেন শামীম ভাই।

    কী বললেন ফরেস্টার?

    প্রথমে বিশ্বাস করলেন না। গার্ডরাও নিয়ে গিয়ে মারল আমাকে। তারপর আবার ফিরিয়ে নিয়ে গেল ওঁর কাছে।

    উনি মুখে বললেন, খুবই ভাল কথা। কিন্তু, মৃত্যু মৃত্যুই। মৃত্যুর মধ্যে নৃশংস বা মধুর বলে কোনও ভাগাভাগি নেই। ঢোলদেরও সৃষ্টি করেছেন শ্রীরাম ভাগোয়ান, বারাশিঙাদেরও তিনিই করেছেন। ঢোলদের কাজই হচ্ছে দাপাদাপি করে বেরিয়ে, জঙ্গলের হরিণ, শম্বর, বারাশিঙা এবং অন্যসব জানোয়ারকে সারা জঙ্গলে সমানভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দেওয়া। জগতে, জঙ্গলে, যা-কিছুই ঘটে সবই আগেই ঠিক করা; সবকিছুরই মানে থাকে। এক অদৃশ্য হাতই সবকিছু পরিচালনা করেন।

    খুব ভাল লাগল অফসর-এর কথা শুনে। মনে হল, মানুষটা ভগবানকে আমার জানার চেয়েও অনেক গভীরভাবে জেনেছে। অথচ লোকটা খাকি-পোশাক পরা। বাইরের পোশাকটা কিছু নয়। আমার চেয়ে অনেকই বড় সাধক উনি। উনি যা করছেন, সেটা তাঁর পেটের অন্ন জোগাবারই জন্যে। সেটা কর্ম ওঁর কর্ম, ওঁর ধর্মকে নোংরা করতে পারেনি।

    এই অবধি বলে, দিগা একটু চুপ করে রইল। ওর চোখ দুটি উজ্জ্বল হয়ে উঠল। বলল, চমৎকার মানুষ অফসর সাব।

    চমৎকার! তা তো বুঝলাম, তাহলে তোমার এ দশা হল কী করে?

    এ দশা তো করেছে পুলিশ আর ফরেস্ট গার্ডরা।

    কেন?

    ওদের দারুণ গালাগালি খেতে হয়েছে অফসরদের কাছে এই বারাশিঙাটার ব্যাপার নিয়ে। তাই-ই ওদের রাগ আমার উপরে চাপাল। অন্যায় তো হয়েইছে। আমি অবশ্য রাম ভগোয়ানের কাছেই বেশি অপরাধী মনে করি নিজেকে। মানুষের আদালতে কে অপরাধী আর কে নয়, তা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। শামীম ভাই না মারলেই পারত।

    পৃথু বলল, তুমি মিথ্যা বললে, আমাদের বাঁচাতে? আশ্চর্য!

    দিগা হাসল। বলল, অন্যকে বাঁচাতে মিথ্যা বললে দোষ হয় না।

    ডাক্তার দেখিয়েছ?

    না। এই-ই তো এলাম সকালের বাস ধরে। কাল রাতে ওরা আমাকে বড় রাস্তায় নামিয়ে দিয়ে গেছিল। আসলে, আমার অসুবিধে হয়েছিল, আপনারা চলে আসার পর। দিনে রাতে শকুন আর শেয়ালদের চিৎকার, মাছির ভনভনানি আর দুর্গন্ধে রীতিমতো পাগল হবার অবস্থা। এখন শুধু কংকালটাই পড়ে আছে। রোদে শুকনো; পরিষ্কার। শিংটা আর চামড়াটা তো শামীমভাই নিয়েই এসেছিল। যেটুকু মাংস ছিল ছোট ছোট পাখিতে খেয়ে গেছে। এখনও রাতে কটাং কটাং করে হাড়-কামড়ে বেড়ায় কঙ্কালের। নানা নিশাচর জানোয়ারে।

    মেরী ফ্রেশ-লাইম এনে, দিগাকে দেখেই আঁতকে উঠল।

    গ্লাসটা নামিয়ে, ওকে দিয়ে, চা-টা পৃথুকে দিয়েই ইংরিজিতে বলল, স্যার! হুজ হি? মিঃ পাঁড়ে?

    দিগা পাঁড়ে। আমার বন্ধু।

    আপনার বন্ধু? স্যার? একসকিউজ মী স্যার? হি লুকস লাইক আ টেরীবল ড্যাকয়েট।

    “একসকিউজ মী” কথাটা মেরী এমন মিষ্টি করে বলে যে, শুনে মনে হয় কোনও তিনবছরের শিশুই বুঝি মিস-এর কাছে ‘ছোট-বাইরে’ করতে যাওয়ার জন্যে ছুটি চাইছে।

    পৃথু চা ও মালটিভিটামিনস এবং দিগা ফ্রেশ-লাইম খাওয়ার পর ওরা দুজনে বেরিয়ে পড়ল। মোড় থেকে পৃথু দুটো পান খেল। একশ-বিশ জর্দা। খায়, রিলিজসলি। তারপর রিলিজসলি এদেশীয় তাবৎ বাদামি সাহেবদের কল্পিত মুখগুলির উপর পিচিক করে পিক ফেলল। তারপর সাইকেল রিকশা নিল একটা। নিয়ে, ডাক্তারের কাছে গেল। কোম্পানির ডাক্তার নয়। ঝিংকুর কাছে। ঝিংকুর বড় ভাই টিংকুও ডাক্তার। সীওনীতে। ওদের বাবাও প্রাকটিস করেন মান্দলাতে।

    ঝিংকু ব্যাণ্ডেজ করে দিল হাতে, ওষুধপত্র দিয়ে। ইঞ্জেকশান নিল না কিছুতেই দিগা। বলল, সুঁই নেয় না ও। নেবেও না কোনওদিন।

    ঝিংকু হেসে বলল, আরে ভাই, যদি মরা বাঁচার প্রশ্ন ওঠে? যদি তোমার ধনুষ্টংকার হওয়ার ঝুঁকি থাকে? তাহলেও নেবে না?

    দিগা ছেলেমানুষ, বিজ্ঞান-বিশ্বাসী ঝিংকুর চোখে সোজা তাকিয়ে ওর বিশ্বাস দিয়ে ঝিংকুর চোখ দুটি বিদ্ধ করে বলল, আপনি কি চিরদিন বাঁচবেন ডাগদার সাব? মওত যখন আসবে, তখন কি সুঁই আটকে দেবে মওত? প্যায়দা যে হয়েছে, সে তার সঙ্গে করেই কপালে লিখে এনেছে মওত-এর জনমপতরী। তোমাদের দাওয়াই-এর প্যাকেটের উপর যেমন লেখা থাকে—মেনুফ্যাকচারিং ডেট, ইকসপায়ারিং ডেট—। ঠিক্কে না?

    ঝিংকু এইরকম জ্ঞানের কথা শুনে অভ্যস্ত নয়। চুপ মেরে গেল।

    ওর ফীস দিয়ে পৃথু বাইরে এসে দিগাকে নিয়ে একটা রিকশা করল। এখন যাবে সাবীর মিঞার বাড়ি। একটা মিটিং-এর দরকার। মিঞার বাড়ি আর দোকান একই সঙ্গে। সামনে দোকান। পিছনে বাড়ি। ক্যাশ বাক্সের সামনে সাবীরের বড় ছেলে ওয়াজ্জু বসে ছিল। চেহারা প্রায় বাবারই মতো, ছিপছিপে। পৃথুকে দেখেই সেলাম করে বলল, সেলাম সাহাব।

    আব্বা কাঁহা?

    আব্বা তো ভোপালমে।

    কব গ্যায়া?

    ইতোয়ারকা রোজ।

    লওটেঙ্গে কব্‌?

    কাল ইয়া পরশু। বলেই, বলল, আইয়ে, অন্দর আইয়ে, উতারিয়ে না রিকশাসে! চায়ে মাঙ্গাউ, পান মাঙ্গাউ? আপ্‌কা লায়েক উব কোঈ সেওয়া।

    পৃথু বলল, না, না। আমি যাচ্ছি। আব্বাকে বোলো, যেন, এসেই যোগাযোগ করেন।

    রিকশা ঘুরিয়ে ভুচুর গ্যারাজের দিকে যেতে বলল রিকশাওয়ালাকে।

    যখনই সাবীর মিঞার কাছে আসে, সাবীর আর তার ছেলেদের ব্যবহার পৃথুকে মুগ্ধ করে। এদের এই তমদ্‌দ্দুন আর এতলাখ শেখার মতো। পৃথুর বাবা বলতেন, বাঙালি ব্যবসা করবে কি? সুন্দর করে হাত-জোড় করে নমস্কার পর্যন্ত করতে শেখেনি।

    কথাটা বোধহয় আংশিক সত্য। ব্যবসা, ভাল ব্যবহার এবং সততা দিয়েই গড়ে ওঠে।

    ভুচু গ্যারাজেই ছিল। দিগাকে দেখে তাড়াতাড়ি একটা ঢাউস ডজ কিংসওয়ে গাড়ির পাশে চেয়ার পেতে বসতে দিল ওদের। তীক্ষ্ণ চোখে একবার দিগার শারীরিক অবস্থাটা বুঝে নেবার চেষ্টা করল। তারপর বলল, দু মিনিটে আসছি। এক ঝাঞ্ঝাটিয়া খদ্দেরকে বিদায় করেই।

    শীতের রোদে ভুচুর গ্যারাজের টিনের চাল গরম হয়ে ছিল। তার নীচে বসে বেশ লাগছিল পৃথুর। নানারকম আওয়াজ আসছিল কানে। মিশ্র শব্দ সব অর্কেস্ট্রার মতো। মার্ডগার্ড পেটানোর একটানা ছন্দোবদ্ধ আওয়াজ, লেদ মেসিনের আওয়াজ, রঙ চাঁচবার চ্যাঁ-চ্যোঁ আওয়াজ। একপাশে একটা ফিয়াট গাড়ির এঞ্জিন টিউন করছে ভুচুর অ্যাসিস্ট্যান্ট নাগবেকার। অন্যপাশে একটা মাহীন্দ্র জীপে জাওয়ালা হর্ন ফিট হচ্ছে। তীক্ষ্ণ এবং ভোঁতা, উদারা মুদারা তারার মিশ্র আওয়াজ। কিন্তু ভাল করে কান পাতলে বোঝা যাবে এই বিভিন্নতার মধ্যেও একটা ছন্দ আছে। বিভিন্ন স্কেল মিলে মিশে গেছে যেন। আসলে, মিলে ঠিক যায়নি, সি শার্প-এ বাঁধা আছে গরিষ্ঠ আওয়াজগুলি। তানপুরার আওয়াজের মতো এই আওয়াজেও গলা মিলিয়ে নিয়ে রেওয়াজ করা যায়।

    আহা! গান বাজনার কথা মনে হলেই মন খারাপ হয়ে যায় পৃথুর।

    দিগা বসেছিল প্রসন্ন মুখে। ওর শরীরের বৈকল্য ওর মুখে বা মনে এসে পৌঁছয়নি। সাধক হলে, বোধহয় এরকমই হয়।

    ভুচু ফিরে এল একটু পরেই। দিগাকে শুধোল, খবর কওন দিয়া? লাল্লু?

    দিগা বলল, জানি না। লাল্লুর কাছ থেকেও জানতে পারে। কিন্তু ওর দোষ কী? মিথ্যে তো বলেনি। মিথ্যে বলবেই বা কেন?

    মিথ্যে বলবে নাই-বা কেন? পাঁচ কে জি মতো মাংস আর এক কেজি কলিজা নিয়ে ভাগল সেদিন সুরতহারাম! প্রয়োজনে একটা মিথ্যে না বলতে পারলে, সে মাংস হজমই বা হবে কেন? দেখাচ্ছি শালাকে। শামীমকে বলব ওকে ফিট করে দেবে।

    দিগা হাত তুলে বলল, না, না, ছিঃ ছিঃ এ কী কথা! এমন কোরো না। বেচারি। দোষ কী ওর?

    তোমারও তো কোনওই দোষ নেই পাঁড়েজি। না শিকারে ছিলে; না মাংস খেলে। তবে? মারটা তোমাকে খেতে হল কেন? ইয়ে জামানাতে দোষ যার নেই সেই-ই মার খায়। ওই-ই নিয়ম এখন।

    সেটা কপালের লিখন। দ্যাখো ভুচুবাবু, “জগ ভল ভলেহি, পোচ কহুঁ পোচু”

    মানে?

    মানে হচ্ছে, এই সংসার ভালর কাছে ভাল; মন্দের কাছে মন্দ। তাছাড়া “পরপীড়া সম নহিঁ অধমাঈ” পরকে কষ্ট দেওয়ার মতো নীচতা আর কিছুই নেই। যা হয়েছে, তা হয়েছে। লাল্লু দোষ করেনি কোনও। তোমাদের চোখে যদি তা দোষ হয়ও, তাহলেও ওকে কষ্ট দিয়ো না।

    ভুচু পৃথুকে সিগারেট এগিয়ে দিতে দিতে বলল, সেকথা আমরা বুঝব পাঁড়েজি! তোমার জ্ঞান তোমার থাকুক। আমাকে জ্ঞান দিও না।

    পৃথু বলল, দিগাকে পৌঁছে দেওয়ার বন্দোবস্ত করতে হয় ভুচু।

    নিশ্চয়ই। জীপটা নিয়ে তুমিই পৌঁছে দিয়ে এসো পৃথুদা। আমি তো ফেঁসে আছি। আর কেউই নেই এখন যাকে জীপ দিয়ে পাঠাতে পারি। তুমি জানো, “যিসকি বাঁদরী ওহি নাচায়” এই প্রবচনে বিশ্বাস করি আমি। তোমার কথা আলাদা। আমার গাড়ির স্টীয়ারিং-এ তুমি ছাড়া আর কাউকেই হাত ছোঁয়াতে দিই না আমি। আমাকে একটু বিল-টিল নিয়ে বসতে হবে। অর্জুন দাস সোলাঙ্কিদের অনেকগুলো টাকা বাকি। শালারা ইন্টারেস্ট বাঁচিয়েই তা থেকে বিল দেয়। আসলে হাতই পড়ে না। এতদিন বাদে পেমেন্ট দেয়। এমন হারামি পার্টি আর দুটি নেই আমার। টাকাওয়ালারা ভাবে সারা জীবন মাল না ছেড়ে কেবল বাণ্ডিল দেখিয়েই কাজ হাসিল করবে।

    পৃথু বলল, চলি, তাহলে। দাও, জীপের চাবি দাও।

    আরে দাঁড়াও। তোমার জন্যে পান আনতে দিয়েছি। পান না খেয়ে কোথায় যাবে? শামীমের ভাষায় দো পান কমসে কম। থোরা সা জর্দা কমসে কম। এই হুদা, পান কে আনতে গেল? সব শালা সুরতহারাম। জীপটা বের কর। ঝেড়ে পুছে দে। দ্যাখ, তেল আছে কি নেই। না থাকলে, আগরওয়ালের পাম্প থেকে বিশ লিটার তেল ভরে নিয়ে আয় জলদি। এই নে, স্লিপ নিয়ে যা।

    গাড়িটা কাল পাঠিয়েছিল ভুচু? রুষা? অজাইব সিংকে দিয়ে? বলছিল, কী একটা আওয়াজ হচ্ছে গাড়িতে?

    পৃথু বলল।

    হ্যাঁ! হ্যাঁ! নিয়ে এসেছিল। দেখেও দিয়েছি।

    জীপে তেল ছিল। আগরওয়ালের পাম্পে যেতে হল না আর হুদার। পানও এসে গেল। দিগাকে নিয়ে জীপে উঠল পৃথু। স্টীয়ারিং-এ বসল। স্টার্ট করল জীপটা পানের পিক ফেলে।

    পৃথুর মা বলতেন, খোকন, জর্দা খেলে কখনও প্রথম পিক গিলবি না, ফেলে দিবি। পৃথু মায়ের এই কথাটি মেনে চলে। তাতে, বুকের মধ্যে ধকধকানি একটু কম লাগে।

    ভুচু হঠাৎই দিগার পাশে উঠে পড়ে বলল, চলো তো একটু পৃথুদা। আমিও যাই।

    কোথায়? বাঁ দিকে চলো।

    সে কি? যাবার ছিল তো ডানদিকে। বাজারে গিয়ে কী হবে?

    আরে! চলোই না।

    বিরক্ত গলায় বলল ভুচু।

    জীপটাকে ফারস্ট গীয়ারে গড়িয়েই সেকেণ্ড-এ ফেলে দিল পৃথু। টপ-এ ফেলতেও সময় লাগল না।

    বাজারে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই ভুচু বলল, দাঁড়াও, দাঁড়াও। বাঁয়ে লাগিয়ে দাও। ব্রেক করে দাঁড় করাল পৃথু জীপটাকে।

    থামতেই, ভুচু নেমে সামনের দোকানে ঢুকে গেল। বড় একটা মুদির দোকান। ভেডুয়ার দোকান। ভেড়ুয়া মাঝি।

    পৃথু আবার পানের পিক ফেলল পথের ধুলোয়।

    বানোয়ারীলাল এসে দাঁড়াল পাশে। সাইকেল থেকে নেমে বলল, খাল-খরিয়াৎ সব ঠিক্কে না হ্যায়?

    সব ঠিক্কে।

    পান-ভরা মুখে বলল পৃথু।

    আপকি কোঈ রিস্তেদার আয়ে হুয়ে হ্যায় ক্যা রায়নামে?

    জী হাঁ।

    হঠাৎ মনে পড়ে যাওয়ায় বলল পৃথু। ভাঁটুবাবু কা বারেমে?

    জী হাঁ। আপকি আপনা সাড়ুভাই?

    একটু বিস্ময় ও সন্দেহের সঙ্গে জিজ্ঞেস করল বানোয়ারীলাল।

    পৃথু পান-ভরা মুখে দুদিকে মাথা নেড়ে বলল, সমঝে না, বানোয়ারীলালজি! ভায়রাভাই, ভগ্নীপতি, যা কিছুই বলতে পারেন। রক্তর আত্মীয়তা নেই।

    হেসে বলল, এহি না বাত! আভভি সমঝা!

    কী সমঝালেন বানোয়ারীলালজি তা অবশ্য বোঝা গেল না।

    ভুচু ফিরে এল। সঙ্গে একটি ছেলে। তার হাতে পোঁটলা-পুঁটলি।

    কী এসব?

    পৃথু শুধোল।

    আরে, দিগার জন্যে।

    দিগা বলল, এত্ব! এ তো আমার সারা বছর লাগবে শেষ করতে।

    ওর গলাটা একটু নাকি-নাকি শোনাল। নাকের চোটটা বেশ বেশিই হয়েছে বোধহয়।

    বে-ফিক্কর রহো পাঁড়েজি। এ তো পৃথুদা আর আমরা মিলে খিচুড়ি খেয়েই উড়িয়ে দেব। এখন এই-ই রইল। কাল লাড়ুয়ার হাট থেকে সবজিও কিনে পাঠিয়ে দেব তোকে। আলু, চালের সঙ্গে আছে। আলাদা করে নিয়ো।

    না। আর কিছুই পাঠাবে না কাল। কোনও সবজিরই দরকার নেই।

    ভুচুকে ফিরে গিয়ে গ্যারাজে নামিয়ে দিয়ে জীপ ছোটাল পৃথু। পাঁচ মিনিটের মধ্যে হাটচান্দ্রা ছাড়িয়ে ফাঁকায় এসে পড়ল। জঙ্গলে।

    জীপের স্টিয়ারিং-এ বসলেই পৃথু যেন তার প্রথম যৌবনে ফিরে যায়। জীপ-এর এঞ্জিন ওর সঙ্গে কথা বলে। জঙ্গলের মধ্যে, বহুদূর থেকে আওয়াজ শুনেই ও বলে দিতে পারে, কী জীপ সেটা; পেট্রল না ডিজেল, মিলিটারি ডিসপোজালের অ্যামেরিকান জীপ, না মাহিন্দ্রর না দোঙ্গা! এবং কোন গিয়ারে সেটা চলছে। জীপের এঞ্জিনের আওয়াজকে জঙ্গলেরই অনুষঙ্গ বলে মনে হয়। সভ্য মানুষের ইতিহাসে আগুন আবিষ্কার যেমন এক ঘটনার মত ঘটনা, পৃথুর মতো জঙ্গলের মানুষদের ইতিহাসেও জীপ আবিষ্কারও তেমনই এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। বনে জঙ্গলে যাদেরই যাতায়াত আছে, তারা সকলেই এ-কথা মেনে নেবেন বোধহয়।

    পিচ রাস্তা ছেড়ে দিল ও। ডাইনে ঢুকল হাঁলো নদীর পাশে পাশের পায়ে চলা পথের মতো পথে। শেষ সকালের বনের গন্ধে নাক ভরে গেল পৃথুর। নদীর পাশে পাশে শুখরা আর ছররা ঘাসের বন। হলুদ পাতায় কাঁটা। লালচে ফুল ফুটেছে তাতে। ঘাসের মাঠের পরই অনেকগুলো বড় বড় জামুন গাছ আছে। এদিকের জঙ্গলে বেশিই ধাওয়া (গঁদ), হাররা, বহেড়া, কসসী আর কুহমি গাছের হরজাই জঙ্গল। নদীর মধ্যে জায়গায় জায়গায় গাংগারিয়া ফুলের ঝাড়। প্রজাপতি উড়ছে। কাঁচপোকা উড়ছে। শীতের মিষ্টি রোদদুরে তিরতির করে কাঁপছে তাদের পাখা। রোদ ঠিকরে যাচ্ছে।

    এবার সেকেণ্ড গীয়ারে যেতে হচ্ছে। রাস্তা বলতে তো কিছু নেই। জীপ বা মোটর সাইকেলের পক্ষেই যাওয়া সম্ভব। মোটর সাইকেলে গেলে, তাও নেমে পড়তে হয় বিশেষ বিশেষ জায়গা পেরতে। জীপের চারটি চাকার মাধ্যমে পৃথু যেন বনপথকে তার নিজের শরীর দিয়েই ছুঁয়ে যাচ্ছে। টায়ারের নীচে ঝরা ফুল বা খড়কুটো দলে গেলেই ওর মনে হচ্ছে নিজের পায়েই যেন মাড়িয়ে গেল তা।

    জীপটাকে দাঁড় করাল। পান খাবে বলে। ড্যাশবোর্ড থেকে ভুচুর দেওয়া শালপাতার সোনার মোড়ক থেকে পান বের করে মুখে দিল। জর্দা ফেলল মুখে। সামনেই মস্ত একটা হররা গাছ। এত উঁচু যে, ঘাড় পেছনে হেঁটে হেঁট করে তাকাতে হয়। এই হররার ফল বাঁদররা খুব শখ করে খায়। মানুষও খায়। হজমি হিসেবে। কাশির ওষুধ হিসেবেও খায়। কালো কালো দেখতে থাকে ফলগুলো প্রথমে। পরে সবুজ হয়ে ওঠে। এ দিয়ে আদিবাসীরা তাদের বাড়ি-ঘর রঙ করার জন্যে একরকম রঙও তৈরি করে। হালকা হলুদ রঙ হয়।

    হঠাৎ দিগা বলল, তুমি যেগুলো দিলে, সব-দাঁবাইয়াই কি খেতে হবে?

    নিশ্চয়ই।

    দিগা হাসল। বলল, জঙ্গলে অনেকইরকম ওষুধ আছে। আমি জড়ি-বুটি করে দু-তিনদিনের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাব পিরথুবাবু। চিন্তা কোরো না।

    পৃথু রেগে বলল, খাবেই না যখন ওষুধ, তখন অত হাঙ্গামা করালে কেন?

    হাঙ্গামা করে, তুমি আনন্দ পেলে, তাই আপত্তি করিনি।

    হাসি-হাসি মুখে দিগা বলল।

    তারপর বলল, কারও আনন্দেই বাধা দিতে নেই। তোমার বিবেক আমার জন্যে তোমাকে ভাবতে বলল। তোমরা আমাকে ভালবাসো যে, তাও আমি বুঝি। ওষুধ চাই না, ওষুধ খাব না বলে ওখানেই তোমাদের সঙ্গে মারামারির দরকার মনে করিনি। তোমাদের মনের খুশির দাম, নিশ্চয়ই এই কটি ওষুধের দাম এর চেয়ে বেশি? তাই না?

    কিছুই না বলে, পৃথু স্টীয়ারিং-এ হাত ছুঁইয়ে অ্যাকসিলারেটরে ডান পায়ের পাতা রাখল আলতো করে।

    দিগা আবার বলল, এবার দেখছি, একদিন তোমাদের সঙ্গে ঝগড়াই করতে হবে। তোমরা যে রোজ আমাকে এত এত ভিক্ষা দাও, থলে ভর্তি চাল ডাল আলু; এ সব আমার পছন্দ হচ্ছে না। জান, পিরথুবাবু, মাধুকরী করে খাওয়া আর ভিক্ষা করে খাওয়ার মধ্যে অনেক তফাৎ আছে।

    পৃথু চকিতে একবার দিগার মুখ চেয়েই, চুপ করে জীপ চালাতে লাগল।

    তফাৎটা যদি তোমরা নিজেরা না বোঝ, তাহলে আমি তোমাদের বোঝাতে পারি এমন সাধ্য কি আমার আছে? ভিক্ষা আর মাধুকরী এক জিনিস নয়। আমাকে ভিখিরি ভেবো না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article ঋজুদা সমগ্ৰ ৫ – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }