Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প1301 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২২. মেয়ে তো আর কম দেখলাম না

    ২২

    মেয়ে তো আর কম দেখলাম না। ও সব মেয়েকে আমার বুঝতে বাকি নেই।

    রুষা বলল।

    কার কথা বলছ?

    পৃথু কলম থামিয়ে মুখ ঘুরিয়ে বলল।

    কার কথা আবার! তোমার প্রেমিকার কথা। এই নাও চিঠি। ডাক-বাক্সের মধ্যে একটা বিচ্ছিরি টিকটিকির সঙ্গে জড়াজড়ি করে ছিল।

    চিঠিটি ছুঁড়ে দিল রুষা। পৃথুর প্রায় মুখেরই উপর।

    পৃথু ব্যথিত চোখে চেয়ে বলল, এ কী! খুলল কে?

    আমি।

    সার্জেন্ট মেজরের মতো বলল রুষা।

    পরের চিঠি খোলা অভদ্রতা!

    তুমি আমার পর নও! দ্বিতীয়ত…

    কী? দ্বিতীয়ত কী?

    তা আমি বলব না। প্রেম না ছাই! বিয়ে করেছে একটা অপোগণ্ড গুড ফর নাথিং-কে। এখন তোমার টাকা পয়সার উপর লোভ। তুমি কি মনে করো, কুর্চি তোমাকে ভালবাসে? ও সব দেখানো ভালবাসা। কিছু শাড়ি গয়না বাগিয়ে নেওয়ার মতলব! কোনদিন কোম্পানির শেয়ার-টেয়ারও লিখিয়ে নেবে তোমাকে দিয়ে। মেয়েদের তুমি কতটুকু চেনো? খবর্দার বলে দিলাম। আমার একটা সম্মান আছে। এই ধরনের ক্যারাক্টারলেস মেয়ের সঙ্গে, স্পেশ্যাল স্ট্যাটাসহীনের সঙ্গে হরদম যদি হবনব করো তো আমি ডিভোর্স চাইব। তোমার কোন গুণটা আছে বলতে পারো? কোথায় কেরিয়ারিস্ট হবে, তাড়াতাড়ি ডিরেক্টর হবার চেষ্টা করবে, তা না নিজের কাজ নষ্ট করে কবিতা লেখা নিয়ে পড়ে থাকো। কবি সাহিত্যিকরাও আজকাল কেরিয়ারিস্ট, তাঁরাও নিজেদের বৈষয়িক ভালটা কিছু কম বোঝেন না। তুমিই যেন একমাত্র কবি এসেছ, আর্টিস্ট এসেছ ভ্যান গো! হাসি পায়। তোমাকে পরিষ্কার বলে রাখছি কবি-সাহিত্যিক হওয়ার ধান্দা তোমার ছাড়তে হবে। আমি একজন ফরেন কোয়ালিফায়েড এঞ্জিনীয়ারকে বিয়ে করেছিলাম, ভোলে-ভালা কবিকে নয়। এনাফ ইজ এনাফ। তাছাড়া, সংসারের কোন কাজে তুমি লাগো! আমি, এই একা মানুষটা, ছেলেমেয়ে, নিজের সংসারের যাবতীয় দায়দায়িত্ব নিয়ে হিমসিম খেয়ে যাই চব্বিশ ঘণ্টা আর তুমি? বসে বসে প্রেম কর। আনথিংকেবল। ফাউডালিটি ছাড়া, আর কোনও গুণই ছিলও না অবশিষ্ট। এখন দেখছি, সেটাও গেছে। সেখানেই তো সব টাকা ঢেলে আসছ। তোমাকে আর দেবে কী? এই কটা টাকাতে আমি সংসার চালাতে পারব না বলে দিচ্ছি। এভাবে মানুষ বাঁচতে পারে? কোনও মানুষ এভাবে বাঁচে না। বিয়ে করেছিলে কেন তুমি? কী রাইট ছিল তোমার, আমার জীবনটা এমন ভাবে নষ্ট করবার? আমার বাবা, সারেঙ্গী বাজিয়ে আর বড়লোকের মোসাহেবি করে ফ্যামিলি মেইনটেইন করতেন না, কুর্চির বাবার মতো। কুর্চি! রিয়্যালী! কী টেস্ট হতে পারে এক একজন মানুষের।

    ভাবনার বাইরে।

    রুষা!

    থমথম করে উঠল পৃথুর গলা।

    মনে হল, বাঘ ডেকে উঠল জঙ্গলের মধ্যে, সন্ধের মুখে।

    থমকে গেল রুষা।

    পৃথুর এমন গলা বেশি শোনেনি রুষা।

    পৃথু বলল, কুর্চির বাবা নিমুকাকা সম্বন্ধে তুমি কিছুই জানো না। স্যুট না পরলে, ইংরিজিতে পণ্ডিত না হলে কি সিভিল সার্ভিসের অফিসার না হলেই মানুষ কিছু অমানুষ হয়ে যান না। তোমার কথাবার্তা তোমার বংশ পরিচয়ের আদৌ যোগ্য নয় রুষা। ভবিষ্যতে কখনও এমনভাবে কথা বোলো না কারও সম্বন্ধেই। অন্যকে সম্মান দিও; তবে নিজেও সম্মান পাবে।

    সম্মান কী করে পেতে হয়, তা তোমার কাছে শিখব না আমি!

    শুধু আমার কাছে কেন? সকলের কাছেই সকলের শেখার আছে। শেখার কি শেষ আছে রুষা? মৃত্যুর দিন অবধি মানুষ শেখে, অবশ্য শিখতে যে চায়। অন্য প্রত্যেক মানুষের কাছেই তার কিছু না কিছু শেখার আছে। বড় ছোট, গরিব বড়লোক, শিক্ষিত অশিক্ষিত।

    তোমার বক্তৃতা শোনার সময় আমার নেই। আমি চললাম। দাঁড়াও। আমার চিঠি, কোনও চিঠিই ভবিষ্যতে তুমি খুলো না। শিক্ষিত মানুষমাত্ররই কিছু ব্যক্তিগত ব্যাপার থাকেই। সেই ব্যক্তিসত্তা তার নিজের। নিজেরই একার। সেখানে তার স্ত্রী, স্বামী, ছেলে মেয়ে, অফিসের বস কারওই প্রবেশাধিকার নেই। এটা গোপনীয়তার ব্যাপার নয় রুষা, এটা আধুনিক মানুষের বেঁচে থাকার একটি অত্যন্ত জরুরি শর্ত। তোমার ব্যক্তিসত্তা তোমার, আমারটা আমার। আমার ব্যক্তিগত জগতে তোমার প্রবেশাধিকার নেই কোনও।

    বড় বড় বাংলা বোলো না। আমি বাংলা ভাল বুঝি না। তবে যা বললে, তা পুরোপুরিই রেসিপ্রোকাল সবসময়ই কথাটা মনে রেখো। উ কান্ট হ্যাভ দ্যা কেক এণ্ড ঈট ইট টু…। আরও একটা কথা। উ্যু মাস্টজেটিসান কুর্চি। শী ডাজনট বিলঙ টু আওয়ার ক্রীড আওয়ার কালচার, আওয়ার ক্লাস। শী ইজ আ নন-এনটিটি। আর তার বর! মাই গুডনেস। কোনও দিক দিয়েই কুর্চি তোমার যোগ্য নয়। তুমি মিসেস চ্যাটার্জির সঙ্গে কি আমার স্কুলের চুমকির সঙ্গে অথবা মহিলা সমিতির রাণি বা শান্তার সঙ্গে প্রেম করলেও আমার কিছুই বলার ছিল না। অফ ওল পার্সনস; কুর্চি!

    পৃথু, এক টিপ নস্যি নিল মাথা পরিষ্কার করতে। হয়তো রুষাকে রাগাতেও।

    সেদিন নীলিমাদি জিগগেস করছিলেন ক্লাবে, বাই এনী চান্স রায়নাতে যে ভাঁটু এবং কুর্চি বলে একটি কাপল এসেছে তারা কি মিঃ ঘোষের রিলেশান? আমিই এড়িয়ে গেছিলাম। বলেছিলাম, সকলেই ওয়েলপ্লেসড বা ফেমাস লোকের রিলেশানস বলে নিজেকে দাবি করেন। উ্যু নো। বুঝতেই পারেন!

    নীলিমাদি হেসেছিলেন।

    বলেছিলেন তা যা বলেছ ভাই! তোমার সামুদা এতবড় কোম্পানির নাম্বার টু বলেই হেঁদিপেঁচি সকলেই তার কাজিন বলে ক্লেইম করে। বরিশালে বাড়ি হলেই হয়ে গেল। ওল বরিশালিয়াজ ক্লেইম টু বী হিজ কাজিনস।

    পৃথু বলল, আমি সামান্য লোক। সামুদার মতো বড় চাকরি করি না, অত বড় কম্পানিতে তো নয়ই। ওঁর সঙ্গে আমার কোনওদিক দিয়েই তুলনা হয় না।

    কথা ঘুরিও না। একটা উদাহরণ দিলাম। প্লীজ পৃথু। প্লীজ! লেন্ড. মী ইওর ইয়ারস। এ ব্যাপারে আমি স্টাবর্ন। এবং স্টাবর্ন থাকব। এসব ইন্ডিয়াটিক সিলী ব্যাপার আমি স্ট্যান্ড করব না। তোমাকে পরিষ্কার বলে দিচ্ছি। আমার কথা যদি না শোনো, তাহলে উ্য হ্যাভ টু রিপেন্ট ফর দ্যা কনসীকোয়েন্সেস।

    ওক্কে। থ্যাঙ্ক উ্য।

    পৃথুর মুখ দিয়েও হঠাৎ ইংরিজি বেরিয়ে গেল। সঙ্গগুণে কত কীই-ই ঘটে, কত অবিশ্বাস্য উন্নতি।

    রুষা চলে গেলে অনেকক্ষণ পৃথু চেয়ারে গা এলিয়ে বসে রইল। পৃথু ভাবছিল, এই জন্যেই এদেশের কিছু হল না। হবে না। সব ব্যাপারে জাতপাত। স্ট্যাটাস। ক্লাস-কনশাসনেস। এমনকী ভালবাসার ব্যাপারেও। ভাবা যায় না!

    বেচারি কুর্চি! কনভেন্ট-এ পড়াশুনো করেনি। বাবা বড়লোক ছিলেন না। অতএব সে একটি মানুষই নয়। রুষার অ্যাপ্রুভড স্ট্যাটাসের অন্য যে-কোনও মহিলার সঙ্গে পৃথুর কোনও মিষ্টি সম্পর্ক থাকলে, সেটা রুষা সহ্য করত। কিন্তু কুর্চির সঙ্গে সম্পর্ক। নো। নেভার। ভাবাই যায় না।

    কান দুটি গরমে ঝাঁ ঝাঁ করছিল পৃথুর। কুর্চির পাঠানো খামটি খুলেই নিরস্ত হয়নি রুষা। চিঠিটি পর্যন্ত ছিঁড়ে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিছুটা ছিঁড়েওছিল। পরে হয়তো কী মনে হওয়াতে, এনে দিয়েছিল।

    পৃথুদা,

    আজ ভাঁটু জবলপুর গেছে সকালে। এখানে বুধবার একাই আছি। দাঈ যদিও আছে, কিন্তু আমার ভয় করে। আপনি এলে, বেশ আমাকে পাহারা দিতে পারতেন।

    এইটুকু পড়েই পৃথুর মনে হল, বাঃ। কুর্চি তো বেশ লিখেছে!

    কুর্চিকে পাহারা সে নিশ্চয়ই দিত কিন্তু পৃথুকে পাহারা দিত কে? ভয় কি শুধু চোর-ডাকাত-আর জংলি জানোয়ারকেই? মানুষের নিজের মনের মধ্যে শরীরের মধ্যে যেসব ভয়াবহ জন্তু-জানোয়ার চোর-ডাকাত বাস করে তাদের হাত নিজেকে পাহারা দেওয়া যে কত কঠিন কাজ তা কি কুর্চি জানে?

    আবার মনোনিবেশ করল চিঠিতে।

    “সাড়ে সাতটাতেই খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়লাম। আজ বায়গনভাত্তা করেছিলাম, পেঁয়াজকুঁচি কাঁচালঙ্কা টম্যাটো ধনেপাতা দিয়ে। ঠিক আপনি যেরকম পছন্দ করেন। খেতে বসে আপনার কথা খুবই মনে পড়ছিল।

    তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ার কারণও ছিল। কানহা ন্যাশনাল পার্কএ জন্তু জানোয়ার অনেক বেড়ে যাওয়ায় এদিকে সন্ধের পর নানা জানোয়ারই চলে আসে। বুনোশুয়োর, ভালুক, খরগোশ, হরিণ এসব তো অনেকই; মাঝে মাঝে ফেউ-এর ডাকও শুনি।

    গত সপ্তাহে তো এক কাণ্ডই ঘটে গেল! বিকেলে চা খেয়ে বাড়ির পেছনের সবজি বাগানে গেছি সালগম আর লেটুস গাছেদের তদারকি করতে। হঠাৎই অদ্ভুত ডাক শুনে চমকে চেয়ে দেখি একদল ঢোল জঙ্গল থেকে একটি হরিণকে ধাওয়া করে নিয়ে যাচ্ছে মুখে, চাপা, সংক্ষিপ্ত, কিন্তু উত্তেজিত সম্মেলক ডাক ডাকতে ডাকতে। আমাদের বাড়ির পেছনের টাঁড়ে ঝাঁটিজঙ্গল এবং অনেকই নালা আছে। খোয়াই। আপনি হয়তো লক্ষ করে থাকবেন। হরিণটা একটি নালার মধ্যে মুখ থুবড়ে পড়ে গেল হঠাৎই হোঁচট খেয়ে। অথবা কী জানি, এক লাফে পেরোতে পারল না বোধহয়। এবং সঙ্গে সঙ্গে ঢোলগুলো এসে পড়ল তার উপরে।

    কী বলব পৃথুদা পনেরো মিনিটের মধ্যে হরিণটাকে নিশ্চিহ্ন করে খেয়ে চলে গেল ওরা আবারও জঙ্গলে। টাঁড়, খোয়াই এবং ঝাঁটিজঙ্গল পেরিয়ে, পড়ে থাকল শুধু হরিণের শিংটা। ওদের চোখে শুধু খিদেই ছিল না বীভৎসতাও ছিল; প্রতিহিংসার আগুন, বেহড়ের ডাকাতদের চোখে যেসব থাকে।

    দেখে, গা গোলাতে লাগল আমার। তাও তো হরিণটা পুরুষ, তাই-ই তার কিছু স্মৃতি রয়ে গেল। পড়ে-থাকা শিং-এর মধ্যে। মেয়ে হরিণ হলে তার কিছু মাত্রই অবশিষ্ট থাকত না। এদেশে মেয়ে জাতীয়রা খাদ্য হলে, উচ্ছিষ্ট হয়ে থাকার গ্লানি থেকে তারা মুক্ত হয়। তাদের মৃত্যুতে কোনও ফাঁক-ফোকর থাকে না। এইটুকুই আনন্দ।

    এ তো জঙ্গলের কথা। জঙ্গলের ঘটনা। মানুষের জঙ্গলেও এমন কত ঘটছে রোজই। তা দেখার চোখ কজনেরই বা আছে বলুন?

    আজ বোধহয় অমাবস্যা। বাইরের ঘন অন্ধকার এবং দাঈয়ের কোমরের বাতের ব্যথা বাড়ার কারণে আজ যে অবশ্যই সে বিষয়ে নিশ্চিতই হচ্ছি একরকম। শোওয়ার ঘরে খাটে শুয়ে আপনাকে চিঠি লিখছি। খাওয়ার পর বাতি নিবিয়ে দিয়ে বারান্দায় গিয়ে একটু দাঁড়িয়েছিলাম। আকাশ ভরা তারা। জ্বলজ্বল করছে। হেমন্তের আকাশে।

    কতদিন আপনার সঙ্গে জঙ্গলে যাই না, না? বারে বারেই মনে হয়, সেই বহু-উচ্চারিত তবু-না-পুরনো রবীন্দ্রনাথের গানটি।

    আমাদের গেছে যে দিন একেবারেই কি গেছে, কিছুই কি নেই বাকি?

    তারপরই মনে হয়, রাতের সব তারাই আছে দিনের আলোর গভীরে।

    বানিয়ে বলিনি কিন্তু। আছেই যে, তা আমার মতো সত্যি করে আর কেউই জানে না।

    পৃথুদা, মনে পড়ে, একদিন আপনিই বলেছিলেন যে, আপনি অগ্নিদেবের মতো একা। তাঁর পরিবার পরিজন কেউই নেই।

    তা শুনে আমি বলেছিলাম মোটেই নয়। আপনি চন্দ্র। যার সাতাশ জন পরমাসুন্দরী স্ত্রী। আপনি হেসেছিলেন শুনে। বলেছিলেন, চন্দ্রদেব খুবই রূপবান। শুধুমাত্র এই কারণেই আমি চন্দ্ৰত্বর পরীক্ষাতে ডিসকোয়ালিফায়েড।

    অগ্নিদেবের কথা আপনি বলেছিলেন। অগ্নিদেব একা একা আকাশে ঘুরে বেড়াতেন। নিজের মনে। এমনিই ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎই একদিন সপ্তর্ষির সাত স্ত্রীকে দেখতে পেলেন। রূপের ছটায় জ্বলজ্বল করছিলেন তাঁরা। তিনি তাঁদের পেতে ইচ্ছা করলেন। এবং সেইমতো প্রস্তাবও পাঠালেন। তাঁদের কাছে। কিন্তু প্রত্যাখ্যাত হলেন। এই অপমানে অগ্নিদেব গভীর জঙ্গলে বসে ধ্যান করতে লাগলেন। লজ্জায় তিনি প্রাণ ত্যাগ করতে চাইলেন। তখন দক্ষ কন্যা স্বাহা অগ্নিদেবের মতো দেবতার এমন কাণ্ড দেখে বড় দুঃখ পেয়ে নিজের রূপ পরিবর্তন করে অঙ্গিরার স্ত্রী শিবার রূপ ধারণ করে অগ্নিদেবের সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। অগ্নিদেব স্বাহাকে গ্রহণ করলেন এবং স্বাহাই হয়ে গেলেন অগ্নিদেবের স্ত্রী।

    কিন্তু আকাশের স্বর্গের অগ্নিদেবও তো পুরুষ এই ধরাধামের পুরুষদেরই মতো! একই নারীতে চিরজীবন আসক্ত থাকা বোধহয় পুরুষের ধর্ম নয়। মানুষ, পিশাচ, দেবতা, যাইই সে হোক না কেন পুরুষ হলেই বোধহয় এ নিয়ম খাটে!

    স্বাহা থাকতেও সপ্তর্ষির সপ্ত স্ত্রীদের পাবার ইচ্ছা অগ্নিদেবের গেল না। স্বাহা বেচারি পড়লেন অন্তর্দ্বন্দ্বে। একবার অঙ্গিরার স্ত্রী শিবার রূপ গ্রহণ করে শিবাকে, অগ্নিদেবকেও এবং নিজেকেও মিথ্যাচারের শিকার করেছেন তাইই আবারও ঋষিদের স্ত্রীদের রূপ ধরতে তাঁর আর ইচ্ছে গেল না। স্বাহা, অন্য অনেক মানুষীরই মতো ভাবলেন, পাখি হয়ে এই অনল-বনের বাইরে উড়ে গিয়ে শান্ত হবেন। শুধু ভাবাই নয়। যেহেতু তিনি মানুষী নন, সেইহেতু তা করতেও পারলেন। পাখি হয়ে উড়ে এক পাহাড়ের চূড়োতে গিয়ে আশ্রয় নিলেন।

    কিন্তু হলে কী হয়। জাতে তো নারীই! অগ্নিদেব নিজের একমাত্র স্ত্রী, যাঁকে ইচ্ছেমতো কাছে পাওয়া যেত, যার উপর সবরকম দাবিদাওয়া আদর-অত্যাচার চলত, তাঁকে কাছে না পেয়ে দিশাহারা হয়ে উঠলেন। বউ-পালানো যে-কোনও পুরুষ মানুষেরই মতো। পাহাড় চূড়ো ছেড়ে উড়ে এলেন স্বাহা। আগে তো তিনি শিবার রূপ ধরেইছিলেন এখন সপ্তর্ষির ছয় ঋষির স্ত্রীদের রূপ ধরে অগ্নিদেবকে নিত্যনতুন নারী হয়ে সন্তুষ্ট করতে লাগলেন। কিন্তু পারলেন না শুধু তেজবান বশিষ্ঠর তেজবতী স্ত্রী অরুন্ধতীর রূপ ধরতে। সাহসে কুলোল না। আমার যেমন কখনও সাহসে কুলোবে না রুষা বৌদির রূপ ধরতে, আপনি যদি কোনওদিন অগ্নিদেব হয়ে এই স্বাহার কাছে আসেনও। থুরি এই স্বাহা যদি কখনও…

    এদিকে স্বাহা গর্ভবতী হলেন। একটি পুত্রর জন্ম দিলেন। অদ্ভুতদর্শন হল ছেলেটি। ছেলেটিকে কিন্তু তিনি অগ্নিদেবের কাছে রাখলেন না। যে সন্তান, ছলার মধ্যে দিয়ে আসে তাকে হয়তো কোনও নারীর পক্ষেই তার সহবাসের পুরুষের কাছে রাখতে ভয় হয়। পুরুষমাত্রই বাঘের মতো। নিজ ঔরসজাত শিশুকে ছিন্নভিন্ন করতে তাদের বিন্দুমাত্রও বাজে না।

    দেখুন কী লিখতে বসে কত কীই লিখে ফেললাম। অপ্রাসঙ্গিক। বাচালতা। হচ্ছিল, তারা দেখার কথা! যেখান থেকে কত কথায়ই এসে গেলাম।

    হেমন্তের নির্মেঘ উজ্জ্বল কালো আকাশে চেয়ে সেই গানটির কথা মনে পড়ে গেল পৃথুদা। আমার গলায় যে গানটি শুনতে খুব ভালবাসতেন আপনি। “হিমের রাতে ঐ গগনের দীপগুলিরে হেমন্তিকা করল গোপন আঁচল ঘিরে।…

    দেবতারা আজ আছে চেয়ে, জাগো ধরার ছেলে মেয়ে, আলোয় জাগাও যামিনীরে। এল আঁধার দিন ফুরালো, দীপালিকায় জ্বালাও আলো, জ্বালাও আলো আপন আলো জয় করো তামসীর”।

    পৃথুদা, অল্পবয়সের অনেক বিশ্বাস, আশা এবং কল্পনায় ভরপুর হয়ে যখন এই গান গাইতাম তখন মনে হত খুব সহজ বুঝি। আলো জ্বালিয়ে তামসীকে দূর করা খুবই সহজ। এখন বুঝি, কত কঠিন। কী সীমিত আমার ক্ষমতা, কী ক্ষুদ্র আমার এই মুঠি; মুঠির জোর। আমার হাতে যে জোনাকির আলোটুকুও নেই।

    ভাবলেও খারাপ লাগে বড়।

    ঘুম এল না বলেই চিঠি লিখতে বসেছিলাম। কিছুতেই ঘুম আসছিল না। কত কথাই যে মনে আসে এলোমেলো। জানি না, ভগবানের কী ইচ্ছা! বেশ তো ছিলাম দূরে গিয়ে। কেন যে আবার আপনার এত কাছে ফিরে এলাম। কী যে হবে আমার! ভাবলেও, ভয় করে।

    অনেক বড় হয়ে গেল চিঠি। তার দোষ আপনার। চিঠি লেখা আপনার কাছ থেকেই শেখা। তখন বুঝতাম না, এখন বুঝি, আপনার কথা। আপনি বলতেন, চিঠির মধ্যে দিয়ে আমরা একে অন্যকে এত আগল-হীন, স্পষ্ট, এবং কাছাকাছি করে পেতে পারি যে, তেমন করে মুখের কথাতে কখনওই পাই না।

    যার পাওয়া, শুধু মুখের কথা অথবা চিঠিতেই সীমাবদ্ধ থাকে সারাজীবন তার কাছে অবশ্য চিঠিই ভাল। স্বাহারা চিরদিন স্বাহাই থাকে পৃথুদা। অন্য নারীর রূপ ধরে ছলনা করে অন্য নারীর সঙ্গে সঙ্গমেচ্ছু পুরুষের সঙ্গে সহবাস করে। এবং তার সন্তানকে নির্বাসন দেয় পাহাড়ে জঙ্গলে। স্বাহার আনন্দ বলতে মাঝে মাঝে পাখি হয়ে বনে বা পাহাড়চূড়োয় উড়ে যাওয়া। তাও, তা আকাশপথের স্বাহারাই পারে একমাত্র। মর্তর স্বাহাদের ওড়াউড়ি, পাখি হয়ে পালিয়ে যাওয়া শুধু মনে মনেই।

    বাইরে টি-টি পাখি ডাকছে ঝাঁকি দিয়ে দিয়ে। খুব জোরে জোরে। ঘুরে ঘুরে। কোনও জানোয়ার দেখেছে কি? খোলা জানালা দিয়ে হেমন্তর বনের আর আকাশের আর তারাদের আর পাখিদের গন্ধ ভেসে আসছে। বড় শান্ত মন-খারাপ করা গন্ধ এ। হেমন্তর হিমের রাতের অন্ধকারের অ্যানোডাইজ-করা জড়ি-মোড়া জরায়ুর গন্ধ এ।

    এখন কী করছেন পৃথুদা? এখন রাত দশটা। আমি যখনই একা থাকি তখনই আপনার কথা ভাবি। আপনি কি কখনও আমার কথা ভাবেন? একবারও? খুব জানতে ইচ্ছে করে।

    টেলিপ্যাথি বলে কি সত্যিই কিছু আছে? আছে কি নেই এরপর যেদিন দেখা হবে তখনই বুঝতে পারব। সুখে থাকবেন সবসময়।

    —ইতি আপনার কুর্চি।

    —চিঠিটা পড়া শেষ করে অনেকক্ষণ জানালা দিয়ে বাইরে চেয়ে থাকল পৃথু। পৃথু ভাবছিল, স্বাহা তাহলে আসলে শিবা নয়। অঙ্গিরার স্ত্রী শিবা আসলে জানেই না যে, স্বাহা তাকে…।

    আশ্চর্য! এই সব কথা একদিন ও নিজেই নাকি বলেছিল কুর্চিকে! ওইই ভুলে গেছে। কিন্তু কুর্চি মনে করে রেখেছে।

    বড় বেশি মনে রাখে মেয়েটা। মনে রাখার মতো পাপ, মূর্খামি এ সংসারের আর দুটি নেই। যে ভুলতে না পারে, তার মৃত্যু অবধারিত!

    দুখী এসে বলল, খনা লগা দিয়া সাহাব!

    হঠাৎ দুখী! মেরী কোথায়?

    ভাবল পৃথু।

    বলেও ফেলল দুখীকে।

    দুখী বলল, ঘর চলা গ্যয়া।

    ঘর? কাহে?

    কাল সুব্বে রায়না যায়েগী মেরী বহিন।

    রায়না? কাহে?

    মেমসাব এক খাত ভেজিন মেরী বহিন সে। মেমসাবকা কোঈ রিস্তেদার হ্যায় না হুঁয়া? উও মোটে বাবু, ভাঁটুবাবু। আয়া থা না উসদিন? উনহিকা পাস।

    শংকিত হল পৃথু মনে মনে। কোন নিউক্লিয়ার বোমা পাঠাল রুষা কে জানে? বেচারি কুর্চি।

    আইয়ে সাব।

    দুখী আবার বলল।

    ক্যা খনা বনায়া লছমার সিংনে আজ?

    অ্যাসপারাগাস স্যুপ। ফ্রায়েড চিকেন। স্যালাড ঔর সুফলে।

    ধুসসস…স…।

    স্বগতোক্তি করল পৃথু।

    ক্যা সাব? আপ নারাজ হ্যায়?

    আমি খাব না রে। মেমসাহেবকে বলে দিস।

    কাহে সাব?

    কী জ্বালা! এও দেখি, মেরীরই ভাই।

    পালা। পালা। যা! বলছি, পালা।

    দুখী চলে গেলে, দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়ল পৃথু।

    আজ রাতে হাতে-গড়া গরম গরম পাতলা মুচমুচে রুটি, তার সঙ্গে কুর্চি যেমন করে বানায় তেমন করে বানানো বায়গনভাত্তা। সঙ্গে আঁওলার আচার আর ক্ষীরার রাইতা। বেশ হত তা হলে।

    আলো নিবিয়ে শুয়ে পড়ল ও। রাতের দ্বিতীয় প্রহরেই।

    জানালা দিয়ে আকাশে চেয়ে ছিল পৃথু। খানা-কামরা থেকে স্যুপ-প্লেটে স্যুপ-স্পুনের ঠোকাঠুকির আওয়াজ আসছে তখন। একটি শিক্ষিত, উচ্চবিত্ত, নিয়মবদ্ধ, সুধন্য সাহেবি পরিবার ডাইনিং-টেবলে বসে। ন্যাপ্‌কিন সাজানো, যেখানে যেটি থাকার কথা। মাছ এবং মাংস খাওয়ার আলাদা আলাদা ফর্ক। কোথাওই কোনও অমিল নেই। নেই ছন্দপতন।

    তার ছেলে এবং মেয়ে নিখুঁত টেবলম্যানার্স-এর পরাকাষ্ঠার সঙ্গে মায়ের সঙ্গে ডিনারে বসেছে।

    জানালা দিয়ে হেমন্তর উজ্জ্বল তারাভরা স্নিগ্ধ কালো আকাশ দেখা যায়। পেঁচারা ঝগড়া করে পিছনের টাঁড়ের উপরে উড়ে উড়ে। ঘুরে ঘুরে। কিম্ভুতকিমাকার বেসুরে। কিঁচি-কিঁচি-কিঁচর কিঁচি-কিঁচির র্‌…

    কোথাও প্রেম নেই, কারওই নেই। বড়ই ঝগড়া চারদিকে। ভাল লাগে না পৃথুর। পৃথু বড়ই কাঙাল একটু ভালবাসার, আদর যত্নর; তাইই বোধহয় ওর জীবনে এমনটি হল।

    ওর খুবই ইচ্ছে হয় এমন অন্ধকারে উদ্বেল আকাশে পাখি হয়ে উড়ে যায়। তারপর আঁশটে-গন্ধ ডানায় তারাকুচি মেখে, শিশিরে এবং ভিজে ধুলোর গন্ধ মেখে পৌঁছে যায় সেই পাহাড়চূড়োয়, যেখানে অন্য এক নরম সাধের পাখি, সুখের পাখি দুখের পাখি হয়ে স্বাহা উড়ে আসবে। অন্ধকারের মধ্যে, অন্ধকারতর একটি কালো বিন্দুর মতো।

    ঘর অন্ধকার। বাইরে অন্ধকার। আকাশে অন্ধকার। সব অন্ধকার। মানুষ-মানুষীর যা-কিছু সুন্দর অনুভূতি, পাওয়া, যা কিছু আশ্লেষে চাওয়া সব তো অন্ধকারেই! ভাল খুবই ভাল তুমি! কালো, নরম, তারাকুচি আর শিশির-ধোওয়া হেমন্তর এই হিমেল অন্ধকার! তুমি আলোর চেয়েও ভাল গো! হতভাগা, এই সংসারের সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত পৃথুর না-বওয়া চোখের জল তারাদের গায়ে বিন্দু বিন্দু আলো হয়ে স্পন্দিত হতে থাকে। হতে থাকবে সারা রাত। দেবতারা সব আছে চেয়ে। গাছেরা, পাহাড়েরা, নদীরাও সব চেয়ে থাকে। পৃথু তো ওদের মধ্যেই বেঁচে আছে, বেঁচে থাকবে একটা অসভ্য অশিক্ষিত জঙ্গুলে মানুষ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article ঋজুদা সমগ্ৰ ৫ – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }