Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প1301 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৩. শীতটা এবার বেশ জাঁকিয়ে পড়বে

    ২৩

    শীতটা এবার বেশ জাঁকিয়ে পড়বে মনে হচ্ছে।

    কার্তিকের শেষ। আজ লীট্টি খেয়েছিল ঠুঠা রাতে। বেগুনভাত্তা দিয়ে। পালামৌ থেকে দারোয়ান মুনাব্বর সিং-এর রিস্তেদার এসেছে। সে জাতে ছত্তিশগড়িয়া হলে কী হয়, পালামৌতে এক বাঁশের ঠিকাদারের কাছে কাজ করেছে বহুদিন হল। তাই ছাতুর লীট্টি, মাখ্‌নী ইত্যাদি নানারকম বিহারী খাবার রাঁধতে শিখে এসেছে। ছাতুর লীট্টির মধ্যে আবার গরম গাওয়া ঘি ঢেলে দিতে হয়। জবজব করে।

    খেয়েছে তো জমিয়েই, কিন্তু ছোকরাদের পেট আর ঠুঠার পেট! পেট একেবারে পাথরের মতো ভারী হয়ে রয়েছে।

    আজ ওর অফডে, রাতে ডিউটি নেই। থাকলে, তাও হাঁটাহাঁটি করে হজম করার সুবিধে হত।

    খাওয়াদাওয়ার পর একটা চুট্‌টা টেনে কোয়ার্টারে এসে শুয়েছিল। ওর কোয়ার্টারে ও একাই থাকে। ঘরটা বেশ বড়ই। কুয়োতলাও কাছেই। মস্ত আমগাছ আছে একটা প্রায় মাথার উপরে, ছাতা ধরে। ঝাঁকড়া গাছ, যদিও আমের স্বাদটা একেবারেই ভাল নয়। গরমের সময় দুঃসাহসী ভাল্লুক কম্পাউন্ডের পেছনদিকের কাঁটাতারের বেড়া টপকে আম খেতে চলেও আসে কখনও কখনও। কর্তৃপক্ষ, ভালুকের চেয়ে মানুষকে বেশি ভয় পান বলেই মানুষ যেদিক দিয়ে ঢুকতে পারে সেদিকটাতে উঁচু দেওয়াল দেওয়া আছে। জঙ্গলের দিকে শুধুই কাঁটাতারের বেড়া। গরমের রাতে খুব সাবধানে ডিউটি করতে হয়। ভাল্লুকের সঙ্গে কুস্তি লড়তে কোনও লোকই চায় না। ভাল্লুক, জঙ্গলের লোকের সবচেয়ে বড় অমঙ্গল। বিনা কারণে, খামোখা যার তার সঙ্গে কুস্তি-লড়তে-চাওয়া এমন জানোয়ার জঙ্গল-পাহাড়ে নেই-ই বলা চলে। গরমের দিনে, আরও থাকে সাপ।

    ঠুঠা বাইগা, পৃথুর পেয়ারের লোক বলে, প্রত্যেক দারোয়ান, ঝাড়ুদার, নাইট ওয়াচম্যান ড্রাইভার সবাই-ই ওকে একটু সমীহ করে চলে। ঠুঠাকে সমীহ করা, পৃথুকে ভয় পাওয়ার কারণে নয়। পৃথুকে কেউই ভয় পায় না। সংসারে যে মানুষের ক্ষতি করার ক্ষমতা নেই তাকে কেউই ভয় করে না আজকাল। ক্ষতি করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যে মানুষ ক্ষতি করে না কারও, তাকে “মানুষ” বলেই পাত্তা দেয় না কেউ। পৃথু বা “পাগলা ঘোষাকে” কেউই ভারী অফসর বলে মনেই করে না। ও বরং ওদেরই একজন কেউ। ভয়-ভক্তি করে না, কিন্তু একরকমের ভালবাসা বাসে, সে ভালবাসার রকমটা ঠিক কী, তা ব্যাখ্যা করা যায় না। আপন এবং পরকে ভালবাসার মাঝামাঝি এক রকম অনুভূতি সেটা। প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসা খারাপবাসার মাঝামাঝি কোনও বাসা।

    গেটের কম্পাউন্ডের চারদিকের মার্কারী ভেপার ল্যাম্পগুলো জ্বলছিল নীল স্বপ্নের মতো, শীতের রাতে ঘন সবুজ জঙ্গল আর নীল কুয়াশার কাঁথা জড়িয়ে নিয়ে গায়ে। আলো এসে পড়েছিল ঠুঠার আলো-নেবানো ঘরের একটিমাত্র কপাট-খোলা জানালা দিয়ে। হাঁপানির মতো এক উপসর্গ দেখা দেয় ওর শীতকালে। প্রতি বছরই। এসব ছিল না যতদিন খামারে-জঙ্গলে থাকত। কিন্তু এই কারখানায় থাকতে থাকতেই আরম্ভ হয়েছে এ সব। পৌষ এবং মাঘেই শুধু সব জানালা বনধ করে ঘুমোয় ঠুঠা। অঘ্রান মাস অবধি এই একটি জানালা খোলাই থাকে, সারা রাত। না-থাকলে, দম বন্ধ লাগে। বুকে হাঁপ ধরে।

    অফ-ডিউটির রাত ছাড়া অবশ্য ঘুমোবার সুযোগই পায় না ও বিশেষ। রাতে জেগে থাকে, দিনে ঘুমোয়। পুবে আলো ফুটলেই ওর কাজ শেষ। শীতে, গ্রীষ্মে, বর্ষায়, কুয়োর পাড়ে দাঁড়িয়ে লাটাখাম্বা নামিয়ে দিয়ে বড় বাল্টি করে জল তুলে ঝপাং-ঝপাং করে চান করে। নিজে হাতে দুটি রুটি আর তরকারি বানিয়ে খায়। চা কোনওদিন খায়, কোনওদিন বা খায় না। তারপর শীতকাল হলে আমগাছের ছায়ার বৃত্তের বাইরের রোদে চৌপাই টেনে এনে শোয়।

    রোদের দিকে বন্ধ চোখে তাকালে রামধনু দেখে, ছোটবেলায় নর্মদার উপরে যেমন দেখত বর্ষার দিনে। টিকেরিয়া আর মান্দলার মধ্যের নমর্দাতে। গরমকালে, পুরনো আমের ছায়ার একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে চৌপাইটি লাগিয়ে, শুয়ে পড়ে ভোরের মিষ্টি হাওয়ায়। গরমের ভোরের হাওয়াকে খুব ভালবাসে ঠুঠা। তখন বান্‌জার-এর তীরের গভীর জঙ্গলের মধ্যে “বান্‌জারী”র কথা মনে পড়ে যায় ওর।

    জীবনটা একেবারেই অন্যরকম হয়ে গেল। ভাল লাগে না। আবারও কয়েকদিনের জন্যে হঠাৎ ভেগে পড়ার সময় হয়েছে। কেটে পড়ার। মুক্কিতে দেখা হওয়ার পর দেবী সিং বলেছিল, আসবে হাটচান্দ্রাতে। কিন্তু আসেনি। আসবে কী করে? ও সান্‌জানা সাহেবের ডেরায় থাকে এখন। আর, মুন্‌জীটোলি বস্তিতে ওর পরিবার থাকে। ছেলের এবং মেয়ের ঘরের নাতি-পুতিসমেত মস্ত সংসার তার। জলকাদাতে লেপ্টে, থেবড়েবসা বেদের মতোই অবস্থা ওর। ঠুঠার মতো স্বাধীন, ওর জানাশোনা মানুষদের মধ্যে একজনও আর নেই। ওর নানারকম কষ্টের মধ্যেও ও যে স্বাধীন এ কথাটা মনে করে ওর খুব আনন্দ হয়। দুঃখের মধ্যে একমাত্র দুঃখ “বান্‌জারী” হারাবার দুঃখ। গ্রামটাকেই যদি খুঁজে বের করতে না পারে, যদি আবার না গিয়ে দাঁড়াতে পারে ওর জন্মভূমিতে, ওর ছেলেবেলায় খেলার দিনের ছায়া-রোদ্দুরে, তবে বেঁচে থেকে লাভ কি? মরার আগে তার শিকড়কেই শুধু খুঁজে বের করবে না ঠুঠা, শিকড় উপড়ে ফেলবে বুনো শুয়োরের মতো দাঁত দিয়ে, নরম সুগন্ধি মাটি ফালা-ফালা করবে, তার জন্মস্থানের গন্ধ নেবে নাক ভরে। জন্ম দেবে নিজেকে নিজেই; নতুন করে। রামখিলাওন দুবের মতো ও-ও দ্বিজ হবে।

    তারপর মরলেও সুখ!

    যার শেকড় নেই; তার কিছুই নেই। শীতে-ফোটা গন্ধালা ফুলেরও শেকড় থাকে। যদিও তারা বহতা বান্‌জারা নদীর পাথর-ভরা চিল-ছিপা জায়গাগুলোর মধ্যে মধ্যে মৃদুস্রোতা অথবা প্রায়-থির জলেই ফুটে থাকে। গন্ধালারদেরও শেকড় আছে, এমনই হল যে তারই শুধু নেই। তা হবে না। খুঁজে সে বের করবেই।

    পেট, প্রচণ্ডই গরম হয়েছে। ছাতুর লীট্টি খেয়ে আঁই-ঢাঁই করছে শরীর। লীট্টি খাওয়ার আগে ভাঙও খেয়েছিল। ভাঙ-এর সরবৎ। হাটচান্দ্রার ওরা তো খায়ই, বিহার উত্তরপ্রদেশের মানুষরাও খুবই খায়। এই কারখানাতে এসেই, এসব দোষ হয়েছে ওর। নিজে নিজের মতো না থাকতে পারলে থাকার কোনও মানেই নেই। সে থাকা না থাকা সমান। পাঁচরকম মানুষের সঙ্গে মিশতে নেই; ঠুঠার ঠুঠাত্ব একেবারেই নষ্ট হয়ে গেল জঙ্গল ছেড়ে এসে। জঙ্গল, জঙ্গলই; জংলি মাত্রই জানে। তার কোনও বিকল্প নেই। জংলির আসল জায়গা জঙ্গলেই।

    ঘুম আসছে না কিছুতেই।

    নানা কথা, ছোটবেলার কথা, নানা গন্ধ, বাঘের গায়ের গন্ধ, নানা শব্দ, অমাবস্যার রাতের হুতোম পেঁচার ডাকের শব্দ ঘন বনের গভীর রাতের দূরের শটগানের চকিত গম্ভীর শব্দেরই মতো তার চেতনাতে ফিরে ফিরে আসছে। অবচেতনও, বর্ষাকালের কান্‌হার জঙ্গলের গভীর শালবনের নীচে নীচে ফোটা অজস্র কুকুরমুত্তা ব্যাঙের ছাতার মতোই ভরে যাচ্ছে, মাথার এক এক কুঠরীতে দশটি দশটি করে, শ’য়ে শ’য়ে, হাজারে হাজারে, লক্ষে লক্ষে। সাদা, কালো, লালচে, খয়েরী। কত রঙ তাদের। আকাশে কালো, শালবনে কালচে সবুজ আর শালবনের পায়ের কাছে রঙ-রঙিনা গরম আলোর কুকুরমুত্তা।

    পুরনো সাজা গাছের নীচে দেব-দেবীরা কথা কন ঠুঠার স্বপ্নে, কখনও মেঘগর্জনের মতো গুড়-গুড় স্বরে; কখনও বা বাঁশপাতি পাখির গলার স্বরেরই মতো, মিষ্টি মিহি দূরের সুরে।

    ঠুঠা বাইগা আসলে, নামেই বাইগা। তার ছোট্টবেলায় ‘বান্‌জারী’ হারিয়ে যাওয়ার পর থেকে সে গোঁন্দদের বস্তিরই পাশে পৃথুর বাবার জঙ্গল-খামারে মানুষ হয়েছে। তার শেষ কৈশোরের পর থেকেই আজ অবধি গোঁন্দদের সঙ্গে তার মেলা-মেশা, ওঠা বসা। আসলে ও গোঁন্দই হয়ে গেছে। ‘বান্‌জারী’র অন্য আর একটিও মানুষকে সে খুঁজে পায়নি। কোনও পরিবারের কোনও একজনকেও না।

    কী হল? কে জানে? সবাই-ই কি একই সঙ্গে মরে গেল? সবাইইকে একই সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে হেঁটে গেছে বিস্মৃতির ধুলোর মধ্যে? নিজের সমাজ ও পরিবারের মধ্যে ঘনসন্নিবিষ্ট হয়ে যে থাকল; সে থাকল না। যদি না সেইভাবে থাকল, এবং বিয়েও যদি না করল তাহলে সব মানুষই ভেসে যায় কচুরিপানার মতো। ঠুঠা ভাবে, চৌপাইয়ে এ পাশ ও পাশ করতে করতে। আশ্চর্য! এমনকি গান্ধালা ফুলদেরও শেকড় থাকে। অমন মানুষেরা তাদের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই চিরদিনের মতো হারিয়ে যায়, ফুরিয়ে যায়। এতসব ভাবে বোঝে, তবু ইদানীং মাঝে মাঝেই ঠুঠার বড় কষ্ট হয় নিজের জন্যে। বিশেষ করে, যখন শরীর টরীর খারাপ হয়। বিয়ে করলে ও একটা ঝুপড়ি আমগাছেরই মতো ডালপালা ছড়িয়ে, পাতার ছায়ার আর চামরের নীচে ছেলেমেয়ে, নাতি-নাত্‌নি নিয়ে বাঁচতে পারত। পা-ছড়িয়ে, ঘরের দাওয়ায় বসে চুট্টা খেতে পারত, মহুয়া খেত; দিল খুশ করে। একটা নাতি পা টিপত, অন্য নাতির নাত বউ মাথা চুলকে দিত। বিয়ে না-করাটা, সময় মতো ভুলই বোধ হয় হয়ে গেল?

    ঠুঠার বয়স এখন পঞ্চাশ হয়েছে, কিন্তু শরীরের বাঁধন তিরিশের মতো। বোঝার উপায়ই নেই। ও বুঝতে পারে যে, কোনও মানুষের জীবনেরই টাঁড়ে, বুদ্ধি বা জ্ঞান অর্জুন গাছের মতো যুগযুগ ধরে একপায়ে একই জায়গায় সটান দাঁড়িয়ে থাকে না। জংলি পলাশেরই মতো তারা চারা ছড়াতে ছড়াতে প্রতি বছরই সরে যেতে থাকে। নিজের পুরনো নিজস্বতাকে রোদের মধ্যে, বৃষ্টির মধ্যে ঠায় একা-একা দাঁড় করিয়ে রেখে চারিদিকে চারিয়ে-যাওয়া সবুজ সতেজ চারাদের মধ্যে নিজেকে চোরা-চালান করে করে, নড়ে নড়ে, সরে সরে আসতে থাকে ক্রমান্বয়ে। নিজে সরাও যা, নিজের সত্তাকে সরিয়ে নেওয়াও তাই-ই।

    এত্বসব বুঝত না ঠুঠা, যখন বয়স কম ছিল। তখন বোঝেনি বলে, দুঃখ কিন্তু নেই তেমন। আজ অবশ্য বোঝে যে, এই-ই তো ঢের! যা হয়েছে, যা বুঝেছে; তাই-ই অনেক। বোঝাবুঝি যার শেষ হয়ে গেছে, যে স্থবির, অনড় বয়স গুনতে-ভোলা মেহগনি গাছ হয়ে অনন্তকাল ধরে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকে শুধু বড় থেকে বড়, তার থেকে আরও বড় হতে, হতে, হতে এত বেশি জীবন্ত স্পষ্ট ও চোখ-ধাঁধানো এক সময়-প্রহরী হয়ে যায় যে, সময় তাকে দীমক পোকার মতো কাটতে শুরু করে তার অজানিতেই। কিন্তু সময় দিয়ে সময়কে গুণ করলে, অথবা যোগ করলে, অথবা বিয়োগ করলে যে হাতে অনড় অচল সময়ই শুধু থাকে; একথা মানী মেহগিনিকে বোঝাবে কে? তাই-ই মান চায় না ঠুঠা, দাঁড়িয়ে থাকতে চায় না একই জায়গায়। নড়ে-চড়ে, সরে-সরে, নতুন সবুজ চারাদেরই মতো চারিদিকে চারিয়ে যেতে চায় সবুজ-সোনার মতো। জীবনে। এ জীবন থেকে অন্য জীবনে। অন্য জীবন থেকে, অনন্ত জীবনে।

    অনেকই দেখেছে ঠুঠা। মৃতা হরিণীর উষ্ণ যোনির গোপন গন্ধ নিয়েছে নাকে। অতর্কিতে গুলি-খাওয়া মৃত্যু পথযাত্রী বাঘের ভয়হীন বুকের, বুক-ফাটা চকিত কান্নাও শুনেছে। মৃত্যুকে মৃতকে ও বারেবার নানাভাবে শীতলতর, মৃততর করেছে। সদ্য-মৃত পুরুষ শিঙাল শম্বরের শুক্রকীটের ডাক শুনেছে। তার হাত ধরে তারা ডাইনির মতো ডেকেছে, বলেছে, আয়! আয়! আয়! সে ডাক শুধু নিজেই শোনা যায়, অন্যকে শোনানো যায় না; জীবনের অনেক গভীর গা-শিউরানো ডাকেরই মতো। ও জেনেছে যে, সৃষ্টি রক্ষা করতে পাহাড়-প্রমাণ শৌর্যের প্রয়োজন নেই, যা প্রয়োজন, তা সামান্য একটু দৃশ্যমান নৈকট্যর। সৃষ্টির শিকড়ের কাজটা একেবারে বড় নিঃশব্দেই ঘটে! শিকড়মাত্রই নিঃশব্দ পদসঞ্চারী। যখন প্রোথিত হয় তখন এবং যখন উৎপাটিত হয়; তখনও।

    এত্ব সব কথা, ঠুঠা এইরকম ভাষায় স্বভাবতই ভাবে না। ওর ভাষাটা কাঠ-খোট্টা। মানুষটারই মতো। ভাষা, শিক্ষিত, শহুরে মানুষের। শিক্ষিত মানুষ মাত্রই যে অনেক ঘোরা-পথে চলে, ঘোরা-পথে ভাবে। ঠুঠার মুখের ভাষা অন্য, আর এ ভাষা শুধুই স্বপ্ন দেখার জন্য।

    ঠুঠা অনেকক্ষণ তার তপ্ত জঠরের মধ্যের লীট্টি আর বায়গনভাত্তার সঙ্গে ধ্বস্তাধ্বস্তি করে এক সময় ঘুমিয়ে পড়েছিল। জানালা দিয়ে সব্‌জে-নীল মার্কারী ভেপার ল্যাম্প-এর আলো তার কাঁচাপাকা খোঁচা-খোঁচা দাড়িময় রুক্ষ কিন্তু কুটিলতাহীন পবিত্র মুখে এসে পড়েছিল।

    ঘুমের মধ্যে ঠুঠা বাইগা, দেবতা নাঙ্গা বাইগার সঙ্গে দেয়ালি করল একবার। নাঙ্গা বাইগীন দেখা দিল না।

    তারপরই সে বিড় বিড় করে উঠল, ঘুমের মধ্যে। পুরনো দিনের মত গোপন মন্ত্র পড়ছিল ও।

    “নাঙ্গা বাইগীন, নাঙ্গা বায়গা ধরতি ঠাকুর দেও, ঘামসান বাওয়া সওয়া লাখ বনস্পতি যো ম্যায় কাম করুত তো ওকর ডাহার মত যাবে।

    র্ত তরফ না, ওকর, সে ঝেঁচ যাবে, মায়লে হুচ্ছো ঝেঁচ যাবে যো যো দাওয়ারিন বুচেলে কান পাকাড়ই হিচ্ছো লানবে, মোর সে আনবে, ওক্করসে ঝেঁচ যাবে।

    মাইলে হুচ্ছো মোর ছোয়াবে তো তয় ম্যায় খানা দেঁহু, সিন্দুর, কাজর, এক্‌ঠেড়নারিহার তোর চডহাবো আর মোরে সে গাড়া করাই দেবে, আর শের মাররাই দেবে, তায় এক্‌ঠে লাল কুক্‌রা, এক ক্ষয়রা কুকরা, এক ক্ষয়েরী পিলে তোয় দেঁহু সত্‌করপাঠ হোবে তো সাহী গাড়া কর্‌বে।”

    হঠাৎই ধড়মড় করে ঘুম ভেঙে উঠে বসল ঠুঠা তার চৌপাইতে।

    ঈসস সর্বনাশ হয়ে গেছে!

    শোনেনি তো কেউ? শুনে ফেলেনি তো একজনও? এ যে বোদেকে গাড়া করাবার, মানে, মোষকে বাঘকে দিয়ে মড়ি করাবার মন্ত্র! কুমারীর গোপনাঙ্গর মতোই অসুর্যম্পশ্যা, পবিত্র যে এ। জংলি শিকারীর অন্তরের অন্তরতম স্থানে থাকা গোপনতা। এ মন্ত্র, সে কী করে বলে ফেলল? জোরেই বলেছে কি? শোনেনি তো আর কেউই? হে বড়াদেব! হে নাঙ্গা বায়গা।

    একটা চুট্টা ধরাল ঠুঠা, চৌপাইতে বসেই; শজারু-মার্কা দেশলাই ঠুকে, ফসফস করে। চুট্টাটা ধরানোর পরই ওর রাগ হল খুবই ছাতুর লীট্টির উপর। গাল পাড়ল একটা। তারপর নিঃশব্দে অনেক গাল পাড়ল নিজেকেও। গালাগালের পাহাড় জমে গেল দেখতে দেখতে।

    এসব গালাগাল কারখানার গালাগাল। ভারী অসভ্য, অশ্লীল, ভিন্‌দেশি! দিগা শুনলে, তার বন্ধু পানকা ইতোয়ার শুনলে; লজ্জায় ঘেন্নায় মরে যায়! এই দেশে কল-কারখানা না-হওয়াই বোধহয় ভাল ছিল। বায়গা, গোন্দ, কুই, মারিয়া, ভূমিহার, ছত্তিশগাড়িয়ারা বনপাহাড়ের দেবশিশু সব।

    ছিল অন্তত।

    শহরের মানুষের যত্ব লোভ-দেখানো ব্যাপার আছে, জিগলিং-ঝিং-চ্যাক শাড়ি পড়ার লোক, ক্যাঁটক্যাঁটে রঙের নাইলনের বুক-বাঁধুনি আর জাঙ্গি পরার লোভ, ট্রানজিস্টারের গোঙানির জন্য এই নির্লজ্জ কাঙালপনা ঠুঠাদের নিজস্ব সবকিছুকেই নষ্ট করে দিল।

    সবই।

    মরবে। সব মরবে। শালারা। সারা পৃথিবী মরবে। “বড়াদেব” সব দেখছেন, “মরাই” দেখছেন, ধারয়া, সাইআম, হয়াম, উইক্কে, কুসুরে সব দেব-দেবীই দেখছেন। কানা নন তাঁরা কেউই। নিস্তার নেই কারও। জঙ্গলের ছেলেমেয়ে সব নষ্ট হয়ে গেল হো!

    চুট্টাটা ফেলে দিয়েই হাসি এল ঠুঠার মুখে। ওর মনে হল, হাসি দিয়ে পাকানো একটা নতুন চুট্টাই ধরিয়েছে ও। হাসির আগুন, হাসির ধুঁয়ো, চারিদিকে হাসির গন্ধ। কত পুরনো সব কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল ওর। স্বপ্নটা ওর স্মৃতির ঝুঁটি বড় জোরের সঙ্গে নেড়ে দিয়ে গেল। কত সব জঙ্গলের বন্ধু-বান্ধব। পুরুষ-পুরুষ গন্ধ ভরা সময় ছিল; শব্দ ছিল। পুরনো। জান দিয়ে দেবে, কিন্তু দোস্তি দেবে না; এমন সব জিগরি দোস্ত। হীরা সিং বায়গা, লিম্‌রু বায়গা। হারামজাদা, কিন্তু জবরদস্ত শিকারি দেবী সিং। হ্যাঁ, দুশমন হো তো, অ্যায়সা!

    ভাল লাগল খুবই ঠুঠার, সকলের কথা এমন হঠাৎ মনে পড়ে।

    এমন সময় দরজায় টোকা পড়ল।

    বিরক্ত মুখে ও বন্ধ দরজাটার দিকে তাকাল।

    কে, তা জানে ঠুঠা!

    উধাম সিং সাহেবের বুড়ো-ড্রাইভারের ছুক্‌রী বউ পুনিয়া-বাঈ। রাতে ঠুঠা ঘরে থাকলেই, আসবে একবার। একই প্রশ্ন করবে। একই উত্তর শুনবে ঠুঠা বাইগার কাছ থেকে। শুনে, চলে যাবে। তবুও, আবার যেদিন ঠুঠার অফফ্‌-ডে থাকবে, কিংবা একা থাকবে ও রাতে ঘরে, সেদিন আসবেই। মেয়েটার জন্য কষ্টও হয়। ব্রাহ্মণের বউ। রামখিলাওন দুবে ড্রাইভার, করে না, হাটচান্দ্রাতে এমন নেশা নেই। ওর মধ্যের পুরুষ মানুষটা নিশ্চয়ই কুচো পাড়হেন মাছের মতো কুণ্ডলি পাকিয়ে সব সময় শুয়েই থাকে। বড়ই শীত-কাতুরে, গরম-কাতুরে, জল-কাতুরে সে মাছ। পাখি ডাকলেও ওঠে না বাঘিনী ডাকলেও না।

    রাত আটটার পর দুবে মরেই যায় বলতে গেলে, নেশার ঝোঁকে। ওর আগের দু বউ ভেগে গেছে মাইহার থেকেই। মাইহারে বাড়ি দুবের। ছেলেমেয়ে নেই একটাও। এইবারে, এই তৃতীয় পক্ষ পুনিয়া-বাঈ-এরও ভাগবার সময় হয়েছে বোধহয়।

    ঠুঠা দরজা খুলল।

    পুনিয়া দাঁড়িয়ে আছে। শীতের মধ্যে। একটা শেয়াল-রঙা আলোয়ান গায়ে জড়িয়ে। ঠুঠা জানে যে, পুনিয়ার ঘোর লাল-রঙা শাড়ির নীচে আর কিছুই নেই। অনেকদিন ভেবেছে যে, দরজাটি বন্ধ করে, ওকে টেনে এনে খাটিয়াতে ফেলে পুনিয়া যা চায় তা ওকে কোঁচড় ভরে একদিন দিয়েই দেবে। কিন্তু ধর্মে বাধে। রামলিখাওন-এর সঙ্গে তার যে বড় ভাব। যখন নেশা না করে থাকে, তখন লোকটার মতো লোকই হয় না। অধর্ম, ঠুঠা করেনি কোনওদিনও। জেনে শুনে। ও নিজে যেটাকে ধর্ম বলে জানে, সেটাই তো ধর্ম তার কাছে। এতগুলো পাহাড়-উপত্যকার রোদ-চাঁদ-জল-ঝড়ের বছর নিজেকে এমন এমন অনেক পরীক্ষাতেই পাস করিয়ে এনেছে।

    পুনিয়া বলল, থোরিসী দুধ হোগী? বড়হি জরুরৎ থী!

    নহীলা! ম্যায় দুধকি কারবারী নহী…। ম্যায় আহীর থোরী হুঁ!

    পুনিয়া এখুনি চলে যাবে। প্রতি রাতেরই মতো। মেয়েটার ধৈর্য অসীম। কিন্তু ঠুঠার ধৈর্যও কম নয়।

    ঠুঠাকে দিগা পাঁড়ে শিখিয়ে দিয়েছে, “কো জগ্‌ কাম নাচার ন জেহী?” পরন্তু, “করত মনোরথ জস্ জিঁআ জাকে।” মানে জগতে কাম যাকে নাচায়নি এমন কে আছে? কিন্তু যার হৃদয় যেমন, তার ইচ্ছাও সেইরকমই হয়। লোকে লোকে তফাৎ থাকে।

    পুনিয়া তখনও দাঁড়িয়েছিল। আবারও বলল, থোরীসি হোগী? দুধ…

    ঠুঠা আবার বলল, এ! দেখ পুনিয়া ভাবী! হিঁয়া শেরকা দুধ মিল্‌ব। গাইয়া-বোদেকে নহী! চল। হঠ্‌! বড়ী রাত্‌অ ভইল।

    পুনিয়া চলে গেল। রোজ একই রকম মুখ করে আসে, একই রকম মুখ করে যায়।

    দিগা পাঁড়ে বলে, “জানি না জাই নারী গতি ভাই।” নারীর গতিপ্রকৃতি কিছুই জানা যায় না ভাই।

    সত্যিই জানা যায় না। কোনওই সন্দেহ নেই।

    পুনিয়া চলে যেতেই, ঘুম-ঘুম পেতে লাগল ঠুঠার। এতক্ষণে ছাতুর লীট্টির ভূত তাকে ছেড়েছে। বহুত্‌ দিন আগে বাস্তারের অবুঝমার পাহাড়ের মারিয়াদের কাছ থেকে কম্বলটা কিনেছিল। দরজা বন্ধ করে, জড়িয়ে, শুয়ে পড়ে পাশ ফিরল। কম্বলের সঙ্গেও এক রকমের প্রেম হয়। সব শীতের রাতের পাখিরাই তা জানে।

    ঠুঠা ভাবল।

    মনে মনে বলল, সত্যি! অনেকই দিন হয়ে গেল, বাঘের দুধ খায়নি। খেয়েছিল, অবশ্য মাত্র একবারই। কান্‌হাতে। বান্‌জারের তীরে। কিন্তু এখন থাক সে গল্প। গল্প শোনাবার আছেটাই বা কে?

    সেইসব বাঘের দুধের মতো খাঁটি দিনগুলোই সব চলে গেছে। ভেসে গেছে গন্ধালা ফুলের গন্ধেরই মতো, প্রস্তরময় বানা্‌জারের ঝর্‌ঝরানি স্রোতে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article ঋজুদা সমগ্ৰ ৫ – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }