Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প1301 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৬. ভিনোদের বাড়ি নিমন্ত্রণ ছিল

    ২৬

    গতকাল রাতে ভিনোদের বাড়ি ওদের নিমন্ত্রণ ছিল। মানে, ককটেইলস এণ্ড ডিনার। মান্দলা, মুক্কী, মালাঞ্জখণ্ড থেকে হোমরা-চোমরা অনেকেই এসেছিলেন। সফিস্টিকেটেড ককটেল পার্টি অপছন্দ নয় রুষার। ও সহ্য করতে পারে না শুধু আজে-বাজে মানুষের সঙ্গে মদ খাওয়া। মেলা-মেশা। ওর মধ্যে একটা ‘ক্লাস’-এর ব্যাপার আছে, বরাবরই। আর পৃথু হচ্ছে ‘ক্লাসলেস’। মানুষে মানুষে প্রভেদ করার শিক্ষাটা পৃথু বাবার কাছ থেকে পায়নি। সেই ঔদার্যর দাম ওকে দিতে হয় প্রতি মুহূর্তে এই তথাকথিত শিক্ষিত, বুদ্ধিজীবী, উচ্চবিত্ত শহুরে সমাজে।

    পৃথু গেছিল। রুষার পীড়াপীড়িতে। ভিনোদ যে অবিশ্বাস্যরকম বড়লোক তাই-ই নয়, ছেলেটা কিন্তু ভালও।

    একদিন হঠাৎই দেখে ফেলেছিল পৃথু। বর্ষার এক বিকেলে তাদের ড্রয়িংরুমের সোফাতে বসে ভিনোদের চুল আঁচড়ে দিচ্ছিল রুষা। পৃথুকে আসতে দেখে লজ্জা পেয়ে এক লাফে সরে গেছিল দু পাশে ওরা। প্রথমে রেগে গেছিল কিন্তু পরমুহুর্তে খুব ভাল লেগেছিল ওর। পরস্ত্রীদের ভালবাসাটা শীতের শেষ বিকেলের রোদের মতো। পরপুরুষকে উষ্ণতাতে একটুক্ষণ ভরে দিয়েই মরে যায়। তবু, তার দামও হয়ত অনেক। ওদের দুজনের মধ্যে যে এক মিষ্টি সম্পর্ক গড়ে উঠেছে—এ কথা বুঝতে পেরে পৃথুর খুবই ভাল লেগেছিল। এই নিষ্ঠুর, নির্মম, প্রেমহীন পৃথিবীতে কারও বুকে যদি অন্য কারও প্রতি একটুও প্রেম থাকে তো তা জেনেই পৃথুর হৃদয় এক মহৎ বোধে ভরে ওঠে। ও জানে যে, ওর নিজের মধ্যে এমন রূপ বা গুণ নেই যে, রুষার শরীর-মনের সব চাওয়াকে সে পূর্ণ করতে পারে। শুধু ওরই কেন, পৃথিবীর কোনও স্বামীরই হয়তো নেই। তা কেউ স্বীকার করুন আর নাই-ই করুন।

    ওদের দুজনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক আছে একথা বিশ্বাস হয় না পৃথুর। শরীরকে এনে ফেলে সুন্দর প্রেমকে আবিল করে ফেলার মতো বোকা, রুষার মতো বুদ্ধিমতী মেয়ে কখনওই হবে না বলেই ওর মনে হয়। আগে আগে এসব ভেবে উত্তেজিত বোধ করত একটু। এখন খুশিই হয়। আহা! বেচারি রুষা! তুমি খুশি থাকো। তুমি খুশি থাকলেই আমি খুশি। কী ভাবে এবং কোন পথে তুমি খুশি হচ্ছ, তা আমার জানার দরকার পর্যন্ত নেই। খুশি থাকো গো। সবাই খুশি থাকুক। খুশিতে ভরে উঠুক এই খুশিহীন পৃথিবী। আনন্দম। আনন্দম। আনন্দম। দুদিনের এই জীবন। এসেই তো চলে যাওয়া। নিয়ে-দিয়ে, দিয়ে-নিয়ে ভরপুর করে রেখে সুধন্য করো সকলে, একে অন্যকে। প্রত্যেক তপতীরা আর সুধন্যরা। এবং বেড়ালরাও। শুধু বেড়ালরাই বা কেন? ইঁদুররাও। এমনকী শুয়োররাও। আনন্দম। আনন্দম। আনন্দম। এই-ই পৃথুর মনের কথা। অন্তরের কথা।

    মেরী চা দিয়ে গেছিল।

    লেখার টেবলেই বসে ছিল পৃথু। বৃষ্টির পরে বাড়ির পেছনের ঝাঁটি-জঙ্গল থেকে একা তিতির ডাকছে শীর্ণা গায়িকার মতো গলার শির ফুলিয়ে। দুটো ফ্লাই-ক্যাচার পাখি উড়ে উড়ে ফড়িং ধরছে। মনে হচ্ছে, চিতল হরিণের ঝাঁকে চিতা পড়েছে চকিতে। বৃষ্টির পরের উজ্জ্বল আলোয় শয়ে শয়ে ফড়িং উড়ছে আকাশ হলুদ করে। চামারটোলির দিক থেকে একটা মোষ ডেকে উঠল।

    আজ সকাল থেকেই কুর্চিকে বড় মনে পড়ছে পৃথুর। ন’মাসে ছ’মাসে এরকম হয়। যখন হয়, তখন মন বড়ই উচাটন লাগে। ভেজা স্মৃতির ঝোড়ো হাওয়ায় উথাল-পাথাল গাছের মতোই উথাল-পাথাল করে ওর উদলা মন।

    কুর্চি যে-ক’দিন একা ছিল এবং নিমন্ত্রণও জানিয়েছিল যাওয়ার জন্যে; তখন যায়নি পৃথু। যায়নি, কারণ ও নিজেকে জানে। কতখানি সংযম অথবা মহত্ত্ব ওর মধ্যে অকুলান হবে না সে সম্বন্ধে ওর স্পষ্ট ধারণা নেই। একা-বাড়িতে কুর্চিকে পেলে ও নিজেকে হয়তো হারিয়ে ফেলবে।

    একটু পরেই সন্ধে হয়ে যাবে। ফিরে আসছে ওরা। দূর থেকে দেখা যাচ্ছে। এস ডি ও খাণ্ডেলওয়াল সাহেবের কালো কুচকুচে যুবতী আয়া, সাদা ধবধবে জোয়ান অ্যালসেশিয়ান কুকুরটিকে শীতের বৃষ্টি-ভেজা প্রকৃতির মধ্যে নিয়ে গেছিল মুক্তির স্বাদ দিতে। তারা এখন ফিরে আসছে। ভারী সুন্দর দেখাচ্ছে। ভিজে-যাওয়া, পাতা-ঝরা শাল-সেগুনের শাখা-প্রশাখায় বৃষ্টি-শেষের শীতার্ত রোদের ছোঁয়া লেগেছে। লাল মাটির পথ থেকে হেমন্তর গায়ের সোঁদা সোঁদা গন্ধ উড়ছে। ঝাঁটি-জঙ্গলে তিতিররা পাগলের মতো ডাকাডাকি করে চলেছে। আর এই পটভূমির মধ্যে অনন্ত যৌবনের দুটি প্রতীকেরই মতো সাদা কুকুর আর কালো মেয়েটি যেন দিনান্তবেলার দিগন্তলীন কুয়াশার মেঘের মধ্যে দিয়ে ভেসে আসছে সন্ধ্যাতারার স্নিগ্ধসবুজ দীপজ্বালানো লালের ছোঁয়া-লাগা পশ্চিমাকাশের আঙিনা থেকে নেমে। দূর থেকে মনে হচ্ছে, ওরা যেন মর্ত্যলোকের কেউ নয়।

    কখনও কখনও কোনও কোনও দৃশ্য মনের চোখে, অথবা চোখের মনে এমনি করেই গেঁথে যায়। গেঁথে থাকে। জীবনের শত আবিলতাতেও তা ম্লান হয় না। আজ বৃষ্টিশেষের শেষ বিকেলের এই দৃশ্যটি অনেকটা সেই রকমই। গেঁথে থাকবারই মতো।

    লেখার প্যাডটি বের করে কলমের বাক্স খুলল পৃথু।

    এই কলমগুলোই ওর প্রাণ। কুর্চির অদেখা, কিন্তু কল্পিত নগ্নতারই মতো এরা প্রত্যেকে খুব দামী ওর কাছে।

    ওর প্রিয়তম কলমটি খুলে চিঠি লিখতে বসল পৃথু কুর্চিকে।

    হাটচান্দ্রা, রবিবার

    বাইশে

    কুর্চি,

    মালাঞ্জখণ্ড-এ যাওয়ার আগে তুমি আমাকে এবারে জানিয়ে যাওনি। তাই-ই, কালকে রায়নাতে গিয়েও ফিরে এলাম। বাসে করেই গেছিলাম। রুষারা মহিলা সমিতির তরফ থেকে জবলপুরে গেছিল গাড়িটি নিয়ে। ও এবং অন্য কয়েকজন। ওঁদের মধ্যে মিসেস সেনকে তুমিও চিনবে। অন্যদের নাও চিনতে পার।

    রায়না থেকে ফিরে এসে খুবই খারাপ লাগছিল। ভেবেছিলাম, সারাটা দিন তোমার কাছেই কাটাব। অনেক গল্প শুনব। গান শুনব। গান গাইব দুজনে মিলে। পুরনো দিনের মতো।

    তোমার জন্যে লাড্ডুর দোকানের লাড্ডুও নিয়ে গেছিলাম। দাঈ দিয়েছিল নিশ্চয়ই তোমাকে।

    খুবই ইচ্ছে করে এক সন্ধেতে তোমার ওখানেও লাড্ডুর গানের মজলিস বসাই। তোমার পরিচিতদের মধ্যে মালাঞ্জখণ্ড, জবলপুর, মান্দলা, এবং সীওনীতেও ক্লাসিকাল গান যাঁরা ভালবাসেন, এমন অল্প কয়েকজনকে ডেকো। খুবই অল্প কয়েকজনকে। ভিড় হয়ে গেলে রাজনৈতিক সভা হয়, গানের ম্যায়ফিল হয় না। অন্য কেউ বুঝুক না বুঝুক, তুমি অন্তত বোঝো যে গানের সঙ্গে প্রাণের যোগ কতখানি। আমাদের পরিচিতদের মধ্যে অনেক মানুষকেই গান নিয়ে মাতামাতি করতে দেখি, বিজ্ঞর মতো ‘কেয়াবাৎ’ ‘কেয়াবাৎ’ বলে মাথাও নাড়তে দেখি কিন্তু অতি স্বল্পজনেরই মধ্যে গানকে হৃদয় দিয়ে ছোঁবার মতো গভীরতা আছে। অথচ এই কেয়াবাৎওয়ালারাই দলে ভারী। দুঃখ এটাই।

    আমাদের লাড্ডু ওরফে, কুমার সরজুনারায়ণ কিন্তু ক্ষণজন্মা মানুষ। ওর গলার. এবং গায়কীর সঙ্গে বড়ে গোলাম আলী খাঁ সাহেবের ছেলে মুনাব্বর খাঁ সাহেবের গলার এবং গায়কীর সঙ্গে আশ্চর্য মিল আছে। অথচ হতভাগা নাকি তালিম নেয়নি কারও কাছেই। বিশ্বাস করো। এযুগেও কি আরেকজন মৌজুদ্দিন এসে হাজির হল?

    তুমি লাড্ডুর গান না শুনলে সত্যিই হারাবে কিছু জীবনে। আগামী মাসে গিরিশদার বাড়িতে নাকি আরেকদিন হবে ম্যায়ফিল। তুমি ও ভাঁটু যদি আসতে চাও তাহলে আগেই জানিও। রুষা অবশ্য যাবে না। এই সরজুনারায়ণই যদি ভোপালের রবীন্দ্রভবনে গাইত তবে রুষা প্রথম সারিতে বসে শুনত তার গান। গিরিশদার বাড়িতে লাড্ডুর গানের তো সামাজিক মূল্য নেই। যে-কোনও আলো-ঝলমল রঙ্গমঞ্চে প্রথম কয়েকটি সারিতে গান, বাজনা, নাটক দেখতে যাঁরা সেজেগুজে বসে থাকেন তাদের মধ্যে বেশিই রুষারই মতো। নামকরা মঞ্চর নামকরা শিল্পীর অনুষ্ঠানে সবচেয়ে দামি টিকিট কেটে দেখতে বা শুনতে না গেলে তাঁদের স্ট্যাটাস থাকে না!

    বললে, হয়তো ভাববে, বানিয়ে বলছি; পরশু রাতে তোমাকে স্বপ্ন দেখেছিলাম বলেই কাল মিষ্টি নিয়ে গেছিলাম তোমার কাছে।

    আমার মা বলতেন, কাউকে স্বপ্ন দেখলেই মিষ্টি খাওয়াতে হয় তাকে। রুষা বলে, শুধু মরার স্বপ্ন দেখলেই খাওয়াতে হয়। জানি না। তবে তোমার মরার কথা আমি দুঃস্বপ্নেও ভাবি না কখনও। তুমি না থাকলে, আমার যে কী হবে, তাই-ই শুধু ভাবি মাঝে মাঝে। মনের মধ্যে যখন ঝড় ওঠে, আমার পরিবেশ, জীবন, জীবনযাত্রা, সব কিছু সম্বন্ধেই যখন বড়ই বীতশ্রদ্ধ হয়ে উঠি; তখন একমাত্র তোমার কাছে গিয়ে একটু বসলেই শান্তি পাই। তুমি নূতন প্রাণ দাও আমাকে। ফুরিয়ে-যাওয়া আমাকে নবীকৃত করো।

    ক’দিন ধরেই খুব ইচ্ছে করে, অনেকদিন পর তোমার গলায় আমার প্রিয় দুটি গান শুনি। খালি গলায়। “তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে, তখন ছিলেম বহুদূরে কিসের অন্বেষণে”, আর “কে বলেছে তোমায় বঁধূ এত দুঃখ সইতে/আপনি কেন এলে বঁধু আমার বোঝা বইতে”।

    আরও অনেক গানই শুনতে ইচ্ছে করে। তোমার বিয়ের পর তেমন করে আর গান শোনা হয়নি। জানি না, কবে হবে আবার। ভাঁটু কি গান ভালবাসে? রবীন্দ্রসঙ্গীত তো বাসে না বুঝলাম। অন্য গান?

    চিঠি লিখতে বসার একটু আগেই মণিবাবু এসেছিলেন। তুমি কি মণি চাকলাদারকে ভুলে গেছ? বিলাসপুরের? সেই যে! ব্রাহ্ম ভদ্রলোক, সামান্য ট্যারা, খদ্দরের পায়জামা, পাঞ্জাবি পরতেন, বেসুরে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতেন এবং নাক কুঁচকে কথা বলতেন।

    গিরিশদার কাছেই শুনেছিলাম যে, শান্তিনিকেতনের একটি মেয়ে মণি চাকলাদারকে অনেকদিন আশা দিয়ে শেষে ডুবিয়ে দেওয়াতেই শান্তিনিকেতন সম্বন্ধে মণি চাকলাদার প্রচণ্ড নস্টালজিক।

    রবীন্দ্রনাথ এবং জীবনানন্দর প্রভাব এড়িয়ে যাওয়া আমাদের প্রজন্মর মানুষদের পক্ষে হয়তো মুশকিলই! তবে, কোনও যথার্থ কবি বা লেখকেরই উচিত নয়, কারও দ্বারাই প্রভাবিত হওয়া। সে ব্যক্তি যত বড় প্রতিভাবানই হন না কেন! কিন্তু সাক্ষাৎভাবে প্রভাবিত না হলেও অনবধানে, অবচেতনে এক ধরনের প্রভাব নিশ্চয়ই কাজ করে। এই প্রভাবের কথাও যাঁরা অস্বীকার করেন, আমি তাঁদের দলে নই। তোমার কী মত এ ব্যাপারে?

    কিন্তু মণিবাবুর ব্যাপারটা উল্টো। উনি রবীন্দ্রনাথের প্রভাব অস্বীকার তো করেনই না বরং উগ্র-রবীন্দ্রভক্ত। যেসব উগ্র-ভক্ত রবীন্দ্রনাথের প্রতি অশেষ অন্যায় করেছেন অন্ধতায়, মণিবাবু তাঁদের মধ্যে অন্যতম। যতি যে কোথায় টানতে হয়, তা তিনি জানেনই না। এর পর যেদিন যাব, সেদিন এ নিয়ে আলোচনা করব।

    এই দ্যাখো, কোন কথা থেকে কোন কথায় এসে গেলাম। কী স্বপ্ন দেখলাম, তাই-ই বলা হল না।

    তোমার মনে আছে কি না জানি না, বাবা মা নিমুকাকা এবং কাকিমার সঙ্গে আমি আর তুমি একবার মাণ্ডুতে গেছিলাম। তুমি তখন বেশ ছোট ছিলে। বারো-তেরো বছরের হবে। ইন্দোর থেকে ধার-এর বাংলোয় গেছিলাম আমরা দুটি গাড়ি করে। তারপর ধার-এর বাংলোতে দুপুরের খাওয়া দাওয়া করে মাণ্ডু পৌঁছলাম। বাবা সঙ্গে থাকলে খাওয়া-দাওয়াটা কী রকম চেহারা নিত ভুলে যাওনি নিশ্চয়ই!

    বর্ষাকাল ছিল। বাবা বলতেন, মাণ্ডুতে বর্ষাকালেই যেতে হয়। মাণ্ডুর রূপ উপভোগ করতে হলে। সেদিন আবার ছিল পূর্ণিমা। খুব সম্ভব আষাঢ়ের পূর্ণিমা। রূপমতী মেহাল-এ যখন আমরা পৌঁছলাম তখন সন্ধে হয়ে আসছে। কিউরেটর ছিলেন বাবার বন্ধু। বললেন, ওঁর ওখানে রাতের খাওয়া সেরেই ফিরতে হবে আমাদের। নইলে যেতেই দেবেন না।

    রূপমতী মেহালের ছাদে দাঁড়িয়ে আমি আর তুমি হাত ধরাধরি করে দিগন্ত অবধি ছড়ানো নিমার-এর সমতলভূমির দিকে চেয়ে রইলাম। নর্মদার উপত্যকা। যে নর্মদার নাম ছিল বহু শো বছর আগে রেওয়া। দূরে, প্রায় দিগন্তরেখার কাছে শেষ সূর্যর আলো পড়ে নর্মদাকে লুকিয়ে-থাকা এক ধূসর শঙ্খিনীর মতো দেখাচ্ছিল।

    নিমুকাকা দিলরুবা বের করে ভূপালীতে সুর দিলেন, বাবা গাইলেন। সেই গানটি! মনে আছে কি তোমার?

    “সব গুণী গায়ে অব প্রভুকা নাম।

    প্রভুকে নাম বিন কুছ নাহি কাম॥

    চঞ্চল সৈঁয়া বৈঠে মন্দির দ্বারে,

    রোবত রোবত আরজ করে,

    মাঙ্গত বৈকুণ্ঠ ধাম॥

    সব গুণী গায়ে অব প্রভুকা নাম॥”

    “সব গুণী গায়ে অব প্রভুকা নাম॥

    আহা! তবলা ছিল না। ত্রিতালে গেয়েছিলেন। তাল যেন সমাশ্রিত ছিল তাঁর ভিতরে। হাঁটা চলা কথা বলা, কোনও কিছুর মধ্যেই বাবার বেতাল ছিল না কোনও। বাবার গলার স্বর এখনও আমার কানে ভাসে। কী জুয়ারি! মাও ভাল গাইতেন, কিন্তু বাবার মতো নয়। আমার বাবার মধ্যে সত্যিই অনেকগুলো মানুষ বাস করত। পরস্পরবিরোধী, উজ্জ্বল, মেধাবী সব মানুষ; একই আধারে। বাবা যখন শিকারের পোষাক পরে শিকারে যেতেন হাতে রাইফেল নিয়ে, তখন তাঁর এক চেহারা ছিল। যখন ব্যারিস্টারের পোষাক পরে ভোপালের হাইকোর্টে সওয়াল করতেন, তখন তাঁর আরেক রূপ, আরেক ব্যক্তিত্ব। আবার সেই মানুষই যখন কলিদার সাদা পায়জামার উপর চিকনের কাজ করা পাঞ্জাবি পরে খসস ঈত্বরের খুশবু উড়িয়ে মুশায়রা বা কভি-দরবারে বা গান-বাজনার ম্যায়ফিলে উপস্থিত হতেন, তখন আবার তাঁর রূপ ছিল একেবারেই অন্য। এই বিভিন্ন সত্তার মানুষটি যে একই ব্যক্তি তা বোঝার উপায় পর্যন্ত ছিল না।

    বিভিন্ন পরিবেশে, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে বিনা আয়াসে এমন মিলে যেতে, মিলিয়ে নিতে আমি খুব বেশি মানুষকে দেখিনি। সত্যিই বলছি, কুর্চি, আমার বাবা বলে নয়; এমন মানুষের সংস্পর্শে আসা যে-কোনও লোকের পক্ষেই সৌভাগ্যর ব্যাপার ছিল। যেসব মানুষ বাবাকে এক মুহুর্তের জন্যেও দেখেছেন, তাঁরাও তাঁকে আজীবন মনে করে রেখেছেন। এমনই ছিল তাঁর চৌম্বকী ব্যক্তিত্ব। আর বাবার হাসি! কী দরাজ হাসি যে হাসতেন! রসিকও ছিলেন তেমন। কোনও অবস্থাতে, কোনও পরিবেশেই তাঁকে নিষ্প্রভ মনে হত না। এতই বেশি সারল্য ও দয়া ছিল বাবার যে, মা তাঁকে বোকা বলতেন। বাবার চরিত্রের বেহিসেবি, বেসামাল দিকটা আমিও পেয়েছি পুরোমাত্রাতে। তাই-ই, রুষা; আমার মায়েরই মতো আমাকে নিয়ে সর্বদাই চিন্তা করে। কিন্তু আমি বাবার কোনও গুণই পাইনি। এক কণাও নয়। পেয়েছি, শুধু দোষগুলোই। মদ্যপান, সংসারবিমুখতা; উড়নচণ্ডী স্বভাব, অমিতব্যয়িতা, অকারণ বিষণ্ণতা, আত্মহত্যার দুর্মর প্রবণতা।

    যা আজ অবধি কাউকেই বলিনি, তা শুধু তোমাকেই বলছি। আমার বিশ্বাস হয় না বাবার মতো শিকারিকে খেতে পারে এমন বাঘ মধ্যপ্রদেশের জঙ্গলে পয়দা হয়েছিল। অবহেলায় ছেলেবেলা থেকেই বাঘ মেরেছেন বাবা। দু চোখ খুলে ডাবল-ব্যারেল রাইফেল দিয়ে মারতেন। যাঁরা ভাল শিকারি তাঁরা একচোখ বুজে নিশানা নেন না। দুটি চোখের মধ্যে সকলেরই একটি মাস্টার আই থাকে। চোখের সামনে একটি আঙুল তুলে ধরে দেখলেই বুঝতে পারবে এ কথা। তাঁরা দু চোখ খুলে ওই মাস্টার আই দিয়েই নিশানা নেন। অব্যর্থ নিশানা ছিল। দিনে কি রাতে। মাটিতে দাঁড়িয়েও কম মারেননি। তাই-ই, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আত্মহত্যা করার জন্যেই বাবা ইচ্ছে করে বাঘকে আহত করে নীচে নেমেছিলেন মাচা থেকে। তুমি বলতে পারো, তাহলে তো নিজের রাইফেল দিয়েই মারতে পারতেন নিজেকে। হয়তো পারতেন! কিন্তু কার মাথায় আত্মহত্যার ভূত যে কখন চাপে তা তো যাঁরা তা করেছেন তাঁরা নিজেরাই একমাত্র বলতে পারতেন। বেঁচে থাকলে।

    আমিও দশ বছর বয়স থেকে শিকারে যাচ্ছি বাবার সঙ্গে। প্রথম দিনেই শিখিয়েছিলেন বাবা আমাকে, অন্ধকার হয়ে যাবার পর বাঘ আহত হলে মাচা থেকে কখনওই নামবে না। কখনও না। আর বাবা নিজেই! বিশ্বাস হয় না আমার সে জন্যেই। উনি হঠকারী ছিলেন না।

    মনে আছে, তোমার মা গান ধরলেই বাবা তাঁর পেছনে লাগতেন। কাকিমার গলায় পুরাতনী ও ব্ৰহ্মসঙ্গীত খুব ভাল লাগত আমার। তুমিও কিন্তু কাকিমার ব্রহ্মসঙ্গীতের ঝাঁপি থেকে তেমন কিছুই নিলে না। আহা! কী সব গান! কী সুর!

    কাকিমা গান ধরলেই বাবা ঠাট্টা করে বলতেন, ও রাণী, কোন স্কেলে ধরলে বোন? এ তো শ্রুতি। তুমি যেখানে ‘পা’ বলছ সেখানে তো কোনও স্কেলই নেই। লজ্জায় কাকিমা লাল হয়ে যেতেন। বলতেন, আবারও!

    কাকিমার ওই একটিই দোষ ছিল। ছোটবেলা থেকে খালি গলায় বাজনা-ছাড়া গান গেয়ে গেয়েই গান ধরবার সময় বোধহয় অনেক সময় শ্রুতিতেই ধরে দিতেন। সামান্য সময় পরে কিন্তু নিজেই বদলে নিতেন এবং নিকটতম স্বীকৃত স্কেলে ফিরে আসতেন অতি দ্রুত। এরকম অবশ্য ক্বচিৎ কদাচিৎই হত।

    অবশ্য খালি গলার গানই তো গান! আজকাল অনেক শিল্পীকে দেখি, যাঁরা রবীন্দ্রসঙ্গীত বা অতুলপ্রসাদের গান বা অন্যান্য হালকা গানও গাইতে বসে, পাঁচরকম যন্ত্র নিয়ে গাইছেন। তাঁদের গলাটা যে কী ধরনের তা বোঝারই উপায় থাকে না। প্রত্যেক যন্ত্রর সামনে মাইক, নিজের সামনে দুটি মাইক। গান তো না যেন গলা ঢেকে রাখার বোরখা। শুধু তানপুরা বা অন্য একটি তারের বাজনা নিয়ে গাইলে, কার গলা যে কেমন তার পরীক্ষা হয়ে যায়।

    কাকিমার গলায় একটি ব্রহ্মসঙ্গীত শুনেছিলাম আমি। প্রথমবার শুনেই গানটি তুলে ফেলেছিলাম। মন খারাপ লাগলে এখনও গাই। তুমি কী জানো গানটি?

    “চলো গাই সেই ব্রহ্মনাম/ যে নাম স্মরণে প্রাণারাম, মরণ ঘুচেরে/হৃদয়ে হৃদয়ে মিলিয়ে মধুর রাগিণী তুলিয়ে…” ইত্যাদি।

    কাকিমা, আরেকবার আমাদের জবলপুরের বাগান বাড়িতে আমার মায়ের জন্মদিনে গেয়েছিলেন। বাড়ির ছাদে বসে। একটি রবীন্দ্রসঙ্গীত। মনে আছে কি তোমার? মায়ের জন্মদিন ছিল। বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনে। সামনে নর্মদা বয়ে যাচ্ছে। গরমের দিন। ফুল, ধুপ আর ঈত্বরের গন্ধে মস্ত করা সেই চাঁদের রাতে কাকিমা গেয়েছিলেন গানটি। বুকের মধ্যে গেঁথে আছে সে গান। মনে আছে, পিচ-পাইপ দিয়ে সুর বাঁধা হল। নিমুকাকা এস্রাজ বেঁধে নিলেন। আমি তানপুরা ছেড়েছিলাম।

    “হৃদয়বাসনা পূর্ণ হল আজি মম পূর্ণ হল, শুন সবে জগতজনে॥

    কী হেরিনু শোভা, নিখিল ভুবননাথ

    চিত্ত-মাঝে বসি স্থির আসনে॥”

    এক-একটি গান এমনভাবে কানে, হৃদয়ে বসে যায় যে, সেইসব গান আমাদের জীবনেরই এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে ওঠে। কিছু মুহূর্ত, কিছু অনুভূতি, কিছু স্মৃতি, সেই সব গানেরই সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে গেঁথে যায় বিনিসুতোর মালায়। আমার মৃত্যুতেই সেই সব গানের রেশ বুঝি ছাই হয়ে যাবে এই অপদার্থ মানুষটার শরীরেরই সঙ্গে।

    কুর্চি! কিছুই ভাল লাগে না। মাঝে মাঝে তোমাকে দেখতে এত ইচ্ছে করে, তোমার সামনে গিয়ে বসার জন্যে এমন আকুলি-বিকুলি করে আমার সমস্ত মন যেন পাগল-পাগল লাগে। রায়নাতে ফিরেও খবর পাঠিও কিন্তু। বা চিঠি লিখো। চিঠি লিখলে, কারখানার ঠিকানাতেই লিখো। জীবনে ন্যূনতম শান্তির কারণে কখনও কখনও বক্ৰগতির বা মিথ্যাচারের আশ্রয় নেওয়া যে অন্যায় নয়, এ কথা আমি আজ মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি জীবনের ধুলোর পথে অনেক অনেকদিন হেঁটে এসে।

    চলো, কুর্চি! আর একবার মাণ্ডু যাই। শুধু তুমি আর আমি। এখন মধ্যপ্রদেশ ট্যুরিজম ডিপার্টমেন্ট থাকার জায়গার বন্দোবস্ত করেছেন সুন্দর। মাণ্ডুতেই থাকব। ইন্দোর থেকে চলে যাব গাড়ি ভাড়া করে। জাহাজ ম্যেহাল, রাজবাহাদুর ম্যেহাল, রূপমতী ম্যেহাল, আসরফি মেহ্যাল। আরও কত সব ম্যেহাল, মসজিদ, তাবেলা। মাণ্ডুতে অতীত কথা কয়। রবীন্দ্রনাথের ক্ষুধিত পাষাণের কথা মনে হয়, সেখানে গেলেই। ঘুরে ঘুরে সব দেখাব তোমাকে নতুন করে। যখন আমরা গেছিলাম, তখন তুমি তো ছোটই ছিলে। তোমার সব কথা মনে থাকার কথা নয়।

    মা, বাবা, নিমু কাকা, কাকিমা সকলের স্মৃতির সঙ্গে মাখামাখি হয়ে আছে রূপমতী ম্যেহাল। তুমিও আমাকে গান শোনাবে আসন্ন সন্ধ্যায় অথবা রাতের প্রথম প্রহরে রূপমতী ম্যেহালের ছাদে বসে। বাবার গানের কথা মনে পড়ে যাবে : “সব গুণী গায়ে অব্‌ প্রভূকা নাম…”।

    ভাবলে, ভারি খারাপ লাগে, না?

    মানুষের নিজের হাতে-গড়া প্রতিটি জিনিসই থাকে, শুধু মানুষই থাকে না। এই বিপুল রঙ্গমঞ্চে তার ভূমিকাটিই সংক্ষিপ্ততম। যদি যাও আমার সঙ্গে আমরা দুজনে দেখতে পাব, রূপমতী ম্যেহাল ঠিক তেমনই আছে, আছে নিমার্‌-এর বিস্তীর্ণ সমতলভূমির শেষের দিগন্তরেখায় নর্মদার শান্ত বিবাগী চাল; রোজ ঊষাকালে যে নদীদর্শন না করে রূপমতী জলস্পর্শ করতেন না। আর আছে আকাশভরা তারাদের স্নিগ্ধতা। আছে যুগ যুগান্ত ধরে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা সেই আফ্রিকান বাওবাব গাছগুলি। “আপ-সাইড-ডাউন” ট্রীজ। নেই শুধু বাবা, মা। আমার এবং তোমার। নিমুকাকা কোথায় বসে দিলরুবায় সুর দিচ্ছিলেন, মা এবং বাবা কোথায় বসেছিলেন—সে জায়গাটুকুও আমি আর তুমি হাত দিয়ে ছুঁতে পারব। পারব না শুধু তাঁদেরই ছুঁতে।

    কিন্তু মাণ্ডুতে তোমার সঙ্গে একা যাওয়া হবে কি কুর্চি? এ জীবনে? আমি যে পরপুরুষ। আর তুমি যে পরস্ত্রী। যার যার খোঁটায় বাঁধা আছি আমরা। যার যার মুখের সামনে রাখা জাবনাতে অবোধ পশুর মতো মুখ ডুবিয়ে জীবনের জাব্‌না খাচ্ছি। মাপা খড়, মাপা গুড়, মাপা খোল। প্রয়োজনের সংসারে, দুধ বেশি করে দেব বলে। মাপা দুধ। মাপা নিয়মে। সকাল-সন্ধে। মৃতবৎসা গাভীদেরই মতো আমাদেরই পাশে, ব্যাঙের গায়ের মতো ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া আমাদের সব মানবিক বোধ, সূক্ষ্ম আশা-আকাঙ্ক্ষা, মৃত বাছুরের কাঠে-মোড়া চামড়া, দাঁড় করানো আছে। এই সংসারের গোয়ালে। হ্যাঁ। কুর্চি। ওই চামড়া-মোড়া কাঠটুকুই আমাদের জীবনের প্রতিভূ। আমাদেরই জীবন? হ্যাঁ। আমাদেরই। যে জীবন আমরা চেয়েছিলাম। হয়তো ভুল করে। তবু। আমরা প্রত্যেকটি মানুষ। আমি। তুমি। রুষাও। আমাদের মতো লক্ষ লক্ষ মানুষ বড় কাতর হৃদয়ে চেয়েছিলাম, অনেক বাসনায় কৈশোরের হালকা বেগুনি রঙা জীরহুল ফুলের মতো স্বপ্নে যে জীবনের ছবি এঁকেছিলাম, সেই জীবন! এই-ই আমাদের মনোমত জীবন কুর্চি।

    একটাই জীবন। শুধুমাত্র একটা। অথচ, এই-ই আমাদের নিয়তি। এই কালে, এ সমাজে আমরা কেউই বেঁচে থাকি না, আমরা বাঁচতে জানি না। সংস্কার, লোকভয় আর অভ্যাসের দাসত্বই করি শুধু আমরা। প্রেমকে খুন করে তার রক্ত ছেনে অপত্যস্নেহের পুতুলদের নিয়ে পুতুলের ঘর করি। শুধুই প্রশ্বাস নিই আর নিঃশ্বাস ফেলি। ছিঃ। ছিঃ।

    চলো কুর্চি। পালাই। বাঁধন ছিঁড়ে হাত ধরাধরি করে চলো, পালিয়ে যাই। বাইরে থেকে ভেতরের দিকে পালাই, বহিরঙ্গ থেকে অন্তরঙ্গে, আপাত থেকে সত্যের দিকে। চলো, চলো, রাত হয়ে আসছে, দিন ফুরিয়ে আসছে : পালাই চলো। পারবে? সাহস হবে কি পালাবার?

    ভাল থেকো। নিজের জন্যে না হলেও, আমার জন্যে না হলেও অন্তত ভাঁটুর জন্যেও ভাল থেকো। তোমার অনাগত সন্তানের জন্যে ভাল থেকো। ভাল থেকো, সবসময়। আমরা যে কয়েদী। কয়েদীরা ভাল না থাকলে কয়েদখানার বাগানে আনাজ ফলাবে কারা গো?

    ইতি তোমার পৃথুদা, এই কয়েদখানার একজন কয়েদি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article ঋজুদা সমগ্ৰ ৫ – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }