Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প1301 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৭. ছুটি ফুরিয়ে গেল

    ২৭

    ছুটি ফুরিয়ে গেল।

    অনেকদিন পর ফ্যাক্টরিতে এসেছে পৃথু। শেলাক্‌ প্ল্যান্ট-এর হাইড্রলিক প্রেস-এর এবং ওয়াশারের একটানা আওয়াজ অনেকদিন পর কানে বড় মিষ্টি লাগছে।

    প্রত্যেক পুরুষের আসল জায়গা বোধহয় তার কাজের জায়গাই। তার জায়গা সংসারে নয়। পুরুষ পেনেলোপে নয়, সে উ্যলিসীস। তবে, পৃথুর কথা আলাদা। ওর আসল জায়গা ওর লেখার টেবল, ওর পড়াশোনার ঘর, যেখানে সে থাকলে সবচেয়েই আনন্দে থাকে। কিন্তু সে যে অগোছাল ব্যর্থ কবি, ব্যর্থ লেখক : তাই-ই নিছক রুজির তাগিদেই যেখানে তাকে একেবারেই মানায় না, সেই কারখানাতেই মানিয়ে নিয়ে থাকতে হয়।

    কথাটা কি পরস্পরবিরোধী হল না?

    হল।

    পৃথুর সমস্ত জীবনটাই তো পরস্পরবিরোধিতার জাজ্বল্যমান উদাহরণ। তার চরিত্রর চাবি-স্বরই হচ্ছে স্ব-বিরোধ। অন্য যে-কোনও মানুষ হলে এই টানাপোড়েনে, অন্তর্দ্বন্দ্বে ছিন্নভিন্ন, তুলোপেঁজা হয়ে যেত এতদিনে।

    কারখানা কুসমি লাক্ষাতে ভরে আছে। এখন খুব জোর কাজের সময়। কুসুম গাছে যে লাক্ষা হয় তাকে বলে কুসমি। ভারী সুন্দর এই গাছগুলো। মস্ত বড় বড়। ফিনফিনে পাতা, একটু গোলচে ধরনের। দোলের সময় পাতাগুলো সব লাল হয়ে যায়। বনে পাহাড়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে এরা সারা শরীর দুলিয়ে বসন্তশেষের বনে হোরিখেলার আমন্ত্রণ জানায়।

    বিকেল শেষ হয়ে এল। দূর দূর পাহাড় জঙ্গলের বস্তি থেকে কুলিরা দিন থাকতে থাকতেই হেঁটে চলে আসে। সন্ধে থেকে পড়ে পড়ে ঘুমোয় স্টিক ল্যাকের বস্তার উপর। রাত দশটার ভোঁ বাজলে নাইট-ডিউটিতে সামিল হবে বলে। পাঁচ থেকে সাতমাইল হেঁটে আসে; হেঁটে যায়। কোম্পানি খুব দয়ালু, ওদের ঘুম ছাড়াবার জন্যে রাত দশটার ভোঁ বাজলে এক গ্লাস করে চা দেওয়া হয় প্রত্যেককে। বিকেলেও দেওয়া হয় একবার। দিনে আট টাকা করে পায় ওরা। এই বন-বাদাড়ে যা পায়, তাই-ই যথেষ্ট। ভিখিরির আবার পর্যাপ্ত অপর্যাপ্ত কী? এই-ই না পেলে তো না খেয়েই থাকত।

    দু নম্বর বয়লারটা গোলমাল করছে। কতদিনই বা এই দাসত্ব করবে বেচারিরা। ল্যাঙ্কাশায়ার বয়লার। একটা হরাইজেন্টাল, অন্যটা ভার্টিকাল। একশ ষাট পি সি আই-এর। পি সি আই মানে হচ্ছে, প্রেসার পার পাউণ্ড পার স্কোয়ার ইঞ্চ। বয়লার-এর ক্যাপাসিটি এই ভাবেই মাপা হয়। বয়লার ইনসপেকশানের দিনও এগিয়ে এল। দু নম্বর বয়লারটার একটা হিল্লে করতে হবে। দুটি মেকানিকাল সিভও এরাটিক-বিহেভিয়ার করছে। যন্ত্রদের মধ্যেও বোধহয় মনুষ্যত্বর উন্মেষ হচ্ছে। কবে না আবার বোনাস-টোনাসও চেয়ে বসে। দিনকাল খুবই খারাপ। বলা যায় না কিছু। কোম্পানির পার্সোনেল ম্যানেজার বলছিলেন।

    দু নম্বর বয়লারের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল পৃথু, এমন সময় বড় সায়েবের খাস বেয়ারা এসে সেলাম করল ওকে। বলল যে, উধাম সিং সাহেব সেলাম দিয়েছেন।

    ভগুয়াকে স্টপ ককগুলো ভাল করে চেক করতে বলে, পৃথু উধাম সিং-এর ঘরে গেল অফিস বিল্ডিং-এ। দেখল, ঘর একেবারে ভর্তি। তার মধ্যে, একজনকেই শুধু চিনল। সেনট্রাল এক্সাইজ-এর ইনসপেক্টর। প্রতি মাসে অ্যাকাউন্টস অফিসে এবং কারখানাতে এসে খাতা-টাতা চেক করে সই করে দিয়ে যান। সঙ্গের লোকজনদের দেখে মনে হল, সকলে ওঁর সঙ্গেই এসেছেন। একজন মহিলাও আছেন। সঙ্গে দুজন হৃষ্টপুষ্ট চেহারার হোমরা-চোমরা লোক।

    উধাম সিং আলাপ করিয়ে দিলেন, এই-ই যে, যাঁর কথা বলছিলাম, পি ঘোষ মানে পিরথু ঘোষ। আর ইনি হলেন দুঙ্গার সিং। সেনট্রাল এক্সাইজের বড় সাহেব। আর মিসেস সিং। ইনি, মিঃ নাগবেকার। ঘোষ, ভাই তুমি মিস্টার এণ্ড মিসেস সিংকে নিয়ে ফ্যাক্টরিটা ঘুরিয়ে দেখিয়ে দাও। মিসেস সিং একজন লেখিকা। ইনি শেল্যাক ফ্যাক্টরির ব্যাকগ্রাউন্ডে একটি নভেল লিখছেন। যদিও ওঁর নভেলের ব্যাকগ্রাউন্ড মহারাষ্ট্র, তবু যে-কোনও ফ্যাক্টরি দেখলেই কিছু ধারণা হবে।

    ভাগ্যিস লিখছেন! পৃথু বলল। নইলে কি আর পায়ের ধুলো পড়ত এই গরিবখানায়। কী বলেন মিসেস সিং?

    মাঝে মাঝে পৃথুও রুষার মতো ভাল কথা বলে। বিশেষ করে, সৌন্দর্য-মোহিত হলে।

    যদিও মিসেস সিং সত্যিই সুন্দরী বলতে যা বোঝায় তেমন নন। বয়সে, রুষাদেরই মতো হবেন। তবে, বুদ্ধি ও রুচিজনিত একরকম আলগা শ্রী তাঁর মুখমণ্ডলে লেগে আছে; প্রসাধনেরই মতো।

    লজ্জার হাসি হেসে তিনি উঠে দাঁড়ালেন।

    বললেন, আপনাকে কষ্ট দিচ্ছি; মিস্টার ঘোষ।

    নট অ্যাট ওল।

    বলল, পৃথু।

    মনে মনে বলল, ভারী সরকারী অফসর-এর স্ত্রীদের মধ্যে এমন স্বাভাবিক সৌজন্য দেখা যায় না আজকাল। এখনও এদেশে অনেক কিছুই ভাল আছে। নইলে দেশ বোধহয় চলত না; থেমে যেত। যারা বলে এদেশ থেমে যাবে, থেমে গেছে; তারা ভুল বলে।

    সিং সাহেব স্ত্রীকে বললেন, তুমিই যাও। আমি তোমার বই পড়েই সব জেনে নেব, যা জানি না; যখন লিখবে। ল্যাক-এর গন্ধটা আমার সহ্য হয় না। বমি আসে, বিশেষ করে লিকুইড এবং সেমি-লিকুইড ফর্ম-এ যখন থাকে। তোমার জন্যে ইতিমধ্যে চা-টা’র ইন্তেজাম করছেন উধম সিং সাহাব। বেশি দেরি কোরো না। তুমি না এলে, আমরা কিন্তু শুরু করতে পারব না।

    মিসেস সিং খুবই সপ্রতিভ মহিলা। ওঁকে সঙ্গে করে নিয়ে কারখানার ভিতরে যেতে যেতে পৃথু ওঁকে জিজ্ঞেস করল :

    কোন ভাষায় লেখেন আপনি?

    হিন্দিতে। ইংরিজিতেও লিখি। তবে, ক্রিয়েটিভ লেখাটেখা নয়। প্রবন্ধ-টবন্ধ। মিস্টার উধাম সিং তো আমাকেও বলেছিলেন আপনিও নাকি লেখালেখি করেন।

    পৃথু লজ্জা পেয়ে বলল, সে বলার মতো কিছুই নয়। আমার কথা থাক। বলুন মিসেস সিং, আপনি কী কী জানতে চান।

    সবই বলুন। সব শুনে, যতটুকু জানতে চাই না; সেটুকু বাদ দিয়ে নেব।

    সব বলব?

    বলেই, হেসে ফেলল পৃথু।

    তার চেয়ে আপনি প্রশ্ন করুন।

    তা করছি। কিন্তু প্রশ্নর বাইরে কিছু থাকলে তা কিন্তু আপনি নিজেই বলে দেবেন।

    আচ্ছা! ওই দেখুন! ওই যে দেখছেন স্তুপ করে রাখা আছে, ওইগুলোকে বলে স্টিক-ল্যাক। চার রকমের ল্যাক আসে কারখানাতে। বৈশাখী, জেঠুয়া, কাতকি আর কুসমি। পলাশ, জংলি ফুল, কুসুম এবং নানা হরজাই গাছে হয় ল্যাক। যেমন করে আম বা লিচুর কলম বাঁধে গাছে, তেমন করে ল্যাকসুদ্ধ গাছের ডাল সুতো দিয়ে বা দড়ি দিয়ে এইসব গাছে বেঁধে দেয় আদিবাসীরা। মানে, বীজেরই মতো। তারপর বলল, আরও একটু পরিষ্কার করে বলি, আম বা লিচু গাছে কলম বাঁধা দেখেছেন তো!

    হ্যাঁ।

    মনে করুন ওই রকমই। ফিরে যাবার সময় ভারী জঙ্গলে গিয়ে পড়ার আগে লক্ষ্য করবেন পথের দু’পাশে, দেখতে পাবেন; গাছে গাছে এমন কলম বা বীজ। সেই বেঁধে-দেওয়া ডাল থেকে লাক্ষার পোকা সারা গাছে ছেয়ে যায়। মেয়ে পোকাগুলোও গাছের ডাল আঁকড়ে অনড় থাকে আর পুরুষ পোকারা অনবরত ডালে ডালে, উপরে নীচে ঘোরাঘুরি করে মেয়েদের গর্ভবতী করে। তখন মেয়ে পোকাগুলো তাদের শরীরের অসংখ্য ছিদ্র দিয়ে ল্যাক রেজিন বের করতে থাকে। এই সময়ে তারা অনড় অবস্থাতে থাকে বলেই ওই সময়টা গাছের ডাল থেকে রস শুষে খেয়ে বাঁচে। এইভাবে লক্ষ লক্ষ ল্যাকের পোকা গাছময় ছেয়ে থেকে তাদের রসের পরতের পর পরতে ঢেকে দেয় গাছের প্রশাখাগুলোকে। যখন এই ক্ষরণ সম্পূর্ণ হয় তখন শাখা-প্রশাখার উপর প্রায় পৌনে এক ইঞ্চিমতো প্রলেপ পড়ে যায়। আদিবাসীরা সেই প্রলেপ দেওয়া ডাল কেটে নেয়, জীবন্ত ও মৃত পোকাসুদ্ধ। সেই ডালপালাকে টুকরো টুকরো করে কেটে তারা বিক্রি করে। এইগুলোকেই বলে স্টিক-ল্যাক। কেউ কেউ বা গাছের ডাল থেকে ল্যাক চেঁচে নিয়ে আলাদা করেও বিক্রি করে। ন্যাচারালী, তার দাম বেশি পায় তারা স্টিক-ল্যাক থেকে।

    এই যে চার রকম নাম বললেন, এর মানে কী? বৈশাখ মাসেই কী বৈশাখী ক্রপ ওঠে?

    মিসেস সিং শুধোলেন।

    না, না। বৈশাখ মাসে আদিবাসীরা যে বীজ লাগায় গাছে, সেই গাছের ল্যাক যখন তৈরি হয়ে গিয়ে বিক্রির জন্যে পাহাড় জঙ্গলের বস্তির হাটে আসে, তাকেই ‘বৈশাখী’ বলে। তেমনই আবার জ্যৈষ্ঠ মাসে বীজ লাগানো হলে বলে ‘জেঠুয়া’, কার্তিক মাসে হলে বলে ‘কাতকি’। আর কুসুম গাছে যে বীজ লাগানো হয়, তাকেই বলে কুসমি।

    বাঃ। বুঝলাম।

    মিসেস সিং বললেন।

    এবার আপনারা কী করে শেল্যাক বানান ল্যাক থেকে তা বলুন!

    বলছি। বলে, পৃথু ওঁকে নিয়ে ক্রাশার প্ল্যান্টের সামনে এসে দাঁড়াল। বলল, ওই দেখুন, স্টিক ল্যাকগুলোকে ওখানে ক্রাশ করা হচ্ছে। ক্রাশার মেশিনে। মেকানিকাল সীভস অর্থাৎ যান্ত্রিক ছাঁকনি স্টিক-ল্যাক থেকে কাঠ এবং অন্যান্য ইমপিউরিটিস আলাদা করছে কী করে, তা দেখুন। আলাদা করা হয়ে গেলে, ওই দেখুন ওয়াশার ব্যারেলস-এ ল্যাক-এর গ্রেইনসগুলোকে কীভাবে ধোওয়া হচ্ছে।

    শুধুই জল দিয়ে ধোওয়া হয় বুঝি? এত জল পান কোথায় এমন রুখু জায়গায়?

    জল পাই, নদী থেকে। পুনপুনিয়ার নালা থেকে পাম্প করে পাইপলাইনে করে জল আনা হয়। সেখানে পাম্প বসানো আছে। কারখানাতেও পাম্প আছে, ওভারশেড ট্যাঙ্ক জল তোলে সেই পাম্প।

    জঙ্গলের মধ্যের নালাতে পাম্প! চুরি হয়ে যায় না? আমার বাড়ির পাম্পই তো দুবার চুরি হয়ে গেল।

    পাহারা থাকে। নইলে, চুরি নিশ্চয়ই হত। এদিকের জঙ্গলের আদিবাসীরা সব সৎ। চুরি করলে এই টাউনের লোকরাই করবে। চলুন, আরও একটু আগে চলুন। ওঃ, বলা হল না আপনাকে, শুধু জল দিয়েই নয়, জলের সঙ্গে সাজিমাটি দিয়েও ল্যাক পরিষ্কার করা হয়।

    সাজি মাটি! কোথা থেকে পান? নর্মদা? সাজি মাটি তো পলিই, তাই না?

    পলিই। তবে আমরা নর্মদা থেকে আনি না। আনতে হয় কানপুর থেকে। গঙ্গার পলি। ট্রাকে করে আসে এখানে।

    তারপর?

    স্টিক-ল্যাক ধুয়ে পরিষ্কার করার পর যে পদার্থটি বেরোয় তাকে বলা হয় সীড-ল্যাক। এই সীড-ল্যাক পরিষ্কার এবং শুকনো করা হয় ম্যানুয়ালী। তৈরি হয়ে গেলে, সীড-ল্যাক হয় ওই ভাবেই রেখে দেওয়া হয় এক্সপোর্ট করার জন্যে; নয়তো ওই থেকেই আবার শেল্যাক তৈরি করা হয় কারখানায়।

    শেল্যাক কী করে তৈরি করেন?

    শেল্যাক প্ল্যান্টেই তৈরি করি। হাইড্রলিক প্রেস আছে। তাতে স্টীমের সাহায্যে স্টিক ল্যাককে গলিয়ে ফেলে শেল্যাক তৈরি হয়। চলুন, দেখাব আপনাকে। একশো কেজি স্টিকল্যাক থেকে পঞ্চাশ কেজি মতন সীডল্যাক বেরোয়। আবার একশো কেজি সীডল্যাক থেকে আশি-পঁচাশি কেজিমতো শেল্যাক হয়। বাকিটা ওয়েস্ট প্রডাক্ট হিসাবে থেকে যায়। তাকে বলে, কিরি।

    কিরি?

    হ্যাঁ।

    অদ্ভুত নাম তো। মজারও বটে!

    হ্যাঁ। খুব সম্ভব আর্মেনিয়ানদের দেওয়া নাম। আর্মেনিয়ান ভাষায় হয়তো এর কোনও মানেও আছে। কিরি থেকে আবারও শেল্যাক বের করা হয়, সলভেন্ট প্রসেসে। স্পিরিট এক্সট্রাকশান করে যে শেল্যাক বের করা হয় তাকে বলা হয় গার্নেট।

    গার্নেট? বাঃ। এও তো চমৎকার নাম তো!

    হ্যাঁ। আর জল এবং সোডা-সল্যুশান দিয়ে সেপারেট করে যে শেল্যাক বেরোয়, তাকে বলা হয় সোয়ানসন।

    কী বললেন? সোয়ানসন? সোয়ানসন কি কারও নাম?

    হ্যাঁ। আমাদের কোম্পানির পুরনো বড় সাহেবের নাম।

    বাঃ। ভদ্রলোককে তো অমর করে দিলেন আপনারা।

    সেই রকমই। আমাদের সবচেয়ে বড় কমপিটিটর হচ্ছে আচ্ছুরাম কালকাফ।

    জার্মান কোম্পানি একটি। এখন ফেরা অ্যাক্ট-এর আওতাতে এসে আমাদের কোম্পানিরই মতো ভারতীয় হয়ে গেছে। তবে, আমাদের যেমন ইংলিশ ডিরেক্টর আছেন, ওঁদের আছেন জার্মান ডিরেক্টর। বিহারের মুরহুতে, রাঁচির কাছে, এবং ওয়েস্টবেঙ্গলের পুরুলিয়ার ফালদাতে তাঁদের কারখানা আছে। ওই ফেরা কোম্পানির বর্তমান মালিক সোহনলাল ব্যাহল খুবই ধার্মিক লোক। তিনি আবার তাঁদের কোম্পানির এই প্রডাক্ট এর নাম দিয়েছেন “গোপাল”। ইন্ডিয়ান লীডিং এক্সপোর্টারও তাঁরা শেল্যাক-এর। ওই “গোপাল” নামই সারা পৃথিবীতে এখন চালু হয়ে গেছে।

    হ্যাঁ। আমাদের কারখানাতে আমি চেষ্টা করছি ব্লীচড ল্যাক করবার, ক্লোরিন এবং সোডা প্রসেসে। ডি-ওয়াক্সড শেল্যাকও ইন্ট্রড্যুস করার ইচ্ছে আছে শিগগিরই।

    মিসেস সিং বললেন, বাঃ।

    পৃথুর খুব ভাল লাগছিল ভদ্রমহিলার ঔৎসুক্য দেখে। তার নিজের স্ত্রীর কথা না হয় বাদই দিল, এই শেল্যাক ফ্যাক্টরিতে যাঁরাই কাজ করেন, তাঁরা সকলেই নেহাৎ পেটের দায়েই ল্যাক-শেল্যাক তত্ত্ব সম্বন্ধে অবগত আছেন। সকলের স্ত্রীরা হাটচান্দ্রাতেই এতদিন থাকা সত্ত্বেও তাঁদের কারও মধ্যেই এমন ঔৎসুক্য লক্ষ করেনি ও। জানার ইচ্ছা আর ঔৎসুক্যই তো মানুষকে তার ইতিহাস এত দূরের এত দুর্গম সব অজানা পথ অতিক্রম করিয়ে নিয়ে এসেছে! ইতিহাস অন্তত তাই-ই বলে। ভাবছিল পৃথু। নিরুৎসুক মানুষ তো মৃত মানুষই। যদিও উধাম সিং-এর অনুরোধে এই কর্তব্য করছে পৃথু, তবু ব্যাপারটাতে কোনওই গন্ধ পাচ্ছে না কর্তব্যর; প্রশ্নকর্ত্রীর সহজ, আন্তরিক এবং সপ্রতিভ উৎসাহরই কারণে।

    আমাদের দেশে তো লাক্ষা অনেকদিন থেকেই তৈরি হচ্ছে, তাই না?

    নিশ্চয়ই।

    কী কী কাজে লাগত এ, প্রাচীন ভারতবর্ষে?

    গয়না তৈরি হত, খেলনা তৈরি হত, আলতা তৈরি করতে লাগত লাক্ষা, রঙ তৈরি করতেও লাগত। এখনও লাগে। ঊনিশশো ঊনপঞ্চাশ সন অবধি এদেশের সব গ্রামোফোনের রেকর্ডও তৈরি হত এ দিয়ে।

    তাই-ই বুঝি? আর এখন? এখন হয় না?

    এখন তো সিন্থেটিক মেটেরিয়ালেই হয়। পলী-ভিনীল-ক্লোরাইড। এবং অ্যাসিটেট।

    এক্সপোর্ট হয় অনেক, না? লাক্ষা?

    ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সতেরোশো ছাপ্পান্ন থেকে লাক্ষা রপ্তানি করছে ইংল্যান্ডে। আঠারশো পঞ্চান্নতে ইংরেজ-ইটালিয়ান কোম্পানি কলকাতার অ্যাঞ্জেলো ব্রাদার্স শেল্যাক তৈরি করা বোধহয় প্রথম আরম্ভ করে। ঊনিশশো বিরাশিতে শ্রমিক বিরোধের কারণে সেই কোম্পানি বন্ধ হয়ে যায়।

    ওয়েস্ট বেঙ্গলের তো এখন এই-ই ট্রাডিশান শুনতে পাই।

    তাই-ই তো শুনি এদিকে বসে। নিজে সেখানে থাকলে ঘটনাটি সত্যিই যে কী তা বোঝা যেত।

    কোন কোন দেশ আমাদের এখান থেকে ইমপোর্ট করে শেল্যাক?

    ইউ এস এ, ইউ এস এস আর, পশ্চিম জার্মানী, ইউ কে, ইজিপ্ট, পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না, ইন্দোনেশিয়া এবং আরও অনেক দেশ।

    বাঃ বাঃ! এই সব দেশ করে কী শেল্যাক দিয়ে?

    অনেক কিছুই করে। ভার্নিশ, পেইন্ট, ইলেকট্রিক ইনসুলেশ্যান, মাইকা বোর্ডিং, প্রিন্টিং-ইঙ্ক এবং ফার্মাসিউটিকাল কোটিংস। আপনারা যে ওষুধের ক্যাপসুল-এর উপর কোটিং দেখেন, তাও এই শেল্যাক এরই।

    সে কী? খাওয়ার জিনিসে?

    হ্যাঁ। শেল্যাক একেবারেই অখাদ্য তা ভাবছেন কেন? এইবার ডানদিকে চলুন। হাইড্রলিক প্রেসের দিকে। ইউ এস এ-তে এবং ওয়েস্ট-ইউরোপিয়ান দেশগুলিতে তো ফল এবং নানারকম খাবারের উপরেও কোটিং হিসেবে ব্যবহার করছেন ওঁরা এখন শেল্যাক। নিয়মিত।

    কী খাবার?

    চকোলেটের উপরটা যে চকচক করে, আপেলের যে জেল্লা, ওঁরা এখন তা, এই শেল্যাক দিয়েই দিচ্ছেন। ফল এবং খাবারের প্রিসার্ভেটিভ হিসেবেও এর গুণ স্বীকৃত হয়েছে। বইয়ের মলাটেও ঢালাওভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে শেল্যাক। আমাদের দেশেও হচ্ছে।

    সত্যি!

    অবাক হয়ে বললেন মিসেস সিং।

    এমন সময় উধাম সিং-এর খাস বেয়ারা আবার দৌড়ে এল। পৃথুকে বলল, সামোসা আর চা ঠাণ্ডা হয়ে যাচ্ছে, মেমসাহেবকে নিয়ে তাড়াতাড়ি যেতে বললেন বড় সাহেব।

    চলুন তাহলে মিসেস সিং! এতেই আপনার কাজ হবে আশা করি। তাছাড়া আপনারা যারা লেখেন-টেখেন তাঁদের ইমাজিনেশান বলেও তো একটা ব্যাপার থাকে!

    তা জানি না, তবে জ্ঞান তো একটু হল না, অনেকই হল! একসঙ্গে এত জ্ঞান হলে একই সঙ্গে সবটুকু জ্ঞান দিয়ে দেবার প্রবণতাও আসতে পারে নেশাতে। ফিকশান তো আর প্রবন্ধ নয়। তাই, সব জ্ঞান একসঙ্গে দিতে নেই; একটু একটু করে গল্পের মধ্যে মধ্যে মিশিয়ে দিতে হয়।

    বাঃ। ভাল বলেছেন। জানা রইল। তবে, লিখতে বসে যদি আটকে যান তখন আরও কিছু জানার থাকলে নিঃসঙ্কোচে চিঠি লিখবেন আমাকে। জানিয়ে দেব। চলুন, এবারে নামতে হবে। দেখবেন, উৎরাই আছে এ জায়গাটাতে। পা মচকে যায় অনেকের।

    ঠিক আছে।

    বলে, শাড়িটা সামান্য তুলে নিয়ে নামলেন মিসেস সিং। পায়ের পাতা এবং গোড়ালিটি ভারী সুন্দর। লক্ষ করল পৃথু।

    অদ্ভুত মানুষ ও একটা। পৃথু ভাবল মেয়েদের শরীরে ছড়ানো-ছিটানো এত কিছু সৌন্দর্য থাকে তবু ও চিরদিনই মুখ ছেড়ে; পা, দেখে হাতের আঙুল, আর পায়ের গড়ন, চিবুক আর দাঁত দেখেই প্রেমে পড়ল। গত জন্মে বা অনেক জন্ম আগে ও নিশ্চয়ই চীনদেশে বাস করত। অথবা হাঙ্গর কিংবা ওয়ালরাস ছিল।

    মিসেস সিং বললেন, আর একটা কথা জিজ্ঞেস করব। যা এক্সপোর্ট হয় তার সবই কি শেল্যাক?

    না, না। সব নয়। তবে বেশিটাই। গত বছরে, পাঁচ হাজার মেট্রিক টন শেল্যাক, এক হাজার মেট্রিক টন সীডল্যাক এবং দুশো টন কিরি এক্সপোর্ট হয়েছিল।

    ভারতবর্ষ ছাড়া অন্য কোথাও হয় না ল্যাক?

    হাসল, পৃথু।

    বলল, হয় বৈ কি! তবে, শতকরা ষাট ভাগই ভারতবর্ষে হয়। পঁয়ত্রিশ ভাগ হয়, থাইল্যান্ডে। আর পাঁচ ভাগ পীপলস রিপাবলিক অফ চায়নাতে।

    ভারতবর্ষের বেশি শেল্যাক কি মধ্যপ্রদেশেই হয়?

    না, না। ভারতের মধ্যে ষাট ভাগই হয় বিহারের পালামৌ, রাঁচী আর সিংভূম জেলাতে। ওয়েস্ট বেঙ্গলের পুরুলিয়াতেও হয়। এছাড়া বাকিটা ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের কিছু জায়গা এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে অন্যান্য রাজ্যে। যেখানে জঙ্গল আছে।

    একটু থেমে বলল, ল্যাক ছাড়াও এখানে খুব ভাল সামোসা আর কালা-জামুনও হয়। আশা করি উধাম সিং সাহেব আপনাদের কাছে নমুনা পেশ করবেন।

    মিসেস সিং হেসে উঠলেন।

    বললেন, যা হাঁটালেন এতক্ষণ, চড়াইয়ে উৎরাইয়ে। খিদে যে একটু পায়নি, তা বলব না। তারপর এতটা পথ গাড়িতেই এসেছি। সামোসা এবং কালা-জামুন ‘বৈশাখী’ না ‘জেঠুয়া’, না ‘কাতকি’ না ‘কুসমি’ তাও কী এখন পরীক্ষা করে দেখতে হবে?

    মিসেস সিংকে নিয়ে পৃথু উধাম সিং-এর অফিসে ঢুকল।

    অনুমানে একটু ভুল হয়েছিল ওর। সামোসা ছিল। কিন্তু কালা-জামুনের বদলে বড় বড় ডবকা লাড্ডু; লাড্ডুর দোকানের।

    ইয়ে ভি হিঁয়াকা কিমতি চিজ। পৃথু কালাজামুনের অভাব মেটাতে মিসেস সিংকে বলল।

    লাড্ডুর অসাধারণ সঙ্গীত-প্রতিভার কথা হাটচান্দ্রাতে রাষ্ট্র হয়ে যাবার পর ওর দোকানের লাড্ডুর কদর আরও বেড়ে গেছে। ভয় হচ্ছে, হৃদয় নিঙরানো গানের চেয়েও দোকানের লাড্ডুরই ইজ্জৎ বেশি না হয়ে যায় শেষে!

    মিসেস সিংকে পৌঁছে দিয়েই ওঁদের সকলের অনুরোধের উত্তরে আসছি বলে কারখানায় চলে গেল পৃথু। এই সময়ে কাজের খুবই চাপ থাকে। শেল্যাক ইন্ডাস্ট্রিটাই সীজনাল। জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে প্রডাকশন বন্ধ থাকে। যদিও কারখানা বন্ধ থাকলেও কাজ বন্ধ থাকে না। মাল চালান যায়। তখন পৃথুর কাজ আরও বাড়ে। প্লান্ট, থরোলী রিপেয়ার করতে হয়, মেইনটেনান্স, ডেভেলাপমেন্ট, কন্সট্রাকশন সব কিছুই সেই সময়ই। মেকানিকাল এঞ্জিনীয়ার হলেও জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ সবই করে ও। এই কারাখানাকে, ওর রুজির স্থানকে, ঘেন্না যেমন করে, তেমনই তীব্রভাবে এক ধরনের ভালবাসাও আসে। কারণ, ওর নাম পৃথু ঘোষ; দ্যা লাউজিয়েস্ট পাজল; সিন্স দ্যা ডিসকভারী অফ পাজলস্। যাই-ই যখন করে, তখন তা খারাপ করে করতে পারে না ও। কোনও কিছুই। বয়লার মেরামতি থেকে রুষাকে আদর করা পর্যন্ত। পৃথু ঘোষ-এর চরিত্রর এইই একটা দিক। দোষের অথবা গুণের।

    কী সুন্দর সুন্দর নাম সব। দুর্গন্ধ কারখানার মধ্যে ওই নামগুলোই এক ধরনের রোমান্টিকতা বয়ে আনে। গার্নেট অরেঞ্জ; লেমন এবং বাটন ল্যাক। ‘কাতকি’, ‘জেঠুয়া’, ‘বৈশাখী’, ‘কুসমি’।

    সে যাই-ই বলুন, ওর এই দেশটা ভারী সুন্দর। আর সুন্দর এই দেশের সাধারণ সব গরিব, সরল অশিক্ষিত মানুষগুলো। এদেশের শিক্ষিত আর বড়লোকগুলোই দেশটাকে ডুবিয়ে দিল। শহরের মানুষগুলো, বাদামি, লোভী এই নব্য ভারতের সাহেবরা!

    ব্যতিক্রম আছে। অবশ্যই আছে। ব্যতিক্রম তো প্রমাণ করে যে, সাধারণ সত্যি!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article ঋজুদা সমগ্ৰ ৫ – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }