Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প1301 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৫. জবলপুরের মিলিটারী হাসপাতালের বারান্দা

    ৪৫

    ঠুঠা বাইগা জবলপুরের মিলিটারী হাসপাতালের বারান্দার থামে হেলান দিয়ে বসেছিল। রাত হয়ে গেছে। ভিজিটিং আওয়ার্স শেষ। গিরিশবাবু, সাবীর মিঞা, শামীম মিঞা, ভুচুবাবু, হুদা এরা সকলেই জবলপুরে এসেছেন। সাউথ সিভিল লাইনস্-এ পাচপেভিতে গিরিশদার এক আত্মীয়ের বাড়িতে উঠেছেন গিরিশদা ঠুঠাকে নিয়ে। সাবীর মিঞা, ভুচু ও হুদা উঠেছে একটি সস্তার হোটেলে। স্টেশানের কাছাকাছি। রুষা ও ছেলেমেয়েরা উঠেছে শাহ-ওয়ালেসের গেস্টহাউসে।

    ঠুঠা শুনেছে যে আজ সকালেই পৃথুর ডান পাটা হাঁটুর অনেকখানি উপর থেকে কেটে বাদ দিয়ে দিয়েছে। পেটে যে গুলিটা লেগেছিল সেটা মারাত্মক হয়নি। ডানদিকের পেট আর বুকের মাঝের মাংস ছুঁয়েই চলে গেছে। শিরা, মাংসর সুতো এসব ছিঁড়ে-খুঁড়ে গেছে। ডাক্তাররা বলছেন, বেঁচে উঠবে পৃথু। ইনিশিয়াল শক-এই মৃত্যু যখন হয়নি। তবে কম করে তিন চার মাস তো হাসপাতালে থাকতে হবেই।

    এখনও জ্ঞান ফেরেনি পৃথুর। পাটা কেটে বাদ দেওয়ার পর।

    গিরিশদা গাড়িতে বসে ছিলেন। পিছনের দরজা খুলে নেমে এসে ঠুঠাকে বললেন, চলো, আমরা যাই ঠুঠা। মিলিটারী হাসপাতাল। এখানের আইনকানুন খুব কড়া। আর বসে থেকে করবেটাই বা কী? বলো? আমাদের করার তো কিছুই নেই।

    উঁ?

    ঠুঠা বলল।

    তারপর বলল, কোথায় যাব?

    আমার সঙ্গে। আমরা যেখানে উঠেছি, সেখানে যাব।

    ঠুঠা উঠল। এতক্ষণ থামে হেলান দিয়ে বসেছিল বলে বুঝতে পারেনি। দাঁড়াতেই বুঝতে পারল যে, ওর দু পায়ে কোনও জোরই নেই।

    রক্ত দিয়েছিল ওরা প্রত্যেকেই। শুধু ঠুঠাই দিতে পারেনি। ওর রক্তের সঙ্গে নাকি পৃথুর রক্তের মিল নেই। কী যে বলে এই ডাক্তারগুলো। যে, পৃথুকে কোলে পিঠে করে মানুষ করল, যার সঙ্গে শিশুকাল থেকে পৃথু সবচেয়েই বেশি পরিচিত, তার সঙ্গেই নাকি রক্তের মিল নেই! বোঝে না এ সব ব্যাপার স্যাপার। পৃথুর জন্যে ওর শরীরের সব রক্তই দিয়ে দিতে পারত ঠুঠা বাইগা অথচ এক ফোঁটা রক্তও লাগল না কাজে। ভুচু, গিরিশদা, সাবীর মিঞা, শামীম ওরা সব তো দু দিনের চিড়িয়া। কতদিন হল চেনে এরা পৃথুকে?

    চলো।

    বলে গিরিশদা হাত ধরে নিয়ে চললেন ঠুঠাকে। প্রবল প্রতাপান্বিত একটি কালো ধুম্‌সো ভারী প্যান্থারের মতো চিরযুবক ঠুঠার এইই প্রথম মনে হল যে, তারও বয়স হয়েছে। ঠুঠা এই সন্ধেবেলাতেই প্রথমবার বুঝতে পারল যে, মানুষের শরীর বুড়ো হলেই মানুষ বুড়ো হয় না। বুড়ো হয়ে যায় মনের জোর কমে গেলে। পৃথুর জীবনের ভয়টা এখন যখন কেটে গেছে তখন ঠুঠা এবারে জঙ্গলেই চলে যাবে। এবার বাকি জীবন তার গ্রামের খোঁজ করবে অনেক দূরের অচিন অচেনা-গন্ধ আকাশে ডাল-পালা-ছড়িয়ে দেওয়া একটি কালো গাছ ফিরে যাবে এবারে তার নরম, চিরচেনা-গন্ধর কোমল নিভৃত সুগন্ধি মাটিতে। যেখানে ওর জন্ম। যেখানে ওর মৃত্যু নিহিত আছে।

    ভুচু হোটেলের ঘরে সাবীর মিঞা আর শামীম মিঞার সঙ্গে বসেছিল। হুদাও ছিল। সিগারেট ধরিয়ে রাম-এর বোতল খুলে বসেছিল। হুদাকেও দিয়েছিল একটু গ্লাসে ঢেলে। যা গেছে, সকলের উপর দিয়ে।

    হুদা, ভুচুর সামনে না খেয়ে, বারান্দার চেয়ারে গিয়ে বসেছিল। দু রাত ঘুম হয়নি। চোখ জ্বালা করছে। এবারে ক্রীসমাস ঈভটা ভালই কাটল। মনে থাকবে সারা জীবন।

    সারা দিন রিপোর্টাররা জ্বালিয়েছে। খবরের কাগজের পাহাড় টেবলের উপর। ভারতবর্ষের সব জায়গার কাগজে এই খবর বেরিয়েছে। পৃথুর ছবিতে ছবিতে ছয়লাপ। ভুচু, শামীম, ঠুঠা এবং মৌলভীর নামও বেরিয়েছে। খবরের কাগজেরই উপর দুটি কনুই রেখে হাতের তেলোর উপর মুখ রেখে বসেছিল ভুচু।

    ভুচু কিন্তু একটুও খুশি হয়নি পৃথুদার প্রাণটা বেঁচে গেল বলে! একে কি বাঁচা বলে! পৃথুদার মতো একটা মানুষ, যে মানুষ এক ঝটকায় জীপে উঠত, এক ঝটকায় নামত, রাইফেল বা বন্দুক হাতে নিলে এখনও এক ঝলকে কোমর ঘুরিয়ে এমন ফ্লাইং মারতে পারত, স্কীট এবং ট্র্যাপের বড় বড় মাস্তানরা পর্যন্ত হাঁ করে থাকত দেখে। একবার ওলিম্পিক-এর ট্রায়ালে ডেকেছিল পৃথুকে দিল্লি থেকে। সফদারজাং এয়ার পোর্টের রেঞ্জ প্রাকটিস হত। সেখানেই পৃথুদার সঙ্গে গিয়ে আলাপ হয়েছিল ভুচুর মতো ফালতু একজন ছেলেরও বিকানীরের মহারাজা কার্নি সিং এর সঙ্গে। সব সময় হালকা সোনার ফ্রেমের সান গ্লাস পরে থাকতেন। ফর্সা, মোটা-সোটা মানুষটি। হাসিখুশি কোটার মহারাজার সঙ্গেও। জনপথ হোটেলের কাছেই বাড়ি ছিল ওঁর। বিরাট এয়ারকন্ডিশন্ড গীয়ার-ছাড়া গাড়ি করে দুদিন লিফট দিয়েছিলেন পৃথুকে উনি। পৃথুর সঙ্গে ছিল হাওড়ার দাশনগরের আলামোহন দাশ-এর বড় ছেলে প্রভাত দাশ। তার দু ভাই রবি আর চাঁদু। আর আসানসোলের কলিয়ারির মালিক প্রণব রায়। আরও কত সব নামী নামী মানুষ। পৃথুদা সকলেরই ভালবাসার এবং সম্মানের ছিল। অথচ মানুষটা এমনই চরিত্রর যে মান-সম্মান পিঠ-চাপড়ানি এই সবই হাঁসের গায়ে জল পড়লে যেমন তা সঙ্গে সঙ্গে গড়িয়ে পড়ে যায় তেমনিই গড়িয়ে পড়ে যেত। ফিরে তাকিয়ে পর্যন্ত দেখেনি তা কোনওদিনও, কুড়িয়ে নিতে যাওয়ার কথা ছেড়েই দিল। ভুচু জানে যে, তার পৃথুদা ঠিক কোন চরিত্রর মানুষ। কোন জাতের মানুষ। পৃথুদার দাম খুব কম মানুষই দিয়েছে। এই দেশে, এই সংসারে মানুষকে মানুষের দাম দেয় কম লোকই। টাকা পয়সা, ডিগ্রী, ক্ষমতা এইই সব। অথচ এ সবকিছুই যার হাতের মুঠোয় ছিল, সেই মানুষটার সেই সবের কিছুর প্রতিই বিন্দুমাত্র মোহ ছিল না। যখন ভোগ করত তখন প্রচণ্ড ভোগী, যখন ত্যাগ করত তখন মহাত্যাগী।

    দিগা পাঁড়ে একদিন ভুচুকে বলেছিল একা পেয়ে যে, তোমাদের মধ্যে একমাত্র পিরথুবাবুর মধ্যেই মহাপুরুষের সব লক্ষণ আছে। পিরথুবাবু হচ্ছে গিয়ে ছুপা সাধক। আমরা যারা এই সব নিয়েই থাকি, আমরাও আত্মার উদারত্বর ব্যাপারে তার কাছে কিছুমাত্ৰই নই। পিরথুবাবুর হৃদয়টা হচ্ছে পানুয়ান্না টাঁড়ের মতো। চার দিক গিয়ে মিলেছে দিগন্তে। মধ্যে একটিও কাঁটা ঝোপ নেই। সবটাই সবুজ চিকন ঘাসে ভরা।

    শামীম মিঞা দরজা দিয়ে বাইরে চেয়ে ট্রাক আর সাইকেল রিকশার যাওয়া আসার আওয়াজে ডুবে ছিল। রাম-এর গ্লাসে চুমুক দিয়ে হঠাৎ বলল, তখন পর্যন্ত বলার সুযোগ পাইনি ভুচু কাউকেই, নুরজেহান কথা বলছে। জানো?

    কী বললে?

    চমকিত ভুচু এবং ইজিচেয়ারে আধোশোয়া সাবীর মিঞা হঠাৎই উঠে পড়ে সমস্বরে বললেন।

    হ্যাঁ। বলার সময় আর পেলাম কই? পিরথুদাদাকে নিয়ে এতক্ষণ যা গেল। সেদিন যেই না হুদা এসে রাত দুটোতে খবর দিল যে ডাকু মগনলাল খতম হয়েছে। পিরথুদাদাই খতম করেছে তাকে। অথচ পিরথুদাদাই বোধহয় বাঁচবে না তক্ষুনি নুরজেহানকে ধরে তার আম্মাজানকে অন্দরমেহাল থেকে নিয়ে এল। আমি আর হুদা একই সঙ্গে কথাটা বললাম নুরজেহানকে। নুরজেহান ঝরঝর করে কেঁদে ফেলল। তারপরই ওর ঠোঁট দুটো কাঁপতে লাগল। বলল কী জানো?

    কী?

    ভুচু শুধোল।

    বলল, পিরথু চাচাকো…খুদাহতাল্লাকি সব দোয়া…বলেই আবার কেঁদে উঠল। তারপর ঘরে গেল পিরথুদাদার জন্যে নেমাজ পড়তে।

    বাঃ বাঃ। এবার নুরজেহানের একটা শাদী দাও শামীম ভাই।

    ব্যাপারটা মসজিদের মহল্লার অনেকেই জেনে গেছে। কাফির, ডাকু মগনলাল আমার মেয়ের ইজ্জৎ নিয়েছে। ওকে কোনও সাচ্চা মুসলমান বিয়ে করবে না।

    ভারী গলায় কথা কটি বলেই শামীম গম্ভীর হয়ে গেল।

    ভুচু বলল, করবে। আমাদের হুদা অনেকদিনই হল নুরজেহানের প্রেমে পড়ে আছে। দয়ায় নয়, ভালবাসায়ই ও বিয়ে করবে। তুমি আমার কথা বিশ্বাস করো।

    ও-ওতো মুসলমান। ওরও তো ধর্ম আছে। ধর্ম মানা তো সকলেরই উচিত। শামীম বলল।

    দ্যাখো শামীম। তোমাদের এই সব গোঁড়ামিই কাল হল। জাত, আসলে দুটোই আছে পৃথিবীতে। ভাল আর মন্দ। ভালর দলে যারা পড়ে তাদের চেয়ে বড় আর কোনও ধর্মই নেই।

    হুদা ঠিকই বিয়ে করবে নুরজেহানকে আমি জানি।

    কী জানো তুমি?

    শামীম অবিশ্বাসের গলায় বলল।

    বলল, দেখো ভুচু ভাই। বদনসীবী-আদমীকো লেকর মজাক মত্ উড়ানা। ইয়ে ঠিক নেহী হ্যায়।

    ক্যা ঠিক নেহী হ্যায়? অন্ধা কাঁহাকা।

    চটে উঠল ভুচু।

    এই দু’রাত আর দু’দিন যা গেছে সকলের উপর দিয়ে, মেজাজ কারওই ঠিক নেই।

    গলা তুলে ডাকল ভুচু, হুদা!

    সাড়া নেই। বাইরে যা আওয়াজ! বাইরে বসে থাকলে, ভিতরের ডাক শোনা যায় না। জীবনেরই মতো। ভাবল ভুচু। জীবনেও বেশি মানুষই এমনি বাইরের বারান্দায় বসে কোলাহলের মধ্যেই কাটিয়ে দেয় সময়টুকু, ভিতরের ডাক তাইই আর শোনা হয়ে ওঠে না।

    বেল বাজাল ভুচু এবার।

    বেয়ারা এল। বলল, বরফ্ মাঙ্গাথা, হুয়া কেয়া? ঔর কিতনা টাইম লাগেগা জারা বরফ্ লানেমে।

    লায়া হুজৌর।

    ঔর শুনো, বাহারমে হামলোগোঁকো সাথথী বৈঠা হুয়া হ্যায়। উন্‌কো সালাম দেনা।

    জী!

    হুদা একটু পরে এল। চোখ লাল। ওরও চোখের পাতা মেলবার সুযোগ হয়নি গত বাহান্ন ঘণ্টা। হাতে রাম-এর গ্লাস।

    ভুচু বলল, বোসো। গ্লাসটা দাও। বলে, রাম ঢেলে দিল আর একটু গ্লাসে, তারপর বলল, রাতে আজ কী খাওয়া যায় হুদা? একে আমাদের বড়দিন তায় পৃথুদাকে জানে বাঁচিয়ে তোলা গেল।

    হুদা বলল, বাইরে গিয়ে খাব? জবলপুর শহরে খুব ভাল মটন বিরিয়ানি আর মোরগার চাঁব কোথায় করে তা আমি জানি।

    ছোড়ো বিরিয়ানীই খেতে হলে ভোপালের মদিনাতে। সাবীর সাহেব বললেন।

    মদিনা কোন মহল্লাতে? সাবীর সাহেব?

    ইব্র্যাহিমপুরাতে। ভাল খনা পাওয়া যায় আর এক জায়গাতেও যদিও একটু নোংরা ভিড়-ভাট্টার মধ্যে বাসস্ট্যান্ডের কাছে, ‘পাকিজা’ হোটেলে। লাল-কালো-সাদা খুসবুভরা চালের বিরিয়ানী, মধ্যে মধ্যে গোস্ত-এর টুকরো। অথবা পরোটা ও কালিজা। সঙ্গে বুরানি। ঘি-এর মধ্যে কালোজিরে সম্‌বার দিয়ে দইয়ের মধ্যে ঢেলে দেয়। আহাঃ। মধ্যে আবার আস্ত আস্ত পুদিনা পাতা। পাকিজা মালিকের নাম ‘মোবিন’। সকলে বলে, মোবিন, পেহলোয়ান। একটা স্কুটারের ফেলে-দেওয়া টায়ারের উপর দইয়ের এক বিরাট হাঁড়ি বসিয়ে মোবিন্ পেহ্‌লোয়ান বসে থাকে। চেহারাখানা পেহলোয়ানেরই মতো।

    ভুচু বলল, তাহলে কি নুরজেহানের শাদীর সময় আমরা ভোপালের পাকিজা থেকেই বাওয়ার্চি আনানোর বন্দোবস্ত করব শামীম ভাই?

    নুরজেহানের শাদীর কথাতেই হুদার মুখ কালো হয়ে এল।

    ও বলল, আমি বাইরে গিয়ে বসি দাদা।

    একটু দাঁড়াও হুদা। তোমার সঙ্গে একটু পরামর্শ আছে। এ বছরই নুরজেহানের বিয়ে দিতে চান শামীম ভাই।

    শামীম অবাক হয়ে ভুচুর চোখের দিকে তাকিয়েছিল।

    সাবীর মিঞা হুদার চোখের দিকে। দুষ্টুমির চোখে।

    বললেন, সাবীর মিঞা বেঁচে থাকতে হাটচান্দ্রাতে ভোপালের ‘পাকিজা’ হোটেল থেকে বাবুর্চি আনতে হবে?

    ভুচু বলল, হুদা, বিয়ের সবই ঠিকঠাক। একটাই মাত্র গোলমাল হচ্ছে।

    কী? দাদা?

    মুখ মাটির দিকে নামিয়ে হুদা বলল।

    পাত্রই ঠিক করে উঠতে পারছেন না শামীম সাহেব। মানে, পছন্দ করে উঠতে পারছেন না। পাত্র, ভাল ভাল পাত্র অনেকই আছে যদিও।

    আমি এ ব্যাপারে কী করতে পারি দাদা?

    তুমি যা করতে পারো তা হচ্ছে ওই পাত্রদের মধ্যে একজন হতে পারো। তোমার যদি ওই বিয়েতে মত থাকে তাহলে তোমার হয়ে নুরজেহানের বাবার কাছে উমেদারীটা আমিই করব। আর অন্য কোনও পাত্র যেন ধারে কাছে না আসে, তা আমি দেখব।

    হুদার কালো, কিন্তু মিষ্টি মুখটা লজ্জা আর খুশিতে বেগ্‌নে হয়ে গেল।

    মুখ নামিয়েই বলল, আমি যা রোজগার করি তাতে এক্ষুনি বিয়ে করা কি ঠিক হবে দাদা? নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে।

    সেটা তোমারই ব্যাপার। এমন সুন্দরী পাত্রী, বেহেস্তের হুরীর মতো মেয়ে তোমার মতো মোটর-মেকানিক পাত্রর জন্য বসে থাকবে না। আমরা যে লাইনের লোক, লোকে কি আমাদের মানুষ বলে মানতে চায় নাকি? মানুষই নই যেন আমরা, যেন শক-অ্যাবজর্বার।

    তাহলে…

    বলেই, হুদা ঘর ছেড়ে বাইরে চলে গেল।

    ভুচু ও সাবীর মিঞা ওর হাবে-ভাবে হেসে উঠল ও উঠলেন। শামীম শুধু উপরে দু হাত তুলে খুদাহর কাছে কি দোয়া মাঙ্গল, তা সেইই জানে।

    ভুচু বলল, শোনো শামীম ভাই, নিজে তো সারা জীবন হিরো-গিরি করলে। এমন দামাদ তোমাকে বেছে দিলাম যে, তোমার বুড়ো বয়সের জিম্মাদারী সেইই নেবে। তবে একটাই অনুরোধ দামাদের সঙ্গে কমপিটিশান দিয়ে নিজেও ছেলেমেয়ে প্যায়দা কোরো না। এবার একটা অপারেশান-টপারেশান করিয়ে ঈজ্জৎ বাঁচাও।

    শামীম হেসে ফেলল। সাবীর মিঞাও।

    এর আগেও একদিন বলেছিলাম সাবীর সাহেবকে। তোমরা যে-রেটে বাড়ছ তাতে তো এখানেই আবার পাকিস্তান বানিয়ে আমাদের দোবারা করে রিফুজি করে ছেড়ে দেবে। মতলব তোমাদের মোটেই ভাল নয় শামীম ভাই।

    শামীম বলল, ব্যসস, করো। আভভি। হুদা না শুন লে। ক্যায়া করতা হ্যায় তু ইয়ার? ভুচু বলল, হুদা শুননেসে ক্যা, ম্যায় তো চাহতা কি খুদাহ ভি শুন্ লিজিয়েগা।

    তারপর ভুচু বলল, হুদার মতো ছেলে হয় না। ওকে পরে আমি আমার পার্টনার করে নেব। গাড়ির মেকানিকের অবস্থা দিনে দিনে ভাল হতেই চলবে। গাড়ি কত বেড়ে যাচ্ছে প্রতি বছর, দেখছ না? পানওয়ালা মোমফুলি-ওয়ালারাও গাড়ি কিনছে। হুদার মতো ছেলে হয় না। স্বভাব চরিত্র, এতলাক তমদ্দুন সব একেবারে রহিস খানদানেরই মতো। নুরজেহানের মতো মেয়েও হয় না। সত্যিই বেহেস্ত্-এর হুরী-পরী। বাজে কেবল তার বাপটা। ব্যাটা বেকামকা আদমী। জিন্দগীমে স্রিফ একই কাম লিয়া—লড়কা-লড়কী প্যয়দা কর্‌না। ঔর চোরী করকে শিকার খেলনা। দেখো, মেয়ের বিয়ে হচ্ছে, এখন আবার প্রেম-ট্রেম কোরো না নতুন করে।

    তু বড়া ফালতু বকবকাতা হ্যায়।

    বলে হাসল শামীম। মেয়ের বিয়ের সম্ভাবনাতে উজ্জ্বল হয়ে।

    ভুচু সিরিয়াসলী বলল, এবার বিয়ের তারিখ ঠিক করে ফেলো শামীম ভাই, হাটচান্দ্রাতে ফিরেই।

    একটু হাসি, ঠাট্টা এবং অন্য আলোচনাতে এই দু’ দিনের অসহ্য টেনশন, চিন্তা-ভাবনা সবই কেটে যেতে লাগল।

    সাবীর সাহেব বললেন, আজ জলদি শো যাও সব। সুব্বে উঠ্‌কর পিরথুবাবুসে মিলকে চল্ না হোগা ওয়াপস্?

    হাঁ। ঔর আধা ঘণ্টেমে খা-পীকে শো যায়গা সব। খনাকে লিয়ে কহাঁ যাইয়েগা সাবীর সব?

    আররে ছোড়ো ইয়ার। সব্বে থকাহুয়া হ্যায়। হিঁয়াই খানা খাকে আজ জলদি শো যাও।

    হুদা।

    বলে ডাকল শামীম। খাবার অর্ডার ওইই দিক।

    হুদা যথারীতি শুনতে পেল না বাইরে বসে।

    ভুচুর আবারও মনে হল, বাইরে বসে থাকলে ভিতরের ডাক শোনা যায় না। জীবনেরই মতো। প্রায় সব মানুষই জীবনের বাইরের বারান্দায় বসে এমনই কোলাহলের মধ্যেই কাটিয়ে দেয় দামী সময়টুকু, ভিতরের ডাক তাইই পৌঁছয় না তাদের কানে। ভুচু নিজেও এইরকমই। চেনাজানা প্রায় সকলেই। শুধু পৃথুদাই অন্য রকম।

    একমাত্র পৃথুদাই।

    পামেলাকে একটা ফোন বুক করেছে। কখন যে পাওয়া যাবে লাইন? ক্রীসমাসে ওকে একবার উইশ না করলে কী ভাববে বেচারি। লাইন পেলেও, ওকে পাবে কিনা সন্দেহ। চার্চ-এর ফোন তো! কোয়ার্টারে তো আর কোনও ফোন নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article ঋজুদা সমগ্ৰ ৫ – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }