Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প1301 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫০. বিজলীর পিঠের উপর দুটি হাত রাখল পৃথু

    ৫০

    বিজ্‌লীর পিঠের উপর দুটি হাত রাখল পৃথু।

    বিজ্‌লী তখনও কাঁদছিল। পৃথু ওর দু’ কাঁধ ধরে একবার তোলবার চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না। অপারগতার যন্ত্রণাই বাড়ল শুধু।

    বিজ্‌লী ওকে আবার একবার আদর করে খাটের পাশের চেয়ারে বসল। বেচারির চোখের সুর্মা লেপটে গেছে। বিনুনী করে চুল বেঁধেছে। একটি লাল-কালো ফুল ফুল ছাপা শাড়ি পরেছে, সিল্কের। দুটি চোখে নিঃশর্ত সমর্পণের নীরব মুচলেকা।

    বিনুনী-করা কাছে-বসা, সমর্পিতা বিজ্‌লীকে দেখে হঠাৎই কুর্চির কথা মনে পড়ে গেল পৃথুর। কতদিন দেখেনি কুর্চিকে। বিজ্‌লী যখন প্রথমে ঘরে ঢুকল তখন ওকে দেখে একবার রুষার কথাও মনে হয়েছিল। বিজ্‌লীর মধ্যে বোধ হয় সামান্য রুষা, সামান্য কুর্চি এবং অনেকখানি বিজ্‌লী আছে। ওর মধ্যে এক টুকরো কুর্চিকে দেখতে পায় বলে, না-পাওয়া কুর্চিকে পায় বলেই কি এত ভাল লাগে ওকে? কে জানে? এই সুন্দর সকালে ভাললাগার ব্যবচ্ছেদ করতে ইচ্ছে করল না পৃথুর।…

    বিজ্‌লী অনেকক্ষণ পৃথুর চোখে চেয়ে থেকে বলল, আমাকে বাঁচাতে গিয়েই তো আপনার এই হাল।

    হাসল পৃথু।

    বলল, না, না, তা কেন? তা ঠিক নয়।

    নিজেকে বলল, তোমাকে কি বাঁচাতে গেছিল পৃথু? রাণ্ডী বিজ্‌লীকে? পৃথু ঘোষ তোমাকে বাঁচাতে যায়নি সেই রাতে। আধুনিক, শিক্ষিত মানুষেরা অন্য কাউকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের প্রাণ বিপন্ন করার শিক্ষা পায় না। বাহাদুরী নিয়ে দলের সমস্ত কৃতিত্ব একা একাই আত্মসাৎ করার জন্যেই কি গেছিল ও? ফোটোগ্রাফার আর রিপোর্টারদের সব হাততালিই একাই পাবে বলে? একা একাই মাল্যবান হবে বলে? ফুলে এবং শ্লাঘায়? বিজ্‌লী, বোকা গানেওয়ালি, তুমি জানো না যে-সমাজে আমার বাস সেখানে নিজের স্বার্থ না থাকলে কেউই কাউকে বাঁচাতে যায় না দৌড়ে গিয়ে। বরং পারলে, বিষ খাইয়ে মারতেই চায়। সামনে দাঁত বের করে হাসে আর পেছন থেকে ছুরি মারে সব সারল্য ও আন্তরিকতাকে।

    কে জানে কেন গেছিল আসলে? মগনলালের সঙ্গে টক্কর দিতে? ওর মধ্যের ক্রমশ ঘনীভূত এবং লুকিয়ে-রাখা হীনমন্যতাকে একটা সামান্য ইঁদুর বা শুয়োরের কাছে একটা বড় বাঘের পরাজয়ের গ্লানিকে পিস্তলের সশব্দ পৌনঃপুনিক গুলিতে মুছে দিতেই গেছিল হয়তো আসলে। অবচেতন কি যে চায়, তা কি চেতন জানে?

    বিজ্‌লী ওকে অনেকক্ষণ চুপ করে থাকতে দেখে বলল, কথা বলছেন না কেন? আপনি?

    তোমার টাকাটা আজও দেওয়া হল না। এখানে তো টাকা নেই…

    বিজ্‌লী একবার তাকাল দুই ভুরু তুলে; পৃথুর দিকে। মুখে কিছু বলল না। তবে ঠোঁট দুটি কাঁপল একটু। অভিমানে।

    ওর দুটি চোখ নীরবে বলল পৃথুকে, কামিনা!

    পৃথু নিজেকেও বলল, কামিনা।

    খুবই ঘেন্না হল পৃথুর নিজের উপর। শুধু বিজ্‌লীকে ছোট করার জন্যেই নয়, নানা মিশ্র কারণেও। সেই মুহূর্তে ওর হঠাৎই মনে হল যে, একজন আধুনিক মানুষের বুকে নিজের প্রতি যতখানি মমত্ব এবং গর্ব থাকে, ঠিক ততখানিই বোধ হয় থাকে ঘৃণাও। নিজেকে সে মানুষ যতখানি ঘৃণা করে ততখানি বোধ হয় আর কাউকেই করে না। ভাঁটুকেও নয়। হয়ত এতখানি ঘৃণা হাটচান্দ্রা শেলাক কোম্পানীর ইম্‌ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজার শর্মাকেও করে না।

    বিজ্‌লী কথা ঘুরিয়ে পৃথুর চোখে চোখ রেখে বলল, কবে ভাল হয়ে আমার কাছে যাবেন? এবারে কিন্তু…

    সিস্টার লাওয়ান্ডে ঘরে ঢুকলেন।

    বিজ্‌লী বলল, খুব ভাল লাগছে আমার। কতদিন পর দেখলাম আপনাকে!

    পৃথু বলল, আমারও।

    ওকে দিনের বেলায় এমন করে এত আলোর মধ্যে কখনও দেখেনি পৃথু। বিজ্‌লীর ঘরে এত আলো ছিল না। কেমন যেন নতুন নতুন লাগছে! চান করে এসেছে বিজ্‌লী। ওর গায়ের শামামা ঈত্বর-এর গন্ধ উড়ছে হাওয়ায়।

    পৃথু বলল, হাসপাতালের কম্পাউন্ডের এক কোণায় ভীমরুলের চাক আছে কিন্তু প্রকাণ্ড প্রকাণ্ড। ওই দিকে এমন খুশবু নিয়ে যেও না। একেবারে মরেই যাবে কামড়ে।

    বিজ্‌লী হাসল। আশ্চর্য এক বিষণ্ণ হাসি। বলল, যেখানে খুশবু, কামড় তো সেখানে থাকবেই। ভয় করে কী হবে?

    পৃথু চমকে তাকাল ওর দিকে।

    ডিমের মতো সুডৌল মুখ বিজ্‌লীর। বড় সুন্দর। রুষা কি কুর্চির মতো নয়। অন্য রকম সুন্দর। এক-একজন নারীর সৌন্দর্য এক-এক রকম। চুলের রঙ একটু কটা। কে জানে, কোন বেদুইনের রক্ত আছে ওর শরীরে। অনেকই রঙের পিচকিরি লেগেছে ওর মা-দিদিমার রক্তে, যাদের কাছ থেকে নাচ শিখেছে, গান শিখেছে বিজ্‌লী, শিখেছে ভালবাসা—ভালবাসা খেলা, ছেনালী; ঢং-ঢং।

    বিজ্‌লী শব্দ না করে হাসছিল। ওর গলাতে, আর ঠোঁটেও তিল আছে অনেকগুলো কালো রঙা। পৃথু কার কাছে যেন শুনেছিল যে, ঠোঁটে যাদের তিল থাকে সেই মেয়েরা খুব মুখর হয়। কথাটা হয়ত মিথ্যে নয়।

    চুপ করে গেলেন যে আবার?

    বিজ্‌লী বলল। কথা বলুন। সময় তো চলে যাচ্ছে। যেতে হবে না বুঝি?

    যেতে তো হবেই।

    তবে?

    তবে কী?

    কথা বলুন।

    পৃথু হেসে আবারও ওর পিঠে হাত রেখে বলল, কথা, না-বললে বুঝি কথা বলা হয় না?

    যায় হয়তো। কিন্তু আমি যে এতদূর থেকে আপনার মুখের কথা শুনব বলেই এলাম এত কষ্ট করে।

    কথা সব ফুরিয়ে গেছে বিজ্‌লী। আবার জমে উঠুক বলব। এখন তুমি বল, আমি শুনি।

    আমাদের মুলক্-এ যাবেন? সেরে উঠে?

    মুলক্! তোমার মুলক্? কোথায় সে?

    উজ্জ্বয়িন্-এর কাছে। শিপ্রা নদীর ধারেই আমাদের বাড়ি।

    বাঃ। তবে তো মান্ডুর কাছাকাছিই।

    হ্যাঁ। তবে খুব কাছে তো নয়। মাণ্ডুতে তো যেতে হয় ধার্ হয়ে। ছোটবেলায় একবার গেছিলাম মায়ের সঙ্গে। আর বড় হওয়ার পর ভোপালের এক রহিস্‌ বাবুর সঙ্গে। রূপমতী মেহাল্-এ পূর্ণিমার রাতে আমার গান শুনেছিলেন তিনি। খুব রসিক, বড়া খানদান-এর বাবু। মিল আছে অনেকই আপনার সঙ্গে।

    বাড়িতে কে কে আছেন তোমার?

    মা আছেন। আর ছোট বোন। দিদিমাও ছিলেন, মারা গেছেন মাস ছয়েক হল। মা কিন্তু ছোট বোনকে গানেওয়ালি হতে দেননি, যদিও গান সে গায় আমার চেয়ে অনেক গুণ ভাল।

    তাহলে? বিয়ে দেবে না বোনের?

    দেব তো। সেই জন্যেই তো হাটচান্দ্রাতে এলাম। শহর বাজার জায়গা, অথচ বেশি বাইজী নেই। কামাইও অন্য জায়গা থেকে বেশি। আর এক বছরেই যে টাকা জমাবো তাতে হয়ে যাবে বোনের বিয়ে। ছেলেও দেখে রেখেছি আমরা।

    কী করে সে?

    সে?

    একটু চুপ করে থেকে বলল, তার প্রধান পরিচয় সে ডাকু ভিনোদ সিং-এর ছোট ভাই। এখন ভোপালে থাকে। বাড়ি ছিল গোয়ালিয়রে।

    ডাকুর ভাইয়ের সঙ্গে…

    আহা। দাদাই না হয় ডাকু, সে নিজে তো নয়। ওদের লেপ-তোশকের ব্যবসা আছে। ভাল ব্যবসা।

    তবু, দাদা ডাকাত!

    দাদার সঙ্গে ভাইয়ের কি? কুত্তা বিল্লীর বাচ্চারাই কি সব এক রকম হয়? হয় না। না চেহারায়, না স্বভাবে। তা আবার মানুষের বাচ্চা! এক একজন এক এক রকমভাবে বেড়ে ওঠে। মিল কি খুবই দেখেন ভাইয়ে ভাইয়ে?

    তা হয়তো ঠিক। তবে, আমি তো একমাত্র ছেলে মা-বাবার। তোমার কথা ঠিক কি না তা বলতে পারব না।

    তোমার বোনের নাম কী?

    রোওশ্‌নী। কি যাবেন তো? থাকতে পারেন সেখানে যতদিন খুশি।

    পৃথু মনে মনে বলল, পুরুষমানুষকে বিশ্বাস কোরো না। আগুন আর ঘি একসঙ্গে থাকলেই বিপদ।

    মুখে কিছু না বলে, হাসল একটু।

    ডাকুর ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে হবে শুনেই ঘাবড়ে গেলেন?

    না, ঠিক তা নয়…তবে।

    ডাকু মগনলালের ভাই কে তা জানেন?

    চমকে উঠল পৃথু।

    বলল, কে? জানি না তো।

    হাটচান্দ্রায় আমাদের মহল্লার ভিস্তিওয়ালা। রোজ পাহাড়ের উপরের পিলাকুঁইয়া থেকে যে খাওয়ার জল বয়ে নিয়ে আসে ভিস্তি করে আমাদের জন্যে। সেরাই প্রতি, পঁচিশ নয়া করে নেয় ওই উমদা পানির দাম হিসেবে।

    কি বলছ তুমি বিজ্‌লী? ভিস্তিওয়ালা, ডাকু মগনলালের ভাই? আমি তার ভাইকে জান-এ মেরে দিলাম বলে রাগ নেই তার আমার উপর? পুলিস কি একথা জানে?

    না না রাগ নেই। কোনওই রাগ নেই। উলটে সে বলেছে কারখানার সাহেব আমার বড়ে ভাইয়াকে মুক্তি দিয়েছেন। এবারে ওর আত্মা মুক্ত হয়ে যাবে। আগের আগের জন্মে অনেক পুণ্য না করে এলে মানুষের এত পাপ সয় না এক জীবনে। মুক্ত সে হবে, নিশ্চয়ই।

    আপনারা, হিন্দুরা তো আত্মার মুক্তিতে বিশ্বাস করেন, তাই না?

    পৃথু চুপ করে থাকল।

    ভিস্তিওয়ালা মানুষটা কিন্তু সন্ত। গরীব, কিন্তু কোনও লোভ নেই। বিয়ে করেনি। মাঝে মাঝে পাহাড় থেকে ফুল নিয়ে আসে আমার জন্যে।

    দেখো, আবার ভালটাল না-বেসে ফেলে তোমায়।

    আমাকে কে ভালবাসবে? আমি তো ঝুটা-বিজ্‌লী। আমার শরীরকে অনেকেই ভালবাসে। কিন্তু মনের কাছে আসার সাধ নেই কারওরই। হয়তো, সাধ্যও নেই।

    সিস্টার ঘরে ঢুকলেন আবার। ভ্রুকুটি করলেন পৃথুর দিকে চেয়ে। বড় রাগ হয়ে গেল পৃথুর। বুনো-পৃথু জেগে উঠল হঠাৎ। এই ভলান্টিয়ারী-করা বিবেকরূপী মহিলাকে একটু শিক্ষা দিতে ইচ্ছে হল ওর। এক ঝটকাতে দু’ হাত দিয়ে বিজ্‌লীকে নিজের দিকে টেনে নিয়েই তার বুকের উপরে বিজ্‌লীর ইচ্ছুক মুখখানিকে ফেলে, চেপে ধরে নিঃশেষে ভিজে ঠোঁট দুটিকে শুষে নিতে লাগল নিজের ঠোঁটে। এই হঠাৎই আলোড়নে পৃথুর শরীরের ব্যথা এবং কাম দুইই ছড়িয়ে গেল মুহূর্তের মধ্যে বিজ্‌লীর ঠোঁটে, শরীরের আনাচে-কানাচে।

    কিছুক্ষণ পরই ওকে ছেড়ে দিয়ে, সিস্টারের দিকে তাকাল কামরাঙা-লাল চোখে।

    সিস্টার চোখ নামিয়ে নিলেন।

    বিজলীর শারীরিক সান্নিধ্য পৃথুর শরীরের মধ্যে অনেকদিন হল ঘুমিয়ে থাকা জড়াজড়ি-করা কাম-কাঁকড়াগুলোর মধ্যে হইরই তুলে দিয়েছিল। তারা শরীরময় হুড়োহুড়ি, দৌড়োদৌড়ি করতে লাগল। খুব ভাল লাগতে লাগল ওর। শরীরের অসংখ্য ধমনীতে তার প্রিয় রক্তর দপদপানি অনুভব করল। একজন মানুষের বেঁচে থাকার সঙ্গে তার কামবোধের বোধ হয় এক ধরনের সরাসরি এবং গভীর যোগাযোগ আছে। কামহীনতা মানেই হয়তো এক ধরনের মৃত্যুও। নীতিবাগীশ আর উন্নাসিকেরা যাইই বলুন না কেন। তীব্র কাম; তীব্রভাবে বেঁচে থাকারই অন্য নাম। জীবনীশক্তিরই অন্যতর লক্ষণ।

    দুঃখের বিষয় এইই যে, পৃথুর স্ত্রী অথবা প্রেমিকা এই সরল সত্যটি কোনওদিনই বুঝতে পারল না । হয়তো খুব কম পুরুষের স্ত্রী এবং প্রেমিকারাই বোঝেন। তাইই, পৃথুরই মতো অন্য অনেক পুরুষকেই তাদের যার যার রুষাকে না পেয়ে যার যার কুর্চির দোরে গিয়ে ভিক্ষা চাইতে হয়। এবং সেখানেও ভিক্ষা না পেয়ে, আবারও বিজ্‌লীদের কাছে যেতে হয় টাকা ঝ্‌নঝনিয়ে।

    নগ্ন আদম যেদিন জ্ঞানবৃক্ষের ফল খেয়ে প্রথমবার নগ্না ঈভের পুষ্পদলন করেছিল, সেই প্রথম দিনেই এই পরম সত্যটি স্থাপিত হয়ে গেছে। স্থিরিকৃত হয়ে গেছে নারী ও পুরুষের পারস্পরিক সম্পর্ক।

    বিজ্‌লী বলল, নীচে ইমরানকে দাঁড় করিয়ে রেখে এসেছি। শুধু আপনাকে দেখবার জন্যেই কাল দশটার বাস ধরে এখানে এসেছিলাম। আজই ফিরে যাব।

    উঠেছিলে কোথায়? রাতে?

    পৃথু শুধোল।

    সব্‌জি-মণ্ডিতে। এক দোস্ত থাকে সেখানে, ইমরানের। তারই বাড়িতে।

    সব্‌জি-মণ্ডি!

    হাটচান্দ্রাতেও সব্‌জি-মণ্ডির কাছেই বিজ্‌লীর বাড়ি। বার্নার্ড শ’র পিগমেলিয়নের প্রফেসর হিগিনস লান্‌ডানের ফুল-মণ্ডির অক্ষর পরিচয়হীন এক সরলা বালা এলাইজা ডুলিটলকে যেভাবে শিক্ষিত করে তুলেছিলেন; তেমন করে বিজ্‌লীকেও শিক্ষিত করে তুলতে ইচ্ছে হয় পৃথুর।

    কিন্তু সময় নেই।

    সেই সময়ও নেই। যুগও তো পালটে গেছে। আজকের এই পৃথিবীতে প্রফেসর হিগিনস আর মিস ডুলিটলদের আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। “উও জমানা চলে গ্যয়ে যব খলীল খাঁনে ফাকতা উড়াহ্‌তে থে”।

    কবে বাড়ি যাবেন?

    বাড়ি?

    চমকে উঠল পৃথু। বাড়ি তারও একটা আছে? আছে বুঝি?

    বলল, আরও দু-আড়াই মাস।

    কাঠের পা লাগাবেন?

    নাঃ।

    কেন?

    কোনও নকল জিনিস ভাল লাগে না। যা আমার নেই; তা আছে বলে লোককে ধোঁকা দেওয়ার কী দরকার?

    বাঃ। কত কাজে লাগে কাঠের পা। তার উপরে প্যান্ট পরবেন, পাজামা পরবেন, কেউ বুঝতেই পারবে না। গাড়ি চালাতে পারবেন। না, কেন? অদ্ভুত আপনার যুক্তি সব।

    নাঃ। ও তুমি বুঝবে না। আমি ক্রাচই নেব।

    মহল্লার ছেলেগুলো ল্যাংড়া ল্যাংড়া বলে খ্যাপাবে।

    যে সত্যিই ল্যাংড়া তার এই সত্যি কথাতে রাগ করার কোনও কারণ তো দেখি না।

    তবু, ভেবে দেখবেন, মন ঠিক করার আগে।

    দেখেছি। পুনেতে আর্টিফিসিয়াল লিম্বসের দারুণ ফ্যাক্টরি করেছে, ইন্ডিয়ান আর্মির উদ্যোগে। শুনেছি, সুন্দর সুন্দর পা পাওয়া যায়, হাতও। কিন্তু আমি লাগাব না।

    জানি না, কেন এমন জিদ করছেন।

    সেই সব পা যত সুন্দরই হোক না কেন, আমার নিজের পায়ের মতো সুন্দর পা কোথায় পাব?

    বিজ্‌লী পৃথুর বাঁ পায়ে হাত বুলিয়ে বলল, তা ঠিক। অনেকগুলো লাল তিল ছিল আপনার পায়ে। মনে আছে। একদিনই দেখেছিলাম। আগুনের মতো।

    বিজ্‌লী পৃথুর উরুতে হাত ছোঁওয়াতেই কে যেন আবার ওর কামের মেইন-সুইচ অন্ করে দিল। শরীরের ঘরে ঘরে আলো জ্বলে উঠল, ঘণ্টা বেজে উঠল পুজোর, সানাই বাজতে লাগল শরীরের রোশনচৌকি থেকে।

    বিজ্‌লীর হাতটা আস্তে করে সরিয়ে দিল পৃথু। চোখে কষ্টর ছায়া ফুটে উঠল, কালো হয়ে এল পৃথুর চোখ। কর্তিত ডান পায়ের সম্মুখভাগেও রক্ত এসে দাপাদাপি করছিল। মনে হচ্ছিল, এক্ষুণি ছিঁড়ে দেবে সব সেলাইগুলো।

    এখন আবার শান্ত হয়ে আসছে আস্তে আস্তে দপদপানিটা। আলো নিবে যাচ্ছে এক এক করে শরীরের ঘরে ঘরে।

    সৌন্দর্যর যেমন আলাদা এক আকর্ষণ আছে, মনের গভীরতার, অর্থর, প্রাচুর্যেরও যেমন আছে, তেমনই নিছক কামেরও আছে; বুঝল, পৃথু। সত্যি! রূপ-গুণ-মানসিকতা-বিবর্জিত নিছক কামেরও! পুরুষের সবচেয়ে কাছের দেবতা কি মদনদেবই? গণেশ বা লক্ষ্মী বা সরস্বতী নয়? বড়ই লজ্জার কথা। কিন্তু, সত্যি।

    একটা গান শোনাবে বিজ্‌লী?

    এখানে?

    সিস্টার লাওয়ান্ডে জানালার কাছে গিয়ে বাইরে চেয়েছিলেন। তিনি যে খুবই বিরক্ত হয়েছেন তা বোঝাবার জন্যে।

    সেই গানটা গাও। “রস্‌কে ভরে তোরে নয়না, এরি সাঁবারিয়া, আয়েযা সাঁবারিয়া/তোঁহে দরোমাঁ লাগালুঁ/রস্‌কে ভরে তোরে নয়না…।”

    পৃথু বলল।

    নাঃ।

    কেন? না কেন? এখানে গান হয় না?

    পৃথু বলল, বিজ্‌লীকে।

    কোনও বাজনা নেই, তবলা নেই; কী করে হবে?

    তারপর সিস্টারের দিকে চেয়েই; গলা নামিয়ে বলল, ভাল হয়ে আমার কাছে আসবেন, অনেক গান শোনাব রাতভর। বলেই আঙুল দিয়ে পৃথুর মাথার চুলে বিলি কেটে দিতে লাগল বিজ্‌লী।

    বড় ভাল লাগতে লাগল পৃথুর। কী যে দেখেছে এই পাগ্‌লী অভাগী মেয়েটা ওর মধ্যে। কে যে কী দেখে কার মধ্যে কখন? এসব লীলা বোঝা ভার। কোনও যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা হয় না এসবের। হৃদয়ের কোনও প্রশ্নরই উত্তর কি নেই মস্তিষ্কর কাছে?

    বিজ্‌লী বলল।

    থাকবেন? আমার কাছে? বাকি জীবন?

    সিস্টার লাওয়ান্ডে এবার হঠাৎ ঘুরে দাঁড়িয়ে বিজ্‌লীর মুখের দিকে ঘৃণার দৃষ্টি হানলেন।

    পৃথু ভ্রুক্ষেপ না করেই বলল, বাকি জীবন? এক-পায়ের জীবন? আমি তোমার তো কোনও কাজে লাগব না। শুধু তোমারই কেন, কারওরই আর কাজে লাগব না। যে মানুষের কাছে পাহাড়, বন, নদী জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে ছিল তার কাছে এই অঙ্গহানির ব্যাপারটা যে কতখানি তা হয়তো তুমি ঠিক বুঝবে না বিজ্‌লী। তোমার কাছে তোমার পালঙ্কটি যতখানি, যতখানি তোমার গান; আমার কাছেও বনজঙ্গলও ততখানিই! কতখানি যে হারাল আমার, হারিয়েছে; তা তোমাদের কাউকেই বোঝাতে পারব না। ঠুঠা বাইগা, ভুচু, সাবির সাহেব বা শামীমরা হয়তো বুঝলেও বুঝবে কিছুটা।

    আপনাকে তো আমার কাজের জন্যে ডাকছি না। আপনার কাজে আমি যদি লাগি, কোনওরকম কাজে; সে জন্যেই ডাকছি। আমি সব কিছুই করব আপনার জন্যে। রোজগার করে খাওয়াব আপনাকে। শুধু কথা দিন যে, আসবেন।

    রোজগার করে?

    পৃথু হাসল। শব্দ করে।

    হাসছেন যে!

    তুমি রহিস্‌দের নিয়ে পালঙ্কে শুয়ে রোজগার করবে আর সেই রোজগারেই খেয়ে তোমার সেই পালঙ্কেই শুয়ে থাকব আমি তোমাকে নিয়ে? বলেছ ভাল। তুমি একটি…

    বিজ্‌লীর মুখ কালো হয়ে এল।

    মুখ নামিয়ে বলল, ছিঃ ছিঃ। কী করে ভাবলেন এমন কথা? দেখবেন আপনি! শুধু গানই গাইব বাকি জীবন। আর যতদিন বাঁচি; বাজাব না কখনও।

    মনে মনে বলল, শুধু আপনাকে ছাড়া।

    আর আমি? আমি তো না জানি তবলার ঠেকা, না পারি বাজাতে সারেঙ্গী, শুধু তানপুরা ছেড়েই রোজগার করব। রাজি? সেটা কি ভাল দেখাবে?

    আপনি আমাকে কষ্ট দিয়ে খুব আনন্দ পান, না সাহাব? আপনি শুধু আমাকে বাজাবেন। একজন আওরাতের কাছে একজন মরদের কী দাম তা আপনি কী করে বুঝবেন? মরদ ছাড়া আওরাত কি বাঁচে? আপনি কাছে থাকাটাই তো আমার কাছে বড় একটা ব্যাপার। আপনার সেবা করেই কাটিয়ে দেব সারা জীবন। আপনার গান শুনব। কী ভাল গাইতে পারেন আপনি। শুনেছিলাম না গিরিশবাবুর বাড়ি।

    পৃথু হাসল। বলল, সিনেমার ডায়ালগের মতো শোনাচ্ছে তোমার কথা। তবু হয়তো তুমিই আমার জীবনে একমাত্র মানুষ যে, বদলে কিছুমাত্র না—চেয়েই…

    একটু চুপ করে থেকে স্বগতোক্তির মতো বলল পৃথু, একদিন নিজে হাতে খিচুড়ি রেঁধে খাওয়াবে বলেছিলে না বিজ্‌লী? মনে আছে?

    খিচ্‌ড়ি!

    প্রথমে ও চমকে উঠল। তারপরই হেসে বলল, খিচ্‌ড়ি আপকি বহত্‌ই পসন্দ কি খনা? পইলেভি আপনে এক মরতবে বোলেথেঁ। খিচ্‌ড়ি পকানা কওন্‌সী বড়ী বাত?

    বহত্ই বড়ী বাত্। বহত্ই বড়ী বাত্।

    রুষা যে জীবনে একদিনও নিজে হাতে খিঁচুড়িও বেঁধে খাওয়ায়নি পৃথুকে। বিজ্‌লী কী করে জানবে, কোথায় ব্যথা পৃথুর, কত জায়গায় ব্যথা? কার শূন্যতা যে কোথায় তা অন্যে জানবেই বা কী করে? বিশেষ করে সেই শূন্যতা যখন সব সময়ই আড়াল করেই বেড়াতে হয়। পাছে অন্যে জানে। পাছে রুষা কষ্ট পায়।

    হাসছিল পৃথু। অনাবিল প্রসন্নতার হাসি। ও জানে কিন্তু বিজ্‌লী হয়তো জানে না যে, একজন শিক্ষিত মানুষের কাছে একটি উদগ্রীব্ নারী শরীর, সুরেলা গলার গান; অথবা উপাদেয় খিচুড়ির চেয়েও বড় আরও অনেক কিছু চাইবার আছে; থাকে। শিক্ষার এইই অভিশাপ। শিক্ষা; পুরুষ কিংবা নারী, সকলকেই বড় গোলমেলে, বক্র করে দেয়। যা সে সহজে পায়, পেতে পারে তাকেই সস্তা বলে ভাবতে থাকে সেই মানুষরা। আর যা পায় না, তাইই দামী মনে হয় তাদের কাছে। রুষা তাকে যা দেয়, তা কুর্চি কখনও দিতে পারবে না। চাইলেও না। আবার কুর্চি যা দিতে পারত, তা বিজ্‌লী কখনও দিতে পারবে না। চাইলেও না। অথচ পৃথুর তিনজনকেই প্রয়োজন; তিনটি সম্পূর্ণ বিভিন্ন কারণে। ও যে অনেকগুলো মানুষ। একজন নারীতে, একই ধরনের নারীতে যে ও আঁটেনি। আঁটবেও না কোনওদিন। পৃথুর দুঃখ খণ্ডাবে কে?

    চুপ করেই রইল ও। বিজ্‌লীর প্রতি এক গভীর কৃতজ্ঞতায়; সে চেয়ে রইল নীরবে বিজ্‌লীর চোখে।

    ওয়াক্ত্ কিতনা হুয়া সাহাব?

    হঠাৎই শুধোল, বিজ্‌লী।

    পৃথু সিস্টারকে জিগ্যেস করল, কটা বাজে সিস্টার এখন?

    ভিজিটিং আওয়ার্স ওভার হয়ে গেছে। সাড়ে নটা বেজে গেছে।

    সিস্টার বললেন; মুখ না ফিরিয়েই। বিরক্ত গলায়।

    ওঃ বাবাঃ। এবার তাহলে উঠি। হাটচান্দ্রার বাস যে দশটায় ছাড়বে। ইমরান নীচে দাঁড়িয়ে আছে। এতক্ষণে ছটফট করছে বোধ হয় দেরি দেখে।

    উঠবে? নিয়ে এলে না কেন ইমরানকে উপরে?

    ও এলে, আমি তো এমন একা পেতাম না আপনাকে।

    পৃথু সিস্টারের দিকে তাকাল।

    বিজ্‌লী ফিসফিস করে বলল সিস্টারের উদ্দেশ্যে, উনি তো চেনা নন। ওঁর সামনে লজ্জা কিসের? আনজান আওরত।

    বলেই বলল, আর কিন্তু আসতে পারব না আমি। যাব এবার। বলুন, আপনি আসবেন তো? কথা দিন।

    যাব।

    পৃথু বলল।

    চলি।

    বলেই উঠে দাঁড়িয়ে বিজ্‌লী আবারও একবার পৃথুর গায়ে-মাথায় হাত বুলিয়ে চোখে চোখ রেখে, হাতে হাতটি এক মুহূর্ত নিয়েই আবার নামিয়ে রেখে বেরিয়ে গেল ঘর থেকে।

    ভাল থেকো।

    পৃথু বলল। গলা তুলে।

    কথা দিলেন তো?

    দরজায় দাঁড়িয়ে পড়ে বলল বিজ্‌লী।

    মাথা নাড়ল পৃথু।

    পর্দার আড়ালে মিলিয়ে গেল ওর শাড়ি। পর্দাটা হাতের ছোঁয়ায় অনেকক্ষণ ধরে কাঁপতে লাগল। যতক্ষণ কাঁপতে থাকল, ওইদিকেই চেয়ে থাকল পৃথু।

    কথাও দিল, কিন্তু খুব সম্ভব কথা রাখা হবে না। জীবনে, কটা কথাই বা রাখা যায়? মিথ্যার বেসাতিরই আর এক নামই তো জীবন। তবু, আশ্চর্য! কথা দিতে হয় কতজনকেই কতবার। আর কথা দিলেই যদি কেউ খুশি হয়, তাহলে না দিয়েই বা কী করা যায়? ভবিষ্যতের দুঃখর কথা ভেবে আজকের খুশি নষ্ট করার তো মানে নেই কোনও।

    সিস্টার বললেন, হু ইজ দ্যাট লেডি?

    চমকে উঠল পৃথু।

    বিজ্‌লীর কথা ভেবে মন খারাপ হয়ে গেল। কত দূর থেকে বাসে করে এসেছে সে ধুলো মেখে পেত্নী হয়ে শুধু ওকে একটু দেখতে। কত ঋণই যে জমছে, কত জনের কাছে।

    হু ও’জ দ্যাট লেডি?

    আবারও শুধোলেন সিস্টার লাওয়ান্ডে। রীতিমত সার্জেন্ট মেজরের গলায়।

    য়্যু আর ভেরি মাচ ইনকুইজিটিভ সিস্টার। লিমিট্‌লেসলি ইনকুইজিটিভ্।

    অ্যাম আই? ওয়েল…লজ্জিত হয়ে বললেন সিস্টার।

    পৃথু ভাবল, বলে, দ্যাটস নান অফ ইওর বিজনেস।

    কিন্তু তা না বলে, বলল, শী ইজ আ হোর! আ প্রস্টিট্যুট।

    হোয়াট?

    হেঁচকি তুললেন সিস্টার।

    ইয়েস। শী ইজ। আ বাইজী, হু ওলসো গিভস হার বডি ফর মানি।

    মাই! মাই! য়্যু শুড বি অ্যাশেমড অফ ইওরসেলফ মিঃ ঘোষ।

    পৃথু সিস্টারের চোখে চোখ রেখে বলল, আই নীড নট বী।

    বাট হোয়াই? হোয়াই মিঃ ঘোষ?

    বিকজ শী ইজ পিওরার দ্যান মেনি উইমেন আই নো অফ। ওর মধ্যে কোনও মিথ্যা নেই। বড় পবিত্র মেয়ে এই বিজ্‌লী। মানুষ অনেকই দেখতে পাওয়া যায়, কিন্তু একজন খাঁটি মানুষের দেখা এক জীবনে খুব কমই মেলে।

    য়্যু আর আ স্ট্রেঞ্জ জেন্টেলম্যান মিঃ ঘোষ।

    আই ডু নট ক্লেইম মাইসেলফ টু বি আ জেন্টেলম্যান। অন দ্যা কন্‌ন্ট্রারি, আই ডেসপাইস্ ওল্।

    য়্যু আর রিয়্যালি স্ট্রেঞ্জ। য়্যু হ্যাভ সাচ্ আ ওয়াইফ্, সাচ্ চিলড্রেন্ অ্যান্ড য়্যু হ্যাভ ইওর এডুকেশান ইন ইংল্যান্ড; মাই! মাই!

    কী জানেন এই মহিলা? জীবনের কতটুকু জানেন? বিরক্তি লাগছিল পৃথুর। ক্লান্তিতে ও দু’ চোখই বন্ধ করে ফেলল। মাথা ধরে আসছিল। কথাও বলেছে অনেকক্ষণ। তারপর শারীরিক উত্তেজনা।

    সিস্টার লাওয়ান্ডে আবারও স্বগতোক্তি করলেন, হোয়াট আ স্ট্রেঞ্জ পার্সন্ য়্যু রিয়্যালি আর মিঃ ঘোষ।

    ও জানে। ও জানে তা। একজন অজীব আদ্‌মি হচ্ছে এই পৃথু ঘোষ। সকলেই জানে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article ঋজুদা সমগ্ৰ ৫ – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }