Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ

    বুদ্ধদেব গুহ এক পাতা গল্প1301 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৯. পৃথুর জীবনে কুর্চিই একমাত্র আনন্দ

    ৯

    পৃথুর জীবনে কুর্চিই একমাত্র আনন্দ।

    এমনই হয়। ভেবেছিল, যা হারিয়ে গেছে, তা গেছেই।

    যা হারিয়ে যাবার, তাকে আগলে বসে থাকা সম্ভবও নয় বেশিদিন।

    ভেবেছিল, পরিণত বয়সে এসে, চল্লিশের আওতায়, নিজে একটু বিজ্ঞ-প্রাজ্ঞর মতো ব্যবহার করবে নিজের ছেলেমানুষ চিরশিশু মনটার সঙ্গে। তাকে ধমকে দেবে, বকবে, কান মলাও দেবে প্রয়োজন হলে, দরজা বন্ধ করে ফেলে রেখে দেবে না খেতে দিয়ে ঘরে। এমন চড় মারবে তাকে, আচমকা যে, শিশুরই মতো দমবন্ধ নীল নিঃশব্দ হয়ে থাকবে সে দীর্ঘ সময়।

    মনে হবে, প্রাণ বেরুবারই সময় হল বুঝি।

    কিন্তু পারল না।

    তার প্রতি মুহূর্তর ক্যানসারাস, ভোঁতা বিষণ্ণতা পৃথুকে তীব্র কোনও দুঃখ অথবা আনন্দের অনুভূতি থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে বহুকালই।

    বাসটা সুকরাতে এসে দাঁড়াল। গাড়ি, পৃথুরও একটা আছে। কোম্পানির গাড়ি। উর্দিপরা ড্রাইভারও আছে। তবে সে গাড়ি বিশেষ একটা ব্যবহার করে না। কারখানায় যখন যায়, তখনও বেশির ভাগ দিন হেঁটেই চলে যায় এবং আসে। কাছেই তো। যখন ছুটি থাকে, তো কথাই নেই। গাড়ির প্রয়োজন রুষারই বেশি। মিলি-টুসু বড় হচ্ছে, ওদেরও দরকার থাকে মাঝে-মধ্যে। স্কুলে যাওয়া-আসা ছাড়াও। গাড়ি থাকা সত্ত্বেও হেঁটে বা অন্য কারও মোটর সাইকেল বা স্কুটারের পেছনে বা বাসে ছোটা-ম্যানেজারকে সবসময় ঘোরাঘুরি করতে দেখে বলে, সকলেই পৃথুকে আড়ালে ডাকে ‘পাগলা ঘোষা’।

    আসলে ঘোষ সাহেব থেকেই ঘোষা। পৃথু জানে সেটা।

    বাসটা দাঁড়াবে মিনিট দশেক। সামনেই চায়ের দোকান। পান বিড়ি ভুজিয়া, মাছি-পড়া লাড্ডু, বালুসাই, চুরমুর। অনেকে নেমে খেল; যারা. দূর থেকে আসছে। পৃথু নামল না। বাঁদিকে, ড্রাইভারের পেছনের সিটেই জায়গা করে দিয়েছে কনডাকটর! তাকে এখানে সকলেই চেনে। এই ব্যাপারটা ওর একেবারেই ভাল লাগে না। যাদের সে চেনে না, তাদের অনেকেই তাকে চেনে এই ভাবনাটাই ভারী অস্বস্তিকর। যখন বয়স কম ছিল, চেহারা আজকের মতো কুৎসিত ছিল না, তখন বম্বের এক ফিল্ম-কোম্পানী অফার দিয়েছিল ছবিতে অভিনয় করার জন্যে। বাবা ‘হ্যাঁ’ ‘না’ কিছুই বলেননি। ডিরেকটর যখন জিজ্ঞেস করেছিলেন পৃথুকে, তোমাদের বাড়ি কি খুবই কনসার্ভেটিভ? তখন পৃথু উত্তর দিয়েছিল, কনসার্ভ করার যাদের কিছুমাত্র থাকে, তারাই কনসার্ভেটিভ হয়।

    রক্ষা করার মতো আদৌ কিছু না থাকলে সত্যিই রক্ষণশীল হওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। তখন বাজারী অভিনয় ও ফিল্ম-এর জগৎ আজকের মতো সম্ভ্রান্তও ছিল না। যাইই হোক, রবিবারের সকালে বিস্রস্ত চুলে রাতের পায়জামা-পাঞ্জাবি পরে হাওয়াইন চটি গলিয়ে যে বাজার যেতে পারবে না, একবার ‘হীরো’ বনে গেলে; শুধু এই ভাবনাটাই তাকে তখন সিনেমাতে নামতে দেয়নি। ডিরেকটর, পৃথুর বাবাকে রীতিমত অনুনয়-বিনয়ও করেছিলেন। শিকার করতে-যাওয়া পৃথুর, রাইফেল-কাঁধে ঘোড়ায়-চড়া-চেহারা সুফকর-এর জঙ্গলে দেখেই ডিরেকটরের রোখ চেপে যায়। চরিত্রটিও চমৎকার ছিল। অত্যাচারী জমিদারের সদুৰ্শন ছেলে, ঘোড়ার পিঠে চড়ে শিকার করে, পাহাড়-জঙ্গলের মেয়েদের মধু লুটে খায়। একদিন তার জীবনেও প্রেম এসে হাজির হল লখীন্দরের লোহার বাসর ঘরের সাপের মতো সূক্ষ্ম শরীরে এবং খলনায়ক রাতারাতি রূপান্তরিত হল দেবশিশুতে।

    সিনেমাতে না-নামাতেই বোধহয় দেবশিশু আর হওয়া হল না পৃথুর।

    প্রেম-এর নিঃশব্দ চরণে যাতায়াতই চিরদিন পছন্দ ওর। তাই-ই এমন ঘোড়ায়-চড়ে, অশ্বখুরের শব্দে মেদিনী কাঁপিয়ে যে প্রেম আসে, তার প্রতি ওর চিরদিনের অনীহা। শুধু অনীহাই নয়, ও বলবে অসুয়াও। পৃথুর প্রথম এবং শেষ কবিতার বইয়ের নামও যে ‘অসুয়া’, তার কারণও এই বোধ।

    বাসটা রায়নাতে এসে থামল। খাতির করে নামিয়ে দিল কনডাকটর। মজা এইই! যাদের কাছে, যাদের হাতে; যত্নখাতির পাবার কথা ছিল না একটুও, তারাই চিরদিন ওকে খাতির-যত্ন করে গেল।

    কুর্চিদের বাড়িটা কোথায় একটু খুঁজতে হবে। যা শুনেছিল, তার সঙ্গে মিলছে না। একটা মুদির দোকান, বাস স্ট্যান্ডের পাশে, তারপর তামাকের দোকান। তার পাশে বাসনকোসন ও দেহাতি শাড়ি-ঘাগরার দোকান, তারপরই একটা চৌমাথা। সেখানে বাঁক-ঘুরে বাঁ দিকের নির্জন রাস্তাতে মিনিট দশেক হাঁটতে হবে। শালের জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে। তারপরই বাড়িটা। বাড়িটার ওই পাশে কিছু দূরে রায়না বস্তির একটা হাত এসে পৌঁছেছে, কিন্তু এই মোড় থেকে ওদের বাড়ির পর অবধি কোনও বসতি বা দোকান নেই। খুব সম্ভব সরকারি খাসমহল এটা।

    এখন দশটা বাজে। একটার মধ্যেই হাটচান্দ্রাতে ফিরতে হবে। বাড়িতে দেড়টার মধ্যে ফিরে খাবার টেবলে গিয়ে না-বসলে তুলকালাম কাণ্ড হবে। ঠিক পৌনে দুটোর সময় টেবল সাফ হয়ে যাবে। ন্যাপকিন-ছুরি-কাঁটা-চামচ উঠে যাবে। উঠে যাবে সবকিছু। ঝকঝকে বার্নিশ করা টেবলের উপর হলুদ-কালো চৌখুপী-চৌখুপী টেবল ক্লথ পাতা হয়ে যাবে। টেবলের ঠিক মধ্যিখানে ভ্যান ঘঘ-এর ‘স্টিল-লাইফ’ ছবিরই মতো একটি ফ্রুট-বোওল শোভা পাবে। তার মধ্যে সীজনাল ফ্রুটস থাকবে কিছু। ছবির মতোই শোভা পাবে। ওদের বাড়িতে দিন ও রাতের যে-কোনও প্রহরেই কেউ ঢুকুক না কেন, বলবে বাঃ! মুখ থেকে আপনা থেকেই বেরিয়ে আসবে, বাঃ! পৃথুর নিজের মুখ থেকেও বেরোয়। সৌন্দর্য, সুরুচি, এসব এ্যাপ্রিসিয়েট করার ক্ষমতা ভগবান তাকেও কিছু কম দেননি, কিন্তু রুষার বাড়িটা এত বেশি ভাল যে সে বাড়িতে ঢুকে মাঝে-মাঝে পৃথুর মনে হয় যে, এটা বাড়ি নয়। কোনও পশ-দোকানের শো-রুম, বা স্টুডিও। অথবা যে কোনও অ্যান্টিক-ডিলারের একজিবিশন চলছে এখানে। যে-বাড়িতে মানুষ-মানুষী থাকে, সেখানে প্রাণ থাকে, সেখানে ভালোবাসা, প্রীতি সবই ছড়ানো থাকবার কথা। পরিচ্ছন্নতা পৃথুও ভালবাসে। বাকিগ্রস্ততা নয়। ওটা বাড়ি নয়; রাজা-রাজড়ার ভুতুড়ে, গা-ছমছম প্রাসাদ যেন। ছোট মাপের।

    একটা সিগারেট ধরিয়ে হেঁটে যেতে যেতে দূর থেকে বাড়িটা দেখা গেল। কুর্চির বাড়ি। বাড়ি নয়, বাংলো। একতলা। টালির ছাদ, পাঁচ ইঞ্চি দেওয়াল, সামনে একটুখানি খোলা জায়গা। বাগান মতো। চারপাশেই শাল জঙ্গল। পশ্চিমের দিকে জঙ্গলটা গিয়ে মিলে গেছে শাঁওন নদীর সঙ্গে। তারপর নদী পেরিয়ে, অনেক দূরের পথ হেঁটে চলে গেছে কানহার দিকে। সবচেয়ে যা ভাল লাগল পৃথুর, তা হচ্ছে দুটি মস্ত কদম গাছ, কুর্চির বাড়ির ঠিক সামনেই। গেটের দু’পাশে। একটা কুর্চি গাছ থাকলেও খুব ভাল হত।

    কুর্চি কিন্তু কুর্চির আসল নাম নয়। ওই নাম পৃথুরই দেওয়া। পৃথিবীর সকলেই কুর্চিকে অন্য নামে ডাকে। কুর্চির উপর কোনওরকম মালিকানাই আর নেই পৃথুর। মালিকানা যেতে যেতে থমকে রয়েছে শুধু নামটুকুরই মধ্যে। ও যে নামে ডাকে, সে নামে আর কেউই কুর্চিকে ডাকবে এ কথা ভাবলেই কষ্ট হয়।

    আঃ। কদমগাছ দুটি সত্যিই সুন্দর! খুব বড়। বর্ষায় কী যে হবে এখানে, কেমন যে দেখাবে; ভাবে পৃথু।

    দরজাটা খোলা ছিল। ছোট্ট বাগানের গেটটি যদিও বন্ধ ছিল। হয়তো ছাগল, গরু যাতে না ঢুকতে পারে সে জন্যে।

    গেট খুলে দরজার কাছে গিয়ে ও ডাকল, কোঈ হ্যায়?

    কোনও উত্তর নেই।

    আবারও ডাকল।

    এবারে একটি ছত্তিশগড়িয়া বুড়ি বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল, কাকে চাই?

    কুর্চির নিয়মিত, আইনানুগ নামটি বলল পৃথু। কুর্চির স্বামীর নামও বলল।

    বাবু গেছে হাটচান্দ্রাতে এক রিস্তেদারের সঙ্গেই দেখা করতে। আর দিদি চান করতে গেছেন।

    দিদির সঙ্গেই দেখা করব।

    বসুন তাহলে।

    বলেই, বসবার ঘরে নিয়ে গিয়ে বসালো।

    দিদিকে কি এক্ষুনি খবর দেব? না, চান ইলেই?

    চান হলেই দিও। তাড়া নেই।

    চা-টা কিছু খাবেন? কফি না চা? না কি ঠাণ্ডা দেব?

    পৃথু হকচকিয়ে গেল। বলল, না না। কিছু না। দিদি আসুন আগে।

    দাঈ চলে গেল নিজের কাজে।

    বসে চতুর্দিকে চোখ বোলাল একবার ও। এক-সেট সোফা। ভীষণ দামি কিছু নয়, কিন্তু বসে খুব আরাম। হেলান দিয়ে বসার জন্যে পাতলা বালিশও আছে। স্ট্রাইপড কভার-পরাননা, প্যাস্টেল-রঙা।

    সামান্য অগোছালো। দেখে বোঝা যায় যে, এখানে কুর্চি আর ভাঁটু অথবা অন্য কেউ বসেছিল সকালে। একাধিক কাপ চা খেয়েছে। সিগারেট-এর টুকরো এখনও পড়ে আছে অ্যাস্ট্রেতে। চার্মস-এর গন্ধ ভাসছে হাওয়ায়। ঘরের কোণায় একটি কাঁচের আলমারী। নানা জিনিস সাজানো তাতে। উপরের তাকে কুর্চি আর ভাঁটুর বিয়ের পরে ভোলা ফোটো। জোড়ে। ভাঁটুর মুখে গদগদ ভাব। নিখুঁতভাবে দাড়ি গোঁফ-কামানো। এতই নিখুঁতভাবে যে, মনে হচ্ছে বুঝি মাকুন্দ ও। পাশে কুর্চি।

    বিয়ের পরই ওরা চলে গেছিল। ভাঁটুর সঙ্গে তেমন আলাপিত হবার সুযোগ হয়নি। কিন্তু ওকে বাঙালি বলে মনেই হয় না। তাছাড়া পড়াশুনাও বেশি করেনি। চেহারাটা লম্বা, চওড়া, ফর্সা, মস্ত একটা মাথা। মাইনাস বুদ্ধি। ভাঁটু কি জানে কুর্চিকে পৃথু ভালবাসে। এবং কুর্চি পৃথুকে? ভালই যদি বাসত, তাহলে বিয়ে করল কেন ভাঁটুকে? বেচারা ভাঁটু। ও বোধহয় জানে না যে, ভালবাসার নানা রকম হয়। একই সঙ্গে একাধিক লোককে ভালবাসা যায়। যে বাসতে জানে।

    চারটে বড় বড় জানালা বসার ঘরে। লাল, ম্যাজেন্টা, হলুদ এবং কমলা বোগেনভোলিয়া গাছ। বাগানে পেঁপে, আম, আতা, চেরী এবং কারিপাতা গাছ।

    চমকে চেয়ে, পিছন ফিরল পৃথু।

    কুর্চি দাঁড়িয়ে আছে। অফফ্‌-হোয়াইট একটি ব্লাউজ আর হালকা খয়েরি আর সাদা ডুরে শাড়ি পরে। দরজার দু দিকের খিলানে দু হাত রেখে। কুর্চি। তার মস্তিষ্কর মধ্যে, বুকের মধ্যে, দু চোখের মধ্যে। আবার হাসল কুর্চি।

    অনেকক্ষণ কি বসে আছেন? আমি চান করছিলাম। তেল মাখি না অনেকদিন, ভাল করে। কম ঝঞ্ঝাট। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় সব মালপত্র নিয়ে আসা। আজ অনেকক্ষণ ধরে তেল মেখে খুব ভা-ল্ল করে চান করলাম। খুবই ফ্রেশ লাগছে। |

    কুর্চি যখন চান করার কথা বলছিল পৃথুকে, পৃথু আচমকাই শরীরে এক অস্বস্তি বোধ করতে লাগল। ও যেন স্নানরতা কুর্চির অদেখা নগ্নতাকে ওর চোখের সামনে, সেই কার্তিকের উজ্জ্বল উষ্ণ সকালবেলায় দেখতে পাচ্ছিল। ভীষণ অস্বস্তি হচ্ছিল। ওর মনের কোণে বহুদিনের দোষী-সাধ ছিল; গা-শিউরানো এক নিভৃত শখ ছিল যে, কুর্চিকে নিজে হাতে একদিন বছর-ঘোরা শিশুর মতো চান করায়! মায়ের মতো স্নেহ, নার্সের মতো দক্ষতায়। তারপর পাউডার-টাউডার মাখিয়ে, ন্যাপি পরিয়ে চোখে কাজল দিয়ে, কপালের এক পাশে থ্যাবড়া করে কাজল লেপে দেয়, যেন আকাশ বাতাস এই পৃথিবীর কোনও দুষ্ট গ্রহ, ডাইনি, জিন কিচিং কাঁড়িয়া-পীরেত বা কুচক্রী কোনও মানুষেরই চোখ না লাগে। না পড়ে, তার কুর্চির উপর।

    কুর্চি বলল, কেমন আছেন আপনি?

    কেমন দেখছ?

    অনেক রোগা হয়ে গেছেন। ভাল করে খাওয়া দাওয়া করেন না বুঝি?

    খাই তো! খুবই খাই। বেশিরকম খাই বলে কত অশান্তি। আর তুমি বলছ খাই না?

    তাহলে, অনিয়ম করেন? নিশ্চয়ই?

    উপায় নেই। অনিয়ম করার কোনওই উপায় নেই।

    তবে? ভাবনা চিন্তা করেন বুঝি সবসময়?

    তা করি।

    কিসের এত ভাবনা চিন্তা? এত টাকা মাইনে পান। আজ বাদে কাল বোর্ডে যাবেন। ডিরেক্টর-হাটচান্দ্রার চারদিকের পঞ্চাশ মাইলের পরিধির মানুষ, পথে দেখলেই আপনাকে সেলাম করে। রুষাদির মতো ভার্সেটাইল, গুণী, সুন্দরী, স্ত্রী, হাটচান্দ্রার ইন্দিরা গান্ধী; টুসু ও মিলির মতো এমন ওয়েল-ম্যানার্ড, ইন্টেলিজেন্ট, ব্রিলিয়ান্ট ছেলেমেয়ে। চিন্তাটা কিসের এত আপনার! কী নিয়ে চিন্তা করেন?

    কুর্চিটা ভীষণ খারাপ। পরীক্ষা নিতে চায় পৃথুর।

    এরপর দুজনেই অনেকক্ষণ চুপচাপ বসে রইল। পৃথু জানালা দিয়ে বাইরে চেয়ে; কুর্চি বাগানে। কোনও কথা না বলে।

    কী খাবেন বলুন? চা, না কফি, না ঠাণ্ডা কিছু?

    কিছু না। আমি এক্ষুনি উঠব। রুষাকে বলে আসিনি। দেরি হলে, বাড়িতে খাবার নষ্ট হবে। গালাগালি খেতে হবে।

    নষ্ট হবেই না। আপনার খাওয়া তো ভাঁটুই খাবে ওখানে। ভাঁটুর খাওয়ার আপনি খাবেন এখানে। রুষাদি কি এই অবেলায় ভাঁটুকে না খেয়ে আসতে দেবেন? তা হতেই পারে না। ওসব কথা শুনব না। আমি কফি করে নিয়ে আসছি। একটু বসুন পৃথুদা! কী ভাল যে লাগছে না। এখন কফি খান। তারপর আমরা দুজনে বসে খাব। কত্ব গল্প করব। কত্বদিন পর…

    তুমি কেন কফি বানাতে যাবে? দাঈকে বরং বলল। আমি কি তোমার কাছে কিছু খেতেই এসেছি বলে তোমার ধারণা? তুমি আমার সামনে বসে থাকো, গল্প করো, তাহলেই সব চেয়ে খুশি হব।

    তা হোক। অত বেশি খুশি হওয়ার দরকার নেই। একটু খুশি হলেই হবে। আপনি বসুন। আপনি তো আপনিই। আপনাকে কি দাঈয়েব হাতে তৈরি কফি দিতে পারি? বলুন? এই নিন ‘দেশ’ তিন সপ্তাহ আগের। বলে, ম্যাগাজিন র‍্যাক থেকে তুলে দিল ‘দেশ’টা।

    যেতে যেতে বলল, কত কষ্ট করে যে জোগাড় করি, জবলপুরেই পাওয়া মুশকিল ছিল। আর এইখানে তো পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। আচ্ছা। মিলি-টুসু কি বাংলা পড়ে? পৃথুদা! বাংলা বই পড়ে ওরা?

    নাঃ। দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল পৃথু।

    তারপর বলল, প্রবাসী বাঙালিদের পরের প্রজন্ম আর বাঙালি থাকবে না। কেউ কেউ হয়তো বাংলা ভাষায় বাড়িতে কথা বলবেন, তাও অ্যাফেক্টেড বাংলায়; বাংলা পড়তে বোধহয় শতকরা পাঁচ ভাগও পারবেন না।

    সত্যি! বড়ই দুঃখ হয় ভাবলে।

    আমি আসছি। কফিটা নিয়ে। সঙ্গে কিছু খাবেন? চানাচুর? ফিংগার চিপস? ওঃ ভুলেই গেছিলাম। নারকোলের নাড়ু খাবেন? কাল বানিয়েছিলাম।

    পৃথু ঘাড় নাড়ল। কুর্চি চলে গেল ভিতরে।

    পৃথু ভাবছিল, এক একজন মেয়ে, এক একরকম হয়। রুষা জীবনে একদিনও নিজে হাতে কফি বা চা করে তাকে খাওয়ায়নি। তবে তার বন্দোবস্তে কোনও ত্রুটি নেই। দুজনের দুরকম গুণ। কিন্তু এক একজন পুরুষও যে এক-একরকম হয়। কেউ একটু পার্সোনাল টাচ-এর কাঙাল, কেউ অর্গানাইজেশনের অ্যাডমায়ারার।

    নারকোলের নাড়ু! মায়ের মৃত্যুর পর খায়নি। পৌষ পার্বণে পিঠে খায়নি। তেল-কই খায়নি। ধনেপাতা, কাঁচা লংকা, কালোজিরে দিয়ে। ভেটকি মাছের কাঁটা চচ্চড়ি খায়নি। বড় চিতলের তেলওয়ালা পেটি খায়নি, ধনে পাতা, কাঁচা লংকা দিয়ে। ভাপা ইলিশ খায়নি। বড় গলদা চিংড়ির মাথা ভাজা খায়নি। যাক কী পাইনি, কী খাইনি, তার হিসাব মিলাতে আজ ইচ্ছে করছে না পৃথুর। আজ, ও আর কুর্চি একা বাড়িতে। কত গল্প; কত মজা। শুধু ও আর কুর্চি। পাঁচ বছর পর!

    এক ঝাঁক টিয়া সবুজ মেঘের মতো নীল আকাশে তীক্ষ স্বরের চাবুক মেরে উধাও হয়ে গেল শাঁওন নদী পেরিয়ে গভীর জঙ্গলের দিকে, দ্রুতবিলীন স্মৃতির মতো, কাঁপতে কাঁপতে। বাইরে কাঁচপোকার মতো রোদে কার্তিকের গায়ের তিক্ত কটু গন্ধ ভাসছে। উড়ছে। নামছে; মনমৌজী হাওয়ারই সঙ্গে সঙ্গে, পাখির মতো। কুর্চির বাগানে অনেকই পাখি। সব পাখিই সুন্দর। কেবল একটিই বিচ্ছিরি। সে পাখির নাম পৃথু।

    এমন সময় একটা স্কুটারের আওয়াজ পেল নির্জন পথটাতে। তারপরই দেখা গেল। গাঢ় লাল-রঙা স্কুটার। লম্বা চওড়া ভদ্রলোক ব্যাংলনের একটা গোলাপি গেঞ্জি ও নীলরঙা স্ট্রেচলনের ট্রাউজার। নেমে ধাক্কা দিয়ে গেট খুলে আবার স্কুটার চালিয়েই চলে এল ভিতরে। বাগানে যে ছোট চালামত আছে, তার নীচে সেটাকে রেখে, হাঁক দিল দাঈ-ঈ, গেট বন্ধ কর দেনা জী। দাঈ…

    প্রথমে চিনতেই পারেনি পৃথু। পাঁচ বছর আগে দেখেছিল বিয়ে করতে আসা নবাগন্তুককে। ভাঁটু। কুর্চির বর!

    বসবার ঘরে ঢুকে পৃথুকে দেখেই বলল, আররে? পিরথু দা যে! আজীব আদ্‌মী তো। আপনার খোঁজেই তো গেছিলাম। দেখুন, ধুলোয় কেইসা ভূত বনে গেছি। সুকরার ঠিক পরেই যে কজওয়েটা মেরামত না হচ্ছে, সেইখানে ডাইভার্সন! রাম কহো! কী ধুলো! হালত সাচমুচ খারাব হো গ্যায়া। ঔর শুনাইয়ে খাল খরিয়ৎ সব ঠিক্কে না?

    সব ভাল। রুষা বাড়ি ছিল না? কখন গেছিলেন ওখানে?

    হ্যাঁ। হ্যাঁ, ছিল তো। আভ্‌ভিত আ রহা হ্যায়, হুঁইয়েসে।

    ও, ছিল তাহলে। কটা বেজেছে এখন ভাঁটুবাবু?

    লজ্জা করল পৃথুর। ওকে খাইয়ে দিল না রুষা! ছিঃ!

    এখন প্রায় সোয়া একটা হল? কেন? কী হল? এত তাড়া কীসের? আমি তো সামমে আবার যাব ভাবির কাছে। ইদুরকার সাহেব ভি আসছেন। একটা মিটিং ডেকেছেন ভাবি। হাটচান্দ্রাতে কিশোরকুমার নাইট কোরাবার কোথা শোচছি আমরা। মোহিলা সোমিতিকো যো ভি রূপেয়া বাঁচেগা, সব্‌হি দে দেগা। কুর্চি বোলছিল, কোনিকা বনার্জী আর সুবিন রয়কে আনতে।

    কী বলল রুষা?

    ভাবি বললেন, ছোড়ো, ভাঁটু। রভীন্দর সঙ্গীত-ফঙ্গীত নেহি চলেগা হিঁয়া। আইদার কিশোরকুমার+অমিতকুমার নাইট, নেহি তো আনন্দশংকরকা পার্টিকা বোলা লেও। ক্যালকাটা ইয়ুথ কয়্যারকা ভি দাওয়াত দিতে পারো।

    একটু চুপ করে থেকে ভাঁটু বলল, রভীন্দরসঙ্গীত কা জামানা খতম হো গ্যায়া! আভ্‌ভি কুছ ঝিং-চ্যাক্‌ জিগ্‌লিং-ঝুম-ঝুম মিউজিকোঁকো ওয়াক্ত হ্যায়! আপনি কী বোলেন দাদা?

    এ সবের আমি আর কী বুঝি বলুন? আপনি খেয়ে এলেন না ওখানে! এত বেলায় এলেন?

    খেয়েছি তো। আলবাৎ খেয়েছি। ফ্রেশ লাইম। উইথ ওয়াটার। আপনার আয়া মেরি, নিম্বু চিপে ফ্রিজ-এর পানি দিয়ে ফারস্ট ক্লাস সোরবৎ কোরে দিল।

    দুপুরের খাওয়াটাই আপনি খেয়ে এলেন না?

    সত্যিই খুব অপরাধী লাগছিল পৃথুর।

    আরেঃ! আপনি কি পাগল আছেন? উইদাউট অ্যাপয়েন্টমেন্ট, বোলা নেই, কোওয়া নেই, হুট করে খাওয়া যায় নাকি? আজকাল সোব ফ্যামিলিতেই গিনতি-করা লোক। এ তো আর আগের জামানা নেই যে, ওনেকেরই খানা বেশি থাকছে রোজই। তাছাড়া রুষা ভাবি আপনার বহুতই ডিসিপ্লিনড হচ্ছে। আমি বহুতই অ্যাডমায়ার করি। বেটা-বেটিও কী চোমকার হোলো দাদা আপনার। বউদি ডাকলেন, ইনট্রোডিউস কোরবার জন্যে। এক সেকেন্ড করে এল, বাও করল, পাক্কা সাহেবের বাচ্চার মতো বলল, হাই! আঙ্কল! তারপর নিজের নিজের ঘোরে চলে গেল। ভাবির কাছ থেকে শেখার বহুত কুছ আছে।

    কুর্চি কফি নিয়ে এল। ভাঁটুকে দেখে বলল, খাবে তুমি?

    দুসস। আমি বিয়ার লেব। আছে তো ফ্রিজ-এ। কী হল? এই ওবেলায় কফি? বিয়ার চোলবে তো? চোলবে। চোলবে চোলুক।

    আবারও পৃথুর মন খারাপ হয়ে গেল। লজ্জা তো হলই। এই অবেলায়, রোদ মাথায় করে যখন ভাঁটু হাটচান্দ্রাতে গেল, তখন ওকে খাইয়ে দিলে কী হত রুষার? একদিন যদি একজন লোক বেশিই খায় উইদাউট নোটিস-এ, তাহলে কি ক্ষতি হয়? নিজেরা না হয় সকলে একটু কম কমই খাওয়া যেত!

    আর এখানে বসে কী-ই বা লাভ! কুর্চিকে তো আর একা পাবে না। ভাঁটু তার ভাঙা-ভাঙা বাংলায় ভট ভট করে কন্টিয়াসলি কথা বলে যাবে। অনেকেরই মতো, নিজের গলার স্বরকে ভাঁটু খুবই ভালবাসে। পৃথুরা, ওরা নিজেরাও অনেকদিন প্রবাসী। কিন্তু ভাঁটুর মতো ভাঙা বাংলা ওদের পরিবারের কেউই বলে না। আসলে, ভাঁটুটা অশিক্ষিতও বটে। কী দেখে যে বিয়ে করেছিল কুর্চি, সেই-ই জানে।

    পৃথু বলল, আমি উঠলাম।

    সে কি?

    আহত ও অবাক গলায় কুর্চি বলল।

    আরে বোললাম তো বিয়ারসিয়ার খেয়ে ডাটকে খনা খেয়ে স্কুটারে দুজনে বসে সামকা টাইম্‌মে চলে যাব। এখন যাবেনই বা কিসে? এই ধুপ-এ? আসলেন কিসে?

    গাড়িতে।

    মিথ্যা কথা বলল পৃথু। ভাঁটুর হাত থেকে বাঁচতে।

    গাড়িতে? কোথায় গাড়ি?

    আছে। বাজারে।

    বাজারে? আমি তো এই-ই আসলাম। বাজার হয়ে। কোনও গাড়ি তো দেখলাম না। স্রিফ চান্‌চানীদের জিপটাকে দেখলম।

    কাছেই গেছে। কাজে পাঠিয়েছি। এসে যাবে, মানে এসে গেছে এতক্ষণে।

    আররে। কী যে বলেন দাদা। আপনার দিমাগই খারাপ। হাটচান্দ্রাতে গাড়ি তো আপনার দাঁড়িয়ে আছে দেখলাম আপনার বাড়িরই পোর্টিকোতে। আপনারই গাড়ি তো হচ্ছে? নাকি? নেভি-ব্লু রঙা আম্বেসোড়র। ফোরটিন সিক্সটিন নাম্বার। ঠিক কি না?

    পৃথু বিরক্ত হল। ছোকরাটা বড় স্টাবর্ন। আর এঁড়ে তক্ক করে। যাদের কোনও কাজ কম্ম নেই, তারাই যত রাজ্যের গাড়ির নাম্বার মুখস্ত করে রাখে।

    বলল, আমার নিজের গাড়ি নিয়ে আসিনি। ভুচুর গ্যারাজ থেকে একটা…

    ভুচু? কে ভুচু? কুর্চি শুধোল।

    আছে। ওর মোটর গারাজ আছে। মান্দলাতে ছিল আগে। তার আগে জবলপুরে।

    তাই-ই। বলল কুর্চি।

    পৃথু সোজা উঠে পড়ে, বাগানের দিকে এগোল। গেট খুলে পথে যাবে বলে।

    কুর্চি কথা না বলে পেছন পেছন এল।

    গলা নামিয়ে বলল, কী হল? হলটা কী আপনার? কফিটা অন্তত খেয়ে যান। কি?

    নাঃ। আমি যাই কুর্চি।

    মাঝে মাঝেই এমন অশান্ত অবুঝ হয়ে ওঠে ও। ও এমন এমন সময় নিজেকেও বোঝে না।

    কুর্চি গেট অবধিই এল, খালি পায়েই। পেছন পেছন।

    দুদিকে দুটি কদম গাছ। মুখ তুলে ভাল করে তাকাল কুর্চি পৃথুর দিকে। বলল, আপনি ভারী অসভ্য হয়েছেন। ছিঃ!

    চিরদিনই ছিলাম। চলি।

    আবার আসবেন। কি? আসবেন না?

    দেখি।

    চিঠি লিখবেন? আগে তো কত লিখতেন?

    গলা নামিয়ে কুর্চি বলল।

    পৃথু ভাবল বলে যে, চিঠি তো অন্য লোকে হাতিয়ে নিত। কে জানে ভাঁটুই নিত কি না? না, ওর পরিবারের অন্য কেউ? লিখবে কী করে? এখানেও তাই-ই হবে। পরের চিঠি যারা খোলে তারা…

    কিন্তু মুখে কিছু বলল না।

    ঠিক আছে।

    ঠিক?

    ঠিক।

    ভাঁটু বসবার ঘরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে বলল, আপনি পিরথু দাদা বড্ড জিদ্দি হচ্ছেন। এত জিদ্দি ভাল নয়। আসবেন আবার।

    গেট খুলে, পথে পড়ে, শালবনের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যেতে লাগল পৃথু, বাজারের দিকে। পিপাসা পেয়েছে। বাজারে গিয়ে দুটো পান খাবে একশ-বিশ জর্দা দিয়ে।

    অনেকদূর এসে একবার পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখল ও। কুর্চি তখনও সাদা-রঙা কাঠের গেটের উপরে দুটি হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছে। জোড়া কদমের নীচে।

    আগের মতোই আছে। একটুও বদলায়নি। ভাঁটু ফুল কি কুর্চি ফুলকে বদলাতে পারে? খুবই ভাল লাগল ওর। কুর্চির জন্যে অনেক অনেক শুভকামনা ও হাত না তুলেই কার্তিকের রোদের মধ্যে মিশিয়ে দিল যাতে কুর্চির সারা গায়ে তা গিয়ে ছোঁয়। উড়ে উড়ে, আবিরের মতো; আশ্লেষে।

    পৃথু এখন বাড়িতে যাবে না। গেলেই তো অশান্তি। মিথ্যা বলতে পারবে না। বলতেই হবে যে, গেছি, কুর্চির কাছে। বিকেলে আবার মিটিং। বিনোদ ইদুরকার। জিগলিং-ঝুম। ভাঁটু। হুলো বেড়াল। তখনই জানতে পারবে রুষা। রাতে তো বাড়ি ওকে ফিরতেই হবে। তখন…

    কপালে আছে…

    বাজারে একজোড়া জর্দা পান খেয়ে, জর্দাটা মাথার মধ্যে ব্যাঙাচির মতো লাফালাফি শুরু করতেই ও ঠিক করল, হাটচান্দ্রাতে পৌঁছে বাড়ি না গিয়ে, সাবীর মিঞার দোকানেই যাবে। বহুদিন যাওয়া হয়নি। দোকানে বসেই কাবাব-পরোটা আনিয়ে খেয়ে নেবে।

    পানের দোকানের পাশের অশ্বত্থতলার ছায়ায় একটা সাইকেল-সারাই-এর দোকানের কাঠের পাটাতনে বসে রইল পৃথু। বাস আসার প্রতীক্ষায়। পথের নরম ধুলোও প্রতীক্ষায় আছে। কখন কোন দ্রুতগামী যান এসে ওদের উড়িয়ে দেবে বলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article২৫টি ভয়ংকর বাঘ – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব গুহ
    Next Article ঋজুদা সমগ্ৰ ৫ – বুদ্ধদেব গুহ

    Related Articles

    বুদ্ধদেব গুহ

    বাবলি – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্ৰ ১ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ২ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৩ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    ঋজুদা সমগ্র ৪ – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    বুদ্ধদেব গুহ

    অবেলায় – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }