Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মিন্দানাওয়ের বন্দী – সাইমুম সিরিজ #৩

    লেখক এক পাতা গল্প135 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মিন্দানাওয়ের বন্দী – ৯

    ৯

    হন হন করে এগিয়ে চলেছে আহমদ মুসা। একবার হাত দিয়ে সোল্ডার হোলস্টারে সে তার প্রিয় রিভলবারটি দেখে নিল।

    সাবেরার স্কেচটি এমন নিখুঁত যে, বেগ পেতে হচ্ছে না রাস্তা চিনে নিতে। মৃত পুরীর মতই অলি-গলি সব নীরব-নীর্জন। এই নীরবতার মাঝে আহমদ মুসার স্টিল সোলের জুতা বিদঘুটে শব্দ তুলছে।

    আর বেশী দূর নয়। স্কেচ অনুসারে শেষ লেনের শেষ মাথা প্রায় এসে গেছে।

    লেনটির মাথা জুড়েই পাওয়ার হাউজ। ৮ ফিটের মত উঁচু দেয়াল। দেয়ালের উপর দিয়ে আবার তারকাঁটার জাল। তারকাঁটার জাল যে ইলেকট্রিফায়েড তা সহজেই আঁচ করা যায়।

    দেয়ালের বাইরে দিয়েও সেন্ট্রি রয়েছে।

    আহমদ মুসা লেনের মুখে অন্ধকার মত জায়গায় দাড়িয়ে রইল। লেনের মুখ থেকে একজন সেন্ট্রিকে দেখা যাচ্ছে। সে হাটতে হাটতে দক্ষিণ দিকে চলে গেল। আর একজন সেন্ট্রিকেও দেখা গেল। সে রাস্তার মোড় পর্যন্ত এসে আবার পশ্চিম দিকে চলে গেল। আহমদ মুসা বুঝল নির্দিষ্ট নিয়মেই এ পেট্রোল চলছে। যখন দক্ষিণের সেন্ট্রি মোড়ে আসবে, তখন এদিকের সেন্ট্রি চলে যাবে পশ্চিমে।

    আহমদ মুসা লেনের দেয়ালের পাশে ব্যাগটি রেখে দিল। তারপর পকেট থেকে একটি ছোট্ট শিশি বের করে নিয়ে তা থেকে কিঞ্চিত পরিমাণ তরল পদার্থ রুমালে ঢেলে নিল। দক্ষিণের সেন্ট্রিটি মোড়ের কাছে প্রায় এসে গেছে।

    আহমদ মুসা রেডি হলো। ডান হাতে রুমাল। সেন্ট্রিটি মোড়ে এসে মুহূর্তকাল দাড়িয়ে আবার দক্ষিণ দিকে যাত্রা শুরু করল।

    আহমদ মুসা পায়ের আঙুলের উপর ভর দিয়ে দ্রুত তার পিছু নিল। নাগালের মধ্যে আসতেই সে বাঘের মত ঝাঁপিয়ে পড়ল তার উপর। বাম হাতে চেপে ধরল গলা, আর ডান হাতে ক্লোরোফরম ভেজান রুমাল ঠেসে ধরলো নাকে। অষ্ফুটে কয়েকবার কোঁক কোঁক করে একেবারে হাত-পা আছড়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ল।

    আহমদ মুসা দ্রুত তাকে লেনের অন্ধকারে কোণে টেনে নিয়ে এলো। তারপর তার ইউনিফরম খুলে পরে নিল নিজে। ব্যাগ থেকে প্রয়োজনীয় কয়েকটা জিনিস পকেটে পুরল। এদিকে সেন্ট্রিটি মোড়ে এসে গেছে।

    আহমদ মুসা অটোমেটিক রাইফেলটি কাঁধে ফেলে ক্যাপটি কপাল পর্যন্ত নামিয়ে পাওয়ার হাউজের দেয়ালের গা ঘেষে চলতে শুরু করলো।

    দেয়ালটি দক্ষিণে এসে যেখানে শেষ হযেছে সেখান থেকে পুনরায় তা বেঁকে অল্প একটু গিয়ে উঁচু বারান্দায় শেষ হয়েছে। বারান্দায় এসে মিশেছে হোয়াইট রোডও। বারান্দার সিড়ির নীচে দুই প্রান্তে অটোমেটিক কার্বাইন হাতে দু’জন দাঁড়িয়ে আছে। দক্ষিণ দিকে হোয়াইট রোডের অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়। কিছু দূরে দু’টি জীপ দাড়িয়ে আছে। জীপের রং দেখে মনে হচ্ছে আর্মির।

    আহমদ মুসা ফুলস্কেপ সাইজের একটি প্রিন্টেড কাগজ বের করে হাতে নিয়ে দ্রুত দৃঢ় পদক্ষেপে বারান্দার সিঁড়ির দিকে এগিয়ে চলল। মনে হচ্ছে যেন জরুরী কোন কাগজ সে অফিসের ডিইটি অফিসারকে দিতে যাচ্ছে । অটোমেটিক কারবাইন হাতে দাড়ানো পুলিশ দু’জন তাকে দেখে নড়ে উঠল। কিন্তু আহমদ মুসা কাগজটি উঁচু করে অফিসের দিকে ইংগিত করে সিঁড়ি ভেঙে দ্রুত বারান্দা অতিক্রম করে অফিসে ঢুকে গেল। সে যে রুমে প্রবেশ করলো, তা একটি হলঘর। হল ঘরে কোন লোক নেই। হল ঘরের পরেই আর একটি রুম। চেয়ার টেবিল পাতা। ডিউটি অফিসার চেয়ারে বসে ঢুলছিল। আহমদ মুসা ঘরে প্রবেশ করেই দরজা বন্ধ করে দিল। শব্দ পেয়ে ডিউটি অফিসার একটু নড়ে চড়ে বসল। চোখ দু’টিও তার খুলে গেল। উদ্যত রিভলভার হাতে একজন অপরিচিত পুলিশকে তার সামনে দাঁড়ানো দেখে সে হকচকিয়ে উঠল। বসে থেকে আপনা হতেই একান্ত অনুগত্যের মত হাত দু’টি উপরে তুলল।

    আহমদ মুসা বলল, হাত উপরে তোলা নয় ইঞ্জিন রুমের চাবি দাও। কোন চালাকি করো না। মাথার খুলি উড়িয়ে দেব।

    লোকটি কাঁপতে কাঁপতে ড্রয়ার থেকে চাবি নিয়ে ফেলে দিল টেবিলের উপর। আহমদ মুসা দ্রুত টেবিল থেকে চাবি কুড়িয়ে নিল। তারপর রিভলভার উচু করে চাপ দিল ট্রিগারে। একরাশ ধোয়া বেরিয়ে গেল নল দিয়ে। লোকটি জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়ল চেয়ারের উপর। তারপর চেয়ার থেকে মেঝেতে।

    আহমদ মুসা দ্রুত চাবি নিয়ে ভিতরে ঢুকে গেল। ভিতরের উঠান বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সাজ সরঞ্জামে ভর্তি। উত্তর-পশ্চিম কোণে ইঞ্জিন কক্ষ। ভীষণ শব্দে ইঞ্জিন চলছে। আহমদ মুসা দ্রুত সেদিকে অগ্রসর হলো। ওদিক থেকে দু’জন লোক অফিস ঘরের দিকে আসছিল। ওরা তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী। পুলিশকে ওভাবে দ্রুত ইঞ্জিন রুমের দিকে যেতে দেখে তারা বিস্মিত কন্ঠে বলল, কি হয়েছে স্যার?

    -কিছু হয়নি, তবু ইঞ্জিন রুমটা একটু চেক করে আসি। তোমরা এখানে একটু দাঁড়াও।

    লোক দু’জন আহমদ মুসার ইংরেজী কথা শুনে মনে করল, নিশ্চয় উপর থেকে পাঠানো হয়েছে। তারা আহমদ মুসার নির্দেশ মত ঠায় দাঁড়িয়ে রইল।

    আহমদ মুসা দ্রুত গিয়ে ইঞ্জিন রুমে ঢুকে পড়ল। তারপর কাজে লেগে গেল সে।

    পকেট থেকে সে ডিম্বাকৃতি একটি বস্তু অতি সন্তর্পনে বের করে নিল। সৌদি অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরীতে তৈরী অত্যাধুনিক ডিনামাইট এটি। এর জন্য পৃথক কোন ফিউজের দরকার হয় না এবং আগুনেরও প্রয়োজন হয় না কোন। এ ডিম্বাকৃতি ডিনামাইটের শীর্ষদেশে চ্যাপটা ধরনের সেফটি পিন রয়েছে। পিনটি খুলে নিলেই এর ভিতরের ক্ষুদ্র অটোমেটিক রিয়্যাকটরে বিষ্ফোরণ ঘটে যায় এবং তা থেকে উৎপাদিত তাপ ক্রমে ক্রমে এমন এক পয়েন্টে উন্নতি হয় যখন গোটা ডিনামাইটটিই ফেটে পড়ে প্রচন্ড বিষ্ফোরণে। এর ধ্বংসকারী ক্ষমতা ভীষণ। প্রায় তিনশ’ বর্গগজ পরিমিত স্থানের সবকিছুকে এটা ধুলায় পরিণত করতে পারে।

    আহমদ মুসা সন্তর্পণে সেফটি পিন খুলে নিয়ে অতি সাবধানে তা রেখে দিল মূল ইঞ্জিনের অভ্যন্তরে নির্ভৃত এক কোণে। চট করে কারোরই তা নজরে পড়বে না।

    আহমদ মুসা তাড়াতাড়ি ইঞ্জিন রুম থেকে বেরিয়ে এলো। গেটে তালা লাগিয়ে চাবি ছুড়ে ফেলে দিল পাশের স্তুপিকৃত লোহা-লক্কড়ের মধ্যে। নিরাপদে ডিনামাইটটি পাততে পেরে আনন্দে গুনগুনিয়ে উঠেছিল আহমদ মুসার মন। কিন্তু গুনগুনানি তার থেমে গেল যখন দেখল যাদেরকে সে দাঁড়াতে বলে গিয়েছিল তারা সেখানেই নেই। ধক করে উঠল তাঁর মন। ওদেরকে অমন করে মায়া দেখানো তার ঠিক হয়নি। শত্রুকে পিছনে ফেলে রেখে যাওয়াটা মারাত্মক ভুল হয়েছে তার।

    দ্রুত সে ডিউটি রুমের দিকে পা বাড়াল। ডিউটি অফিসার তেমনভাবে পড়ে আছে তার চেয়ারের পাশে। কিন্তু বাইরের দিকের যে দরজা আহমদ মুাসা বন্ধ করে গিয়েছিল, তা খোলা। আর বাম পাশের সংযোগ কক্ষের খোলা দরজা বন্ধ। সন্দেহের এক শীতল স্রোত বয়ে গেল তার দেহে। শির শির করে উঠল তার মেরুদন্ডদেশ। সে তাহলে ট্রাপে পড়েছে?

    বাইরের খোলা দরজার দিকে দ্রুত এগোল সে। কিন্তু দরজায় পা দিয়েই দেখতে পেল, কয়েকজন দ্রুত সিড়ি বেয়ে উঠে আসছে। হাতে উদ্যত সাব মেশিন গান।

    রিভলভার এক্ষেত্রে অকেজো দেখে আহমদ মুসা দ্রুত বাম হাত দিয়ে প্যান্টের বাম পকেট থেকে স্মোক বম্ব বের করে নিল। বিদ্যুৎ গতিতে তার বাম হাত উপরে উঠল। কিন্তু বম্ব ছুড়তে সে পারল না। একেবারে পেছনে পদশব্দ শুনে সে তড়াক করে পেছনে ফিরল। কিন্তু দেরী হয়ে গেছে তখন। প্রচন্ড এক আঘাত নেমে এলো তার মাথায়। জ্ঞান হারিয়ে আহমদ মুসা লুটিয়ে পড়লো মেঝেতে।

    সবাই এসে ঘিরে ধরল তাকে। তাদের মধ্যে থেকে লেফটেন্যান্টের প্রতীক আটা একজন অন্য একজন অন্য একজনকে লক্ষ্য করে বলে উঠল, আলবার্ট তুমি এখনি গিয়ে স্যারকে খবর দাও। জীপ নিয়ে যাও।

    একটা কড়া স্যালুট দিয়ে আলবার্ট নামক লোকটি ঘর থেকে বেরিয়ে সিঁড়ি ভেঙ্গে দ্রুত জীপ লক্ষ্যে এগিয়ে গেল।

    হোয়াইট রোড পার হয়ে পার্ক রোড ধরে আলবার্টের গাড়ী পূর্বদিকে দ্রুত এগিয়ে চলছিল। সামনেই একটি কালভার্ট। সংকীর্ণ রাস্তা সেখানে । অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাকে স্পিড কমাতে হলো। এই সময় সামনে থেকে একটি গাড়িকে সে তীরবেগে এদিকে এগিয়ে আসতে দেখল। গাড়ীটির বেপরোয়া গতি দেখে প্রমাদ গুণল আলবার্ট। কালভার্টের মুখে এসে আলবার্টের গাড়ী ডেডশ্লো হয়ে গেল। সামনের গাড়ীটি তখন কালভার্টে উঠে পড়েছে। আলবার্টের গাড়ী থেমে গেছে রাস্তার কুল ঘেষে। সামনের গাড়ীটিও এসে দাঁড়াল তার গাড়ীর পাশে।

    -কি ব্যাপার আলবার্ট, কোথায় চলেছ? জীপ থেকে মুখ বাড়িয়ে এক নারী কন্ঠ জিজ্ঞাসা করল।

    -স্যারকে খবর দিতে।

    -কি খবর?

    -ও। আপনি তো জানেন না। পাওয়ার হাউজে এক শালাকে আমরা ধরেছি। আলবার্টের মুখে বিজয়ের হাসি।

    -স্যারকে আবার খবর দেয়া কেন? তোমাদের সব কাজে দীর্ঘ সূত্রিতা। ওকেই তো এখনি হাজির করতে হবে স্যারের কাছে। চল ওকে নিয়ে আসব আমি।

    আলবার্ট ও মেয়েটি ফিরে এলো পাওয়ার হাউজে। গাড়ী থেকে নেমেই তরতর করে সিঁড়ি ভেঙ্গে মেয়েটি উঠে গেল পাওয়ার হাউজের ডিউটি রুমের দিকে।

    আহমদ মুসার জ্ঞান ফিরে আসেনি তখনও। তেমনিভাবে সবাই বসে আছে তাকে ঘিরে। মেয়েটিকে ঘরে ঢুকতে দেখে সবাই সসম্ভ্রমে উঠে দাড়ায়। ফিলিপাইন সিক্রেট সার্ভিসের বাঘা এজেন্ট মিস হেনরিয়েটাকে দেখে তারা খুশী হল।

    ঘরে ঢুকে সকলের দিকে স্মিত হাস্যে চেয়ে হেনরিয়েটা বলল, তোমাদের সকলকে ধন্যবাদ। তোমাদের কাহিনী আমরা পরে শুনব। একে বেঁধে তোমরা আমার জীপে তুলে দাও। এক্ষুনি একে হেড কোয়ার্টারে পৌছাতে হবে। অনেক কাজ আছে একে দিয়ে।

    লেফটেন্যান্টের ইংগিতে দ্রুত আহমদ মুসাকে হেনরিয়েটার জীপে তুলে দেয়া হলো।

    গাড়ীতে উঠতে উঠতে হেনরিয়েটা বলল, তোমাদের এ বিজয়ে হেড কোয়ার্টার অপরিসীম খুশী হবে। কিন্তু দেখো, আনন্দ যেন তোমাদের দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য না সৃষ্টি করে।

    তীর বেগে ছুটে চলল হেনরিয়েটার জীপ। হোয়াইট রোড, পার্ক রোড পার হয়ে মার্কোস এভিনিউ ধরে তা এগিয়ে চলল উত্তর দিকে। মার্কোস এভিনিউ ধরে কিছু দূর যাবার পর গাড়ীটি বাম দিকে ঘুরে লেক সার্কাস রোড ধরে প্রায় মিনিট তিনেক চলার পর রাস্তা থেকে নেমে একটি অন্ধকার মত জায়গায় দাঁড়িয়ে পড়ল।

    গাড়ী থামতেই হেনরিয়েটা লাফ দিয়ে পিছনের সিটে এলো। অন্ধকারের মধ্যেই চাকু দিয়ে সে আহমদ মুসার হাত ও পায়ের বাঁধন কেটে দিল।

    আহমদ মুসা গাড়ীতে উঠার পরেই জ্ঞান ফিরে পেয়েছিল। মাথা তার খসে যাচ্ছে বেদনায়। গোটা গা ঝিম ঝিম করছে। ভাবছিল সে, মেয়েটি তাকে কোথায় নিয়ে চলেছে? বাঁধন কাটতে দেখেই তার মনে একটি কথা ঝিলিক দিয়ে গেল। সে বলল, কে, সাবেরা?

    -জি, জনাব, আপনি জেগে উঠেছেন? কেমন বোধ করছেন এখন?

    সাবেরার প্রশ্নের দিকে কর্ণপাত না করে আহমদ মুসা বলল, আমাকে কোথায় এনেছ সাবেরা?

    -আমরা এখন লেক সার্কাস রোড রয়েছি।

    -এখন সময়……

    আহমদ মুসা কিছু বলতে যাচ্ছিল, এমন সময় বিষ্ফোরণের এক বিরাট শব্দ শোনা গেল। গাড়িটিও কেঁপে উঠল সেই ধাক্কায়।

    সঙ্গে সঙ্গে বৈদ্যুতিক বাতি নিভে গেল চারদিকের।

    সাবেরা খুশীতে আহমদ মুসার হাত দু’টি ধরে ঝাঁকানি দিয়ে বলল, সফল মিশন আপনার।

    আহমদ মুসা শান্ত স্বরে বলল-সবে কাজ শুরু, খুশী হবার সময় এখনো আসেনি সাবেরা।

    একটু থেমে আহমদ মুসা আবার বলল, এখন সময় কত?

    -পৌণে বারটা।

    -সাবেরা, গাড়ী চালিয়ে টার্মিনাল ভবনের দিকে চল।

    -কিন্তু আপনার ফার্স্ট এইড না করে কিছুতেই যাওয়া যাবে না। এখনও রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

    -অবাধ্য হয়ো না সাবেরা। ইয়ারপোর্ট সংলগ্ন মার্কোস এভিনিউ-এর ব্রিজ আমাদের এই মুহূর্তেই দখল করতে হবে।

    আর কোন কথা না বলে সাবেরা গিয়ে স্টিয়ারিং হুইলে বসল।

    গাড়ীটি সবেমাত্র লেক সার্কাস রোডে উঠে চলতে শুরু করেছে, এমন সময় শহরের দক্ষিণাঞ্চল থেকে মেশিনগানের শব্দ ভেসে এলো। শুধু এক জায়গায় নয়, গোটা দক্ষিণ কাগায়ান ট্যা ট্যা র….র….র…. শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে।

    প্রথমেই কথা বলল, সাবেরা। বলল, এই অবস্থায় কি আমাদের যাওয়া উচিত হবে?

    -ভয় পেয়ো না সাবেরা, ওগুলো পিসিডার মেশিনগান। এতক্ষণ পাওয়ার হাউজের বিষ্ফোরণের অপেক্ষা করছিল, এবার ওরা ঢুকে পড়ছে দক্ষিণের বিভিন্ন পথ দিয়ে। আমাদের গিয়ে ব্রিজ দখল করে শত্রুর সরবরাহ ও যোগাযোগের পথ বন্ধ করে দিতে হবে।

    সাবেরার মুখে ফুটে উঠল সুন্দর এক টুকরো হাসি। বলল, ভয় পাব কেন জনাব, আপনার সাথে থেকে মৃত্যুবরণ করার দুর্লভ সৌভাগ্য লাভ করলে আমি ধন্য হব।

    -এ মৃত্যু কামনার মধ্যে কোন কৃতিত্ব নেই সাবেরা, বরং এটা এক ধরনের অপরাধ।

    -শহীদ হবার আকাঙ্খা কি পোষণ করে না মানুষ?

    -করে হয় তো কিন্তু ওটা ভুল। শহীদ হলে বিজয় আসবে কার হাত দিয়ে? শহীদের আকাঙ্খা প্রকৃতপক্ষে শত্রুর হাতে বিজয়ের পতাকা তুলে দেবার মতই অপরাধ। সুতরাং আকাঙ্খা শহীদের নয়, গাজী হবার আকাঙ্খা পোষন করতে হবে। গাজী হবার আকাঙ্খা পুরণ করতে গিয়ে যে মৃত্যু আসবে, সেটাই শহীদের মৃত্যু, সম্মানের মৃত্যু-গৌরবের মৃত্যু।

    মার্কোস এভিনিউ ধরে ঝড়ের মত ছুটে চলছিল জীপ। দু’জনেই নীরব।

    আহমদ মুসা জিজ্ঞেস করলো, তোমার জীপে কোন অস্ত্র আছে সাবেরা?

    -দুটো মেশিনাগান আছে। আর আছে আধা ডজনের মত হাত বোমা।

    -কোথায় মেশিনগান?

    -উপরে তাকিয়ে দেখুন।

    আহমদ মুসা উপরে তাকিয়ে দেখল, জীপের ছাদের সাথে টাঙানো আছে দুটি মেশিনগান। জীপের ছাদের সাথে ওগুলো এমনিভাবে সেটে আছে যে, হঠাৎ করে চোখেই পড়ছে না।

    মেশিনগান দু’টো নামিয়ে নিতে নিতে আহমদ মুসা বলল, মাইকেল এ্যাঞ্জেলা ও ডেভিড ইমরানকে তো তুমি চেন? সোভিয়েটের পক্ষ থেকে এখানে কে এসছে জান?

    -সোভিয়েট ইনটেলিজেন্সের কমান্ডার অপারেটর এয়াগোমোভিচ।

    -আপো পর্বতে কামান্ডো হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে কি জান?

    -ওটা ইরগুন জাই লিউমি ও সোভিয়েট ইনটেলিজেন্সের নিজস্ব অপারেশন। ফিলিপাইন ইনটেলিজেন্স এখানে শুধু ‘হস্ট’ -এর ভুমিকা পালন করছে। অবশ্য লাভের সিংহভাগ ফিলিপাইনীদের বরাতেই আসবে।

    -কেমন করে? মুসলমানেদর উথাণ এভাবে রোধ করতে পারলেই কি মিন্দানাওয়ে খৃষ্টান স্বার্থের জয় হবে? কমিউনিস্টরা চেষ্টা করবে না তাদের স্থান করে নিতে?

    -এটা ক্লু-ক্লাক্স-ক্লান এবং খৃস্টান মিশনারী কর্মকর্তারা বুঝে। কিন্তু অবস্থার চাপে পড়েছে তারা। রেডিয়েশন বম্ব উদ্ধার করে পেন্টাগণকে ফেরত দিতে না পারলে বড় অসুবিধায় পড়তে হবে ক্লু-ক্লাক্স-ক্লান ও মিশনারী কর্তৃপক্ষকে। রেডিয়েশন বম্ব কেলেংকারী প্রবল উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে পেন্টাগন ও মার্কিন সরকার যন্ত্রে।

    সমগ্র শহর অন্ধকারে ডুবে আছে। অন্ধকারের আলো গিয়ে পড়েছে ব্রীজে। ব্রীজের উপর দু’জন পুলিশ। দু’জনার হাতেই সাব মেশিনাগান। সাব মেশিনগান উচিয়ে দক্ষিণ দিকে চেয়ে তারা দাঁড়িয়ে আছে।

    সাবেরা জিজ্ঞেস করলো কি করব জনাব?

    আহমদ মুসা বলল, জীপ কার, আরোহীর কারা, তা না জেনে ওরা গুলী করবে না। তাছাড়া অবস্থার আনুকুল্যটা আমাদের দিকেই রয়েছে। আমরা ওদের দেখতে পাচ্ছি, ওরা আমাদের দেখতে পাচ্ছে না। তুমি ওদের পাশে গিয়ে গাড়ী থামাও।

    আহমদ মুসা মেশিনগান রেখে দিয়ে সাবেরার রিভলভারটি তুলে নিল। সাইলেন্সার লাগানোই আছে তাতে।

    গাড়ী ব্রীজের নিকটবর্তী হতেই ওরা হাত তুলে গাড়ী থামাবার ইংগিত করল। রাস্তার পুর্বধার দিয়ে গাড়ী চলছিল এবং ব্রীজের পূর্বদিকের দেয়াল ঘেষে গাড়ীটি দাঁড়িয়ে পড়ল।

    গাড়ী দাঁড়াতেই পুলিশ দু’জনের একজন ছুটে এলো গাড়ীর দিকে। কিন্তু দু’তিন পা এগিয়েই সে অষ্ফুট আর্তনাদ করে ঢলে পড়ল মাটিতে।

    পর মুহূর্তেই দ্বিতীয় জনের উচিয়ে ধরা সংগিন থেকে ছুটে এলো এক ঝাঁক গুলি। কিন্তু সাবেরা অদ্ভুত ক্ষীপ্রতার সাথে সামনে সরিয়ে নিয়েছিল গাড়ি। গুলীর ঝাঁক গিয়ে ব্রীজের দেয়াল বিদ্ধ করল। এই অবসরে আহমদ মুসার দ্বিতীয় গুলি নিঃশব্দে লক্ষ্য ভেদ করলো। দ্বিতীয় জনও মুখ থুবড়ে পড়ে গেল ব্রীজের কংক্রিটের মেঝের উপর।

    আহমদ মুসা লাফ দিয়ে জীপ থেকে নেমে পড়ল। সাবেরাও নেমে পড়ল সেই সাথে। দুজনার হাতেই দুটি মেশিনগান।

    দক্ষিণ কাগায়ানে মেশিনগান ও হাত বোমা বিষ্ফোরনের অবিরাম শব্দ রাতের কালরূপকে আরও ভয়ংকর করে তুলেছে।

    টার্মিনালের বহিরাঙ্গন থেকে ইঞ্জিন স্টার্ট নেয়ার শব্দ পেল আহমদ মুসা।

    একটি নয়, একই সঙ্গে কয়েকটি ইঞ্জিন স্টার্ট নিল। আহমদ মুসা সাবেরাকে ইংগিত করে ব্রীজের দক্ষিণ প্রান্তে সরে এলো। বলল, হাত বোমা লও সাবেরা, ট্রাকের বিরুদ্ধে মেশিনগান তেমন কাজে আসবে না।

    ব্রীজের উপর দ্রুত অগ্রসরমান পায়ের শব্দ পাওয়া গেল। সাবেরার মেশিনগান উঁচু হয়ে উঠল। আহমদ মুসা বলল, কর কি সাবেরা, শত্রুর পায়ের শব্দ এটা নয়।

    মুহূর্তকাল পরেই এসে হাজির হলো আবিদ। হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, ইহুদী কমান্ডোরা ট্রাক বোঝাই হয়ে এদিকে আসছে। আর মাউন্টেন জেট তো রেডি হয়ে আছে। পালাবে না তো বড় ঘুঘুরা?

    -উদ্বিগ্ন হবার কারণ নেই আবিদ। এতক্ষণে বিমান ক্ষেত্রের তিন ধারের বেড়া কাটা হয়ে গেছে। আবদুল্লাহ জাবেররা দেখ এসে পড়ল বলে।

    আহমদ মুসার কথার রেশ তখনো মিলিয়ে যায়নি। বিমান ক্ষেত্রের পশ্চিম, উত্তর ও পূর্বদিকে একই সঙ্গে গর্জে উঠল অর্ধশত মেশিনগান। ফুলঝুরির মত বুলেটের বৃষ্টি নামল বিমানক্ষেত্রে।

    আহমদ মুসা বলল, সাবেরা আবিদ তোমরা এখানে বস, ব্রীজ যেন কেউ পার হতে না পারে। স্মরণ রেখো, উত্তর ও দক্ষিণ কাগায়ানের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখতে হবে তোমাদের।

    বলে আহমদ মুসা দ্রুত ব্রীজ পার হয়ে ছুটল টার্মিনাল ভবনের দিকে। মাঝ পথে গিয়ে সে দেখল যে ট্রাকগুলো আসছিল, তা থেমে গেছে। ট্রাক থেকে জমাট অন্ধকারেরর মত মানুষগুলো নেমে টার্মিনাল ভবনের দিকে ছুটছে।

    স্টেনগান ধরে রাখা আহমদ মুসার হাত নিসপিস করে উঠল। কিন্তু লোভ সম্বরণ করল সে। আহমদ মুসা ওদের একজন হয়ে ওদের পিছু পিছু চলল। একদিকে অন্ধকার, অন্যদিকে তার দেহে এখনও ফিলিপাইন পুলিশের পোশাক, সুতরাং সুবিধা হলো তার।

    সকলের সাথে সেও গিয়ে দাঁড়াল রেস্ট হাউজের দোর গোড়ায়। দরজার সামনে টেবিলে একটি মোমবাতি জ্বলছে। টেবিল ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে মাইকেল এ্যাঞ্জেলো, ডেভিড এমরান ও মিঃ ইয়াগনোভিচ।

    কামান্ডার ফিরে যেতে দেখে ডেভিড এমরান বলল, তোমরা তাহলে ফিরে এলে?

    কমান্ডোদের মধ্যে থেকে তাদের নেতা এরিক স্যারণ বলল, পিছন থেকে আক্রান্ত হয়ে আর সামনে এগুবার কোন অর্থ হয় না স্যার।

    -পিছনে ফিরেও লাভ নেই। প্রথম আঘাতেই বিমান ক্ষেত্রের প্রতিরক্ষা ভেঙ্গে পড়েছে। বিশৃঙ্খল হয়ে পড়েছে সবাই। দেখ সবাই পালাচ্ছে।

    -কিন্তু পালাবে কোন্ দিকে। ব্রীজও ওরা দখল করে আছে।

    -তাহলে ফিলিস্তিনের পুনরাবৃত্তি আমরা এইভাবে ম্বীকার করে নেব? খেদের সঙ্গে বলল মাইকেল এ্যাঞ্জেলো।

    -স্বীকার করব কেন? কিন্তু বর্তমান অবস্থায় কাগায়ানের বিচ্ছিন্ন ও বিশৃঙ্খল শক্তিকে সংঘবদ্ধ করার কোন উপায় কি আপনার কাছে আছে মিঃ এ্যাঞ্জেলো?

    এ্যাঞ্জেলো নীরব। কোন জবাব এলো না তার মুখে।

    ডেভিড এমরানই আবার সখেদে বলে উঠল, ‘‘ডিফেনসিভ ভূমিকাটাই খারাপ।’’ আহমদ মুসা আপো পর্বতে ডিফেনসিভ ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে না বলে ছুটে এলো কাগায়ানে। আমরা যদি তার ট্রাপে না পড়ে আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী আপো পর্বতে আঘাত করতাম, তাহলে আহমদ মুসাই ছুটে যেত আপো পর্বতে তার ডিফেন্সের জন্য। আহমদ মুসা যে সুযোগ এখানে পেয়েছে, সে সুযোগ আমরাই সেখানে করে নিতে পারতাম। ডেভিড ইমরানের কন্ঠে অনুশোচনার সুর।

    মেশিনগানের গুলী টার্মিনাল ভবনের গায়ে এসে লাগছে। একজন দৌড়ে এসে বলল, তিনটি জেট নষ্ট হয়ে গেছে। পাখা ভেংগে গেছে ওগুলোর। অবশিষ্ট একটি বিমানকে পাইলট টার্মিনাল ভবনের ছাদে নিয়ে এসেছে। ডেভিড ইমরান বলল, কয়জন আর যাওয়া যাবে ওতে।

    এ্যাঞ্জেলো বলল, তাহলে সরে পড়ার সিদ্ধান্তই আমাদের নিতে হচ্ছে।

    এ্যাঞ্জেলোর কথা শুনে ইয়াগনোভিচের মুখে এক টুকরো হাসি ফুটে উঠল। এতক্ষণে সে মুখ খুলল। বলল, টার্মিনাল ভবনকে কেন্দ্র করে আমরা যুদ্ধ চালাতে পারি, কিন্তু ফল কি তাতে? আমাদের প্রতিরোধ শক্তির বারো আনাই শেষ হয়ে গেছে, তার সাথে গেছে অস্ত্রও। কিন্তু অস্ত্র জেটে ছিল, তাও আনা সম্ভব হলো না। তাছাড়া মূল শক্তিকেন্দ্র দক্ষিণ কাগায়ানের সাথে আমাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। সুতরাং হিটলারী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়ে তো লাভ নেই মিঃ এ্যাঞ্জেলো।

    টার্মিনালের উত্তর দিকে বিরাট বিষ্ফোরণ ঘটল। পেট্রোল ট্যাংকে আগুন ধরেছে।

    কমান্ডো নেতা এরিক স্যারণ জুনিয়র বলল, আপনারা কয়েকজন বিমান নিয়ে সরে যান স্যার। আমরা গাড়ি নিয়ে ব্রীজ পেরুবার আর একবার শেষ চেষ্টা করে দেখি।

    বলেই সে কমান্ডোদের নির্দেশ দিল গাড়ীতে উঠার জন্য। এক সঙ্গে একটি বিদায়ী স্যালুট দিয়ে চলে গেল সাবাই।

    মাইকেল এ্যাঞ্জেলা, ডেভিড ইমরান, ইয়াগনোভিচ ও পুলিশ প্রধান কিউই রেস্ট হাউজ থেকে বেরিয়ে টর্মিনালের ছাদে উঠার সিঁড়ির দিকে ছুটল। আহমদ মুসা পিছু নিল তাদের।

    শুভ্র কপোতের মত দু’টি পাখা বিস্তার করে টার্মিনালের ছাদে দাঁড়িয়ে আছে মাউন্টেন জেট। দেখে মনে হচ্ছে কত শান্ত-শিষ্ঠ, কিন্তু আসলে ভীষণ ক্ষীপ্র। পাখীর মত ছোঁ মেরে চোখের নিমিষে মাটিতে নেমে যেতে পারে। পাখির মতই নিঃশব্দ তার গতি। উঁচু-নিচু সব জায়াগাতেই সে সমান ক্ষীপ্রতার সাথে নামতে-উঠতে পারে।

    পাইলট ককপিটে বসেছিল উদগ্রীবভাবে। বিমানের অটোমেটিক সিঁড়িটি নীচে নেমে আছে। উদগ্রীব পাইলট ছাদের উপর অনেকগুলো পায়ের শব্দ শুনতে পেল। ইয়াগনোভিচের পরিচিত কন্ঠস্বরও তার কানে এলো। খুশী হলো পাইলট-আসছেন ওরা। সে স্টার্ট দিল ইঞ্জিন। হালকা ধরনের হিস্ হিস্ শব্দ উঠল। টেকঅফের জন্য সম্পূর্ণ রেডি মাউন্টেন জেট।

    ডেভিড ইমরান প্রথমে গিয়ে পা রাখল বিমানের সিঁড়িতে। কিন্তু দ্বিতীয় পাটি সে তুলতে পারল না। পিছন থেকে ভারী কন্ঠধ্বনিত হলোঃ বিমানে চড়তে চেষ্টা করবেন না মিঃ ডেভিড। হাত তুলে দাঁড়ান।

    তারা চার জনেই ঘুরে দাঁড়াল। চার জনের চোখে মুখেই ভয় ও আতংকের চিহ্ন ফুটে উঠল। হাত তুলতে তারা বোধ হয় ভুলে গেল।

    আহমদ মুসা তারার আলোকে ওদের অস্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছিল। বলল সে, এখনও কিন্তু নির্দেশ পালন করেননি আপনারা। কঠোর কন্ঠ আহমদ মুসার।

    আহমদ মুসা কথা শেষ করার সাথে সাথে ৮টি হাতই উপরে উঠল।

    তাদেরকে এমনভাবে নির্দেশ করতে পারে এ কে? প্রশ্ন কিলবিল করছে ডেভিড ইমরানের মনে।

    টার্মিনাল ভবনের দক্ষিণ ব্রীজের দিকে এই সময় দুটি প্রচন্ড বিস্ফোরণের শব্দ হলো। আহমদ মুসার চোখ ছুটে গেল ঐ দিকে। ব্রীজের উপর একটি ট্রাক জ্বলছে। পরক্ষণেই মেশিনগানের একটানা শব্দ ভেসে এলো। আহমদ মুসা বলল, দেখতে পাচ্ছেন ডেভিড ব্রীজের উপর কমান্ডোদের কবর রচনার দৃশ্য? খুব আশা করেছিলেন উগান্ডার এন্টেবী দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটাবেন আপো পর্বাতে।

    কৌতুহল চেপে রাখতে পারল না ডেভিড ইমরান। বলল-তুমিই কি আহমদ মুসা?

    ‘তোমার কি মনে হয় ডেভিড ? বলতে বলতে আহমদ মুসা কয়েক পা সামনে এগোল। এই সময় হঠাৎ একটি গুলী এসে আহমদ মুসার ডান বাহুর কিছুটা মাংসপেশী ছিঁড়ে নিয়ে বেরিয়ে গেল। অন্ধকার না হলে আহমদ মুসা দেখতে পেত বিমানের পাইলট চুপি চুপি এসে বিমানের দরজায় দাঁড়িয়েছে।

    আহমদ মুসা বাম হাত দিয়ে ডান বাহু চেপে ধরে বসে পড়ল। কিন্তু স্টেনগান ছাড়েনি সে।

    আহমদ মুসা বসে পড়ার সাথে সাথে ডেভিড ইমরান ঝাঁপিয়ে পড়ল তার উপর। আহমদ মুসা দেহটা বাঁকিয়ে নিয়েছিল। ডেভিড ইমরান হুমড়ি খেয়ে পড়ল আহমদ মুসার জানুর ইপর।

    আহমদ মুসা বিদ্যুৎ গতিতে উঠে দাড়িয়েই কিছুটা পিছনে সরে গেল। ডেভিড উঠে দাড়িয়েছে, ওরা তিনজনই তার দিকে ছুটে আসছে। হাটু ভেঙ্গে বসে পড়ল আহমদ মুসা আবার। মাথার উপর দিয়ে একটি গুলী চলে গেল। এটাও এলো বিমানের দরজা থেকে। আহমদ মুসার ষ্টেনগান গর্জে উঠল। এক ঝাক গুলী বেরিয়ে গেল। ছুটে আসা ডেভিড ইমরান, ইয়াগনোভিচ, এ্যাঞ্জেলো ও মি: কিউই আছড়ে পড়ল ছাদের উপর।

    বিমানের দরজা লক্ষ্যে আর এক ঝাক গুলী বেরিয়ে গেল আহমদ মুসার ষ্টেনগান থেকে। হঠাৎ একটি হিস্ হিস্ শব্দ শুনতে পেল সে। পালাচ্ছে পাইলট।

    জেটের ককপিট লক্ষ্য করে আবার ষ্টেনগান তুলে ধরল সে। কিন্তু ককপিটের বুলেট প্রুফ গা থেকে গুলীগুলো ব্যর্থ হয়ে ঝরে পড়ল নিচে। কিন্তু ঘূর্ণায়মান ডানার ক্ষতি হলো, কিয়দংশ তার ভেঙ্গে পড়ল।

    সিড়িতে পায়ের শব্দ শুনতে পেল আহমদ মুসা। তীক্ষ্ণ এক শীষ দিয়ে উঠল সে। জবাবে পদ শব্দ দ্রুত হয়ে উঠল।

    ছাদে উঠে এলো ফারুক উনিতো। এখানে আবদুল্লাহ জাবেরের সহকারী সে। তার পিছনে পিছনে উঠে এলো আরও দুই তিনজন।

    টর্চ জ্বেলে বিমান সার্চ করে দেখা গেল পাইলট আত্মহত্যা করেছে। ডেভিড ইমরান ও মাইকেল এ্যাঞ্জেলা নিহত। মি: কিউই ও ইয়াগনোভিচ মারাত্মকভাবে আহত। ওদের দুজনার দায়িত্ব এক পিসিডা কর্মীর হাতে তুলে দিয়ে ফারুক উনিতোকে নিয়ে আহমদ মুসা নীচে নেমে এলো। আসতে আসতে জিজ্ঞেস করল, জাবের কোথায় উনিতো?

    ফারুক উনিতো প্রথমে কোন জবাব দিল না। পরে বলল, নীচে চলুন জনাব।

    ফারুক উনিতোর উত্তরের ধরন দেখে আহমদ মুসার মনটি ছাৎ করে উঠল। দ্রুত নীচে নেমে এলো তারা। নীচের হল ঘরে চার পাঁচজন গোল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আহমদ মুসা সেখানে গিয়ে পৌছল। ফারুক উনিতোর টর্চ জবলে উঠল। চমকে উঠল আহমদ মুসা। জাবের রক্তে ভাসছে। মেশিনগানের গুলীতে ঝাঝরা হয়ে গেছে তার দেহ। দাঁতে দাঁত চেপে এক প্রবল উচ্ছাস রোধ করলো আহমদ মুসা। তবু চোখের দু’কোণ ফেটে নেমে এল দু’ফোটা অশ্রু।

    সবাই নীরব। কথা সরছে না কারো মুখে। অতি শান্ত স্বরে এক সময় আহমদ মুসা বলল, আমার এক অংগ আজ আমি হারালাম ফারুক উনিতো। আমার এ উৎসর্গিত সৈনিক বন্ধু কোন দিন কোন কাজ থেকে পিছু হটেনি। গলার স্বরটি তার রুদ্ধ হয়ে এলো। সজল হয়ে উঠল সবারই চোখ।

    আহমদ মুসা একটু পিছনে করে এলা। ফারুক উনিতোকে বলল, এসো, ব্রীজের ওখানে কি হলো দেখি।

    দু’জনে এগোলো সেদিকে।

    কমান্ডোদের একটি ট্রাকও পার হতে পারেনি। সবক’টিই দাড়িয়ে আছে খালি। তাদের প্রথম ট্রাকটি দাড়িয়ে আছে পুলের উপর। ভেঙ্গে কুকড়ে গেছে। ধুঁয়ায় অন্ধকার তখনও। ট্রাকের কেউই বাঁচেনি। ছড়িয়ে ছিটকে পড়ে আছে তাদের অগ্নিদগ্ধ দেহ। গুলীবিদ্ধ হয়ে মরেছে এমন লাশও ট্রাকের আশেপাশে পাওয়া গেল। সামনের ট্রাকের পরিণতি দেখেও তাহলে কমান্ডোরা মরিয়া হয়ে সামনে এগোবার চেষ্টা করেছিল।

    আরো সামনে এগুলো তারা-একদম ব্রীজের দক্ষিণ প্রান্তে। ঐতো মেশিনগানের পাশে সাবেরাকে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু নড়ছে না কেন? তাদেরকে দেখেও কোন চাঞ্চল্য নেই কেন তার? তাহলে…? আর চিন্তা করতে পারলো না আহমদ মুসা। ছুটে গেল সে। না, সাবেরা নেই। তার হাতটি তখনও মেশিনগানের ব্যরেলে, কিন্তু প্রাণ নেই দেহে। দেহ তার জাবেরের মতই ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। কিন্তু শেষ নি:শ্বাস পর্যন্ত সে মেশিনগান চালিয়েছে। বিজয়ী হবার আমৃত্যু সাধনার মধ্যে দিয়ে সাবেরা এই ভাবেই শাহাদাৎ বরণ করেছে। এই মহীয়সী মহিলার বিদেহী আত্মার প্রতি সালাম জানাল আহমদ মুসা।

    কিন্তু আবিদ কই ? হঠাৎ ফারুক উনিতো বল উঠল, দেখুন জনাব ট্রাকের তলায় একটি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন দেহ।

    আহমদ মুসা গিয়ে ঝুঁকে পড়ল ট্রাকের নীচে। টর্চ জ্বেলে খুটে খুটে দেখলো। পুড়ে যাওয়া খন্ড-বিখন্ড নর মাংসের টুকরো। চেনার উপায় নেই। কিন্তু এ দেহ যে আবিদের সে বিষয়ে কোন সন্দেহ রইল না আহমদ মুসার। ট্রাকের গতি রোধ করার শেষ পন্থা হিসেবে গ্রেনেড বুকে বেঁধে ট্রাকের তলায় সে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

    এবার কিন্তু কোন দু:খ নয়, গর্বে ফুলে উঠল আহমদ মুসার বুক। এরা বিশ্বজয়ী সৈনিক। এদের দিয়ে বিশ্ব জয় করা যায়। আহমদ মুসার মন চলে গেল সুদুর অতীতের এক দু:খজনক ঘটনার দিকে। ইসরাইলের এন্টেবী অপারেশনে উগান্ডার পক্ষে আবিদ, সাবেরা ও জাবেরের মত সৈনিকের অভাব ছিল বলেই বিশ্ববাসীর কাছে লজ্জায় হেট করতে হয়েছিল মুসলমানদের মাথা।

    দক্ষিন কাগায়ানের দিক থেকে দু’টি অগ্নি গোলক ছুটে আসছে। ফারুক উনিতো তার ষ্টেনগান উঁচু করে ধরলো। আহমদ মুসা বলল, উনিতো ওটা পিসিডার গাড়ী। আলোক সঙ্কেত দেখে বুঝতে পারছো না? উনিতো ষ্টেনগান নামিয়ে বলল, এখন বুঝতে পারছি জনাব।

    গাড়ী এসে কয়েক গজ দূরে দাঁড়িয়ে পড়ল। গাড়ী থেকে নামল শরীফ সূরী। ছুটে এলো সে আহমদ মুসার কাছে। তাকে জড়িয়ে ধরলো। বলল, আপনার জন্য উদ্বেগ উৎকন্ঠায় সকলে আমরা সারা হয়ে গেছি জনাব।

    হঠাৎ হাতে ভিজা আঠালো মত কিছু ঠেকায় গাড়ীর আলোতে নিয়ে তা দেখল শরীফ সুরী। রক্ত কোথা থেকে এলো? টর্চ দিয়ে ভালো করে আহমদ মুসাকে দেখে আঁতকে উঠল শরীফ সুরী। গোটা ডান বাহুটাই তার রক্তে ভেজা। কনুই এর ইঞ্চিখানেক উপরে বিরাট ক্ষত। মাথার চুল রক্তে জট পাকানো। প্রায় আর্ত কন্ঠে শরীফ রুরী বলল, এ কি জনাব, আপনি এমনভাবে আহত, অথচ..। কথা শেষ কতে পারলো না শরীফ সুরী। একটি ঢোক গিলল সে।

    আহমদ মুসা বলল, আহত আমি একা নই শরীফ। তারপর উনিতোর দিকে ফিরে বললো, সব আহতদের দক্ষিন কাগায়ানের ক্যাম্পে পাঠিয়ে দাও। আর সতর্ক থেকো। পরে আসছি। বলে সে শরীফ সুরীর সাথে গিয়ে গাড়ীতে বসল। মাথা আর ডান বাহুটা যেন বেদনায় ছিড়ে যাচ্ছে। ঝিম ঝিম করছে। গোটা শরীর।

    যেতে যেতে শরীফ সুরী বলল, দক্ষিন কাগায়ানে বড় রকমের কোন প্রতিরোধের সম্মুখীন আমাদের হতে হয়নি। ওরা মনে করেছিল আমরা হাজারে হাজারে প্রবেশ করেছি, তাই ঘাবড়ে গিয়েছিল ওরা।

    -মৃত্যু ভয়কে যারা বশ করে, তারা একাই একশ’ হয়ে দাঁড়ায়। ওদের মনে করাটা তাই অমুলক নয় শরীফ সুরী। ধীর স্বরে বলল, আহমদ মুসা।

    তারপর দুজনেই নীরব। ঝড়ের গতিতে এগিয়ে চলেছে জীপ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Article৬২. আবার আফ্রিকার অন্ধকারে – সাইমুম সিরিজ #৬২
    Next Article অপারেশন তেলআবিব-২ – সাইমুম সিরিজ #২

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }