Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত সমীক্ষা – আর্থার কোনান ডয়েল

    লেখক এক পাতা গল্প85 Mins Read0
    ⤶

    ০৭. আঁধারে আলো

    যে সংবাদ লেস্ট্রেড জানাল সেটা এতই গুরুতর এবং অপ্রত্যাশিত যে আমরা তিনজনই প্রায় হতবাক হয়ে গেলাম। গ্রেগসন চেয়ার থেকে লাফিয়ে উঠতে গিয়ে অবশিষ্ট হুইস্কি ও জল ঢেলে ফেলল। তার ঠোঁট ঠোঁটের উপর চেপে বসেছে। দুই ভুরু চোখের উপর নেমে এসেছে।

    ‘স্ট্যাঙ্গারসনও!’ সে অস্ফুট স্বরে বলল, ‘ষড়যন্ত্র ঘণীভুত হচ্ছে।’

    একটা চেয়ার টেনে নিয়ে লেস্ট্রেড বলল, ‘আগেই যথেষ্ট ঘণ ছিল। আমার তো মনে হচ্ছে কোন সমর-পরিষদে ঢুকে পড়েছি।’

    গ্রেগসন তো-তো করে বলে উঠল, ‘তুমি-তুমি নিশ্চিত জান খবরটা ঠিক?’

    লেস্ট্রেড জবাব দিল, ‘এইমাত্র তার ঘর থেকে আমি আসছি। ঘটনাটা আমিই প্রথম আবিষ্কার করি।’

    হোমস বলল, ‘এবিষয়ে গ্রেগসনের মত আমরা এতক্ষণ শুনছিলাম। তুমি কি দেখেছ বা করেছ, সেটা আমাদের জানাতে কোন আপত্তি আছে কি?’

    চেয়ারে বসে লেস্ট্রেড জবাব দিল, ‘কোনই আপত্তি নেই। খোলাখুলিই স্বীকার করছি, আমি ভেবেছিলাম ড্রেবারের মৃত্যুর সঙ্গে স্ট্যাঙ্গারসন জড়িত। বর্তমান পরিণতি অবশ্য বুঝিয়ে দিচ্ছে আমার সম্পূর্ণ ভুল হয়ে—ছিল। ঐ ধারণঅ নিয়েই আমি সচিবের খোঁজে বেরিয়ে ছিলাম। ওরা সন্ধ্যা সাড়ে আটটা নাগাদ তাদের দুজনকে ইউস্টন স্টেশনে দেখা গিয়েছিল। রাত দুটোয় ড্রেবারকে পাওয়া গেল ব্রিক্সটন রোডে। কাজেই আমার কাছে প্রশ্ন হল, ৮টা ৩০মিঃ থেকে ঘটনার সময় পর্যন্ত স্ট্যাঙ্গারসন কি করছিল  এবং তারপরেই বা সে কোথায় গেল—সেটা বের করা। লোকটির বিবরণ দিয়ে লিভারপুলে তার করে দিলাম।তাদের বলে দিলাম, মার্কিন নৌকাগুলোর উপর নজর রাখতে । তারপর ইউস্টনের কাছাকাছি সবগুলি হোটেলও লজিংহাউসে খোঁজ করলাম। দেখুন, আমি চিন্তা করলাম যে ড্রেবার এবং তার সঙ্গী যদি বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে, তাহলে তার সঙ্গী কাছাকাছি কোথাও রাতটা কাটিয়ে পরদিন সকালে আবার স্টেশনে হাজির হবে—এটাই স্বাভাবিক।’

    হোমস মন্তব্য করল, ‘আগে থেকেই একটা কোন সাক্ষাতের জায়গা হয়তো তারা স্থির করেছিল।’

    ‘তাই। গতকাল সারাটা সন্ধ্যা এই খোঁজেই কাটালাম। কিন্তু কোন ফল হল না। আজ খুব ভোরেই আবার আরম্ভ করলাম। আটটার সময় লিটল জর্জ স্ট্রীটের হ্যালিডেস প্রাইভেট হোটেলে পৌঁছলাম। মিঃ স্ট্যাঙ্গারসন সেখানে আছেন কিনা জানতে চাইলে তারা সঙ্গে সঙ্গেই সম্মতিসূচক জবাব দিল।

    তারা আরও বলল, নিশ্চয়ই আপনারই আসবার কথা ছিল। দুদিন যাবৎ তিনি একজন ভদ্রলোকের জন্য অপেক্ষা করে আছেন।’

    ‘তিনি কোথায় আছেন?’ আমি প্রশ্ন করলাম।

    ‘তিনি উপরতলায় শুয়ে আছেন। ন’টায় ডেকে দিতে বলেছেন।’

    ‘উপরে গিয়ে আমি এখনই তার সঙ্গে দেখা করব,’ আমি বললাম।

    ‘ভেবেছিলাম, আমি হঠাৎ উপস্থিত হলে তিনি ঘাবড়ে গিয়ে মুখ ফসকে কিছু বলে ফেলতেও পারেন। ঘর দেখিয়ে দেবার জন্য পরিচারক আমার সঙ্গে গেল। ঘরটা তিনতলায়, একটা ছোট করিডোর ধরে যেতে হয়। ঘরটা দেখিয়ে দিয়ে পরিচারক নীচে নেমে যাচ্ছিল, ঠিক সেইসময়ে আমি কিছু দেখতে পেলাম যাতে বিশ বছরের অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও আমার কেমন মাথা ঘুরে গেল। দরজার নীচ দিয়ে রক্তের একটা লাল ফিতা এঁকে বেঁকে এসে প্যাসেজটা পার হয়ে অপরদিকে দেওয়ালের নীচে বেশ খানিকটা জমে আছে। আমি চিৎকার করে উঠতে পরিচারকটি ফিরে এল। সব দেখে তারও মূর্চ্ছা যাবার উপক্রম। দরজাটা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। কিন্তু আমরাও কাঁধ লাগিয়ে দরজা ঠেলে ঢুকে পড়লাম। ঘরের জানালা খোলা, আর তারই নীচে নৈশ-পোশাক পরা একটি লোকের দেহ দলা পাকিয়ে পড়ে আছে। লোকটি মৃত। বেশ কিছুক্ষণ হল মারা গেছে, কারণ হাত-পাগুলো শক্ত এবং ঠান্ডা হয়ে গেছে। তাকে উল্টে দিতেই পরিচারক চিনতে পারল, এই লোকটিই জোসেফ স্ট্যাঙ্গারসন নামে ঘর ভাড়া নিয়েছেন। বাদিকে একটা গভীর ক্ষত হৃৎপিন্ড বিদীর্ণ করে ফেলেছে। তার ফলেই লোকটির মৃত্যু ঘটেছে। তারপরই আসছে এব্যাপারের সবচেয়ে বিস্ময়কর অংশ। নিহত লোকটির উপর কি ছিল আন্দাজ করুন তো।’

    শার্লক হোমস উত্তর দেবার আগে আসন্ন বিভীষিকার কল্পনায় আমার শরীর শিরশির করে উঠল।

    সে বলল, ‘রক্তের অক্ষরে লেখা ‘RACHE (রাসে) শব্দটি।’

    আতংকগ্রস্ত গলায় লেস্ট্রেড বলল, ‘ঠিক তাই।’ কিছুক্ষণ সকলেই চুপ করে রইলাম।

    এই অজ্ঞাত আততায়ীর ক্রিয়া-কলাপের মধ্যে এমন একটা শৃঙ্খলা অথচ দুর্বোধ্যতা আছে যাল ফলে তার অপরাধ আরও ভয়াবহ রুপ পরিগ্রহ করেছে। আমার যে স্নায়ু রণক্ষেত্রে যথেষ্ট শক্ত ছিল, তাও যেন এই অপরাধের চিন্তায় শিরশির করতে লাগল।

    লেস্ট্রেড বলতে লাগল ‘লোকটি চোখেও পড়েছিল। হোটেলের পিছনের আস্তাবল থেকে যে গলিটা চলে গেছে সেই পথ ধরে গোশালার দিকে যাচ্ছিল একটি গোয়ালা ছেলে। সে দেখতে পায়, ওখানে সাধারণত যে মইটা পড়ে থাকে সেটা তিনতলার একটা জানালার সঙ্গে লাগানো। জানালাটা খোলা। একটু এগিয়ে ফিরে তাকাতেই সে দেখতে পায় একটা মই বেয়ে নামছে। সে এত শান্তভাবে ও প্রকাশ্যে নেমে এল যে ছেলেটি ভাবল, লোকটি হয় তো ছুতোর বা হোটেলের কোন যোগানদার। সে আরও ভাবল, লোকটা এত সকালে কাজে এসেছে কেন। এ ছাড়া তার সম্পর্কে আর কিছুই তার মনে আসে নি। তার মোটামুটি মনে আছে যে লোকটি লম্বা, তার মুখ লালচে পরনে লম্বা বাদামী কোট। খুনের পরেও কিছুক্ষণ সে ওই ঘরে ছিল, কারণ বেসিনে রক্ত মেশানো জলের দাগ আমরা দেখতে পেয়েছি, সেখানে  সে নিশ্চয় হাত ধুয়েছে, আর চাদরে রক্তের দাগ, যাতে সে ইচ্ছা করে ছুরিটা মুছেছে।

    খুনির বিবরণ শুনে আমি আড়-চোখে হোমসের দিকে তাকালাম, কারণ তার নিজের বিবরণের সঙ্গে এটা হুবুহু মিলে গেছে। তার মুখে কিন্তু উল্লাস বা সন্তুষ্টির চিহ্নমাত্র নেই।

    সে প্রশ্ন করল ‘খুনিকে ধরবার সূত্র পাওয়া যায় এরুপ কোন কিছুই কি ঘরের মধ্যে দেখনি?’

    ‘কিচ্ছু না। ড্রেবারের টাকার থলিটা স্ট্যাঙ্গারসনের পকেটে ছিল। এটা তো খুবই স্বাভাবিক। কারণ দেনা-পাওনা সব সেই করত। তার মধ্যে আশি পাউন্ড ছিল, কিছুই খোয়া যায়নি। এইসব অসাধারণ অপরাধের উদ্দেশ্য আর যাই হোক ডাকাতি নয়। নিহত লোকটির পকেটে কোন কাগজপত্র বা স্মৃতি-লেখা ছিল না। শুধু ছিল একটা টেলিগ্রাম। ক্লিভল্যান্ডে এক মাস আগের তারিখ দেওয়া। তাতে লেখা, ‘জে, এইচ, ইওরোপে আছে।’নীচে কোন নাম লেখা নেই।’

    ‘আর কিছুই ছিল না?’ হোমস প্রশ্ন করল।

    গুরুত্বপূর্ণ কিছুই না। লোকটি যে উপন্যাসখানা পড়তে পড়তে ঘুমিয়েছিল সেখানা বিছানার  উপর পড়েছিল । আর তার পাইপটা ছিল পাশেই চেয়ারের উপর। টেবিলের উপর এক গ্লাস জল ছিল, আর জানালার গোবরাটের উপর ছিল একটা টুকরো মলমের বাকস তাতে গোটা দু্ই বড়ি।’

    আনন্দে চীৎকার করে শালক হোমস চেয়ার থেকে লাফিয়ে উঠল।

    ‘শেষ সূত্র’,উল্লাসে চীৎকার করে সে বলল, এবার ‘আমার কেস সম্পূর্ণ হল।’

    দুই গোয়েন্দা সবিস্ময়ে তারঁ ‍দিকে তাকিয়ে রইল। আমার সঙ্গী আত্ন-বিশ্বাসের সঙ্গে বলতে লাগল,‘যে-সব সুতো মিলে এমন একটা জট পাকিয়েছিল, তার সবগুলোকে এখন  হাতের মুঠোর মধ্যে পেয়েছি।যদিও কিছু কিছু টুকরো ঘটনা এখনও তার মধ্যে ঢোকাতে হবে, তথাপি স্টেশনে ড্রাইবার এবংস্ট্যাঙ্গারসন পরস্পর থেকে বিচ্চিন্ন হবার পর থেকে স্ট্যাঙ্গারসনের মৃতদেহ আবিষ্কার পযর্ন্ত সবগুলি প্রধার ঘটনা সম্পর্কে আমি এতই নিশ্চিত যেন সেগুলোকে আমি নিজের চোখে দেখেছি। আমার জ্ঞানের একটা প্রমাণ তোমাকে দিচ্ছি। সেই বড়িগুলো তোমার কাছে আছে কি?’

    একটা ছোট সাদা বাক্স বের করে লেস্ট্রেড বলল,‘থানায় গিয়ে একটা নিরাপদ জায়গায় রাখবার জন্য মলমের বাক্স,টাকার থলি আর টেলিগ্রামখানা আমি নিয়ে এসেছি। কিছু না ভেবেই বড়িগুলো আমি নিয়ে এসেছি,কারণ সত্যি বলছি ওগুলোর উপর কোন গুরুত্বই আরোপ করছি না।

    হোমস বলল, ‘ওগুলো আমাকে দাও দেখি।’তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আচ্ছা ডাক্তার ,এগুলো কি সাধারণ বড়ি?’

    সাধারণ মোটেই নয়। মুক্তোর মত রং, ছোট গোল, স্বচ্ছ। আমি বললাম,‘এগুলো এত হাল্কা এবং স্বচ্ছ যে জলে ফেললে গলে যাবে বলে মনে হয়।’

    হোমস বলল, ঠিক তাই। দয়া করে নীচে গিয়ে টেরিয়ারটাকে নিয়ে আসবে কি?ওটা তো অনেকদিন থেকেই ভুগছে, আর গৃহকর্মীও তোমাকে কালই বলেছে ওটাকে সব যন্তণার হাত থেকে রেহাই দিতে।’

    আমি নীচে গিয়ে কুকুরটাকে কোলে করে নিয়ে এলাম। তার শ্বাসকষ্ট আর ঝকঝকে চোখ দেখেই মনে হল, ওর শেষের দিন আর বেশী দেরী নেই। ওর বরফের মত সাদা নাকই ঘোষণা  করছে যে কুকুর –জীবনের আয়ুষ্কাল ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। কম্বলের উপর একটা কুশনে ওটাকে রাখলাম।

    ‘এইবার একটা বড়িকে দুটুকরো করে কাটছি,’বলে হোমস একখানা কলমকাটা ছুরি বের করে কথামতকাজ করল। ‘ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য অর্ধেকটা বাক্রসেই রেকে দিলাম। বাকি অর্ধেকটা এক চামচ জল-ভরা এই মদের গ্লাসে ফেললাম। দেখ, আমার ডাক্তার বন্ধুটি ঠিকই বলেছ্। সঙ্গে সঙ্গে বড়িটা গলে গেল। ‘

    কাউকে উপহাস করলে সে যেরকম আহত হয় সেই-রকম ক্ষূধ্ব গলায় লেস্ট্রেড বলল, ‘ব্যাপারটা দেখতে ভালই, কিন্তু জোসেফ স্ট্যাঙ্গারসনের মৃত্যুর সঙ্গে এর কি সর্ম্পক আমি তো বুঝতে পারছি না।’

    ‘র্ধৈয, বন্ধু, র্ধৈয! যথাসময়েই দেখতে পাবে সর্ম্পক খুবই ঘনিষ্ঠ। মিশ্রণটাকে স্বাদু করবার জন্য একটু দুধ মিশিয়ে কুকুরটার সামনে ধরলেই ও সবটা চেটে খেয়ে ফেলবে।’

    বলতে বলতে সে মদের গ্লাসের মিশ্রণটা একটা পাত্রে ঢেলে টেরিয়ারটার সামনে ধরতেই সে চটপট সেটাকে খেয়ে ফেলল। র্শালক হোমসের এতাগ্রতা আমাদের ‍উপর এতই প্রভাব বিস্তার করেছিল যে আমরা নিঃশব্দে বসে জন্তুটাকে দেখছিলাম আর বিস্ময়কর কোন ফলের প্রত্যাশা করছিলাম্। কিন্তু সেরকম কিছুই ঘটল না।কুকুরটা কুশনের উপর টান-টান হয়ে শ্বাস টানতে লাগল। কিন্তু ঐপানীয় পান করার ফলে তার মধ্যে ভাল বা মন্দ কোন লক্ষণই দেখা গেল না।

    হোমস ঘড়ি বের করে দেখছে। মিনিটের পর মিনিট বিফলে কেটে যাচ্ছে। তার চোখে-মুখে উদ্বেগ ও হতাশার ছায়া পড়ছে। সে ঠোঁট কামড়াচ্ছে, আঙুল দিয়ে টেবিলে টোকা দিচ্ছে, একে একে তীব্র অধৈর্যের সব লক্ষণই তার মধ্যে ফুটে উঠেছে। সে এতই মুষড়ে পড়ছে। যে তার জন্য সত্যই আমার দুঃখ হচ্ছিল। কিন্তু সে যে শেষ পর্যন্ত একটা ধাক্কা খেয়েছে তাতে গোয়েন্দা-যুগল অখুশি তো নয়ই বরং মিটি-মিটি হাসছে।

    অবশেষে চেয়ার থেকে লাফিয়ে উঠে ঘরময় দ্রুতবেগে পায়চারি করতে করতে সে বলে উঠল, ‘এটা আকস্মিক যোগাযোগ হতে পারে না। আকস্মিক যোগাযোগ হওয়া অসম্ভব। ড্রেবারের ক্ষেত্রে যে বাড়ির সন্দেহ আমি করে—ছিলাম, স্ট্যাঙ্গারসনের মৃত্যু পরে সেই একই বাড়ি পাওয়া গেছে। অথচ ওগুলো তো জড় পদার্থ। এর কি অর্থ হতে পারে। আমার যুক্তি-শৃঙ্খলটা আগাগোড়াই ভ্রান্ত হতে পারে না। অসম্ভব! অথচ এই হতভাগ্য কুকুরটার কিছুই ছিল হল না। ও হো, পেয়েছি! পেয়েছি! আনন্দে চীৎকার করে উঠে সে বাক্সটার কাছে ছুটে গেল, অন্য একটি বাড়ি কেটে জলে গুলে দুধে মেশাল। টেরিয়ারটার সামনে ধরতেই হতভাগ্য জন্তুটা সেই পানীয়ে ঠোঁট ভেজাতে না ভেজাতেই তার সারা দেহটা থরু থর করে কেঁপে উঠেই বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মত নির্জ্জীব হয়ে গেল।

    শার্লক হোমস একটা লম্বা নিঃস্বাস ফেলে কপালের ঘাম মুছতে মুছতে বলল, ‘নিজের উপরে আরও বিশ্বাস রাখা  উচিত ছিল। একটা বিশেষ ঘটনা যদি একটা র্দীঘ অনুমান-শৃংখলের বিরোধী হয়, তাহলে সে ঘটনাটির অন্য কোন ব্যাখ্যা যে অবশ্যই পাওয়া যাবে—এতদিনেও সেটা অন্তত আমার জানা উচিত। ঐ বাক্সের দুটো বড়ির একটা ছিল মারাত্মক বিষ, অন্যটা ছিল সম্পূর্ণ অক্ষতিকর। বাক্সটা দেখবার আগেই এটা আমার বোঝা উচিত ছিল।’

    এই সর্বশেষ বক্তব্যটি এতই চাঞ্চল্যকর যে তার বুদ্ধি-শুদ্ধি ঠিক আছে কিনা সেবিষয়ে সন্দেহ হতে লাগল। অবশ্য মৃত কুকুরটা প্রমাণ করছে যে তার অনুমানই যথার্থ, আমার মনের কুয়াসাও যেন ক্রমেই কেটে যাচ্ছে। আমি যেন সত্যের একটা অস্পষ্ট অনুভূতি লাভ করেছি।

    হোমস বলতে লাগল, ‘এইসব তোমাদের কাছে আশ্চর্য মনে হচ্ছে, কারণ তদন্তের একেবারে শুরুতেই যে একমাত্র প্রকৃত সূত্রটি তোমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছিল তার গুরুত্ব তোমরা বুঝতে পারনি। সৌভাগ্যবশত সেটাকে আমি ধরতে পেরেছিলাম, এবং তারপর থেকে যা কিছু ঘটেছে সবই আমার মূল ধারণাকে সমর্থন তো সে করেছেই, বরং সে সবই তার ন্যায়সঙ্গত পরিণতি। কাজেই যেসব ব্যাপার তোমাদের বিচলিত করেছে এবং কেসটাকে আরও জটিল করে তুলেছে, সেগুলিই আমাকে দেখিয়েছে আলো, আমার সিদ্ধান্তকে করেছে দৃঢ়তর। বিস্ময়করতাকে রহস্যের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা একটা মস্ত বড় ভুল। সবচাইতে সাধারণ অপরাধই প্রায়শঃ সবচাইতে রহস্যময় হয়ে থাকে, কারণ তাতে এমন কোন নতুন বা বিশেষ লক্ষণ থাকে না যার থেকে কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়। এক্ষেত্রেও মৃতের দেহটা যদি রাস্তায় পাওয়া যেত, যে সমস্ত ভয়ংকর ও উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা-সমাবেশ সমস্ত ব্যাপারটাকে উল্লেখযোগ্য করে তুলেছে সেসব কিছুই যদি না থাকত, তাহলে এই খুনের রহস্যভেদ করা আরও অনেক বেশী কষ্টসাধ্য হত। এই সব বিস্ময়কর ঘটনার সমাবেশ কেসটাকে কষ্টসাধ্য করার বদলে বরং সহজসাধ্য করে তুলেছে।’

    মিঃ গ্রেগসন যথেষ্ট ধৈর্যসহকারে এই ভাষণ শুনছিল। কিন্তু আর সে নিজেকে সংযত রাখতে পারল না। বলে উঠল, ‘দেখুন মিঃ র্শালক হোমস, আমরা সকলেই স্বীকার করছি যে আপনি খুব চতুর লোক, আপনার কাজের একটা নিজস্ব পদ্ধতি আছে। কিন্তু এখন আমরা শুধু থিওরি আর ভাষণের চাইতেও বেশী কিছু চাই। কথা হচ্ছে, আসল লোকটি কে। আমার কথা বলেছি। দেখছি, আমার ভুল হয়েছিল। যুবক চার্পেণ্টিয়ার দ্বিতীয় ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে না। লেস্ট্রেড ছুটেছিল স্ট্যাঙ্গারসনের পিছনে। দেখা যাচ্ছে, তারও ভুল হয়েছিল। আপনি এখানে কিছু ইঙ্গিত করেছেন, ওখানে কিছু ইঙ্গিত করেছেন, মনে হচ্ছে, আমাদের চাইতে বেশিই আপনি জানেন। কিন্তু এখন আমরা সরাসরি জানতে চাই, এ বিষয়ে আপনি কতটা জানেন। এ কাজ কে করেছে তার নাম কি আপনি বলতে পারেন?’

    লেস্ট্রেড বলল, ‘আমারও অভিমত যে গ্রেগসন ঠিকেই বলেছে স্যার।’ আমরা দুজনই চেষ্টা করে বিফল হয়েছি। আমি ঘরে ঢুকবার পরে আপনি একাধিকবার বলেছেন যে আপনি সেগুলি আর চেপে রাখবেন না’

    আমি বললাম, ‘আততায়ীর গ্রেপ্তার বিলম্বিত হলে সে নতুন কোন দুষ্কর্মের সুযোগ পেতে পারে।’

    এইভাবে সকলে চেপে ধরায় হোমস অস্থিরভাবে ঘরের এদিক-ওদিক হাঁটটে লাগল। মাথাটা বুকের উপর ঝুঁকে পড়েছে, ভুরু দুটো নেমে এসেছে। গভীর চিন্তায় মগ্ন হলেই তার এরকম হয়।

    হঠাৎ থেমে আমাদের সামনে এসে সে বলে উঠল, ‘আর খুন হবে না। সে সম্ভাবনা একেবারেই বাতিল করে দিতে পার। তোমরা জানতে চেয়ছ, হত্যাকারীর নাম আমি জানি কি না। জানি। শুধু নাম জানাটা কিছু নয়, আসল কথা হচ্ছে তাকে পাকড়াও করা। আশা করছি অতি শীঘ্রেই সেটা পারব। যথেষ্ট আশা আছে যে আমার নিজের ব্যবস্থাপনায়ই সেটা সম্পন্ন হবে। কিন্তু খুব সর্তকতার সঙ্গে আমাদের কাজ করতে হবে, কারণ একটি খুব সুচতুর ও বেপরোয়া লোকের সঙ্গে আমাদের যুঝতে হবে, এবং আমি প্রমাণ পেয়েছি যে তার এমন একজন সঙ্গী আছে যে তার মতই চতুর। কেউ তার খোঁজ পেয়েছে এটা যতক্ষণ সে না জানতে পারবে ততক্ষণই তাকে পাকড়াও করবার কিছুটা সম্ভাবনা আছে। কিন্তু তিলমাত্র সন্দেহ বোধ করলেই সে নাম পাল্টে এই মহানগরীর চল্লিশ লক্ষ লোকের মধ্যে নিমেষে অদৃশ্য হয়ে যাবে। আপনাদের মনে কোনরকম আঘাত দেবার ইচ্ছে আমার নেই। কিন্তু একথা বলতে আমি বাধ্য যে দুটি লোকের মহড়া নেবার সামর্ত্য সরকারী পুলিশ বাহিনীর নেই, আর সেইজন্যই আপনাদের সহায়তা আমি চাই নি। আমি বিফলকাম হলে অবশ্য আপনাদের বাদ দেওয়ার দায়ভাগ আমাকে বহন করতে হবে। আর সেজন্য আমি প্রস্তুতও আছি। বর্তমানে আমি এই প্রতিশ্রুতি ‍দিচ্ছি যে আমার ব্যবস্থাকে বিপন্ন না করে যখনই আপনাদের সব কথা জানান সম্ভব হবে সেই মূহুর্তেই তা জানিয়ে দেব।’

    এই প্রতিশ্রুতিতে বা গোয়েন্দা পুলিশ সম্পর্কে নিন্দাসূচক উল্লেখে গ্রেগসন বা লেস্ট্রেড কাউকেই সন্তুষ্ট মনে হল না। গ্রেগসনের মুখ, তার হলদে চুলের গোড়া পর্যন্ত লাল হয়ে উঠল, আর লেস্ট্রেডের ক্ষুদে চোখ দুটি কৌতুহলে ও ক্ষোভে চকচক করতে লাগল। কেউ কোন কথা বলবার আগেই দরজায় একটা  টোকা পড়ল এবং বাউন্ডুলে ছেলেদের দলপতি উইগিন্স ঘরে ঢুকল।

    মাথার সামনেকার চুলে হাত রেখে সে বলল, ‘স্যার, নীচে গাড়িখানা রেখেছি।’

    হোমস বলল, ‘লক্ষ্মী ছেলে।’ টেবিলের টানা থেকে একজোড়া স্টীলের হাত-কড়া বের করে সে আর বলল, ‘স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডে এই ব্যবস্থাটা চালু কর না কেন? দেখ না, এর স্প্রিংটা কী সুন্দর কাজ করবে। মুহূর্তের মধ্যে আটকে ধরবে।’

    লেস্ট্রেড মন্তব্য করল, ‘হাত-কড়া’ পরাবার লোকটিকে খুঁজে বের করতে পারলে পুরনো ব্যবস্থাও মন্দ কাজ করবে না।”

    হোমস হেসে বলল, ‘খুব ভাল, খুব ভাল। গাড়োয়ান আমার বাক্সগুলো নামাতে নিশ্চয়ই সাহায্য করবে। উইগিন্স, তাকে উপরে আসতে বল।’

    আমার সঙ্গী এমনভাবে কথা বলল যেন সে কোথাও ভ্রমণে বের হবে। এতে আমি বিস্মিত হলাম, কারণ এ সম্পর্কে সে তো আমাকে কিছুই বলে নি। ঘরের মধ্যে একটা ছোট পোর্টম্যান্টো ছিল। সেটাকে টেনে বের করে সে তাতে পটি আটকাতে লাগল। সেই সময় গাড়োয়ান ঘরে ঢুকল

    সে তখন হাঁটু ভেঙে বসে পটি আঁটছিল। মুখ না ঘুরিয়ে বলল, ‘গাড়োয়ান, এই বকলসটা আটতে একটু সাহায্য কর তো।’

    রুষ্ট, উদ্ধত ভঙ্গীতে এগিয়ে গিয়ে লোকটি কাজে হাত লাগাল। ঠিক সেই মুহূর্তে ক্লিক করে একটা শব্দ হল, ধাতুর কর্কশ আওয়াজ শোনা গেল এবং শার্লক হোমস লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়াল।

    ‘ভদ্রমহোদয়গণ’ ঝকঝকে চোখ মেলে সে চেঁচিয়ে বলতে লাগল, ‘মিঃ জেফারসন হোপের সঙ্গে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দি,–ইনিই এনক ড্রেবার এবং জোসেফ স্যাঙ্গারসনের হত্যাকারী।’

    মুহূর্তের মধ্যে সমস্ত ব্যাপারটা ঘটে গেল। এতদ্রুত ঘটল যে কোন কিছু বুঝবার সময়ই পেলাম না। সেই মুহূতের স্মৃতি এখনও আমার মনে স্পষ্ট হয়ে আছে। হোমসের সগৌরব ঘোষণা, তার কন্ঠস্বর, গাড়োয়ানের বিহ্বল বিকৃত মুখ, ইন্দ্রজালের মত তার কণ্ঠস্বর, গাড়োয়ারনের বিহ্বল বিকৃত মুখ, ইন্দ্রজালের মত তার কজ্বিতে আটকে থাকা চকচকে হাত-কড়ার প্রতি তার চোখের দৃষ্টি-সব। দু’এক সেকেন্ডের মত আমরা সবাই যেন পাথরের মূর্তিতে পরিণত হয়েছিলাম। তারপরই একটা ক্রুদ্ধ দুর্বোধ্য গর্জন করে বন্দী হোমসের মুঠো থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে জানালার উপর ঝাপিয়ে পড়ল। তার ধাক্কায় কাঠের ফ্রেম ও কাঁচ ভেঙে গেল। কিন্তু সে সম্পূর্ণ  বেরিয়ে যাবার আগেই গ্রেগসন, লেস্ট্রেড এবং হোমস শিকারী কুকুরের মত তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। তাকে টেনে আনা হল ঘরের মধ্যে। তারপর শুরু হল এক প্রচন্ড সংঘর্ষ। লোকটি এতই শক্তিশালী ও হিংস্র যে আমাদের চারজনকে সে বারবার ছিটকে ফেলে দিতে লাগল। মনে হচ্ছিল সে যেন মুগীরোগক্রান্ত রুগীর মত অমিত বলশালী । কাঁচের ভিতর দিয়ে বের হবার চেষ্টার তার মুখ এবং হাত ভয়ংকর ভাবে কেটে গেছে। কিন্তু সে রক্তক্ষয়ের ফলে তার প্রতিরোধশক্তি হ্রাস পায় নি। একসময়ে লেস্ট্রেড যখন তার গলা-বন্ধনীর মধ্যে হাত ঢুকিয়ে তার গলায় ফাঁস আটকাবার উদ্যেগ করে ফেলল, তখন সে বুঝতে পারল আর লড়াই করে কোন লাভ নেই। তৎসত্ত্বেও যতক্ষণ তার হাত আর পা কসে একসঙ্গে বাঁধা না হল ততক্ষণ আমরা নিরাপদ বোধ করছিলাম না। সেটা হয়ে গেলে আমরা হাঁপাতে হাঁপাতে উঠে দাঁড়ালাম।

    শার্লক হোমস বলল, ‘ওর গাড়িটা আছে। তাতে চড়িয়েই ওকে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া যাবে।’ তারপর স্মিত হেসে সে বলল, ‘ভদ্রমহোদয়গণ, আমাদের  এই ছোট্ট রহস্যের সমাপ্তি ঘটল। এইবার আপনাদের যদি কোন প্রশ্ন থাকে আমাকে জানান। এখন আর এমন কোন বিপদ নেই যার জন্য আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে আমি অস্বীকার করব।’

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনতুন দশ রহস্য – আর্থার কোনান ডয়েল
    Next Article শার্লক হোমসের অভিযান – আর্থার কোনান ডয়েল

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }