Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত সমীক্ষা – আর্থার কোনান ডয়েল

    লেখক এক পাতা গল্প85 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. টোবিয়াস গ্রেগসনের কেরামতি

    পরদিন খবরের কাগজগুলি ছিল ‘ব্রিকসটন রহস্যে’ ভরা। সমস্ত কাগজে র্দীঘ বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে অকেনগুলিতে তার উপরে আবার সম্পাদকীয় প্রবন্ধ লেখা হয়েছে। তাতে এমন কিছু তথ্য ছিল যা আমার কাছে নতুন। এই কেস সম্পর্কে খবরের কাগজের অনেক কাটিং ও উদ্ধৃতি এখন আমার ‘স্ক্র্যাপ-বুকে’ রক্ষিত আছে। এখানে তার কিছু কিছু সংক্ষিপ্ত-সার তুলে দেওয়া হলঃ

    ‘ডেইলি টেলিগ্রাম’-এ  মন্তব্য করা হয়েছে যে, অপ-রাধের ইতিহাসে এরুপ বিস্ময়কর বৈশিষ্টাপূর্ণ দুঃখজনক ঘটনা কাদচিৎ দেখা যায়। মৃত ব্যক্তির জার্মান নাম, উদ্দেশ্যের অভাব, দেওয়ালে অশুভ লিখন এই সব দেখে মনে হয় রাজনৈতিক শরণার্থী এবং বিপ্লবীরাই এ ঘটনার নায়ক। আমেরিকায় সমাজতন্ত্রীদের অনেক শাখা আছে। মৃত ব্যক্তি নিশ্চয় তাদের কোন অলিখিত আইন লংঘন করেছিল। এবং শেষ পর্যন্ত তারা তাকে খুঁজে বের করেছে। প্রসঙ্গত ভেমগেরিকট, একোয়া টোকনা, কার্বোনারি, মার্কিওনেস ডি ব্রিনভিলিয়ার্স, ডারুইনের মতবাদ, ম্যালথাস-নীত ও র‌্যাটক্লিফ রাজপথে খুনের উল্লেখ করে প্রবন্ধের শেষে সরকারকে ভর্ৎসনা করা হয়েছে এবং ইংলন্ডে বিদেশীদের উপর কড়া নজর রাখবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ‘স্ট্যান্ডার্ড-এ মন্তব্য করা হয়েছে এ ধরনের বেআইনী অত্যাচার সাধারণতঃ উদারনৈতিক সরকারের আমলেই ঘটে থাকে। জনতার মানসিক অস্থিরতা এবং দুর্বলতা থেকেই এদের উদ্ভব। নিহত ব্যক্তি একজন আমেরিকান ভদ্রলোক। কয়েক সপ্তাহ যাবৎ তিনি মহানগরীতে বাস করছিলেন।তিনি কাম্বারওয়েলের অন্তর্গত টকোয়ে টেরেসের ম্যাডাম চাপেন্টিয়ারের বোডিং-হাউসে থাকতেন। এই দেশভ্রমণের সময় তার সঙ্গে ছিলেন ব্যক্তিগত সচিব মিঃ জোসেফ স্ট্যাঙ্গারসন। এ মাসের ৪ তারিখ মঙ্গলবার গৃহকর্ত্রীকে বিদায়-সম্ভাষণ জানিয়ে তারা লিভারপুল এক্সপ্রেস ধরবার উদ্দেশ্যে ইউস্টন স্টেশনে যাত্রা করেন। তারপরেও দুজনকে প্ল্যাটফর্মে দেখা গিয়েছে। সংবাদ অনুসারে, ইউস্টন থেকে অনেক মাইল দুরবর্তী, ব্রিক্সটন রোডের একটি খালি বাড়িতে মিঃ ড্রেবারের মৃতদেহ আবিষ্কারের পূর্ব পর্যন্ত রহস্যে আবৃত; স্ট্যাঙ্গারসনের গতিবিধি  সম্পর্কে আর কিছুই জানা যায় না। কেমন করে তিনি সেখানে এলেন, বা কেমন করে তার মৃত্যু হল, এসব প্রশ্নই এখনও পর্যন্ত রহস্য আবৃত! স্ট্যাঙ্গারসনের গতিবিধি সম্পর্কেও কিছুই জানা যায় নি। আমরা শুনে ‍সুখী হলাম যে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের মিঃ লেস্ট্রেড ও মিঃ গ্রেগসন এই কেসটি গ্রহণ করেছেন। আশা করা যায় যে এই দুই সুপরিচিতি অফিসার অতি শীঘ্রই এ ব্যাপারে আলোকপাত করবেন।

    ‘ডেইলি-নিউজ’-এ বলা হয়েছে, অপরাধটি যে রাজ-নৈতিক সেবিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। স্বৈরাচর ও সমাজতন্ত্রবোধিতা ইউরোপীয় শাসক শক্তিগুলিকে অনুপ্রাণিত করার ফলে এমন বহুলোক আমাদের দেশে চলে এসেছেন যাঁরা অতীত জীবনের তিক্ত স্মৃতির দ্বাড়া তাড়িত না হলে উচ্চশ্রেণীর নাগরিক হতে পারতেন। ঐসব লোকের মধ্যে এমন একটা কঠোর নিয়ম-নিষ্ঠা প্রচলিত ছিল যেকোনরকমভাবে সেটা লঙ্ঘিত হলেই তার শাস্তি ছিল মৃত্যু। সচিব স্ট্যাঙ্গারসনকে খুঁজে বের করতে এবং মৃতের অতীত জীবনের বিবরণ জানাতে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে। যে বাড়িতে তিনি বাস করেছিলেন তার ঠিকানাটা হস্তগত হওয়ায় একটা বড় কাজ হয়েছে। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের মিঃ গ্রেগসনের তীক্ষ্মবৃদ্ধি ও উদ্যমের ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে।

    প্রাতরাশে বসে শার্লক হোমস ও আমি সবগুলিই একত্রে পড়লাম। মনে হল, এগুলি যেন তাকে প্রচুর মজার খোরাক জোগাল।

    ‘আমি তোমাকে বলেছিলাম, যা কিছুই ঘটুক লেস্ট্রেড আর গ্রেগসনই দইটুকু মারবে।’

    ‘দেখা যাক কি হয়। তার উপরেই তো সব নির্ভর করছে।’

    ‘হা ভগবান! মোটেই তা নয়। লোকটি ধরা পড়লে ওদের জন্যই ধরা পড়বে, আর সে যদি পালিয়ে যায় সেও ওদের চেষ্টা সত্বেও যাবে। এ হচ্ছে, আমরা জিতলেও ভেড়ের ভেড়ে, হারলেও ভেড়ের ভেড়ে। ওরা যা করবে তাতেই লোক বাহবা দবে। `Un not trouve tlouj-ours un plus sot quil I’ admire’.

    ‘ব্যাপার কি?’ আমি চেঁচিয়ে বললাম, কারণ ঠিক সেই মুহূর্তে হলেও সিঁড়িতে অনেকগুলো পায়ের শব্দ শোনা গেল। গৃহকর্ত্রীর নানারকম বিরক্তিসূচক বাণীও কানে এল।

    আমার সঙ্গী গম্ভীরভাবে বলল, ‘এটা হচ্ছে গোয়েন্দা পুলিশ বাহিনী বেকার স্ট্রীট ডিভিশন।’ তার কথার সঙ্গে সঙ্গে অত্যন্ত নোংরা একদল বাউন্ডুলে ছেলে ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ল।

    ‘সোজা হয়ে দাঁড়াও!’ কর্কশ কণ্ঠে হোমস চেঁচিয়ে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে দুটি বাচ্চা বদমাইস কুখ্যাত স্ট্যাচুর মত এক লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ল। ‘ভবিষ্যতে শুধু উইগিন্সকে ভিতরে পাঠাবে খবর দিতে, বাকিরা সব রাস্তায় অপেক্ষা করবে। কোন খবর পেয়েছ উইগিন্স?’

    একটা ছেলে জবাব দিল, ‘না স্যার, পাই নি।’

    ‘পাবে সে আশা আমিও করি নি। কাজ চালিয়ে যাও। এই নাও, তোমাদের পাওনা।’ প্রত্যেককে সে এক শিলিং করে দিল। ‘এখন চলে যাও। এরপর ভাল খবর নিয়ে আসবে।’

    সে হাত নাড়তেই তারা সব ইঁদুরের মত লাফাতে লাফাতে সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেল। পরক্ষণেই রাস্তায়, তাদের কর্কশ গলা শোনা গেল।

    হোমস বলল, ‘একজন পুলিশের চাইতে ওদের একটা বাচ্চা ভিখারির কাছ থেকে অনেক বেশী কাজ পাওয়া যায়। সরকারী লোক দেখলেই লোকের ঠোঁট বন্ধ হয়ে যায়। এই বাচ্চাগুলো সব জায়গায় যায়, সব কথা শোনে। ওদের বুদ্ধিও সূঁচের মত তীক্ষ্ম। শুধু প্রয়োজন ওদের গড়ে তোলা।’

    আমি প্রশ্ন করলাম, ‘তুমি কি ব্রিক্সটন কেসে ওদের লাগিয়েছে?’

    ‘হ্যাঁ। একটা জিনিস আমি সঠিক জানতে চাই। অবশ্য সেটা সময়  সাপেক্ষমাত্র। আরে! এখনই কিছু নতুন সংবাদ শুনতে পাব। রাস্তা দিয়ে গ্রেগসন আসছে।তার চোখে-মুখে খুশি উপছে পড়ছে।জানি, এখানেই আসবে। হ্যাঁ, ওই তো দাঁড়িয়েছে। এসে গেছে!’

    ঘণ্টটা জোরে বেজে উঠল। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই গোয়েন্দা-প্রবর এক লাফে তিনটে করে সিঁড়ি পার হয়ে বসবার ঘরে ঢুকল।

    হোমসের অনিচ্ছুক হাতটাকে মুচড়ে ধরে চেঁচিয়ে বলল, ‘বন্ধু. আমাকে অভিন্দন জানান। সবকিছু একেবারে দিনের আলোর মত পরিষ্কার করে ফেলেছি।’

    সঙ্গীর মুখের উপর একটা দুশ্চিন্তার ছায়া পড়ল। ‘তুমি কি ঠিক পথে চলেছ বলে মনে কর?’ সে জিজ্ঞাসা করল।

    ‘ঠিক পথ! লোকটাকে হাতকড়া পরিয়ে ফেলেছি।’

    ‘তার নাম কি?’

    মাননীয়া মহারাণীর নৌ-বিভাগের সহকারী লেফ্টেন্যাপ্ট আর্থার চার্পেন্টিয়ার’, মোটা হাত দুটো ঘসতে ঘসতে বুক ফুলিয়ে গ্রেগসন সদম্ভে কথা গুলি বলল।

    স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে শালক হোমস একটুখানি হাসল।

    বলল, ‘বস। সিগারেট খাও। কি করে এত কান্ড করলে জানতে কৌতুহল হচ্ছে। হুইস্কি আর জল চাই কি?

    গোয়েন্দা জবাব দিল, ‘পেলে মন্দ হত না।’ গত দু’একদিন যা পরিশ্রম গেছে, শরীর একেবারে ভেঙে পড়েছে। শারীরিক পরিশ্রম যত নয়, তার চাইতে বেশী চাপ পড়েছে মনের উপর। মিঃ শালক হোমস, আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, কারণ আমরা দুজনেই তো মস্কিষ্কের কারবারী।’

    হোমস গম্ভীরভাবে বলল, ‘আমাকে বড় বেশী সম্মান দেওয়া হচ্ছে, যাহোক এরকম একটা সন্তোষজনক ফল কিভাবে লাভ করলে খুলে বল তো শুনি।’

    গোয়েন্দাটি চেয়ারে বসে মনের সুখে সিগার টানছিল। হঠাৎ অতি-আনন্দের উচ্ছ্বাসে উরুতে একটা থাপ্পড়ে মেরে বলে উঠল, ‘মজার ব্যাপার কি জানেন, নিজেকে, খুব চালাক ভাবলে কি হবে ঐ বোকা লেস্ট্রেড একেবারেই ভুলপথ ধরেছে। সে খুঁজে বেড়াচ্ছে সচিব স্ট্যাঙ্গারসনকে, অথচ অপারাধের সঙ্গে সে কতটুকু জড়িত? যে শিশু এখনও মায়ের পেটে তার চাইতে বেশী নয়’ এতদিনে সে যে তাকে পাকড়াও করেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই।’

    কথাটা ভাবতেই গ্রেগসনের মনে এমন সুড়সুড়ি লাগল যে হাসতে হাসতে তার দম বন্ধ হবার উপক্রম।

    ‘তোমার সূত্রটি কেমন করে পেলে?’

    ‘বলছি, বলছি, সবই বলছি। ডঃ ওয়াটসন, আমরা ছাড়া আর কেউ যেন জানতে  না পারে। এই মার্কিন অতীত ভদ্রলোকের বৃত্তান্ত জানাটাই হল প্রথম সমস্যা। অন্যরা এ অবস্থায় কি করত, না বিজ্ঞাপনের উত্তর আসা বা কেউ এসে স্বেচ্ছায় কোন খবর দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করত। কিন্তু টোবিয়াস গ্রেগসনের কাজের পদ্ধতি সেরকম নয়। আচ্ছা, মৃত লোকটির পাশের টুপিটার কথা মনে আছে?’

    হোমস জবাব দিল, হ্যাঁ। ১২৯, কাম্বারওয়েল রোডের জন আন্ডারউড অ্যান্ড সন্স দ্বারা প্রস্তুত।’

    গ্রেগসন যেন খুবই মুষড়ে পড়ল। বলল, ‘আপনিও যে সেটা লক্ষ্য করেছেন তা ভাবি নি। আপনি কি সেখানে গিয়েছিলেন?’

    ‘না।’

    ‘হ্যাঁ।’ স্বস্তি ভরা গলায় গ্রেগসন বলল, ‘আপাত দৃষ্টিতে যত তু্চ্ছ নয়।’

    ‘যাহোক, আমি আন্ডারউডের কাছে গিয়ে জানতে চাইলাম ঐ মাপের ও বিবরণের টুপি সে বিক্রি করেছে কি না। খাতাপত্র ওল্টাতেই পেয়ে গেল। টুপিটা সে পাঠিয়েছিল টর্কোয়ে টেরেসের চার্পেন্টিয়ার্স বোডিং এস্টাব্লিমেন্টের মিঃ ড্রেবারকে। সেখানেই তার ঠিকানাটা পেলাম।’

    শালক হোমস আপন মনেই বলে উঠল, ‘চতুর—খুব চতুর!’

    গোয়েন্দা বলতে লাগল, ‘তারপরই ম্যাডাম চাপেন্টিয়ারের সঙ্গে দেখা করলাম। তাকে খুবই বিমর্ষ ও বিষণ্ন দেখলাম। তার মেয়েও সেই ঘরেই ছিল—অসাধারণ সুন্দরী মেয়ে। তার চোখে দুটো লাল। তার সঙ্গে কথা বলবার সময় তার ঠোঁট কাঁপছিল। সেটা আমার নজর এড়ায় নি। তখনই আমার সন্দেহ হল। মিঃ শালক হোমস, আপনি তো জানেন, ঠিক সূত্রটি খুঁজে পেলে মনের কিরকম ভাব হয় স্নায়ুতে কিরকম একটা উত্তেজনা দেখা দেয়। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘আপনার প্রাক্তন বোর্ডার ক্লিভল্যান্ডের মিঃ এনক জে, ড্রেবারের রহস্যজনক মৃত্যুর খবর আপনি শুনেছেন কি?’

    ‘মা ঘাড় নাড়ল। একটা কথাও বলতে পারল না। মেয়েটি কেঁদে উঠল। বুঝলাম, এরা অনেককিছুই জানে।’

    ‘জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ট্রেন ধরবার জন্য মিঃ ড্রেবার ক’টার সময় আপনাদের এখান থেকে চলে যান?’

    ‘উত্তেজনাকে চাপা দেবার জন্য ঢোঁক গিলে সে বলল, ‘আটটার সময়। তাঁর সচিব মিঃ স্ট্যাঙ্গারসন বলেছিলেন, দুটো ট্রেন আছে—একটা ৯টা ১৫-তে আর একটা ১১টায়। তিনি প্রথমটাই ধরবেন?’

    ‘সেই কি তাকে আপনি শেষ দেখেছেন?’

    ‘প্রশ্ন করার সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রীলোকটির মুখের ভয়ংকর পরিবর্তন ঘটল। মুখখানা কালিবর্ণ হয়ে গেল। কয়েক সেকেন্ড পরে অনেক কষ্টে একটিমাত্র শব্দই সে উচ্চারণ করতে পারল ‘হ্যাঁ,-তখনও তার গলায় স্বর ফ্যাঁসফেঁসে অস্বাভাবিক।’

    ‘কয়েক মুহূর্তের নীরবতার পরে মেয়েটি শান্ত স্পষ্ট গলায় বলল, ‘মা, মিথ্যার ফল কখনও ভাল হয় না।এই ভদ্রলোকের কাছে সব কথা খুলে বলাই ভাল। মিঃ ড্রেবারকে আমরা আবার দেখেছিলাম।’

    ‘ঈশ্বর তোকে ক্ষমা করুন।’ দুই হাত শূন্যে তুলে চেয়ারে বসে পরে ম্যাডাম চার্পেন্টিয়ার বলে উঠলো, ‘তোর ভাইকে তুই খুন করেছিস।’

    মেয়েটি দৃঢ়স্বরে বলল, ‘আর্থারও চাইত যে আমরা সত্য কথাই বলি।’

    ‘আমি বললাম, ‘সব কথাই আমাকে খুলে বল। অর্ধেক বলা না বলার চাইতে খারাপ। তাছাড়া , এ ব্যাপারে আমরা কতটা জানি তাও তো তোমরা জান না।’

    ‘মা কেঁদে বলল, ‘এলিস, তোর মাথার দিব্যি,তাই হোক।’ আমার দিকে ফিরে বলল, ‘স্যার, আপনাকে আমি সব কথাই বলব। আমার ছেলে এই ভয়ংকর ব্যাপারে জড়িয়ে পড়বে এই আশংকাতেই আমি বিহ্বল হয়ে পড়েছি তা মনে করবেন না। সে সম্পূর্ণ নির্দোষ। আমার শুধু ভয়, আপনার চোখে না অন্যদের চোখে তাকে এ ব্যাপারে জড়িত বলে মনে হতে পারে। কিন্তু সেটা একেবারেই অসম্ভব। তার উন্নত চরিত্র, তার জীবিকা, তার অতীত-সবাই এধরনের কাজের পরিপন্থী।’

    ‘সে বলল, ‘এলিস, আমাদের একটু একা থাকতে দাও।’ মেয়েটি চলে গেল। সে বলতে লাগল, ‘দেখুন স্যার, সব কথা আপনাকে বলবার ইচ্ছা আমার ছিল না। কিন্তু মেয়েটা যখন সব ফাঁস করে দিয়েছে, তখন আর গন্ত্যন্তর নেই। বলাই যখন স্থির করেছি, তখন কিছুই বাদ না দিয়ে সবই আপনাকে বলব।’

    ‘আমি বলক. সেটাই বুদ্ধিমতীর কাজ।’

    ‘মিঃ ড্রেবার প্রায় তিন সপ্তাহ আমাদের সঙ্গে ছিলেন। তিনি আর তাঁর সচিব মিঃ স্যাঙ্গারসন ইউরোপ পরিভ্রমণে বেরিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেকটি ট্যাংকের উপর ‘কোপেনহেগেন’ লেবেল আঁটা দেখেছি। তাতে মনে হয় তারা সর্বশেষ সেখানেই ছিলেন। স্ট্যাঙ্গারসন শান্ত, চাপা প্রকৃতির লোক। কিন্তু দুঃখের সঙ্গেই বলছি, তাঁর মালিক সম্পূর্ণ অন্য ধরনের  মানুষ। তাঁর স্বভাব অমার্জিত, চাল-চলন জানোয়ারের মত। যেদিন ও’রা আসেন সেদিন রাতেই ওরা মদে চুর হয়ে পড়েন। পরদিন বেলা বারোটার আগে তাঁর হুঁস হয় না।পরিচারিকাদের সঙ্গে তাঁর চাল-চলনও দৃষ্টিকটু ও বে-আব্রু। সবচাইতে দুঃখের কথা, আমার মেয়ে এলিসকেও তিনি সেই চোখেই দেখতে শুরু করলেন এবং একাধিকবার তাঁকে এমন সব কথা বললেন, সৌভাগ্যবশত যেগুলো বোঝবার মত বয়স তার এখনও হয় নি। একসময় তিনি হাত ধরে টেনে তাকে আলিঙ্গন পর্যন্ত করেন। তার নিজের সচিব এই অভদ্র আচরণের জন্য তাকে তিরস্কার করতে বাধ্য হন।’

    ‘আমি প্রশ্ন করলাম, ‘এসব আপনি সহ্য করলেন কেন? যখন খুশি বোর্ডারদের তো আপনি ছাড়িয়ে দিতে পারেন বলে আমি জানি।’

    ‘আমার প্রশ্নে ম্যাডাম চার্পেম্টিয়ারের মুখ লাল হয়ে উঠল। বলল, ঈশ্বরের কৃপায় তার আসার দিনই তাকে নোটিশ দিলেই ভাল করতাম। কিন্তু লোভ বড় দারুণ জিনিস। দিন প্রতি প্রত্যেকে তারা এক পাউন্ড করে দিচ্ছিলেন—সপ্তাহে চৌদ্দ পাউন্ড। তার উপর এখন খদ্দের-পত্তর কম। আমি বিধবা। ছেলেকে নৌ-বিভাগে পাঠাবার খরচও অনেক। তাই টাকাটা হাতছাড়া করতে মন চাইল না। সবই মেনে নিয়েছিলাম।কিন্তু শেষটায় অত্যন্ত বাড়াবাড়ি হওয়ায় আমি তাকে বাড়ি ছাড়বার নোটিশ দিলাম। তাই তিনি চলে গেলেন।’

    ‘তারপর?’

    ‘তাকে চলে যেতে দেখে মনটা হাল্কা হল। ছেলে তখন ছুটিতে এসেছে। এসব কথা কিছুই তাকে জানালাম না। কারণ সে খুব বদরাগী, আর বোনকে খুব ভালবাসে। তারা চলে যেতে আমি দরজা বন্ধ করে দিয়ে মনে হল মনের উপর থেকে একটা বোঝা নেমে গেল। কিন্তু হায়! এক ঘণ্টার মধ্যই দরজায় আবার বেল বেজে উঠল। শুনলাম, মিঃ ড্রেবার ফিরে এসেছেন। তিনি খুব উত্তেজিত। মদ খাওয়ার জন্য তাঁর অবস্থা আরও শোচনীয়। যে ঘরে আমি মেয়েকে নিয়ে বসেছিলাম তিনি জোর কর সেই ঘরে ঢুকে ট্রেন পান নি বলে কিছু অবান্তর কথা বললেন। তারপর  এলিসের দিকে ফিরে আমার মুখের উপর তাকে বললেন তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে। বললেন, ‘তোমার বয়স হয়েছে, কোন আইন তোমাকে আটকাতে পারে না, আমার অনেক বাড়তি টাকা আছে। ওই বুড়ি মেয়েটার কথা ভেব না। আমার সঙ্গে এখনই সোজা চলে এস। আমি তোমাকে রাণীর মতো রাখব।’ বেচারি এলিস আতংকে ছুটে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করতেই তিনি তার হাত ধরে দরজার দিকে টানতে লাগলেন। আমি চীৎকার করে উঠলাম, আর সেই মুহূর্তে আমার ছেলে আর্থার ঘরে ঢুকল। তারপর কি ঘটল আমি জানি না। আমি নানারকম কটুক্তি ও ধ্বস্তাধ্বস্তির শব্দ শুনেছিলাম। কিন্তু ভয়ে মুখ তুলতে পারি নি।যখন মুখ তুললাম তখন দেখি একটা লাঠি হাতে নিয়ে আর্থার দাঁড়িয়ে হাসছে। আমাকে সে বলল, ‘ভদ্রলোক আর কখনও আমাদের বিরক্ত করবে না। একবার গিয়ে দেখতে হবে তিনি কি করেন।’ বলতে বলতে টুপিটা নিয়ে সে রাস্তায় বেরিয়ে গেল। পরদিন মিঃ ড্রেবারের রহস্যজনক মৃত্যুর খবর শুনলাম।’

    ‘অনেকবার ঢোঁক গিলে থেমে থেমে ম্যাডাম চার্পেস্টিয়ার যা বলছিলেন হল সেই বিবরণ। সময় সময় সে এত নীচু স্বরে কথা বলছিল যে সব শোনও যায়নি। আমি অবশ্য তার সব কথারই শর্ট-হ্যান্ড নোট নিয়েছি, যাতে কোনরকম ভুলের সম্ভাবনা না থাকে।’

    শার্লক হোমস হাই তুলে বলল, ‘খুবই উত্তেজনাপূর্ণ। তারপর কি হল?’

    গোয়েন্দা বলতে লাগলেন, ‘ম্যাডাম চার্পেস্টিয়ার থামল। আমি বুঝতে পারলাম সমস্ত ব্যাপারটা একটা পয়েন্টের উপর নির্ভর করছে। একদৃষ্টিতে স্ত্রীলোকটির চোখের দিকে তাকালাম। মেয়েদের ব্যাপারে এটা অনেক সময় খুব কার্যকারী হয়। জানতে চাইলাম, তার ছেলে কখন ফিরেছিল।’

    ‘আমি জানি না,’ সে জবাব দিল।

    ‘জানেন না?’

    ‘না। তার কাছে একটা চাবি থাকে। সেটা দিয়ে দরজা খুলে সে নিজেই বাড়িতে ঢোকে।’

    ‘আপনি শুতে যাবার পরে?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘আপনি কখন শুতে গিয়েছিলেন?’

    ‘এগারোটায়।’

    ‘অর্থাৎ আপনার ছেলে দুঘণ্টা বাইরে ছিল?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘চার বা পাঁচ ঘণ্টাও হতে পারে?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘এত সময় সে কি করছিল?’

    ‘আমি জানি না।’ সে জবাব দিল। তার ঠোঁট তখন সাদা হয়ে গেছে।

    ‘অবশ্য এর পরে আর সেখানে কিছু করবার ছিল না। লেফটেন্যান্ট চার্পেন্টিয়ার কোথায় আছে খোঁজ করে দুজন অফিসার সঙ্গে নিয়ে সেখানে গেলাম এবং তাকে গ্রেপ্তার করলাম। তার কাঁধে হাত রেখে যখন তাকে নিঃশব্দে আমাদের সঙ্গে আসতে বললাম, সে উদ্ধৃত সাহসের সঙ্গে বলে উঠল, ‘মনে হচ্ছে ঐ পাজী ড্রেবারের মৃত্যুর জন্য আমাকে গ্রেপ্তার করছেন।’ তখনও আমরা তাকে কিছুই বলি নি। তাই তার পক্ষে ওকথা উল্লেখ করায় আমাদের সন্দেহ আরও বেড়ে গেল।’

    ‘খুবই স্বাভাবিক’ হোমস বলল।

    ‘সে যখন ড্রেবারের পিছু নেয় তখন তার হাতে যে ভারী লাঠিটা ছিল বলে তার মা উল্লেখ করেছে, সেটা তখনও তার হাতেই ছিল। ওক কাঠের একটা মুগুরবিশেষ।’

    ‘তাহলে তোমার বক্তব্যটা কি?’

    ‘দেখুন, আমার বক্তব্য সে ব্রিক্সটন রোড পর্যন্ত ড্রেবারকে অনূসরণ করে। সেখানে পৌঁছে দুজনের মধ্যে আবার ঝগড়া বাঁধে। সেইসময় ড্রেবারের পেটে লাঠির আঘাত লাগে এবং সে মারা যায়, কিন্তু আঘাতের কোন চিহ্ন মৃতদেহে পড়ে না। বৃষ্টির রাত। কেউ কোথাও ছিল না। চার্পেন্টিয়ার মৃতদেহটাকে টানতে টানতে খালি বাড়িতে নিয়ে যায়। আর মোমবাতি, রক্ত, দেওয়ালের লেখা, এবং আংটি—এসবই পুলিশকে ভুল পথে চালাবার ধোঁকা হতে পারে।’

    উৎসাহ দেওয়ার ভঙ্গীতে হোমস বলল, ‘চমৎকার! সত্যি গ্রেগসন, বেশ ভালই চালাচ্ছ। তোমাকে আরও বড় কিছু না বানিয়ে ছাড়ছি না।’

    গোয়েন্দা গর্বভরে বলল, ‘সমস্ত ব্যাপারটা বেশ ভালভাবে গুছিয়ে এনেছি বলে আমার খুব গর্ব হচ্ছে। যুবকটি স্বেচ্ছায় একটা বিবৃতি দিয়েছে। বলেছে, কিছুদুর পযন্ত ড্রেবারকে অনুসরণ করবার পর ড্রেবার ব্যাপারটা বুঝতে পেরে তার হাত থেকে রেহাই পাবার জন্য একটা গাড়িতে উঠে পড়ে। সেখান থেকে বাড়ি ফিরবার পথে একটা পুরনো জাহাজী বন্ধুর সঙ্গে তার দেখা হয় এবং তার সঙ্গে সে অনেকটা পথ হাঁটে। সেই পুরনো জাহাজী বন্ধু কোথায় থাকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে কোন সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারে না। আমার তো মনে হয় সব ব্যাপারটাই গাঁটে গাঁটে মিলে যাচ্ছে। লেস্ট্রেড যে ভুল পথে ঘুরে মরছে সেটা ভেবেই আমার আরও বেশী মজা লাগছে। আমার ধারণা, সে বেশী দূর  এগোতেও পারবে না। আরে! সে যে সশরীরে হাজির।’

    সত্যি লেস্ট্রেড। আমার যখন কথা বলছিলাম তখন সে সিঁড়ি বেয়ে উঠে এসেছে। এবার ঘরে ঢুকল। তার হাবভাব এবং পোশাকে সাধারণতঃ যে আড়ম্বর থাকে সেটার যেন অভাব দেখা গেল। তার মুখে বিরক্তি ও গোলযোগের আভাষ। তার পোশাক এলোমেলো ও ময়লা। স্পষ্টই বোঝা গেল, সে শালর্ক হোমসের সঙ্গে পরামর্শ করতে এসেছিল। সহকর্মীকে দেখেই কেমন যেন বিব্রত ও মুহ্যমান হয়ে পড়ল। ঘরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে কি করবে বুঝতে না পেরে টুপিটা হাতাতে লাগল। অবশেষে বলল, ‘একটা অসাধারণ কেস—একটা দুর্বোধ্য ব্যাপার।’

    গ্রেগসন বিজয়গর্বে বলে উঠল, ‘তোমার তাই মনে হচ্ছে বুঝি! আমি জানতাম তুমি ঐ সিন্ধান্তেই পৌঁছাবে। সচিব মিঃ জোসেফ স্ট্যাঙ্গাসনের খোঁজ পেয়েছ কি?’

    লেস্ট্রেড গম্ভীরভাবে বলল, ‘আজ সকাল ছ’টা হ্যালিডেস প্রাইভেট হোটেলে মিঃ জোসেফ স্ট্যাঙ্গারসন খুন হয়েছেন।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনতুন দশ রহস্য – আর্থার কোনান ডয়েল
    Next Article শার্লক হোমসের অভিযান – আর্থার কোনান ডয়েল

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }