Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত সমীক্ষা – আর্থার কোনান ডয়েল

    লেখক এক পাতা গল্প85 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. অনুমান বিজ্ঞান

    তার ব্যবস্থামত পরদিন দেখা করলাম এবং ২২১বি, বেকার স্ট্রীটের ঘরগুলি দেখলাম। দুটো আরামদায়ক শয়ন-কক্ষ, একটি বড় খোলামেলা সুসজ্জিত বসবার ঘর, তাতে দুটো প্রশস্ত জানালা দিয়ে প্রচুর আলো এসে পড়ছে। সব দিক থেকেই বাসাটা ভাল এবং সম-অংশে ভাড়াটাও ন্যায্য বলেই মনে হয়। কাজেই সেখানেই কথাবার্তা পাকা করে সঙ্গে সঙ্গে বাসার দখল নিয়ে নিলাম। আমি সেদিন সন্ধ্যায়ই হোটেল থেকে মালপত্র নিয়ে সেখানে গেলাম। শার্লক হোমস পরদিন সকালে কয়েকটা বাক্‌স্‌ ও পোর্টম্যাণ্টো নিয়ে হাজির হল। মালপত্র খুলে সাজিয়ে-গুছিয়ে নিতে দু’ একদিন কেটে গেল। ধীরে ধীরে দুজনেই নতুন পরিবেশে অভ্যস্ত হয়ে উঠলাম।

    হোমসের সঙ্গে একত্রে বাস করা মোটেই কঠিন নয়। লোকটি চলা-ফেরায় শান্ত, স্বভাবে পরিমিত। রাত দশটার পরে কদাচিৎ জেগে থাকে, আর সকালে আমার ঘুম ভাঙবার আগেই প্রাতরাশ সেরে বাইরে বেরিয়ে যায়। কখনও সারাটা দিন কেমিক্যাল লেবরেটরিতে কাটায়। কখনও বা ব্যবচ্ছেদ-কক্ষে। আবার অনেকদিন শহরের অনুন্নত এলাকাগুলিতে দীর্ঘ পথ হেঁটে বেড়ায়। কাজের নেশা যখন পেয়ে বসে তখন কোন কাজেই সে পিছপা নয়। কখনও বা সম্পূর্ণ উল্টো। দিনের পর দিন বসবার ঘরে সোফায় বসে থাকে। সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত মুখে একটা কথা নেই, শরীরের একটু নড়ন-চড়ন নেই। সেসময় তার চোখে এমন একটা ফাঁকা স্বপ্নময় দৃষ্টি দেখেছি যাতে অনায়াসেই সন্দেহ হতে পারত যে নেশাখোর; কিন্তু তার সংযত ও পরিচ্ছন্ন জীবনযাত্রা দেখে সে ধারণা মনেও ঠাঁই পেত না।

    যতদিন কাটতে লাগল, তার সম্পর্কে আমার আগ্রহ এবং তার জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে আমার কৌতূহল ততই বাড়তে লাগল। তার শরীর এবং চেহারাই এমন যে যে-কোন লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেই। লম্বায় ছ’ ফুটের উপরে, কিন্তু এতটাই কৃশকায় যে আরও ঢ্যাড়া মনে হয়। যে নেশার ঘোরের কথা এইমাত্র উল্লেখ করেছি সেসময়টা ছাড়া সাধারণভাবে তার চোখের দৃষ্টি তীক্ষ্ণ এবং অন্তর্ভেদী। বাজপাখির মত সরু নাক, সারা মুখে সদা-সতর্কতা ও স্থির সিদ্ধান্তের আভাষ ফুটিয়ে তোলে। তার মোটা চৌকো থুতনি দৃঢ় চরিত্র মানুষের লক্ষণ। তার দুই হাতে সব সময়ই কালি আর কেমিক্যালের দাগ লেগে থাকত। তা সত্ত্বেও কোন কিছু ছোঁবার বেলায় সে খুবই খুঁতখুঁতে। কাজের যন্ত্রপাতি নাড়াচাড়া করবার সময় তার এই স্বভাব আমি অনেক সময় লক্ষ্য করেছি।

    এই মানুষটি আমার কৌতূহলকে কতখানি জাগ্রত করেছিল, এবং নিজের সম্পর্কে তার নীরবতাকে ভাঙবার কতটা চেষ্টা আমি বারবার করেছি, সেকথা বললে পাঠক নিশ্চয়ই অনধিকার চর্চার অপরাধে আমার নিন্দা করবেন; কিন্তু তা করবার আগে মনে রাখতে হবে যে সেসময় আমার জীবন ছিল লক্ষ্যহীন এবং করবার মত কোন কাজও তখন আমার হাতে ছিল না। আমার স্বাস্থ্যের তখন যা অবস্থা তাতে আবহাওয়া অত্যন্ত ভাল না থাকলে আমি বাইরেও বেরোতে পারতাম না। এমন কোন বন্ধুও ছিল না যার সঙ্গে কথা বলে দৈনন্দিন জীবনের একঘেয়েমিকে কাটাতে পারি। সে অবস্থায় এই সঙ্গীটিকে ঘিরে যে ছোটখাট রহস্য ছিল তার সমাধানের চেষ্টায়ই আমি অনে সময় কাটিয়ে দিতাম।

    সে ডাক্তারি পড়ত না। এবিষয়ে স্ট্যামফোর্ড যা বলেছিল আমার একটা প্রশ্নের উত্তরে সে নিজেও সেই উক্তিই সমর্থন করেছে। সে নিয়মিতভাবে এমন কোন পড়াশুনা করে না যাতে সে বিজ্ঞানের একটা ডিগ্রি পাবার উপযুক্ততা অর্জন করতে পারে, অথবা জ্ঞান-রাজ্যে প্রবেশের অন্য যে কোন দ্বার-পথ তার সামনে উন্মুক্ত হতে পারে। কিন্তু কোন কোন পাঠ্য বিষয়ে তার উৎসাহ এতই উল্লেখযোগ্য, এবং খামখেয়ালের দ্বারা সীমিত হলেও তার জ্ঞান এত অসাধারণভাবে প্রচুর ও সূক্ষ্ম যে তার অনেক বক্তব্যই আমাকে বিস্মিত করেছে। কোন নির্দিষ্ট লক্ষ্য সম্মুখে না থাকলে কোন মানুষ এত কঠিন পরিশ্রম করতে বা এত নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করতে পারে না। যারা আবোলতাবোল পড়াশুনা করে তাগের জ্ঞান কদাচিৎ সঠিক হয়ে থাকে। স্পষ্ট কারণ না থাকলে কোন মানুষ ছোটখাট বিবরণ সংগ্রহ করে মনকে বোঝাই করে রাখতে পারে না।

    তার অজ্ঞানতাও তার জ্ঞানের মতই উল্লেখযোগ্য। সাম্প্রতিক সাহিত্য, দর্শন বা রাজনীতির সে প্রায় কিছুই জানে না। টমাস কার্লাইল থেকে উদ্ধৃতি দেওয়াতে সে খোলাখুলিই জিজ্ঞেস করে বসল, লোকটি কে এবং কি করতেন। কথাপ্রসঙ্গে যেদিন বুঝতে পারলাম যে সে কোপার্নিকাসীয় মতবাদ এবং সৌর জাগতিক গ্রহনক্ষত্র সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ সেদিন আমার বিস্ময়ের সীমা রইল না। পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে—এই বিংশ শতাব্দীতে কোন সভ্য মানুষ যে সেটা জানে না সে কথা আমি ভাবতেই পারি নি।

    আমার মুখে বিস্ময়ের ভাব লক্ষ্য করে সে বলল, ‘মনে হচ্ছে তুমি এতে বিস্মিত হয়েছ। কিন্তু ও তথ্যটা জানবার পরে মনে হচ্ছে, আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব ওটা ভুলে যেতে।‘

    ‘ভুলে যেতে!’

    সে বুঝিয়ে বলতে শুরু করল, ‘দেখ, আমি মনে করি মানুষের মস্তিষ্ক গোড়ায় একটা ছোট শূন্য চিলেকোঠার মত। সেখানে পছন্দসই আসবাব জমানোই উচিত। একমাত্র বোকা লোকই যা কিছু পায় তাই সেখানে জমা করে। ফলে যে জ্ঞান তার পক্ষে দরকারী সেইটেই হয়ে ভীড়ে হারিয়ে যায়, না হয় অন্য সব জিনিসের সঙ্গে এমনভাবে তালগোল পাকিয়ে যায় যে দরকারের সময় তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। মস্তিষ্কের কুঠুরিতে কি রাখবে না রাখবে সেবিষয়ে দক্ষ কারিগর কিন্তু ভারী সতর্ক। কাজের জন্য দরকারী যন্ত্রপাতি ছাড়া আর কিছু সে সেখানে রাখে না। আর সে যন্ত্রপাতিও সংখ্যায় অনেক বলে সেগুলিকে সে বেশ সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখে। ঐ ছোট কুঠুরিটার বর্ধনশীল দেওয়ালে আছে এবং সেটাকে যতদূর খুশি বাড়ানো যায় এ ধারণা কিন্তু ভুল। ঠিক জানবে, এমন একসময় আসে যখন নতুন কোন জ্ঞান পেতে হলেই পুরনো জ্ঞান কিছুটা ছাড়তে হবেই। কাজেই অদরকারী ঘটনা যাতে দরকারী ঘটনাকে মন থেকে ঠেলে সরিয়ে না দেয় সেদিকে দৃষ্টি রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন।‘

    ‘কিন্তু সৌরজগৎ!’ আমি প্রতিবাদ করলাম।

    অসহিষ্ণুকণ্ঠে সে বলে উঠল, ‘তা দিয়ে আমার কি দরকার? তুমি বলছ আমরা সূর্যের চারদিকে ঘুরিছি। বেশ তো, আমরা যদি চন্দ্রের চারদিকে ঘুরতাম তাতে আমি বা আমার কাজের তো তিলমাত্র তফাৎ হত না।‘

    তার কাজটা কি জিজ্ঞাসা করতে যাচ্ছিলাম, কিন্তু তার হাবভাবে মনে হল প্রশ্নটাকে সে ভালভাবে নেবে না। যা হোক, আমাদের এই সংক্ষিপ্ত আলোচনার কথা ভাবতে ভাবতে তার থেকে কিছু কিছু তথ্য অনুমান করতে চেষ্টা করলাম। সে বলেছে, তার অভীষ্টের সঙ্গে যুক্ত নয় এমন কোন জ্ঞান লাভ করতে সে চায় না। অতএব যা কিছু … (এখানে কিছু অংশ পাঠোদ্ধার করা যায় নি বলে আপাতত মিসিং) …না হেসে থাকতে পারলাম না। তালিকাটি এইরূপ:

    শার্লক হোমস—তার জ্ঞানের সীমা

    ১. সাহিত্যের জ্ঞান—শূন্য

    ২. দর্শনের জ্ঞান—শূন্য

    ৩. জ্যোতির্বিদ্যার জ্ঞান—শূন্য

    ৪. রাজনীতির জ্ঞান—দূর্বল

    ৫. উদ্ভিদবিদ্যার জ্ঞান—পরিবর্তনশীল। ধুতুরা, আফিম এবং সাধারণভাবে বিষাক্ত উদ্ভিদ সম্পর্কে পণ্ডিত। কিন্তু উদ্যানবিদ্যার কিছুই জানে না।

    ৬. ভূতত্ত্বের জ্ঞান—বাস্তব জ্ঞান আছে, কিন্তু সীমিত। একনজরেই বিভিন্নরকম মাটির পার্থক্য বলে দিতে পারে। বেড়িয়ে দিরে তার ট্রাউজারের দাগ দেখিয়ে সেগুলোর রং এবং ঘনত্বের বিচার করে কোন্‌ দাগ লণ্ডনের কোন্‌ অঞ্চল থেকে লেগেছে সেটাও আমাকে বলেছে।

    ৭. রসায়নের জ্ঞান—প্রগাঢ়।

    ৮. শারীর সংস্থান বিদ্যার জ্ঞান—সঠিক, কিন্তু শৃঙ্খলাহীন।

    ৯. উত্তেজক সাহিত্যের জ্ঞান—প্রচুর। এই শতাব্দীর যে কোন লোমহর্ষক ঘটনার প্রতিটি বিবরণ সে জানে বলে মনে হয়।

    ১০. ভাল বেহালা বাজাতে পারে।

    ১১. দক্ষ বিলিয়ার্ড খেলোয়াড়, বক্‌সার এবং অসিচালক।

    ১২. বৃটিশ আইনের ভাব বাস্তব জ্ঞান আছে।

    তালিকাটি এই পর্যন্ত পড়েই হতাশ হয়ে সেটাকে আগুনে ফেলে দিলাম। নিজের মনেই বললাম, ‘এই সব সৎগুণের সম্মিলন ঘটিয়ে লোকটি কি করতে চাইছে যদি জানতে পারতাম, এবং কি সে কাজ যাতে এগুলি সব দরকার হয় যদি খুঁজে বের করতে পারতাম, তাহলে সেইদণ্ডে এসব চেষ্টা ছেড়ে দিতাম।’

    বেহালা বাজাবার ক্ষমতার কথা আগেই বলেছি। সে ক্ষমতাও খুবই উল্লেখযোগ্য, কিন্তু তার অন্য সব গুণের মতই খামখেয়ালি। আমি জানি সে রাগ-রাগিণী বাজাতে পারে,–বেশ শক্ত রাগ-রাগিনীও। আমার অনুরোধে সে ‘মেণ্ডেলসন-এর লিয়েডার’ এবং অন্য প্রিয় রাগ বাজিয়ে আমাকে শুনিয়েছে। কিন্তু একা থাকলে সে কদাচিৎ কোন রাগ-রাগিণী বা পরিচিত সুর বাজায়। সন্ধ্যায় আরাম-কেদারায় গা এলিয়ে দিয়ে দুই চোখ বন্ধ করে কোলের উপর রাখা বেহালাটায় এলোমেলোভাবে ছড় টানতে থাকে। কখনও তাতে গম্ভীর বিষণ্ণ সুর বাজে, কখনও বা অদ্ভূত এক আনন্দের সুর। স্পষ্টই মনে হয়, তার মনের চিন্তাই যেন সুরের ভিতর দিয়ে আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু সে বাজনা তার চিন্তার ধারাকে সাহায্য করে, না কি সেগুলো নেহাতই তার খেয়লাএর ফল, তা আমি আজও বুঝে উঠতে পারি নি। সেই সব একটানা রুদ্ধশ্বাস বাজনার বিরুদ্ধে আমি হয় তো বিদ্রোহ ঘোষণাই করতাম যদি না সে প্রায়শই তার বাজনার শেষে একের পর এক আমার প্রিয় সুরগুলি বাজিয়ে আমার ধৈর্যচ্যুতির ক্ষতিপূরণ করে দিত।

    প্রথম সপ্তাহকাল আমাদের কাছে কেউ এলো না। আমার ধারণা হল এই সঙ্গীটিও আমার মত নির্বান্ধব। কিন্তু শীঘ্রই বুঝতে পারলাম, তার পরিচিত জনের সংখ্যা অনেক, আর তারা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। তাদের মধ্যে একজন ছিল হলদেটে, ইঁদুরমুখো কালো চোখওয়ালা মানুষ। তার নাম শুনেছিলাম মিঃ লেস্ট্রেড। সপ্তাহে তিন চার দিন সে আসত। একদিন সকালে একটি সুসজ্জিত তরুণী এল এবং আধ ঘণ্টার উপরে কাটিয়ে গেল। সেইদিন বিকেলেই একটি শুটকো পাকা-চুল লোক এল। দেখতে ইহুদী ফেরিওয়ালার মত। মনে হল লোকটা খুব উত্তেজিত। তার পরেই এল একটি নোংরা বয়স্কা স্ত্রীলোক। একদিন এসেছিল এক পাকা-চুল বৃদ্ধ; আবার কোনদিন বা নকল মখমলের পোশাক-পরা এক রেলের কুলি। এই সব নানা ধরনের লোক যখন হাজির হত তখন শার্লক হোমস আমার কাছ থেকে বসবার ঘরটা ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে নিত, আর আমি আমার শোবার ঘরে চলে যেতাম। আমার এই অসুবিধা ঘটানোর জন্য সে সব সময়ই ক্ষমা চেয়ে নিত। বলত, ‘কাজের জন্য আমাকে ঘরটা ব্যবহার করতে হচ্ছে। এরা সবাই আমার মক্কেল।‘ তখনই সোজাসুজি প্রশ্ন করবার সুযোগ পেলেও জোর করে একজনের গোপন কথা জানবার কৌতূহল থেকে নিজেকে নিবৃত্ত করতাম। ভাবতাম, সেকথা উল্লেখ না করার কোন সঙ্গত কারণ হয় তো তার আছে। কিন্তু একদিন নিজে থেকেই সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সে আমার এই ভ্রান্ত ধারণার অবসান ঘটাল।

    আমার বেশ মনে আছে, সেদিনটা ছিল ৪ঠা মার্চ। অন্য দিনের তুলনায় একটু আগেই ঘুম থেকে উঠেছিলাম। দেখলাম, শার্লক হোমসের প্রাতরাশ তখনও সারা হয় নি। গৃহকর্ত্রী আমার দেরীতে ওঠার ব্যাপারে এতই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন যে তখনও আমার প্রাতরাশ টেবিলে দেওয়া হয় নি, বা আমার কফিও তৈরী হয় নি। মানুষ অনেক সময় অকারণে রেগে যায়। আমিও সেইরকম রাগের সঙ্গে ঘণ্টাটা বাজিয়ে জানিয়ে দিলাম যে আমি তৈরী। তারপর টেবিল থেকে একখানা পত্রিকা টেনে নিয়ে তার উপর চোখ বুলিয়ে সময় কাটাতে লাগলাম। আমার সঙ্গী নীরবে টোস্টে কামড় দিচ্ছিল। একটা প্রবন্ধের শিরোনামের নীচে পেন্সিলের দাগ দেখে স্বভাবতই সেটার উপর দ্রুত চোখ বুলোতে লাগলাম।

    প্রবন্ধের শিরোনামটি খুব জবরদস্ত—‘জীবনের পুঁথি।’ তাতে দেখানো হয়েছে, একজন অনুসন্ধিৎসু লোক সঠিক ও সুশৃঙ্খল পর্যবেক্ষণের ফলে জীবনের কতকিছু জানতে পারে। ব্যাপারটা কিন্তু আমার কাছে চাতুর্য ও অবাস্তবতার একটা খিঁচুড়ি বলে মনে হল। বেশ ধারালো ও তীক্ষ্ণ যুক্তি, কিন্তু সিদ্ধান্তগুলি কষ্টকল্পিত ও অতিরঞ্জিত বলে মনে হয়। লেখক দাবী করেছেন, একটি আকস্মিক কথা, মাংসপেশীর একটি মোচড় বা চোখের একটু দৃষ্টি থেকেই মানুষের মনের অন্তস্থল পর্যন্ত দেখা যায়। যে মানুষ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণে সুশিক্ষিত তাকে ঠকানো অসম্ভব। তার সিদ্ধান্তগুলি ইউক্লিডের প্রতিপাদ্যের মতই অভ্রান্ত। কোন নূতন লোকের কাছে তার সিদ্ধান্তগুলি বিস্ময়কর মনে হবেই এবং যতক্ষণ তার অনুসৃত পদ্ধতিগুলি সে না শিখবে ততক্ষণ তাকে একজন যাদুকর বলেই মনে করবে।

    লেখক বলেছেন, একজন যুক্তিবিদ একফোঁটা জল থেকে আতলান্তিক মহাসাগর বা নায়েগ্রা জলপ্রপাতের সম্ভবনাকে অনুমান করতে পারে, যদিও সে ও দুটোর একটাকেও দেখে নি, বা কারও থেকে ওদের সম্পর্কে কিছু শোনেও নি। সব জীবনই একটি প্রকাণ্ড শৃঙ্খল যার একটি গাঁটকে দেখতে পেলেই সমগ্রটাকে জানা যায়। অন্য সব শিল্প-কলার মত ‘অনুমান ও বিশ্লেষণ বিজ্ঞান’কেও সুদীর্ঘ অধ্যবসায় দ্বারাই আয়ত্ব করা যায়, এবং যেহেতু জীবন যথেষ্ট দীর্ঘস্থায়ী নয় সেজন্য কোনও মানুষের পক্ষেই এবিষয়ে পরিপূর্ণতা অর্জন করা সম্ভব নয়। কোন সমস্যার নৈতিক ও মানসিক দিকগুলি অত্যন্ত বিঘ্নসঙ্কুল; কাজেই ছোটখাট সমস্যাগুলিকে আয়ত্তে আনবার চেষ্টাই প্রথমে করা উচিত।

    কোন মানুষের সঙ্গে দেখা হলে একনজরেই জানবার চেষ্টা করতে হবে তার অতীত ইতিহাস, তার বাণিজ্য বা অন্য জীবিকার পরিচয়। এরকম চেষ্টা প্রথমে বোকামির পরিচায়ক বলে মনে হতে পারে, কিন্তু ফলে মানুষের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা ক্ষুরধার হয় এবং কোথায় চোখ ফেলতে হবে বা কি দেখতে হবে সে শিক্ষা লাভ করা যায়। একটা মানুষের হাতের নখ, তার কোটের আস্তিন, জুতো, ট্রাউজারের হাঁটুর কাছটা, তর্জনী এবং বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠের উপরকার কড়া, তার কথা, তার শার্টের কফ—এর প্রত্যেকটি থেকেই মানুষের জীবিকার পরিচয় পরিষ্কারভাবে ব্যক্ত হয়। কোন একটি ক্ষেত্রে এর সবগুলি প্রয়োগ করেও একজন যোগ্য অনুসন্ধানকারী সমস্যার উপর আলোকপাত করতে অসমর্থ হবেন এটা একেবারেই অকল্পনীয়।

    ‘কী অবর্ণনীয় বাগাড়ম্বর!’ চীৎকার করে বলতে বলতে আমি পত্রিকাটা টেবিলের উপর ছুঁড়ে দিলাম। ‘জীবনে এরকম বাজে লেখা কখনও পড়ি নি।’

    ‘কোনটার কথা বলছ?’ শার্লক হোলস প্রশ্ন করল।

    প্রাতরাশ খেতে খেতে ডিমের চামচে দিয়ে দেখিয়ে আমি বললাম, ‘কেন, এই প্রবন্ধটা। মনে হচ্ছে তুমি এটা পড়েছ, কারণ এটার নীচে দাগ দিয়েছ। অস্বীকার করছি না যে লেখাটায় মুন্সিয়ানা আছে; আমি অবশ্য বিরক্ত হয়েছি। এটা নিশ্চয়ই কোন আরামকেদারাশ্রয়ী আলস্যবিলাসীর উদ্ভট মতবাদ। নিজের নির্জন পড়ার ঘরে বসে তিনি এই সব অবাস্তব কথার জাল বোনে। এসব একেবারেই অবাস্তব। আমার ইচ্ছা করে, পাতাল-রেলের কোন তৃতীয় শ্রেণীর কামরায় ঠেলে দিয়ে তাকে বলি, এবার সহযাত্রীদের জীবিকার পরিচয়গুলি দাও তো বাপধন। তার সঙ্গে আমি হাজার পাউণ্ড বাজী লড়তে রাজী।’

    হোমস শান্তভাবে বলল, ‘তাতে তোমার টাকাটাই খোয়াবে। আর প্রবন্ধটার কথা যদি বল, ওটা আমি লিখেছি।’

    ‘তুমি!’

    ‘হ্যাঁ। পর্যবেক্ষণ ও অনুমানের কাজে আমার একটা ঝোঁক আছে। সে-সকল মত আমি ওখানে প্রকাশ করেছি, এবং যেগুলিকে তুমি অত্যন্ত অবাস্তব বলে মনে করছ, সেগুলো অত্যন্ত বাস্তবসম্মত—এত বাস্তব যে আমার রুটি-মাখনের জন্য আমি ওগুলোর উপরই নির্ভর করি।‘

    ‘কিন্তু কেমন করে?’ নিজের অজ্ঞাতেই প্রশ্ন করলাম।

    ‘দেখ, আমারও একটা জীবিকা আছে। আমার ধারণা এ ব্যাপারে পৃথিবীতে আমি একক। আমি একজন পরামর্শদাতা গোয়েন্দা। অবশ্য সেটা কি জিনিস তুমি বুঝবে কি না জানি না। এই লণ্ডনে অনেক সরকারী ও বে-সরকারী গোয়েন্দা আছে। এরা যখন পেরে ওঠে না, তখন আমার কাছে আসে, আমি তাদের পথ বাতলে দি। তারা সংগৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণাদি আমার কাছে পেশ করে, অপরাধ-ইতিহাসের যে জ্ঞান আমি অর্জন করেছি তারই সাহায্যে আমি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের ঠিক পথে পরিচালিত করতে সক্ষম হই। বিভিন্ন দুষ্কর্মের মধ্যে একটা মূলগত মিল আছে; ফলে হাজারটা দুষ্কর্মের বিবরণ তুমি উদ্ধার করতে পারবে না এটা হতেই পারে না। লেস্ট্রেড একজন নামকরা গোয়েন্দা। সম্প্রতি একটা জালিয়াতির মামলা নিয়ে বড়ই গোলমালে পড়েছিল তাই আমার কাছে এসেছিল।’

    ‘আর অন্যরা?’

    ‘বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের পাঠায় বেসরকারী গোয়েন্দা সংস্থা। কোন ব্যাপার নিয়ে গোলমালে পড়লেই তারা আলোকপাতের জন্য আসে। আমি তাদের কাহিনী মন দিয়ে শুনি, তারা আমার মন্তব্যগুলি মন দিয়ে শোনে, তারপর আমার ফীটা পকেটস্থ করি।‘

    আমি বললাম, ‘তুমি কি বলতে চাও, সচক্ষে সব বিবরণ দেখেও যে রহস্যের কিনারা তারা করতে পারে না, তুমি এই ঘরে বসেই তার গিট খুলতে পার?’

    ‘ঠিক তাই। এবিষয়ে আমার কেমন একটা অন্তর্দৃষ্টি আছে। কখনও সখনও এমন কেস আসে যেটা একটু বেশী জটিল। তখন অবশ্য আমাকেও বাইরে বেরিয়ে নিজের চোখে সবকিছু দেখতে হয়। দেখ, আমার কতকগুলি বিশেষ জ্ঞান আছে যেগুলি প্রয়োগ করে আমি আশ্চর্য ফল পাই। এই প্রবন্ধে অনুমানের যেসব নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে এবং যেগুলি তোমার ঘৃণার উদ্রেক করেছে সেগুলি কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে আমার কাছে খুবই মূল্যবান। পর্যবেক্ষণ আমার দ্বিতীয় প্রকৃতি। প্রথম দিন সাক্ষাতের সময় আমি যখন বললাম যে তুমি আফগানিস্থান থেকে এসেছ, তখন তুমি বিস্মিত হয়েছিলে।‘

    ‘নিশ্চয় কেউ তোমাকে বলেছিল।‘

    ‘মোটেই তা নয়। আমি স্রেফ জানতে পেরেছিলাম যে তুমি আফগানিস্থান থেকে এসেছ। দীর্ঘদিনের অভ্যাসের ফলে চিন্তা-স্রোত এত দ্রুতগতিতে আমার মনে প্রবাহিত হয়ে যে অন্তবর্তী ধাপগুলো চিন্তা না করেই আমি সরাসরি সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি। অবশ্য সে ধাপগুলো তো থাকেই। চিন্তার ধারাটা এই রকম ছিল; এই ভদ্রলোক ডাক্তার, অথচ চালচলনে সামরিক ভাবভঙ্গি, কাজেই নিশ্চয় সামরিক ডাক্তার। তিনি নিশ্চয় সম্প্রতি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চল থেকে এসেছেন, কারণ তার মুখমণ্ডল বাদামী, অথচ ওটা তাঁর চামড়ার স্বাভাবিক রং নয় যেহেতু তার কব্জী দুটো সাদা। তাঁর বিষন্ন মুখ দেখলে স্পষ্টই বোঝা যায় তিনি অনেক দুঃখ-কষ্ট ও রোগ ভোগ করেছেন। তাঁর বাঁ হাতটায় আঘাত লেগেছে কারণ সে হাতটা তিনি অস্বাভাবিকভাবে আড়ষ্ট করে রাখেন। গ্রীষ্মমণ্ডলের কোন্‌ স্থানে একজন ইংরেজ সামরিক ডাক্তারের পক্ষে এরকম কষ্ট ভোগ করা সম্ভব? আর কোথায়ই বা তাঁর হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে? নিশ্চয় আফগানিস্থানে। এই পুরো চিন্তাধারাটি কিন্তু এক সেকেণ্ডও সময় নেয় নি। আমি তখনই মন্তব্য করলাম, তুমি আফগানিস্থান থেকে এসেছ, আর তুমিও বিস্মিত হলে।‘

    হেসে বললাম, ‘তুমি বুঝিয়ে বলার পরে অবশ্য ব্যাপারটা সরলই মনে হচ্ছে। এডগার এলেন পো-র ডিউপিনের কথা মনে পড়ছে। গল্পের বাইরেও এ ধরনের চরিত্র থাকে আমার জানা ছিল না।‘

    শার্লক হোমস উঠে পাইপটা ধরাল। তারপর বলতে লাগল, ‘তুমি নিঃসন্দেহে ভাবছ যে ডিউপিনের সঙ্গে তুলনা করে আমার প্রশংসাই করছ। কিন্তু আমার মতে ডিউপিন খুব সাধারণ স্তরের মানুষ। পনের মিনিট চুপ করে থেকে হঠাৎ একটা যুৎসই মন্তব্য করে বন্ধুকে চমকে দেওয়ার যে কৌশল তিনি দেখান সেটা আসলে কিন্তু বড়ই লোক-দেখানো ও কৃত্রিম। অবশ্য বিশ্লেষণী শক্তি তাঁর ছিল, কিন্তু পো তাঁকে যতখানি বড় বলে কল্পনা করেছেন আসলে তিনি তা নন।‘

    আমি প্রশ্ন করলাম, ‘তুমি কি গাবোরিয়-র বই পড়েছ? তোমার মতে লিকক কি একজন ভাল গোয়েন্দা?’

    শার্লক হোমস ঠাট্টার ভঙ্গীতে নাকটা টানল। তারপর রাগতঃ স্বরে বলল, ‘লিকক তো একটা মহা আনাড়ি। একটা গুণই তার ছিল,–উৎসাহ। ও বই পড়ে তো আমি কাহিল হয়ে পড়েছিলাম। ব্যাপার কি না, একটি অজানা কয়েদিকে খুঁজে বের করতে হবে। আমি ও কাজ চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই করতে পারতাম। লিককের লেগেছিল ছ’মাস বা ওই রকম সময়। গোয়েন্দাদের কি বাদ দেওয়া উচিত সেটা শেখবার মত পাঠ্য-পুস্তক অবশ্য ও বইখানা হতে পারে।‘

    যে দুটি চরিত্র আমার প্রিয় তাদের সম্পর্কে এই ধরনের উদ্ধত উক্তি করায় আমি কিছুটা অসন্তুষ্ট হলাম।

    জানালার কাছে উঠে গিয়ে বাইরের জনবহুল রাস্তার দিকে তাকালাম। মনে মনে বললাম, ‘লোকটি চতুর বটে, তবে বড় দাম্ভিক।‘

    যে দুঃখের সঙ্গেই সে বলল, ‘আজকাল আর অপরাধও নেই, অপরাধীও নেই। আমাদের কাজে এখন আর মস্তিষ্কের প্রয়োজন হয় না। আমি জানি, আমার মধ্যে ও বস্তুটি আমাকে বিখ্যা করবার পক্ষে পর্যাপ্তই আছে। অপরাধ উদঘাটনের কাজে যতটা পড়াশুনা এবং মেধা আমি প্রয়োগ করেছি আজ পর্যন্ত অপর কেউ তা করে নি। কিন্তু লাভ কি হল? ধরবার মত কোন অপরাধই ঘটে না। আর যাও বা ঘটে এতই জলের মত পরিষ্কার যে স্কটল্যাণ্ড ইয়ার্ডের যে কোন অফিসারই তার কিনারা করতে পারে।

    লোকটির কথাবার্তার এই আত্মম্ভরিতা ক্রমেই আমাকে বিরক্ত করে তুলল কাজেই ভাবলাম এ প্রসঙ্গ পরিত্যাগ করাই শ্রেয়।

    একটি দীর্ঘদেহ সাদাসিধে পোশাকের মানুষ রাস্তার অপর দিকে ধরে বাড়ির নম্বর দেখতে দেখতে ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছিল। তার হাতে একখানা নীল রঙের বড় খাম। নিশ্চয় কোন সংবাদ নিয়ে এসেছে। তাকে দেখিয়ে আমি বলে উঠলাম, ‘লোকটি না জানি কি খুঁজে বেড়াচ্ছে।‘

    শার্লক হোমস বলল, ‘নৌবিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সার্জণ্টের কথা বলছ?’

    ‘খালি বড়াই আর দম্ভ!’ মনে মনে ভাবলাম। ‘ভাল করেই জানে যে ওর এই অনুমানকে আমি পরখ করে দেখতে পারব না।‘

    এ কথাগুলি ভাবতে না ভাবতেই লোকটি আমাদের দরজাতেই তার প্রার্থিত নম্বরটি দেখতে পেয়ে দ্রুতপায়ে রাস্তাটা পার হল। আমাদের কানে এল দরজায় ধাক্কার শব্দ, নীচে একটি গম্ভীর কণ্ঠস্বর এবং সিঁড়ি বেয়ে উঠবে ভারী পদধ্বনি।

    ঘরের ভিতরে ঢুকে বন্ধুর হাতে চিঠিখানা দিয়ে সে বলল, ‘মিঃ শার্লক হোমসের জন্য।‘

    এতক্ষণে তার মুখোশ খুলে দেবার একটা সুযোগ পাওয়া গেল। আচমকা একটা কথা বলে ফেলবার সময় এরকমটা যে ঘটতে পারে তা তো আর সে ভাবতে পারে নি। সরাসরি লোকটিকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আপনি কোথায় কাজ করেন জিজ্ঞাসা করতে পারি কি?’

    রূঢ়কণ্ঠে সে জবাব দিল, ‘সেনাবিভাগে, ইউনিফর্মটা মেরামতের জন্য পাঠানো হয়েছে।‘

    ঈর্ষার দৃষ্টিতে সঙ্গীর দিকে তাকিয়ে আবার প্রশ্ন করলাম, ‘আপনি কি ছিলেন?’

    ‘সার্জেণ্ট স্যার। রাজকীয় নৌবাহিনীর পদাতিক বাহিনী স্যার। কোন জবাব দেবেন না? ঠিক আছে স্যার।‘

    দুটো গোড়ালি ঠুকে হাত তুলে সে স্যালুট করল। তারপরই চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনতুন দশ রহস্য – আর্থার কোনান ডয়েল
    Next Article শার্লক হোমসের অভিযান – আর্থার কোনান ডয়েল

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }