Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপুত নন্দিনী – শ্রীপারাবত

    শ্রীপারাবত এক পাতা গল্প92 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপুত নন্দিনী – ৫

    ৫

    ওরা এগিয়ে চলে। দিল্লি ক্রমশ নিকটবর্তী হচ্ছে। বিপদও ততই ঘনীভূত হচ্ছে। কারণ সমস্ত কিছু জেনেশুনে বাদশাহের কব্জার মধ্যে গিয়ে পড়ছে ওরা। পরিত্রাণের দ্বিতীয় কোনো পথ নেই।

    মহুয়া বনের ধারে ওদের শিবির পড়ে। মহুয়া ফুলের মাতাল গন্ধে যেন চারদিক আমোদিত।

    দুর্গাদাস হাসতে হাসতে সবাইকে বলে,—দেখো, নেশা করে তোমরা বুঁদ হয়ে থেকো না। এখন চারদিকে শুধু শত্রুচর।

    পরিহাসচ্ছলে সে কথাটা বললেও গুরুত্ব উপলব্ধি করতে কারও অসুবিধা হলো না। ফলে মহুয়া-আসক্ত ব্যক্তিরাও মনে মনে সংযত হলো।

    রাত্রিতে যথারীতি বীরসিংহ পাহারায় নিযুক্ত হলো। রানিমায়ের শিবির- শ্রেণির দিকে সে লক্ষ্য রাখছিল। অন্য দিকে রয়েছে মাধব, ভীমসিংহ ও আরও অনেকে।

    এ-রাতে রত্নার সঙ্গে দেখা হবার সম্ভাবনা নেই। দুর্গাদাস সাবধান করে দিয়েছেন, ভালুকের আবির্ভাবের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। মহুয়ার গন্ধে ওরা পাগল হয়। সেই সময় কোনোরকম বাধা বিপত্তি ঘটলে হিংস্র হয়ে ওঠে।

    সুতরাং রত্নার শিবিরে অবস্থানই শ্রেয়। তবু বীরসিংহ বারবার সেদিকটা টহল দেয়। বলা যায় না, যদি কোনো কারণে রত্নার প্রয়োজন হয়। শিশুপুত্র নিয়ে রানিমা একা রয়েছেন। রত্না ছাড়া দ্বিতীয় আর কেউ নেই তাঁকে দেখবার। যদিও সে এখন থেকেই মূল্যবান পোশাক পরে দিবালোকে মহারানির মহড়া দিচ্ছে। রাতের বেলায় এখনও সে রানিমার একনিষ্ঠ সেবিকা। কারণ আসল রাজপুত্র তারই হেফাজতে—যে রাজপুতকে জীবিত রাখতে পারলে মাড়োয়ারের স্বপ্ন সার্থক হয়ে উঠতে পারে ভবিষ্যতের কোনো এক দিনে।

    শিশুর ক্রন্দন রাতের নিস্তব্ধতা ভঙ্গ করে।

    বীরসিংহ তড়িৎ-পদে শিবিরের কাছে এসে দাঁড়ায়।

    এ কোন শিশুর কান্না? সেই অতি সাধারণ রাজপুত সৈনিকের মাতৃহারা সন্তান? অথবা অতি অসাধারণ পিতৃহারা পুত্রসন্তান? ক্রন্দন শুনে জানা মুশকিল। বিধাতা সবাইকে একইভাবে পৃথিবীতে প্রেরণ করেন। কে রাজা আর কে প্রজা সেটা তার নিয়তি। রাজগৃহে জন্মালে রাজা হবার সম্ভাবনা প্রচুর। কিন্তু না-ও হতে পারে। আবার দরিদ্রের সংসারে জন্ম নিয়েও মস্তকে রাজমুকুট ধারণের সৌভাগ্য হতে পারে কারও।

    দুই শিশু এখন রয়েছে একই শিবিরে। মাঝখানে হয়তো শুধু পর্দার ব্যবধান। কার ভাগ্যে কী রয়েছে কেউ কী বলতে পারে এখন? ওই মাতৃহারা শিশুটি হয়তো যশোবন্ত সিংহের পুত্র হিসাবে মুঘল হারেমে যথেষ্ট সমাদরের সঙ্গে দিন কাটাবে। আবার ওই যে শিশুপুত্র, যার নাম ঠিক হয়েছে অজিত সিংহ, সে হয়তো—। না না। কিছুতেই না। তাকে দেশে ফিরিয়ে নিতেই হবে।

    ধপ।

    একটা সন্দেহজনক শব্দ। শিবিরের ঠিক বিপরীত দিকে মনে হলো।

    বীরসিংহ ছুটে অন্য দিকে যায়। একটি ছায়ামূর্তি চোরের মতো এগিয়ে আসছে অন্ধকারে। ভালুক? না। যদিও ভালুকের মতোই গুটিগুটি আসছে। কিন্তু ভালুকের পায়ের শব্দ হয় না। কেউ নিশ্চয় পাশের মহুয়া গাছে আত্মগোপন করে বসেছিল। রাত গভীর হতেই কোনো অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ হাসিল করতে আসছে।

    আততায়ী! শিশুপুত্রকে হত্যা করতে আসছে? বীরসিংহের শরীরের শিরা- উপশিরার রক্ত দ্রুত চলতে থাকে। সে নিজেকে যথাসম্ভব লুকিয়ে রাখতে চেষ্টা করে।

    লোকটি আরও এগিয়ে আসছে। দু’পা এগিয়ে থেমে থেমে চারদিকে সতর্ক দৃষ্টি রেখে আবার দু’পা আসছে।

    বীরসিংহ ধীরে ধীরে কোষ থেকে তলোয়ার বের করে অপেক্ষা করতে থাকে।

    লোকটি শিবিরের একেবারে পাশে এসে সোজা হয়ে দাঁড়ায়।

    শিশুটি তখনও ফুঁপিয়ে চলেছে। খুব নীচু কণ্ঠে কে যেন তাকে শান্ত করার চেষ্টায় ব্যাপৃত। রত্না নিশ্চয়ই। তবে কণ্ঠস্বর চেনার উপায় নেই। খুবই চাপা। এই সময় অধিকাংশ নারীর গলা একই রকম মনে হয়।

    লোকটির কোমরে কোনো অস্ত্র নেই। বীরসিংহ নিশ্চিন্ত হয়। কারণ তলোয়ার থাকলে এখনি তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তে হত।

    লোকটি আরও একটু এগিয়ে শিবিরের গায়ে কান লাগিয়ে শোনে। শিশুর কান্না থেমে গিয়েছে। নিদ্রাজড়িত কণ্ঠে যে তাকে শান্ত করতে ব্যস্ত ছিল, সে-ও ঘুমিয়ে পড়েছে।

    আশ্চর্য! আজই এখানে এসে তারা পৌঁছেছে, অথচ এরই ভেতরে শত্রু- পক্ষ জেনে ফেলেছে কোন শিবিরে মহারাজ যশোবন্ত সিংহের একমাত্র জীবিত পুত্র রয়েছে। ভীমসিংহ ঠিকই বলেছিল। চেতন সিংহের মতো আরও কিছু নিমকহারাম রাজপুতদের ভেতরে রয়েছে যারা গুপ্ত সংবাদ শত্রুপক্ষকে নিয়মিতভাবে পাচার করে চলেছে। একবার তাদের মুখোশ খুলতে পারলে চূড়ান্ত শাস্তি দেওয়া যেত।

    লোকটি হঠাৎ আস্তিনের ভেতর থেকে একটা ছুরিকা বের করে শিবির কাটতে শুরু করে।

    এক মুহূর্তও দেরি না করে বীরসিংহ ঝাঁপিয়ে পড়ে তার ওপর। লোকটি অদ্ভুত ক্ষিপ্রতায় দু’হাত পেছিয়ে যায়। বীরসিংহ তলোয়ার চালায়। বুঝতে পারে লোকটির বাঁ হাতের কয়েকটি আঙুল কেটে মাটিতে পড়ল।

    কিন্তু সেই একই সময়ে ডান হাতে সে একটি ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্র বের করে বীরসিংহকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

    বারুদের শব্দ হয়। অস্ফুট আর্তনাদ হয় বীরসিংহের মুখ দিয়ে।

    লোকটি চোখের পলকে অন্ধকারে মিলিয়ে যায়।

    শিবিরের ভেতর থেকে রত্না ছুটে বেরিয়ে আসে। অন্ধকারেও বীরসিংহকে চিনতে তার

    এতটুকুও ভুল হয় না।

    ছুটে কাছে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় আকুল হয়

    —চুপ চুপ রত্না। আমি মরিনি।

    যেন জাদু স্পর্শে মূক হয়ে যায় রত্না।

    —আমি আহত হয়েছি। সরে যাও, কেউ দেখে ফেলবে। শব্দ শুনে ঘুম ভেঙে যেতে পারে কারও।

    রত্না সরে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করে,—কোথায় লেগেছে তোমার?

    —কাঁধে। অল্প। হাত থেকে তলোয়ারটা খসে গেল।

    সেই সময় দূরে আবার আগ্নেয়াস্ত্র গর্জে ওঠে। বীরসিংহ বাঁ হাতে কাঁধ চেপে ধরে উঠে দাঁড়ায়। তারপর রত্নার অবরোধকে অস্বীকার করে সেদিকে ছুটতে থাকে।

    আরও কিছু রাজপুত ছুটে চলে সেদিকে। এবারে অনেকের ঘুম ভেঙেছে।

    বীরসিংহ কাছে গিয়ে দেখতে পায়, একজন নয়, দুজন পড়ে রয়েছে ভূতলে। সে আততায়ীকে চিনতে পারে। বাঁ হাতের একটি আঙুলও নেই। তারই তলোয়ারের আঘাতে শিবিরের পাশে ফেলে রেখে এসেছে। কিন্তু এবারে নিজেকেই ফেলে রাখতে হয়েছে। এবারে তলোয়ারের আঘাত পড়ছে তার মস্তকে।

    অপর ব্যক্তি ছটফট করছে। আততায়ীর হত্যাকারী। নিজেও বীরসিংহের মতো আহত আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে। আরও মারাত্মকভাবে আহত মনে হচ্ছে।

    বীরসিংহ তার কাছে যায়। সে দেখে ভীমসিংহ আহত।

    —ভীম?

    —কে? বীর?

    —হ্যাঁ ভাই।

    —ও মরেছে?

    —হ্যাঁ। রাজপুত্রকে হত্যা করতে এসেছিল।

    —আরও আসবে। সাবধান বীরসিংহ।

    বীরসিংহ ভীমের ওপর ঝুঁকে পড়ে। ভীম হাত দিয়ে তার নিজের বুক চেপে ধরে রেখেছিল।

    —আমাকে ধরে উঠতে পারবে ভীম?

    —নাঃ, আর আমি কোনোদিন উঠব না বীর। গুলি আমার বুকে লেগেছে।

    কথাটা শুনেই দুজন রাজপুত ছুটে যায় শিবিরের দিকে। দুর্গাদাসকে ডেকে আনতে হবে। বাতি আনতে হবে।

    —বীরসিংহ, আমি চলি ভাই। বড় দুঃখ রইল, সবটা দেখে যেতে পারলাম না। শেষে এক গুপ্তঘাতকের—

    —লজ্জা নেই ভাই। আমিও মরতে পারতাম। গুলি আমার বুকে না লেগে কাঁধ ছুঁয়ে চলে গিয়েছে। তবে একটা কথা বলতে পারি, এই গুপ্তঘাতক সাধারণ মানুষ নয়। তার ক্ষিপ্রতা অসাধারণ।

    —আমিও দেখেছি।

    কথা বলতে বলতে ভীমসিংহ যেন ঘুমিয়ে পড়ল ধীরে ধীরে। একবার যন্ত্রণার অস্ফুট আর্তনাদও করল না। অথচ সে অসহ্য বেদনা অনুভব করছিল। তার হৃদপিণ্ড ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসছিল। ভেতরে রক্তক্ষরণের ফলে কথা বলার সময় তার গলা দিয়ে অদ্ভুত এক ঘরঘর আওয়াজ বার করছিল। তবু সে থামেনি। একবারও বলেনি তাকে সাহায্য করতে।

    চেতনসিংহকে জলের ভেতরে হত্যা করে পাড়ে উঠেও সে কোনোরকম চাঞ্চল্য প্রকাশ করেনি। এবারও করল না। সেবারে সে ছিল বিজয়ী। এবারেও বিজয়ী। সে দেখে গেল শত্ৰু তার হাতে নিহত। সেই পরিতৃপ্তিতে সে ধীরে ধীরে চিরনিদ্রার কোলে ঢলে পড়ল।

    দুর্গাদাস এসে কিছুক্ষণ স্থির দৃষ্টিতে চেয়ে রইল ভীমসিংহের দিকে। বাতির আলোয় তার চোখ দুটো একটু চিকচিক করে উঠল। তারপর নতজানু হয়ে সে ভীমসিংহের কপালে চুম্বন রেখা এঁকে দিল।

    দীর্ঘশ্বাস ফেলে দুর্গাদাস বলে,—রাজপুতরা তো সবাই যোদ্ধা, সবাই বলতে গেলে বীর। কিন্তু ভীমসিংহের ভেতরে আমি যা দেখেছি তাতে মাঝে মাঝে চমকে উঠতে হয়েছে। আমি যে অভিজ্ঞতা এতদিনে সঞ্চয় করেছি সেই অভিজ্ঞতা শুধু ওর ছিল না। থাকলে ওর ওপর নিশ্চিন্তে সব দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়ে আমি ওর অনুগত সৈনিক হয়ে কাজ করতে পারলে গর্ব অনুভব করতে পারতাম।

    রাজপুতরাও কাঁদে। দুর্গাদাস থামলে সবাই কেঁদে ফেলল। এতবড় কথা একজন সৈনিক সম্বন্ধে কোনো সেনাপতিকে বলতে শোনা যায়নি।

    বীরসিংহ মনে মনে ভাবে, সে অন্তত ভীমসিংহকে ঠিকই চিনেছিল।

    সেই রাতেই চিতা প্রজ্বলিত করা হলো। ভীমসিংহের দেহ ভস্মীভূত হলো। পৃথিবীতে তাকে আর সশরীরে কখনও দেখা যাবে না। দুর্গাদাস সম্ভবত আগের মতো অতটা নিশ্চিন্তে রাত্রিতে নিদ্রা যেতে পারবে না।

    এখন রয়েছে শুধু বীরসিংহ। ভীমসিংহের চেয়েও বয়সে ছোট। সুতরাং অভিজ্ঞতা আরও কম। তবে বীরসিংহ এটাই বুঝল যে রত্নার আকর্ষণে নয়, রাজপুতকে রক্ষা করার তাগিদেই এবার থেকে তাকে রানিমার শিবিরের পাশে রাতের পর রাত বিনিদ্র রজনী যাপন করতে হবে।

    .

    অবশেষে দিল্লি।

    দিল্লি তাদের অপরিচিত নয়। তবু এ-দিল্লি সে-দিল্লি নয়। এ-দিল্লিতে মহারাজ যশোবন্তের অস্তিত্ব নেই। তাই মুঘল রাজধানীর প্রতি বিন্দুমাত্র মোহ আর তাদের অবশিষ্ট নেই।

    রাজধানী যত নিকটবর্তী হচ্ছিল, দুর্গাদাসের দৃষ্টি ততই তীক্ষ্ণ থেকে তীক্ষ্ণতর হয়ে উঠছিল। দিল্লিতে এসে সেই দৃষ্টি আরও সজাগ। দু-চোখে এক লহমায় সে অনেক কিছু দেখে নিচ্ছিল। চন্দ্রভান, যোধসিং এবং বরমল প্রমুখকে ডেকে বলে,—খুব সাবধান। শত্রুপুরী এটা।

    —জানি। আমরা প্রতি মুহূর্ত প্রস্তুত দুর্গাদাস।

    মহারাজ যশোবত্তের পুরোনো অট্টালিকার সামনে এসে তারা বিস্ময়ে হতবাক হয়। প্রাসাদ অন্যের অধিকারে। কোনো আমীর সে প্রাসাদে বসবাস শুরু করেছে।

    দুর্গাদাসের ভ্রূ কুঞ্চিত হয়ে ওঠে।

    সেই প্রাসাদের সামনে বাদশাহের একজন লোক দাঁড়িয়েছিল। সে দুর্গাদাসের কাছে এসে বিনীতভাবে বলে,—বাদশাহ মহারানি এবং তাঁর শিশুপুত্রকে নিজ প্রাসাদে বসবাস করবার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

    দুর্গাদাসের মাথায় রক্ত ওঠে। আওরঙ্গজেবের মতলব রাজধানীর ভূমিতে পদার্পণের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়। উঃ, কী চতুর এই বাদশাহ! এই সঙ্গে অন্যান্য বাদশাহদের মতো রাজপুতদের প্রতি যদি সমবেদনা থাকত কত কিছু হতে পারত। মৃদুস্বরে সে লোকটিকে বলে,—তা সম্ভব নয়। মহারানি হিন্দু রমণী। তাঁর পুজো-অর্চনা, ব্রত-তর্পণ ইত্যাদি অনেক কিছুই রয়েছে যা বাদশাহী প্রাসাদে সম্ভব হয়ে উঠবে না।

    লোকটি মৃদু হেসে বলে, —বাদশাহ বিবেকবান। এমন হতে পারে তিনি দূরদৃষ্টি দ্বারা সেটা বুঝতে পেরেছিলেন। বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে তিনি অন্য একটি ক্ষুদ্র অট্টালিকাও খালি রেখেছেন। আপনারা আমার সঙ্গে চলুন।

    দুর্গাদাস বীরসিংহকে কাছে ডাকে। খুবই গোপনে বলে,—তুমি আর শংকর সিংহ সৈন্য দিয়ে সবার অলক্ষ্যে ব্যূহ রচনা কর রত্নার শকটকে ঘিরে। প্রতি মানুষের দৃষ্টি যেন সেদিকে আকৃষ্ট হয়। মহারানিকে অন্যান্য মহিলাদের সঙ্গে অরক্ষিত রাখো। আমি জানি না কোথায় চলেছি আমরা। হয়তো মৃত্যুর গহ্বরে।

    বীরসিংহ সরে যায় দুর্গাদাসের পাশ থেকে। সে খুব তৎপরতার সঙ্গে ব্যূহ তৈরি করে। রত্না পর্দার আড়াল থেকে বীরসিংহকে দেখে। সে তাকে ঘিরে রাজপুত সৈন্যদলকেও দেখতে পায়। বুঝতে পারে আসল অভিনয় শুরু হয়ে গেল নকল রানি আর রাজপুত্রকে কেন্দ্র করে।

    এগিয়ে চলে মাড়োয়ার বাহিনী।

    লোকটি বলে,—বাড়িটা ক্ষুদ্র। এত লোকের স্থান হবে না। ওদের রাজপুত সেনানিবাসে পাঠিয়ে দিতে পারেন।

    দুর্গাদাস বলে,—দেব! এখন পাঠিয়ে দিলে মহারানিকে অসম্মান করা হবে। তাকে পৌঁছে দেবার পর, তাঁর অনুমতি নিয়ে ওদের পাঠিয়ে দেব।

    একটা বাড়ির সামনে এসে লোকটি থামে। দুর্গাদাসের দৃষ্টি নিমেষে চারদিকটা পর্যবেক্ষণ করে নেয়। না, আক্রমণের কোনো আয়োজন নেই। এমনকী অতর্কিত আক্রমণের সম্ভাবনাও কম। কারণ বাড়িটার চারদিকে ফাঁকা। হয়তো বাদশা ভেবে নিশ্চিন্ত আছেন যে সামান্য কয়েকজন রাঠোরকে দিল্লির ভেতরে শায়েস্তা করতে বেগ পেতে হবে না।

    রত্নার শকট বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। অন্যান্য মহিলাদের সঙ্গে মহারানিও প্রবেশ করে। বীরসিংহ দূর থেকে রত্নাকে দেখে ভাবে, রানির বেশে রানির মতোই মানিয়েছে তাকে। রানি হবার জন্যই জন্ম তার এই পৃথিবীতে। বহু ভাগ্যগুণে সে রত্নার সঙ্গে মিশতে পেরেছিল। আর হয়তো পাবে না। তার সঙ্গে দেখা হবে কিনা কে বলতে পারে? দিল্লির চরিত্র বড় দুর্বোধ্য। এখানে সব কিছুরই দ্রুত পরিবর্তন হয়। আজকের রানিবেশী রত্না আগামীকাল সত্যিই রানি হবে কিনা কেউ বলতে পারে না। যদি সত্যিই তা হয় তবে কি রত্না তাকে ভুলে যাবে? বীরসিংহ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে।

    কিংবা রত্না যা আশঙ্কা করেছে, তাই যদি সত্যি হয়? যদি তাকে জোর করে হারেমে নিয়ে যাওয়া হয়? বাদশা অথবা বাদশাজাদার লালসার আগুনে যদি তাকে আহুতি দেওয়া হয়?

    ভাবতে পারে না বীরসিংহ। কারণ একবার রত্না হারেমের অন্তরালে চলে গেলে সে কিছু করতে অক্ষম। নিষ্ফল ক্রোধ দেখিয়ে বা হা-হুতাশ করে কোনো লাভ নেই। হারেম থেকে তাকে উদ্ধার করবার জন্যে জীবনপণ করা যেতে পারে। কৌশলে হারেম থেকেও হয়তো মুক্ত করা যায়।

    বাদশাহের লোকটি দুর্গাদাসের কাছে বিদায় নেবার জন্য এগিয়ে আসে। তার একটা হাত চেপে ধরে একটু একান্তে নিয়ে গিয়ে বলে,—আমি নোকর। কাজের বদলে অর্থ পাই। আমি মুসলমান, কিন্তু বাদশাহ নই। আপনার মতোই মানুষ। মানুষের সুখ দুঃখ মানুষই বোঝে শুধু—বাদশাহ নয়। একথা কখনও ভাববেন না, বাদশাহ আপনাদের খাতির করবার জন্য এনেছেন। বিপদ ঘনিয়ে আসছে। জানি একথা প্রকাশ করে নিমকহারামী করলাম। তবু না বলে পারলাম না।

    লোকটি দ্রুত প্রস্থান করে।

    দুর্গাদাস সেদিকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে থাকতে থাকতে বলে,—মানুষই বটে। মানুষের জাত ধর্ম নেই। সে যখন ভুলে যায় যে সে মানুষ, তখনই তার মধ্যে বিভেদের প্রাচীর গড়ে ওঠে।

    লোকটি বলে গেল,—বিপদ ঘনিয়ে আসছে। দুর্গাদাসও জানে সে-কথা। কিন্তু সেই বহু আশঙ্কিত বিপদের রূপ যে কেমন হবে সে এখনও জানে না। সেটা আকস্মিক হতে পারে—এই মুহূর্তেও ঘটতে পারে। আবার ধীরে ধীরে ফাঁস পরাতে পারেন বাদশা। দুর্গাদাস স্থির করে সৈন্যরা সবাই রানির প্রাসাদের পাশে শিবিরে থাকবে। অন্যত্র তাদের সরিয়ে দেওয়া আত্মহত্যার শামিল।

    স্পষ্টভাবে দলপতিদের সব কিছু বুঝিয়ে বলে সে। প্রতিটি মুহূর্ত তৈরি থাকতে হবে। দিল্লিতে প্রবেশের আগে থেকেই সৈন্যবাহিনীতে গুপ্তচরের অনুপ্রবেশের চেষ্টা চলেছে। তবে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। প্রতিটি রাজপুত তাদের মধ্যে অচেনা মুখের আবির্ভাব সম্বন্ধে অত্যন্ত সচেতন। যার ফলে এ পর্যন্ত পাঁচজন বাদশাহী গুপ্তচর প্রাণ হারিয়েছে। তবু বলা যায় না কার মনে কী আছে। তাই অতি বিশ্বস্ত পাঁচশো রাঠোর বীরকে বেছে নিয়ে তাদের ঠিকভাবে নির্দেশ দিয়ে রাখে দুর্গাদাস। পাঁচশো রাজপুতের অসি যদি সূর্যকিরণে ঠিকমতো ঝলসে ওঠে, তাহলে মুঘল রাজধানী থেকেও শিশুরাজকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া সম্ভব, এ দৃঢ় বিশ্বাস দুর্গাদাসের আছে।

    বিশ্রামের পর দুর্গাদাস অন্তঃপুরের প্রান্তে দাঁড়িয়ে মহারানির দর্শনপ্রার্থী হয়। পর্দার আড়ালে মহারানি উপস্থিত হলে রত্না মহিষীর বেশে এসে বলে,—কাকাবাবু, রানিমা আপনার কথা শুনতে প্রস্তুত।

    দুর্গাদাস মহারানিকে অবস্থার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করে বলে,—আপনাকে পুরুষের বেশে দিল্লি নগরী ছাড়তে হতে পারে। আপনি কি প্রস্তুত?

    মৃদু অথচ দৃঢ়স্বরে যশোবন্তের সহধর্মিণী বলেন—হ্যাঁ। রাজপুত বীরাঙ্গনা সব সময়ে সব কিছুতে প্রস্তুত, একথা আপনার চাইতে আমি কি ভালো জানি দুর্গাদাস? তাছাড়া সহমরণে যখন যেতে পারিনি, তখন পুত্রকে জীবিত রাখতে আমি সব করতে পারি।

    —আমি জানতাম রানিমা। তবু একবার অনুমতি চাইতে আমি বাধ্য। আমি জানি রাজপুত রমণীর পুরুষের পরিধান এই প্রথম নয়—শেষও নয়।

    —কিন্তু আমার পুত্রকে কীভাবে উদ্ধার করবেন?

    —মিষ্টান্নের ঝুড়িতে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে তাঁকে আমরা নিয়ে যাব। তাতে কোনো অসুবিধা হবে না। আপনাকে চিনতে না পারলে শিশু-রাজাকেও ওরা চিনবে না। তবে সব কিছু নির্ভর করছে একজনের ওপর।

    দুর্গাদাস রত্নার দিকে দৃষ্টিক্ষেপ করে। রত্নার চোখে-মুখে কর্তব্যবোধের দৃঢ়তা। নিজেকে উৎসর্গ করে একটা গোটা জাতিকে রক্ষা করবার প্রেরণায় সে উদ্বুদ্ধ। তবু—তবু তার সমস্ত দৃঢ়তার অন্তরালে অতি সংগোপনে ব্যথিত অশ্রুধারা ফোঁটা ফোঁটা ঝরে পড়ছে। দুর্গাদাস সেই বেদনার ইতিহাস জানে না; পৃথিবীতে একজন শুধু জানেন—তিনি রানিমা

    দুর্গাদাসের জিজ্ঞাসু দৃষ্টির জবাবে রত্না বলে,—আমার কর্তব্য জীবন দিয়েও যথাযথ পালন করব কাকাবাবু।

    —জানি মা। তোমার পিতৃ-পরিচয় আমার জানা নেই। তোমার সঙ্গে আমার পরিচয় বেশিদিনের নয়। কিন্তু যে-মুহূর্তে প্রথম তোমায় দেখেছি, সেই মুহূর্তে বুঝতে পেরেছি কোনো বীর বংশের ললনা তুমি। আমার ধারণা, অতি অল্পবয়সে, খ্যাতি লাভের আগেই তোমার পিতার মৃত্যু হয়েছে। তা যদি না হত, তবে তাঁর পরিচয় এতদিন অজানা থাকত না–তোমার পরিচয়ও না।

    —মহারাজা যশোবন্ত সিংহের সেনা হিসাবে তরুণ বয়সে আমার বাবার মৃত্যু হয় যুদ্ধক্ষেত্রে। আমিই তাঁর প্রথম এবং শেষ সন্তান। মা, বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়েই আগুনে আত্মাহুতি দেন

    —আমার অনুমান নির্ভুল। নইলে দুর্গাদাসের স্নেহ আদায় করা সহজসাধ্য নয়। এই যে হৃদয় দেখছ আমার, এ বড় কঠিন হৃদয়। স্নেহ আর মমতার স্থান এখানে বড় একটা নেই। ঈশ্বর এইভাবেই সৃষ্টি করেছেন আমায় কোনো উদ্দেশ্য সাধনের জন্য। তোমাকে দেখেও প্রথম দৃষ্টিতে মনে হয়েছিল আমার কোনো মহৎ উদ্দেশ্য সাধিত হবে তোমাকে দিয়ে। সেদিন বুঝতে পারিনি কী সেই উদ্দেশ্য। আজ বুঝছি।

    রানির মুখে নিজের প্রশংসা শুনেছে রত্না। কিন্তু দুর্গাদাসের মতো বীরের মুখে শুনে মস্তক আনত হয়ে পড়ে তার। সেই অবস্থাতে একটি অদেখা মানুষের কল্পনা করতে চেষ্টা করে সে—তার শিশু বয়সে যে মানুষটি তাকে কোলে করেছে, আদর করেছে—যে মানুষটা বেঁচে থাকলে সে শৈশবের স্নেহ থেকে বঞ্চিত হত না। অস্পষ্টও মনে পড়ে না সেই মানুষের মুখ। ছয় মাসের শিশু কি পিতার মুখকে মনের ভেতর বেঁধে রাখতে পারে?

    পর্দার আড়াল থেকে মহারানি বলে,—বীরসিংহ সারা পথটা আমাদের নিরাপদে নিয়ে আসতে যথেষ্ট পরিশ্রম করেছে।

    —হ্যাঁ, সে প্রকৃতই একজন উচ্চশ্রেণির সৈনিক

    —তাকে একটু পাঠিয়ে দেবেন।

    দুর্গাদাস প্রশ্ন না করে পারে না—আপনি কি তাকে ভালোভাবে চেনেন?

    —চিনি না তেমন। দু-একবার দেখেছি। তবে রত্না চেনে।

    —কীভাবে?

    রত্নার কান্না পায়।

    মহারানি গম্ভীর হয়ে বলেন,—তেমন যদি কিছু ঘটেই, তবে তার কাছ থেকে রত্নার বিদায় নেওয়া উচিত।

    দুর্গাদাস কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। প্রথমত, ব্যাপার বুঝতে তার একটু বিলম্ব হয় দ্বিতীয়ত, বোঝবার পর রানির সম্মুখে কী জবাব দেবে সহসা ভেবে পায় না।

    শেষে রত্নার আনত মস্তকের দিকে চেয়ে একটা চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে বলে, ও, আচ্ছা, আমি তাকে পাঠিয়ে দেব। নিশ্চয় দেব।

    শিবিরের দিকে চলতে শুরু করে দুর্গাদাস। তার মাথা সামনে ঝুঁকে পড়ে। অজ্ঞাতে একটা প্রস্ফুটিত ফুলকে সে দলে পিষে ফেলেছে। তার কঠোর হৃদয়ও একটু যেন দ্রবীভূত হয়। সে বুঝতে পারে একটা অনভিপ্রেত দুর্বলতা ধীরে ধীরে তার মধ্যে শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে তার মনকে আচ্ছন্ন করে দিতে চাইছে। সঙ্গে সঙ্গে মাথা উঁচু করে সে আপন মনে বলে ওঠে, এমন কতশত ফুল পদদলিত হচ্ছে, আর ঝরে পড়েছে তার ইয়ত্তা নেই। শিশু- রাজাকে রক্ষা করতে না পারলে আরও কত ঝরবে। তার চাইতে শ্রেষ্ঠ ফুলটি যদি তার নিংড়ে নেওয়া রক্তবর্ণ রসের পরিবর্তে দেশমাতৃকার নিরাপত্তা এনে দেয় তাহলে ভবিষ্যতে রাজস্থানের উদ্যানে সহস্র ফুল আপন খেয়ালে ফুটে উঠবে, সৌরভ ছড়াবে।

    এদিকে রানির পাশে দাঁড়িয়ে রত্না। দু’চোখে কৃতজ্ঞতার অশ্রু। সে কোনো- মতে বলে, —আপনি আমায় রানির বেশে দেখতে চেয়েছিলেন। ঈশ্বর আপনার সে ইচ্ছা পূর্ণ করেছেন মহারানি। আসল না হতে পাই, নকল তো হলাম। আজ বুঝলাম আপনি কত ভালোবাসেন আমায়।

    মহারানি রত্নাকে বুকে নিয়ে বলেন,–এই ঘোর বিপদের দিনে আমি আর মহারানি নই। আমি তোমার বড় বোন।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকলকাতা নুয়া – রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    Next Article কৰ্ণ – হরিশংকর জলদাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }