Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজপুত নন্দিনী – শ্রীপারাবত

    শ্রীপারাবত এক পাতা গল্প92 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজপুত নন্দিনী – ৬

    ৬

    দিল্লির আকাশে সেদিন চাঁদ ওঠেনি। চারদিকে গাঢ় অন্ধকার। নিকটের মীনার বা গম্বুজের অস্তিত্বও চোখে পড়ে না। রাজপথ জনশূন্য। মাঝে মাঝে শুধু রক্ষীদের পদশব্দ আলস্য-ভরা মন্থর গতিতে এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে মিলিয়ে যাচ্ছে।

    মহারাজ যশোবন্ত সিংহের মহারানির নতুন প্রাসাদে সবাই নিদ্রামগ্ন। শুধু পার্শ্ববর্তী শিবিরে জন পঁচিশেক সৈন্য জাগরিত। তারা দুর্গাদাসের নির্দেশে শুধু রাজপথ নয়, সবদিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন অশ্বারূঢ় অবস্থায় মুঘল রক্ষীদের দৃষ্টির অলক্ষ্যে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে শহরের মধ্যে। নিদ্রিত সৈনিক পুরুষরাও যুদ্ধসাজে সজ্জিত। আক্রান্ত হলে জাগরিত হয়েই যাতে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে।

    আর জেগে রয়েছে রানির প্রাসাদের ছাদের ওপর দুটি প্রাণী। আজ তাদের উভয়ের চোখই অশ্রু ভারাক্রান্ত। আজ আর কেউ কাউকে সান্ত্বনা দেবার ভাষা খুঁজে পাচ্ছে না। কারণ তাদের ভাগ্য দুর্গাদাস শক্ত হাতে নির্ধারিত করে দিয়েছে।

    ভোর হতে আর বাকি নেই বেশি। সারারাত ওরা ওইভাবে বসে থেকেছে। ভেবেছিল অনেক কথা বলবে পরস্পর পরস্পরকে। কিন্তু কিছুই বলা হলো না। তবু উভয়ে উভয়েরই বক্ষের স্পন্দন অনুভব করে মনের কথা জেনে নিয়েছে।

    রত্না শেষে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে, —আমার এই যৌবন তোমার। তোমায় যখন উৎসর্গ করতে পারলাম না, জীবনে তখন আর কেউ ভোগ করতে পারবে না। হারেমে যে মুহূর্তে তেমন কিছু ঘটবার সম্ভাবনা হবে, সে মুহূর্তে শুধু আমার দেহই পড়ে রইবে—প্রাণ থাকবে না।

    —না, না, রত্না। তা কেন হবে? হয়তো বাদশা তোমায় ছেড়ে দেবেন। হয়তো আবার তুমি দেশে ফিরে যেতে পারবে।

    —কিন্তু কেন যাব? কিসের আশায়? কার কাছে?

    বীরসিংহ অতিকষ্টে মিথ্যে কথা বলে,—আমি—আমি তোমার পথ চেয়ে থাকব।

    —এ শুধু আশার ছলনা। তুমি আমার প্রাণ বাঁচাতে চাও। কেন এত নিষ্ঠুর হচ্ছ। আমি কি জানি না ভাবছ যে, তোমার দেহ দিল্লির মাটিতে পড়ে রইবে? আমি কি জানি না, তুমি ততক্ষণ শত্রুসেনা ধ্বংস করবে, যতক্ষণ তাদের বল্লম, তলোয়ার কিংবা আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি তোমার বক্ষ না ভেদ করবে? আমি কি জানি না, তুমি উপায় থাকলেও, আমায় ছেড়ে কিছুতেই দিল্লি ত্যাগ করবে না?

    বীরসিংহ স্তম্ভিত হয়। সে ভেবে পায় না কীভাবে রত্নার কাছে তার মন এমন উদ্ঘাটিত হলো। কখন হলো? সে নিজে থেকে তো কিছুই বলেনি কখনও। হতাশ কণ্ঠে অস্ফুট স্বরে বলে,—তোমার কাছে আমি কিছুই লুকোতে পারি না রত্না।

    কী করে পারবে গো। তুমি যে আমার।

    বীরসিংহ জানে, এ বিষয়ে কোনোই সন্দেহ নেই যে সে একান্ত রত্নার। যদি সন্দেহ থাকে, তবে কিছুক্ষণ পরেই রাতের শেষ প্রহরে পুবের আকাশে রক্তিমাভা দেখা দেবে না। যদি সন্দেহ থাকে তবে দিল্লির মানুষ নিঃশ্বাস নেবার হাওয়ার অভাবে দম বন্ধ হয়ে মারা যাবে। যদি সন্দেহ থাকে, তবে যমুনার জল শুষ্ক হয়ে যাবে রাত না পোহাতেই। যদি সন্দেহ থাকে দেখা যাবে আগামীকাল লালকেল্লা গুঁড়িয়ে ধুলো হয়ে মাটির সঙ্গে মিশে গিয়েছে।

    —বীরসিংহ।

    রত্নার ডাকে সে সজাগ হয়। এ পর্যন্ত কখনও এভাবে নাম ধরে তাকে ডাকেনি সে।

    —তুমি তো এভাবে কখনও নাম ধরে আমায় ডাকো না রত্না।

    —ডাকি। মনে মনে শত সহস্রবার ডাকি। কিন্তু মুখ ফুটে ডাকতে বড় লজ্জা হয়। তোমার নাম আমার ইষ্টমন্ত্র। তবু আজ ডাকলাম। ডেকে মনটাকে ভরিয়ে নিলাম। তোমার সামনে ওভাবে ডেকে যে কী সুখ—নারী হয়ে জন্মালে বুঝতে। তবে নারী হতে তোমায় বলি না। তুমি পুরুষ-ই হও আবার। মাড়োয়ারের মাটিতে আবার তোমার জন্ম হোক। দেশের যেখানেই তুমি থাকো না কেন, পরজন্মে ঠিক তোমায় খুঁজে নেব। আমি সেদিন তোমায় দেখতে পেলে কৈশোরের সংকোচ নিয়ে দূরে সরে যাব না। যৌবনের অহংকার নিয়ে মুখ ফিরিয়ে নেবার ছলনা করব না। তোমাকে দেখতে পেয়েই আমি ছুটে যাব—আমি সমস্ত শরীর মন নিয়ে ছুটে গিয়ে তোমার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ব। আমায় তখন প্রত্যাখ্যান কোরো না বীরসিংহ

    —আমি সেই মুহূর্তের জন্যে অপেক্ষা করব রত্না। সেই মুহূর্তের জন্যে এই জীবনের বাকি প্রহরগুলি প্রার্থনা করব কায়মনোবাক্যে—সেই মুহূর্তের জন্যে পরজন্মে তপস্যা করব।

    পুবের আকাশ ফিকে হয়। দুর্গাদাসের কড়া নির্দেশ অন্ধকার থাকতে থাকতেই শিবিরে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। বীরসিংহ উঠে দাঁড়ায়। রত্না দুই বাহুদ্বারা তার কণ্ঠদেশ জড়িয়ে ধরে কেঁদে অস্ফুটস্বরে বলে ওঠে,–না, না, যেও না তুমি।

    স্তব্ধ বীরসিংহ কিছুই বলতে পারে না প্রথমে। শেষে অতি ধীরে অশ্রু সংবরণ করে বলে, —আর ক’টা দিনই বা।

    —জানি। তারপরে আবার আমাদের মিলন হবে। কিন্তু কত বছর-কত বছর অপেক্ষা করতে হবে।

    —হ্যাঁ। অনেক বছর। আমাদের মতন এমন অনেকেই অনেকের জন্যে অপেক্ষা করবে। তাদের আমি চিনি না, তুমিও চেনো না। কিন্তু তারাও রয়েছে। ওই যে শিবির-শ্রেণি দেখছ, ওর ভেতরে এবং বাইরেও কত যুবক রয়েছে যারা এই মুহূর্তে দেশের কুটিরের মিষ্টি স্বপ্ন দেখছে নিদ্রিত অবস্থায়। তাদেরও রত্না রয়েছে সেইসব কুটিরে। তবু তাদের মধ্যে অধিকাংশ‍ই বোধহয় ফিরতে পারবে না দেশে। ওইসব বীরসিংহের সঙ্গেও রত্নাদের আর দেখা হবে না। তোমার আর আমার ভাগ্য ওদের চেয়ে অনেক ভালো। তাই ওরা যখন শুধু স্বপ্ন দেখছে আমরা তখন জীবনের শেষক্ষণে উভয়ের উষ্ণ সান্নিধ্য অনুভব করছি। ওদের জন্যেও একটু চোখের জল ফেলো রত্না।

    বীরসিংহের কণ্ঠ ছেড়ে দেয় রত্না। কোমর থেকে একটা তীক্ষ্ণ অস্ত্র বের করে বলে,—দেখো তো এটা ঠিক আছে কিনা?

    বীরসিংহ সেটা হাতে নিয়ে সযত্নে পরীক্ষা করে বলে,—সুন্দর।

    সে রত্নাকে দেখিয়ে দেয় বুকের কোন জায়গাটায় বিঁধলে অবশ্যম্ভাবী ফল পাওয়া যায়—

    —চলি রত্না।

    —এসো বীর—

    রত্না লুটিয়ে পড়ে বীরসিংহের পায়ের কাছে। অনেকক্ষণ পরে মাথা তুলে দেখে তার বীর অন্তর্হিত হয়েছে।

    .

    বাদশাহ আওরঙ্গজেব দুর্গাদাসকে দরবারে ডেকে পাঠান একদিন। এই দিনটার জন্যে অনেক আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল দুর্গাদাস। সে তার বহু চিন্তিত জবাব পাঠায় লোক মারফত বাদশাহের কাছে। জবাবে বলা হয়,—মহারাজ যশোবন্ত সিংহের শিশুপুত্রকে মাড়োয়ারের অধীশ্বররূপে বাদশাহ অনুগ্রহপূর্বক ঘোষণা করলে, সে গর্বের সঙ্গে বাদশাহ সমীপে উপস্থিত হতে পারে।

    এ যে কতখানি ধৃষ্টতা দুর্গাদাস জানত। স্বয়ং বাদশাহের ইচ্ছাই যেখানে আদেশ সেখানে স্পষ্ট আদেশকে লঙ্ঘনের কোনো মার্জনা নেই, এ-কথা অতি নির্বোধ দেশবাসীরও অজানা নয়। তবু দুর্গাদাসকে ঝুঁকি নিতে হলো। কারণ দরবারে উপস্থিত হবার পর তাকে বন্দি করে কারাগারে নিক্ষেপ করলে শিশু-রাজাকে উদ্ধারের সব আশা বিসর্জন দিতে হতে পারে। তাকে বন্দি করার চেয়ে সম্মুখ সমর অনেক গুণে ভালো।

    আওরঙ্গজেব ক্রোধে কম্পিত হন। তাঁর গৌরবর্ণ মুখমণ্ডল আগুনের মতো দেখায়। ওই সুন্দর রং বড়ই প্রসিদ্ধ। বাদশাহ শাহজাহান যখন দিল্লির তখত্‌তাউসে তখন একজন ভবিষ্যদ্বক্তা বলেছিল,—তাঁর সব চাইতে গৌরবর্ণ পুত্রই তাঁর সর্বনাশের কারণ হবে।

    ভবিষ্যদ্বাণী বর্ণে বর্ণে ফলেছিল। কিন্তু দুর্গাদাসের সঙ্গে সেই ভবিষ্যদ্বাণীর কোনো সম্পর্ক নেই। তবু দুর্গাদাস কল্পনার চোখে একবার তার জবাবের প্রতিক্রিয়ায় বাদশাহের মুখখানা দেখে নিল।

    খবর এল বাদশাহের কাছ থেকে, —যশোবন্তের পুত্র শুধুমাত্র একটি শর্তে পিতৃসিংহাসন লাভ করতে পারেন। শর্তটি হলো, তাঁকে ইসলামধর্ম গ্রহণ করতে হবে।

    দুর্গাদাস এত বিপদের মধ্যেও একটু না হেসে পারে না। মহারাজের পাশে থেকে থেকে বাদশাহ চরিত্র সে-ও ভালোরকম জেনে ফেলেছে। এমনটি হতে পারে কত আগে থেকে সে ভেবে রেখেছে। মনে মনে বাদশাহ আকবর থেকে শুরু করে শাহজাহান পর্যন্ত সমস্ত মুঘল সম্রাটের কথা ভাবে। তাঁরা কত মহান ছিলেন—কত উদার। আওরঙ্গজেব এতবড় বীর ও তীক্ষ্ণধী হয়েও উদারতার অভাবে দেশটাকে ভেঙে দিতে বসেছেন।

    বাদশাহ বড়ই অবহেলাভরে প্রস্তাবটি ছুড়ে দিয়েছিলেন। তিনি জানতেন মুঘল রাজধানীর বুকে বসে মুষ্টিমেয় রাজপুতের পক্ষে সাহস হবে না তাঁর প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করার। তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন আওরঙ্গজেব মনুষ্যচরিত্র সবিশেষ চিনতেন। শুধু রাজপুতদের চিনতে তাঁর বারবার ভুল হয়েছে। সেই ভুল না হলে কত শান্তিতে তিনি আসমুদ্রহিমাচলের মালিক হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে পারতেন।

    দুর্গাদাস বিনীতভাবে সংবাদ পাঠাল যে, বাদশাহের প্রস্তাব তার পক্ষে মেনে নেওয়া দুঃসাধ্য। কারণ ধর্মকে অধিকাংশ রাজপুত যখের ধনের মতো আঁকড়ে রাখে। ধর্ম চলে গেলে জগৎ তাদের কাছে শূন্য হয়ে যায়। সুতরাং সহৃদয় বাদশাহ আর একবার বিবেচনা করুন এবং তাঁর আশ্রিত শিশুকে স্বদেশ-যাত্রার অনুমতি দান করুন।

    স্তম্ভিত আওরঙ্গজেব কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে রইলেন। তারপর তাঁর মুখে ফুটে উঠল ফিকে হাসি। সে হাসির পরিচয় দরবারের অনেকেই জানত। যারা যশোবন্তের পুত্রের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন সেই হাসি তাদের হৃৎকম্পের সৃষ্টি করল। আর যারা তার প্রতি বৈরী-ভাবাপন্ন তারা মনে মনে আনন্দিত হয়ে উঠল। বুঝল সর্বনাশ কিছু ঘটতে চলেছে। কিন্তু তেমন লোকের সংখ্যা দরবারে খুব কম। কারণ যশোবন্ত সিংহের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এদের অনেকেই যুদ্ধ করেছে—দেখেছে কতখানি বীরত্ব সাহসিকতা ও আনুগত্য দিয়ে তিনি এককালে লড়েছেন। কিন্তু মুখ ফুটে সহানুভূতি প্রকাশের উপায় নেই। বাদশাহের খড়্গহস্ত নেমে আসবে।

    বাদশাহ দুর্গাদাসের দূতকে শান্তকণ্ঠে বললেন,—ইসলামধর্ম গ্রহণ করতেই হবে যশোবন্ত সিংহের পুত্রকে এবং আমার প্রথম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার শাস্তি-স্বরূপ শিশুর মাকেও মুঘল প্রাসাদে এসে থাকতে হবে। এর অন্যথা যেন না হয়।

    বাদশাহের আমীর ওমরাহের মনে যা-ই থাকুক মুখে একবাক্যে বলে উঠল,—বাদশাহ মহানুভব। নইলে দাম্ভিক দুর্গাদাসের বেঁচে থাকবার কোনো অধিকার নেই।

    আওরঙ্গজেবের মুখে আবার হাসি ফুটল। এই হাসির জাত আলাদা। তিনি বুঝলেন আমীর ওমরাহরা মুখে যে কথাই উচ্চারিত করুক না কেন তাদের অধিকাংশ তাঁর এ জাতীয় কার্যকে মনে মনে চায় না। তারা বিরক্ত হয়। দারাশুকো তাদের মাথাগুলো খেয়ে রেখেছে।

    .

    দুর্গাদাসের বুদ্ধিমান দূত ছুটে গিয়ে আওরঙ্গজেবের চরম প্রস্তাব জানাল তাকে। সঙ্গে সঙ্গে দুর্গাদাস প্রধানদের ডেকে বলল,—প্রস্তুত হও। সবাইকে প্রস্তুত রাখো। আক্রমণ শুরু হবে।

    রানির প্রাসাদে প্রবেশ করে দুর্গাদাস বিন্দুমাত্র ইতস্তত না করে সোজা কাছে গিয়ে বলে,—আপনার যাত্রার সময় উপস্থিত।

    —এখনি?

    —হ্যাঁ মা। এই মুহূর্তেই। আপনি পুরুষের বেশ পরিধান করুন।

    —আমার পুত্র? অজিত?

    —তিনিও সঙ্গে যাবেন আপনার। মিষ্টির ঝুড়ি কিনে রেখেছি। সেটি বয়ে নিয়ে যাবে আমার বিশ্বস্ত দুজন কর্মচারী। আপনাদের পেছনে ছায়ার মতো অনুসরণ করবে পঞ্চাশজন যুদ্ধনিপুণ প্রবীণ যোদ্ধা। তাদের পেছনে যাবে দুশো জন যোদ্ধা। কখনও ভাববেন না আপনি নিঃসঙ্গ—অসহায়। আপনার সহায় মাড়োয়ারের প্রতিটি মানুষ। শিশুরাজা অজিত সিংহের জন্যে রক্ত দিতে শুধু মাড়োয়ার নয়—মেবারও প্রস্তুত।

    —আমি নিশ্চিন্ত দুর্গাদাস। এখনি প্রস্তুত হয়ে নিচ্ছি।

    দুর্গাদাস রানির কক্ষ থেকে বাইরে আসবার সময় পেছনে ডাক শোনে,—কাকাবাবু।

    —ও, রত্না। তোমায় তো নির্দেশ দেওয়াই আছে। কিন্তু এ কী বেশ? এত মলিন? না, না, রানির উপযুক্ত এ-বেশ মোটেই নয়। পালটে ফেলো। তোমার চোখে জল! ছিঃ রত্না। দেশকে ভুলে যেও না। বীরসিংহের চোখে নিশ্চয়ই জল নেই এখন। তুমি বীরসিংহের উপযুক্ত নারী। ওই যে দেখছ নীল আকাশ ওপরে—ওই আকাশও ছাড়িয়ে বহু যোজন দূরে রয়েছে একটি স্থান। সেখানে যায়, যারা দেশের জন্যে প্রাণ দেয়, যারা পাপবিদ্ধ নয়। ওখানে তোমার স্থান নির্দিষ্ট—বীরসিংহও সেখানে যাবে ভুলে যেও না! ওখানে দুঃখ নেই, দৈন্য নেই, হতাশা নেই, বিরহ নেই—চির-আনন্দের দেশ, ভুলে যেও না রত্না।

    —আমি চোখের জল মুছে ফেলেছি কাকাবাবু।

    —ঠিক করেছ মা। তবে ওরা তোমায় নিয়ে যাবার সময় কাঁদলে ক্ষতি নেই। সেটাই স্বাভাবিক হবে। দুর্বলতার অশ্রুকে প্রশয় দিও না রত্না।

    —আপনার আদেশ আমি মানব কাকাবাবু —শিশুটি ঠিক আছে?

    —হ্যাঁ। সে-ও রাজপুত

    —ঠিক। কিন্তু সে রাজার প্রাণ বাঁচাচ্ছে। তাই তার আত্মোৎসর্গ মহৎ।

    —ভবিষ্যতে সে রাজপুতদের পরম শত্রু হয়ে উঠতে পারে। কারণ সে কখনও নিজেকে রাজপুত বলে জানবে না। জানলে নতুন ধর্মের প্রতি তার আকর্ষণ বেশি হবে।

    —তোমার কথা সত্যি। তুমি বুদ্ধিমতী। তবে তখন মহারাজা অজিত সিংহও শিশু থাকবেন না।

    রত্না নীরব থাকে।

    —শিশুটির জন্যে তোমার সমবেদনা আমি অনুভব করছি রত্না। কিন্তু উপায় নেই।

    দুর্গাদাস দ্রুতপদে চলে যায়। অনেক কাজ বাকি পড়ে রয়েছে বাইরে। কীভাবে মুঘলদের ঠেকিয়ে রাখলে শিশু-রাজা রাজধানী থেকে দূরে নিরাপদ ব্যবধানে চলে যাবার সুযোগ পাবেন সবই সে চিন্তা করে রেখেছে। এবারে গিয়ে ছক কেটে বুঝিয়ে দিতে হবে সবাইকে।

    বাইরে সৈন্যদল কিছুক্ষণ পরেই দেখতে পেল মিষ্টান্নের ঝুড়ি নিয়ে তিনজন কর্মচারী রানির প্রাসাদ ছেড়ে বের হয়ে আসে। হয়তো রাজধানীর কোনো রাজপুত মহিলাকে পাঠানো হচ্ছে ভেবে তারা অন্য কাজে মন দিল। ধারণাও করতে পারল না তারা, তাদেরই ভেতর থেকে একজন দুজন করে পঞ্চাশজন বীর নানান অছিলায় ধীরে ধীরে বেরিয়ে গেল। তারা লক্ষ্য করল না সকাল থেকে পথের ধারে যে অন্ধ ভিক্ষুকটি বসেছিল, যে ভিস্তিওয়ালা বারবার জল এনে দিচ্ছিল, যে নাচনেওয়ালী নেচে সৈন্যদের মন ভোলাচ্ছিল, তাদের মৃতদেহ রানির প্রাসাদের একপাশে পুঁতে ফেলা হলো। বাদশাহের গুপ্তচর তারা।

    দুর্গাদাস সবই দেখল। ঠিক ঠিক কাজ হয়ে গেল। সে আলোচনায় রত। তাকে ঘিরে রাঠোর সেনাপতিগণ। এরা প্রত্যেকেই বিপক্ষের কাছে বিভীষিকা স্বরূপ। তবে অসংখ্য মুঘল সৈন্যের বিরুদ্ধে তাদের বীরত্ব এবং নিপুণতা কতটা স্থায়ী হবে, কে বলতে পারে!

    তখত্‌তাউসের সামনে দাঁড়িয়ে একা বাদশাহ আওরঙ্গজেব। একদৃষ্টে চেয়ে থাকেন ময়ূর সিংহাসনের দিকে। অপূর্ব! সত্যিই অপূর্ব।

    মৃত পিতার সমঝদারির সুখ্যাতি না করে উপায় নেই। কিন্তু বড় বাজে খরচ। তিনি হলে কখনোই এত বিপুল পরিমাণ অর্থ এ-ভাবে জলে ফেলতেন না। এর বদলে যদি ব্রহ্মদেশ দখল করার তোড়জোড় করা যেত তা-ও ছিল ভালো। এর পরিবর্তে রাজস্থানকে ভস্মীভূত করতে পারলেও লাভ হত।

    তখত্‌তাউস! সত্যিই কথাটার মধ্যে উন্মাদনা রয়েছে। অথচ কাউকে বুঝতে দিলে চলবে না। ওরা জানে আওরঙ্গজেব নিজের জন্যে কিছুই করে না। ওরা ঠিকই জানে। আওরঙ্গজেব বিলাসিতা পছন্দ করে না। কিন্তু ওরা কি জানে আওরঙ্গজেব ক্ষমতাকে কতটা ভালোবাসে?

    না জানে না। ওরা শুধু একটি জিনিসই সঠিকভাবে জানে যে বাদশাহ ইসলাম ধর্মকে মনেপ্রাণে ভালোবাসে। হ্যাঁ, এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। তাই নিঃসন্দেহে ওরা আওরঙ্গজেবের নাম দিয়েছে পীর-ই-দস্তগীর অর্থাৎ সেই পবিত্র মানব যিনি জগতের সমস্ত দুঃখদুর্দশার অবসান ঘটান।

    হ্যাঁ, তাই তিনি ঘটাবেন। কিন্তু এত বাধা বিপত্তি থাকলে সেই প্রার্থিত দিন সুদূর পরাহত। বিবেক বলে জিনিস কিছুটা ঠিকই আছে আওরঙ্গজেবের। না থাকলে দারাশুকোর কনিষ্ঠ পুত্রটিকে বাঁচিয়ে রাখলেন কেন? কেন তাঁর কন্যা জানি বেগমকে সস্নেহে মানুষ করেছিলেন?

    কিন্তু মানুষ আওরঙ্গজেব আর বাদশাহ আওরঙ্গজেব এক নয়। এক হতে পারে না।

    মনুষ্যত্ব যেখানে বাদশাহীকে ছাপিয়ে ওঠে সেখানে বাদশাহীর অপমৃত্যু ঘটে। সেই দোষে অতবড় শাহানশাহ শাহজাহানকে শেষ জীবনে বন্দি হয়ে থাকতে হলো এবং দারাশুকোকে মৃত্যুবরণ করতে হলো। মুরাদকে তাই গোয়ালিয়র কিল্লায় দিনের পর দিন আফিমের বিষে জর্জরিত হয়ে মৃত্যুর দিন গুণতে হলো। সুজার কথা থাক।

    হ্যাঁ, বাদশাহীগিরি করতে হলে, ওইসব ঠুনকো আবেগকে প্রশ্রয় দিলে চলে না। লোকে বলে আওরঙ্গজেব বড় নিষ্ঠুর! মুখে বলে না, মনে মনে বলে। মুখে বলতে ভয় পায়। মজা মন্দ নয়। তবু অট্টহাসি হাসা যায় না। মনে মনে উপভোগ করতে হয় মজাটুকু।

    ওমরাহদের মুখের দিকে চাইলেই বোঝা যায়, অতি সহজেই বোঝা যায়, ওরা সবসময় অন্তরে থর থর করে কাঁপে। সেটাই দরকার।

    হিন্দু বিদ্বেষ? বলুক ওরা। দেখাতেই হবে। নইলে রাজস্থান ঠান্ডা হবে না। ওদের জন্য বড় ভয়। ওরা সাংঘাতিক। হিন্দু বিদ্বেষের নামেই ওদের শায়েস্তা রাখতে হবে। ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে একটা ধুয়ো তুলতে হয়।

    তাই বলে কি হিন্দু রমণীর ক্রন্দন প্রাণস্পর্শ করে না? কোথায় তফাত হিন্দু-মুসলমানের ক্রন্দনে? কিন্তু স্বীকার করলেই মুশকিল। চেপে থাকতে হয়। চেপে থাকার মতো এই স্নায়ুর জোর রয়েছে বলেই আওরঙ্গজেব আজ আলমগীর হতে পেরেছে। নইলে দারাশুকোর মতো মরুপ্রান্তরে, গিরিপথে বিতাড়িত শৃগালের মতো এতদিনে ছুটে বেড়াতে হত।

    মানুষ হচ্ছে আওরঙ্গজেব, আর বাদশাহ হলো আলমগীর। আশমান-জমিন্ ফারাক! নইলে হিন্দুস্তান যে আওরঙ্গজেবের জন্মভূমি একথা তার চেয়ে দারাশুকোও বেশি জানত না। তাই মরতে হয়েছে তাকে। আর আওরঙ্গজেব আজ আলমগীর বলেই তখত্‌তাউসের পাশে দাঁড়িয়ে স্বপ্ন দেখতে পারছেন। অথচ তিনি জানেন তার নিজের ঔরসজাত জ্যেষ্ঠপুত্র মহম্মদ এই মুহূর্তে মুরাদের মতোই গোয়ালিয়রে বন্দিদশায় অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করছে। তাই বলে আলমগীর বিচলিত নন। আওরঙ্গজেব বিচলিত হলেও আলমগীর তাকে অস্বীকার করার হিম্মত রাখে।

    আওরঙ্গজেব একবার তখত্‌তাউস-এর চারদিকটা ঘুরে সামনে এসে দাঁড়িয়ে তির্যক দৃষ্টিতে সেদিকে চেয়ে মনে মনে বলেন,–তোমার রক্ততৃষার শেষ নেই আমি জানি। মানুষের লোভ, শোক, প্রেম, কামনা, হাসি কান্নার মতো তোমার তৃষ্ণারও পরিমাপ করা বৃথা। তুমি অনেক রক্তক্ষয়ের কারণ হয়েছ। আরও হবে। তুমি রক্তাক্ত। আবার তুমি অফুরন্ত শক্তির উৎস। আমি শেষেরটির জন্যে তোমাকে দখলে রাখতে চাই। তার জন্যে যদি প্রথমটি ঘটে তবে আমি নাচার। শক্তি আর রক্ত ভাই-ভাই। না, না, বাদশাহ-বেগম।

    আওরঙ্গজেব তখত্‌তাউসের ওপর বসেন। তিনি আপন মনে বলে চলেন,—তাই আমি যশোবন্ত সিংহের শেষ দেখতে চাই। আমি জানি, যে-শিশু জন্মগ্রহণ করেছে সে একটি স্ফুলিঙ্গ। একদিন এই স্ফুলিঙ্গই আগুন ছড়াবে। আমি চাই না—চাই না।

    আওরঙ্গজেব তততাউস ছেড়ে লাফিয়ে ওঠেন।

    —কৌন হ্যায়?

    নেক-দিল এসে কুর্নিশ করে দাঁড়ায়।

    —মীরজা সুলতান।

    নেক-দিল ছুটে চলে যায়।

    কালই দুর্গাদাসের আত্মগরিমাকে ধূলিসাৎ করতে হবে। বেশি সময় দেওয়া চলবে না। ওকে একবিন্দুও বিশ্বাস নেই। বিপজ্জনক মানুষ। সময় দিলে ও অঘটন ঘটাতে পারে। বাদশাহ আলমগীর মানুষ আওরঙ্গজেবের মতো শত্রুকে দিল্লিতে পেয়ে নিশ্চিন্তে বসে থাকতে পারে না। আওরঙ্গজেব তুমি বারবার আলমগীরের পথের কাঁটা হতে চেও না।

    মীরজা সুলতান অভিবাদন করে এসে দাঁড়ায়।

    —কালই।

    —জো হুকুম।

    —দরকার হলে কামান দাগবে। শিশুকে বন্দি করতে না পারলে সমস্ত বাড়িটা মাটিতে মিশিয়ে দেবে।

    —জো হুকুম।

    —দাঁড়াও। বলো তো কাল কখন?

    —সকালে।

    —বেওয়াকুক। সকাল নয়, সন্ধ্যায়।

    —জো হুকুম।

    —যাও। কাল রাত্রে খবর দেবে আমায়। দুর্গাদাস আর সেই ছেলেটাকে বন্দি অবস্থায় দেখতে চাই। কিংবা তাদের মৃতদেহ।

    —জো হুকুম জাঁহাপনা

    মীরজা সুলতান উত্তেজনায়, আবেগে, ভয়ে আর কৃতিত্ব দেখাবার সুযোগ লাভে থর থর করে কাঁপতে থাকে।

    —যাও। চিৎকার করে ওঠেন আওরঙ্গজেব।

    মীরজা সুলতান বাদশাহের দিকে মুখ রেখে কুর্নিশ করতে করতে পেছু হটতে থাকে। সে ভুলে যায় দেওয়ান-ই-খাসের প্রান্ত শেষ হয়ে গিয়েছে।

    সশব্দে নীচে পড়ে যায় সে।

    নেক-দিল দাঁত বের করে হাসতে থাকে।

    .

    আক্রমণ আসে সন্ধ্যার প্রাক্কালে। এই আক্রমণের ব্যাপারে বাদশাহ কোনোরকম হীনতা দেখাননি। তিনি দুর্গাদাসকে শেষবারের মতো—তলব করেছিলেন দুপুরের দিকে কিংবা শিশু ও মাকে প্রেরণ করতে বলেছিলেন। দুর্গাদাস প্রত্যাখ্যান করেছে। সুতরাং আক্রান্ত হওয়া ছাড়া গতি ছিল না। অসীম ক্ষমতার অধিকারী যে সম্রাট তিনি যত শান্তই হন না কেন তাঁরই রাজধানীর বুকে বসে তিন-তিনবার তাঁর আদেশ অমান্য করবে এমন ব্যক্তিকে কিছুতেই সহ্য করবেন না। এই বেয়াদপি সহ্য করেন যে সম্রাট, বুঝতে হবে তাঁর সাম্রাজ্যের পরমায়ু ফুরিয়ে এসেছে। সুতরাং আওরঙ্গজেবের আক্রমণ যুক্তিযুক্ত। দুর্গাদাস নিজেও মনে মনে সেকথা একশোবার স্বীকার করে। সাম্রাজ্য অটুট রাখতে হলে এইসব বেয়াদপি সহ্য করা যায় না। বাদশাহও করলেন না।

    যশোবন্তের পুত্র অজিত সিংহ ততক্ষণে রাজধানী থেকে বহুদূরে চলে গিয়েছেন। কারণ তাঁদের জন্য অশ্ব মজুত ছিল নানা জায়গায়। সেই অশ্বে মহারানি সৈন্যদের নিয়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছেন রাজপুতানার দিকে। কতদিনে মাড়োয়ার আসবে—কতদিনে সেখানকার মরুভূমি সেখানকার পর্বত কন্দর ওই ক্ষুদ্র রাজপুত্রকে আশ্রয় দেবে! মাড়োয়ারের রাজধানী মুঘলের করতলগত—সেখানকার সব কিছুই মুঘলদের তত্ত্বাবধানে। তবু মরুদেশের সীমানার ভেতরে একবার প্রবেশ করতে পারলে নিরাপত্তার অভাব নেই। কারণ রাঠোররা সেখানকার পথ-ঘাট, প্রতিটি গুপ্ত গহ্বরের খবর রাখে। মুঘলের সাধ্য নেই রাজপুত্রকে খুঁজে বার করবে।

    এদিকে মুঘল সৈন্য দিল্লিতে যশোবন্তের মহারানির প্রাসাদ-সংলগ্ন ক্ষুদ্র প্রান্তরে প্রবল বাধা পেয়ে মুহ্যমান। সংখ্যায় তারা অনেক ভারী। অবহেলা- ভরে এগিয়ে এসে প্রচণ্ড আক্রমণের সম্মুখীন হয়ে পশ্চাদপসরণ করতে বাধ্য হলো। দিল্লির বাদশাহ সে-সংবাদ শুনে ক্রুদ্ধ হলেন। মীরজা সুলতানকে সেই মুহূর্তে পদচ্যুত করলেন। আগের দিনের পতনের ফলে তার গায়ে ব্যথা হয়েছিল। এবারে সে মুর্ছা গেল। নতুন সেনানায়কের অধীনে আরও শক্তিশালী সৈন্যদল পাঠালেন বাদশাহ। বাদশাহের মনে খুশির জোয়ার বইল। বাইরে ক্রোধ প্রকাশ করলেও রাজপুতদের কার্যে মনে মনে তিনি আনন্দিত। কারণ সহজ জয়ে কোনোদিনই তাঁর সন্তুষ্টি নেই। রাজপুত-বীরত্বে তিনি প্রফুল্ল। খাঁচার ভেতরে আবদ্ধ হিংস্র ব্যাঘ্র যত বীরত্বই দেখাক না কেন—সেটা তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়। খাঁচার বাঘ আর বনের বাঘ এক নয়।

    দ্বিতীয় আক্রমণ সেই রাতে না হয়ে শুরু হয় পরদিন সকালে। প্রথমে ঠিক ছিল দুর্গাদাস এখানে যুদ্ধ করে অন্যান্য বীরদের সঙ্গে প্রাণ দেবে। কিন্তু মুঘলদের প্রথম আক্রমণ প্রতিহত করে সবাই বলল যে দুর্গাদাসের চলে যেতে হবে দেশে। তার মৃত্যু হলে মাড়োয়ারের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। শিশু অজিত কোনোদিনও আর সিংহাসনে বসবার সুযোগ পাবেন না। দলপতিরা সবাই মিলে দুর্গাদাসকে স্থানত্যাগ করবার জন্য চাপ দিতে শুরু করল।

    রাজি না হয়ে উপায় ছিল না। কারণ কথাটা যুক্তিসঙ্গত। সে নিজেও জানে, তার সাহায্য ব্যতীত মহারানির পক্ষে পুত্রকে মানুষ করে তোলা অসম্ভব। তাই সঙ্গী হিসাবে আরও একশো জনকে সে নির্বাচিত করল। লোকবল থাকা চাই রাজপুতের। নইলে অনেক বিপদ ঘটতে পারে।

    যুদ্ধের মোহ অসীম। তবু ছেড়ে যেতে হয় দুর্গাদাসকে। প্রতিজ্ঞা করে গেল, প্রতিশোধ সে নেবেই নেবে। যে সমস্ত বীর এখানে আত্মবিসর্জন দেবে, তাদের প্রতিজনের জন্য ফলভোগ করতে হবে বাদশাহকে।

    বীরসিংহকে দূরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে দুর্গাদাস তাকে কাছে ডেকে বলে,—তুমিও চলো।

    —না। অসম্ভব। আপনি তো জানেন।

    —জানি। তবু তোমায় অনুরোধ করছি।

    —আপনার আদেশ সবসময়ই আমার শিরোধার্য। তাতেই আমি অভ্যস্ত। তাই আজ আপনার কাছে আমার একান্ত প্রার্থনা এ-আদেশ করবেন না। শুধু শুধু কেন যন্ত্রণা দেবেন?

    দুর্গাদাস চলে যায়। যাবার সময় দেখতে পায় মুঘল সেনারা দ্বিতীয়বার এগিয়ে আসবার জন্যে প্রস্তুত হচ্ছে। এবারে তাদের সঙ্গে হাতিও রয়েছে। ছত্রভঙ্গ করে দেবে রাজপুতদের। কিন্তু ক্ষতি নেই। রাজপুত্র প্রতি মুহূর্তেই স্বদেশের নিকটবর্তী হচ্ছেন। চলতে চলতে দুর্গাদাস মনে মনে আওরঙ্গজেবকে সম্বোধন করে বলে,—আমরা তোমার সাম্রাজ্য অধিকার করতে চাইনি বাদশাহ। আমরা শুধু চেয়েছিলাম স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে অস্তিত্ব অটুট রাখতে। আত্মসম্মান আমাদের বড় প্রবল। তুমি তা-ও দিলে না। ভবিষ্যতে এর জন্য হয়তো তোমাকে আফশোস করতে হবে।

    দুর্গ নয়—ছোট্ট একটি অট্টালিকা। সেটা অধিকার করবার জন্যে এতবড় আয়োজন বাদশাহকে আর কখনো করতে হয়নি। আর সেই অট্টালিকা তাঁরই রাজধানী দিল্লি নগরীতে।

    বাদশাহের বিরুদ্ধ-দল মুখ টিপে হাসল। বুঝল, বাইরে প্রবল প্রতাপান্বিত হলেও, ভেতরে কোথাও ঘুণ ধরেছে—যে ঘুণ এত বড় সাম্রাজ্যের গোড়াকে অশক্ত করে তুলেছে দিনের পর দিন। একদিন অপ্রত্যাশিতভাবে সাম্রাজ্যের ভিত্তি টলে উঠবে—মুখ থুবড়ে মাটিতে পড়বে। মুঘল সাম্রাজ্যের এই পরিণতিতে মনে মনে বিষণ্ণ না হয়েও পারে না তারা। কারণ মুঘলরাই ভারতবর্ষকে বহু যুগ পরে পৃথিবীর কাছে গৌরবান্বিত করেছে।

    রাজপুতদের অসি ঝলসে উঠল প্রভাতের প্রথম সূর্যকিরণে। তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বিপক্ষের আগ্নেয়াস্ত্রের জবাবে গর্জে উঠল। তাদের বল্লম হাতি ঘায়েল করতে শুরু করল।

    যুদ্ধ চলল বহুক্ষণ ধরে। মুঘল সেনাপতির বুক কেঁপে ওঠে। সে দেশের জন্যে যুদ্ধ করছে না—করছে পদোন্নতির মোহে। অসম সাহসিক রাজপুতদের বীরত্ব দেখে তারও ভয় হয়, মীরজা সুলতানের মতো তার চাকরিটিও বুঝি যাবে। মরিয়া হয়ে এগিয়ে আসে সে। সৈন্যদের উৎসাহ দেয়—এগিয়ে যাও। চূর্ণ করো ওদের প্রতিরোধ শক্তি।

    সে দেখতে পায় না একটি তরুণ রাজপুত এসে দাঁড়িয়েছে তার কাছাকাছি। সর্বাঙ্গ দিয়ে তার রক্ত ঝরছে, ঘর্মাক্ত কলেবর—অনেক মুঘলকে হত্যা করে এতটা পথ আসতে পেরেছে। তরুণটি তার বর্শা তুলে সেনাপতির বুকে লক্ষ্য করে ছুড়ে দেয়। অব্যর্থ লক্ষ্য। মুঘল সেনাপতি লুটিয়ে পড়ে মাটিতে। পদোন্নতি তার হলো না এ-জীবনে।

    কিন্তু তরুণটিকে ঘিরে ধরেছে তখন দশ-বারোজন মুঘল সৈন্য। তাদের হাতে অসি। তরুণের তলোয়ার ঘুরে চলেছে সমানে। কিছুদিন আগে এদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিপক্ষের সঙ্গে যুদ্ধ করে এসেছে সে গিরিপথে। আজ এরা তার শত্রু। তাই এদের রক্তে তার তলোয়ার রঞ্জিত হয়ে উঠেছে। কিন্তু সে একা। তাকে উদ্ধার করবার জন্যে আশেপাশে একটি রাজপুতও নেই। সে জানে সেকথা, নিজেকে শত্রুমুক্ত করবার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই তার। বিপদ সম্বন্ধে সচেতন হয়েও তাই নির্বিকারযেন মৃত্যুকে বরণ করবার অতি-আগ্রহে একা এগিয়ে এসেছে শত্রুব্যূহের মধ্যে। ব্যূহ ভেদ করে কেউ এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাবে, মহাভারতের অভিমন্যুর মতো এ-আশা তার নেই। উদ্ধার লাভের আশা নেই দেখে সে অতিমাত্রায় উল্লসিত। তার বিক্রম অতিমানবীয় এক পর্যায়ে এসে পৌঁছায়। একটা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় মুঘল ব্যূহে। তাই দেখে বীরসিংহ হাসতে থাকে।

    বন্দুকের একটিমাত্র গুলির আওয়াজ। তরুণের তলোয়ার হাত থেকে খসে পড়ে। তার হৃদপিণ্ডের কাছের পোশাক লাল হয়ে ওঠে। একবার শুধু চোখ ফিরিয়ে দেখতে চেষ্টা করে মহারানির প্রাসাদ কতটা দূরে—পরমুহূর্তেই লুটিয়ে পড়ে মাটিতে। মুখ দিয়ে অস্ফুটস্বরে কী যেন বলতে থাকে।

    একে একে অধিকাংশ রাজপুত বীরের মৃত্যু হয়। বহুক্ষণ যুদ্ধের ফলে সমস্ত প্রতিরোধ শক্তি চূর্ণ হয়ে যায় রাঠোরদের। এবারে মুঘল সেনা এগিয়ে আসে প্রাসাদের দিকে। তাদের উল্লাসধ্বনিতে আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়। সেনাপতি তাদের হত হলেও বিন্দুমাত্র তাতে পরিতাপ নেই। বৃহৎ যুদ্ধে সেনাপতি হত হলে সৈন্যদলে ত্রাসের সঞ্চার হয়। এখানে তা হয়নি। কারণ এটি যুদ্ধক্ষেত্র নয়। তাছাড়া রাজপুতদের সৈন্যসংখ্যা কত—এ খবর তাদের অজানা ছিল না।

    তবু প্রাসাদের চারপাশটা দেখে তারা বিস্মিত না হয়ে পারল না। রাজপুত এবং মুঘল মিলিয়ে অসংখ্য হত এবং আহত সৈনিকে ক্ষুদ্র প্রান্তর পরিপূর্ণ! অসম যুদ্ধের এমন ফলাফল তারা জীবনে দেখেনি।

    মহারানির প্রাসাদ থেকে বের হয়ে এল একটি শিবিকা। সেই শিবিকায় যশোবন্তসিংহের বিধবা পত্নী এবং তার পুত্র। শিবিকাটিকে ঘিরে রেখেছে বিরাট মুঘল বাহিনী। বলা যায় না কিছুই। রাজপুতদের এতটুকু বিশ্বাস নেই। আকস্মিকভাবে হানা দিয়ে হয়তো মহারানিকে ছিনিয়ে নিয়ে চলে যাবে।

    শিবিকার পর্দার আড়াল থেকে দুটি অশ্রুভারাক্রান্ত নয়ন নিহত রাজপুত শবদেহ একটি একটি করে দেখবার জন্যে ব্যাকুল হয়ে ওঠে। অস্ফুট স্বরে শুধু বলে,—বীরসিংহ! আমার বীর! কোথায় তুমি? একবার শেষ দেখাও হবে না? ওরা কি তোমায় পদদলিত করে চলে যাচ্ছে? আমার শিবিকা কি তোমার দেহের ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে?

    শিশুটি কেঁদে ওঠে। এতক্ষণ নিদ্রিত ছিল। ঘুম ভেঙেছে তার।

    সেই সময় বারুদের প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হয় পশ্চাতে। সেই ভীষণ শব্দে বাদশাহের তখত্‌তাউসও কেঁপে ওঠে। মুঘল সৈন্যরা চমকিত হয়। কান বধির হয়ে যায় ক্ষণকালের জন্য। রত্না বুঝতে পারে রাজপুত বীরদের সতী সাধ্বী পত্নীরা আত্মাহুতি দিলেন। তাঁরাও চললেন স্বামীর সঙ্গে মিলিত হবার জন্যে। কাঠের প্রাচুর্য নেই দিল্লিতে। বয়ে আনাও নিরাপদ নয়। তাই দুর্গাদাসের নির্দেশে এই ব্যবস্থা হয়েছিল।

    রত্না যেতে পারল না ওদের সঙ্গে। তার ভাগ্য শিশু-রাজের মায়ের মতো। কর্তব্য পালনের জন্যে বেঁচে থাকতে হবে। বেঁচে থাকতে হবে শত্রুপুরীতে অনেক বিপদের হাতছানির মধ্যে। কোমরের ক্ষুরধার অস্ত্রটি একবার দেখে নেয় সে। ঠিক আছে। বীরসিংহ শিখিয়ে দিয়েছে বুকের কোথায় বিঁধলে সে এই জীবনের মতো নিশ্চিন্ত হবে।

    চলি বীরসিংহ। কর্তব্য যতদিন জীবিত রাখবে ঠিক ততদিনই এই হৃদপিণ্ডের কম্পন থাকবে। যেই মুহূর্তে কর্তব্য শেষ হবে, তোমার কাছে চলে যাব। আমার জন্যে অপেক্ষা কোরো। যদি মাড়োয়ারের ভূমিতে জন্মাও আমার আগে, তোমার রত্নার জন্যে চোখ মেলে থেকো। আমাকে চিনে নিও।

    শিশুটি আবার ঘুমিয়ে পড়ে।

    শকট এগিয়ে চলে।

    শকটবাহীদের চরণ রক্ত-পিচ্ছিল হয়ে ওঠে।

    বীর মুঘলসেনারা এগিয়ে চলে জয়ের গান গাইতে গাইতে।

    তারা সাধারণ নাগরিক। তারা রাজনীতি বোঝে না। তারা জানে, যুদ্ধ জয় করেছে তারা। বাদশাহ খুশি হবেন।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকলকাতা নুয়া – রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    Next Article কৰ্ণ – হরিশংকর জলদাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }