Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প146 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রিমঝিম – ৩

    ১৯ শ্রাবণ।

    ঠিক নটার সময় গাড়ি এল। রাত্তিরের খাওয়া সেরে নার্সের সাজপোশাক পরে তৈরি ছিলুম, গাড়িতে উঠে বসলুম।

    গাড়ি যখন শঙ্খনাথবাবুর বাড়ির সামনে গিয়ে দাঁড়াল তখন দেখলুম, তাঁর স্ত্রী সলিলা সেজেগুজে বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে; বোধহয় গাড়ির জন্যে অপেক্ষা করছে। আজ সাজপোশাক একেবারে অন্যরকম, আগাগোড়া সাদা। সাদা সিল্কের শাড়ি ব্লাউজ, গলায় মুক্তোর কণ্ঠী, পায়ে সাদা হাই-হিল জুতো; হাতে চুড়িবালা নেই, কেবল আঙুলে একটি মুনস্টোনের আংটি, চুলে এক থোলো শ্বেতকরবী। সব মিলিয়ে যেন একটি ফুটন্ত রজনীগন্ধার ছড়। আমি গাড়ি থেকে নামতেই সে আমার পানে একটু মিষ্টি হাসির সুগন্ধ বিলিয়ে গাড়িতে উঠল। গাড়ি পাক খেয়ে বেরিয়ে গেল। আজও নাচের পার্টি নাকি?

    শিউসেবক বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল, হাসিমুখে বলল, আসুন মিস্। পিউরানী আজ ভাল আছে, দুপুরবেলা খেলা করেছে।

    শিউসেবকের সঙ্গে ওপরে চললুম। সে পরিষ্কার করে বাংলা বলে। কলাবতী কিন্তু বাংলা বলতে পারে না।

    পিউয়ের ঘরে ঢুকে থমকে দাঁড়িয়ে পড়লুম। ঘরের মাঝখানে দুর্বাসা মুনির ভঙ্গিতে বুকে হাত বেঁধে শঙ্খনাথবাবু দাঁড়িয়ে আছেন, চোখ দিয়ে আগুনের ফুলকি বেরুচ্ছে। আমাকে দেখেই তিনি ফেটে পড়লেন,—আমার বউ আজও পার্টিতে গেছে, বুঝেছ? কর্নেল হড়বড় সিংয়ের বাড়িতে পার্টি। খাঁটি পাঞ্জাবী কর্নেল, তার ছেলের নাম লেফটেনেন্ট লটপট সিং। এই লটপট সিংয়ের সঙ্গে আমার বউয়ের ভারি ভাব। ভারি স্মার্ট ছোকরা লট্‌পট্ সিং, এক টানে এক বোতল হুইস্কি সাবাড় করে দিতে পারে। আরও অনেক গুণ আছে। বুঝলে? কলকাতার যত উচ্চশ্রেণীর যুবক-যুবতী আছে, সব আজ সেখানে গিয়ে জুটেছে। আমার বউ সেখানে না গিয়ে থাকতে পারে।

    আমার মনটা বিরক্ত হয়ে উঠল। বললুম, আপনার যখন ইচ্ছে নয় তখন স্ত্রীকে পাঠালেন কেন?

    তিনি চোখ কপালে তুলে বললেন, আমি পাঠিয়েছি! তুমি কী বলছ প্রিয়দম্বা! সভ্যসমাজের প্রগতিশীলা মহিলাদের তুমি চেন না। স্বাধীন ভারতের স্বাধীন জেনানা ওরা, ওরা কি স্বামীর অনুমতির তোয়াক্কা রাখে! ওরা নিজের ইচ্ছেয় চলে, নিজের খুশিতে নাচে, নিজের গরজে মিষ্টি কথা বলে। মিষ্টি কথায় কাজ না হয় স্পষ্ট কথা আছে। কে কার কড়ি ধারে!

    ব্যাপার বুঝতে দেরি হল না। স্বামীর নিষেধ উপেক্ষা করে সলিলা পার্টিতে গিয়েছে। কিন্তু শঙ্খনাথবাবুর কথায় সায়-উত্তর দিলে কথা বেড়েই যাবে, তাঁর রাগও বাড়বে। আমি আর কোনও কথা না বলে পিউয়ের খাটের পাশে গিয়ে দাঁড়ালুম।

    পিউ জেগে আছে, কিন্তু চুপটি করে শুয়ে আছে। আমাকে দেখে কিছুক্ষণ চেয়ে রইল; চোখ দুটি হাসিতে ভরে উঠল। তারপর সে আমার দিকে দুহাত বাড়িয়ে দিল।

    আমার বুকের মধ্যে যেন সব ওলটপালট হয়ে গেল। আমি তাকে তুলে নিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরলুম। ফুলের মত হাল্কা মেয়েটা, আমার কাঁধে মাথা রেখে চুপটি করে রইল।

    শঙ্খনাথবাবু কাছে এসে দাঁড়ালেন। তাঁর মুখের চেহারা বদলে গেছে। বিগলিত স্বরে বললেন, পিউ একেবারে সেরে গেছে–না?

    বললুম, হ্যাঁ।

    আর কোনও ভয় নেই?

    না।

    তিনি একটি নিশ্বাস ফেলে বললেন, তুমি এসেছিলে তাই পিউ এত শিগগির সেরে উঠল। তুমি ভারি পরমন্ত প্রিয়দম্বা।

    আমি পিউকে নিয়ে কিছুক্ষণ পায়চারি করলুম। মনে হল সে ঘুমিয়ে পড়েছে। আস্তে আস্তে ডাকলুম, পিউ!

    পিউ ঘুমোয়নি, পাখির মত সরু গলায় বলল, উ।

    আমি তাকে আবার বিছানায় শুইয়ে দিলুম। সে আবার একটু হাসল। হাসিটি একেবারে মায়ের হাসি বসানো। আমি তার খাটের পাশে বসে বললুম, পিউ, তোমার খিদে পেয়েছে?

    পিউ ঘাড় নেড়ে বলল, হুঁ!

    তাহলে তোমার জন্যে দুধ তৈরি করে আনি? বোতলে দুধ খাবে তো?

    পিউয়ের চোখ আমার মুখ থেকে নেমে দোরের কাছে গিয়ে স্থির হল। আমি ঘাড় ফিরিয়ে দেখলুম কলাবতীর দোরের পাশে দাঁড়িয়ে দাঁত বার করে হাসছে।

    বুঝতে বাকী রইল না পিউ কী খেতে চায়। তবু বললুম, বোতলে দুধ খাবে না? খুব মিষ্টি দুধ, আমি তৈরি করে দেব—অ্যাাঁ?

    পিউয়ের চোখ কিন্তু কলাবতীর ওপর থেকে নড়ল না। তার ঠোঁট দুটি একটু একটু ফুলতে লাগল, তারপর সে পরিষ্কার মিহি গলায় বলল, দুধ খাব না, কলা খাব।

    আমি চোখ তুলে শঙ্খনাথবাবুর পানে চাইলুম, তিনি হা-হা করে হেসে বললেন, কলা খাব মানে। বুঝলে না? বোতলে দুধ খাবে না, কলাবতীর দুধ খাবে।

    তখন আর উপায় কী! আমি উঠে গিয়ে চেয়ারে বসলুম, কলাবতী এসে পিউকে খাওয়াতে লাগল। শঙ্খনাথবাবু একটা চেয়ার টেনে আমার কাছে বসলেন, বললেন, তোমার ইচ্ছে নয় পিউ কলাবতীর দুধ খায়—কেমন?

    আমি বললুম, দশ মাস বয়সের পর আর দরকার হয় না। ছাড়িয়ে দেওয়াই তো ভাল।

    তিনি বললেন, তুমি যখন বলছ তখন নিশ্চয় ঠিক কথা। চেষ্টা করব। কিন্তু পিউ বড় কান্নাকাটি করবে।

    বললাম, এখন থাক। একেবারে সেরে উঠুক।

    তিনি বললেন, সেই ভাল। তুমি খাওয়া-দাওয়া করে এসেছ তো? যদি না খেয়ে এসে থাক—

    আমি খেয়ে এসেছি।

    তিনি উসখুস করলেন; মনে হল তিনি যেন আমাকে কোনও প্রশ্ন করতে চান। হঠাৎ বললেন, কী দিয়ে ভাত খেলে?

    সভ্যসমাজে এ প্রশ্ন চলে না। কিন্তু আমার রাগ হল না, বরং হাসি এল। বললুম, মুগের ডাল, কুচো চিংড়ির চচ্চড়ি, ইলিশ মাছের ঝোল আর ডিম ভাতে।

    শঙ্খনাথবাবু হেসে উঠলেন। প্রাণখোলা সরল হাসি, তাতে বড়মানুষির অবজ্ঞা নেই। তারপর হাসি থামিয়ে গম্ভীরভাবে খানিকক্ষণ চুপ করে বইলেন। শেষে একটু করুণ সুরে বললেন, আমিও আগে ওই খেতাম। কিন্তু এখন আর ও হবার জো নেই। আজকাল বাবুর্চির রান্না খেতে হয়। হরদম কালিয়া পোলাও, মটন মুরগি, একেবারে মোগলাই ব্যাপার।

    নিশ্বাস ফেলে তিনি উঠে দাঁড়ালেন, বললেন, আমি খেতে যাচ্ছি। তুমি আসবে না? একটা কাটলেট? একটু পুডিং?

    না।

    তিনি চলে গেলেন।

    পিউ কলাবতীর কোলে ঘুমিয়ে পড়েছিল, সে তাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। আমি খাটের পাশে চেয়ার টেনে বসলুম, কলাবতীকে বললুম, তোমাকে আজ আর দরকার নেই, তুমি যাও। সে ঘাড় নেড়ে চলে গেল।

    রাত্রিটা একরকম ঠাণ্ডাভাবেই কাটল।

    খাওয়া শেষ করে শঙ্খনাথবাবু ঘরে এলেন, প্রকাণ্ড একটা হাই তুললেন। আমি বললুম, আপনি আবার এ ঘরে কেন? যান, শুয়ে পড়ুন গিয়ে।

    তিনি বললেন, আমাকে দরকার হবে না?

    না।

    আচ্ছা। যদি কিছু দরকার হয় এই বোতাম টিপো, তা হলেই শিউসেবক আসবে। বলে দোরের পাশে বোম দেখালেন।

    শিউসেবক বাড়িতেই থাকে?

    হ্যাঁ। নীচের তলায় পিছন দিকের চাকরদের থাকবার জায়গা। শিউসেবক, কলাবতী, বাবুর্চি, আরও দুটো চাকর, সবাই সেখানে থাকে। আমি যাই, ঘুমে চোখ ভরে আসছে।

    তিনি খাটের ওপর ঝুঁকে পিউয়ের মুখখানি একবার দেখলেন, তারপর আর-একটা হাই তুলে চলে গেলেন।

    ঘণ্টাদেড়েক আর কোনও সাড়াশব্দ নেই। পিউ নিঃশব্দে নিশ্বাস ফেলছে। কী অদ্ভুত সুন্দর মেয়েটা, হঠাৎ যেন বিশ্বাস হয় না…আমাকে তো চেনে না, অথচ কেমন স্বচ্ছন্দে আমার কোলে এল। যেন কতকালের চেনা। ওকে কোলে নিয়ে আমারও মনে হল যেন ও একান্তই আপনার; বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠল। কত বাচ্চাকেই তো নার্স করেছি, কিন্তু এমন কখনও মনে হয়নি। জাদু জানে মেয়েটা।

    কিন্তু ওর মা এমন ধিঙ্গী কেন? ঘরে মন বসে না! এমন যার বাড়ি-ঘর, এমন যার মেয়ে, তার ঘরে মন বসে না!…পিউও কি বড় হয়ে মায়ের মত ধিঙ্গী হবে? আশ্চর্য কী, যা দেখবে তাই তো শিখবে। কী জানি বাপু, ভাবতেও খারাপ লাগে।…

    দরজার বাইরে খুব মৃদু আওয়াজ পেয়ে সেইদিকে চোখ ফেরালুম। পিউয়ের মা চোরের মত পা টিপে টিপে দোরের সামনে দিয়ে চলে গেল। মেয়ের ঘরে এল না, ঘরের দিকে একবার তাকাল না। ঘড়িতে দেখলুম পৌনে বারোটা। যাক, আজ তবু সকাল সকাল পার্টি থেকে ফিরেছে।

    শঙ্খনাথবাবু নিশ্চয় ঘুমিয়েছেন, কারণ গণ্ডগোল চেঁচামেচি কিছু হল না। অনেকক্ষণ কান পেতে রইলুম, কিছু শুনতে পেলুম না।

    বসে আছি, কিছু দরকার নেই। একখানা বই আনলে ভাল হত, তবু খানিকটা সময় কাটত। শঙ্খনাথবাবুর বাড়িতে বোধ হয় বইয়ের পাট নেই! কে পড়বে? শঙ্খনাথবাবু সম্ভবত খবরের কাগজ ছাড়া আর-কিছু পড়েন না। আর সলিলা—সে বই পড়ে সময় নষ্ট করবে? এ ধরনের মেয়েরা বই পড়ে না।

    রাত্রে আমার আর কোনও কাজ নেই। পিউয়ের যদি ঘুম ভাঙে, সে যদি খেতে চায়, তাকে দুধ তৈরি করে খেতে দেব। পাশের ঘরে সব ব্যবস্থা আছে। একবার গিয়ে দেখে এলে হয়, সব ঠিক আছে কি না! যদি না থাকে শিউসেবককে ডাকতে হবে বোতাম টিপে।

    পিউ নিঃসাড়ে ঘুমুচ্ছে। পা টিপে টিপে উঠে গেলুম। পাশের ঘরটা বোধ হয় আসলে গেস্টরুম, এখন সেখানে পিউয়ের খাবার সরঞ্জাম রাখা হয়েছে। টিনের দুধ, গ্লুকোজের কৌটো, দুধ খাওয়ানোর বোতল, ইলেকট্রিক স্টোভ—সবই মজুত আছে। শিউসেবককে ডাকবার দরকার হবে না।

    |||||||||| ফিরে এসে বসলুম। পিউয়ের গায়ে আস্তে আস্তে হাত রাখলুম। মেয়েটা যেন মাখনের দলা; ইচ্ছে করে দুহাতে চাই, তারপর বুকে চেপে ধরে চুমু খাই।…কিন্তু রুগীর প্রতি নার্সের এরকম। মনোভাব ভাল নয়। নার্স প্রিয়ংবদা ভৌমিক, পরের সোনা কানে দিও না!

    তুমি ভারি পয়মন্ত শঙ্খনাথবাবু আমাকে বলেছিলেন। কথাটা ঘুরে-ফিরে মনে আসছে। পয়মন্ত! কী জানি। অবশ্য আজ পর্যন্ত আমার হাতে একটিও রোগীর মৃত্যু হয়নি। তাকেই কি পয়মন্ত বলে? শঙ্খনাথবাবু যতই অসভ্য আর অশিক্ষিত হোন, তাঁর মন ভাল। সরল সহজ মানুষ। মেয়েকে কী ভালই বাসেন! স্ত্রীকেও হয়তো ভালবাসেন

    রাত্রি সাড়ে তিনটে। শঙ্খনাথবাবু দু পেয়ালা চা হাতে নিয়ে ঘরে ঢুকলেন।

    বললুম, আপনার ঘুম হয়ে গেল?

    তিনি পাশে এসে দাঁড়ালেন,—খুব ঘুমিয়েছি। আমার পাঁচ-ছ ঘণ্টার বেশী ঘুম দরকার হয় না।

    আমি উঠে তাঁর হাত থেকে চা নিলুম। পিউয়ের কাছ থেকে একটু দূরে সরে গিয়ে চায়ের পেয়ালায় চুমুক দিলুম। নিচু গলায় কথা হতে লাগল।

    তিনি বললেন, চা কেমন হয়েছে?

    বললুম, ভাল। সঙ্গে কিছু খাবে?

    দুটো বিস্কুট?

    না।

    পিউ রাত্তিরে জেগেছিল?

    না।

    একবার নড়েওনি।

    আর বোধ হয় ভয়ের কিছু নেই।

    না।

    আজ থেকে আবার আমাকে কাজে বেরুতে হবে। সাত দিন কাজের কথা ভাবতে পারিনি।

    ভাবলুম তিনি যদি আমাকে কি দিয়ে ভাল খেলে জিগ্যেস করতে পারেন, আমিই বা জিগ্যেস করব না কেন—কী কাজ করেন?

    জিগ্যেস করলুম। তিনি অশিষ্ট প্রশ্ন লক্ষ্যই করলেন না, বললেন, ঠিকেদারি। ইট আর কাঠের ব্যবসা।

    আশ্চর্য হয়ে গেলুম। ইট আর কাঠের ব্যবসায় কত টাকা রোজগার করেন শঙ্খনাথবাবু।

    তিনি বললেন, আজ থেকে বেরুতেই হবে। নিজের কাজ নিজে না দেখলে পাঁচ ভূতে লুটেপুটে খায়।

    আমি বললুম, আজ থেকে আমাকেও দরকার হবে না।

    তিনি চোখ বিস্ফারিত করে আমার পানে চেয়ে রইলেন,—দরকার হবে না। তুমি না এলে রাত্তিরে পিউকে দেখবে কে?

    বললুম, যে এতদিন দেখেছে সে দেখবে। কলাবতী দেখবে। পিউ তো এখন সেরে গেছে।

    সেরে গেলেও কলাবতীর হাতে ছেড়ে দিতে ভরসা হয় না।

    তাহলে আপনি মেয়ের জন্যে গভর্নেস্ রাখুন।

    গভর্নেস্। না প্রিয়দম্বা, ওসব সাহেবী কাণ্ডকারখানা আর নয়, এমনিতেই সাহেবিয়ানার ঠেলায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। আমি একজন ভালগোছের ঝিয়ের তল্লাশ করছি। যতদিন না পাই, তুমি এসো। লক্ষ্মীটি। তুমি না এলে রত্তিরে আমি ঘুমুতে পারব না। শেষের দিকে তাঁর গলার স্বর বড় করুণ শোনাল। যে-পুরুষ স্ত্রীর ওপর নির্ভর করতে পারে না তার অবস্থা সত্যিই শোচনীয়।

    একটু হেসে বললুম, মিছিমিছি পঞ্চাশ টাকা রোজ খরচ করবেন?

    তিনি অবহেলাভরে বললেন, করলেমই বা। আমি বছরে সওয়া লাখ দেড় লাখ টাকা রোজগার করি। ও আমার গায়ে লাগে না।

    সওয়া লাখ—দেড় লাখ। ইটকাঠের ব্যবসায়। আতি হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইলুম। তিনি আমার হাত থেকে খালি পেয়ালা নিয়ে সাগ্রহে বললেন, তাহলে রাজী? যতদিন ভাল ঝি না পাই ততদিন আসবে?

    আসব।

    শঙ্খনাথবাবু আহ্লাদে আটখানা হয়ে পেয়ালা রাখতে চলে গেলেন। আমি আবার গিয়ে বসলুম। এই মেয়েটাকেই আমার ভয়। জাদু জানে ও, আমাকে মোহের জালে জড়িয়ে ফেলবার চেষ্টা করছে।

    ছোট ছেলেমেয়ে কার না ভাল লাগে? বিশেষত যদি পিউয়ের মত সুন্দর হয়। কিন্তু এ তা নয়। পিউকে দেখে অবধি আমার মনের মধ্যে কী একটা ঘটতে আরম্ভ করেছে। …পঁচিশ বছর বয়সে এ সব কেন? যা হবার নয় তার জন্যে লোভ কেন? প্রিয়ংবদা ভৌমিক, সাবধান। পরের সোনা দিও না কানে—

    বেলা আটটার সময় ডাক্তার এলেন। পিউকে পরীক্ষা করে বললেন, আর ওষুধ খাওয়াবার দরকার নেই। যে শিশিটা চলছে সেটা শেষ হলেই বন্ধ করে দেবেন। কাল থেকে আমারও আর আসবার দরকার নেই।

    শঙ্খনাথবাবু বাইরে যাবার জন্যে তৈরি হয়েছিলেন, বললেন, ধন্যবাদ ডাক্তার। প্রিয়ম্বাকে আমি আরও কয়েকদিন আসতে বলেছি।

    ডাক্তার মুচকি হেসে আমার পানে তাকালেন,—বেশ তো। তাঁর হাসির আড়ালে একটা গোপন প্রশ্ন রয়েছে মনে হল।

    শঙ্খনাথবাবু বললেন, তাহলে চল প্রিয়দম্বা, তোমাকে নামিয়ে দিয়ে আমি কাজে চলে যাব।

    ডাক্তার বললেন, আচ্ছা, আমি তাহলে চলি।

    ডাক্তার মুচকি হেসে চলে গেলেন। আমি পিউয়ের বিছানার পাশে গিয়ে দাঁড়ালুম। পিউ জেগে আছে; আমার পানে কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে দুহাত বাড়িয়ে দিল। আমি তাকে কোলে তুলে নিলুম।

    সে একটু আদুরে আদুরে ঠোঁট ফুলিয়ে বলল, কলা খাব। যেন আমার অনুমতি চাইছে।

    আমি হেসে উঠলুম, কলা খাবে তো আমার কাছে এসেছ কেন? যাও কলার কাছে।

    কলাবতী কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল, সে হাত বাড়াল। পিউ কিন্তু তখনই তার কাছে গেল না; আমার গালে ঠোঁট ঠেকিয়ে চুক করে একটু শব্দ করল। বোধ হয় অনুমতির জন্যে কৃতজ্ঞতা জানাল।

    শম্বনাথবাবু হা-হা করে হেসে উঠলেন। আমার চোখে কিন্তু জল এল। আমি আর গালে তাড়াতাড়ি একটু চুমু খেয়ে তাকে কলাবতীর কোলে দিলুম। শঙ্খনাথবাবু তখনও হেসেই চলেছেন।

    এতে হাসির কী আছে এত? একটু বিরক্ত হয়েই বললুম, চলুন এবার।

    চল।

    মোটরে আসতে ওঁর সঙ্গে ঝগড়া হয়ে গেল।

    আমরা দুজনেই মোটরের পিছনের সীটে বসেছিলুম; তিনি এক কোণে, আমি অন্য কোণে। তিনি আমাকে কিছুক্ষণ লক্ষ্য করে একটু অনুনয়ের সুরে বললেন, প্রিয়দম্বা, তুমি রাগ করেছ?

    আমি রাস্তার দিকে মুখ ফিরিয়ে চুপ করে রইলুম। রাগ অবশ্য আমি করিনি, কার ওপরেই বা রাগ করব? কিন্তু মনটা কেমন যেন অপ্রসন্ন হয়ে উঠেছিল। ডাক্তারের সামনে আমাকে প্রিয়দম্বা  বলে না ডাকলেই কি চলত না? তারপর, পিউ যদি আমাকে চুমু খেয়েই থাকে তাতে হাসির কী আছে! কী রকম যেন সব!

    শঙ্খনাথবাবু আবার বলবেন, তুমি রাগ করো না প্রিয়দম্বা। পিউয়ের ওই স্বভাব, যাকে ওর ভাল লাগে তাকেই চুমু খায়।

    কী উল্টো-বোঝা মানুষ। আমি যেন ওই জন্যেই রাগ করেছি। বললাম, পিউ একরত্তি মেয়ে, ও যাই করুক দোষ হয় না। কিন্তু আপনি তো ছেলেমানুষ নন, আপনি অমন করেন কেন?

    তাঁর চোয়াল ঝুলে পড়ল,—আমি কী করেছি?

    এইবার সত্যিসত্যি আমার মাথায় রাগ চড়ে গেল। বললুম, আপনি আমায় প্রিয়দম্বা বলেন কেন? মিস ভৌমিক বলতে পারেন না?

    তিনি হেসে উঠলেন, এই জন্যে রাগ? কিন্তু মিস্ ভৌমিক বলব কেন? ওসব বিলিতি ঢঙ আমার ভাল লাগে না। তাছাড়া মিস্ ভৌমিক বললেই মনে হয় পঞ্চাশ বছরের বুড়ি। তুমি ছেলেমানুষ, তোমাকে নাম ধরে ডাকাই তো ভাল।

    রাগ আরও বেড়ে গেল, বললুম, আমি মোটেই ছেলেমানুষ নই, পঁচিশ বছর বয়স হয়েছে। আপনি আমার চেয়ে বয়সে বড় হতে পারেন, কিন্তু আমাকে তুমি বলে ডাকবার অধিকার আপনার নেই।

    তিনি যেন হতবুদ্ধি হয়ে গেলেন, বললেন, তবে কী বলে ডাকব?

    আপনি বললেন। আমি আপনাকে আপনি বলি, আপনি আমাকে তুমি বলবেন কেন?

    কিন্তু কিন্তু কমবয়সী মেয়েকে আপনি বলব কী করে? ভদ্রসমাজে বলে শুনেছি; ঘাট বছরের বুড়ো আঠারো বছরের মেয়েকে আপনি বলে। কিন্তু আমার যে অভ্যেস নেই।

    তবে অভ্যেস করুন। ভদ্রসমাজে থাকতে গেলে ভদ্র ব্যবহার অভ্যেস করতে হয়।

    তিনি কিছুক্ষণ ঘাড় গুজে চুপ করে রইলেন, ভাবলুম খোঁচা খেয়ে আহত হয়েছেন। তারপরই তিনি মুখ তুলে বললেন, আচ্ছা, এক কাজ কর না। আমি তোমাকে তুমি বলি, তুমিও আমাকে তুমি বল। তাহলে তো আর কোনও গোল থাকবে না। কেমন, বলবে?

    তখনও আমার রাগ পড়েনি, বললুম, বলবই তো।

    তিনি খুশি হয়ে বললেন, বেশ বেশ। লোকে শুনলে মনে করবে আমি তোমার পিসে-মেসো গোছের আত্মীয়। কেউ কিছু মনে করবে না।

    গাড়ি এসে আমার বাসার সামনে থামল। আমি নামবার উপক্রম করছি, তিনি আমার হাতে পঞ্চাশ টাকার নোট দিয়ে বললেন, ঠিক নটার সময় গাড়ি আসবে। তৈরি থেকো।

    আমি নেমে পড়লুম। তিনি গলা বাড়িয়ে বাসাটা এক নজরে দেখে নিলেন। তারপর গাড়ি চলে গেল।

    সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠতে উঠতে আমার আর রাগ রইল না, মনটা হঠাৎ যেন হেসে লুটিয়ে পড়ল। কী ছেলেমানুষিই করলুম।

    শুক্লা বোধ হয় ওপরের বারান্দা থেকে গাড়ি আসতে দেখেছিল, সিঁড়ির দরজা খুলে দিল। তার মুখ দেখে থমকে গেলুম। মুখ শুকনো, চোখ ছলছল করছে। মুখে হাসি টেনে এনে বলল, এত দেরি হল যে? সকালবেলা কিছু খেয়েছিস?

    বললুম, খেয়েছি। জামাইবাবু এসেছিলেন?

    সে ঘাড় নেড়ে বলল, হ্যাঁ। আয়, চা তৈরি করে তোর পথ চেয়ে আছি।

    দুজনে বসবার ঘরে গেলুম। শুক্লা এক প্লেট নিমকি ভেজে চা ভিজিয়ে টি-পটে টি-কোজি ঢাকা দিয়ে রেখেছে। আমি নিমকি নিলুম না, এক পেয়ালা চা ঢেলে নিয়ে শুক্লার সামনে বসলুম, বললুম, এবার বল কী হয়েছে।

    শুক্লা আর আমার কাছে লুকোবার চেষ্টা করল না, কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, ভাই, দুর্ভাবনায় কাল সারা রাত্তির ঘুমুতে পারিনি।

    শুক্লা তখন আস্তে আস্তে সব বলল। কাল রাত্রে ডক্টর দাস আন্দাজ পৌনে এগারোটার সময় এসেছিলেন। খাওয়াদাওয়া সবে সারা হয়েছে এমন সময় টেলিফোন বেজে উঠল। শুক্লা টেলিফোন ধরল। অচেনা পুরুষের গলায় কে তাকে প্রশ্ন করল, ডক্টর দাস আছেন?

    শুক্লা একেবারে কাঠ হয়ে গেল। কী উত্তর দেবে ভেবে না পেয়ে বলল, কে ডক্টর দাস?

    টেলিফোনে উত্তর এল, ডক্টর নিরঞ্জন দাস, গাইনকোলজিস্ট।

    শুক্লা ইতিমধ্যে একটু সামলে নিয়েছে, বলল, তিনি তো এখানে নেই। আপনি কে?

    টেলিফোনে একটু হাসির আওয়াজ এল। তারপর আর সাড়াশব্দ নেই, যে ফোন করছিল সে ফোন ছেড়ে দিয়েছে।

    শুক্লা ডক্টর দাসকে বলল। শুনে তিনি তৎক্ষণাৎ চলে গেলেন, কেউ জানতে পেরেছে। হয়তো খোঁজ নিতে আসবে।

    তিনি চলে যাবার পর শুক্লা সারারাত জেগেই কাটিয়েছে। কিন্তু কেউ আসেনি, টেলিফোনও করেনি।

    যে লোকটা টেলিফোন করেছিল তার গলার স্বর আর কথা বলবার ভঙ্গি থেকে তাকে ভদ্ৰশ্রেণীর লোক বলে মনে হয়। কে লোকটা? হয়তো ডক্টর দাসের কোনও গুপ্তশত্রু জানতে পেরেছে তিনি রাত্রে এখানে আসেন। কিন্তু টেলিফোন করার মানে কী? তার যদি শত্রুতা করাই উদ্দেশ্য হয় তাহলে এখানে টেলিফোন না করে ডক্টর দাসের স্ত্রীকে টেলিফোন করলেই তো পারত। হয়তো এখানে খোঁজ-খবর নিচ্ছিল, তারপর ডক্টর দাসের স্ত্রীকে খবর দিয়েছে। এখন সেই রণরঙ্গিণী মহিলাটি যদি এখানে এসে উপস্থিত হন তাহলেই চরম।

    কিন্তু কিছু করবার নেই, চুপটি করে দুর্যোগের প্রতীক্ষা করতে হবে। উঃ, কী ছোটলোক এই মানুষ জাতটা! তাদের সংসর্গে এক দণ্ড শান্তি নেই। এর চেয়ে বাঘভাল্লুকের সঙ্গে বনে বাস করা ভাল।

    শুক্লা ম্লান হেসে বলল, ভেবে আর লাভ কী, যা হবার তাই হবে। তুই যা, স্নান করে একটু ঘুমিয়ে নে।

    মনটা এত খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে কিছু ভাল লাগছিল না। চায়ের পেয়ালা রেখে উঠে দাঁড়ালুম। নিজের ঘরের দিকে পা বাড়িয়েছি এমন সময় টেলিফোন বেজে উঠল।

    আমি থমকে দাঁড়িয়ে পড়লুম। শুক্লা টেলিফোনের কাছে ছিল, সে যন্ত্রটি তুলে নিয়ে বলল, হালো। তারপরই তার চোখ দুটো দপ করে উঠল। কিছুক্ষণ কথা শুনে সে নিঃশব্দে টেলিফোন আমার দিকে বাড়িয়ে দিল, অর্থাৎ আমার কল। কিন্তু তার চোখ দুটো বড় বড় হয়ে রইল।

    টেলিফোন কানের কাছে ধরতেই আওয়াজ এলমি ভৌমিক? আমার গলা বোধ হয় চিনতে পারছেন না? ডক্টর কর—মন্মথ কর।

    ওঃ বলে আর কিছু বলতে পারলাম না, মুখে কথা জোগালো না। হঠাৎ বুক ঢিবঢিব করে উঠল। ভেবেছিলুম নেকড়ে বাঘ আর অজগর সাপের ভয় কেটে গেছে। কাটেনি এখনও।

    ডক্টর কর সরল কণ্ঠে বললেন, শঙ্খনাথবাবুর বাড়িতে আপনার সঙ্গে ভাল করে কথা বলার সুযোগ হল না, মিস্ ভৌমিক। শঙ্খনাথবাবু লোকটি বেশ ভাল, টাকাকড়ির ব্যাপারে মুক্তহস্ত। আপনি প্রাপ্য টাকা পাচ্ছেন তো? আমিই আপনাকে এগেজ করিয়েছিলাম, আমার এ বিষয়ে একটা দায়িত্ব আছে; তাই জিগ্যেস করছি।

    বললাম, হ্যাঁ, টাকা পাচ্ছি। আপনাকে ধন্যবাদ।

    তিনি বললেন, না না, ধন্যবাদ কিসের। আপনাকে সেই ছাত্রাবস্থা থেকে চিনি, এ তো আমার কর্তব্য। কিন্তু ওকথা থাক। মিস্ ভৌমিক, মনে আছে, অনেক দিন আগে আমি আপনাকে চায়ের নেমন্তন্ন করেছিলাম? আপনি তখন নেমন্তন্ন রক্ষে করেননি। বাট ইট নেভার টু লেট টু মেণ্ড। আসুন না একদিন একসঙ্গে চা খাওয়া যাক। কী বলেন? আপনিও আর ছেলেমানুষ নয়, আমিও একজন দায়িত্বশীল ডাক্তার। সুতরাং কেউ কিছু মনে করবে না।

    আমি তোতলা হয়ে গেলুম,—তা–তা—নেমন্তন্নর জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু এখন তো আমার ছুটি নেই ডক্টর—মানে–সারারাত জাগতে হয়—

    ডক্টর কর শান্তস্বরে বললেন, বেশ তো, তাড়া নেই। আপনার যখন ছুটি থাকবে তখন হবে। দু-চার দিন পরে আবার আমি ফোন করব। আপনি যাঁর সঙ্গে থাকেন তিনি বুঝি আপনার বান্ধবী? কী নাম বলেছিলেন মনে পড়ছে না।

    শুক্লা সেন।

    হ্যাঁ হ্যাঁ। তিনিও তো নার্স। বিবাহিতা কি?

    আমার গলা শুকিয়ে গেল। বললুম, না।

    তিনি বললেন, তাঁকেও আপনার সঙ্গে নেমন্তন্ন করতাম। কিন্তু জানেন তো—টু ইজ কম্পানি, থ্র ইজ এ ক্রাউড। আচ্ছা, আজ এই পর্যন্ত। নমস্কার।

    ফোন রেখে দিলুম। শুক্লা এতক্ষণ একদৃষ্টে আমার পানে চেয়ে ছিল, প্রশ্ন করল, মন্মথ কর?

    আমি ঘাড় নাড়লুম। সে আবার প্রশ্ন করল, চায়ের নেমন্তন্ন?

    আমি আবার ঘাড় নেড়ে বললুম, তুই ফোন তুলে অমন চমকে উঠেছিলি কেন?

    সে খানিক আমার মুখের পানে চেয়ে থেকে শুকনো মুখে বলল, আজ মন্মথ করের গলা শুনে মনে হল কাল রাত্রে যে ফোনে কথা বলেছিল তারই গলা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    মনচোরা – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }