Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প146 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রিমঝিম – ৪

    ২০ শ্রাবণ।

    কাল ডায়েরি লেখা শেষ হল না।

    শুক্লার সঙ্গে ওই কথা নিয়ে তোলাপাড়া করতে করতে বেলা বেড়ে গেল, তখন একেবারে নাওয়া-খাওয়া সেরে শুতে গেলুম। শুক্লার আজ দুপুরে কাজ, সে বেরিয়ে গেল। আমি শুয়ে শুয়ে ভাবতে লাগলুম, কাল যে ফোন করেছিল সে যদি মন্মথ কর হয় তবে তার মতলব কী? ব্ল্যাকমেল?…

    ঘুমিয়ে উঠে ডায়েরি লিখতে বসেছিলুম, লেখা শেষ হবার আগেই দেখি আটটা বেজে গেছে। তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নিলুম। ঠিক নটার সময় গাড়ি এল।

    গিয়ে দেখি, পিউয়ের ঘরে শঙ্খনাথবাবু আছেন, দোরের পাশে কলাবতী হাঁটু উঁচু করে বসে আছে; পিউ বিছানায় বসে পুতুল-নিলে খেলা করছে। আমাকে দেখে শঙ্খনাথবাবু বললেন, দেখ একবার কাণ্ড। পিউ এখনও ঘুমোয়নি।

    জিগ্যেস করলুম, খেয়েছে?

    কলাবতী দাঁত বার করে ঘাড় নাড়ল। আমি তখন পিউয়ের কাছে গিয়ে একটু ধমকের স্বরে বললুম, পিউ, তুমি এখনও ঘুমোওনি?

    পিউ আমার পানে মুখ তুলে মিষ্টিমিষ্টি দুই-দুষ্ট হাসি হাসল, কচি দাঁতগুলি ঝিকমিক করে উঠল। তার এই হাসি দেখে বুঝলুম তার মনের ওপর থেকে রোগের ছায়া সরে গেছে, সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছে।

    তারপর সে পুতুল ফেলে আমার দিকে দুহাত বাড়িয়ে দিল।

    কোলে তুলে নিলুম। সে আমার গলা জড়িয়ে কাঁধে মাথা রাখল। …মেয়েটাকে কোলে নিলে বুক জুড়িয়ে যায়।

    তাকে নিয়ে কিছুক্ষণ পায়চারি করবার পর বিছানায় শুইয়ে দিলাম। সে তখনও জেগে আছে, কিন্তু চোখ দুটো ঘুমে ভরে উঠেছে। পাখির মত মৃদু কূজন করে বলল, ঘুমুই?

    ঘুমোও বলে আমি তার গায়ে হাত রাখলুম।

    আশ্চর্য, এক মিনিটের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ল।

    আমি বিছানার পাশ থেকে উঠে দাঁড়িয়ে শঙ্খনাথবাবুর দিকে চাইলুম; তিনি ফিসফিস করে বললেন, পিউ তোমার জন্যেই জেগে ছিল।

    এই সময় দোরের কাছে এক অপরূপ মূর্তির আবির্ভাব হল। পিউয়ের মা যে আজ বাড়িতেই আছে তা জানতুম না। দেখলুম আটপৌরে ঘরোয়া পোশাকেও তাকে কম মানায়নি। সাদাসিধে ঢিলেঢালা সিল্কের শাড়ি ব্লাউজ, তার ওপর একটি জাপানী কিমোনো, পায়ে লাল মখমলের স্লিপার, চুলগুলি একটু শিথিল। গায়ে গয়না নেই, কেবল গলার কণ্ঠিতে কাঁইবিচির মত একটি চুনি ধকধক করছে।

    এত রূপ। শুক্লার মুখে গান শুনেছি–ঢলঢল কাঁচা অঙ্গের লাবণি অবনী বহিয়া যায়। এ যেন তাই। কিন্তু গুণ কি একটিও নেই?

    শঙ্খনাথবাবুর পানে আড়চোখে তাকালাম। তিনিও সলিলার পানে চেয়ে আছেন; তাঁর চোখে আকর্ষণ-বিকর্ষণের একটা দ্বন্দ্ব চলছে। তৃষ্ণা আর বিতৃষ্ণা একসঙ্গে। কী অদ্ভুত এঁদের সম্পর্ক।

    আমার কাজ আছে–নীচে যাচ্ছি—এই বলে শঙ্খনাথবাবু চলে গেলেন। সলিলা তাঁর পানে একবার তাকালও না।

    আজ সে বেড়াতে বেরোয়নি কেন কে জানে। হয়তো নেচে নেচে হাঁপিয়ে পড়েছে, একটু জিরিয়ে নিচ্ছে।

    শঙ্খনাথবাবু বেরিয়ে যাবার পর সলিলা পিউয়ের খাটের পাশে এসে দাঁড়াল, হাসিহাসি মুখে পিউয়ের পানে একবার তাকিয়ে বলল, পিউ ঘুমিয়েছে?

    বললুম, হ্যাঁ, এই ঘুমোল।

    সলিলা আমার পানে প্রশংসা-ভরা চোখে চাইল, একটি ছোট্ট নিশ্বাস ফেলে বলল, কী সুন্দর আপনার জীবন! শিশুর সেবা! তার কথাগুলি মুখে মিলিয়ে গেল।

    শুধু শিশু নয়, দরকার হলে বৃদ্ধবৃদ্ধাদেরও সেবা করে থাকি—একথা আর বললুম না। এবং আমার কর্মজীবনে সুন্দর যদি কিছু থাকে তা সম্পূর্ণ আকস্মিক, একথা বলেও কোনও লাভ নেই। বললুম, সুন্দর কি না জানি না, কিন্তু আমার ভাল লাগে।

    সলিলার চোখের প্রশংসা আরও গাঢ় হল, সে বলল, আপনাকে হিংসে হয়। মনে মনে আশ্চর্য হলুম। সলিলা আমাকে হিংসে করে! কিন্তু আসল কথাটা কী? আমার মত সামান্য নার্সের কাছে লক্ষপতির স্ত্রী সলিলা কী চায়? হয়তো কিছুই চায় না, কথা কইবার একজন লোক চায়। কিংবা অপরিচিতের কাছে, নিজেকে ভাল মেয়ে প্রতিপন্ন করবার ইচ্ছে মেয়েদের স্বাভাবিক ধর্ম, হয়তো সলিলা সেই চেষ্টাই করছে।

    সে বলল, আচ্ছা, আপনার সত্যিকার নামটি কী বলুন তো? শঙ্খ-ডার্লিং কী একটা অদ্ভুত কথা বলে–

    বললুম, প্রিয়দম্বা। আমার সত্যিকার নাম প্রিয়ংবদা।

    সে খিলখিল করে হেসে উঠল—প্রিয়ংবদাকে প্রিয়দম্বা বলে! পুওর শঙ্খ, হাউ ফানি হি ইজ।

    মনে মনে ভাবলুম, ফানি বইকি, ভীষণ ফানি। কিন্তু তার চেয়েও ফানি, তুমি স্বামীকে শঙ্খ-ডার্লিং বল।

    জিগ্যেস করলুম, মাফ করবেন, আপনি কি বিলেতে মানুষ হয়েছেন?

    সলিলা মুখখানি করুণ করে বলল, বিলেত যাওয়া আর হল কই। এত যাবার ইচ্ছে, কিন্তু শঙ্খর মত নেই! হ্যাজব্যান্ড আর ফানি, ডোন্ট ইউ থিঙ্ক?

    হেসে বললুম, জানি না। আমার বিয়ে হয়নি।

    এই সময় কলাবতীর ওপর চোখ পড়ল। সে দোরের পাশে হাঁটু তুলে বসে সলিলার পানে তাকিয়ে আছে। একটা দাসীর চোখে গৃহস্বামিনীর প্রতি এতখানি ঘৃণা আর অবজ্ঞা আমি আগে দেখিনি, দেখলে চমকে উঠতে হয়।

    সলিলার কিন্তু সেদিকে নজর ছিল না, সে বলল, বিয়ে হয়নি। হাউ লাকি ইউ আর। আসুন না আমার ঘরে, খানিক বসে গল্প করা যাক।

    বললুম, কিন্তু পিউ—

    কলাবতী ততক্ষণ পিউকে দেখবে।

    পিউ ঘুমুচ্ছে, কিন্তু এখানে দাঁড়িয়ে হাসি-গল্প করলে সে জেগে উঠতে পারে। বললুম, চলুন।

    কলাবতীকে ডেকে বললুম, তুমি পিউয়ের কাছে একটু থাক, আমি আসছি।

    আসুন বলে সলিলা এগিয়ে চলল, আমি পিছু পিছু গেলুম। দেখাই যাক না ওর মনে আরও কী আছে।

    সলিলা আমাকে তার শোবার ঘরে নিয়ে গেল। বারান্দার শেষ প্রান্তে ঘরটি, মৃদু নৈশ-দীপ জ্বলছে। ঘুম-নগরের রাজকুমারী যে-ঘরে শুয়ে ঘুমুতেন, এ যেন সেই ঘর। সলিলা সুইচ টিপে কয়েকটা উজ্জ্বল আলো জ্বেলে দিল, ঘরটি ঝলমল করে উঠল।

    চৌকশ ঘর, লম্বায় চওড়ায় বোধ হয় বিশ ফুট। ঝকঝকে নতুন আসবাব দিয়ে সাজান। প্রত্যেক দেয়ালে বড় বড় আয়না, তা ছাড়া একটি অপূর্ব ড্রেসিং-টেবিল। ঘরের মাঝখানে খাট। কিন্তু জোড়া-খাট নয়, একজনের শোবার মত খাট। বিছানায় পুরু সিল্কের বেড়কভার পাতা।

    ঘরের দুপাশে দুটি পদা-ঢাকা দোর। ঘর দুটিতে কী আছে দেখতে পেলুম না; একটি বোধহয় বাথরুম, অন্যটি হয়তো শঙ্খনাথবাবুর শোবার ঘর।

    ড্রেসিং-টেবিলের কাছে কয়েকটি গদিমোড়া উঁচু তাকিয়ার মত আসন রয়েছে; সলিলা একটিতে আমাকে বসতে বলল, আর একটিতে নিজে বসে ড্রেসিং-টেবিলের আয়নায় নিজের মুখ একবার দেখে নিল; হাসিমুখে বলল, এটা আমার শোবার ঘর।

    তা না বললেও চলত। তবু এটা শঙ্খনাথবাবুরও শোবার ঘর কি না তাই জানবার জন্যে মন উসখুস করছে। কিন্তু জিগ্যেস করা তো যায় না।

    বললুম, সুন্দর আপনার ঘরটি।

    সে তৃপ্তি-ভরা চোখে একবার ঘরের চারিদিকে তাকাল, বলল, মনের মত করে সাজাতে কী কম খরচ হয়েছে! দশটি হাজার টাকা।

    তা হবে। আমি কেমন করে জানব! বললুম, টাকা থাকলে ভাল বাড়ি করা যায়, সাধ মিটিয়ে বাড়ি সাজান যায়।

    কথাটা সলিলার বোধহয় খুব মনঃপূত হল না, সে একটু বিমনা হয়ে বলল, তা হয়তো যায়। কিন্তু সব সাধ কী টাকায় মেটে?

    খুবই উচ্চাঙ্গের কথা। কিন্তু সলিলার কোন্ সাধটা মেটেনি জানবার জন্যে ভুরু তুলে তার পানে চাইলুম। সে বলল, টাকায় কি স্বাধীনতার সাধ মেটে? ধরুন না কেন আপনি। আপনার স্বাধীনতা আছে, যখন যা ইচ্ছে করতে পারেন। সবাই কি তা পারে?

    ও, ব্যথা তবে ওইখানে। স্বাধীনতার অভাব। স্বামীর টাকায় বড়মানুষি করব, কিন্তু নিজের ইচ্ছায় চলব! যখন যা ইচ্ছে করতে পারাটাই স্বাধীনতা। বললুম, আমার স্বাধীনতা আছে বটে কিন্তু যখন যা ইচ্ছে করতে পারি না। তার জন্যে টাকা চাই। ভগবান বোধহয় সকলের সব সাধ মেটাতে ভালবাসেন না।

    আমার দিকে একটা বাঁকা কটাক্ষ হেনে সে আয়নার দিকে চোখ ফেরাল, তাচ্ছিল্যভরে বলল, যাকগে ওসব কথা, মন খারাপ করে লাভ কি? আমার চুলগুলো কি বিশ্রী হয়ে আছে।

    সে উঠে গিয়ে ড্রেসিং-টেবিলের আয়নার মুখোমুখি বসল, চুলগুলোকে আরও একটু আলগা করে দিয়ে হাল্কাভাবে বুরুশ চালাতে লাগল। চুল খুব লম্বা নয়, কাঁধ পর্যন্ত ছাঁটা; কিন্তু রেশমের মত নরম আর উজ্জ্বল।

    আমি বসে বসে তার চুলের প্রসাধন দেখতে লাগলুম। ড্রেসিং-টেবিলের ওপর নানা জাতের নানা রঙের শিশি-বোতল কৌটো সাজান; তেল সেন্ট ক্রীম পাউডার, আরও কত কী। যা কখনও চোখে দেখিনি। কিন্তু একটি জিনিস সেখানে নেই; পিউ কিংবা শঙ্খনাথবাবুর ফটোগ্রাফ নেই। ঘরে কোথাও স্বামী বা মেয়ের ছবি নেই; ঘরে স্বামীর বা মেয়ের ছবি রাখেনি সলিলা। কী জানি, যারা সর্বদা চোখের সামনে রয়েছে তাদের ছবি দরকার নেই বলেই বোধহয় রাখেনি। শুনেছি ড্রেসিং-টেবিলে প্রিয়জনের ছবি রাখা বিলাতী রীতি।

    আর-একটি জিনিস নেই। সিঁদুরকৌটো। আগেও লক্ষ্য করেছিলুম সলিলা সিঁথিতে সিঁদুর পরে। টেবিলে গালে মাখাবার রুজ আছে, ঠোঁটে লাগাবার সোনা বাঁধানো লিপস্টিক আছে; কিন্তু সিঁদুরকৌটো নেই। ওদের প্রগতিশীল সমাজে সিদুর পরা বোধহয় ঘোর কুসংস্কার।

    চুল বুরুশ করা শেষ হলে সলিলা টেবিল থেকে একটি সেন্টের শিশি তুলে নিয়ে তার কাচের ছিপি খুলে গন্ধ শুকলো, তারপর আয়নার ভিতর দিয়ে আমার পানে চেয়ে বলল, দেখি আপনার রুমাল!

    ভাগ্যে হ্যান্ডব্যাগের মধ্যে একটা পাট-না-ভাঙা রুমাল ছিল, বার করে দিলুম। সলিলা সেটাতে এসেন্সের ছিটে দিয়ে বলল, এবার শুকে দেখুন। কেমন গন্ধ?

    সত্যি কী গন্ধ! অতি মৃদু গন্ধ, কিন্তু নেশা লেগে যায়; মনে হয় বসন্তের সমস্ত ফুল ওই শিশির মধ্যে তাদের মধু ঢেলে দিয়েছে। বললুম, অপূর্ব গন্ধ।

    সলিলা হেসে আমার দিকে ফিরল, শিশিটি দুই আঙুলে তুলে ধরে বলল, কত দাম জানেন? এই শিশিটির দাম আড়াই শো টাকা।

    হবেও বা। কিন্তু দাম শুনে গন্ধের মাধুর্য যেন কমে গেল। সলিলা মৃদু হেসে বলল, আমার একটি বন্ধু উপহার দিয়েছে।

    বন্ধু! নিশ্চয় পুরুষ বন্ধু। মেয়ে বন্ধু এত দামী জিনিস উপহার দেবে না; অন্তত ওদের সমাজের মেয়ে দেবে না। আমি হেসে ঘাড় নাড়লুম। শঙ্খনাথবাবুর মনের ভাব কতকটা যেন বুঝতে পারছি।

    সলিলা হঠাৎ বলল, আচ্ছা, আপনি তো স্বাধীন, আপনার নিশ্চয় অনেক বন্ধু আছে?

    স্বাধীনতার সঙ্গে বন্ধুর নিশ্চয় গাঢ় সম্পর্ক আছে। আমি সাবধানে প্রশ্ন করলুম, কোন্ বন্ধুর কথা বলছেন? পুরুষ বন্ধু? না মেয়ে বন্ধু? আমার একটি বান্ধবী আছে। তার নাম শুক্লা–

    না, না, পুরুষ বন্ধু। মানে ইয়ং মেন—

    আমি দুঃখিতভাবে মাথা নেড়ে বললুম, ওরকম বন্ধু আমার একটিও নেই।

    অবাক হয়ে সলিলা বলল, একটিও না?

    একটিও না। তবে একজন পরম বন্ধু আছেন, তাঁর বয়স কিন্তু চল্লিশের ওপর। তিনি কোনদিন আমাকে চায়ের নেমন্তন্ন পর্যন্ত করেননি, সিনেমা দেখতেও নিয়ে যাননি।

    সলিলা চুক্ষ বিস্ফারিত করে চেয়ে রইল, বোধহয় বিশ্বাস করল না। কিন্তু—শুনেছি-নার্সদের সঙ্গে ইয়ং ডক্টরদের ভাব-সাব থাকে আপনি তো দেখতে শুনতে ভালই কথাটা ঠিক রুচিসম্মত হল না ভেবেই সে বোধহয় থেমে গেল।

    একজন ইয়ং ডক্টর ভাব-সাব করবার চেষ্টা করেছিলেন, এখনও করছেন; কিন্তু সুবিধে করতে পারছেন না। আচ্ছা, এবার পিউয়ের কাছেই যাই। আপনার বোধহয় ঘুমুবার সময় হল। বলে আমি উঠে দাঁড়ালুম।

    সলিলাও উঠল। বলল, না না, তার এখনও ঢের দেরি। আসুন, আমার ড্রেসিংরুম দেখবেন না?

    নিরুপায় হয়ে বললুম, চলুন দেখি।

    সলিলার স্বাধীনতার সাধ মেটেনি বলেই বোধহয় আমাকে তার ঐশ্বর্য দেখিয়ে বড়মানুষির সাধ মেটাতে চায়। যার সারা অঙ্গে এত রূপ তার মন এত খেলো কেন? সেখানে কি এতটুকু লাবণ্য থাকতে নেই?

    পর্দা সরিয়ে সলিলা আমাকে পাশের ঘরে নিয়ে গেল। ঘরটি শোবার ঘরের চেয়ে হোট। দেয়ালের গায়ে সারি সারি ওয়াড্রোব, সবগুলির কপাটে আয়না লাগান। একটা দেয়ালে লম্বা তাকের ওপর প্রায় তিরিশ জোড়া জুতো। কত রঙের কত ঢঙের জুতো; লাল সাদা নীল সোনালী; কোনওটা হাই-হিল, কোনওটা হিললেস, কোনওটা নাচের পাম্প। জুতোর বাহার দেখেই চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়।

    তারপর সলিলা একে একে ওয়াড্রোবগুলি খুলে খুলে আমাকে দেখাতে লাগল। কোনওটিতে শাড়ি ব্লাউজ, কোনওটিতে শালোয়ার পায়জামা ওড়না; অন্তর্বাস বহির্বাস, কাঁচুলি ব্রাসেয়ার, আরও কত কী। বলে শেষ করা যায় না।

    মুগ্ধ হয়ে দেখছি, তবু মনটা ছটফট করছে। পরের ঐশ্বর্য দেখে আমার কী লাভ? এসব জামাকাপড় পোশাক পরিচ্ছদ আমি তো কোনওদিন কিনতে পারব না। এসব জিনিস আমার কাছে আকাশের চাঁদের চেয়েও দুষ্প্রাপ্য।

    আয়নার ওপর ছায়া পড়ল। শঙ্খনাথবাবু দোরের কাছে এসে দাঁড়িয়েছেন। সলিলাও তাঁকে দেখতে পেয়েছিল, চট করে ওয়াড্রোবের কপাট বন্ধ করে বলল, চলুন চলুন, দেখা হয়েছে। কী-ইবা দেখবার আছে, সামান্য দু-চারটে কাপড় বলতে বলতে সে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    শঙ্খনাথবাবু বিরক্তিভরা মুখ নিয়ে তার পিছন পিছন বেরুলেন। আমি তাঁর পিছনে বেরুলুম। একটা দাম্পত্য দুর্যোগ ঘনিয়ে উঠেছে। আমি আর দাঁড়ালুম না, সোজা গিয়ে পিউয়ের পাশে বসলুম। কলাবতী মেঝেয় বসে ঢুলছিল, তাকে বললুম, তুমি এবার যাও। সে চলে গেল।

    কান খাড়া করে শুনছি। শোবার ঘর থেকে মিহি আর মোটা গলার ড়ুয়েট আসছে, কিন্তু কথাগুলো ধরা যাচ্ছে না। শঙ্খনাথবাবু চটলেন কেন, সলিলাই বা তাঁকে দেখে ড্রেসিংরুম থেকে অমনভাবে পালাল কেন? শঙ্খনাথবাবু কি পছন্দ করেন না যে সলিলা তার কাপড়-চোপড় অন্যকে দেখায়? কেন পছন্দ করেন না?

    পনেরো মিনিট পরে শঙ্খনাথবাবু এলেন। পিউয়ের খাটের পাশে বসে গম্ভীরমুখে আমার পানে কিছুক্ষণ চেয়ে বললেন, প্রিয়দম্বা, তুমি কিছু মনে কোর না, নিজের জাঁক দেখানো সলিলার অভ্যেস।

    তাঁর কথা শুনে অবাক হয়ে গেলুম। চাষা-মনিষ্যির মনে জাঁক দেখানো সম্বন্ধে সংকোচ আছে তাহলে। বললুম, সব মেয়েই জাঁক দেখাতে ভালবাসে, নিজের গয়না কাপড় দেখাতে ভালবাসে। এতে মনে করার কী আছে?

    তিনি বললেন, তুমি দেখাতে ভালবাস?

    আমার থাকলে ভালবাসতুম।

    হুঁ–বলে তিনি উঠে দাঁড়ালেন; আর কোনও কথা বললেন না, পিউয়ের পানে একবার চেয়ে থেকে বেরিয়ে গেলেন।

    আমার নিশি-জাগরণ আরম্ভ হল। আজও বই আনতে ভুলে গেছি। বসে বসে ভাবছি…এ ভাবে আর কতদিন চলবে? সুস্থ মেয়েকে রাত জেগে পাহারা দেওয়া কি নার্সের কাজ?…সলিলা…মেয়ের কথা ভাবে না, স্বামীর কথা ভাবে না…এত পেয়েও তবু তৃষ্ণার শেষ নেই। সে নির্বোধ নয়, বুদ্ধি। আছে; কিন্তু তার বুদ্ধিকে চালিয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে অন্ধ ভোগতৃষ্ণা…এর শেষ কোথায়? চিরদিন তো রূপযৌবন থাকবে না, তখন ও কী করবে?…আর শঙ্খনাথবাবু? গরিবের ছেলে, নিজের চেষ্টায় বড়মানুষ হয়েছেন; কিন্তু মন মধ্যবিত্ত রয়ে গেছে। সাদাসিধে আটপৌরে মন, এখনও বড়মানুষির আঁচ মনে লাগেনি। কিন্তু লাগতে কতক্ষণ!

    পিউ একটু উসখুস করল। তাকে পাশ ফিরিয়ে শুইয়ে দিলুম, সে আবার শান্ত হয়ে ঘুমুতে লাগল।

    একটা-দুটো-তিনটে। রাত শেষ হয়ে আসছে। আজ কেন জানি না একটু ক্লান্তি বোধ হচ্ছে। আমি রাতের পর রাত জেগে সেবা করেছি, কখনও ক্লান্তি আসেনি। আজ ক্লান্ত মনে হচ্ছে। দেহের ক্লান্তি কি মনের ক্লান্তি বুঝতে পারছি না। কিন্তু যাকে সারাজীবন এই কাজ করতে হবে, তার ক্লান্তি এলে চলবে কেন? ওরে বিহঙ্গ, ওরে বিহঙ্গ মোর, এখনি, অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা।

    সাড়ে তিনটের সময় দোরের দিকে চোখ ফিরিয়ে দেখি শঙ্খনাথবাবু দুপেয়ালা চা হাতে নিয়ে ঘরে ঢুকছেন; মুখে একটু হাসি। উঠে গিয়ে তাঁর হাত থেকে চা নিলুম। বললুম, আপনি রোজ রোজ এত রাত্রে আমার জন্যে চা তৈরি করে আনেন কেন? আমার দরকার হলে আমি নিজেই তো চা তৈরি করে নিতে পারি।

    তিনি বললেন, শুধু কি তোমার জন্যে তৈরি করেছি। শেষ রাত্রে ঘুম ভেঙে গেলে আর ঘুমুতে পারি না, তখন চা খেতে ইচ্ছে করে। নিজেই চা তৈরি করে খাই। তুমি জেগে থাক তাই তোমার জন্যেও করি।

    চায়ে চুমুক দিয়ে বললুম, ধন্যবাদ। আপনি–

    তিনি তর্জনী তুলে আমাকে থামিয়ে দিলেন। আমি খানিক তাঁর হাসি-হাসি মুখের পানের চেয়ে বললুম, কী হল?

    তিনি বললেন, আমাকে আপনি বলছ যে।তুমি বলবার কথা। কী চুক্তি হয়েছিল?

    অপ্রস্তুত হয়ে পড়লুম। কিন্তু সত্যিই তো আর ভদ্রলোককে তুমি বলা যায় না, মুখ দিয়ে বেরুবে কেন? রাগের মুখে কী বলেছিলুম, উনি সেটি মনে গেঁথে রেখেছেন।

    ওকথা এড়িয়ে বললুম, শঙ্খনাথবাবু, একটা কথা বলি?

    তিনি সন্দিগ্ধভাবে আমার পানে তাকিয়ে বললেন, কী কথা?

    একটু ইতস্তত করে বললুম, এবার আমাকে ছুটি দিন। পিউ তো এখন সেরে গেছে—

    কথা ছিল যতদিন না ভাল ঝি পাই কতদিন তুমি থাকবে।

    তা সত্যি কিন্তু কতদিনে আপনি ভাল ঝি পাবেন তার ঠিক কী? আমি অন্য কাজও তো আছে আমার।

    যদি আরও বেশী টাকা চাও—

    না না, টাকার কথা নয়। টাকা আপনি যথেষ্ট দিচ্ছেন, কিন্তু–

    বুঝেছি, সলিলার ব্যবহারে তুমি রাগ করেছ। কিন্তু পিউ তো কোনও দোষ করেনি।

    আমার চোখে জল এসে পড়ল। কোনওমতে সামলে নিয়ে বললুম, কেউ কোনও দোষ করেনি। কিন্তু আমাকে আর এখানে দরকার নেই, কাল থেকে আর আমি আসব না।

    এবার তাঁর সুর কড়া হয়ে উঠল–বেশ, আসতে না চাও এসো না। আমি কারুর ওপর জোর করতে চাই না। তোমাকে বিশ্বাস করতে পারি বলেই থাকতে বলেছিলাম। এই বলে হঠাৎ চলে গেলেন।

    মনটা খারাপ হয়ে গেল। শঙ্খনাথবাবু এতটা অবুঝ হবেন ভাবিনি। তাঁকে অসন্তুষ্ট করে চলে যাবার ইচ্ছে আমার ছিল না, ভালয় ভালয় যেতে পারলেই ভাল হত। কিন্তু উপায় কী? বাঁধন তো ছিঁড়তে হবে।

    সকালে পিউ জেগে ওঠবার আগেই চলে এলুম। ইচ্ছে হল পিউয়ের ঘুমন্ত গালে একটা চুমু খাই। কিন্তু কাজ নেই মায়া বাড়িয়ে।

    শঙ্খনাথবাবু গম্ভীরমুখে টাকা চুকিয়ে দিলেন, কথা কইলেন না। মোটর বাসায় পৌঁছে দিয়ে গেল।

    পিউয়ের কথা মনে পড়ছে আর বুকের মধ্যে টনটন করে উঠছে। আর হয়তো কোনওদিন ওকে দেখতে পাব না। কিন্তু এই ভাল।

    বাসায় পৌঁছে দেখলুম শুক্লা কাজে বেরুচ্ছে। বলে গেল, এ-বেলা রান্না হল না, হোটেল থেকে খাবার আনিয়ে খাস। আমার ফিরতে সন্ধ্যে হবে।

    কিন্তু হোটেল থেকে খাবার আনিয়ে খেতে ইচ্ছে হল না। বাড়িতে ডিম ছিল, তাই দুটো সেদ্ধ করে খেলুম। তারপর শুয়ে পড়লুম।

    ঘুম ভাঙল পৌনে দুটোর সময়। উঠে রান্না চড়াম। বেশী কিছু নয়, ভাত ডাল আর একটা নিরামিষ তরকারি। শুক্লা ফিরলে দুজনে মিলে খাব। যদি দরকার হয় হোটেল থেকে মাংস আনিয়ে নিলেই হবে।

    রান্না শেষ করে ডায়েরি লিখতে বসেছি। আজ রাত্রে জামাইবাবু আসবেন কি না কে জানে। মনটা ওই ব্যাপার নিয়ে উৎকণ্ঠিত হয়ে রয়েছে। যদি আসেন রাত্রি দশটার আগে আসবেন না। তখন ওঁর জন্যে ভাল করে রান্না করব। আজ রাত্তিরে আমার তো কোথাও যাবার নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    মনচোরা – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }