Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লেটার বক্স – নিমাই ভট্টাচার্য

    নিমাই ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প47 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬. এ সংসারে আমরা সবাই

    এ সংসারে আমরা সবাই মনে করি, সবকিছু জানি। সাধারণতঃ মানুষ–মানুষ এতই অহংকারী হয় যে, সে কিছুতেই স্বীকার করবে না, খুব সামান্য বিষয়েই তার জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা আছে, অধিকাংশ বিষয়েই সে অন্ধকারে। অহংকার আমারও ছিল। খবরের কাগজের রিপোর্টর বলে নিজেকে প্রায় সবজান্তাই মনে করতাম।

    টুকটাক হোঁচট খেলেও শৈলেনদার সঙ্গে পরিচয় হবার পরই প্রথম বুঝলাম, এই দুনিয়ার মনুষ্য চরিত্র সম্পর্কে আমি কত অনভিজ্ঞ। শুধু মনুষ্য সম্পর্কে কেন, এই বিশ্ব-সংসারে কোথায় কত কি ঘটে, তারই বা কতটুকু খবর রাখি?

    পোস্ট অফিস পুলিসের গোয়েন্দা দপ্তর নয়। কোন লুকোচুরির ব্যাপার এখানে নেই। সবকিছুই সবার সামনে হয়। চিঠিপত্র, রেজেষ্ট্রী, পার্সেল, মনি অর্ডার। এমনকি সেভিংস ব্যাঙ্কের কাজ কারবারের মধ্যে কোন রহস্য বা লুকোচুরির ব্যাপার নেই। তবু চোখের সামনের এই কাজকর্মের মধ্যেও কখনো কখনো কত বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে যায়।

    আর-এল-ও, রিটার্ন লেটার অফিসে শুধু চিঠিপত্রই আসে না। রেজেস্ট্রী, ইন্সিওরড, চিঠি-প্যাকেট-পার্সেল, মনি অর্ডার ও আরও কত কি আসে কিন্তু তাই বলে প্যাকেট বা পার্সেলের মধ্যে বোমা? না, আমি স্বপ্নেও ভাবিনি।

    অতি সাধারণ একটি ছেলে। বস্তিবাসী। হয়ত কোন কলকারখানায় সামান্য কাজ করে। অথবা আশেপাশে কোন পানবিড়ির দোকান চালায়। বয়স বড় জোর বাইশ-তেইশ কিন্তু স্বাস্থ্য বেশ ভাল। হঠাৎ দেখলে মনে হয় সাতাশ-আঠাশ। বোম্বে মার্কা হিরোদের মত মাথায় লম্বা লম্বা চুল। দাড়ি না থাকলেও গোফ রেখেছে লম্বা-চওড়া এক কথায় হঠাৎ দেখলে মনে হয় গুণ্ডা, মস্তান।

    পিয়ন জগদীশ সরকার এ অঞ্চলে চিঠিপত্র-রেজেস্ত্রী-মনি-অর্ডার ইত্যদি বিলি করছেন বিশ-বাইশ বছর কিন্তু মনে পড়ে না ওদের বাড়িতে একটা পোস্টকার্ড এসেছে। তারপর হঠাৎ একদিন ঐ অসীমের নামে রেজেস্ট্রী বুকপোস্টে একটা বইয়ের বাণ্ডিল এসে হাজির। পিয়ন জগদীশবাবু একটু অবাকই হন কিন্তু সেকথা তো প্রকাশ করতে পারেন না! সই করিয়ে প্যাকেট ওর হাতে তুলে দেন। প্যাকেটটা হাতে পেয়ে অসীমের খুশি দেখে জগদীশবাবুর বিস্ময় হয় কিন্তু সে বিস্ময় প্রকাশ করেন না।

    জগদীশবাবু অন্যদিকে পা বাড়াতেই অসীম ওকে ডাক দেয়, দাঁড়ান, দাঁড়ান!

    উনি পিছন ফিরে তাকাতেই অসীম একটু এগিয়ে তাড়াতাড়ি ওর হাতে পাঁচটা টাকা দেয়। পিয়ন ওর মুখের দিকে একবার তাকিয়ে টাকাটা পকেটে রেখে অন্যদিকে পা বাড়ান।

    দিন দশ-পনের পরে আবার একটি প্যাকেট। তবে বুক পোস্টের প্যাকেট নয়, রেজিস্টার্ড পার্সেল। অসীম খুশি হয়ে জগদীশবাবুর হাতে পাঁচ টাকা দেয়।

    এর পর থেকে চিঠি না, মনি অর্ডার না, অসীমের নামে নিয়মিত প্যাকেট আর পার্সেল আসে এবং জগদীশবাবুর অদৃষ্টেও কিছু কিছু প্রাপ্তিযোগ ঘটে।

    তারপর হঠাৎ একদিন একটা পার্সেল ডেলিভারী দিতে গিয়ে জগদীশবাবু অসীমকে পান না। ঐঘর থেকেই একজন মধ্যবয়সী ভদ্র লোক বেরিয়ে এসে বললেন, অসীম বলে তো এখানে কেউ থাকে না।

    গত কয়েক মাস ধরে যে ছেলেটি এখানে থাকত, সেই ছেলেটিই তো অসীম।

    ভদ্রলোক হেসে বলেন, কি বলছেন আপনি? যে ছেলেটিকে এখানে রেখে আমি দেশে গিয়েছিলাম, তার নাম তো হৃদয়।

    হৃদয়? জগদীশবাবু যেন গাছ থেকে পড়েন।

    হ্যাঁ, হ্যাঁ, হৃদয়। ওর বাবার নাম শ্রীনিবাস। এই শ্রীনিবাস আমার গ্রামের দোকানের দেখাশুনা করে।

    জগদীশ একটু ভাবেন। তারপর বলেন, আচ্ছা সেই হৃদয়কে একটু দেখতে পারি?

    তাকে তো আমি বাজারে পাঠিয়েছি।

    এখুনি আসবে?

    না, না, একটু দেরি হবে। এইতো তাকে পাঠালাম।

    শেষে জগদীশবাবু বলেন, কাল এই সময় তাকে থাকতে বলবেন।

    ভদ্রলোক একটু হেসে বলেন, তা বলব কিন্তু বাড়ির চাকরের নামে বইয়ের বাণ্ডিল বা পার্সেল আসে, তা তো বাপের জম্মে শুনিনি।

    পরের দিন হৃদয়কে দেখে জগদীশবাবু অবাক! হা ভগবান! অসীম বলে, এই তো এত কাল সব প্যাকেট পার্সেল নিয়েছে।

    হৃদয় ওরফে অসীম ইসারা-টিসারা করেও জগদীশবাবুর কাছ থেকে প্যাকেটটা হস্তগত করতে পারেনি। উনি প্যাকেট ফেরত নিয়ে চলে গেলেন।

    প্যাকেটটি নিয়ে মহা সমস্যায় পড়লেন পোস্ট অফিসের বাবুরা। পার্সেলটি রেজেষ্ট্রী করা হয়েছে ধানবাদ হেড পোস্ট অফিস থেকে কিন্তু যিনি এটি পাঠিয়েছেন তার নাম-ঠিকানায় আছে–অবিনাশ, হ্যারিসন রোড, কলকাতা-১। হ্যারিসন রোডে লক্ষ লক্ষ লোকের বাস এবং তার মধ্যে কত শত অবিনাশ রয়েছে, তার কি ঠিকঠিকানা আছে?

    শেষ পর্যন্ত অগতির গতি আর-এল-ও।

    বুঝলে বাচ্চু, ঐ প্যাকেটের মধ্যে একটা পিস্তল ছিল।

    বলেন কি দাদা?

    হ্যাঁ ভাই, ঠিককথাই বলছি।

    তারপর আপনারা ঐ পিস্তল নিয়ে কি করলেন?

    শৈলেনদা একটা সিগারেট ধরিয়ে লম্বা টান দিয়ে বললেন, আমরা আর কি করব? পুলিশকে খবর দেওয়া হল।

    যত অনভিজ্ঞই হই, তবু তো রিপোর্টার। তাই কাহিনীর শেষটুকু শুনে স্বস্তি পাই না। জিজ্ঞেস করি, তারপর কি হল, তা কি জানেন?

    শৈলেনদা একটু থেমে সিগারেটে আবার একটা টান দিয়ে বললেন, সবকিছু জানতে পারিনি ঠিকই কিন্তু কিছু কিছু জেনেছিলাম বৈকি!

    আমাকে আর প্রশ্ন করতে হয় না। উনি নিজেই বলে যান, আমরা শুধু এইটুকু জানতে পারি, ঐ ছেলেটার নাম অসীমও না, হৃদয়ও না। ওর নাম অন্য কি যেন ছিল। তার চাইতে বড় কথা ছেলেটি মোটেও ঐ ভদ্রলোকের চাকর ছিল না।…

    বলেন কী?

    উনি একটু হেসে বলেন, হ্যাঁ বাচ্চু, ছেলেটি বি. এ. পাস ছিল এবং পলিটিক্স করত।

    আচ্ছা! আর ঐ ভদ্রলোক কি ছিলেন জান?

    কী?

    শৈলেনদা হেসে বললেন, মূৰ্ছা যাবে না তো?

    ওঁর কথায় আমিও হাসি। বলি, মূর্ছা যাব কেন?

    ঐ ভদ্রলোক পুলিসের গোয়েন্দা ছিলেন।

    তাই নাকি?

    শৈলেনদা মাথা নেড়ে বললেন, হ্যাঁ।

    ঐ রিটার্ন লেটার অফিসে বসে ভারতীয় ডাক ও তার বিভাগের সেবা করতে দশের ও দেশেরও কত কি জানা যায়।

    জান বাচ্চু, প্যাকেট-পার্সেলের মধ্যে বোমা-পিস্তল-পাইপ ছাড়াও আরও কত কি পাওয়া যায়।

    কত কি মানে?

    খুন করা মানুষের এক টুকরো হাত-পা পর্যন্তও আমরা পেয়েছি।

    বলেন কী দাদা?

    শৈলেনদা মাথা নেড়ে বললেন, হ্যাঁ ভাই, সত্যি কথাই বলছি।

    আমি তাড়াতাড়ি একটু হেসে বলি, আমি কি বলছি আপনি মিথ্যে কথা বলছেন?

    উনি গম্ভীর হয়ে বললেন, নাসিকে এক ব্যবসাদারের মেয়েকে রেপ করে খুন করা হয়। তারপর ঐ খুনী মেয়েটির বডিকে তিরিশ-বত্রিশ টুকরো করে এক একটা টুকরো দেশের এক এক জায়গায় ফলস ঠিকানায় পাঠায়। ইস্!

    ইস্ করছে কি! মানুষ কি না পারে?

    তা ঠিক। একটু থেমে জিজ্ঞেস করি, লোকটা ধরা পড়েছিল?

    হ্যাঁ, ফাঁসীও হয়েছিল।

    শৈলেনদার কাছে আর-এল-ও অফিসের গল্প শুনতে শুনতে সত্যি মুগ্ধ হয়ে যাই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ওঁর কথা শুনি। বৌদি খেতে দিয়ে বার বার না ডাকলে আমাদের হুঁশ হত না। একদিন তো শৈলেনদার কথা শুনতে শুনতে ঘড়ি দেখার কথা মনেই পড়েনি। যখন আমাদের বৈঠক শেষ হল, তখন রাত প্রায় একটা। সে কাহিনী আমি কোনদিন ভুলব না।…

    ইন্সিওর্ড পার্সেলটা ঠিক ঠিকানাতেই গিয়েছিল কিন্তু মেয়েটির মা পিয়নকে বললেন, না, এ পার্সেল আমার মেয়ে নেবে না।

    পিয়ন জিজ্ঞাসা করলেন, তবে কী এই পার্সেল ফেবত পাঠিয়ে দেব?

    ভদ্রমহিলা বেশ রাগ করেই বললেন, যা ইচ্ছে করুন, মোট কথা এ পার্সেল আমরা নেব না।

    পিয়নের সঙ্গে মাকে এত কথা বলতে দেখে একটি সদ্য বিবাহিত মেয়ে ভদ্রমহিলার পাশে এসে দাঁড়িয়েই জিজ্ঞেস করল, কী ফেরত দিচ্ছ মা?

    ভদ্রমহিলা কিছু বলার আগেই পিয়ন ওকে বললেন আপনার নামের এই পার্সেলটা।

    মেয়েটি একটু ব্যস্ত, একটু অবাক হয়েই জিজ্ঞেস করল, কেন মা? এই পার্সেলটা নেবে না কেন মা?

    ভদ্রমহিলা বেশ রূঢ় হয়েই বললেন, কোথাকার কে পাঠিয়েছে, তার নেই ঠিক! যে যা পাঠাবে, তাই আমরা নেব নাকি?

    মার কথায় মেয়েটি একটু অবাক হয় কিন্তু মুখে কিছু বলে না।

    এবার ওর মা প্রায় আনমনেই বলেন, কার মনে কি মতলব আছে, তার কি কোন ঠিকঠিকানা আছে!

    পিয়ন আবার প্রশ্ন করেন, তাহলে এটা ফেরত পাঠাব তো?

    হ্যাঁ, হ্যাঁ, ফেরত দিন।

    পিয়ন পকেট থেকে কলম বের করে লেখেন, রিফিউজড।

    এবার মেয়েটি ওর মাকে জিজ্ঞেস করল, মা, এটা কে পাঠিয়েছেন।

    কে এক অরূপ মুখার্জী!

    বাপির কোন বন্ধু না তো?

    না, না, কোন জন্মেও নাম শুনিনি।

    পার্সেলটি ফেরত গিয়েছিল অরূপ মুখার্জীর ঠিকানায়। সেখানে গিয়ে জানা গেল, হা, উনি কদিনের জন্য এই হোটেলে ছিলেন কিন্তু দুতিন দিন আগেই চলে গেছেন।

    বাড়ির ঠিকানা?

    খাতা খুলে ম্যানেজারবাবু বললেন, শুধু লেখা আছে দার্জিলিং।

    পার্সেল কলকাতা থেকে ভুবনেশ্বর ঘুরে গেল দার্জিলিং।

    সেখানে কিছুদিন বিশ্রাম নেবার পর পার্সেলটি শেষ পর্যন্ত আর এল-ওতে হাজির।

    শৈলেনদা বললেন, পার্সেলটি খুলেই ঘোষদা অবাক!

    কেন?

    ওর মধ্যে একটা দামী ডায়মণ্ডের নেকলেস, একটা অত্যন্ত পুরনো সিঁদুরের কৌটো আর একটা বিশ-পঁচিশ পাতার চিঠি দেখে ঘোষদা অবাক!

    আমি চুপ।

    শৈলেনদা বলেন, ঘোষদা চিঠিটা পড়ার পর আমাদের সবাইকে ডেকে চিঠিটা শুনিয়েছিলেন।…

    মা অনুরাধা, সবার আগে তুমি আমার প্রাণভরা স্নেহাশিস নাও।

    জানি না তোমাকে আমার চিঠি লেখার অধিকার আছে কিনা কিন্তু স্নেহ-ভালবাসা মানুষের এমনই এক রকম সম্পদ যা ন্যায়-অন্যায় উচিত-অনুচিত সময়-অসময় মানতে জানে না। তোমাকে দেখতে, কাছে পেতে, আদর করার জন্য মন অনেক সময়ই ব্যাকুল হয়েছে, কিন্তু মা, তুমি তো জান, এ সংসারে শুধু হৃদয়ের তাগিদে জীবনের জটিল-কুটিল পথে চলা যায় না। সম্ভব নয়। নানা পারিপার্শ্বিক অবস্থার চাপে আমরা সবাই নিজের মনকে উপেক্ষা করি। আমিও করেছি, না করে পারিনি। বাধ্য হয়ে করেছি। তবে বিনিময়ে কখনও বিনিদ্র থেকেছি রাতের পর রাত, কখনও আবার সবার আড়ালে চোখের জল ফেলেছি। সত্যি বলছি মা, মাঝে মাঝে শুধু তোমাকে একটু দেখার জন্য পাগল হয়ে উঠেছি। স্নেহ-ভালবাসার আতিশয্যে তোমার কোন ক্ষতি না হয় ভেবেই পাগলামি করতে গিয়েও থমকে দাঁড়িয়েছি। নিজেকে সংযত করেছি, করতে বাধ্য হয়েছি। তবে রক্ত-মাংসের কোন মানুষই সব সময় সংযত থাকতে পারে না, কিছুতেই পারে না। আমিও পারিনি। কদাচিৎ কখনও ছুটে গেছি তোমার স্কুলের সামনে, কলেজের সামনে। কোনদিন তোমাকে দেখেছি, কোনদিন দেখিনি।

    ঠিক পঁচিশ বছর আগে দশই ডিসেম্বর তুমি এই পৃথিবীর আলো প্রথম দেখেছিলে। তাইতো প্রতি বছর ঐ দশই ডিসেম্বর এলেই তোমাকে একটু দেখার জন্য পাগল হয়ে উঠি। একবার আমি কি করেছিলাম জানো?

    অনেক টফি আর চকোলেট কিনে সোজা চলে গেলাম তোমাদের স্কুলে। সেদিন কোন কারণে তোমাদের হেডমিস্ট্রেস মিসেস রায় স্কুলে আসেনি। তাই তোমাদের প্রতিমাকে বললাম, আমার নাম অরূপ মুখার্জী। আমি বোম্বে থাকি কিন্তু জরুরী কাজে দুতিন দিনের জন্য কলকাতা এসেছি। আজ আমার মেয়ের জন্মদিন কিন্তু ওকে কাছে পাচ্ছি না বলে

    আমি এক নিশ্বাসে কথাগুলো বলেছিলাম। এবার উনি আমাকে বললেন, আগে আপনি বসুন।

    হ্যাঁ, তারপর বসে বললাম, আমার মেয়ে ক্লাস ফাইভে পড়ে। তাই যদি আপনি দয়া করে অনুমতি দেন তাহলে আপনাদের স্কুলের ক্লাস ফাইভের মেয়েদের আমি একটু টফি-চকোলেট দিতাম।

    প্রতিমাদি অবাক হয়ে আমাকে দেখে নিয়ে বললেন, চলুন, আমার সঙ্গে।

    সেদিন ওর সঙ্গে তোমাদের ক্লাসে গিয়েছিলাম। তোমার হাতেও টফি-চকোলেট দিয়েছিলাম, মুগ্ধ হয়ে দুচোখ ভরে তোমাকে দেখে ছিলাম কিন্তু মন চাইলেও মুখ দিয়ে একটি শব্দ বের করিনি। তোমার কী সেদিনের কথা মনে আছে?

    সেদিন তুমি দশ বছরে পা দিলে! আমার জীবনের সে এক অবিস্মরণীয় দিন!

    তুমি যখন কলেজে-ইউনিভার্সিটিতে পড়াশুনা করেছ, তখনও আমি তোমাকে দেখেছি। তবে সব সময়ই দূর থেকে। কখনও কখনও অবশ্য খুব কাছ থেকেই তোমাকে দেখেছি কিন্তু ভয়ে ভয়ে। কিসের ভয়ে জানো? তোমার মার ভয়! সে যদি কোন কারণে আমাকে তোমার কাছাকাছি দেখত, তাহলে নিশ্চয় কিছু অঘটন ঘটত। যাই হোক কফিহাউসে তুমি যখন বন্ধুবান্ধুবদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক হাসি-ঠাট্টা করতে তখন তোমাকে দেখে তোমার কথাবার্তা শুনে আমার মন ভরে যেত। ঐ কফিহাউসের আড্ডায় তোমার একটা কথা আমি জীবনেও ভুলব না। বেশ মনে আছে, ওথেলো আর ডেসডিমনার ভালবাসা নিয়ে তোমাদের আলোচনা শুরু হয়েছিল। আলোচনা একটু জমে ওঠার পরই ওথেলো ডেসডিমনা হারিয়ে গেল। প্রেম ভালবাসা নিয়ে তোমাদের তর্ক জমে উঠল। সেদিন সব আলোচনার শেষে তুমি বলেছিলে, যে ভালবাসার দ্বারা প্রিয়জনের কল্যাণ হয় না, তা কখনই ভালবাসা না!

    কথাটা শুনে আমি মুগ্ধ হয়ে যাই এবং তোমরা সবাই চলে যাবার পরও আমি ওখানে স্থবিরের মত বসে বসে তোমার কথাটাই ভেবেছি ঘন্টার পর ঘণ্টা।

    এই দীর্ঘ পঁচিশ বছরের মধ্যে অনেক সময় ভেবেছি, তোমার কাছে ছুটে যাই, তোমাকে আদর করি, জড়িয়ে ধরি, কোলে তুলে নিই। তুমি একটু বড় হবার পর বহুবার ভেবেছি, তোমাকে আমার চোখের জলের ইতিহাস বলি কিন্তু তা পারিনি। শুধু এই কথা ভেবে নিজেকে সংযত রেখেছি যে যদি আমার আবেগ-ভালবাসার আতিশয্যে তোমার কোন ক্ষতি হয়, তাহলে সে দুঃখ আমি সহ্য করতে পারব না। তুমি যখন এম. এ. পড়ার জন্য ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হলে, তখন মনে হয়েছিল, না, না, আর দেরি করব না। এখন তুমি বড় হয়েছ, তোমার বিচার-বুদ্ধি হয়েছে, ভাল-মন্দ ন্যায়-অন্যায় বিচার করতে শিখেছ। সুতরাং আর দেরি করব কেন? না, তখনও পারিনি। তখনো অতি কষ্টে নিজেকে সংযত করেছি কিন্তু মা, আর যে পারছি না। বোধ হয় সময়ও বেশি নেই।

    তাছাড়া আজ তুমি বিবাহিতা। যে সহপাঠীকে তুমি জীবনসঙ্গী হিসাবে গ্রহণ করেছ, সেই সুদীপও অত্যন্ত আদর্শবান ও বুদ্ধিমান ছেলে। আজ তুমি শুধু তোমার বাবা-মার সন্তান না, তুমি সুদীপের স্ত্রী। তাইতো আজ তুমি এই পৃথিবীর, এই সংসার ও মানুষজন সম্পর্কে নিজস্ব মতামত গ্রহণ করার অধিকারিণী এবং সেই সাহসেই আজ তোমাকে প্রথম চিঠি লিখছি।

    মাগো, এত দীর্ঘ ভূমিকার জন্য তুমি আমাকে ক্ষমা কর। তবে শুধু এইটুকু মনে রেখ, আমি দুঃখী, চির দুঃখী। আমি সারাজীবন শুধু চোখের জলই ফেললাম। এই পৃথিবীর কারুর বিরুদ্ধে আমার অভিযোগ নেই। এই পৃথিবী, এই সংসারের জন্য আমরা সবাই কি উপযুক্ত? না, তা হতে পারে না। আজ আমি মনে মনে বিশ্বাস করি, আমি শুধু হতভাগ্য না, আমি একটি ব্যর্থ, অপদার্থ জীব মাত্র।

    দীর্ঘ চিঠির শেষের দিকে উনি লিখেছিলেন, ধনীর ঘরে জন্মে সুখ পেলেও শান্তি পাইনি। আনন্দময় হয়নি আমার শৈশব-কৈশোরের দিনগুলি। ছোটবেলায় মাতৃহীন হলে কি কোন শিশু বা কিশোরের জীবন মধুর হতে পারে? তবু জীবন এগিয়ে চলল। তারপর একদিন সরকার জমিদারী-প্রথা বিলোপ করলেন ও সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞাতিদের শত্রুতাও চরমে উঠল। বাবা সবকিছু হারিয়েও নির্বিবাদে সেক্সপিয়ার চর্চা নিয়ে মেতে রইলেন। তারপর একদিন শুধু ফার্স্ট ডিভিশান না, তিনটে লেটার পকেটে করে প্রেসিডেন্সী কলেজে ভর্তি হলাম। দেখতে দেখতে প্রেসিডেন্সী কলেজের দিনগুলোও কেটে গেল। বাবা জোর করেই বিলেত পাঠালেন। বাবাকে শুধু বৃদ্ধা বিধবা পিসীর ভরসায় রেখে সাত সমুদ্র পাড়ি দেবার একটুও ইচ্ছা ছিল না কিন্তু বাবার ইচ্ছাকে অগ্রাহ্য করতে না পেরে সত্যি সত্যি একদিন বোম্বে থেকে পি. অ্যাণ্ড ও লাইনের জাহাজে চড়লাম। বিলেত বাসের মেয়াদ শেষ করে কলিকাতায় ফিরে দেখি, বাবা মৃত্যুশয্যায়। বোধ হয় আমার জন্যই অপেক্ষা করছিলেন।

    জানো মা, বাবার মৃত্যুর দিন পনেরো পর আবিষ্কার করলাম, তিনি আমার পাত্রীই শুধু নির্বাচন করেননি, বিয়ের দিনও পাকা করে গেছেন। না, ঐ দিনই আমার বিয়ে হয়নি কিন্তু ঐ পাত্রীর সঙ্গেই আমার বিয়ে হল। সেটা সাতাশ বছর আগেকার কথা। যাকে আমি বিয়ে করি তিনি শুধু সুন্দরী ছিলেন না, উচ্চশিক্ষিতাও ছিলেন এবং ওর বাবা আমার বাবার বিশেষ বন্ধু ছিলেন।

    অত্যন্ত দুঃখের কথা আমার বিবাহিত জীবন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বিয়ে করলেই কি ভালবাসা হয়? ছন্দপতনের সঠিক কারণটা আজো আমি জানি না। শুধু এইটুকু জানি, আমার স্ত্রীকে আমি সুখী করতে পারিনি এবং তিনি যেদিন আমার বন্ধন থেকে মুক্তি চেয়েছিলেন, সেদিন আমি নীরবে সম্মতি জানিয়েছিলাম। তারপর একদিন আমার স্ত্রী তার শিশুকন্যাকে কোলে নিয়ে চলে গেলেন। মাগো, সেদিনের সেই শিশুকন্যাটি আর কেউ নয়, তুমি!

    আমি তোমার জন্মদাতা হলেও তোমার পিতৃপরিচয় দেবার সাহস বা অধিকার আমার নেই। সবাই জানেন, তুমি ডাঃ সন্তোষ রায়ের কন্যা। আমিও জানি, তিনি তোমাকে পিতৃত্বের স্নেহ-ভালবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন এবং সেজন্য আমিও তার কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।

    আমার পরলোকগতা মার ইচ্ছা পূরণের জন্যই এই চিঠি লিখছি। বাবা এই নেকলেসটা আমাকে দিয়ে বলেছিলেন, তোমার প্রথম সন্তান পুত্র হলে, তোমার পুত্রবধূকে এইটি দিও। আর যদি প্রথম সন্তান কন্যা হয়, তাহলে তার বিয়ের সময় এই নেকলেসটা তাকে দিও। মার ইচ্ছা পূরণের জন্যই এই নেকলেসটা তোমাকে পাঠালাম।

    আর একটি কথা। এ সংসারে আমার মেয়াদ আর খুব বেশি দিনের নয় বলেই মনে হচ্ছে। তোমাকে দেবার মত আমার বিশেষ কিছুই নেই। তাছাড়া আমার কী অধিকার? তবু বলছি, গ্রাচুইটি প্রফিডেন্ট ফাণ্ডের যা কিছু ইউনিভার্সিটি থেকে পেয়েছি, তার অর্ধেকেরও বেশি চিকিৎসার জন্য ব্যয় করেছি। আগামী সপ্তাহে ভেলোর যাচ্ছি অপারেশনের জন্য। সে জন্যও বেশকিছু ব্যয় হবে। তবু কিছু থাকবে বৈকি। যা থাকবে, তা তোমার সন্তানের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে রেখে দেব। স্টেট ব্যাঙ্কের গড়িয়াহাট বাঞ্চে সব নির্দেশ দেওয়া আছে। যদি তোমার ও সুদীপের আপত্তি থাকে তাহলে ব্যাঙ্ক এই টাকা রামকৃষ্ণ মিশনে পাঠিয়ে দেবে।

    তোমরা দুজনে আমার প্রাণভরা ভালবাসা নিও।

    শৈলেনদা থামলেন।

    আমিও চুপ।

    কিছুক্ষণ পরে উনি বললেন, এই চিঠিটার কথা আমরা কেউ কোনদিন ভুলব না।

    কেন?

    উনি একটু ম্লান হাসি হেসে বললেন, যেদিন সকালের কাগজে দেখলাম, ভেলোরে অধ্যাপক অরূপ মুখার্জীর মৃত্যু হয়েছে, সেইদিনই অনুরাধা আর তার স্বামী ঐ পার্সেলটার খোঁজে আমাদের অফিসে এসে হাজির।

    বলেন কী?

    হ্যাঁ ভাই।

    তারপর?

    তারপর ঐ পার্সেলটা বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে অনুরাধার কি কান্না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনালী – নিমাই ভট্টাচার্য
    Next Article মৌ – নিমাই ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নিমাই ভট্টাচার্য

    মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    এ-ডি-সি – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    আকাশ-ভরা সূর্য-তারা – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    ডিপ্লোম্যাট – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রিয়বরেষু – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রেমের গল্প – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }