Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোকায়ত জীবন ও লোকসাহিত্য – সুমনকুমার দাশ

    সুমনকুমার দাশ এক পাতা গল্প328 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জালালি-গান

    তেরো শতকের গোড়ায় ভারতবর্ষ তথা বাংলাদেশে মুসলিম শাসনের সূত্রপাত। যদিও নবম ও দশম শতাব্দীর গোড়ায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও নোয়াখালি অঞ্চলে আরব ও পারস্য বণিকদের বাণিজ্য-সূত্রে আগমনের নজিরও পাওয়া যায়। ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে কুতুব উদ্দিন আইবেক এবং ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খিলজি কর্তৃক যথাক্রমে দিল্লি ও নদীয়া বিজয়ের মধ্য দিয়ে ভারতবর্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই সে-সময়টাতেই মূলত এ অঞ্চলে মুসলিম সমাজ-সংস্কৃতি-রাজনীতি পরিপূর্ণরূপে বিকশিত হয়।

    ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খিলজি নদীয়া অর্থাৎ বঙ্গ-বিজয়ের আগেই এতদ্অঞ্চলে ধর্মের মহিমা ও গুণকীর্তন প্রচারের লক্ষ্যে বেশসংখ্যক পির, দরবেশ ও সুফি এসেছিলেন বলে কিছু ইতিহাসবিদের অভিমত। তবে এ-মতের সপক্ষে যথাযথ ঐতিহাসিক প্রমাণাদি সহজলভ্য নয়। অনেক গবেষকের মতে, খিলজির শাসন-প্রতিষ্ঠার পরই মূলত বাংলায় সুফিবাদের বিস্তৃতি ও বিকাশ হয়েছে। এসব সুফিরা মুসলমান সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

    অপরাপর সুফিসাধকদের ধারাবাহিকতায় ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দে ৩৬০ জন আউলিয়াসহ সিলেট অঞ্চলে আসেন হজরত শাহজালাল (রহ.)। এরপর থেকে ১৩৮৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি আমৃত্যু এই জনপদে মুসলিম ধর্মপ্রচারে লিপ্ত ছিলেন। তাঁর মধুর বাণী ও হিতোপদেশ ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে প্রত্যেকে শাহজালাল-বন্দনায় মত্ত হয়ে ওঠেন। ওই ধারাবাহিকতা তাঁর মৃত্যুর প্রায় সাত শ বছর পর এখনও সমানভাবে অক্ষুণ্ন রয়েছে। তাঁর সমাধি অর্থাৎ ‘মাজারস্থল’ কেন্দ্র করে প্রতিদিনই হাজারও ভক্ত-আশেকানের ভিড় লেগেই থাকে।

    দুই

    শাহজালাল মাজারে অসংখ্য ভক্ত-আশেকানের উপস্থিতির সঙ্গে সিলেটসহ সারা দেশের নানা স্থানের বাউল-ফকিরদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিও যথেষ্ট লক্ষণীয়। বিশেষত প্রতি বৃহস্পতিবার বাউল-ফকিররা মাজারে অবস্থান নেন। আর যেখানে তাঁদের উপস্থিতি সংগত কারণেই সেখানে গান-বাজনা প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। তাঁরা রাতভর মাজারে সুফি, মরমি, ফকিরালি, মুর্শিদি, দেহতত্ত্ব, আত্মতত্ত্বসহ নানা পর্যায়ের গান গেয়ে পার করে দেন। এর বাইরে শাহজালালের গুণকীর্তন করে মহিমাসূচক গান রচনা করে সেসবও পরিবেশন করা হয় এসব আসরে। শাহজালালের প্রসংশাসূচক পদাবলি হওয়ায় এসব গান ‘শাহজালাল শানে’ ও ‘জালালি-গান’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। কবে থেকে শাহজালাল মাজারে এসব গানের আসরের সূচনা হয়েছিল সেটির সঠিক দিন-ক্ষণ জানা না-গেলেও অন্তত এটি বলা যায়-শাহ আবদুল করিম (১৯১৬-২০০৯), দুর্বিন শাহ (১৯২০-১৯৭৭), গিয়াসউদ্দিন আহমদ (১৯৩৫-২০০৫), আবদুল হামিদ জালালিদের (১৯৪৯) হাত ধরে ‘জালালি-গান’ রচনার ধারাটি বিকশিত হয়েছে। কারণ এঁদের আগে শাহজালাল বন্দনাসূচক পদাবলি রচনার ইতিহাস খুব একটা পাওয়া যায় না। করিম-দুর্বিন-গিয়াস-হামিদদের আগে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ফুলগাঁও গ্রামের শাহ আবদুল লতিফের (১৮৪০-১৯৬০) রচিত কেবলমাত্র একটি গানের সন্ধান পাওয়া যায়। এটি নিম্নরূপ :

    শোন বলি সারাসার বাংলাদেশের অধিকার
    নায়েবে রাসুল আমার বাবা শাহজালাল।

    পূর্বে ছিল অন্ধকার ফয়েজের গুণে পরিষ্কার
    ইসলাম হইল জারি ফজলে আল্লার।
    নায়েবে রাসুল আমার বাবা শাহজালাল।

    তিন শ ষাট আউলিয়া সঙ্গেতে আইলা বাবা আনন্দতে
    ধন্য ধন্য শত ধন্য আনন্দবাজার।
    নায়েবে রাসুল আমার বাবা শাহজালাল।

    উমেদও রাখিয়া দিলে শোভা নাহি ফল মিলে
    কৃপাসিন্ধু দীনবন্ধু ধর্ম অবতার।
    নায়েবে রাসুল আমার বাবা শাহজালাল।

    লতিফ শাহ কয় বারেবার আছি বাবার তাবেদার
    দরগাহ শরিফে হয় জিকিরও আল্লার।
    নায়েবে রাসুল আমার বাবা শাহজালাল।

    তার মানে এটা বলা যায়-শাহ আবদুল লতিফই প্রথম ‘জালালি-গান’ রচনা করেছিলেন। যদিও তাঁর পরে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে শেখ ভানু (১৮৪৯-১৯১৯), দীনহীন (১৮৫৪-১৯১৮), হাসন রাজা (১৮৫৪-১৯২২), ইব্রাহিম তশ্না (১৮৭০-১৯৩০), আরকুম শাহ (১৮৭৭-১৯৪১), দেওয়ান একলিমুর রাজাসহ (১৮৮৯-১৯৬৪) অনেক সাধক জন্ম নিয়েছেন, কিন্তু তাঁদের রচিত গানগুলোর মধ্যে ‘জালালি-গান’ রচনার বিষয়টি একেবারেই অনুপস্থিত। শাহ আবদুল লতিফের জন্মের দীর্ঘ পরে দুর্বিন শাহের গানের সংকলন প্রেমসাগর পল্লীগীতি (আনু. ১৯৫০) বইয়ে শাহজালাল বন্দনাসূচক কিছু গানের মুদ্রিতরূপ পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে তিনি আরও কিছু ‘জালালি-গান’ রচনা করেছিলেন। একইভাবে শাহ আবদুল করিমের কালনীর ঢেউ (১৯৮১) গ্রন্থেও কিছু ‘শাহজালাল শানে’ অর্থাৎ ‘জালালি-গান’-এর মুদ্রিতরূপ পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে তাঁর কালনীর কূলে (২০০১) বইয়েও একই পর্যায়ের কিছু গান মুদ্রিত হয়। করিম-দুর্বিনদের পর কফিলউদ্দিন সরকার (১৯৩২-২০১২), গিয়াসউদ্দিন আহমদ, ক্বারী আমীরউদ্দিন আহমদ (১৯৪২), মো. শফিকুন্নূর (১৯৪৩-১৯৯৬), আবদুল হামিদ জালালি, আলাউদ্দিন হোসেন শাহ, শিবলী চিশতিসহ অনেকেই ‘জালালি-গান’ রচনা করেছেন।

    তিন

    ‘জালালি-গান’ রচনার ইতিহাস খুব একটা প্রাচীন নয়। মোটামুটি শত বছর ধরে শাহজালাল মাজারে এ-গানের চর্চা হয়ে আসছে। তবে এটিও ঠিক যে, অন্তত কয়েক শ বছর আগে থেকেই বাউল-ফকিরদের একটা সমৃদ্ধ আস্তানা হিসেবে শাহজালাল মাজার সমাদৃত হয়ে আসছে। শুরুতে হামদ ও নাতে রাসুল, সৃষ্টিতত্ত্ব, আউলিয়া শানে, মুর্শিদি, পারঘাটা, দেহতত্ত্ব, শরিয়ততত্ত্ব, নিগূঢ়তত্ত্ব জাতীয় গান পরিবেশিত হতো। এরপর ‘জালালি-গান’ রচনার প্রচলন শুরু হওয়ার পর অন্যসব গানের পাশাপাশি ‘জালালি-গান’ শীর্ষক গানও গীত হতে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে অবশ্য ‘বিচ্ছেদ’ পর্যায়ভুক্ত গানও শিল্পীরা আসরে পরিবেশন করে থাকে। ‘জালালি-গান’ রচিত হওয়ার আগেও এখানে মাজারকেন্দ্রিক গানের ধারাটি সজীব ও প্রাণবন্ত ছিল। ঐতিহ্য-পরম্পরায় সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার এখনও এ-রকম গানের আসর বসে।

    প্রতি বছর জিলকদের চাঁদের ১৯ ও ২০ তারিখ শাহজালাল মাজারে ওরশ অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের বাউল-ফকির ও শাহজালালের লাখো ভক্ত-অনুসারী মিলিত হন। প্রাসঙ্গিকভাবেই ওরশে গান হয়ে ওঠে মুখ্য নিয়ামক। এসব কারণেই সিলেটের মরমি-বাউল-ফকিরি গানের ধারাটি বেগবান হওয়ার পেছনে শাহজালাল মাজারের ভূমিকা অতি গুরুত্বপূর্ণ।

    চার

    দুর্বিন শাহ শাহজালাল-বন্দনা করতে গিয়ে এক গানে লিখেছিলেন-‘কী সুন্দর এক নুরের বাতি হইয়াছে প্রচার। বঙ্গদেশের পূর্বাংশে শাহজালাল নামটি যার। বাতির রৌশনি এমন, আকাশে চন্দ্র তারার যেমন কিরণ। এই আলোতে ঘুচল তখন সিলেটেরই অন্ধকার।’ অন্যদিকে শাহ আবদুল করিম শাহজালাল মাজারের গানের আসরের বর্ণনা দিতে গিয়ে তাঁর কালনীর কূলে বইয়ের ‘শাহজালাল ইয়ামনি ওলির দরবারে’ শীর্ষক গানে লিখেছিলেন : ‘ফকির যারা নাম ধরেছে অন্য এক ভাবে পড়েছে। কেউ গায় কেউ নাচে কেউ জিকির পড়ে। আরেক দল ফকিরের ধারা গান করেন যন্ত্র ছাড়া। পাক-পবিত্র হয়ে তারা বসেন উপরে। আমি সবার কাছে যাই, আমি সবার করিম ভাই। আমার কোনও বিভেদ নাই আমার বিচারে।’ তবে গিয়াসউদ্দিন আহমদের লেখা ও বিদিতলাল দাসের সুরোরোপ করা একটি ‘জালালি-গান’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এটির পাঠ নিম্নরূপ :

    সিলেট পরথম আজান ধ্বনি বাবায় দিয়াছে।
    তোরা শোন সেই আজান ধ্বনি আইজো হইতাছে
    যেই ধ্বনিতে পাথর গইলা পানি হইয়াছে।
    এমনি শাহজালাল বাবা, সঙ্গে তিন শ ষাইট আছহাবারে
    বোরহানের দাওয়াতে বাবা সিলেট আইসাছে।
    রাজা ছিল গৌড়গোবিন্দ, বাবার পথ করিল বন্ধরে
    জায়নামাজ বিছাইয়া সুরমা পাড়ি দিয়াছে।
    উঠে সাত তালার উপরে, বাবায় আজান দিলো জোরে
    সাত তালা ঝরিয়া পড়ে পরমান রইয়াছে।
    সিলট পরথম আজান ধ্বনি, শুনাইলেন জালাল এমনি রে
    বাবার দোয়ায় কত পাপী নাজাত পাইতেছে।
    আওরে যত মুরিদান, আগে গাই বাবার গান রে
    আসরে আসিয়া বাবা উদয় হইয়াছে।

    শাহজালালের সিলেট আগমন এবং তাঁকে ঘিরে প্রচলিত লোকশ্রুতিগুলোই গিয়াসউদ্দিন আহমদের গানের বিষয়বস্তু হিসেবে হাজির হয়েছে। সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বরইকান্দি গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমান (১৯২৬-২০০৫) একাধিক ‘শাহজালাল শানে’ শীর্ষক গান রচনা করেছেন। তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য গান নিম্নরূপ:

    জালাল বাবা ঘুমাইছেন, সিলেটেরই মাটিতে
    আওরে ভাই চলে যাই, ফয়েজ রহমত লইতে।

    পূণ্য আত্মার মুক্তি লইয়া, জুল্লে জালাল নাম ধরিয়া।
    দুয়ারে যাই ভিখারি হইয়া, সবে মিলে এক সাথে।

    মাজারে হইয়া হাজির, করিবো জালালি জিকির।
    নাচতে নাচতে হইব অস্থির, সেই নাম লেখি বুকেতে।

    ভক্তের ডাক শুনিয়া পরে, বাবায় যদি দোয়া করে।
    ছিদ্দেক কয় আঁধার ঘরে, ভরে যাবে আলোতে।

    অন্যদিকে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার আকিলপুর গ্রামের প্রয়াত বাউল-গীতিকার কফিলউদ্দিন সরকার শাহজালালবিষয়ক অসংখ্য গান রচনা করেছিলেন। এগুলোর অধিকাংশ এখনও অমুদ্রিত অবস্থায় থাকলেও মাজারে গানের আসরে তাঁর শিষ্য-অনুসারীদের কণ্ঠে প্রতিনিয়তই এসব পরিবেশিত হচ্ছে। বর্তমান প্রবন্ধ-লেখকের সম্পাদনায় প্রকাশিত কফিলউদ্দিন সরকারের গান শীর্ষক গ্রন্থে একটি ‘জালালি-গান’ মুদ্রিত হয়েছে। এ গানে শাহজালাল মাজারে বাউল-ফকিরদের গানের জলসার কিছুটা রূপ পরিস্ফুট হয় :

    জালাল বাবার গুণে আমরা শিক্ষা পাই মুসলমানি
    এই দেশ করিল আবাদ শাহজালাল ইয়ামনি।

    পির আউলিয়া সাধু ফকির
    ধ্যানে বসে করিতেছে জালালি জিকির
    উপাসনা হয় জিন্দিগির ঘুচে সব পেরেশানি।

    দরবেশ অলি বাউল আর মস্তান
    জালালি রূপ ধ্যানে করে নামের সুধা পান
    প্রাণ খুলিয়া জালালি গান গায় তারা দিনরজনী।

    পাইয়া বাবার জালালি পরশ
    ব্যাধিমুক্ত পায় আর দেহ হয় সরস
    কফিলউদ্দিন নামেরই বশ এই সারা জিন্দেগানি।

    সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের বাউল-গীতিকার শাহ মো. খোয়াজ মিয়াও (১৯৪২) শাহজালাল বন্দনাসূচক গান রচনা করেছেন। বর্তমানে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার আলমপুর গ্রামের বাউলশিল্পী ও গীতিকার ক্বারী আমীর উদ্দিন আহমদ শাহজালাল বন্দনাসূচক গানকে ‘জালালি-গান’ অভিধা দিয়ে লিখেছিলেন : ‘[…]। তাই তো গাই জালালি-গান, আল্লাহ কত মেহেরবান। সিলেটবাসী খ্যাতি পায়, জালালি মুসলমান।’

    সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার ওসমানীনগরের বাসিন্দা গীতিকার নবীন সিদ্দেক আলীর (১৯৬৪) নিগুঢ়া : নবীন সঙ্গীত (২০১১) শীর্ষক প্রকাশিত গানের সংকলনটিতে শাহজালালের স্তুতিসূচক তিনটি গান মুদ্রিত হয়েছে। এর মধ্যে ‘লালে লাল শাহজালাল’ শীর্ষক তাঁর একটি গান বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। গানটি তিনি ২০০৩ সালের ১০ জুলাই রচনা করেছিলেন। গানটির সম্পূর্ণ পাঠ নিম্নরূপ :

    লালে লাল, লালে লাল, লালে লাল, লালে লাল
    কুদরতী কামাল তুমি বাবা শাহজালাল-
    তোমার প্রেমে আশেক মাস্তান, দোলেরে ধামাল।

    তোমার পরশ পাইয়া বাবা খুশাল এই বাঙাল-
    বাবা খুশাল এই বাঙাল।
    নিরস ভূমি সরস হইলো, কী সুন্দর মিছাল-
    বাবা কী সুন্দর মিছাল।

    সিলেটে জ্বালাইলায় বাবা তাওহিদের মশাল-
    বাবা তাওহিদের মশাল।
    জুল্লে জালাল তুমি বাবা, রহমতের আলাল-
    বাবা রহমতে আলাল।

    ফয়েজ রহমত পাইতে বাবা আসিলাম এ কাঙাল
    বাবা আসিলাম এ কাঙাল।
    নবীন সিদ্দেক তোমার গানে, হইয়া যে মাতাল-
    বাবা হইয়া যে মাতাল।

    একইভাবে ‘শাহজালাল শানে’ শীর্ষক গান রচনা করেছেন হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসুখা গ্রামের বাউল-গীতিকার আবদুর রহমান (১৯৫৫), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামের শাহ নূরজালাল (১৯৬৪), মজলিসপুর গ্রামের বাউলশিল্পী বশিরউদ্দিন সরকার (১৯৬৪), ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের দুর্বিনটিলার আলম শাহ (১৯৬৬) প্রমুখ।

    শাহজালালের বন্দনাসূচক গান রচনার ক্ষেত্রে সিলেট শহরের আম্বরখানা বড়োবাজার এলাকার আবদুল হামিদ জালালি পথিকৃৎতুল্য ব্যক্তি হিসেবে পরিগণিত হচ্ছেন। তিনি অন্তত শতাধিক ‘জালালি-গান’ রচনা করেছেন। জালালি-গান রচনার ধারাটিকে বেগবান করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা অনন্য, এ কারণে তাঁর নামের পেছনে শাহজালাল ভক্ত-অনুসারীদের বদৌলতে ‘জালালি’ শব্দটা পর্যন্ত জুড়ে যায়। তিনি ১৯৬৭ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়াকালীন বাউলগানে জড়িয়ে পড়েছিলেন। এরপর ১৯৭৪ সাল থেকে তিনি নিয়মিতভাবে শাহজালাল মাজারে গানের আসরে অংশ নিতে শুরু করেন। ১৯৮৮ সালে রচনা করেছিলেন ‘ঝাঁকে উড়ে আকাশ জুড়ে’ শীর্ষক একটি শাহজালাল স্তুতিসূচক গান। এ গানটি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়ে এখন তো বিশ্বের নানা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। গানটি নিম্নরূপ :

    ঝাঁকে উড়ে আকাশ জুড়ে
    দেখতে কি সুন্দর
    জালালি কইতর, জালালের জালালি কইতর।

    ঝর্ণার পাড়ে আছে বাবার প্রথমও কাহিনি
    গায়েব হইতে আসিতেছে ঝমঝমের পানি।
    সোনার কই মাগুরে খেলে কূপেরও ভিতর
    জালালি কইতর।

    হাজার হাজার গজার মাছ আছে পুকুর ভরা
    দিন রজনী খেলিতেছে বাবার আসিক যারা
    সেই গজার মাছ গেলে মারা দেয় তারে কবর
    জালালি কইতর।

    জালালের হাতের জালালি তসবি ওরাই বর্তমান
    তরবারি দেখিলে মিলে বীরত্বের প্রমাণ।
    পায়ের খড়ম দেখলে জুড়ায় হামিদের অন্তর
    জালালি কইতর।

    বাউল-ফকিরেরা ছাড়াও নাগরিক ধারার কবিদের মধ্যে জালালি-গান।কবিতা চর্চার বিষয়টিও সিলেট অঞ্চলে পরিলক্ষিত হয়। কবি দিলওয়ারের (১৯৩৭-২০১৩) লেখা ‘তুমি রহমতের নদীয়া’ শীর্ষক জালালি-গানটি তো ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

    পাঁচ

    শাহজালালের বন্দনা-সূচক গানগুলো কেবল বাউল-ফকিরদের চর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ইদানীং এসব গান নাগরিক শিল্পীদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। বাউলশিল্পী রণেশ ঠাকুর এবং সিরাজ উদ্দিনদের অডিও অ্যালবাম ও সিডির পাশাপাশি ‘জালালি-গান’-এর সিডি প্রকাশনায় হালের শিল্পীদের আগ্রহও ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রায় বছরজুড়েই সিলেট ও ঢাকা থেকে নিয়মিতভাবে নানা শিল্পীদের কণ্ঠে ‘জালালি-গান’-এর অ্যালবাম মুদ্রিত হয়। শাহজালাল মাজারে আসা দর্শনার্থীরাই মূলত এসব অ্যালবামের প্রধান ক্রেতা।

    ‘জালালি-গান’-এর বেশ কয়েকটি অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন শিল্পী সৌরভ সোহেল। তাঁর গাওয়া ও মুদ্রিত অ্যালবামগুলোর মধ্যে শাহজালাল বাবার দরবারে, নায়েবে রাসুল বাবা শাহজালাল ও জালালীয়া শান উল্লেখযোগ্য। শিল্পী মুনের লালে লাল শাহজালাল এবং শরিফ উদ্দিনের শাহপরান বাবা শীর্ষক অ্যালবামগুলোর কাটতি ভালোই বলে ‘জালালি-গান’ অ্যালবামের একাধিক বিক্রেতা জানিয়েছেন। এর বাইরে আরও শিল্পীর গাওয়া ‘জালালি-গান’-এর একাধিক অ্যালবাম রয়েছে। লোকগানের জনপ্রিয় শিল্পী মমতাজ, শিরিন, রিংকু, জামালউদ্দিন হাসান বান্না, কালা মিয়া প্রমুখ তাঁদের অ্যালবামে ‘জালালি-গান’ স্থান দিয়েছেন।

    ছয়

    শাহজালালের মাজার ছাড়াও সিলেটসহ দেশের মাজারকেন্দ্রিক লোকগানের একটি সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী ধারা তৈরি হয়েছে। এক শ্রেণির মানুষের মাজারবিরোধী অপতৎপরতা এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক-পারিপার্শ্বিক সংকটে মাজারকেন্দ্রিক গানের ধারাটি ক্রমশ বিলুপ্তির পথে ঠেকছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে বাউল-ফকিরদের প্রাণবান ধারাটি ধীরে ধীরে ক্ষীণ হয়ে আসার কারণে আগের মতো প্রতি বৃহস্পতিবার আর ঘটা করে মাজারে গানের আসরও বসে না। তবে আশার কথা হচ্ছে-দেশের অপরাপর মাজারের তুলনায় শাহজালাল মাজারকেন্দ্রিক বাউল-ফকিরদের তৎপরতা একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেনি। তাই ‘জালালি-গান’ রচনার ধারাটিও আপাতত অব্যাহতভাবে চলছে। ঠিক কতদিন এ-রকম চলবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো
    Next Article ডক্টর ইউনূসের দারিদ্র্য বাণিজ্য – বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }