Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোকায়ত জীবন ও লোকসাহিত্য – সুমনকুমার দাশ

    সুমনকুমার দাশ এক পাতা গল্প328 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সূর্যব্রত-সংগীত

    সূর্যপূজার রেওয়াজ মানবসভ্যতা শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রচলিত রয়েছে। আদিম মানুষেরা এই সূর্যকে শক্তি হিসেবে কল্পনা করে তার পূজা-অর্চনা করত। তবে আলোচ্য রচনার বিষয়বস্তু কিন্তু সেই সূর্যপূজাকে ঘিরে নয়। এখানে মূল আলোচনার বিষয় হলো-সূর্যব্রত সংগীত, গোপিনী কীর্তন কিংবা কৃষ্ণলীলা-গীতি প্রসঙ্গে। বাঙালি হিন্দু নারীরাই মূলত এ ধরনের সংগীত প্রচার ও বিস্তারকারী। ঠিক কবে থেকে এ গীতির প্রচলন সেটি গবেষকেরা বিস্তর অনুসন্ধান করেও বের করতে পারেননি। প্রসঙ্গক্রমে শ্রী সরোজ প্রভাদেবীর মন্তব্য এখানে স্মর্তব্য। তিনি তাঁর সংকলিত শ্রীশ্রী সূর্য্যব্রত সঙ্গীত বা গোপিনী কীর্ত্তন (১৩৯০ বাংলা) বইয়ের ভূমিকায় লিখেছিলেন, ‘বহু শতাব্দী হইতে প্রতি বৎসর মাঘ মাসে রমণীগণ সূর্য্যব্রত করিয়া রাধাকৃষ্ণের লীলাকীর্ত্তন করিয়া থাকেন।’

    ‘বহু শতাব্দী’ হতে প্রচলিত সূর্যব্রত হাওরাঞ্চলের নারীদের এক প্রধান ধর্মীয় রেওয়াজেই পরিণত হয়ে গিয়েছে। তবে ধর্মীয় এ রীতি-রেওয়াজের পাশাপাশি পূজাকে কেন্দ্র করে নারীরা দিনভর যে গানের আসর বসান, সেটি বাংলা লোকসংস্কৃতির এক উর্বর ও অমূল্য অধ্যায় হিসেবেই পরিগণিত হচ্ছে। বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে সূর্যব্রতের প্রচলন থাকলেও বিশেষত বাংলাদেশের হাওরাঞ্চল অর্থাৎ সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীরা এ পূজার সঙ্গে অত্যাবশকভাবে কৃষ্ণের মহিমা-সম্বলিত গান পরিবেশন করে থাকে। এসব গান সূর্যব্রত-সংগীত হিসেবেই বেশি পরিচিত, এর বাইরে কেউ কেউ এ ধারার গানকে গোপিনী কীর্তন এবং কৃষ্ণলীলা-গীতি হিসেবেও অভিহিত করে থাকে।

    সূর্যব্রতের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের প্রতি শ্রদ্ধা, ভক্তি ও অর্ঘ্য নিবেদন। তাই এ পূজায় গীত গানের মূল বিষয়বস্তুই হচ্ছে কৃষ্ণের মহিমা এবং প্রশংসাসূচক র্মকান্ড বর্ণনা করা। কৃষ্ণের জন্ম থেকে শুরু করে যুগলমিলন-সব কাহিনিই সূর্যব্রত-সংগীতে স্থান পেয়েছে। এছাড়া কৃষ্ণ কর্তৃক রাক্ষসী পুতনা, তৃণাবর্ত, বকাসুর, অঘাসুর বধ এবং কালীনাগ দমনের কাহিনিও এসব গানের বিস্তৃত অংশ জুড়ে রয়েছে।

    দুই

    বাংলা বছরের মাঘ মাসে প্রতি রোববার সূর্যব্রত পালন করে থাকেন নারীরা। এদিন খুব ভোরে সূর্যোদয়ের আগে প্রদীপ প্রজ্বলন করে সেসব হাতে নিয়ে নারীরা দল বেঁধে পাশ্ববর্তী পুকুর, নদী বা খালে স্নান করতে যান। এবং স্নান সেরে ভেজা কাপড়ে বাড়ির উঠোনে পূজা উপলক্ষে স্থাপিত অস্থায়ী কৃষ্ণ-মন্দিরে।কৃষ্ণ-মন্ডপে এসে সেই প্রদীপ এনে রাখেন। প্রদীপটি যেন কোনও অবস্থাতেই নিভে না-যায় সেদিকে নজরদারি রাখতে হয়, সম্ভবত সে-কারণেই অস্থায়ী মন্দিরটি টিন কিংবা খড়ের বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে রাখা হয়। প্রদীপটি মন্দিরে রেখে নারীরা মন্দিরের সামনের উঠোনে গোল হয়ে নেচে নেচে করতাল বাজিয়ে সূর্যব্রত-সংগীত পরিবেশন করেন।

    পূজার রীতি অনুযায়ী যেহেতু সূর্যাস্তের আগে মাটি, খাট কিংবা অন্য কোথাও বসা যাবে না, তাই সারাদিন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই অনেকটা ধামাইলগান পরিবেশনার মতোই করতাল ও করতালি-সহযোগে সূর্যব্রত-সংগীত পরিবেশন করেন নারীরা। পরিবেশিত এসব গান আবার বিভিন্ন পর্বে বিভক্ত। এ পর্বগুলোর মধ্যে গুরুবন্দনা, সৃষ্টি পতন, দশবতার বন্দনা, দৈবকীর বিবাহ, দৈবকীর স্তব, শ্রীকৃষ্ণের জন্ম, শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে বসুদেবের যমুনা নদী পার, শ্রীকৃষ্ণের মুখ দেখে নন্দরানির আনন্দ, সূর্যপূজার অধিবাস, মঙ্গল আরতি, শ্রীকৃষ্ণ জাগানি, রাধা জাগানি, নন্দোৎসব, শ্রীকৃষ্ণের অষ্টোত্তর শতনাম, কংসরাজার স্বপ্ন দর্শন, পুতনা বধ, তৃণাবর্ত বধ, শ্রীকৃষ্ণের নাচন, মৃত্তিকা ভক্ষণ ছলে মুখে ত্রিভুবন দর্শন, শ্রীকৃষ্ণের খেলাতে নন্দরানির আনন্দ, ব্রজগোপীর ঘরে ননী চুরি, শ্রীকৃষ্ণ কর্তৃক বুড়ির অপমান, ধেনু দোহন, ননী মথন, নন্দরানি কর্তৃক শ্রীকৃষ্ণকে বন্ধন, গোপালের ননী চুরি, কর্ণ মুনির পারণ, রন্ধন করার জন্য শ্রীমতীকে আনয়ন, শ্রীমতীর রন্ধন, জটিলার দুঃখকথন, গোষ্ঠ, কংসের তাল ও খেজুরবন ধ্বংস, বকাসুর বধ, শ্রীকৃষ্ণের বনবিহার, যুগল মিলন, সূর্যপূজা, শ্রীমতীর কুঞ্জে গমন, সুবল মিলন, নৌকা বিলাস, শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদে শ্রীমতীর বনে বনে ভ্রমণ, শ্রীমতীর নারায়ণ স্তব, ফিরা গোষ্ঠ, নাম কীর্তন, সমাপন ও হরির লোট উল্লেখযোগ্য। এসব পর্বে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম, বাল্য, শৈশব, যৌবনকালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার উল্লেখের পাশাপাশি শ্রীমতির সঙ্গে তাঁর প্রেম, বিচ্ছেদ এবং মিলনের বিষয়গুলোই পরিস্ফুট হয়েছে।

    কণ্ঠের সাময়িক বিশ্রামের জন্য মাঝে-মাঝে কিছু বিরতি ছাড়া গান পরিবেশনা চলে প্রায় একটানা। এ পর্ব শেষ হয় সূর্যাস্তের কিছুক্ষণ আগে। সে-সময় নারীরা মন্দিরে রাখা সেই প্রদীপ হাতে নিয়ে সূর্যকে ভক্তি করে ওই দিনের মতো পূজাকার্য সমাপ্তি করে প্রসাদ বিতরণ করে ঘরে ফেরেন। এখানে উল্লেখ্য যে, যেসব নারী এ পূজায় অংশ নেন, তাঁরা সূর্যাস্তের আগে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না এবং দিনভর বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে ও গান পরিবেশন করেই কাটাতে হবে বলে বিধান রয়েছে। এছাড়া পূজায় অংশগ্রহণকারী নারীরা এদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্জলা উপবাস থাকেন।

    তনি

    সূর্যব্রতগানের গীতিকারদের মধ্যে সুনামগঞ্জের কাঠইড় গ্রামের মধুসূদন দাস, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার টাইলা গ্রামের প্রতাপরঞ্জন তালুকদার, জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর গ্রামের রাধারমণ দত্তপুরকায়স্থ, মেঘারকান্দি গ্রামের কাশীনাথ দাশতালুকদার, সিলেটের টিলাগড় গোপালটিলা এলাকার সন্ধ্যা রানী চন্দের পাশাপাশি সরোজ প্রভাদেবী, ধর্মদাস, ব্রজনাথ, বসুদেব ঘোষ, কৃষ্ণদাস, নরহরি, স্বরূপ দাস, রাধানাথ, শংকর দাস, দীনহীন, ব্রজমোহন, বৈষ্ণব দাস, কৃষ্ণচরণ দাস, অমূল্য, চৈতন্য চরণ, দুর্গাপ্রসাদ, ঘনশ্যাম দাস, কুসুম কুমারী, দীনবন্ধু দাস, কালীকিংকর, বলরাম দাস, জয়চন্দ্র প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য। গানের ভণিতা থেকে এসব গীতিকারদের নাম জানা গেলেও অনেকেরই ব্যক্তিগত পরিচিতি ও ঠিঁকুজি বের করা সম্ভব হয়নি।

    বর্তমান নিবন্ধকার ২০০৬ থেকে ২০০৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সুনামগঞ্জের শাল্লা, দিরাই, জামালগঞ্জ, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুরি উপজেলার অন্তত ২৭টি গ্রাম ঘুরে গ্রামীণ নারীদের সংগ্রহে থাকা গানের পান্ডুলিপি ও মুদ্রিত পুস্তিকা হতে প্রায় সাড়ে পাঁচ শতাধিক সূর্যব্রত-সংগীত সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে বিভিন্ন পর্বের ১৪টি সূর্যব্রতের গান রসজ্ঞ পাঠকের সামনে উপস্থিত হলো।

    ১ [বন্দনা]

    শ্রীগুরু গৌরাঙ্গ প্রভু শচীর নন্দন
    নদীয়াতে অবতীর্ণ পতিত পাবন।
    জয় জয় গৌরাঙ্গ জয় নিত্যানন্দ
    জয় অদ্বৈত চন্দ্র জয় গৌরভক্তবৃন্দ।
    প্রথমে বন্দনা করি অনাদির চরণ
    দ্বিতীয় বন্দিনু ব্রহ্মা পরম কারণ।
    তৃতীয়ে বন্দিনু বিষ্ণু জগতের পতি
    তাহার দুই ভার্ষ্যা বন্দি লক্ষ্মী সরস্বতী।
    সরস্বতী মা বন্দি বিষ্ণুর বণিতা
    কণ্ঠে বসি জোগায় গীত, সুরস কবিতা।
    এসো মাগো সরস্বতী কণ্ঠে করো ভর
    গায়কের দেও মাগো কোকিলের স্বর।
    চতুর্থ বন্দিনু শিব গণেশ সহিতে
    অর্ধ অঙ্গে দুর্গা শোভে গঙা শোভে মাথে।
    পুষ্প মধ্যে বন্দিলাম আদ্যের তুলসী
    ব্রত মধ্যে বন্দি মুই ভৈমী একাদশী।
    পিতামাতা আদি গুরু বন্দি দুইজন
    শিক্ষাগুরু বন্দি যেই শিখাইল গায়ন।

    ২ [শ্রীকৃষ্ণের জন্ম]

    হরি দামোদর, জন্ম লইয়া দৈবকীর উদর
    জন্ম লইলা মায়ের নীলমণি, হরি দামোদর।

    ষোলো দন্ড নিশা ঘোর, শিলাবৃষ্টি মথুরাপুর
    ঘোর নিদ্রায় পাইক প্রহরী
    ভাদ্রের কৃষ্ণাষ্টমী, নক্ষত্র যে রোহণী
    হেনকালে জন্মিলা শ্রীহরি।

    চক্রধারী রূপ দেখি, বিলাপ করে দৈবকী
    কেন হরি আইলায় আমার ঘরে
    আর সাত পুত্র ছিল, কংস নিয়া বধিল
    কোথায় রাখি লুকাইয়া তোমারে।

    রক্তবিন্দু কাঁচা গা, কেন কান্দ দৈবকী মা
    পাঠাও আমায় নন্দ ঘোষের ঘরে
    আমারে বদল দিয়া, মহামায়া আনো গিয়া
    মহামায়া দেখাও কংসেরে।

    শুনিয়া শিশুর বাণী, বসুদেবকে ডাকি আনি
    দিলা হরি কোলেতে তুলিয়া
    দীনহীন সরোজে কয়, পথে নাহি কোনো ভয়
    শীঘ্র যাও হরিধনকে লইয়া।
    ৩ [সূর্যপূজার অধিবাস]

    জয় জয় শ্রীগোবিন্দ ব্রজের নন্দন
    জয় জয় ব্রজ গোপীর মানস পূরণ।
    মনেতে স্মরিয়া রাই মদনমোহন
    সূর্যপূজার অধিবাস করলা আরম্ভন।
    প্রণমিয়া দিলা রাই বসিতে আসন
    কাল প্রভাতে পাই যেন সবার শ্রীচরণ।
    দেব ঋষি মুনি আদি যত সব জন
    কাইল আসিবায় আমি করলাম নিমন্ত্রণ।
    সবাকে বাত্তিলাম আমি করলাম নিমন্ত্রণ
    কৈলাস বলে আজি হলো অধিবাস কীর্তন।

    ৪ [কংস কর্তৃক মহামায়া বধ]

    রজনি পোহাইয়া যায় কোকিলায় পঞ্চম গায়
    নানা পাখি করে কণ্ঠধ্বনি।
    প্রভাত হইল নিশি জাগিল মধুরাবাসী
    কংসচর আইলা শব্দ শুনি।
    হুয়া হুয়া রব করে শিশু কান্দে উচ্চস্বরে
    দুত আসি দুয়ারে দাঁড়াইল।
    শিশু দেখি দ্রুত বেগে কহিল কংসের আগে
    দৈবকী যে প্রসব করিলা।
    বার্তা শুনি আচম্বিত কংসরাজ চমকিত
    ঊর্ধ্বশাসে উপস্থিত হইলা।
    হস্ত বাড়াইল বলে শিশু দেও মোর কোলে
    ভয়ে দেবী কাঁপিতে লাগিলা।
    টান মারি হাতে নিলো ঘরে বাহিরে আইল
    আছাড়িল পাষাণ উপরে।
    ছদ্মবেশী মায়া ছিল আকাশে উড়িয়া গেল
    ডাক দিয়া কহিলা কংসরে।
    শোনো কংস দুরাচার বলি সব সমাচার
    অকারণে নারী বধ কইলে।
    তোরে যে বধিতে পারে সে আছে নন্দের ঘরে
    নিশ্চয় মরিবে মধু বলে।

    ৫ [নন্দালয়ে আনন্দ উৎসব]

    দেখিয়া পুত্রের মুখ রানি যশোমতি
    নন্দরাজে ডাকি বলে আসো শীঘ্রগতি।
    বিষ্ণু কৃপায় পাইলাম কৃষ্ণ মহামতি
    সদ্য প্রসূত শিশুর অপরূপ জ্যোতি।
    নারীগণ করে কত মঙ্গল আরতি
    প্রথমে দেয় উলুধ্বনি মিলে যত সতী।
    শুনিয়া সকল নারী ধেয়ে আসে অতি
    ঘুঘুরাদি বাজু দেয় রত্ন হার মতি।
    কেহ দেয় পট্ট বস্ত্র সুবর্ণের পাতি
    কুমকুম, হরিদ্রা, তৈল দেয় করে প্রীতি।
    ব্রাহ্মণে ভোজন করান গোকুলের পতি
    দরিদ্র ব্রাহ্মণে দিলা ধন রত্ন অতি।
    দেবলোকের নারী যত গৌরি সরস্বতী
    ব্রাহ্মণীর বেশে তারা আসি করে স্তুতি।
    ব্রহ্মা, ভব দেবগণ আসি সুরপতি
    পুষ্প বৃষ্টি করে তারা বাদ্য নৃত্য গীতি।
    এইরূপে নন্দালয়ে আনন্দের ভাতি
    কাশীনাথ চাহে পদে থাকে যেন মতি।

    ৬ [পুতনা বধ]

    পুতনা চলে রে বিষের স্তন লইয়া
    ষাইট তোলা বিষ নিলো স্তনেতে ভরিয়া।
    বসন ভূষণ অঙ্গে পরিয়া অপার
    সাজিল মোহিনী যেন বিদ্যুৎ সঞ্চার।
    রাজপথে পুতনা চলিল ধীরে ধীরে
    সত্বর মিলিল গিয়া নন্দরানির ঘরে।
    ভইন ভইন করি পুতনা ডাকে ঘন ঘন
    পুত্র কোলে নন্দরানি আসিলা তখন।
    সহোদর ভইন যেমন ডাকে পুন পুন
    মায়া করি ভুলাইল সবাকার মন।
    একবার কোলে দেও বাছা জুড়াই গো জীবন
    কত পুণ্যে পাইছ ভইন গো হেন পুত্রধন।
    কোলেতে আনিয়া মুখে তুলিয়া দিলা স্তন
    কৃষ্ণ বলে সাক্ষী থাকিও যত দেবগণ।
    স্তনে মুখ দিয়া হরি দিলা এক টান
    বজ্রটানে রাক্ষসীর বাহির হইল প্রাণ।
    যশোদা দেখিয়া হইলা আনন্দিত মন
    মুখে স্তন দিয়া বলে সাফল্য জীবন।
    দীনহীন বলে গোবিন্দ মঙ্গল
    অবিশাসী জনে হরি দিও প্রতিফল।

    ৭ [গোষ্ঠ]

    রানি দেও গো তোমার গোপাল মাঠে লইয়া যাই
    তোমার গোপাল মাঠে গেলে বড়ো সুখ পাই।
    সকল রাখালের রাজা তোমার কানাই
    বনফুলে সব মিলি তাহারে সাজাই।
    বেনু রবে ধেনু ফিরে বইসে রঙ্গ চাই
    এর লাগি তার সঙ্গে গোচারণে যাই।
    রাখালের জীবন মাগো তোমার কানাই
    মরিলে বাঁচিতে পারে কানু গুণের ভাই।
    কানাই লইয়া সবে অরণ্যে বেড়াই
    বনে বনে গিয়া কত বনফুল খাই।
    যশোদার নিকটে গিয়া কহিছে বলাই
    শীঘ্র করি সাজাও মাগো প্রাণের কানাই।
    যতেক রাখাল গেলা যশোদার ঠাঁই
    মধু বলে যশোদা গো কানু ভিক্ষা চাই।

    ৮ [সুবল মিলন]

    ওহে সুবল সখা ধন
    রাধাকে দেখাও আনি রাখো হে জীবন।
    একদিন কৃষ্ণচন্দ্র খেলি ঘোর বন
    রাধাকুন্ডতীরে আসি বসিল তখন।
    চম্পকের মালা গাঁথি করিয়া যতন
    সুবল পরাইয়া দিলো হয়ে হর্ষ মন।
    মালা গলে দিয়া কৃষ্ণ বলেন তখন
    রাধারানির কথা মনে হইল স্মরণ।
    বিরহ অনলে অনু দহে অনুক্ষণ
    রাধা আনি প্রাণ রাখো ওহে সুবল ধন।
    শীঘ্র করি যাও সখা রাধার সদন
    তাহাকে বলিবে আমার প্রাণের বেদন।
    সুবল চলিলা তখন হাঁটে ঘন ঘন
    জাবট নগরে পৌঁছে রাধার ভবন।
    কাশীনাথ বলে শোনো জগৎ জীবন
    তোমার অপূর্ব লীলা কে করে বর্ণন।

    ৯ [সূর্যপূজা]

    সূর্যপূজা করে সাধে রস বৃন্দাবনে
    মাধুর্য সাধিতে পরে মর্ম সখীগণে।
    অর্ঘ্য পূজার ছল করি, মাধুর্য সাধে কিশোরী
    কর্মচারী শ্রীমধুসূদন।
    মৃগ মদ কস্তুরী, গন্ধপুষ্প চৈর্য্য করি
    আহলাদেতে নৈবেদ্য সাজন।
    আনন্দ ঘটের বারি, মদন আ্রদল পুরি
    পাদ্য অর্ঘ্য এ রূপ যৌবন।
    মহাভাবে করি তন্ত্র, জপিয়া অজপা মন্ত্র
    পক্ষে পক্ষে করিয়া মিলন।
    রক্তজবা বিল্ব দলে অঞ্জলি দেয় সকলে
    এই ভাবে পূজা সমাপণ।
    যোগমায়ার আচ্ছাদনে, অন্য কেহ নাহি জানে
    জানে মাত্র সব সখীগণ।
    নমঃ নমঃ দিবাকর বাক্য কহে দ্বিজবর
    বেদমন্ত্র করি উচ্চারণ।
    করজোড়ে পুষ্পাঞ্জলি, দেয় সখীগণ মিলি
    বাক্য মন্ত্র করি সমাপণ।
    তারপর চন্দন মালা, পুরোহিতের গলে দিলা
    পঞ্চামৃত করাইলা ভোজন।
    অবশেষে যাহা ছিল, গোপীরা বাটিয়া খাইল
    দক্ষিণা দেয় প্রেম আলিঙ্গনে।
    বলে দীন কৃষ্ণদাস, পুরাইও মনে আশ
    স্থান দিও ওই রাঙা চরণে।
    ১০ [নৌকাবিলাস]

    হইল বেলা অবসান
    দধি বেচিয়া হইল বেলা অবসান।
    কুটিলা আসিল ধাইয়া বলে ওগো চান
    মধুরায় গিয়া তুই বিসর্জিলে মান।
    নারীগণ তব কথা করিল প্রয়াণ
    কালার নিকটে গেছ ওহে বেইমান।
    কালার লাগি আনিয়াছ গুয়া আর পান
    মা তোরে নিষেধ করলা না দিলায় কান।
    লজ্জা শরম নাই তোর এই কি বিধান
    দাদা আসলে বলে দিব নিবে তোর জান।
    শুনিয়া কুটিলার কথা থাক সাবধান
    জটিলা বলিলা মাগো কইলে যাবে মান।
    রাধারানি মনে মনে কৃষ্ণ করে ধ্যান
    কাশীনাথ বলে কৃষ্ণ রাখিবে পরান।

    ১১ [যুগল মিলন]

    আমার রাই মিলিল গো শ্যামের সনে
    এগো আলো করল নিধুবন রুশের কিরণে।
    চন্দ্র বৃষ্টি যেমন হের নক্ষত্রগণে
    এগো তেমনই মতো রাইখে ঘিরে সব সখীগণে।
    গাঁথিয়া মালতীর মালা অতি যতনে
    আনন্দ মনে এগো পরাইয়া শ্যামের গলে মিশাইয়া চন্দনে।
    শ্যামের বামে রাই কিশোরী এক আসনে মিলে দুজনে
    এগো দীনহীনের বাঞ্ছা যুগল চরণে সেবনে।

    ১২ [কীর্তন]

    তোমার শ্রীচরণে নিবেদন, কৃপা করো প্রভু নারায়ণ
    তুমি নিজ গুণে কৃপা করে দাও হে প্রভু দরশন।
    আমি হীনজন অতি, তোমার পদে নাই মতি
    এ কারণে ঘটল ভবে এত দুর্গতি।
    আমি জন্মাবধি অপরাধী, না জানি সাধন-ভজন
    প্রভু তুমি কৃপাময়, প্রভু তুমি সর্বময়
    সৃষ্টি স্থিতি লয় প্রলয় তবে হতে হয়।
    তোমার আজ্ঞা বিনে এ জগতে বৃক্ষপত্র না হয় ক্ষয়
    তুমি আদি নিরঞ্জন, তোমায় চেনে বা কয়জন।
    সর্বদায় খুঁজিয়া মরি বিষয় আশায় ধন
    অজ্ঞান সন্ধ্যায় বলে মরণকালে পাই যে প্রভুর শ্রীচরণ।

    ১৩ [লুট]

    ডাকইন নন্দরানি মায় কে নিবে কে নিবে লুট
    আয় রে তোরা আয়
    ওহে রাখাল রাজা সুবল সখা শ্রীদাম নটরায়।

    ব্রজবাসী ছিলেন যত সবই হলেন সমবেত
    বালক বৃদ্ধ আঁতুর অন্ধ কৃষ্ণ গুণ গায়।
    চিনির বরফি জোড়া পেড়া নকুলদানা রসগোল্লা
    দুই হাত ভরিয়া লুট আনন্দে বিলায়।
    আম কাঁঠাল নারিকেল কলা কমলা বেল
    নন্দরানি হাসি হাসি, আনন্দে বিলায়।
    সন্ধ্যায় বলে ভুলের তরে জন্ম গেল অবহেলে
    পাইলাম না গো নামের লুট কর্মফলের দায়।

    ১৪ [আসর ভঙ্গ]

    আসর ভাঙি যায় রে, বাজার ভাঙি যায়
    নবরঙ্গ বাঁশিটি বাজায় শ্যামরায়।
    ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশর হইলা বিদায়
    ধন দিলা গৃহস্থের কল্যাণে সদায়।
    ইন্দ্র চন্দ্র দিবাকর হইলা বিদায়
    আরোগ্য থাকিতে বর সবে দিয়া যায়।
    ব্রতী ঘরে যায় রে নৈবিদ্য ঘরে যায়
    তালযন্ত্র লইয়া গায়ক ঘরে যায়।
    মধু বলে আজি কীর্তন হইল সামাধায়
    হরি বলে প্রেমানন্দে নাচে গোপীকায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো
    Next Article ডক্টর ইউনূসের দারিদ্র্য বাণিজ্য – বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }