Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোকায়ত জীবন ও লোকসাহিত্য – সুমনকুমার দাশ

    সুমনকুমার দাশ এক পাতা গল্প328 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জলে গিয়েছিলাম সই – সুমনকুমার দাশ

    দিনমান ছোটাছুটিতে শরীরে একরাশ ক্লান্তি ভর করছে। প্রচন্ড ঘুম পাচ্ছিল। বিছানায় শরীরটা এলিয়ে দিলাম। ঘুমজড়ানো চোখে টিভির সুইচ অফ করে ঘুমোতে যাব। ঠিক তখনই গানটির কথাগুলো ভেসে কানে আসে ‘জলে গিয়েছিলাম সই’। নিমিষেই ঘুম উধাও। ভারতীয় একটি বাংলা টিভি চ্যানেলের ধারাবাহিক নাটকে নায়কের বিয়ের অনুষ্ঠানে গানটি গীত হচ্ছিল।

    এই গানটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে আমার চোখে একজন অশীতিপর বৃদ্ধার মুখমন্ডল ভেসে উঠল। যিনি কিছুদিন আগে প্রয়াত হয়েছেন। মারা যাওয়ার আগে বয়স হয়েছিল চৌরাশি, অথচ তখনও তাঁর কী ভরাট কণ্ঠ ছিল। তাঁর কণ্ঠে এই গানটি আমি একাধিকবার শুনেছি। আহা, কী টান! কী আবেগ! তিনি হচ্ছেন চন্দ্রাবতী রায়বর্মণ। সিলেটের এই লোকসংগীত শিল্পী রাধারমণের অসংখ্য গান আমৃত্যু গেয়েছেন। চন্দ্রাবতী সম্পর্কে কলকাতার প্রখ্যাত শিল্পী মৌসুমী ভৌমিকের মন্তব্য : ‘তাঁর কণ্ঠে রাধারমণের গানগুলো শুনলেই মনে এক ধরনের শীতল পরশ বয়ে যায়। জল-মাটি সংলগ্ন গানগুলো তাঁর গলায় নিপুণভাবে মানিয়ে গেছে। আমি যতবার সিলেটে এসেছি ততবারই মাসিমার কণ্ঠের গান রেকর্ড করেছি।’

    রাধারমণের ধামাইল, কীর্তন, দেহতত্ত্ব, রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদাবলি থেকে শুরু করে বাউলাঙ্গিকের অধিকাংশ গানই চন্দ্রাবতী রায়বর্মণের ঠোঁটস্থ ছিল। কয়েক বছর আগে একটি ঘরোয়া গানের আসরে তিনি আমার আমন্ত্রণে গান গাইতে হাজির হয়েছিলেন। সেদিন তিনি রাধারমণের ধামাইল পর্যায়ভুক্ত বেশ কয়েকটি গান গেয়েছিলেন। খালি গলায় গান গাইছিলেন এবং ডান হাত ও পা দিয়ে মেঝেতে ঠুকিয়ে তাল তৈরি করছিলেন। তিনি একটার পর একটা গান গেয়েই চলছেন :

    সুরধনীর কিনারায় কি হেরিলাম নাগরী গো, সুন্দর গৌরাঙ্গ রায়।
    সুন্দর কপালে সুন্দর তিলক সুন্দর নামাবলি গায়।
    সুন্দর নয়নে চাহে যার পানে
    দেহ হইতে প্রাণটি লইয়া যায়।

    যখন গৌরায় গান করে নৈদাবাসীর ঘরে ঘরে
    গৌরা প্রেমবশে রাধার গুণ গায়।

    না জানি কোন রসে ভাসে, একবার কান্দে একবার হাসে
    পূর্ণশশী উদয় নদীয়ায়।

    ভাইবে রাধারমণ বলে একবার আইনে দেখাও তারে
    আমি জন্মের মতো বিকাই রাঙা পায়।

    যতদূর মনে পড়ে সেদিন চন্দ্রাবতী রায়বর্মণ ছয় থেকে সাতটি গান গেয়েছিলেন। তবে সেই গানটির কথা বেশ মনে আছে : ‘রস ছাড়া রসিক মিলে না, জল ছাড়া মীনের জীবের মরণ’। পুরো গানটা স্পষ্ট মনে পড়ছে না। একটি সংকলন খুলে গানটি বের করলাম :

    রস ছাড়া রসিক মিলে না, জল ছাড়া মীনের জীবের মরণ
    রসিক চাইয়া ডুবল রাধার মন।
    সখী গো যে ঘাটে জল ভরতে গেলাম সে ঘাটে ইংরেজের কল
    এগো কলসির মুখে ঢাকনি দিয়ে সন্ধানে ভরিব জল।
    সখী গো, দলে দলে অষ্টদলে শত দলে বৃন্দাবন
    এগো কোন ফুলেতে ব্রহ্মাবিষ্ণু প্রেমের গুরু মহাজন
    এগো দস্তা পিতল একই রকম মিশে না গো কি কারণ
    এগো সোনায় সোহাগা মিশে মন মিশে না কি কারণ
    রসিক চাইয়া ডুবল রাধারমণ।

    কিন্তু চন্দ্রাবতী রায়বর্মণ গানটি ঠিক এভাবে গেয়েছেন বলে মনে হচ্ছে না। ঠিক কোথায় হেরফের রয়েছে সেটা মনে পড়ছে না, তবে উদ্ধৃত গানটির মতো তিনি যে গাননি সেটা বেশ মনে আছে। কথা প্রসঙ্গে মনে পড়ছে সুনামগঞ্জের আরেক প্রখ্যাত বাউল-গীতিকার শাহ আবদুল করিমের উক্তি। তিনি টি এম আহমেদ কায়সারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চৌধুরী গোলাম আকবর সম্পাদিত রাধারমণের গানের একটি সংকলন প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন :

    বেশ কিছুদিন পূর্বে রাধারমণের একটা গানের বই বেরিয়েছিল মদনমোহন কলেজ থেকে গোলাম আকবর সাহেবের সম্পাদনায়। রাধারমণকে একেবারে জীবন্ত কাষ্ঠ করা হয়েছে বইটার পাতায় পাতায়। গানের কলির ঠিক নেই; শব্দ-বিভ্রান্তি, পদ-ভ্রান্তি, একেবারে যাচ্ছেতাই কান্ড মনটা দমে গেল এটা দেখে। রাধারমণের গান তো এই ক্ষীণ স্মৃতিশক্তি নিয়েও আজো ভুলতে পারিনি। এই ভাগ্য যদি রাধারমণের ক্ষেত্রে ঘটে, আমি তো কোন ছার!

    আসলে এই যে পদ-ভ্রান্তি কিংবা গানের কলির হেরফের-সেটা নানা কারণে হচ্ছে। যেহেতু রাধারমণের গানের কোনও লিখিত পান্ডুলিপি ছিল না। তাই এসব গান অনেক সময় লোকমুখে প্রচলিত হয়েছে। প্রায় ক্ষেত্রে গ্রামের সামান্য অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন নারীরা ধামাইল কিংবা বৈঠকি গান গাওয়ার জন্য খাতায় টুকে রাখছেন। আবার এসব গান অনুলিখিত হয়ে এক খাতা থেকে অন্য খাতায় যাচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রায়সময় পদচ্যুতিও ঘটছে। ফলে ওইসব নারীদের কাছ থেকে সংগৃহীত গানগুলোর আসল পদ নিয়ে বিতর্ক রয়েই যাচ্ছে। তাই, এ ধরনের গান সংকলনভুক্ত করার সময় অবশ্যই যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে।

    একদিন এ বিষয়টির দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ধামাইলগানের আরেক কিংবদন্তি-তুল্য গীতিকার প্রতাপরঞ্জন তালুকদার (বর্তমানে প্রয়াত) আমাকে বলেছিলেন, ‘আমার অনেক গান রাধারমণের নামে, আবার রাধারমণের অনেক গান আমার নামপদ ব্যবহার করে গ্রামাঞ্চলে এখনও মহিলারা গেয়ে থাকেন।’ প্রতাপরঞ্জনের কথা শুনে চমকে উঠি, এটি তো আরও বিপজ্জনক।

    এমনটি কেন হচ্ছে-এ প্রশ্নের জবাবে প্রতাপরঞ্জন বলেছিলেন, ‘অনেক সময় বিভিন্ন গ্রামে গেলে পরিচিত মহিলারা গান লিখে দেওয়ার জন্য আমাকে অনুরোধ জানান। তাৎক্ষণিকভাবে অনেকের খাতায় গান লিখেও দিয়েছি। সেক্ষেত্রে ধামাইলগানের আসরে ওই গান গাওয়ার সুবাদে মুখে মুখে এসব গান বিভিন্ন মহিলাদের কাছে ছড়িয়ে পড়ছে। তখন এক মহাজনের নাম ভুল করে অন্য মহাজনের নামে মহিলারা গেয়ে ফেলছেন। যেহেতু রাধারমণ এবং আমার গানই আসরে বেশি গাওয়া হয়, তাই আমাদের মধ্যেই নামপদ নিয়ে ওই ভুলটুকু বেশি হয়।’

    একই প্রসঙ্গে বাউলকবি রাধারমণ গীতিসংগ্রহ-এর সংকলক বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী তাঁর সংগৃহীত গান সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘সংগৃহীত গীতিসমূহের সবগুলোর ভাষা ও ছন্দ সবসময় অবিকৃত থাকেনি, বিশেষত আমাদের মৌলিক সংগ্রহ যখন অনুলিখিত বা তস্য অনুলিখিত খাতা কিংবা পরম্পরাধৃত লোককণ্ঠ থেকে আহৃত। তবু লেখকের ছন্দের প্রতি মনোযোগ যথারীতি নিবিষ্ট ছিল তা খুব সহজেই উপলব্ধ হয়, কেননা আমরা যেসব গীতি পরম্পরাগত সূত্র থেকে পেয়েছি তাতেও ছন্দ পরিকল্পনার আঁচ স্পষ্ট।’

    এ প্রসঙ্গ আপাতত থাক। সেদিন গানের আসরে সিলেটের সাম্প্রতিক সময়ের জনপ্রিয় বাউল-গায়ক আবদুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন। তিনিও রাধারমণের বাউলাঙ্গিকের বেশ কয়েকটি গান গেয়ে শুনিয়েছিলেন। আমরা আসরের শ্রোতারা বিমুগ্ধ হয়ে গান শুনছিলাম। শিল্পীরা গান গাইছিলেন আর গানের তাৎপর্যগত দিকগুলো তুলে ধরছিলেন। সন্ধ্যার দিকে আসর শেষ হয়।

    রাতে বাড়ি ফেরার পরও আসরের রেশ থেকে যায়। গত কয়েক বছর ধরে সিলেটের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল ঘুরে পল্লি-নারীদের কাছ থেকে তাঁদের গানের অনেক খাতা সংগ্রহ করেছিলাম। সেসব খাতা বের করে রাধারমণের গানগুলো আলাদা করতে থাকি। একসময় দেখি এসব খাতায় প্রায় দুই শ রাধারমণের গান রয়েছে। সে গানগুলো যাচাই-বাছাই করে মাস তিনেকের প্রচেষ্টায় গোটা চল্লিশেক গান অগ্রন্থিত অবস্থায় আবিষ্কার করি। সেসব গানের মধ্য থেকে ৩০টি গান নিয়ে গল্পকার রাখাল রাহার আগ্রহে অগ্রন্থিত রাধারমণ নামে একটি গানের সংকলনের পান্ডুলিপি প্রস্তুত করি। সেটা ২০১২ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার অ্যাডর্ন পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিতও হয়েছে।

    বইটির পান্ডুলিপি তৈরিকালীন রাধারমণকে নিয়ে বেশ কয়েকটি সংকলন ও বিক্ষিপ্ত কিছু লেখা পড়ে রাধারমণের প্রতি এক ধরনের দুর্বলতা তৈরি হয়। কিন্তু আফসোসও হয়-আজ পর্যন্ত রাধারমণকে নিয়ে উল্লেখ করার মতো কোনও কাজও হয়নি। প্রসঙ্গক্রমে মোস্তাক আহমাদ দীনের ভাষ্য প্রণিধানযোগ্য :

    ভাবুক ও রসরাজ হিসেবে রাধারমণের স্থান যে-শিখরে, তাতে, এ-পর্যন্ত তিনি যতটা মূল্যায়িত তা একদমই সামান্য, তবে আশার কথা, তাঁর গানের নানাবিধ সংকলন প্রকাশের পর থেকে গানের ভাবব্যঞ্জনার দিকে এখনকার রসিক-গবেষকের আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে। এই আগ্রহীদের বেশির ভাগই রাধারমণের পদ-অন্তরিত বৈষ্ণব-রসের দিকটাকে ফুটিয়ে তুলতে ব্যগ্র। এমন নয় যে তার পদে সেই রস নেই, বরং আমাদের অজানা নয়, তিনি দীক্ষা নিয়েছিলেন বৈষ্ণব রঘুনাথের কাছে, নলুয়ার হাওরসংলগ্ন আশ্রম স্থাপনের ব্যাপারটিও তো তারই প্রমাণবহ। আমাদের অনুযোগ।আপত্তি সেই জায়গায় যেখানে আলোচকেরা তাঁদের লক্ষ্য মূর্ত করতে গিয়ে পদকারকে তাঁর সত্তার মানব-অনুভূতিগত দিক থেকে খারিজ করে দিতে চান, এবং তা কখনও এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে-আলোচক, পদকারকে তত্ত্বলীন করে দিয়ে তাঁকে অতিমানবের স্তরে নিয়ে যেতেও এতটুকু কুণ্ঠিত নন। তাঁরা ভাবেন, প্রেমপ্রকাশের এই যা কিছু-সে রাধাই হোক বা কৃষ্ণ-সবসময়ই রূপক। আর গোলটাও বাঁধে সেখানে। অথচ তাঁদের অজানা থাকবার কথা নয়-সৌন্দর্য্য বা সত্য যাই হোক-তার মর্মে পৌঁছাতে হলে, বাস্তব-রূপক-উপমান-উপমেয়সহ একযোগে না গেলে সে-যাত্রা পূর্ণ হয় না, পূর্ণ হওয়ারও নয়, কারণ, রূপকে তো ছড়িয়ে থাকে পদকারের জীবনাভিজ্ঞতারই চিহ্ন-ফলে, তাকে ছাড়া মূল্যাঙ্কনটা যে একমুখী হয়ে পড়বে এ আর আশ্চর্য কী।

    এ বক্তব্যের আলোকেই আরেকটি বিষয়ের উল্লেখ আবশ্যক-ইদানীং কিছু কিছু আলোচকদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে, রাধারমণ বাউল নাকি বৈষ্ণব কবি, এ নিয়ে একটা তুচ্ছ বিতর্ক চলে আসছে। প্রত্যেকেই নিজেদের যুক্তিকে অকাট্য করে তুলতে নানা ধরনের যুক্তি-তর্কে মেতে উঠছে। রাধারমণের গান নামে একটি সংকলন সম্পাদনা করার সূত্রে তপন বাগচী অভিমত দিয়েছিলেন, রাধারমণ নিজেই যখন তাঁর বিভিন্ন গানে ‘বাউল’ পরিচয় দিয়েছেন, তখন আমাদের মেনে নিতে আপত্তি থাকে না। তবে একথা ঠিক যে, তাঁর গানে ও সুরে বৈষ্ণব ভাবধারা বেশি প্রকটিত।

    এ বিষয়ে সবিনয়ে শুধু এটুকু বলতে চাই, রাধারমণের ধামাইলগানের পাশাপাশি বাউলাঙ্গিকের অসংখ্য গান যেমন রয়েছে, তেমনই বৈষ্ণব ভাবধারার গানও রয়েছে। ফলে তাঁকে যেমন একজন বাউল-গীতিকার হিসেবে বলা যায়, তেমনই বৈষ্ণব ভাবধারার গীতিকার হিসেবেও মেনে নিতে তো কারও আপত্তি থাকার কথা নয়। বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী লিখেছিলেন, ‘[…] ভাব ও কথাংশের প্রাকৃত আকর্ষণের জোরেই বিগত শতাব্দীকাল থেকে এই গীতিমালা গোষ্ঠীধর্মানুগত থেকেও উত্তর-পূর্ববাংলা তথা ভারতের পল্লির হিন্দু মুসলমান সাধারণ মানুষকে মুগ্ধ করে এসেছে।’

    রাধারমণের গানের বিশ্লেষণ করতে গিয়ে মোস্তাক আহমাদ দীন বলেছিলেন, ‘রাধারমণ প্রান্তপাড়ার অধিবাসী। যেখানে বিদ্যাসাগরের সমাজ ও শিক্ষা-সংস্কারের প্রভাব গিয়ে পৌঁছয় না সেখানে একজন লোকায়ত রাধারমণের গান ঠিকই পৌঁছে যায়, কারণ রাধারমণ দেহ-মনে সেই প্রান্তের বাসিন্দা, তাঁর ভাষাও সেখানকার নানারকম বিভঙ্গ ধারণ করতে সক্ষম। তত্ত্বের আবরণ থাকলেও তাঁর গান এমনভাবে সেখানকার বিষয় ধারণ করে, যে-কারও মনে হতে পারে তিনি অন্যের, বিশেষ করে রাধা।নারীভাব-বাস্তব অর্থে তিনি নিজেও বুঝি যাপন করে চলেন। তাই তাঁর গানে রাধাকে দেখা যায় কখনও বিদ্রোহী, কখনও বিরহী, আবার কখনও অতিশয় সমর্পিতপ্রাণা।’

    মোস্তাক আহমাদ দীন তাঁর লেখায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরসহ সিলেট অঞ্চলে বহুল প্রচলিত রাধারমণের একটি গান উদ্ধৃত করেছেন, যেটি এ পর্যন্ত কোনও সংকলনভুক্ত হয়নি। গানটি এ-রকম :

    আমায় নারীকূলে জন্ম কেন দিলায় রে দারুণ বিধি
    নারীকূলে জন্ম দিয়া ঘটাইলায় দুর্গতি রে।

    শিশুকালে পিতার অধীন, যৌবনেতে স্বামীর অধীন রে
    ওরে বৃদ্ধাকালে পুত্রের অধীন আমারে বানাইলায় রে।

    যদি আমি পুরুষ হইতাম মোহন বাঁশি বাজাইতাম রে
    কত নারীর মন ভুলাইতাম বাজাইয়া মুরলী রে।

    ভাইবে রাধারমণ বলে নারীজনম যায় বিফলে রে
    না লাগিল সাধের জনম বন্ধুয়ার সেবায় রে।

    লেখক স্বপন নাথ ‘যমুনা উজান বহে শ্যামের বাঁশির সনে’ শিরোনামে এক লেখায় লিখেছিলেন, ‘কেবল রাধারমণ দত্ত নয়, সকল লোককবি বা বাউলের একটি সাধারণ বিষয় হলো আত্মতত্ত্ব ব্যাখ্যা। উল্লেখযোগ্য যে, এই আত্মজিজ্ঞাসা বা আত্মমুক্তির সাধনা প্রাচীনকাল থেকেই শ্রেষ্ঠ চিন্তাশীল ব্যক্তির মধ্যেই লক্ষণীয়। […] রাধারমণ ভক্ত সাধক হলেও আত্মজিজ্ঞাসায় জারিত হয়ে মুক্তির সন্ধান করেছেন মুক্তপ্রাণে। তিনি গুরুবাদী ধারায় বিশ্বাসী হলেও সংস্কারাচ্ছন্ন বা অন্ধ ছিলেন না।’

    রাধারমণ গবেষক নন্দলাল শর্মা কয়েক বছর আগে আমাকে আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ‘রাধারমণের অনেক গান এখনও সিলেট ও কাছাড় অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। এগুলো সংগ্রহ করা দরকার। অনেক প্রবীণ মানুষ এখনও জীবিত রয়েছেন, তাঁদের কাছ থেকে গানগুলো শ্রুতিলিখন করে রাখা উচিত। নইলে ওদের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে গানগুলোও চিরতরে হারিয়ে যাবে।’

    নন্দলাল শর্মার আক্ষেপ যে আমার নিজের সঙ্গে এমনভাবে মিলে যাবে সেটা তো কখনও ভাবিনি। আমি চোখ বুজি। ফিরে যাই শৈশবের সেই প্রাতঃভ্রমণের দিনগুলোতে। দাদুর কনিষ্ঠা আঙুলে ধরে সবুজ ঘাস মাড়িয়ে সরু কাঁচা রাস্তা ধরে আমরা দাড়াইন নদীর পাড় ঘেঁষে হাঁটতাম। ঘণ্টাখানেক এভাবেই হাঁটতে হাঁটতে মাইল দেড়েক দূরের যাত্রাপুর গ্রামের পাশে চলে যেতাম। আবার একই ভাবে ফিরে আসতাম। এ সময়টাতে দাদু অনেক গল্প আর কীর্তন ঢঙয়ের গান শোনাতেন।

    আমার দাদু ব্রজেন্দ্র চৌধুরী রাধারমণের অনেক বৈঠকি ও কীর্তন গান জানতেন। প্রাতঃভ্রমণের সময় দাদু একটা গান খুব বেশি গাইতেন : ‘মুখে আমার কৃষ্ণ নাম গো, অন্তরে নাই মধু’। দাদু আজ বেঁচে নেই, দুই দশকেরও বেশি সময় আগে মারা গেছেন। তিনি মারা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই গানটিও যেন চিরতরে হারিয়ে গেছে। কীর্তন-ঢঙের এই বৈঠকি গানটির কোনও হদিশ পরবর্তীকালে আমি আর পাইনি। আবছা আবছা যতটুকু মনে পড়ে, দাদু বলেছিলেন-এটি রাধারমণের লেখা বৈঠকি গান। এখন, এই মুহূর্তে রাধারমণের একটি গান হারিয়ে যাওয়ার বেদনা আমাকে খুব তাড়া করছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো
    Next Article ডক্টর ইউনূসের দারিদ্র্য বাণিজ্য – বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }