Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোকায়ত জীবন ও লোকসাহিত্য – সুমনকুমার দাশ

    সুমনকুমার দাশ এক পাতা গল্প328 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছেগেন শাহ : তাঁর গান তাঁর কথা

    ছেগেন শাহ : তাঁর গান তাঁর কথা

    ৩২ পৃষ্ঠার সাদামাটা একটা বইয়ের দাম ১১৫ টাকা। শুনে চক্ষু চড়কগাছ! দোকানিকে বললাম, ‘ভাই, একটু কমে পারা যায় না?’ কিন্তু দোকানি যেন কথা বলতেও রাজি নন, শুধু মাথা নেড়ে না-সূচক উত্তর দেন। এরপর আবার বললাম, ‘আমার কাছে সর্বসাকুল্যে ১০০ টাকা আছে, ১৫ টাকা কম রাখেন।’ কিন্তু দোকানির নির্বিকার উত্তর, ‘বইয়ের গায়ে দাম যা লেখা আছে, তাই দিতে হবে। এক টাকাও কম হবে না। পুষালে নেন, না হলে ভাগেন।’

    দোকানির উপর অনেকটা ক্ষুদ্ধ হয়েই সেদিন ফিরে আসি। এ ঘটনার কয়েকদিন পর ওই বইটি কেনার জন্য আবারও সেই দোকানে যাই। কিন্তু বইটি আর পাইনি। দোকানি জানান, এক সপ্তাহে তাঁর দোকানের সবকটি বই শেষ হয়ে গেছে। ছাপা না থাকায় ওই বই আর আনাও সম্ভব হচ্ছে না। খোঁজ নিয়ে জানলাম-ওই দোকানি এক সপ্তাহে প্রায় ২৫০টি বই বিক্রি করেছেন। তথ্যটুকু জানার পর একটু চমকে উঠি। ভাবি-কেন তাঁর বইটির এত কাটতি? মনে একটা জেদ জাগে-যেভাবেই হোক বইটি আমার চাই-ই।

    পরে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের বাসিন্দা বাউলশিল্পী বশিরউদ্দিন সরকার আমাকে একটি বই সংগ্রহ করে দেন। ছেগেন শাহ প্রণীত আশেক ভান্ডার-এর দ্বিতীয় সংস্করণ, যেটি ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ প্রকাশিত হয়েছিল। বইটির প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৬ সালের ১ জানুয়ারি। বইটিতে সর্বমোট ৬৬টি গান রয়েছে। আশেক ভান্ডার হাতে আসার মাস ছয়েক পরে ছেগেন শাহ প্রণীত রিয়াজুল জান্নাত শীর্ষক অপর বইটিও আরেক বাউলশিল্পী মারফত পেয়ে যাই। এটিতে সর্বমোট ৮৪টি গান রয়েছে। দ্বিতীয় বইটি ২০০৪ সালের ১৬ এপ্রিল প্রকাশিত হয়েছিল। এর বাইরে ছেগেন শাহর রচিত আরও বেশ কিছু গান অগ্রন্থিত অবস্থায় রয়েছে বলে জানতে পারি।

    বই দুটির প্রচ্ছদ বেশ আকর্ষণীয় ও ব্যতিক্রম। সচরাচর গানের সংকলনের এ ধরনের প্রচ্ছদ খুব একটা চোখে পড়ে না। গীতিকারের সুঠাম উদোম শরীরের একটি আলোকচিত্র দিয়ে প্রচ্ছদ তৈরি করা হয়েছে। থুতনিতে দাড়ি এবং কালো চুলে মোহনীয় এক চেহারা। কাপড়বিহীন উদোম শরীরে সাদা লুঙ্গি পরে পদ্মাসনে বসে রয়েছেন গীতিকার। দুটি বইয়ে একই আলোকচিত্র ব্যবহার করা হয়েছে। আশেক ভান্ডার-এর প্রচ্ছদে নীল আকাশের সাদা মেঘের ওড়াউড়ি দৃশ্যের সঙ্গে এবং রিয়াজুল জান্নাত-এর প্রচ্ছদে অসংখ্য ফুলের মধ্যে গীতিকারের আলোকচিত্র বসিয়ে প্রচ্ছদ তৈরি করা হয়েছে। আসলে গীতিকারের বই ও অবয়বের বিশেষত্ব বোঝানোর জন্যই এতসব বলা।

    বইটিতে সংকলিত গানগুলো পাঠের আগে পাঠকেরা গীতিকারের এমন ব্যতিক্রমী প্রচ্ছদ দেখে একটু ভিন্ন আকর্ষণ অনুভব করবেন-সেটাই স্বাভাবিক। তবে কি সেই কারণেই বইটির এত কাটতি। কিন্তু এটা যে আমার একেবারেই ভ্রমধারণা, সেটা বইটির গানগুলো পাঠেই টের পাই। দুটি বইয়ের ভূমিকা অভিন্ন। সে অংশে ছেগেন শাহ জানাচ্ছেন, ‘গান জীবনকে দেয় সান্ত্বনা। সহায় ও সম্বলহীন ব্যর্থ জীবনে চিরসাথি গান।’ আমি ঠিক জানি না, ছেগেন শাহ গানকে আকড়ে ধরে কতটুকুই বা সান্ত্বনা পেয়েছিলেন। তবে এটা বেশ বুঝতে পারি-আমৃত্যু গানকেই চিরসাথি করে রেখেছিলেন।
    ছেগেন শাহর কাছে বাউল দর্শন যে খুব স্পষ্ট, এর সপক্ষে তাঁর গানে অজস্র উদাহরণ রয়েছে। বাউলেরা ইঙ্গিত-সর্বস্ব গান রচনা করেন। তিনিও ব্যতিক্রম নন। শরিয়তি শব্দ ব্যবহার করে মারিফতি ধ্যান-ধারণার প্রতিচ্ছবি ছেগেন শাহ এভাবেই এঁকেছেন :

    কেমনে শিখিবে এলমে মারিফতি কৌশল
    শুন রে মনপাগল, এক-এক কলিমায় আছে শত সহস্র কল।

    মন রে, চার হাজার কল আছে, কলিমা তৈয়্যবে
    আর চার হাজার ত্রিশটা কল কলিমা সাহাদতে পাবে
    কলিমা তাওহিদে আরও চার হাজার ৭০টি কল করতেছে ঝলমল।

    মন রে, চার হাজার দুইশত কল, কলিমা তামজিদে
    আট হাজার তিনশত কল দুই আমানতুবিল্লাতে
    এসব হয় তাওহিদ করিতে, তাওহিদ না করিয়া মরলে
    মানব জনম যায় বিফল।

    মন রে, চব্বিশ হাজার ছয়শত কল, ছয় কলিমায়
    ওই কল আদমের দেহে ছয় লতিফায় দমের হিসাব না রাখলায়
    দমের হিসাব যে রাইখাছে সে মানুষ আসল।

    মন রে, চব্বিশ হাজার ছয়শত কল, খুলতে যদি চাও
    কামিল পিরের কাছে শিখ তাহার ভাও
    এলমে তাছাউফের পানে চাও, ছেগেন শায় কয়
    চাইতে চাইতে জীবন যায় বিফল।

    গানটিতে ছেগেন শাহ মারিফতি কথায় বাউলদের ‘দমসাধনা’ পদ্ধতির রীতিনীতি উল্লেখ করেছেন। এই ‘দমসাধনা’ বা ‘শ্বাসনিয়ন্ত্রণ’ বাউলদের চিরায়ত পদ্ধতি। ‘দমসাধনা’র মাধ্যমে বাউলেরা ‘গুরুবস্তু’ নিয়ন্ত্রণ রাখেন। কামনদীর উত্তাল ঢেউ থেকে নিজেদের অটল রাখেন। আর এটাই বাউলসাধনা। বাউলঘরানার মানুষ হলেও বাউলদের কাছে ছেগেন শাহর সাধনায় একাগ্র নন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    ছেগেন শাহর সমসাময়িক এবং উত্তরসূরি বেশ কয়েকজন বাউলেরা তাঁর বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ এনেছেন। তাঁদের ভাষায় এগুলো ‘গুরুতর অভিযোগ’। প্রথমত. গুরু।মুর্শিদের মেয়ে অনেকটা ‘গুরুবোন’ হিসেবেই আখ্যায়িত। তাঁদেরকে শ্রদ্ধার চোখে বিবেচনা করাই বাউলদের প্রচলিত রীতি। কিন্তু ছেগেন শাহ সেই রীতি থেকে বিচ্যুত হয়েছেন। কারণ তিনি তাঁর গুরু মারফত শাহের (সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ধাইপুর গ্রামের প্রখ্যাত বাউল-গীতিকার কালা শাহের ছেলে) মেয়ে সূর্যভানকে বিয়ে করেছেন। এটি গর্হিত অপরাধ। দ্বিতীয়ত. সূর্যভানের সঙ্গে বিয়ের পর তাঁদের নয়টি সন্তানের জন্ম হয়েছে। সংগত কারণেই ছেগেন শাহ ‘বস্তুনিয়ন্ত্রণ’ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এটি বাউলসাধনার পুরোপুরি বিপরীত।

    ছেগেন শাহর বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ অঞ্চলের কয়েকজন বাউল-গীতিকার অভিযোগ তুলেছেন, তিনি গান রচনা করতে পারতেন না। লাল শাহ (কালা শাহর শিষ্য) নামে এক বাউল-গীতিকারের গান তিনি ‘চুরি’ করেছেন। ছেগেন শাহর প্রকাশিত গানগুলো লাল শাহর গান। তবে এসব অভিযোগের সপক্ষে তেমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ তো গেল একটি দিক, অন্যদিকে তাঁর নাম নিয়েও বেশ লোকশ্রুতি প্রচলিত রয়েছে। গত বছর কয়েক আগে আবৃত্তিকার অম্বরীষ দত্ত তাঁর সিলেট নগরের সুরমা পয়েন্ট এলাকায় অবস্থিত তাঁর কর্মস্থলে বসে আমাকে একটি গল্প শুনিয়েছিলেন। সেটা ছিল ছেগেন শাহকে নিয়ে।

    গল্পটি এ-রকম : সেকেন্ড শাহ, মানে দ্বিতীয় রাজা। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষজন সেকেন্ড শব্দটা উচ্চারণ করতে পারত না, বলত-ছেগেন। এভাবেই ‘সেকেন্ড শাহ’ লোকমুখে ‘ছেগেন শাহ’ হিসেবে পরিচিতি পায়। তবে এই ‘সেকেন্ড শাহ’র প্রকৃত নাম কাওসার আহমদ চৌধুরী। অনেক আগে একবার তিনি আসরে গান গাইতে গিয়েছেন। সে আসরে প্রখ্যাত বাউলশিল্পী শাহ আবদুল করিমও এসেছিলেন। করিম তখন কাওসার আহমদ চৌধুরীর গান শুনে তাঁকে বললেন, ‘আমার পরে তো দেখছি তুমি-ই ভালো গাও।’ করিম শাহের এমন প্রশংসা পেয়ে উপস্থিত সকলে কাওসার আহমদ চৌধুরীকে বাহ্না দেন এবং ‘শাহ আবদুল করিমের পরেই তাঁর অবস্থান’-করিমের এ মন্তব্যের কারণে লোকজন তাঁকে ‘সেকেন্ড শাহ’ নামে ডাকা শুরু করে দেন। এরপর থেকেই লোকমুখে ‘ছেগেন শাহ’ নামটি পরিচিতি লাভ করে।

    অম্বরীষ দত্ত সেদিন এ কথাও বলেছিলেন, ‘গল্পটির সত্য-মিথ্যা জানি না। আমিও কোনও এক বাউলশিল্পীর মুখে এটি শুনেছি। চমকপ্রদ হওয়ায় তোমাকে শুনালাম। তবে ইদানীং শাহ আবদুল করিমের প্রচার-প্রচারণা এত বেশি হয়েছে যে, তাঁর নামের সঙ্গে জড়িয়ে আরেকটি ঐতিহাসিক কাহিনি সাজানোর চেষ্টাও হতে পারে এটি।’ এ গল্পটি সুনামগঞ্জ অঞ্চলের বেশ কয়েকজন বাউলশিল্পীকে জানালে তাঁরা সরাসরি এটিকে ‘জালগল্প’ বলে অভিহিত করেন। তাঁদের মতে, এ গল্পটির কাহিনি পুরোপুরি মিথ্যা। কারণ জীবিতাবস্থায় ছেগেন শাহ নিজের সম্পর্কে একাধিক গালগল্প চালু করেছেন। এসব গল্প বেশ রসালো হওয়ায় দ্রুত মানুষের মুখে ছড়িয়ে পড়েছে।

    বাউল-গীতিকার সয়াল শাহ বলেন, ‘সেকেন্ড শাহ ভালো দোতারা বাজাতেন। কিন্তু তাঁর কণ্ঠ এতটা ভালো ছিল না। তাই সে ভালো গান গায়-এ ধরনের কথা শাহ আবদুল করিম কখনওই বলতে পারেন না। এটি একটি বানানো গল্প। আমি নিজেই একদিন শুনেছি-বাবা (শাহ আবদুল করিম) সেকেন্ড শাহকে বলেছেন, “তোর নামই তো ছেগেন, পাস অইবে কেমনে? তর আগের নামটা-উ তো ভালা আছিল, ছেগেন শাহ রাখলে কেনে?” এ-কথায় বোঝা যায় এই নামটি শাহ আবদুল করিমের দেওয়া নয়।’

    সয়াল শাহ আরও বলেছিলেন, ‘হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার স্নানঘাট এলাকায় সেকেন্ড শাহর প্রকৃত বাড়ি ছিল। তিনি পল্লি চিকিৎসক ছিলেন। সেখানে এক নারী-ঘটিত বিষয়ে জড়িয়ে তিনি বাড়ি থেকে পালিয়েছিলেন। এরপর দিরাইয়ের ধাইপুর গ্রামে এসে বসতি স্থাপন করে মারফত শাহের শিষ্যত্ব নেন।’

    বাউল-গায়ক বশিরউদ্দিন সরকার জানান, মোবারক শাহর পিতা ছিলেন প্রখ্যাত বাউল-গীতিকার কালা শাহ। হয়তো তাঁর ছেলের শিষ্য হিসেবে কাওসার আহমদ চৌধুরী নিজের নাম রেখেছিলেন সেকেন্ড শাহ। তবে উপর্যুক্ত তথ্যগুলোর সত্য-মিথ্য কোনওটাই নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু যে ব্যক্তিটিকে নিয়ে সুনামগঞ্জের খোদ বাউলশিল্পী ও গীতিকারদের মধ্যে এত লোকশ্রুতি এবং পক্ষে-বিপক্ষে এত মাতামাতি, তাঁর সম্পর্কে যে কারোরই কৌতুহল সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক।

    সেই কৌতূহল থেকে ধীরে ধীরে ছেগেন শাহর পরিবারের সদস্যদের খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা চালাই। সেই চেষ্টার বহুদিন পর জালাল মিয়ার সঙ্গে কথা হয়। তাঁর বাড়ি সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পাগলাবাজারের কান্দিগাঁও গ্রামে। তিনি ছেগেন শাহর জামাতা। তিনি জানালেন, তাঁর শ্বশুর (ছেগেন শাহ) ১৪১৩ বঙ্গাব্দের ১৪ আষাঢ় (২০০৭ খ্রিস্টাব্দ) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় মৃত্যুবরণ করেছেন।

    জালাল মিয়ার কাছ থেকে ছেগেন শাহের নয় সন্তানদের নামও জানতে পারি। তাঁরা হচ্ছেন : হেলেনা আক্তার, রিপন আক্তার, শামীম শাহ, লাকী আক্তার, নিশ্চপা আক্তার, পাভেল শাহ, জোসেফ শাহ, জুবায়েদ শাহ ও লক্ষী আক্তার। সত্যিকার অর্থে ছেগেন শাহর নয় সন্তানের কথা শুনে আমি নিজেও একটু অবাক হই। আমার অবাক হওয়ার পেছনে একটা যুক্তিযুক্ত কারণও রয়েছে। কারণ আমি তাঁর রচিত একটা বিখ্যাত গানের কথা জানি। নারীর রজঃ বিকাশকালীন সময়কে কেন্দ্র করে গানটির শরীর গঠিত। আর এটি হচ্ছে বাউলদের সাধনতত্ত্বের অতিগুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।

    আমি বুঝে উঠতে পারি না-যে গীতিকার লিখতে পারেন ‘দলিল মতে নিষেধ জানি’, তাহলে দমসাধনায় প্রাজ্ঞ সেই ব্যক্তি কেনইবা নয় সন্তান জন্ম দেবেন? অথচ ‘বস্তুনিয়ন্ত্রণ’-এর পুরো কৌশল কত সহজেই না তিনি রপ্ত করেছেন এবং বর্ণনাও করেছেন :

    হর রঙের রঙিলা বন্ধু, থাকইন রূপের ঘরে লো সজনী সই
    সই লো আমার বন্ধে কতই না রং ধরে।

    সই লো সই, স্বরূপ দেশে রূপের ঘর, সে দেশ হয় উজানি শহর
    শুন খবর কই আমি তোমারে
    সেই দেশের নদীর পানি বারো মাস চলে উজানি
    বৎসরে ৩৬ দিন ভাটা পড়ে লো
    সজনী সই আমার বন্ধে কতই না রং ধরে।

    সই লো সই, প্রতি মাসে প্রতি চান্দে
    তিন দিন আমার সোনা বন্ধে, ভাটার গাঙে লাই খেলা খেইর করে
    এইদিন ফকির, দরবেশ, যোগী ঋষি, যারা সেই রূপের তাপসী
    ওই দিবসে তারা যাত্রা করে লো সজনী সই।

    সইলো সই, দলিল মতে নিষেধ জানি, এসব কথা হয় বাতুনী
    কইলে সইরতের লাঠি ঘুরে, ভান্ড দেখে থাকিলে সই
    মিলিবে না ছাক্কা দই, ডাকনি সরাও, পিপাসায় যার ধরে।

    সই লো সই, চব্বিশ হাজার ছয়শত ফুল, তুলিতে যার হয় না ভুল
    দমসুরতে সে মালা গাঁথতে পারে
    নামের হলদি গায়ে মাখিয়া, সেই মালা গলে পড়িয়া
    বন্ধু নিয়া খেলে প্রেমসাগরে লো সজনী সই।

    সই লো সই, পির মুর্শিদের মুখের বাণী, শুইনা কত হইছে ধনী
    মহাজনী করে এই সংসারে
    এ ছেগেন শাহ প্রেমভিখারি, দুধের মাখন লইতে নারি
    আমার হাতে মন্থন নাহি ঘুরে।

    একইভাবে তিনি লিখেছিলেন-‘কোন সাহসে নাও বাইতেছ ভব দরিয়ায়। পাক পানিত পড়লে নাও বাঁচানো বিষম দায়’। কিংবা ‘প্রেম যমুনায় দুইটি নহর, ১৩ নদী সপ্ত সাগর কুল নাই অকুল। চন্দ্র সে তো নহরে যাত্রা, লগ্ন তিথি যেন হয় না ভুল। দমে দমে যোগ করিয়া, চন্দ্র ধরার জাল বুনিয়া। প্রেমের মস্তুলে বাদাম তোল। অনুরাগ বাতাসে নিবে, যেথায় সে ফুলেরই মুল। ফুলের মুলে একটি নারী, আছে নবরঙ্গের সাজ ধরি। রসিক পেলে হয়ে যায় আকুল। তারে করলে বাধ্য, সব হয় সাধ্য, অকুলেতে মিলে কুল।’
    আবার আরেকটি গানে বলছেন-‘পূর্ণিমা অমাবস্যা তিথি অনুসারে। শুদ্ধ জন্ম যে জনার সুলগ্নে যাত্রা করে। মুর্শিদের কৃপা আছে যার, মন্ত্র জানে চন্দ্র ধরার। অঙ্গে মাখিয়া সে রং সঙ্গে ভাসে। এশ্ক জলে চন্দ্র উদয়, প্রতি বৎসর ৩৬ দিন। মণিপুর মহত্ত্ব বিধান, সাধকের শুভ দিন। কামে প্রেমে সংযুক্ত, নিত্য ধামে হয় নিত্য। মত্ত মত্ত সাধু প্রেমবিলাসে।’

    ছেগেন শাহ বলছেন-‘দমের কারবার, কর দমের বিচার’। ‘দমের বিচার’ করতে হলে ‘চন্দ্র ধরার জাল’ বুনতে হবে। তবেই কেবল রসিক মানুষ লগ্ন-তিথি মেনে ‘প্রেম যমুনায়’ জাল ফেলতে পারবেন এবং তবেই ‘পঞ্চরসে’ যে ফুল ফোটে, সেটার সন্ধান পাবেন। তাই ছেগেন শাহর উক্তি :

    প্রেম যমুনায় পঞ্চরসে ফুটে সেই ফুল
    সে ফুলে হয় চন্দ্র উদয় দেখবে যদি পর্দা খোল
    ফুটে সেই ফুল।

    প্রেম যমুনায় দুইটি নহর, ১৩ নদী সপ্ত সাগর
    কুল নাই অকুল, চন্দ্র সে তো নহরে যাত্রা
    লগ্ন তিথি যেন হয় না ভুল।

    দমে নামে যোগ করিয়া, চন্দ্র ধরার জাল বুনিয়া
    প্রেমের মস্তুলে বাদাম তুল
    অনুরাগে টেনে নিবে যেথায় সেই ফুলেরই মুল।

    ফুলের মুলে একটি নারী, আছে নব রংয়ের সাজাও দরি
    রসিক ফেলে হয়ে যায় আকুল, তারে করলে বাইন্ধ
    সব হয় সাইন্ধ, অকুলেতে মিলে কুল।

    অকুলেতে ফুল আছে যার, তার ললাটে চান্দের বাজার
    হুরি নূরি তার প্রেমে মশগুল
    ছেগেন শায় পর্দা তুলিয়ে, গলে তার কলংকের ঢুল।

    এসব তত্ত্বকথা জেনেও কেন ছেগেন শাহ ‘বস্তুনিয়ন্ত্রণ’ করতে পারেননি, সেটাই অপরাপর বাউলশিল্পীদের জিজ্ঞাসা। আপাতদৃষ্টিতে যদিও এই জিজ্ঞাসার কোনও সদুত্তর নেই, তাই বলে ঠিক এ কারণে ছেগেন শাহকে বিচ্ছিন্ন করারও উপায় নেই। কারণ তত্ত্বগত বিচারে তাঁর রচিত গানগুলো বাউলতত্ত্বের এক উল্লেখযোগ্য আকর হিসেবে বিবেচ্য হতে বাধ্য। ‘কামসাগর’-এর ‘কামকুম্ভীর’ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য ছেগেন শাহর উক্তি :

    পাগল মন, মন রে, কামসাগরে ধইরাছ পাড়ি
    দিয়েছে ধন, মুল মহাজন হারাইবে ডুবলে তরি
    কামসাগরে ধইরাছ পাড়ি।

    কামসাগরে কামকুম্ভীরে ঝাঁকে ঝাঁকে ঘুরে-ফিরে রে
    অসময় পাইলে নাইয়া রে নিয়া যায় ঘাড়ে ধরি।

    সাগরের নাই কুলকিনারা, গহীনে তার বহে দাঁড়া রে
    অমাবশ্যা পূর্নিমা ছাড়া, বেদিশা হয় বেপারি।

    ছেগেন শায় কইন ও ভাই নাইয়া
    কানালে যাও শুন ধরাইয়া রে
    পাকপানি যাইবে কাটিয়া, পলকে ঝলক মারি।

    ছেগেন শাহর গানগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যেমন-নিগূঢ়তত্ত্ব, মুর্শিদি, কামতত্ত্ব, পারঘাটাতত্ত্ব ও বিচ্ছেদ। তাঁর অধিকাংশ গান বাউলতত্ত্বে ভরপুর। সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের বাউল-গীতিকারদের মধ্যে বিচ্ছেদ গান রচনার প্রবণতা একটু বেশি হলেও ছেগেন শাহ সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। বিচ্ছেদ গান যে একেবারেই লেখেননি, তা নয়। তবে সেসব পর্যায়ের গান তিনি পরিমাণে খুব অল্পই লিখেছেন।

    এ মুহূর্তে তাঁর রচিত বহুল প্রচলিত একটি বিচ্ছেদ গানের কথা মনে পড়ছে। এটি হচ্ছে-‘আমি ফুল তুমি ভ্রমর, মধু করো পান। তোমারে বুকে লইয়া, জুড়াইব প্রাণ’। ছেগেন শাহ নিজে ফুল সেজে ভ্রমররূপী বন্ধুকে মনপ্রাণ-জীবনযৌবন সঁপে দিতে চাইছেন। এমন উদারতা কজনই বা দেখাতে পারেন? আরও একটি গানের প্রথম চারটি পঙ্ক্তি আমার আগে থেকেই জানা ছিল। কিন্তু এটি যে তাঁর রচিত-তা জানতাম না। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি, গানটি আশেক ভান্ডার-এর ৩৯ নম্বর গান। পুরো গানটি নিচে উদ্ধৃত করছি :

    আইলায় না পরানের বন্ধু রে আরেও বন্ধু দেখলায় না আসিয়া
    কোন পরানে আছ তুমি, দাসী রে ভুলিয়া বন্ধু রে।

    আসবে বলে কথা দিলা রে বন্ধু, না আসিলায় ফিরিয়া
    আমায় পাসরিলায় তুমি, কোন রমনী পাইয়া বন্ধু রে।

    তোমার কথা মনে হলে রে বন্ধু, বুক ভাসাই কান্দিয়া
    তোমার আসার পথে চাইয়া থাকি, আমি অভাগিয়া বন্ধু রে।

    তুমি যদি ভুলো আমায় রে, ওয়রে বন্ধু আমি না ভুলিব
    দেশ বিদেশে পাগল বেশে তোমার প্রেমের গান গাইব বন্ধু রে।

    এ ছেগেন শাহ ভবে আছি রে, ওয়রে বন্ধু জিতে মরা হইয়া
    পরাণনি হইব বাহির, তোমার চান্দমুখ দেখিয়া বন্ধু রে।

    ছেগেন শাহর বিচ্ছেদ পর্যায়ভুক্ত গানে তাঁর পূর্বসূরি বাউল-গীতিকারদের ব্যাপক প্রভাব লক্ষণীয়। তবে তাঁর বাউলতত্ত্বকেন্দ্রিক গানগুলো সে দোষে মোটেই দুষ্ট নয়, বরং এগুলো একেবারেই প্রভাবমুক্ত থেকে তিনি রচনা করেছেন। বাউলসাধনার দর্শন ঠিক রেখে তিনি নিজের মতো করে গানের পঙ্ক্তি রচনা করেছেন। ‘রসিক মানুষ’ই কেবল এসব গানের গূঢ়ার্থ ভেদ করতে পারবেন। ছেগেন শাহর গানগুলোকে ‘বিচিত্র’ উল্লেখ করে তাঁর দুটি বইয়ের সর্বশেষ সংস্করণের প্রকাশক শেষ প্রচ্ছদে গীতিকার সম্পর্কে কিছু বক্তব্য উল্লেখ করেছেন, যা এ-রকম:

    সংগীত হচ্ছে প্রকৃতির মাতৃভাষা। যারা ভাবের ভাবিক, মনের মানুষের সন্ধানে যারা গৃহত্যাগী, শয়নে স্বপনে যাদের মন মানসিকতা সতত ভাবিত থাকে আমার শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব জনাব মো. কাওসার আহমদ ওরফে ছেগেন শাহ তাঁদেরই একজন। বিচিত্র ভাবধারার অশেষ গানের জনক জনাব ছেগেন শাহ দীর্ঘদিন যাবৎ মারফতি, আধ্যাত্মিক, দেহতত্ত্বসহ বিভিন্ন প্রকার গান রচনায় সক্রিয় রয়েছেন।

    তিনি সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার স্নানঘাট গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত চৌধুরী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম মনিরউদ্দিন চৌধুরী ওরফে মনির মিয়া এবং মাতার নাম মরহুমা কুতুবুন নেছা চৌধুরী কলি। মাসুক প্রেমে বিভোর সাধক পুরুষ ছেগেন শাহর গান ভাবুক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করুক, পথহারা পথিক ঐসব গান থেকে সঠিক পথে আবর্তিত হোক।
    উপর্যুক্ত লেখায় আশেক ভান্ডার ও রিয়াজুল জান্নাত গ্রন্থ দুটির প্রকাশক মো. আবদুল খালিক ছেগেন শাহর গানের পর্যায় সম্পর্কে প্রচ্ছন্ন একটা ধারণা দিয়েছেন। ওই লেখক জানিয়েছেন, মনের মানুষের সন্ধানে ছেগেন শাহ ছুটে চলেছেন। এ কথার সপক্ষে ছেগেন শাহর গানগুলোই যথেষ্ট। যদিও সুনামগঞ্জের অনেক বাউল-গীতিকার ও শিল্পী ছেগেন শাহর আচরণকে বাউলবাদী ধারার সঙ্গে তুলনা করতে নারাজ।

    জানতে পারি, ছেগেন শাহর জীবদ্দশাতেই তাঁকে নিয়ে নানামুখী প্রচারণা ও লোকশ্রুতি প্রচলিত ছিল। কিন্তু তিনি নাকি সেসব ভ্রুক্ষেপই করতেন না। তাঁর চলাফেরা ছিল অনেকটা বেপেরোয়া। তবে এটা সব বাউল-গীতিকার এবং ফকিরেরা মানেন যে, নিজের ভেতরের যে সত্তা, তার অনুসন্ধানে ছেগেন শাহ সর্বদা নিরলস সাধনা করে গেছেন। অবশ্য তাঁর গানের মধ্যেও সে ধারণা পাওয়া যায়। তিনি এক গানে লিখেছিলেন-‘আমি আমাকে যদি নাহি চিনিলাম। আমাতে লুকিত আমি নাহি দেখিলাম। তোমাকে আমি কেন এত সঁপিলাম’।

    এ জিজ্ঞাসা নিয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আত্মানুসন্ধানে অবিরত ছুটে চলা ছেগেন শাহর গানের পঙ্ক্তিগুলো এখনও সিলেট অঞ্চলে বেশ আলোচিত-সমালোচিত। তাঁর ব্যক্তিজীবন এবং গান-দুটোই ক্রমশ উত্তরসূরি বাউল-গীতিকার ও ফকির এবং বাউল-গবেষকদের কাছে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে। শেষপর্যন্ত এ আগ্রহ কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, তাই এখন দেখার বিষয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো
    Next Article ডক্টর ইউনূসের দারিদ্র্য বাণিজ্য – বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }