Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোকায়ত জীবন ও লোকসাহিত্য – সুমনকুমার দাশ

    সুমনকুমার দাশ এক পাতা গল্প328 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাউল গীতিকার শেখ ওয়াহিদুর রহমান

    বাউল গীতিকার শেখ ওয়াহিদুর রহমান

    গানটা কবে, কোথায়, কখন, কীভাবে শুনি-সেটির সঠিক দিনক্ষণ আর মনে নেই। একটা চাপা বেদনা।দুঃখবোধ গানটির প্রতিটি পঙ্ক্তিতে উপলব্ধি করি। কী উচ্চারণ-‘কত কষ্ট কইরা আমি। কামাই রোজগার কইরা আনি। তবু বুইড়ার মন পাইলাম না। বুড়ি হইলাম তোর কারণে।’ গানটির পরতে পরতে যেন এক নারীর বেদনার স্তর জমেছে। সেই নারীর হৃদয়ের গভীরে প্রোথিত থাকা কষ্টের উচ্চারণই যেন এই গান। গানের মূল চরিত্র আবর্তিত হয়েছে চা-বাগানে খেটে খাওয়া এক নারী শ্রমিককে ঘিরে। সেই নারী দিনমান পরিশ্রম করে সর্বস্ব উপার্জন স্বামীর হাতে তুলে দিয়েও প্রিয়তম স্বামীর ভালোবাসা পাচ্ছেন না। এই হচ্ছে গানটির বিষয়বস্তু।

    গীতিকার শেখ ওয়াহিদুর রহমানের (১৯৩৯-২০১২) লেখা এ গানটি প্রথমে গেয়েছিলেন শিল্পী কাঙালিনী সুফিয়া। গায়িকার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল না। বার তিনেক বিভিন্ন গানের আসরে তাঁর গান শুনেছি। লক্ষ করতাম-গান গাওয়ার সময় সুফিয়ার হালকা-পাতলা শরীর নাড়ানোর দৃশ্যটি বেশ উপভোগ্য। যে চা-কন্যার কষ্টের আর্তি গানটিতে পরিস্ফুট হয়েছে, সুফিয়ার পুষ্টিহীন হাড্ডিসার দৈহিক গড়ন যেন তারই পরিচয় বহন করে। গীতিকার শেখ ওয়াহিদুর রহমানের গানের মুখ্য চরিত্রটিই মনে হয় তাঁকে। তবে সুফিয়ার গাওয়ার ভঙ্গিতে মোটেই সে রকম কষ্টবোধের কোনও চিহ্ন পাওয়া যায় না। তাঁর স্বভাবসুলভ হাসি ও খোলা চুলের দৃষ্টিনন্দন দোলানোটুকু গানটির প্রকৃত অর্থের বিচ্যুতি ঘটায়।

    এটা ঠিক যে-সুফিয়ার সেই অভিনবত্ব শুধু দর্শক।শ্রোতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কৃত্রিমভাবে উপস্থাপিত। একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায় সুফিয়ার ভেতরের কষ্টটুকু। সেটাও গানের সেই চা-কন্যার চেয়ে নেহাত কম নয়। অর্থ-সংকট ও দারিদ্র্য তাঁর চোখে-মুখে পরিস্ফুট। অনেক পরে ২০০৯ সালে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয়। তারিখটি আর মনে নেই। সেদিন বিকেলে সিলেট অডিটোরিয়ামে (বর্তমান নাম কবি নজরুল অডিটোরিয়াম) শেখ ওয়াহিদ গীতি সমগ্র-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান ছিল।

    সে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা থেকে এসেছিলেন সংগীতজ্ঞ মৃদুলকান্তি চক্রবর্তী, স্থপতি শাকুর মজিদ, শিল্পী কাঙালিনী সুফিয়াসহ অনেকেই। প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজক মোস্তফা সেলিমের অনুরোধে দুপুরের দিকে ঢাকা থেকে আগত অতিথিরা যেখানে অস্থায়ী আবাসন গেড়েছেন সেখানে হাজির হই। অনুষ্ঠানের আগ পর্যন্ত জম্পেশ আড্ডা হয়। সে আড্ডার মধ্যমণি ছিলেন বইটির লেখক গীতিকার শেখ ওয়াহিদুর রহমান।

    সেদিন শেখ ওয়াহিদুর রহমানের রসজ্ঞান দেখে আমি মুগ্ধ না হয়ে পারলাম না। নিজের গান সম্পর্কে তাঁর উচ্চধারণা দেখে আমি শুরুতেই একটু ভিরামি খেলাম। এ আবার কেমন কথা? লেখক নিজেই বলছেন কি না-‘আমার গান একদিন ইতিহাস অই থাকব’। পরে, আলাপ যখন আরও জমে ওঠে, তখন বুঝতে পারি-এসব কথা আসলে কোনও অহংবোধ থেকে নয়, এটি নিতান্তই তাঁর নিজের সৃষ্টির প্রতি গভীর অনুরাগ ও ভালোবাসা।

    সেদিনই প্রথম সামনা-সামনি আলাপ।পরিচয় হয় কাঙালিনী সুফিয়ার সঙ্গে। শুরুতেই তাঁকে বলি-‘আপনার গান বিভিন্ন আসরে শুনেছি। এখন সরাসরি পরিচিত হয়ে ভালো লাগছে।’ তিনি আমার কথা শুনে মুচকি হেসে মাথা দুলালেন। আমি বলি, ‘বুড়ি হইলাম তোর কারণে’ গানটি যখন আপনি গেয়ে থাকেন, তখন খেয়াল করলাম আপনার চোখেমুখে এক ধরনের প্রশান্তি ভর করে, কিন্তু কেন? এ গানটি তো দুঃখের গান, বেদনার গান!

    আমার কথা শুনে কাঙালিনী সুফিয়া আবারও মুচকি হাসেন। আমি তাঁর মুখের দিকে চেয়ে থাকি। তিনি কোনও জবাব দেন না। কিছুক্ষণ পর লম্বা একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন। তাঁর এই দীর্ঘশ্বাসের মধ্যেই আমার উত্তর পেয়ে যাই। এ সময় শেখ ওয়াহিদুর রহমান বলেন, ‘এই গানটা বোধহয় আমি কাঙালিনীর জন্যই লিখেছিলাম। এ গানটি যখন সুফিয়া গায়, তখন সে শিল্পী হিসেবে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে যায়। সেই সঙ্গে এ গানের গীতিকারও।’

    কথার মোড় একটু ঘুরিয়ে দিই। জানতে চাই, ‘মাটির গাছে লাউ ধইরাছে’ গানটি প্রসঙ্গে। এবার যেন একটু খোলশ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন কাঙালিনী সুফিয়া। আমাকে অবাক করে দিয়ে জোর কণ্ঠে টান দেন গানটিতে। তিনি গাইতে থাকেন :

    আমার মাটির গাছে লাউ ধইরাছে
    লাউ যে বড়ো সোহাগী
    আমার লাউয়ের পিছে লাগছে বৈরাগী।

    আঁচল দিয়ে ঢাইকা রাখি
    চোরে নেওয়ার ডরে
    কেমন কইরা পড়লো সে লাউ
    বৈরাগীর নজরে
    ও সে হরণ কইরা নিতে চায় লাউ
    বানাইতে তার ডুগডুগি।

    বৈরাগীকে বললাম আমি
    কূলের মুখে দিস না কালি
    ও তার হাতে লোটা মাথায় ঝটা
    কপালে তিলকের ফোটা
    গাঁও গেরামে ঘুরে বেটা
    সাজিয়ে ব্রম্মচারী ব্রম্মচারী।

    এই লাউয়ে হয় না একতারা
    ও মন হয় না দোতারা
    দুই তারে এক সুর ধরিলে
    হয় রে একতারা
    সাধক ওয়াহিদ বলে লাউয়ের জন্যে
    কতজন হয় ঘরত্যাগী।

    হঠাৎ করেই যেন আসর জমে উঠেছে। আশপাশের কক্ষের সবাই এক জায়গায় জড়ো হচ্ছেন। কাঙালিনী সুফিয়া এবার দাঁড়ালেন। ঠিক একই ভঙ্গি, যেমনটা প্রায়সই মঞ্চে দেখা যায়। ডান হাত উপরে তুলে নৃত্যরত ভঙ্গিতে টান দিলেন বহুল প্রচলিত সেই গানে :

    কত কষ্ট কইরা আমি
    কামাই রোজগার কইরা আনি
    তবু বুইড়ার মন পাইলাম না রে
    বুড়ি হইলাম তোর কারণে।

    কোদালে কাটিয়া মাটি
    হাতুড় দিয়া পাথর ভাঙি
    তবু দুঃখ গেল না রে
    বুড়ি হইলাম তোর কারণে।
    চা-বাগানে একলা জীবন
    মর্মব্যথা দেয় যে কেবল
    পিঠে রেখে বাঁশের ঝুড়ি
    সবুজ চায়ের ভাঙি কুড়ি রে
    বুড়ি হইলাম তোর কারণে।

    ভেবে সাধক ওয়াহিদ বলে
    পাতার বাহার দেখে দেখে
    ছড়ায় নালায় গোসল করে
    কত নারীর জীবন গেল রে
    বুড়ি হইলাম তোর কারণে।

    এ-রকম বেশ কতগুলো জনপ্রিয় আঞ্চলিক ও বিচ্ছেদী পর্যায়ের গান শেখ ওয়াহিদুর রহমান লিখেছেন। একজন শিল্পপতি হয়েও গানের প্রতি তাঁর দরদ ছিল অপরিসীম। আমৃত্যু গানকেই জীবনের শ্রেষ্ঠ সাধনা বলে মনে করেছেন। আক্ষরিক অর্থে আমরা যাঁদের বাউল বলে থাকি, সেভাবে হয়তো ওয়াহিদুর রহমানকে পর্যায়ভুক্ত করা সম্ভব নয়। তবে তাঁর বাউলাঙ্গিকের বেশ গান রয়েছে, যেগুলোতে বাউলতত্ত্বের নিগূঢ় বিষয়গুলোই পরিস্ফুট হয়েছে। সে অর্থে তাঁকে একজন যথার্থ বাউল-গীতিকার বলাটাই বোধহয় যুতসই হবে।

    ২০১২ খ্রিস্টাব্দের ২৬ অক্টোবর যখন শেখ ওয়াহিদুর রহমানের মৃত্যুর খবর শুনি, বেশ খারাপ লাগে। তাঁর রচনাসংগ্রহটি বারংবার নেড়েচেড়ে দেখি। ধীরে ধীরে পাতা উল্টাই। বইটিতে তারিখবিহীন একটা অটোগ্রাফ চোখে পড়ে। এতে আমাকে উপহারস্বরূপ দেওয়া তাঁর স্বাক্ষরটিতে হাত বুলাই। গানগুলো পড়ার চেষ্টা করি। পড়তে পড়তে চমকে উঠি। অসাধারণ কিছু গান রয়েছে এই বইয়ে। কতশত অখ্যাত-অমেধাবীদের নিয়ে হাজারো লেখা পত্রপত্রিকায় চোখে পড়েছে, কিন্তু তাঁর গানের মূল্যায়ন করে কাউকে কোনওদিন লিখতে দেখিনি। সত্য বলতে দ্বিধা নেই, খোদ আমিই ভাবতাম-শেখ ওয়াহিদুর রহমান একজন শিল্পপতি মানুষ, অঢেল টাকাপয়সার মালিক। বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করে শিল্পী পুষছেন, দৃষ্টিনন্দন বই প্রকাশ করছেন-তাঁকে নিয়ে লেখার কী আছে? কিন্তু এখন বুঝতে পারি-এ ধারণা মোটেই ঠিক ছিল না। শেখ ওয়াহিদুর রহমানের মৃত্যুর পর তাঁর গানগুলো ভালোভাবে পড়তে গিয়ে আমার এতদিনকার চেনাজানা উপলব্ধি অনেকটাই পালটে যায়। তাঁর রচনা পাঠে গানপাগল এক আউলা মানুষের সন্ধান পাই।

    অবাক হই ‘বাঁক চিনিয়া নাওখানি বাইও রে মাঝি ভাই’ গানটি পাঠ করতে গিয়ে। বাউলসাধনাকেন্দ্রিক রীতিনীতির নিগূঢ়তত্ত্ব ধারণ করে রয়েছে পুরো গানটির পঙ্ক্তিতে। শেখ ওয়াহিদুর রহমান ‘বস্তুনিয়ন্ত্রণ’-এর কথা জানাতে গিয়ে বলেছেন :

    বাঁক চিনিয়া নাওখানি বাইও রে মাঝি ভাই
    বাঁক চিনিয়া নাওখানি বাইও
    এক দারিয়া নৌকাখানি
    দুই দাঁড়ে দাঁড় বাইও
    ওরে তিন দাঁড়াতে বাইলে নাও
    তক্তা ছুটবে চাইও রে মাঝি ভাই।

    থুরা থুরা খাইও মাঝি
    এক প্রহর ঘুমাইও
    ওরে দুই প্রহর জাগিয়া তুমি
    নৌকার দিকে চাইও রে মাঝি ভাই।

    আদি হতে ডুবলো নৌকা
    হিসাব না মিলিল
    ওরে ওয়াহিদ বলে ডুবলে নৌকা
    আর না ভাসিব রে মাঝি ভাই।

    এ-রকম বাউলতত্ত্বনির্ভর অসংখ্য গান তিনি রচনা করেছেন। তাঁর বেশকিছু দেহতত্ত্বকেন্দ্রিক গানও রয়েছে, সেসব গানে দেহের নানা গূঢ়তত্ত্বগুলো অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় বিধৃত করেছেন। এছাড়া মানুষবন্দনা বাউল-দর্শনের অন্যতম অনুষঙ্গ। তিনি অপরাপর বাউল-গীতিকারদের মতোই বিশ্বাস করেন, মানুষের মধ্যে সৃষ্টিকর্তা বিরাজ করছে, তাই মানুষের সেবা করতে পারলেই সৃষ্টিকর্তার সেবা হয়ে থাকে। এ সম্পর্কিত তাঁর রচিত অসংখ্য গান রয়েছে। যেমন :

    আদমকে বানাইয়া খোদা
    লুকাইয়াছো তার ভিতর
    কি নামে ডাকিবো তোমায়
    ভাবছি রে তাই জীবন ভর।

    বিশ্বরূপে ঢুকছো ওরে
    রইয়াছো সবার ভিতরে
    লক্ষ কোটি আকার ধরে
    নাম ধরেছো নিরাকার।

    পাপ করো না বলছে শুনি
    মোল্লা-মুন্সি-পাদ্রী-জ্ঞানী
    আমি কি আর একা করি
    তুমি কি নও সাথে মোর।

    শেষ বিচারে হাকিম পাবে
    হুকুম দিবে পাপীদেরে
    মিটাইতে তোর কাম কামনা
    আমায় করবে ব্যবহার।

    ওয়াহিদ বলে চিন্তা করে
    অরূপেতে স্বরূপ ধরে
    আমার রূপে থেকে তুমি
    নাম লাগাইছো নিরাকার।

    শেখ ওয়াহিদুর রহমান সরাসরি বলছেন, মানুষকে খোদা বানিয়ে তার মধ্যে ঈশ্বর বিরাজিত রয়েছেন। একই ভাবে তিনি বলছেন-‘আমার রূপে আলেক সাঁই গো। তোমার নামে দিন কাটাই। তুমি হইলা ফুলের মালি। তুমি গেলে আমি নাই।’ তিনি এও বলছেন, আগে নিজেকে চিনতে হবে, তা না হলে স্রষ্টাকে চেনা সম্ভব হবে না। তাই তাঁর উক্তি :

    আমিত্বকে চিনতে গেলে
    চিনো পাক পাঞ্চাতন রে
    তোমার মাঝে আছেন যিনি
    তিনিই স্রষ্টা নিরঞ্জন রে।

    পাপ-পুন্যের মালিক তিনি
    আমার দেহের মালিক যিনি
    তাহার অর্থ জানতে গেলে
    গুরু ভজন করো ওরে।
    সাধক ওয়াহিদ তত্ত্ব লেখে
    তিনশত তরিকা দেখে
    মারফতেরই প্যাঁচে পড়লে
    শরিয়ত কি টিকে রয় রে।

    কিংবা বাউলমত গ্রহণ করার জন্য একজন শিষ্যকে কী করা উচিত, তাও ওয়াহিদ জানাচ্ছেন-‘গুরু ভজন করো আগে। মিশবে যদি বাউল দলে। বাউল হইতে কয়জন পারে। এই না সাধের সংসারে। পঞ্চরসে যে জন মাখা। তারেই সবে বাউল বলে। রুহে কামাল, নূরে জামাল। যার অন্তরে বিরাজ করে। […]। ভেবে সাধক ওয়াহিদ বলে। নিজেকে নিজে চিনতে পারলে। তোমার মাঝে সাঁই নিরাঞ্জন। দেখো না চেয়ে অন্তরপুরে।’ দেখা যাচ্ছে, প্রতিবারই তিনি নিজের ভেতরের সত্তাকে চেনার আহ্বান করছেন। যেমন-‘নিজের ঘরে মসজিদ রেখে। চিনলি না মন তাহারে। কাশি-মক্কা ধাক্কা খেয়ে। ফিরবে রে মন নিজ ঘরে।’ কিংবা-‘নিজকে নিজে চিনলে পরে। পরমাত্মা চিনা যায় রে। তোরার মাণিক বুকে রেখে। খুঁজছো কারে অবিরল।’ আর ভেতরের এই মানুষের অনুসন্ধান করার সূত্র কেবল মুর্শিদই দিতে পারেন। তাই শেখ ওয়াহিদ বলছেন :

    মুর্শিদ কইয়া দেও আমারে
    মানুষের ভিতরে মানুষ
    ঢুকল কেমন করে
    মুর্শিদ কইয়া দেও আমারে।

    মুর্শিদও
    খুঁজিয়া পাইলাম না
    তাহার কোনও বিবরণ
    জন্ম নিলে মরে কেন
    কিসেরই কারণ
    পোড়া দেহ কেমন করে
    যোগাড় করবে তারে।

    মুর্শিদও
    শয়তান যদি ভিতরে ঢোকে
    আল্লার কোথায় রয়
    ডিমের ভিতর বাচ্চা মরে
    কেমনে পরাণ যায়
    হাদিসেতে লেখা আছে
    বলতে পারবে নারে।

    মুর্শিদও
    পেরেশানিতে কেন মানুষ
    মরণেরই ডরে
    আমারই আমিত্ব মুর্শিদ
    কার হাতের উপরে
    বিশ্বাসে নিশ্বাসে ওয়াহিদ
    মাতাল রইলোরে।

    মুর্শিদ যেমন মানুষের ভেতরের সৃষ্টিকর্তার সন্ধান দেন, তেমনই দেহতত্ত্বের নিগূঢ়াদি সম্পর্কেও ধারণা দেন। সেই সুস্পষ্ট ধারণার অভিজ্ঞতা থেকে ওয়াহিদের উচ্চারণ : ‘আউলা ওয়াহিদ বাউলা বলে। তারে তারে তাল মিলেছে। যাহা বলাও তাহাই বলে। ঝংকার থাকে যতক্ষণ। নিচের তারে দিলে নাড়া। উপরের তারে দেয় রে সাড়া। তারে তারে সুর ধরিলে। বাদক হয় যে পেরেশান। প্রেমিক দেয় তার রস মিশাইয়া। নদীর তীরে যায় ভাসিয়া। অষ্ট ধাতুর মিশামিশি। তারে বলে প্রেম রতন। পঞ্চভূতে আছেন বিধি। আমি কেবল প্রতিনিধি। তোমায় কাঁধে লইয়া ওয়াহিদ। করছে কেবল বিচরণ।’

    দেহতত্ত্ব সম্পর্কে যেমন বাউলদের সুস্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক, তেমনই নারী দেহসাধনার ক্ষেত্রেও বাউলসাধনার রীতিনীতি সম্পর্কে প্রাজ্ঞ হওয়া আবশ্যক। তা না হলে ভবযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। যেসব বাউল-ফকিরেরা সাধনতত্ত্ব সম্পর্কে ধারণা রাখেন না, তাঁরা প্রকৃত সাধক হয়ে উঠতে পারেন না। বাউলসাধনার বেশ কিছু তত্ত্বমূলক গান রচনা করেছেন শেখ ওয়াহিদুর রহমান। এর একটি হচ্ছে :

    ও ভাই জালুয়া রে
    নদীতে জোয়ার আসে যখন
    পানি লাল-কালা হয় সবুজ বরণ
    তখন তোমার জাল আর ফেলো না রে।

    নদীর দিকে নিরিখ রেখে
    ভাটায় নদী টান মারিলে
    হাঙ্গর-কুমির মিলবে জালে রে।

    সেই নদীরই এমনি ধারা
    হিন্দুলাতে যায় ঘুরিয়া
    সাবধানে জাল ফেলতে হবে রে।

    সেই নদীরই বাঁকে বাঁকে
    ঝাঝরা কাটা কতই থাকে
    সাত কাছিমে যুদ্ধ করে রে।

    ভেবে সাধক ওয়াহিদ বলে
    উতাল নদী শান্ত হলে
    বোয়াল কাতলা উঠবে জালে রে।

    উপর্যুক্ত গানে নারীর রজঃস্রাবের তিন দিনের কথা গীতিকার উল্লেখ করেছেন। তিনি সেই ‘নদী’রূপী নারীর শরীর অন্বেষণে ‘সাবধানে জাল ফেলা’র আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ সামান্য অসাবধান হলেও ‘জন্মনিয়ন্ত্রণ’ সম্ভব হবে না। একই বিষয় নিয়ে তাঁর আরেকটি গান এ-রকম :

    তিন মিলিয়া এক হইলে
    চলে সাধুর কারখানা
    লক্ষ কোটি বিকটেরিয়া
    করে গো আনাগোনা।

    প্রেমিকের মন খুশি কর
    দেও না তারে সান্ত্বনা
    এক হইলে দুইজনের মন
    থাকে না আর যন্ত্রণা।

    নদীতে জোয়ার আসলে পরে
    ঢেউয়ে রেণু বাহির করে
    সেই না রেণু ঘুরতে ঘুরতে
    পায় যে তার জীবনখানা।

    কামনদীর ওই লোনা পানি
    পান করিলো ঋষি-মুনি
    ওয়াহিদ বলে সে জল খেয়ে
    মিটাও মন কামবাসনা।

    এসব সাধনতত্ত্বের গান যে ব্যক্তি লিখেছেন, তিনি কখনওই জীবনাচরণে বাউলধারার ব্যক্তি ছিলেন না। তবে এটা ঠিক যে, শেখ ওয়াহিদুর রহমান নিজেকে সবসময় ‘আউলা-বাউলা’ হিসেবে পরিচয় দিতেন। সংসার ছেড়ে শুধু বাউলধারায় সময় ব্যয় করেননি। শিল্পপতি হওয়ার সুবাদে জীবদ্দশায় তাঁকে বিভিন্ন সভা-সেমিনার-বোর্ড মিটিংয়ে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে হতো। তবে তা যে তাঁকে মোটেই আকৃষ্ট করত না-সেটাও তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা ভালোভাবেই জানতেন। তিনি বাউল না-হলেও বাউলগানে তাঁর প্রচন্ড প্রভাবের কথা অস্বীকার করার কোনও উপায় আমাদের নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো
    Next Article ডক্টর ইউনূসের দারিদ্র্য বাণিজ্য – বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }