Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোকায়ত জীবন ও লোকসাহিত্য – সুমনকুমার দাশ

    সুমনকুমার দাশ এক পাতা গল্প328 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দীন শরৎ : তাঁর গান, তাঁর কথা

    দীন শরৎ : তাঁর গান, তাঁর কথা

    দীন শরৎ (১৯০৩-১৯৬৩) ছোটোবেলা থেকেই দুঃখ-কষ্টকে সঙ্গী করে বেড়ে ওঠেছেন। যখন তিনি মাতৃগর্ভে তখন তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছে। শৈশবে মাকে হারিয়েছেন। মা-বাবাহারা শরৎ এরপরও হাল ছাড়েননি। স্কুলে যাতায়াত অব্যাহত রাখেন। তবে বছর দুয়েক পরেই নয় বছর বয়সে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। এরপরই শরতের কষ্টের দিনযাপন শুরু হয়।

    চরম দুঃখী শরৎ মনের দুঃখে গান গাইতে আরম্ভ করেন। তাঁর গানের কণ্ঠ ছিল অপূর্ব। একসময় নিজে গান লেখাও শুরু করেন। সুর করে বিভিন্ন আসরে সেসব গান গাইতেও থাকেন। ক্রমশই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে তাঁর গান। এলাকার বিভিন্ন বৈঠকি বাউলগানের আসরে তাঁর যাতায়াত বেড়ে যায়। পরিধি ও বিস্তৃতি বেড়ে যাওয়ায় দীন শরতের কদরও থরথর করে শ্রোতাদের কাছে বাড়তে থাকে।

    অখন্ড বাংলার অর্থমন্ত্রী নলিনী সরকার একদিন শরতের গান শুনে মোহাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। এরপর নলিনী সরকারের অনুরোধেই তাঁর বাড়িতে প্রায়শই যাতায়াত ঘটত শরতের। দুজনের সম্পর্ক অনেকটা বন্ধুত্বে রূপ নেয়। সে সম্পর্কের কারণে শরতের আর্থিক অস্বচ্ছলতা কিছুটা দূর হয়। শরৎ নতুনভাবে গান রচনায় মনোনিবেশ করেন।

    দীন শরৎ তত্ত্বগান রচনায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করতে থাকেন তাঁর স্বজেলা নেত্রকোনায়। ক্রমশ তাঁর সুনাম সিলেটসহ পুরো হাওরাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। হাওরাঞ্চলের বিভিন্ন গানের আসরে গান গাইতে তাঁর ডাক পড়তো। জীবদ্দশাতেই স্বনামধন্য শিল্পী হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন। তবে তিনি কখনওই তাঁর শৈশবের দুঃখ-কষ্ট-দারিদ্র্যকে ভোলেননি। স্বাভাবিকভাবে তাঁর জীবনের ভয়াবহ ও দুর্বিসহ দিনগুলোর কথা তাঁর গানে স্থান পায়। পাশাপাশি তত্ত্বমূলক গান রচনা এবং বাউল-পরম্পরার ঐতিহ্য ধারণ করে সাধক হিসেবে বাউল সমাজের স্বীকৃতি অর্জন করেন।

    দীন শরৎ ‘অন্ধকবি শরৎ’ হিসেবেও এলাকায় পরিচিত ছিলেন। ১৩১০ বঙ্গাব্দে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার সাজিউড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। অকৃতদার এই সাধকের রচিত কয়েক শ গান এখনও গ্রাম-বাংলার সমঝদার মানুষের মুখে মুখে ফেরে। তাঁর আত্মজৈবনিক গান শেখা ‘গুরু উপায় বলো না। জনম দুঃখী কপালপোড়া আমি একজনা। শিশুকালে মইরা গেলা মা। গর্ভে থুইয়া পিতা মইলা চোখে দেখলাম না।। আমায় কে করিবে লালন-পালন গো। কে দিবে আজ সান্ত্বনা…’ এখনও নতুন প্রজন্মের কোনও শিল্পী পরিবেশন করলে শ্রোতাদের চোখের অশ্রু ঝরায়। গুণী এই সাধক ১৩৭০ বঙ্গাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

    দুই

    দেহতত্ত্বের গান বাউল-মতবাদের এক গুরুত্বপূর্ণ শাখা। দেহসাধনার নানা গুহ্য প্রসঙ্গ এসব গানের মুখ্য ভিত্তি। এসব গান থেকে তাঁর ভক্ত-অনুরাগীরা সাধনতত্ত্বের নির্দেশ পায়। জল, আগুন, মাটি ও বায়ুর সমন্বয়ে মানবদেহ সৃষ্টি হয়েছে-এ মতবাদের বিশ্বাসী বাউলেরা তাই এই চার উপাদানের বন্দনাসূচক পঙ্ক্তিও রচনা করেছেন। দেহ সৃষ্টির প্রক্রিয়া উন্মোচন কিংবা সৃষ্টিরহস্য নিয়ে বিস্ময় থাকলেও বাউলেরা মানবদেহকে সাধনক্ষেত্র রূপেই চিহ্নিত করেছেন। এ সাধনক্ষেত্র বাউলদের কাছে তীর্থতুল্য। এর ফলে তীর্থের পবিত্রতা রক্ষায় তাঁরা সবসময় যারপরণাই সজাগ দৃষ্টি রাখেন।

    দীন শরৎ অন্য সাধকদের মতন দেহতত্ত্বের গান রচনা করেছেন। সাংকেতিক ভাষায় সাধনার চিরায়ত ধারা-চারচন্দ্র ভেদ, পুরুষ-প্রকৃতির মিলন কিংবা রস-রতি প্রসঙ্গ ঠাঁই দিয়েছেন। সর্বসাধারণের জন্য দুর্বোধ্য এসব গান বাউল অনুরাগীদের কাছে শাস্ত্রতুল্য। যেহেতু শরিয়তি শাস্ত্রাচার বাউলসাধকেরা অস্বীকার করেন, তাই সেসব শাস্ত্রের রীতিনীতিকে মারফতিভাবে তাঁরা উপস্থাপন করে থাকেন। বাউল-ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার হয়ে এ মতবাদকে জীবনভর বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা করেছেন।

    দীন শরতের অধিকাংশ গানে গুরু-শিষ্যের প্রশ্নোত্তর লক্ষ করা যায়। মনঃশিক্ষা, পরমতত্ত্ব, আত্মা-পরমাত্মার ভেদাভেদ, রহস্যসংকুল জীবন-মৃত্যু, পরমপুরুষ, রজঃ-বীর্য পঞ্চতত্ত্ব, শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ, মনের মানুষের অনুসন্ধান, বস্তুধারণ-এসব নানা বিষয়ে শিষ্যের সুস্পষ্ট উত্তর জানার আকুলতা শরতের গানে রয়েছে। একইভাবে সাধনায় শিষ্যের অজ্ঞতা দূর করার জন্য গুরু সুনির্দিষ্টভাবে সেসব প্রশ্নের জবাব দিয়েও গান রচনা করেছেন। এতে করে শিষ্যের জিজ্ঞাসার নিবৃত্তি ঘটে। তবে গুরু কিন্তু সেখানেই থেমে থাকেন না। শিষ্যের প্রতি গুরুর উপদেশ-কেবল সাধনতত্ত্ব সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকলেই চলবে না, বরং সেগুলোকে অবলম্বন করে দক্ষ-সাধক হিসেবে তৈরি হতে হবে।

    বাউলসাধনা গুরুবাদী মতবাদ। এক্ষেত্রে দীন শরতের অবস্থান স্পষ্ট। গুরুকেই তিনি জ্ঞানদাতা হিসেবে ধরে নিয়ে তাঁর কাছেই আত্ম-নিবেদন করেছেন। সে কারণেই দেহের ষটচক্র, পঞ্চআত্মা কিংবা ছয় পদ্ম সকল বিষয়েই ধারণা পেতে চান। দেহের নিগূঢ় রহস্যাচ্ছন্ন সাধনায়ও আশ্রয় হিসেবে পেতে চান গুরুকেই। জগৎ-সম্পর্কিত ধারণা নিয়েও স্বচ্ছ ধারণা জন্মে গুরুর আচার-উপদেশেই। তাই বাউলসাধনায় গুরুই শিষ্যের প্রধান নিয়ামক। শরৎ কখনওই এ বিষয়টিকে এড়িয়ে যাননি বলেই তিনি গুরুবাদী ধারায় একজন সর্বশ্রেষ্ঠ সাধক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন।

    তিন

    সাধন-ভজনে গুরু ধরতে হয়। গুরু ছাড়া প্রকৃত সাধনা সম্ভব নয়। তাই দীন শরৎ জানাচ্ছেন, সাধন-ভজনহীন অভাজন তিনি। উপাসনা-পদ্ধতি তাঁর জানা নাই। এ কারণেই তিনি ‘স্থুলের তত্ত্ব’, ‘গুরুবস্তু’ জানার উদ্দেশ্যে গুরুকে অবলম্বন করতে চান। তাই তো তাঁর উচ্চারণ : ‘দীন শরৎ বলে মিছে মায়াতে বিফলে কাটাইলাম কাল স্থুলের দেশেতে। আমি যেতে চাইলে সাধন পথে, ফিরায় আমায় ওই ছয়জনা।’

    ‘ছয়জনা’ মানে কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য। এই ‘ছয় ডাকাত’রূপী কু-প্রবৃত্তিতে দূরে ঠেলতে না-পারলে সাধনকার্য কোনওভাবেই সুচারুরূপে সম্পন্ন হবে না। তখনই বিপাকে পড়তে হয়। একবার বিপাকে পড়লে তা থেকে উদ্ধার অতি-সহজেই হওয়া যায় না। মনের ভেতরে যে ‘সুমতি’ আর ‘কুমতি’ নামক দুইটি চেতনা রয়েছে, সেখানে ‘কুমতি’-কে সর্বক্ষণই দূরে সরিয়ে রাখতে হবে। এ বিষয়টিতে দীন শরৎও প্রাধান্য দিয়েছেন। তাই তিনি বলছেন :

    জানো না কি মন আমার, সুমতি কুমতি দুইটি প্রেয়সী তোমার।
    পুত্র কন্যা বত্রিশজনা নিত্য জন্মে দুইজনার।

    শম দম তপ জপ দান, হরিষ চৈতন্য সভা সুমতির সন্তান।
    এই অষ্টজন পুত্র প্রধান, শুদ্ধমতি সদাচার।

    ক্ষমা দয়া ভক্তি চেতনা সুতৃষ্ণা মমতা শান্তি নিষ্ঠা যে জনা।
    সুমতির এই অষ্ট কন্যা, গুণে মুগ্ধ ত্রিসংসার।

    কাম ক্রোধ লোভ মোহ আর হিংসা পৌষনাদি মদ অহংকার।
    কুমতির হয় অষ্টকুমার, সবেই অতি দুর্নিবার।

    নিদ্রা আলস্য চিন্তা নিষ্ঠুর, পাবক নাসিকা আশা নিদয়া তারা।
    দীন শরৎ বলে মন বেহায়া, এই সকলের সঙ্গ ছাড়া।

    কু-প্রবৃত্তি মন থেকে তাড়াতে না-পারলে জগতে পাপের বোঝা ক্রমশ ভারী হয়। সংগত কারণেই সাধকেরা এসব কুসঙ্গীর বন্ধুত্ব পরিহার করে থাকেন। দীন শরৎ বাউল-পরম্পরার উত্তরসূরিদের উদ্দেশ্যে সতর্কবাণী উচ্চারণ করছেন : ‘দয়াল গুরু আমি রইলাম পরবাসে।। ছয় রানি কুসঙ্গীর সঙ্গে, ভুলে মায়াপাশে। দেশ ছেড়ে বিদেশে এলাম, লাভ করিবার আশে।। লাভে মূলে সব হারালাম, আপন কর্মদোষে। আমি লক্ষ্মীছাড়া কপালপোড়া, কেউ না ভালোবাসে।। এমন বান্ধব নাই গো আমার, ডাক দিয়া জিজ্ঞাসে।’

    চার

    শিষ্যের আকুলতা গুরুকে মেটাতে হয়। অনুসন্ধিৎসু শিষ্যের প্রশ্নের শেষ নেই। তাঁর জানার আগ্রহ গুরুকে অনুপ্রাণিত করে। তাই শিষ্যকে উজ্জীবিত রাখতে গুরু নিরন্তর তাঁর শত-সহস্র জিজ্ঞাসার জবাব দিয়েই চলেন। শিষ্য যখন গুরুর কাছে সাধনতত্ত্বের বিষয়াদি নিয়ে প্রশ্ন রাখেন :

    আমায় কও শুনি হে গুরুধন
    দেহের খবর জানতে আমার মনের আকিঞ্চন।
    দেহে আছে ষটচক্র, কোন চক্রেতে কোন মহাজন।

    গুরু এই যে পঞ্চআত্মা হয়
    কও শুনি কোন চক্রে কোন আত্মা ধরায়।
    এগো আত্মা শব্দের কি অর্থ হয়, জানতে চাই তার মূল কারণ।

    ছয়টি পদ্মে ছয়টি শক্তির বাস
    কোন শক্তির কি নাম হয় জানতে অভিলাষ।
    কোন পদ্মে কে বিরাজ করে, কোন আকার করে ধারণ।

    দীন শরৎ বলে দয়াল গুরুজি
    তুমি না জানালে তত্ত্ব জানবার উপায় কি।
    পরমকে না জানলে নাকি, জীবে মানব জন্ম অকারণ।

    দেহে ষটচক্র রয়েছে তা শিষ্য জানেন। কেবল তিনি জানেন না এসব চক্রের অবস্থান কোথায়? তাই শিষ্য গুরুর কাছে সেসব চক্রের অবস্থান সমেত বর্ণনা জানতে আগ্রহী। গুরুর কাছ থেকেই শিষ্য জানতে চার পরমের অবস্থান। কারণ পরমকে না-জানলে ‘মানব জন্ম অকারণ’। আবার মাতৃগর্ভে কীভাবেই আরেকটি প্রাণের জন্ম হয়, কীভাবেই একটি শুক্র থেকে হাড়, মাংস, মণি ও মগজের উৎপন্ন হয়, সেটিও শিষ্যের কাছে বিস্ময় হিসেবে দেখা দেয়। সেই চিরবিস্ময়কর রহস্যের সন্ধানও শিষ্য গুরুর কাছে দাবি করেন।

    শিষ্যের নানা প্রশ্নের সঠিক জবাব গুরুই দেখিয়ে দেন। ‘রজঃগুণে জীবের সৃষ্টি’ যেভাবে উৎপন্ন হয় সেটা গুরুর কাছ থেকেই হাতে-কলমে শিষ্য শিক্ষা পেয়ে থাকেন। কোন তিথিতে সহবাসে পুত্র কিংবা কন্যার জন্ম হয় আবার কীভাবে জন্মনিরোধ করতে হয়-সেসবও শিষ্য শিক্ষা পান গুরুর কাছ থেকে। সাধনায় তাই গুরুই শিষ্যের একমাত্র কান্ডারি। তাই গুরুবাক্যকে আদর্শ ধরে দেহসাধনায় পথ চলতে হয়। এ থেকে সামান্যতম বিচ্যুতি ঘটলে সাধনায় পরিপূর্ণ সফলতা অর্জিত হবে না।

    গুরু এও শিষ্যকে শিখিয়ে থাকেন, কীভাবে সাধনায় নারীদেহে অটল থাকা যায়। কীভাবে সাধনায় শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ রাখতে হয় কিংবা কোন আচার-রীতিতে ‘বস্তু নিয়ন্ত্রণ’ সম্ভব, সেটার পাঠ গুরুই শিখিয়ে থাকেন। গুরু শেখান চারচন্দ্র ভেদের রহস্য কেমন করে জানা যায়। শিষ্যের প্রতি গুরুর উপদেশমূলক উক্তি :

    দেহের তত্ত্ব জানবে তোর
    আগে যেয়ে গুরুর চরণ ধর।
    পাবি রে তুই নিত্য দেহ
    চারি চন্দ্র সাধন কর।

    সাড়ে চব্বিশ চন্দ্রের তত্ত্ব ওই
    হাতে দশ পায়ে দশ, গন্ডগোলে দুই।
    অধরে ললাটে দুইটি
    অর্ধ চন্দ্র তার উপর।

    চারিচন্দ্রের জান রে সন্ধান, একটি গরল একটি উন্মাদ
    রোহিণী আর চান্দ।
    গরলেতে আছে সুধা
    জেনে লও রে তার খবর।

    জেনে লও সেই চন্দ্রের পরিচয়
    চন্দ্রমন্ডল সূর্যমন্ডল সহস্রারে রয়।
    চন্দ্র বিজয় সুধা ঝরে
    খাইলে মানুষ হয় অমর।

    দীন শরৎ বলে মমন রাহুতে
    চন্দ্র সূর্য গ্রাস করিবে সে সময়েতে।
    হবে দুইটি গ্রহণ এক দিনেতে
    আঁধার হবে দেহঘর।

    উপর্যুক্ত গানের মতোই নানা উপদেশমূলক পঙ্ক্তি গুরু তাঁর শিষ্যকে দীক্ষা শেষে সাধনায় রপ্ত হওয়ার সময় জানিয়ে থাকেন। পঙ্ক্তির ভেতরের নির্যাসটুকুও গুরু জানিয়ে থাকেন। তবে যে দেহ নিয়ে এত সাধনা এত কথা, সেই দেহ কেমন করে চলছে-সেটাও সাধকেরা শিষ্যদের ধারণা দেন।

    বাউলেরা যেহেতু দেহকেন্দ্রিক সাধনায় বিশ্বাসী তাই দেহের সকল প্রকার রহস্যের অনুসন্ধানে নিরন্তর ব্যস্ত থাকেন। সেই অনুসন্ধিসু চেতনা থেকেই দেহবাদী বাউলের উচ্চারণ :

    বানাইয়া রংমহল ঘর
    ওই ঘরে আছে তোর ঘরের কারিগর।
    ও তার হাড়ে থুনি চামড়ার ছাউনি, মজবুত গাঁথুনী, কি সুন্দর।

    ঘরে আট কুঠরি নয় দরজা হয়
    আঠারো মোকামে মানুষ আঠারো জন রয়।
    রবি শশী দুইটি বাতি, জ্বলছে ঘরে নিরন্তর।

    দ্বারে দ্বারে আছে প্রহরী
    আদালত ফৌজদারী কোর্ট সদর কাছারি।
    প্রধান কর্মচারী জ্ঞান চৌধুরী, বিচারের ভার তার উপর।

    বায়ু ভরে ঘরখানি খাড়া
    আসে যায় তোর ঘরের মানুষ যায় না রে ধরা।
    সে তো ভিতরে বাহিরে ফিরে, মন্ত্র বলে দুই অক্ষর।

    দীন শরৎ বলে শুনো রে আমার মন
    দ্বারে কপাট দিয়া ঘরে করো অন্বেষণ।
    যদি ধরতে পারো সেই মহাজন, অমরত্ব হবে তোর।

    বাউলেরা বিশ্বাস করেন-আপন দেহের খবর জানতে পারলেই সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব জানা সম্ভব। কারণ দেহের ভেতরেই সৃষ্টিকর্তার বসবাস। তাই মানুষ-ভজনার দিকে বাউলদের দৃষ্টি বেশি থাকে। দেহসাধনা কিংবা মানুষ-ভজনা দুটো ক্ষেত্রেই মানুষই প্রাসঙ্গিক থাকায় বাউল মতবাদে মানুষের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই বারবার সাধকেরা মানুষের ভেতরের সত্তাকে অনুভব করার তাগিদ দিয়ে থাকেন উত্তরসূরিদের।

    দীন শরৎ অসংখ্য ধারার গান রচনা করেছেন। তিনি অসংখ্য কীর্তন পর্যায়ের গানও রচনা করেছেন। তাঁর রচিত কীর্তন ঢঙের অসংখ্য গান হিন্দু ধর্মালম্বীদের নিকট ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বৈঠকি আসরে সেসব গানের অসম্ভব প্রভাব রয়েছে। কীর্তনাঙ্গিকের গান হলেও সেসব গানের মধ্যে বাউলধারার কিছুটা আঁচ পাওয়া যায়। এর বাইরে তাঁর রচিত মনঃশিক্ষা ও বিচ্ছেদ পর্যায়ের গানের আবেদনও রয়েছে অপরিসীম।

    দীন শরৎ বাউল পরম্পরার অগ্রগণ্য পথিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। যদিও সাম্প্রতিক কালের বাউলধারার অনুসারীদের মধ্যেও তাঁর গানের তেমন একটা প্রচলন পাওয়া যায় না। তবে তাঁর স্বজেলা নেত্রকোনা অঞ্চলের বাইরেও নানা অঞ্চলের বর্তমান প্রজন্মের শিল্পীরা তাঁর গান চর্চা করে আসছেন। শক্তিমান এই সাধকের গানের চর্চার ধারাটা ক্ষীণ হয়ে এলেও বাংলার বাউল-পরম্পরার ইতিহাসে তিনি কখনওই ম্লান হবেন না।

    বাউল-ফকিরদের গানের চর্চা, ধারা ও দর্শন নিয়ে ভারতবর্ষের বাইরেও ইদানীং ব্যাপক গবেষণা ও আগ্রহ তৈরির বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়। বাংলার দর্শনচর্চায় বাউলদের চিন্তা-চেতনা ও ভূমিকাকে এখন সবার আগে ঠাঁই দেওয়ার একটা ইতিবাচক প্রবণতা তৈরি হয়েছে। তা যতই কাক্সিক্ষতমাত্রায় উদ্ভাসিত হচ্ছে ততই দীন শরৎদের মতো গুণী সাধকদের ভিন্ন আবেদন তৈরি হচ্ছে। নাগরিক ও শহুরে সমাজের কাছে দীন শরতের গানের প্রচার ও প্রসার তেমন না-ঘটলেও বাউলধারার ঐতিহ্যে তাঁর নাম অবিস্মরণীয় ও অনন্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো
    Next Article ডক্টর ইউনূসের দারিদ্র্য বাণিজ্য – বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }