Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোকায়ত জীবন ও লোকসাহিত্য – সুমনকুমার দাশ

    সুমনকুমার দাশ এক পাতা গল্প328 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মেছের শাহ ও তাঁর গানের দর্শন

    মেছের শাহের (১৮৪০-১৯১৭) কণ্ঠমাধুর্যের কথা সর্বজনবিদিত। এতদ্ব্যতীত তত্ত্বপূর্ণ পদাবলি রচনার কারণে বাউল-ফকির সম্প্রদায়ের কাছে একজন তাত্ত্বিক-পদকর্তা হিসেবে তাঁর পরিচিতি আরও ব্যাপক। নির্দিষ্ট এই সম্প্রদায়ের কাছে এ সাধকের নাম অনন্য শ্রদ্ধায় উচ্চারিত হলেও জনসাধারণের কাছে তিনি প্রায় অপরিচিতই রয়ে গেছেন।

    মেছের শাহ রচিত গানগুলোতে বাউল ও ফকিরিপন্থার নিগূঢ়তত্ত্বের পাশাপাশি সুফি সাধনার নানা প্রসঙ্গও উত্থাপিত হয়েছে। সৃষ্টিতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, নিগূঢ়তত্ত্ব, জীবতত্ত্ব, পরমতত্ত্ব, কামতত্ত্ব, প্রেমতত্ত্ব, শরিয়ত-মারিফত বিচার, গুরুতত্ত্ব, ভক্তিতত্ত্ব, মুর্শিদিসহ বাউলসাধনা-কেন্দ্রিক নানা তত্ত্বসমৃদ্ধ গানে ভরপুর তাঁর যাবতীয় সৃষ্টিসম্ভার। গুরু।মুর্শিদের প্রতি তাঁর রয়েছে প্রচন্ড আত্মনিবেদনবোধ, বিশ্বাস ও নির্ভরশীলতা।

    মুর্শিদকে জ্ঞানদাতা মেনে তাঁর কাছে সঁপে দিতে চেয়েছেন পুরো সত্তা। মুর্শিদের কাছে তাঁর সুস্পষ্ট আত্মসমর্পণ : ‘মুর্শিদ ভজনা বিনে জীবের আর গতি নাই। মুর্শিদ হয় জ্ঞানদাতা। জ্ঞান বিনে ভজন বৃথা। কেন ঘুরো যথাতথা। ভজন গুরুর ভজন চাই’। তিনি এও জানান দেন, সঠিকভাবে মুর্শিদের রূপ ধ্যান করতে পারলে স্ট্রষ্টার রূপ অনুধাবন করা সম্ভব। তাই পথ-প্রদর্শকরূপী এই মুর্শিদ-বন্দনা মেছেরের গানের অনেক অংশ জুড়েই স্থান দখল করে রেখেছে।

    মেছের শাহের মতে, মুর্শিদের মাধ্যমে স্রষ্টার রূপ উদ্ঘাটনের জন্য প্রথমেই ‘দিল কোরান’-এ অর্থাৎ নিজেকে চেনা-জানার প্রকৃত জ্ঞান অর্জন করতে হবে। এ জ্ঞান যেমন দেহজবিদ্যা বোঝায়, তেমনই নারীর রজঃস্রাবের ঋতুগণনা, সঙ্গমকালীন বস্তু নিয়ন্ত্রণ, শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণের ক্রিয়াকলাপ ইত্যাদিও বোঝায়। গুরু কর্তৃক দীক্ষিত হয়ে তাঁর নির্দেশিত আচার-শাস্ত্রপথে অধিকতর নির্ভরশীল থাকাকেই মেছের গুরুত্ব দিয়ে সাধনপথে এগোনোর পথ বাতলে দিয়েছেন।

    সাধনপথে চলতে অনিবার্যভাবে নানা বাধা-বিপত্তি আসবে। ‘কাম সাগর’-এর প্রবল ঢেউয়ের তোড়ে সাধনার প্রতি পলে পলে বিচ্ছিন্নতা-বিঘ্নতা তৈরি হতে পারে। সেসব ঠেলেই বৈতরণী পার হতে হবে। তাতেই জুটবে সাধক-পরিচিতি। বিষয়টি মেছের শাহের বয়ানে স্পষ্ট হয় এভাবে : ‘রসিক ডুবারো যারা, ধার চিনে ডোবে তারা। যখন জোয়ারে পোরা ডুবতে নাউ। জোয়ার গেলে ভাটা এলে নবিন বহে ধার। ভাব জেনে নামো ঘাটে সামনের ভয় কি আর’। নারীপুরুষের সঙ্গমকালীন যখন সন্তান জন্মানোর সম্ভাবনা তীব্র তখন ‘গুরুবস্তু’-রূপী শুক্র নিয়ন্ত্রণে রাখাকেই ‘ভাব জেনে নামো ঘাটে’ বলে পরামর্শ দিয়েছেন মেছের। আর এ পরামর্শের মূল কথা হচ্ছে-বাউল-ফকিরেরা সৃষ্টির বিরুদ্ধে। সংগত কারণেই সন্তান জন্মানোর বিপক্ষে তাঁদের প্রবল অবস্থান। নারীতে শুক্র পতন মানেই সাধনায়ও পতন। এর ফলেই যুগে-যুগে কালে-কালে বাউল-ফকিরেরা কামের ঘরে ‘কপাট আটা’-র নির্দেশনা দিয়েছেন।

    যাঁরা সঠিকভাবে কামের ঘরে ‘কপাট আট’-তে পারেননি, তাঁরা ‘ভাব শূন্য’-‘প্রেম শূন্য’ হিসেবে আখ্যায়িত হচ্ছেন। তাই তিনি ‘প্রেমের ভাব’ জেনে ‘প্রেমরসিক’ হওয়ার আহ্বান জানান : ‘ও সেই রসিক জানে রূপের মর্ম অরসিকের বুঝা ভার। ও সেই সহজ প্রেমের ভাব যে জানে কি করবে তার কাল’। ‘কপাট’ এঁটে যেসব সাধক সন্তান জন্মদান থেকে বিরত থাকেন, তাঁরাই ‘ভবজ্বালা’ থেকে মুক্তি পান। রসজ্ঞ এসব সাধকেরা প্রেমের মাধ্যমেই ‘সাধন সিদ্ধি’ ঘটান।

    ‘মদন’-জ্বালায় যেসব সাধকের অস্থিরতা তৈরি হয় কিংবা যাঁরা ‘প্রকৃতি’ অর্থাৎ নারী-সংশ্রবে ‘কামবাণ’-এ প্রতিনিয়ত বিদ্ধ থাকেন, তাঁরা ‘ভুলের চক্করে’ পড়বেই। একবার ‘ভুলের চক্করে’ পড়া মানেই ‘নীর-ক্ষীর’-এর মিশ্রণে ‘মানব কীট’ তৈরি হওয়া। অথচ এটির বিরুদ্ধেই সাধকদের সতত পথচলা। ফলে যাঁরা এই ‘ভুলের চক্করে’ পড়েন তাঁরা অসাধক হিসেবেই পরিগণিত হন।

    বাউলেরা বিশ্বাস করেন-মাটি, পানি, আগুন ও বাতাসের সমন্বয়ে যে মানবদেহ তৈরি হয়েছে, সেটার নিয়ন্ত্রণ সাধনার বলে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসা কঠিন ব্যাপার নয়। সাধনার মাধ্যমে ‘কামবাণ’ আর ‘মায়াজাল’-কে ছিন্ন করতে পারলেই ‘মুক্ত মানুষ’ হিসেবে বেঁচে থাকা সম্ভব। ‘কামবাণ’-কে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে একজন সাধক সন্তান জন্মদান থেকে বিরত থাকেন।

    সন্তান জন্ম না-দিয়ে সাধকের নিজের সত্তার অখন্ডভাব সঠিক থাকে। এর ফলে তাঁর মধ্যে সাংসারিক মায়ামোহও জন্ম নিতে পারে না। কাম-কামিনী-কাঞ্চনকে পাশ কাটিয়ে সাধনার উচ্চস্তরে পৌঁছতে পারলেই কেবল সাধকের মুক্তি ঘটে। আর এ-রকম একজন ‘মুক্ত মানুষ’-ই দক্ষ ও পরিপূর্ণ সাধকরূপে বাউল-সমাজে সম্মানিত ও গর্বিত হন। কেবল কামশক্তির প্রবৃত্তি যে একজন ব্যক্তিকে কোন অধঃপতনে নিয়ে যেতে পারে, সেটারও বর্ণনা রয়েছে মেছের শাহের গানে। তাই উচ্চস্তরের একজন সাধক হওয়ার জন্যই গুরু।মুর্শিদের প্রতি মেছের শাহের যত আকুতি :

    ভক্তজনার বন্ধু তুমি ওহে নিরঞ্জন
    নিজগুণে দয়া করো না জানি ভজন।
    অকুল সংসার নদী কূল নাহি যার
    পার করো দিনবন্ধু না জানি সাঁতার।
    অকূলে পড়ে ডাকি ওহে করতার
    ডুবে যদি মরি হবে কলঙ্ক তোমার
    পরম দয়াল তুমি ওহে দয়াময়
    কৃপাবিন্দু বরিষণে উদ্ধার আমায়।

    দুই

    বাউল-ফকির পদাবলিতে সৃষ্টিতত্ত্ব ও দেহতত্ত্ব প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে বিশিষ্ট স্থান দখল করে রেখেছে। প্রত্যেক সাধক-মহাজন তাঁদের রচিত পদাবলিতে নানা কায়দা ও আঙ্গিকে জন্ম-সৃষ্টি-ধ্বংসের গভীরতর রহস্য-দর্শন এবং দেহের সীমাহীন বিচিত্র।অভিনব সত্তার প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন। এসব সাধক-পুরুষদের দেহ ও সৃষ্টি নিয়ে নিরন্তর চিন্তাচর্চার বিষয়গুলোই সহজ-স্বাভাবিক-প্রাঞ্জল বয়ানে তাঁদের রচনায় পরিস্ফুস্ট হয়েছে। মেছেরও এর ব্যতিক্রম নন। তাঁর গানের পঙ্ক্তিতে দেহাত্মবাদী সাধনার নিগূঢ়তত্ত্ব সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত হয়েছে।

    একজন সাধকের সুকুমারবৃত্তি নষ্টের উদ্রেককারী কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য-এসব কুপ্রবৃত্তি পরিহারের আহ্বান রয়েছে মেছেরের গানে। অন্যদিকে দেহের রেচনপ্রক্রিয়া, কামভাব, শুক্র-রজঃ, জন্ম-প্রক্রিয়া-এগুলোও তাঁর গানে আলোচিত হয়েছে বাউল দর্শনগত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের নিরিখেই। এরই ফাঁকে ফাঁকে দেহ-সাধনায় গুপ্ততত্ত্ব প্রকাশের ধারাবাহিকতায় মেছের তাঁর গানে প্রেমকেন্দ্রিক সাধনার প্রসঙ্গও উত্থাপন করেছেন।

    মেছের শাহের বেশকিছু গুরু-শিষ্য পর্যায়ের গান রয়েছে। শিষ্যের প্রতি গুরুর তত্ত্বমূলক নানা উপদেশ এসব গানের শরীরের বিষয়বস্তু। তবে এসব গানের ভিত্তি উপলব্ধির জন্য গুরু-সংশ্রব আবশ্যক। কোনও অসাধক ব্যক্তি কখনওই সঠিকভাবে তত্ত্ববহুল এসব গানের ভাবার্থ উদ্ধার করতে পারেন না।

    বাউল-ফকিরি মতে, দীক্ষিত না-হলে সাধনতত্ত্বের রহস্যসংকুল জগতের শুলুক উদ্ঘাটন কোনওভাবেই সম্ভব নয়। বাংলার বাউল-ফকির পরম্পরায় এটিই প্রচলিত সত্য ও মতবাদ হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। ফলে ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় যে রীতি যুগের পর যুগ ধরে চলে আসছে, সেটাকেই আঁকড়ে ধরে গুরু-ভক্তির অনন্য নজির স্থাপন করে চলেছেন উত্তরসূরি বাউল-ফকির মতবাদ অনুসারী শিষ্য-প্রশিষ্যরা।

    তিন

    আগেই উল্লেখ করেছি, বাউলদের ভাবনা-চিন্তার বিশাল ক্ষেত্র জুড়ে রয়েছে সৃষ্টিরহস্য। তাবৎ বিশ্ব, মানুষ, প্রকৃতি সৃষ্টির পূর্বরূপ কেমন ছিল কিংবা কেনই-বা এসব সৃষ্টি-এ ভাবনা মেছের শাহেরও। তাঁর হস্তলিখিত একটি পান্ডুলিপির গানে ‘তিনু শাহ’ ভণিতায় সৃষ্টিরহস্য উদ্ঘাটিত হয়েছে এভাবেই :

    সুরাগেতে ছিল মানুষ ছিল শূন্যকার
    বিনা মেঘে ডিম বিন্দু হয় তৈয়ার।
    যে আগুন খিরদে ছিল
    সেই আগুন ব্রহ্মান্ডে এলো
    রক্তবীর্য শক্ত হলো
    সেই আগুনের পর
    ডিম্ব লইয়া ভেসে ফেরে কত দিনের পরে
    খোল নিরঞ্জনকে চেতন
    রেখে দেখাইলো ছুরাত।
    কুদরতি ফল তৈয়ার করে
    খাওয়ায় তারে তোকিও পুরে
    আত্মারে আত্মা মিশে ছুরাত
    কেবা আদ্য কেবা সাধ্য
    ফলে ফুলে কইরা বাধ্য
    তিনু বলে গুরুতত্ত্ব শুনতে চমৎকার।

    মানুষ-সৃষ্টির এই গূঢ়-রহস্যের অন্তর্ভেদ কেবল শিষ্যরাই নির্ণয় করতে পারেন। মানব-সৃষ্টির আদি-অবস্থার অনুপুঙ্খ বিবেচনা সাধক মহাজনদের গানের বিচার্য বিষয়। একই পথ অনুসরণ করে মেছের শাহও সেই সৃষ্টি-রহস্যের ভেদ নির্ণয়-সূচক একাধিক পদ রচনা করেছেন।

    ‘মানবদেহ’-কে ‘আদিমক্কা’ আর ‘মসজিদঘর’ অভিধায় চিহ্নিত করে আত্মানুসন্ধানের নির্দেশনা দিয়েছেন মেছের। এই আত্মানুসন্ধান মানে নিজেকে চেনা আর জানা। নিজেকে চেনা-জানা মানে সৃষ্টিকর্তাকে জানা। মানুষের ভেতরেই সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন-বাউলরা এটাই গভীরভাবে বিশ্বাস করেন। কারণ গুরুতত্ত্বে আপন দেহে সৃষ্টিকর্তার অবস্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এজন্যই মানুষ ভজনার কথা বলে থাকেন বাউলসাধকেরা।

    মানুষের স্বরূপসন্ধানের প্রসঙ্গ তাই বারেবারে উঠে এসেছে বাউলসাধকদের গানের পঙ্ক্তিতে এবং এঁদের আচারগত সংস্কৃতিতে। বাউলদের গোপন ক্রিয়াকরণেও মানুষ প্রসঙ্গ এসেছে। তবে সেটা ভিন্ন অর্থে, ভিন্ন মেজাজে। এসব গুপ্ত ও গুহ্য সাধনায় ‘মনের মানুষ’-এর কথা বলা হয়েছে। কোনও কোনও সাধক সেই ‘মনের মানুষ’-কে ‘অধর মানুষ’, ‘রসের মানুষ’, ‘অচিন মানুষ’ হিসেবেও পরিচয় দিয়ে থাকেন।

    তবে সেটা যে-‘মানুষ’ হিসেবেই অভিহিত করা হোক না, সেই মানুষের অনুসন্ধান বাউলদের গোপন সাধনার অংশবিশেষ। এসব পরিভাষার অর্থ কেবল রসজ্ঞ সাধকেরা তাঁদের শিষ্যদেরই ধারণা দেন। সাধারণের কাছে দুর্বোধ্য এসব শব্দ অনেকটা ‘কঠিন’-ই বটে। ‘মনের মানুষ’-এর জন্য সাধকেরা যেসব সাধন-ভজন করে থাকেন, সেটাকে কট্টর ধর্মীয় অনুসারীরা ‘বিকৃত মানসিকতা ও অনৈতিক র্মকান্ড’ হিসেবে মনে করে থাকেন। এমনকী কোথাও কোথাও বাউলসাধকদের শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত এবং অপমানিত পর্যন্ত হতে হচ্ছে। এরপরও সাধকদের থেমে নেই ‘মনের মানুষ’ অনুসন্ধানের নিরলস প্রচেষ্টা। বরং অব্যাহতভাবে গুরুতত্ত্ব মেনে সাধনসঙ্গিনী সহযোগে ভজন ও ধ্যানে ঐকান্তিকভাবে গুরু-নির্দেশিত পথ অনুসরণ করে চলেছেন তাঁরা।

    চার

    বাউল-ফকিরদের মতবাদে মারিফত-বন্দনার বিষয়টি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত। সন্দেহ নেই শরিয়তপন্থিরা এটির ঘোরবিরোধী। তাই মুসলিম ধর্ম-অনুসারী অনেকের সঙ্গে বাউল-ফকির মতবাদকেন্দ্রিক শরিয়ত-মারিফতবিষয়ক দ্ব›দ্ব দীর্ঘদিনের। অনেক সাধক বাউল এসব দ্ব›দ্ব-বিদ্বেষ এড়াতে শরিয়তের নানা শব্দ-উপকরণ ব্যবহার করে মূলত মারিফত-তত্ত্বেরই বন্দনা করেছেন।

    পূর্বসূরিদের পথ অনুসরণ করে মেছেরও একইভাবে মারিফত ও শরিয়তের ভেদ অনুসন্ধান করতে চেয়েছেন। তাঁর নিজস্ব চিন্তা ও চর্চা থেকে মারিফত-শরিয়তের ব্যবধান এ-রকমটাই প্রকাশিত হয়েছে :

    মারিফতের ভেদ এই যে কেহ পড়িবে
    দু-জাহানে তার বড়ো মরতবা বাড়িবে
    নয়নের মেক তার ঘুচিয়ে পড়িবে
    জাহেরেতে আছে খোদা নজরে দেখিবে।
    এরফানির ভেদ যা সিনার এলেম
    বুঝতে না পারিবে খালি হইলে আলেম
    ফকিরের কাছে যাহা হইলা মুবিদ
    মারিফতের ভেদ তারা পাইলো নিশ্চিত।
    মারিফত ফকিরধর্ম জানো সর্বজন
    হাদিস কিতাবে তার না পাবা কারণ
    সিনার এলেম সিনায় সিনায় সংসারে আইলো।
    মুর্শিদের মুখে তাহা গোপন রহিল
    মুর্শিদের বাক্য যারা করিল আমল
    মারিফতের ভেদ তারা পাইলো সকল
    মারিফতের মূল যাহা পুর্শিদা কালাম
    মুর্শিদ বিহনে তার পাবা না সন্ধান
    শরিয়তের ভেদ যাহা দলিলে লেখিলো
    মারিফত সিনার এলেম বাতনে রহিল
    সত্য কইতে সরয়ে বাদ্য মিথ্যা কইতে মানা
    এইরূপে গোমরা হয়ে আছে অনেক জনা
    মারিফত পুর্শিদা তত্ত্ব জানিবে নিশ্চয়
    সকলের কাছে তাহা বলা নাহি যায়।
    আল্লা যাকে ভক্তিজ্ঞান দিয়াছে জাহানে
    মন মজাইয়া আছে মুর্শিদের চরণে
    খেদমতে হইয়া রাজি মুর্শিদ সুজন
    অকৈতুক কথা তারে করে বিতরণ।
    মারিফত পুর্শিদাতত্ত্ব যে কেহ জানিল
    একিন জানো দোজখ তার হারাম হইল।
    খালি যারা শরিয়ত করিল আদায়
    দোজখি হইবে তারা তত্ত্বে জানা যায়।
    খালি যারা মারিফত করে দুনিয়াতে
    এরফাতে যাইবে তারা জানিবে মনেতে।
    শরিয়ত মারিফত দুই কাম করে যারা
    ঠিক জানো জান্নাত পাবে তরা
    মওলার তলব গুরুর সেজদা মূল মারিফত
    অনুমানে সেজদা করো জানো শরিয়ত
    অনুমান করে খালি বর্তমান ছাড়িয়া
    জাহান্নামে যাবে তারা দেখিবে ভাবিয়া
    মেছের শাহ ফকিরের কথা মারিফতের মূল
    না-বুঝিলে আখেরে হইবে নামাক্কুল।

    আরেকটি গানে মেছের শাহ চার তরিকার নিগূঢ়-বিষয়বস্তু উত্থাপন করতে গিয়ে লিখেছিলেন : ‘শরিয়ত কারে বলে জানো সে কারণ। পড়ে শুনে লাগাও ইবাদতে মন। শরিয়ত জাহেরা সত্য তত্ত্ব তরিকত। হকিকত হককথা গুপ্ত মারিফত।। শরিয়তে সত্য রাখা আপার মনে। তরিকতে ভক্তি করো পিরের চরণেতে। হকিকতে হক জানো পিরের বচন। মারিফতে করো মোমিন খোদার ভজন।। জিকির আর মুর্শিদের খেদমত মারিফতের কাজ। শরিয়তে কার্য জানো রোজা আর নামাজ। হাজার সাল করো যদি খালি শরিয়ত। মুর্শিদের খেদমত বিনে হবে বরবাদ।’

    পাঁচ

    মেছের শাহ জীবদ্দশায় দৈহিক সাধনার পাশাপাশি তত্ত্বগত গানের চর্চা করেছিলেন। তাঁর বিচিত্রমুখী গানের বদৌলতে বাউল-গবেষক ও শ্রোতাদের বাউল-ফকিরি ধারা সম্পর্কে নতুন ভাবনার উদ্রেক করবে। পূর্বসূরি বাউল-ফকিরদের রচিত গানের ধারাবাহিকতাই যেন তিনি টেনে নিয়ে গেছেন একজন সফল উত্তরাধিকারী হিসেবে। তাই তাঁর রচিত বাউল পদাবলি ভাবীকালের বাউল-মতবাদ অনুসারীদের কাছে অনন্য মর্যাদায় উদ্ভাসিত হতে বাধ্য; মেছের শাহের গানের সুরবাণী, তত্ত্ব এবং তার অন্তর্নিহিত শক্তিটাকে বিবেচনায় নিলে এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো
    Next Article ডক্টর ইউনূসের দারিদ্র্য বাণিজ্য – বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }