Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প891 Mins Read0
    ⤶

    ১৫. মায়া : ভাববাদের আবির্ভাব

    মায়া : ভাববাদের আবির্ভাব

    অতীতের সেই বরুণ শুধুই যে ঋতযুক্ত ও ঋতজ্ঞ তাই নন, মায়াবীও।

    ধর্মণা মিত্রাবরুণা বিপচ্চিতা ব্রতা রক্ষেথে অসূরস্য মায়য়া।
    ঋতেন বিশ্বং ভূবনং বি রাজথঃ সূর্যমা ধত্থো দিবি চিত্র্যং রথম্॥
    অর্থাৎ, —হে প্রাজ্ঞ মিত্রাবরুণ, তোমরা ধর্মদ্বারা ও অসুরের মায়াদ্বারা যজ্ঞসমূহ রক্ষা কর, ঋতদ্বারা এই বিশ্বভুবনকে দীপ্যমান কর, সূর্যকে তাহার বিচিত্র রথসহ ধারণ করিয়া থাক।। ঋগ্বেদ : ৫.৬৩.৭ ।৷

    ঋতস্য বুধ্ন উষসামিষণ্যম্বৃষা মহী রোদসী আ বিবেশ।
    মহী মিত্রস্য বরুণস্য মায়া চন্দ্রেব ভানুং বি দধে পুরুত্রা।।
    অর্থাৎ, —উষাগুলিকে প্রেরণ করিতে ইচ্ছুক হইয়া ঋতের মূল বৃষ্টির সাহায্যে স্বর্গ ও পৃথিবীর মধ্যে প্রবেশ করিয়াছিল; মিত্র ও বরুণের মহতী মায়া চন্দ্রের ন্যায় নিজপ্রভা বহুলভাবে প্রসারিত করিয়াছিল।। ঋগ্বেদ : ৩.৬১.৭ ।।

    স্বভাবত অধ্যাপক ম্যাকডোন্যাল মন্তব্য(৮৯) করছেন,

    The divine dominion of Mitra and Varuna is often referred to with the word Maya.

    কিন্তু মনে রাখা দরকার যে, উত্তরকালে, বিশেষত বেদান্ত-দর্শনের প্রভাবে, মায়া বলতে আমরা যা বুঝতে শিখেছি ঋগ্বেদে মায়ার অর্থ মোটেই তা নয়। ঋগ্বেদের মায়া প্রসঙ্গে অধ্যাপক ম্যাকডোন্যাল(৯০) মন্তব্য করছেন,

    It has an almost exact parallel in the English word ‘craft’, which in its old significance meant ‘occult power, magic’, then ‘skilfulness, art on the one hand and ‘deceitful skill, wile’ on the other. The good sense of Maya, like that of asura (which might be rendered by ‘mysterious being’) is mainly connected with Varuna and Mitra, while its bad sense is reserved for demons. *

    আমরা আগেই দেখেছি, প্রাচীন-সমাজে উৎপাদন-কৌশল অনুন্নত বলেই শ্রমের অপরিহার্য অঙ্গ ছিলো জাদুশক্তিতে বিশ্বাস। ঋগ্বেদের ‘মায়া’ শব্দটির মধ্যে আমরা হয়তো তারই আভাস পাই; মায়া হলো কৌশল, প্রজ্ঞা, ক্ষমতা এবং সেইসঙ্গে জাদুশক্তিও। এবং প্রাক্-বিভক্ত পর্যায়ে কর্মকৌশলের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়নি বলেই এই মায়াই তখন দেবতাদেরও পরম গৌরবময় শক্তি হিসেবেই কীর্তিত হয়েছে।

    এই মায়ার দ্বারাই বরুণ সূর্যকে পৃথিবী থেকে পৃথক করেছিলেন।

    ইমামু স্বাসুরস্য শ্রুতস্য মহীং মায়াং বরুবস্য প্র বোচম্‌।
    মানেনেব তস্থিবা অন্তরিক্ষে বি যো মমে পৃথিবীং সূর্যেন।।
    অর্থাৎ, —অসুরের হননোপযোগী এই মহৎ বিখ্যাত মায়ার কথা বলিতেছি—যাহার দ্বারা বরুণ অন্তরীক্ষে থাকিয়া যেন দণ্ডের দ্বারা সূর্যকে ও পৃথিবীকে পৃথক করিয়াছিলেন। ঋগ্বেদ : ৫.৮৫.৫ ॥

    এই মায়াই মিত্রাবরুণের আয়ুধের মতো।

    মায়া বাং মিত্রাবক্ষণা দিবি শ্রিতা সূর্যো জ্যোতিশ্চরতি চিত্রমায়ুধম্।
    অর্থাৎ, —হে মিত্রাবরুণ, তোমাদের মায়া স্বৰ্গকে আশ্রয় করিয়াছে এবং সূর্যরূপে বিচিত্র আয়ুধ হইয়া ইহা পরিভ্রমণ করিতেছে।। ঋগ্বেদ : ৫.৬৩.৪।।

    কিন্তু শুধু মিত্রাবরণই নন; অন্যান্য দেবতাদের কর্মকৌশলকেও ঋগ্বেদে মায়া বলেই উল্লেখ করা হয়েছে।

    ইন্দ্র যে গাভী নির্মাণ করেছিলেন তাও এই মায়ার দ্বারাই।

    তদিন্ন্বস্য বৃষভস্য ধেনোরা নামভিৰ্মমিরে সক্‌ম্যং গোঃ।
    অন্যদন্যদসূৰ্যং বসানা নি মায়িনো মমিরে রূপমস্মিন্‌।
    অর্থাৎ, –অভিলাষ-পূরণকারীর হবনীয় গাভীকে মায়াযুক্ত ইনি (ইন্দ্র) ‘ধেনু’ এই নামের দ্বারা নির্মাণ করিয়াছিলেন; অন্যান্য অসূর্য-শক্তিকে পরাজিত করিয়া ইনি ইহাদিগকে (প্রকৃত) রূপে (মায়াদ্বারা) নির্মিত করিয়াছিলেন।। ঋগ্বেদ : ৩.৩৮.৭ ।।

    এমনকি ইন্দ্রের যে-রণকৌশল তারও নাম মায়া। মায়ার দ্বারাই তিনি মায়াবী শুষ্ণকে পরাজিত করেন।

    মায়াভিরিন্দ্র মায়িনং ত্বং শুষ্ণমবাতিরঃ।
    অর্থাৎ, —মায়াসমূহদ্বারা ইন্দ্র, হে মায়াবী শুষ্ণ, তোমাকে পরাজিত করিয়াছিলেন।। ঋগ্বেদ : ১.১১.৭ ।।

    এবং এই মায়ার দ্বারাই তিনি মায়াযুক্ত মৃগকে বধ করেছিলেন।

    ত্যং মায়িনং মৃগং তমু ত্বং মায়য়াবধীঃ
    অর্থাৎ,—তুমি (ইন্দ্র) মায়াদ্বারা সেই মায়াযুক্ত মৃগকে বধ করিয়াছিলে।। ঋগ্বেদ : ১.৮০.৭ ।।

    ইন্দ্র যে ধনদাতাকে পর্যুদস্ত করেছিলেন তাও এই মায়ার দ্বারাই, মায়ার সাহায্যেই।

    মায়াভিধনদাং পর্যভূবন্‌… … … …
    … … … … নির্জোতিষা তমসো গা অদুক্ষৎ ॥
    অর্থাৎ, —(ইন্দ্ৰ) ধনদাতাকে মায়াসমূহ দ্বারা পর্যুদস্ত করিয়াছিলেন এবং আলোকের দ্বারা অন্ধকার হইতে গরুগুলিকে দোহন করিয়াছিলেন।। ঋগ্বেদ : ১.৩৩.১০ ॥

    যে-পার্থিব ধনের এবং নিরাপত্তার কামনাকেই সামগ্রিকভাবে ঋগ্বেদের মূলসূত্র হিসেবে দেখতে পাওয়া যায়, তা লাভ করবার কৌশলকেও মায়া বলা হয়েছে।

    রেবদ্বয়ো দধাথে রেবদাশাথে নরা মায়াভিরিতঊতি মাহিনম্।
    অর্থাৎ, —(হে মিত্রাবরুণ), তোমরা দুইজন ধন এবং অন্ন ধারণ কর; তোমরা নেতা, আমাদিগকে মায়াসমূহ অবলম্বনে ধন (ও অন্ন) দান কর, তোমরা মহৎ।। ঋগ্বেদ : ১.১৫১.৯ ।।

    এবং মায়ার সাহায্যেই মিত্রাবরুণ অমোঘ নিয়মের ধারক হন।

    যা বো মায়া অভিদ্রুহে যজত্ৰাঃ পাশা আদিত্যা রিপবে বিচৃত্তাঃ।
    অর্থাৎ, —হে যজনীয়গণ (আদিত্যগণ), তোমাদের মায়া এবং পাশসমূহ বিদ্রোহী শক্রর উদ্দেশ্যে প্রসারিত ॥ ঋগ্বেদ : ২.২৭.১৬ ।।

    এই মায়ার দ্বারাই ইন্দ্র স্বৰ্গকে পতন থেকে স্তব্ধ করেছিলেন।

    অস্তভ্‌নাৎ মায়য়া দ্যামবস্রসঃ।
    অর্থাৎ, —(ইন্দ্র) মায়াদ্বারা স্বৰ্গকে পতন হইতে স্তব্ধ করিয়াছিলেন।। ঋগ্বেদ : ২.১৭.৫ ।।

    আমরা ইতিপূর্বে দেখাবার চেষ্টা করেছি যে, আদিতে ওই পার্থিব ধনলাভের পদ্ধতিকেই যজ্ঞ বলা হতো—এমন কথা অনুমান করবার সুযোগ আছে। এবং ঋগ্বেদে ধন-লাভ-কৌশলের নামান্তর যদি মায়াই হয় তাহলে যজ্ঞের সঙ্গেও মায়ার সম্পর্ক দেখতে পাওয়া উচিত। বস্তুত ঋগ্বেদেই এ-সম্পর্কের ইংগিত খুঁজে পাওয়া যায়।

    মায়ার দ্বারাই হোতা ব্ৰতকে উর্ধ্বে ধারণ করেন।

    এতি প্র হোতা ব্রতমস্য মায়য়োর্ধ্বাং দধাননঃ
    অর্থাৎ, —হোতা ব্রতকে মায়ার দ্বারা উর্ধ্বে ধারণ করিয়া এইদিকে আসিতেছে। ঋগ্বেদ : ১.১৪৪.১ ।।

    মায়ার দ্বারাই অগ্নি ভুবনসমূহকে পবিত্র করেন।

    স বহ্নিঃ পুত্রঃ পিত্রোঃ পবিত্রবান্‌ পুনাতি ধীরো ভূবনানি মায়য়া।
    ধেনুং চ পৃশ্নিং বৃষভং সুরেতসং বিশ্বাহা শুক্রং পয়ো অস্য দুক্ষত।।
    অর্থাৎ,–পিতামাতার পুত্র সেই বহ্নি (অগ্নি) পবিত্র, ধীর; তিনি মায়ার দ্বারা ভুবনসমূহকে পবিত্র করেন; তিনি চিরকাল ধরিয়া শুক্লবৰ্ণ গাভী এবং শোভন রেতঃযুক্ত বৃষভ হইতে শুক্র এবং দুগ্ধ দোহন করেন।। ঋগ্বেদ : ১.১৬৩.৩ ।৷

    এবং মায়াবীদের মায়া অগ্নির মধ্যেও সংস্থাপিত হয়েছিলো।

    যাশ্চ মায়া মায়িনাং বিশ্বমিন্ব ত্বে পূর্বীঃ সংদধুঃ পৃষ্টবন্ধো।
    অর্থাৎ, —মায়াবীদের যে-সমস্ত মায়া, হে জিজ্ঞাসুদিগের বন্ধু, বিশ্বম্ভর (অগ্নি), তাহা পূর্বেই তোমাতে সংস্থাপিত হইয়াছে।। ঋগ্বেদ : ৩.২০.৩ ।।

    মায়া প্রসঙ্গে ঋগ্বেদের আরো অনেক মন্ত্র উদ্ধৃত করা যায়। কিন্তু আমাদের মূল যুক্তির পক্ষে তার প্রয়োজন নেই। কেননা, আমাদের যুক্তির দিক থেকে শুধু এটুকু প্রতিপন্ন করাই প্রয়োজন যে, বৈদিক মানুষের এককালে মায়া বলতে কর্মকৌশলই বুঝতেন এবং তখন তার প্রাক্-বিভক্ত পর্যায়ে জীবনযাপন করতেন বলেই তাদের ধ্যানধারণায় শ্রম বা কর্মকৌশল নিন্দিত হয়নি। তাই ঋগ্বেদে মায়া তো নিন্দিত নয়ই; বরং এই মায়ার গৌরব-বর্ণনাতেই ঋগ্বেদ যেন ভরপুর। মায়ার গৌরবের সঙ্গে প্রাক্‌-বিভক্ত পর্যায়ের সম্পর্ক কী রকম ছিলো এবং সেই প্রাক্-বিভক্ত সমাজ-সংগঠন ভেঙে যাবার পর ঋগ্বেদেরই পরের অংশে মায়ার গৌরব কী ভাবে ক্ষুণ্ণ হতে শুরু করেছে এখানে তারই সামান্য উদাহরণ উদ্ধৃত করবো।

    আমরা ইতিপূর্বে দেখেছি, বৈদিক সমাজের প্রাক্-বিভক্ত পর্যায়ের একটি প্রধান পরিচয় হলো সভা। ঋগ্বেদে দেখি, অগ্নি মায়ার দ্বারাই এই সভাসমূহকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন।

    হোতা দেবো অমর্ত্যঃ পুরস্তাদেতি মায়য়া। বিদথানি প্রচোদয়ন্‌।।
    অর্থাৎ,—মৃত্যুহীন হোতা দেবতা (অগ্নি) সভাসমূহকে অনুপ্রেরিত করিবার জন্য সম্মুখে মায়াযুক্ত হইয়া আসিতেছেন। ঋগ্বেদ : ৩.২৭.৭ ।।

    কিন্তু ঋগ্বেদের দশম মণ্ডল রচিত হবার সময় ওই বৈদিক সভায় ভাঙন ধরেছিলো বলেই অনুমান হয়; কেননা তা না হলে বৈদিক কবি অতীতের স্মৃতিকে উদ্বুদ্ধ করে সমিতিতে সমান হবার জন্য অমন ব্যাকুল আবেদন (পৃ. ৫৬৮) ঘোষণা করবেন কেন? এবং এই দশম মণ্ডলেই দেখা যায় মায়া যেন বন্ধ্যাত্ব প্রাপ্ত হচ্ছে—যে-মায়া দেবতাদের প্রধানতম কৌশল ছিলো, যে-মায়াদ্বারা দেবতারা সভাসমিতিকে অনুপ্রেরিত করতেন, সেই মায়াই নিষ্ফল ও বন্ধ্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

    উত ত্বং সখ্যে স্থিরপীতমাহুর্নৈনং হিন্বন্ত্যপি বাজিনেষু।
    অধেন্বা চরতি মায়য়ৈষ বাচং শুশ্রুবা অফলামপুষ্পাম্‌।
    অর্থাৎ, (হে ব্ৰহ্মণস্পতি) তুমি এই সখ্যে স্থির নিশ্চয় হইয়াছ; কেহ আর সংগ্রামে ইহার অনুগমন করে না। এই ব্যক্তি ধেনুবিহীন হইয়া মায়ার দ্বারা বিচরণ করে, সে নিস্ফল পুষ্পবিহীন বাক্য শ্রবণ করে। ঋগ্বেদ : ১০.৭১.৫ ৷

    ভাষ্যে সায়ণ বলছেন,

    যথা বন্ধ্যা পীনা গৌঃ কিং দ্রোণমাত্ৰং ক্ষীরং দোগ্ধীতি মায়ামূৎপাদয়ন্তী চরতি যথা বন্ধ্যো বৃক্ষোহকালে পল্লবাদিযুক্তঃ সন্‌ পুষ্প্যতি ফলতীতি ভ্রান্তিমূৎপাদয়ংস্তিষ্ঠতি তথা…
    অর্থাৎ,–যেমন কোনো বন্ধ্যা স্থূল গাভী,–হয়তো অল্প দুগ্ধ দান করে,–এইরূপ ভ্রম উৎপন্ন করিয়া বিচরণ করে, যেরূপ নিফল বৃক্ষ অকালে পল্লবাদি যুক্ত হইয়া—ইহা হয়তো পুষ্প ও ফল ধারণ করে, এইরূপ ভ্রান্তি উৎপাদন করিয়া থাকে, সেইরূপ।

    আরো পরে—বেদান্তে—এই মায়া বলতে শুধুমাত্র, মিথ্যা, অনৃত ও ভ্রান্তিই বুঝিয়েছে। তারই নাম হয়েছে মায়াবাদ এবং এই মায়াবাদই ভারতীয় দর্শনে ভাববাদের প্রধানতম ভিত্তিস্তম্ভ।

     

    ঋগ্বেদে মায়ার কথা আছে; কিন্তু বৈদান্তিক অর্থে মায়াবাদ নেই—বড়ো জোর ঋগ্বেদের অর্বাচীন অংশে মায়াবাদের আভাস দেখা দিয়েছে। মায়াবাদের পরিবর্তে ঋগ্বেদে দেখা যায় দেবতাদের কৌশল ও প্রজ্ঞারই নাম হলো মায়া। ঋতের পালক ঋতজ্ঞ সখা ও নিত্যবন্ধু বরুণের প্রধানতম শক্তির নাম মায়া; তারই সাহায্যে তিনি যজ্ঞসমূহকে রক্ষা করেন, চন্দ্রের ন্যায় নিজপ্রভা বহুলভাবে বিস্তারিত করেন; মায়ার সাহায্যেই তিনি অন্তরীক্ষে অবস্থান করে সূর্যকে পৃথিবী থেকে পৃথক করেন এবং এই মায়াই তার আয়ুধের মতো। ইন্দ্রেরও প্রধানতম কৌশল বলতে এই মায়াই; মায়ার সাহায্যেই তিনি গাভীগুলি নির্মাণ করেছিলেন, মায়ার দ্বারাই তিনি মায়াবী শুষ্ণকে পরাজিত করেন, মায়াযুক্ত মৃগকে বধ করেন এবং এমনকি ধনদাতাকে পর্যুদস্ত করেন। যে-পার্থিব ধন এবং নিরাপত্তার কামনা সমগ্র ঋগ্বেদের মূলসূত্র তা লাভ করবার কৌশলও ওই মায়াই। মায়ার দ্বারাই হোতো ব্রতকে উর্ধ্বে ধারণ করেন, অগ্নি ভুবনসমূহকে পবিত্র করেন এবং সভাগুলিকে অনুপ্রাণিত করেন। ইত্যাদি। ইত্যাদি।

    এই হলো ঋগ্বেদে মায়ার কথা। এ-কথা আর যাই হোক, বেদান্তের মায়াবাদ নয়। বস্তুত, সামগ্রিকভাবে ঋগ্বেদের মূল স্বরটিই মায়াবাদের সম্পূর্ণ বিপরীত। পৃথিবীকে বা পার্থিব বস্তুকে অলীক বা মিথ্যা মনে করে কোনো এক চিন্ময় সত্তার কল্পনায় বিভোর হবার পরিচয় ঋগ্বেদে নেই। তার বদলে মেয়েলি ব্রতের ছড়াগুলির মতোই—বা আফ্রিকার দিন্‌ক ট্রাইবদের কবিতার মতোই—সহজ সরলভাবে একান্ত পার্থিব সম্পদের কামনা ব্যক্ত করাই বৈদিক মন্ত্রগুলির মূল কথা। তাই বৈদিক চিন্তাচেতনাকে যদি একান্তই কোনো দার্শনিক সংজ্ঞা দেওয়া সম্ভব হয় তাহলে তাকে বস্তুবাদ বলতে হবে—সে-বস্তুবাদ যতো অস্ফূট, যতো অচেতন, যতো আদিমই হোক না কেন। কেননা এখানে পরকাল বা পরলোকের কথার কোনো পরিচয় নেই, পরিচয় নেই চিন্ময় জগৎকারণের কোনো কল্পনার। তার বদলে শুধু কামনা— একান্ত পার্থিব সহজ সরল কামনা।

    এবং পার্থিব কামনা-পরিপূরক কৌশল হিসেবেই ঋগ্বেদ মায়ার মহিমায় মুখর। অতএব, ঋগ্বেদে মায়ার যে কথা তাও ওই অস্ফূট ও আদিম বস্তুবাদী চেতনারই অঙ্গীভূত।

    কিন্তু বৈদিক ঐতিহ্যের বাহকেরাই—বৈদান্তিকেরাই—ঋগ্বেদের এই প্রাক-অধ্যাত্মবাদী ও প্রাক্-ভাববাদী চেতনার ধ্বংসস্তুপের উপর ভাববাদের প্রাসাদ গড়ে তুলেছিলেন এবং সে-ভাববাদের প্রধানতম ভিত্তি বলতে মায়াবাদই। এবং এই মায়াবাদ প্রসঙ্গে মায়া শব্দ আর আদিম সমাজের craft বা কৌশল নয়; তার বদলে বন্ধ্যা-ধারণা, মিথ্যা, মরীচিকা। আমরা দেখাতে চাইছি, মায়া শব্দের এই অর্থ-বিপর্যয়টির অন্তরালেই ভাববাদের জন্মকাহিনী প্রচ্ছন্ন থাকা অসম্ভব নয়। অতএব, ভাববাদের উৎস-সন্ধানে অগ্রসর হতে হলে মায়া শব্দের অর্থ-বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান করা যেতে পারে।

    বেদ আর বেদান্তের মধ্যে একটা যুগান্তরের ইতিহাস রয়েছে—প্রাচীন প্রাক্-বিভক্ত পর্যায় থেকে প্রকট শ্রেণীবিভক্ত পর্যায়ে এসে পড়ার ইতিহাস। বেদের পর ব্রাহ্মণ, ব্রাহ্মণের পর উপনিষদ বা বেদান্ত। ঋগ্বেদের যুগের শেষেই—এবং ব্রাহ্মণের যুগে আরো স্পষ্টভাবে—প্রাক্-বিভক্ত প্রাচীন সাম্যসমাজ ভেঙে পড়বার ছবি দেখতে পাওয়া যায়। প্রাক্-বিভক্ত সমাজে সকলেই সমানভাবে যৌথশ্রমে অংশ গ্রহণ করে। তাই শ্রম বা কৌশল বা craft সে-পর্যায়ে নিন্দিত বা হেয় বলে পরিগণিত নয়। কিন্তু সমাজের এই যৌথ সংগঠন ভেঙে যতোই শ্রেণীবিভাগ ফুটে উঠতে থাকে—সমাজের শাসক মহল শ্রমের প্রত্যক্ষ দায়িত্ব থেকে যতোই মুক্ত হয়—ততোই এই শ্রম হেয় বা হীনবৃত্তি বলে পরিগণিত হতে থাকে। কেননা, নবপরিস্থিতিতে যে-শ্রেণীর মানুষের উপর এই শ্রমের দায়িত্ব সামাজিকভাবে তারা মর্যাদাহীন হয়ে দাঁড়ায়। এই নবপরিস্থিতিতে কী ভাবে মানব-চেতনায় ভাববাদের আবির্ভাব হয় তার সাধারণ যুক্তি আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি (পৃ.৮২ এবং ৫৪৩)। ভারতীয় দর্শনের বিশিষ্ট ক্ষেত্রে ভাববাদের আবির্ভাব প্রসঙ্গে উল্লেখ করা দরকার যে, যে-উপনিষদ বা বেদান্তে এই ভাববাদের আবির্ভাব তার নাম জ্ঞানকাণ্ড। বেদান্তে শুধু যে জ্ঞান ও কর্মের মধ্যে বিরোধ কল্পিত হয়েছে তাই নয়, কর্ম নিন্দিত হয়েছে এবং একমাত্র জ্ঞানেরই গৌরব স্বীকৃত হয়েছে। অতএব যে-মায়া বা craft এককালে বৈদিক মানুষদের মধ্যেই পরম গৌরবময় শক্তি বলে পরিগণিত ছিলো কালক্রমে তাই হেয়, নিন্দিত ও মিথ্যাবোধক হয়ে দাঁড়ালো।

    পূর্বপক্ষ বলবেন, বেদান্তে যে-কর্মের নিন্দা তার নাম যজ্ঞকৰ্ম—তাকে সাধারণভাবে শ্রম বললে অর্থবিকৃতি হবে। কিন্তু আমরা আগেই দেখেছি, আদিতে এই যজ্ঞই ছিলো অন্নলাভের উপায়; যজ্ঞের আধ্যাত্মিক তাৎপর্য স্বভাবতই উত্তর-যুগের উদ্ভাবন। তবু দ্রষ্টব্য এই যে, বৈদান্তিক চিন্তার মধ্যে অমন আধ্যাত্মিক প্রলেপ সত্বেও কর্মকে স্বীকার করা সম্ভব হয়নি।

     

    আমাদের মূল যুক্তি এইখানেই সমাপ্ত হতে পারতো। কেননা, মায়াবাদ বা বৈদান্তিক ভাববাদ অত্যন্ত সুপরিচিত এবং আমাদের যুক্তির দিক থেকে তার বিশদ-বর্ণন নিম্প্রয়োজন। আমরা শুধু এটুকুই দেখাবার চেষ্টা করেছি যে, বৈদিক সাহিত্যে সমাজ-বিকাশের প্রাক্-বিভক্ত পর্যায়ের বহু স্মারক পাওয়া যায়। তার থেকে প্রমাণ হয়, অন্যান্য মানবজাতির মতোই বৈদিক মানুষেরাও এককালে সমাজবিকাশের প্রাক্-বিভক্ত পর্যায়েই জীবন-যাপন করতেন। তাদের চিন্তাচেতনাও তখন মূলতই প্রাক্‌-অধ্যাত্মবাদী। কিন্তু এই সমাজ-সংগঠন ভেঙে যাবার ফলে, কালক্রমে, তাদের কাছে কর্ম নিন্দিত হয় এবং তারই ফলে তাদের চেতনায় আবির্ভাব হয় ভাববাদের—ঋগ্বেদের মায়ার গৌরবের ধ্বংসস্তুপের উপর গড়ে ওঠে বৈদান্তিক মায়াবাদ।

    কিন্তু এইখানেই আলোচনার শেষ না করে আমরা মায়া-প্রসঙ্গে আর একটি চিত্তাকর্ষক বিষয়ের উল্লেখ করতে চাই।

    ঋগ্বেদে মায়া অবশ্যই বরুণাদি দেবতাদের craft বা কৌশল হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে। কিন্তু শুধু দেবতাদেরই নয়, অসুরদেরও। বস্তুত ঋগ্বেদে মায়া যে প্রধানতই অসুর-শক্তি-বোধক ছিলো তা অনুমান করবার যথেষ্ট কারণ আছে; কেননা, ‘অসুরস্য মায়য়া’ বা ওই জাতীয় কথা ঋগ্বেদে বিরল নয়।

    চিত্রেভিরভ্রৈরুপ তিষ্ঠথো রবং দ্যাং বৰ্ষয়থো অসুরস্য মায়য়া।
    অর্থাৎ,—বিচিত্র মেঘসমূহের দ্বারা তোমরা (মিত্রাবরুণ) সরবে স্বৰ্গকে বর্ষণ করিতে থাক অসুরের মায়ার সাহায্যে।। ঋগ্বেদ : ৫.৬৩.৩ ॥

    তাহলে দেবতাদের এই মায়া আসুরী বৈশিষ্ট্য বলেই পরিগণিত হতে পারে। কালক্রমে বৈদিক ঐতিহ্যের বাহকদের কাছে মায়া নিন্দিত হয়েছিলো। কিন্তু সম্ভবত অসুর বলে বর্ণিত মানুষগুলির মন থেকে মায়ার মহিমা এ-ভাবে মুছে যায়নি। আর হয়তে সেই কারণেই তাদের চেতনাও প্রাক্-আধ্যাত্মবাণী— এবং সেই অর্থে লোকায়তিকই—হয়ে থেকেছিলো। আমরা ইতিপূর্বে ঋগ্বেদ থেকেই অসুরদের লোকায়তিক দৃষ্টিভঙ্গির একটি দৃষ্টান্ত উল্লেখ করেছি : “হে ইন্দ্র, যাহারা নিজেদের মুখে অন্নহবি প্রদান করিত তুমি মায়াসমূহের দ্বারা সেই মায়াবীদিগকে পরাজিত করিয়াছিলে।” আমরা আরো দেখেছি, তন্ত্র ও সাংখ্যকে অসুরমত বলেই গ্রহণ করবার সম্ভাবনাও সংকীর্ণ নয়। এই কারণেই কি সাংখ্যে প্রকৃতি বা অচেতন-জগৎকারণের নামান্তর হিসেবে মায়ার গৌরব অক্ষুণ্ণ থেকেছে! বেদান্তমতেও মায়াই জগৎকারণ; কিন্তু মায়া মানে মিথ্যা, তাই জগৎ মিথ্যা। অপরপক্ষে, সাংখ্যমতে এই মায়াই চূড়ান্ত সত্য। আর হয়তো তাই-ই প্রাক্‌-অধ্যাত্মবাদী বৈদিক চেতনার ধ্বংসস্তুপের উপর দাঁড়িয়ে বৈদান্তিক বাদরায়ণ ওই সাংখ্যমতকেই প্রধানতম প্রতিপক্ষ হিসেবে খণ্ডন করবার চেষ্টা করেছেন।

    ——————–
    ৮৮. A. B. Keith op. cit. 1:83.
    ৮৯. A. A. Macdonell VM 24.
    ৯০. Ibid.

     

    (সমাপ্ত)

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article যে গল্পের শেষ নেই – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    পৃথিবীর ইতিহাস – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    ফ্রয়েড প্রসঙ্গে – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    যে গল্পের শেষ নেই – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }