Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প891 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. যজমান শব্দের সাক্ষ্য

    যজমান শব্দের সাক্ষ্য

    নৃতত্বের আলোয় বৈদিক যজ্ঞের উৎস-সন্ধান এবং সমাজতত্বের আলোয় যেগুলির রূপান্তর-নিরূপণ করবার দায়িত্ব সম্যকভাবে পালিত হয়নি বলেই বৈদিক গবেষকদের কাজ আজো অনেকাংশে অসমাপ্ত আছে। আমরা সেদিকে যোগ্য বেদবিদ্‌দের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।

    অবশ্যই আমাদের পক্ষে এখানে সে-আলোচনার সুযোগ বা প্রাসঙ্গিকতা নেই। কেননা আমাদের যুক্তির পক্ষে তা প্রয়োজন নয়। আমাদের যুক্তির পক্ষে এখানে শুধু এটুকু প্ৰতিপন্ন করবার প্রচেষ্টাই পৰ্যাপ্ত যে, বৈদিক সমাজের মতোই বৈদিক অনুষ্ঠানগুলিরও একটা ইতিহাস আছে। উত্তরকালের সাহিত্যে আমরা বৈদিক যজ্ঞের যে-রূপ দেখছি, তাই যজ্ঞের আদিরূপ নয় এবং এই রূপ-পরিবর্তন বলতে শুধুমাত্র এটুকু বোঝায় না যে, কালক্রমে যজ্ঞ অত্যন্ত জটিল ও পল্লবিত হয়েছিল; তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, পরবর্তীকালে যজ্ঞের উদ্দেশ্য এবং চরিত্রও মৌলিকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। আমাদের প্রতিপাদ্য হবে, অধ্যাত্মবাদের আবির্ভাব এই মৌলিক পরিবর্তনেরই পরিণাম ।

    আমরা প্ৰথমে এ-বিষয়ে যজমান শব্দটির সাক্ষ্য গ্ৰহণ করবো, কেননা এই শব্দটির পিছনে একটা ইতিহাসের ইংগিত আছে। যজমান শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ এবং বাস্তব অর্থের মধ্যে যে-বিরোধ, তা থেকেই ওই ইংগিত পাওয়া যায়।

    মনিয়ার উইলিয়াম্‌স্‌(৫৮) বলছেন, যজমান শব্দের অর্থ হলো,

    The person paying the cost of a sacrifice, the institutor of a sacrifice who, to perform it, employs a priest or priests, who are often hereditary functionaries in a family), any patron, host, rich man, …

    অর্থাৎ, যিনি নিজের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য যজ্ঞসম্পাদন করান। দ্রষ্টব্য হলো, যজ্ঞ-সম্পাদনের দায়িত্ব যজ্ঞীয় পুরোহিতদের বা ঋত্বিকদের উপর, যজমান নিজে যজ্ঞকৰ্ম করেন না। যজ্ঞ-ফল কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে তারই ; এবং তার হয়ে যজ্ঞ করে দেবার জন্য তিনি ওই পুরোহিতদের উপযুক্ত পারিশ্রমিক দান করেন। এই কারণেই যজমান ধনী ও বিত্তশালী patron, host, rich man।

    বলাই বাহুল্য, উত্তরকালের সাহিত্যে আমরা যজমান শব্দটিকে এই অর্থেই নিযুক্ত হতে দেখি। উদাহরণ-স্বরূপ আমরা এখানে ছান্দোগ্য-উপনিষদ(৫৯) থেকে একটি দৃষ্টান্ত উল্লেখ করতে পারি।

    কুরুদেশ শিলাবৃষ্টিতে বিনষ্ট হইলে ঊষন্তি চাক্রায়ণ…অত্যন্ত দুর্দশা প্রাপ্ত হইয়া ইভ্য-গ্রামে বাস করিতেছিলেন।…পরদিবস প্রাতঃকালে ঊষন্তি নিদ্রাত্যাগ করিয়া স্ত্রীকে বলিলেন, “হায়, যদি কিঞ্চিত অন্ন পাইতাম, কিছু অর্থলাভ হইত। ঐ রাজা যজ্ঞ করিবেন; ঋত্বিকগণের সমুদয় কাৰ্য সম্পাদনের জন্য তিনি আমাকে বরণ করিতে পারিতেন”। (জায়া তাঁহাকে পূর্বদিবসের ভূক্তাবশিষ্ট কূল্মাষ দিলেন এবং তাহা ভক্ষণ করিয়া তিনি সেই প্রারব্ধ যজ্ঞে গমন করিলেন এবং ঘোষণা করিলেন যে, ইতিমধ্যে যে-ঋত্বিকগণ যজ্ঞসম্পাদন আরম্ভ করিয়াছেন তাহারা অনধিকারী)।… অনন্তর যজমান তাঁহাকে বলিলেন, “আমি আপনাকে জানিতে ইচ্ছা করি।” ঊষন্তি বলিলেন, “এই সমুদয় ঋত্বিক-কর্মের জন্য আমি সর্বত্র আপনার অন্বেষণ করিয়াছিলাম। আপনার সন্ধান পাই নাই বলিয়াই অন্য সমুদয় লোককে বরণ করিয়াছি। আপনিই আমার সমুদয় ঋত্বিক-কার্যের ভার গ্রহণ করুন”। ঊষন্তি বলিলেন, “তাহাই হউক। এখন ইয়াহ্রাই আমার অনুমতিতে স্তুতিগান করুক। আপনি ইহাদিগকে যে-পরিমাণ অর্থ দিবেন। আমাকেও সেই পরিমাণ অর্থ দিবেন”। যাজমান বলিলেন, “তাহাই হইবে” ।

    অবশ্যই, পরবর্তী সাহিত্যে যজমান শব্দটিকে আমরা এই অর্থেই প্ৰযুক্ত হতে দেখি : ঋত্বিকদের তিনি অর্থ দেবেন এবং এই পারিশ্রমিকের বিনিময়েই ঋত্বিকেরা তার হয়ে যজ্ঞ-সম্পাদন করে দেবেন।

    কিন্তু আমরা যে-অর্থে বৈদিক যজ্ঞের আদিরূপ বোঝবার চেষ্টা করছি তার সঙ্গে যজমান শব্দের এ-তাৎপর্যের সঙ্গতি নেই। কেননা, যজ্ঞ বলতে আদিতে যদি প্ৰাচীন সমাজের অনুষ্ঠান-নির্ভর উৎপাদন-ক্রিয়াই বুঝিয়ে থাকে, তাহলে তা অনিবাৰ্যভাবেই যৌথকর্মপদ্ধতি হতে বাধ্য। অর্থাৎ, স্বয়ং যজমানের পক্ষে তাতে অংশগ্ৰহণ করা প্ৰয়োজন।

    অতএব, যজ্ঞ-প্রসঙ্গে আমাদের কাছে একটি প্ৰধান প্রশ্ন এই হয়েছে যে, উত্তরকালে যজমান শব্দের তাৎপৰ্য যাই হোক না কেন, আদিতে তার স্বতন্ত্র কোনো তাৎপৰ্য ছিলো কিনা; এবং যদি তা থাকে তাহলে সেই স্বতন্ত্র তাৎপর্যের মধ্যে আমরা এমন কোনো ইংগিত পাই কিনা যা থেকে অনুমান করা সম্ভব যে, এককালে স্বয়ং যজমানেও যজ্ঞে অংশগ্ৰহণ করতেন?

    এই প্রশ্নের উত্তর পাবার আশায় আমরা প্ৰথম যজমান শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ বিচার করবার চেষ্টা করেছি।

    যজ্‌+শানচ্‌=যজমান। এখানে আত্মনেপদ (শানচ্‌) ব্যবহৃত হয়েছে। এবং ব্যাকরণের নিয়ম হলো, ক্রিয়াপদের ফল যখন কর্তার অভিপ্রায় সিদ্ধ করে তখন ধাতুর আত্মনেপদ হয় এবং অতএব, আত্মনেপদ ব্যবহৃত হয় :  “স্বরিতাঞিতঃ কর্ত্রভিপ্ৰায়ে ক্রিয়াফলে”।

    তাহলে, বুৎপত্তির দিক থেকে যজমান শব্দের অর্থ হলো, যিনি নিজের উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য যজ্ঞকৰ্ম করেন। যজমান শব্দটিকে আমরা বাস্তবভাবে যে-অর্থে নিযুক্ত হতে দেখি তার সঙ্গে এর তফাত কোথায়? সেখানেও যজমানই যজ্ঞফলভোগী; কিন্তু তিনি স্বয়ং যজ্ঞকর্মে অংশ গ্রহণ করছেন না–তার বদলে অর্থব্যয় করে যজ্ঞ-সম্পাদনকারী নিযুক্ত করছেন।

    আমরা নিশ্চয়ই আশা করতে পারি যে, ওই বুৎপত্তিগত অর্থের মধ্যেই যজমান শব্দের আদি-তাৎপর্যের পরিচয় পাওয়া যাবে এবং ঋগ্বেদ যেহেতু বৈদিক মানুষদের প্রাচীনতম সাহিত্য-নিদর্শন সেইহেতু ঋগ্বেদে যজমান শব্দের ওই আদি-অর্থে ব্যবহার খুঁজে পাওয়া অসম্ভব হওয়া উচিত নয়। অতএব আমরা প্রশ্ন তুলেছি, অর্থব্যয় করে ঋত্বিক নিয়োগের পরিবর্তে নিজে যজ্ঞ করছেন—এই অর্থে ঋগ্বেদে যজমান শব্দের ব্যবহার পাওয়া যায় কি?

    এ বা নৃভিরিন্দ্রঃ সুশ্রবস্যা প্রখাদঃ পৃক্ষো অভিমিত্রিণো ভূৎ।
    সমৰ্য ইষঃ স্তবতে বিবাচি সত্ৰাকরে যজমানস্য শংসঃ॥
    অর্থাৎ,–(ইন্দ্র) কর্মনির্বাহক নবরূপ যজমানগণ কর্তৃক প্রদত্ত হবিযুক্ত অন্ন শোভন অন্নের ইচ্ছায় ভক্ষন করেন; মিত্রযুক্ত যজমানের জন্য বিবিধ কোলাহলযুক্ত সংগ্রামে তাহার প্রশংসা করিয়া মঙ্গলবিধান করেন।। ঋগ্বেদ : ১.১৭৮.৪ ৷৷

    দ্রষ্টব্য হলো, যজমান এখানে ব্যক্তিবিশেষ নন; মিত্রযুক্ত ও বহু। তাঁরা নিজেরাই সমবেতভাবে হবিযুক্ত অন্ন প্ৰদান করছেন এবং মঙ্গললাভ করছেন–যজ্ঞ-ফল অভিলাষী কোনো এক যজমানের দ্বারা অর্থবিনিময়ে নিযুক্ত হয়ে ঋত্বিকেরা যজ্ঞ করে দিচ্ছেন না। এই প্রসঙ্গেই মনে রাখা যায় যে, ঋগ্বেদে সাধারণ-হবি বা  common oblation-এর উল্লেখ পাওয়া যায় : “তদিৎ সমানমাশাতে বেনন্ত ন প্ৰ যুচ্ছতঃ ধৃতব্ৰতায় দাশুষে”—তাঁহারা দুইজন (মিত্র ও বরুণ) সেই সাধারণ (হবি) ভক্ষণ করেন, তাঁহারা অভিলাষযুক্ত হইয়া দানশীল ব্রতধারীকে সিদ্ধমনস্কাম করেন (ঋগ্বেদ : ১.২৫.৬)।

    ঋগ্বেদে বহুবচনে এবং নিজেরাই যজ্ঞ-সম্পাদনকারী অর্থে যজমান শব্দের ব্যবহার বিরল নয় :

    যদিষ্ঠং ত্বা যজমানা হুবেম জ্যোষ্ঠমঙ্গিরসাং
    বিপ্র মন্মভির্বিপ্রেভিঃ শুক্র মন্মভিঃ।
    পরিজমানমিব দ্যাং হোতারং চর্ষণীনাম্‌।
    শোচিষ্কেশং বৃষণং যামিমা বিশঃ প্রাবস্তু ভূতয়ে বিশঃ।।

    অর্থাৎ,–যজনীয়দিগের শ্রেষ্ঠ তোমাকে (অগ্নিকে) আমরা যজমানগণ আহ্বান করি,–হে অঙ্গিরাগণের জ্যেষ্ঠ বিপ্র, জ্বালাময় জনন ও মন্ত্রসমূহের দ্বারা, সূর্যের ন্যায় চতুর্দিকে গমনকারী, হে মনুষ্যদিগের মুখপাত্ৰ, তোমাকে সেই স্বর্গে প্রবেশকামী যজমানগণ প্রীত করুক, হে জ্বালাময় কেশযুক্ত (অগ্নি)।। ঋগ্বেদ : ১.১২৭.২।।

    ঈলে চ ত্বা যজমানো হবির্ভিরীলে সখিত্বং সুমতিং নিকামঃ।।
    অর্থাৎ, –তোমাকে (অগ্নিকে) যজমানগণ হবিসমূহের দ্বারা স্তব করে এবং সুমতির অভিলাষ করিয়া তোমার সখিত্বের জন্য স্তব করে।। ঋগ্বেদ : ৩.১.১৫।।

    মা তে হরী বৃষণা বীতপৃষ্ঠা নি রীরমন্‌ যজমানাসো অন্যে।
    অত্যায়াহি শশ্বতো বয়ং তে অরং সুতেভিঃ কৃণবাম সোমৈঃ।।
    অর্থাৎ, –তোমার (ইন্দ্রের) কোমল পৃষ্ঠযুক্ত অশ্ব দুইটি অন্য যজমানদিগের প্রীতির কারণ যেন না হয়; তাহাদের অতিক্রম করিয়া তুমি আগমন কর, আমরা তোমার রথের অরদণ্ডগুলিকে অভিসূত সোমের দ্বারা মসৃণ করিয়া দিব।। ঋগ্বেদ : ৩.৩৫.৫।।

    আসানেভির্ষজমানো মিয়েধৈর্দেবানং জন্ম বসুয়ূর্ব্ববন্দ।।
    অর্থাৎ,–যজ্ঞফললাভার্থ উপবিষ্ট ব্যক্তিগণের সহিত যজমান ধনকামনায় দেববৃন্দকে বন্দনা করিয়াছিলেন।। ঋগ্বেদ : ৬.৫১.১২ ৷।

    রায়স্পোষং যজমানেষু ধত্তম।।
    অর্থাৎ, –(হে ইন্দ্রাবরণ), যজমানদিগের ধন বর্ধিত কর। ঋগ্বেদ : ৮.৫৯.৭ ৷৷

    রায়স্পোষং যজমানেষু ধারয়।।
    অর্থাৎ,–(হে অগ্নি), যজমানদিগের ধন বর্ধিত কর। ঋগ্বেদ ; ১০.১২২.৮ ৷৷

    উত্তরকালের সাহিত্যে যজ্ঞের যে-রূপটির সঙ্গে আমাদের পরিচয় সেখানে দেখা যায় হবি-প্রদান, সোমসবন প্রভৃতি কাজ যজমান-নিযুক্ত ঋত্বিক-বিশেষেরই দায়িত্ব; যজমানের দায়িত্ব নয়। কিন্তু পুরাকালে এ-জাতীয় কাজ যে-যজমানদেরই ছিলো,–অর্থাৎ, যজমানেরা নিজেরাই যে যজ্ঞে অংশগ্ৰহণ করতেন,–সে-কথা ঋগ্বেদ-রচনার যুগেও বৈদিক ঋষিদের স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি।

    শান্তে যজমানঃ হবির্ভিঃ।
    অর্থাৎ, –যজমান হবিসমূহদ্বারা শাসন করেন।। ঋগ্বেদ : ১.২৪.১১।।

    যজমানায় শিক্ষসি সুন্বতে ভূরি তে বসু।
    অর্থাৎ,–(হে ইন্দ্র), তুমি সোমসবনকারী যজমানকে তোমার প্রভৃত ধনসম্পদে শিক্ষা দিয়া থাক।। ঋগ্বেদ : ১.৮১.২।।

    ভদ্রা শক্তিঃ যজমানায় সুন্বতে।
    অর্থাৎ,–সোমসবনকারী যজমানকে মঙ্গলময় শক্তি ( প্ৰদান করেন ) ।। ঋগ্বেদ : ১.৮৩.৩।।

    সুকৃতে সুদানবে বিশ্বেদহ যজমানায় সুন্বতে।
    অর্থাৎ,–শোভনকর্মকারী দানশীল সোমসবনকারী যজমানকে…।। ঋগ্বেদ : ১.৯২.৩ ৷৷

    পূষন্ননু প্র গা ইহি যজমানস্য সূন্বতঃ অস্মাকং স্তবতামূত।
    অর্থাৎ,–হে পুষণ, সোমসবনকারী যজমানের গরুগুলির অনুগমন কর; স্তবকারী আমাদের (গরুগুলির অনুগমন কর)।। ঋগ্বেদ : ৬.৫৪.৬।।

    ইন্দ্ৰাগ্নী শৃণুতং হবং যজমানস্য সুন্বতঃ।
    অর্থাৎ,–হে ইন্দ্র-অগ্নি, সেবনকারী যজমানদের আহ্বান শ্রবণ কর।। ঋগ্বেদ : ৬.৬০.১৫।।

    সুন্বতো বৃধো যজমানস্য সৎপতে
    অর্থাৎ,–সোমসবনকারী যজমানের মঙ্গলকারী ও বর্ধক। ঋগ্বেদ : ৮.১২.১৮ ৷৷

    ধেনুষ্ট ইন্দ্ৰ সুনৃতা যজমানায় সুন্বতে গামশ্বং পিপ্যুষী দুহে।
    অর্থাৎ, –হে ইন্দ্ৰ, তোমার স্তুতিরূপ বাক্য গাভীরূপে, সোমসবনকারী যজমানকে গরু, অশ্ব দোহনদ্বারা সমৃদ্ধ করায়।।ঋগ্বেদ : ৮.১৪.৩।।

    অবশ্যই বৈদিক সাহিত্য সুদীর্ঘ যুগের রচনা। আমরা আগেই বলেছি, এক ঋগ্বেদ-সংহিতার প্রাচীনতম ও অর্বাচীনতম অংশের মধ্যে সময়ের ব্যবধান দ্বিসহস্ৰাধিক বছর হতে পারে। অতএব, এই ঋগ্বেদ সংহিতার আগাগোড়াই–সমস্ত ঋকেই–যে একই রকম সমাজবাস্তব প্রতিফলিত হবে, তা কল্পনা করা যুক্তিবিরুদ্ধ। এবং বাস্তবভাবেও দেখা যায় যে, তা নয়। এই ঋগ্বেদ-সংহিতার মধ্যেই চোখে পড়ে, যজ্ঞে যজমানের ভূমিকায় পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে এবং তারই ফলে যজমান শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ও এমন কি অজ্ঞ অভিলাষী-মাত্রে পরিণত হচ্ছে : তখন শুধু যজ্ঞের ফলাটাই তার, কিন্তু যজ্ঞকর্মে তার কোনো অবদান নেই।

    এই পরিবর্তনের বিভিন্ন স্তরের পরিচয় দেখা যাক। প্ৰথম স্তরে আমরা দেখতে পাই, যজমানের সঙ্গে স্তোতার একটা পার্থক্য ফুটে উঠছে, যে-পার্থক্যের পরিচয় পূর্বোক্ত ঋকগুলিতে চোখে পড়ে না।

    প্ৰ হি ক্ৰতুৎ বৃহথে যং বনুথো রধ্রস্য স্থো যজমানন্য চোদৌ।
    অর্থাৎ,–(হে ইন্দ্রসোম), দ্বেষকারীকে উত্তমরূপে হিংসা কর, যজমানের শত্রুর প্রতি প্রেরক হও।। ঋগ্বেদ : ২.৩০.৬।।

    শাকী ভব যজমানস্য চোদিতা বিশ্বেত্তা তে সধমাদেষু চাকন।
    অর্থাৎ, –(হে ইন্দ্র), শক্তিমান হইয়া তুমি যজ্ঞেযুক্ত যজমানের প্রেরয়িতা হও এবং আমিও যজ্ঞে তোমার সমন্ত কর্ম কীর্তন করিতে অভিলাষী। ঋগ্বেদ : ১.৫১.৮।।

    এখানে যজমানের সঙ্গে স্তোতার যে-প্ৰভেদ সুচিত হচ্ছে তাই আরো স্পষ্ট হয়ে উঠতে দেখা যায়—

    আষাম প্রাঞ্চো যজমানমচ্ছ–
    অর্থাৎ, –আমরা যজমানের অভিমুখে আসি। ঋগ্বেদ : ৫.৪৫.৫ ৷৷

    সুতংভরো যজমানস্য সৎপতির্বিশ্বাসামুধঃ স ধিয়ামুদঞ্চনঃ।
    অর্থাৎ,–পুত্রবর্ধনকারী (ব্যক্তি) যজমানের সর্বপ্রকার শোভন ফলের প্রাপয়িতা।। ঋগ্বেদ : ৫.৪৪.১৩।।

    ……সবিত্রে যজ্ঞং নয় যজমানায় সাধু।।
    অর্থাৎ,–(হে অগ্নি) যজমানের পক্ষে সবিতার উদ্দেশ্যে যজকে বহন কর।। ঋগ্বেদ : ৬.১৫.১৬।।

    যজমান কীভাবে যজ্ঞকর্মের বাস্তব দায়িত্ব থেকে সরে যাচ্ছে তা দেখবার জন্যে ঋগ্বেদের ৪.১৭.১৫ ঋকের সঙ্গে ১.২৪.১১ ঋকের ইংগিতকে তুলনা করা যায়। ১.২৪.১১-র দেখি “শাস্তে যজমানঃ হবির্ভিঃ”–যজমান হবিসমূহদ্বারা শাসন করে; অতএব এখানে যজমান আর হোতা অভিন্ন। অথচ, ৪.১৭.১৫-য় দেখা যায়, “অসিক্‌ন্যাং যজমানো ন হোতা,”–অৰ্থাৎ, অসিক্‌নীতীরে যজমানই যেন হোতা। এখানে ‘ন’ বা ‘যেন’ শব্দটি বিশেষ চিত্তাকর্ষক; এর থেকে অনুমান করা যায় যে, অসিক্‌নীতীরে তখনো হোতা ও যজমানের মধ্যে প্ৰভেদ প্রকট হয়নি, অথচ আলোচ্য ঋকের রচয়িতার অভিজ্ঞতায় তা হয়েছে।

    ঋত্বিক এবং যজমানের মধ্যেও প্ৰভেদ ফুটে উঠতে দেখা যায় :

    কৃধি রত্নং যজমানায় সুক্রতো ত্বং হি রত্নধা অসি।
    আ ন ঋতে শিশীহি বিশ্বম্‌ ঋত্বিজং সুশংসো যশ্চ দক্ষতে।।
    অর্থাত,–হে শোভনকর্মযুক্ত (অগ্নি), তুমি রত্নাকর, যজমানকে রত্ন প্রদান কর; আমাদের যজ্ঞে সমস্ত ঋত্বিকগণকে অনুপ্রেরিত কর, যাহাতে শোভন স্তুতি বর্ধিত হয়।। ঋগ্বেদ : ৭.১৬.৬।।

    ঋগ্বেদে অধ্বর্যুর উল্লেখও পাওয়া যাচ্ছে এবং যজমানের সঙ্গে তার প্ৰভেদ ঠিক কতোখানি পরিস্ফূট হয়েছে তা বিচার করা দরকার :

    শংসাবাধ্বৰ্যো প্ৰতি মে গৃণীহীন্দ্রায় বাহঃ কৃণবাব জূষ্টম।
    এদং বহির্যজমানস্য সীদাথা চ ভূদুক্‌থ্যম্‌ ইন্দ্ৰায় শস্তম্।।
    অর্থাৎ,–অর্ধ্বযু উদ্দেশ্যে শ্ৰীতিযুক্ত স্তব করিব, আমার সহিত চুক্তিবদ্ধ হও, ইন্দ্রের উদ্দেশ্যে প্রীতিযুক্ত স্তব করিব, যজমানের এই কুশে উপবেশন কর, ইন্দ্রের উদ্দেশ্যে উক্‌থ্য প্রশস্ত হউক।। ঋগ্বেদ : ৩.৫৩.৩।।

    যজ্ঞকর্মে বাস্তব অংশগ্রহণের দায়িত্ব-মুক্ত হতে হতে শেষ পর্যন্ত যজমান কী ভাবে শুধু নিশ্চেষ্টই নয়, চেতনাহীন ব্যক্তিমাত্রে পরিণত হয়েছিলেন—এই বিষয়টি দেখবার জন্য আমরা এখানে ঋগ্বেদের একটি অর্বাচীনতম ঋক উদ্ধৃত করবো।

    যমৃত্বিজো বহুধা কল্পয়ন্তঃ সচেতসো যজ্ঞমিমং বহন্তি।
    যো অনূচানো ব্রাহ্মণো যুক্ত আসীৎকা স্বিৎ তত্র যজমানস্য সংবিৎ৷।
    অর্থাৎ, –যাঁহাকে বহুরূপে কল্পনা করিয়া ঋত্বিকগণ এই যজ্ঞকে সচেতনভাবে বহন করিয়া থাকেন এবং যিনি বেদবিদ্যাপারঙ্গম ব্ৰাহ্মণদ্বারা যুক্ত (আরাধিত),–সেখানে আর যজমানের চেতনার কী প্রয়োজন?।। ঋগ্বেদ : ৮.৫৮.১।।

    এই ঋকটি বালখিল্য সূক্তের অন্তর্গত। অষ্টম মণ্ডলের কয়েকটি সূক্তকে বালখিল্য সূক্ত বলা হয়। অত্যন্ত অর্বাচীন বলেই এগুলির মূল্য কম—সায়ন এগুলির টীকা দেননি। কিন্তু আমন অর্বাচীন বলেই এর সাক্ষ্য আমাদের বর্তমান যুক্তির পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ : এখানে যজমানকে যে-ভাবে যজ্ঞ-ব্যাপারে অজ্ঞ ও সম্বিতহীন বলে কল্পনা করা হয়েছে, তার সঙ্গে পূর্বোক্ত ঋকগুলির তুলনা করলে বোঝা যায় যে, যজমানের ভূমিকায় ইতিমধ্যে অনেক তফাত হয়ে গিয়েছে।

    আলোচ্য ঋকটির ব্যাখ্যায় আধুনিক বেদ-বিদ্‌ বলেছেন, “যৎ কর্মনি ঋত্বিগেব সাবধানোহস্তি, তত্ৰ যজমানস্য প্ৰজ্ঞাপাটবেন কিং প্রয়োজনমস্তি? ন কিঞ্চিৎ অপীতি ভাবঃ” ।

     

    সংক্ষেপে : যজমান শব্দের ইতিহাস বিশেষ চিত্তাকর্ষক। এর থেকে বৈদিক যজ্ঞের ইতিহাস এবং এমনকি বৈদিক মানুষদের সমাজ-ইতিহাসেরও আভাস পাওয়া যেতে পারে। আমরা অনুমান করবার চেষ্টা করেছি, আদিতে যজ্ঞ বলতে যৌথ-অনুষ্ঠান বোঝাতো। যাঁরা যজ্ঞফলাভিলাষী তাঁরা—যজমানেরা–নিজেরাই যজ্ঞ-কর্মে অংশগ্ৰহণ করতেন। যজমান শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থের মধ্যে এ-ইংগিত পাওয়া যায় এবং ঋগ্বেদের অংশবিশেষে যজমান শব্দের বাস্তব প্রয়োগ এই ইংগিতটিকেই সমর্থন করে। এই প্রসঙ্গে বিশেষ উল্লেখযোগ্য দ্রষ্টব্য হলো, যজমান শব্দের বহুবচনে প্ৰয়োগ। অতএব এই সাক্ষ্যগুলিকে আমরা বৈদিক মানুষদের সমাজ-জীবনের প্রাক-বিভক্ত পৰ্যায়ের স্মারক বলে সনাক্ত করবার চেষ্টা করেছি। কেননা, প্ৰাক-বিভক্ত পর্যায়ে শ্রম বা উৎপাদন-কর্ম একান্তই যৌথ যদিও অবশ্যই তা জাদু-অনুষ্ঠান বা ritual-এর সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত। কালক্রমে পৃথিবীর অন্যান্য মানবজাতির মতোই বৈদিক মানুষদেরও প্রাক্‌-বিভক্ত প্রাচীন সমাজ-সংগঠন ভেঙে যায় এবং তারই ফলে যজ্ঞ ও যজমান শব্দের আদি-তাৎপৰ্যও পরিবর্তিত হয়। শেষ পর্যন্ত আমরা দেখি যজমান বলতে একরকম বিত্তশালী ব্যক্তিকেই বোঝানো হচ্ছে–যজ্ঞ বিষয়ে তাঁর নিজের কোনো জ্ঞান বা চেতনার প্রয়োজন নেই, কেননা তিনি যজ্ঞে অংশগ্রহণ করবার দায়িত্ব-মুক্ত—তাঁর হয়ে যজ্ঞ করে দেবার জন্য অর্থব্যয় করে পেশাদার পুরোহিত নিয়োগ করেই তিনি ক্ষান্ত।

    তাহলে, যজমান শব্দের ইতিহাস থেকেই অনুমান করা যায় যে, বৈদিক যজ্ঞের আদি-তাৎপৰ্য ও উত্তর-তাৎপৰ্য অভিন্ন নয়—কেননা, যজ্ঞ বলতে এককালে যৌথ-অনুষ্ঠান বোঝাতে যদিও উত্তরকালে তা বোঝায়নি। কিন্তু অতীতের ওই যৌথ-অনুষ্ঠান ঠিক কিসের উদ্দেশ্যে ছিলো? বৈদিক সাহিত্যের অন্যান্য সাক্ষ্য বিচার করে এবার আমরা এই প্রশ্নটির উত্তর অনুসন্ধান করবো।

    যজুৰ্বেদ নামটির মধ্যেই একটা অতীতের ইংগিত আছে। যজুঃ+ বেদ। যজুঃ=যজ্‌+লিট্‌ উস্‌–অর্থাৎ যজ্ঞ করিয়াছিল (বহুবচনে)।

    যজ্ঞানুষ্ঠান—অর্থাৎ, আদি অকৃত্রিম অর্থে যজ্ঞানুষ্ঠান—অতীদের ঘটনা।

    অতীতে, ঠিক কিসের উদ্দেশ্যে, যজ্ঞের অনুষ্ঠান? যজুর্বেদেরই একটি শাখার নাম বিশ্লেষণ করলে এ-প্রশ্নের উত্তর-অন্তত উত্তরের ইংগিত—পাওয়া

    অসম্ভব না হতেও পারে। শাখাটির নাম, বাজসনেয়ী সংহিতা। বাজ মানে অন্ন–ঋগ্বেদে এই অর্থে শব্দটির ব্যবহার বারবার পাওয়া যায়। বাজম্‌ অন্নম সনেীতি বর্ধয়তি ইতি বাজ+সন+অচ্=বাজসন। তস্য কৃতি (তৎকৃত গ্ৰন্থ) বাজসন+ ষ্ণেয়= বাজসনেয়।+স্ত্রিয়াং ঙীপ্‌=বাজসনেয়ী। অতএব, এই বাজসনেয়ী নামটির মধ্যেই অন্নবর্ধক-কৌশলের-productive technique-এর-ইংগিত পাওয়া অসম্ভব নয়।

    ——————-
    ৫৮. M. Monier-Williams SED—যজমান।
    ৫৯. ছান্দোগ্য উপনিষদ : প্রথম অধ্যায়, দশম ও একাদশ খণ্ড।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article যে গল্পের শেষ নেই – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    পৃথিবীর ইতিহাস – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    ফ্রয়েড প্রসঙ্গে – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    যে গল্পের শেষ নেই – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }