Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প891 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. ‘যজ্ঞ ভক্ষ্য-অন্নসমেত দেবগণের নিকট হইতে চলিয়া গিয়াছিলেন’

    ‘যজ্ঞ ভক্ষ্য-অন্নসমেত দেবগণের নিকট হইতে চলিয়া গিয়াছিলেন’

    যজ্ঞানুষ্ঠান অতীতের ঘটনা এবং ভক্ষ্য-অন্ন লাভই সে অনুষ্ঠানের আদি-উদ্দেশ্য। এই বিষয়গুলিরই ইংগিত পাওয়া যায় ঐতরেয় ব্ৰাহ্মণ থেকে। ঐতরেয় ব্ৰাহ্মণে(৬০) বলা হয়েছে :

    যজ্ঞ দেবগণের নিকট হইতে, ‘আমি তোমাদের অন্ন হইব না,’ ইহা বলিয়া চলিয়া গিয়াছিলেন। দেবতারা বলিলেন-না, তুমি আমাদের অল্পই হইবে। দেবতারা তাঁহাকে (যজ্ঞকে) হিংসা করিয়াছিলেন। হিংসিত হইয়াও তিনি দেবগণের (অন্নরূপে) প্রভূত হন নাই। তখন দেবগণ বলিলেন, এইরূপে হিংসিত হইয়াও ইনি যখন আমাদের অন্ন হইলেন না, অহো, তখন আমরা এই (প্রবর্গ) যজ্ঞের সম্ভার (আয়োজন) করিব। তাহাই হউক বলিয়া, তাঁহারা যজ্ঞের সম্ভার করিয়াছিলেন।
    সেই যজ্ঞের সম্ভা করিয়া (দেবতারা) বলিলেন, হে অশ্বিদ্বয়, (আমাদের কর্তৃক পীড়িত) এই যজ্ঞের চিকিৎসা কর। (কেননা) অশ্বিদ্বয়ই দেবগণের ভিষক্‌।  (আবার) অশ্বিদ্বয়ই অধ্বর্যু; সেইজন্য অধ্বর্যুদ্বয় ঘর্মের (প্রবর্গের) সম্ভার (আয়োজন) করেন।

    অতীতের সেই হারিয়ে-যাওয়া যজ্ঞকে কী ভাবে পুনর্গঠন করতে হবে, ঐতরেয়-ব্ৰাহ্মণে এর পর তারই সুদীর্ঘ বর্ণনা পাওয়া যায়।

    ঐতরেয় ব্ৰাহ্মণের এই উক্তিগুলির ইংগিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর থেকে কয়েকটি বিষয় অনুমান করা সম্ভব।

    প্রথমত, ব্ৰাহ্মণ-বর্ণিত যজ্ঞ অতীতকালের যজ্ঞের বা যজ্ঞের আদিরূপের পুনরুল্লেখ নয়–পুনর্গঠন। আদি যজ্ঞ দেবতাদের কাছ থেকে চলে গিয়েছিলো। যজ্ঞ দেবতাদের দ্বারা হিংসিত হয়েছিলো। অশ্বিদায়-দ্বারা হিংসিত যজ্ঞের চিকিৎসা প্রয়োজন হয়েছিলো। এবং পুরাকালের কয়েকটি মন্ত্রকে অবলম্বন করে ব্ৰাহ্মণ-সাহিত্যে সেই আদি-যজ্ঞের বিভিন্ন অবয়ব ও প্ৰাণ পুনর্গঠন করবার প্রচেষ্টা হয়েছিলো।

    দ্বিতীয়ত, পরবর্তী যুগে—ব্রাহ্মণ-সাহিত্যে-যজ্ঞের উদ্দেশ্য ঠিক কী এবিষয়ে আমাদের একটা ধারণা আছে। কিন্তু ঐতরেয় ব্ৰাহ্মণের উদ্ধৃতি থেকে অনুমান করা যায়, আদি-পর্যায়েও যজ্ঞের উদ্দেশ্য হুবহু তাই নয়। আদি-পৰ্যায়ে উদ্দেশ্যটি ঠিক কী? ভক্ষ্য-অন্ন লাভ। কেননা, ঐতরেয় ব্ৰাহ্মণে বলা হয়েছে, যজ্ঞ দেবগণের নিকট হইতে “আমি তোমাদের অন্ন হইব না’–ইহা বলিয়া চলিয়া গিয়াছিলেন। দেবতারা বলিলেন, না তুমি আমাদের অন্নই হইবে।

    উত্তরকালের যজ্ঞ যে অতীত যজ্ঞের পুনর্গঠনমাত্র–এ-কথা যদি ঐতরেয় ব্ৰাহ্মণে মাত্র একবার উল্লিখিত হতো, তাহলেও তার সাক্ষ্য নিশ্চয়ই লঘুমূল্য হতো না। কিন্তু বস্তুত ঐতরেয় ব্ৰাহ্মণে বারবার এই বিষয়টিরই উল্লেখ দেখা যায়।

    যজ্ঞ দেবগণের নিকট হইতে চলিয়া গিয়াছিলেন। তাহারা প্ৰৈযদ্বারা সেই যজ্ঞকে প্রৈষ (আহ্বান) করিতে ইচ্ছা করিয়াছিলেন, তাহাই প্রৈষের প্রৈষত্ব।  দেবগণ পুরোরুক্‌সমূহ দ্বারা সেই যজ্ঞকে রুচিসম্পন্ন করিয়াছিলেন;…সেই যজ্ঞকে বেদিতে অনুবেদন (অনুকূলভাবে লাভ) কারিয়াছিলেন;…সেই যজ্ঞ বেদিতে লব্ধ হইলে পর উহাকে গ্রহদ্বারা (উপাংশু প্রভৃতি দ্বারা) গ্রহণ করিয়াছিলেন;…তাহাকে লাভ করিয়া নিবিৎসমূহের দ্বারা (দেবতার উদ্দেশ্যে) নিবেদন করিয়াছিলেন…
    নষ্ট দ্রব্য পাইতে ইচ্ছা করিয়া, কেহ বা অধিক পাইতে ইচ্ছা করে, কেহ বা অল্প পাইতে ইচ্ছা করে। উভয়েয় মধ্যে যে অধিক পাইতে ইচ্ছা করে, সেই ব্যক্তি উভয়ের মধ্যে ভালো ইচ্ছা করে। সেইরূপ যে-ব্যক্তি এই প্ৰৈষমন্ত্ৰসকলকে দীর্ঘ বলিয়া জানে, সেই ব্যক্তি তাহা ভালো জানে; কেননা এই যে প্ৰৈষমন্ত্ৰসকল, এতদ্দ্বারাই নষ্টযজ্ঞের অন্বেষণ হয়। সেইজন্য (মৈত্রাবরুণ) মাথা নোয়াইয়া দাঁড়াইয়া প্ৰৈষমন্ত্ৰ পাঠ করিবেন।(৬১)

    অবশ্য এখানে নষ্ট যজ্ঞের পুনর্গঠন-পদ্ধতি বর্ণিত হলেও আদিকালে যজ্ঞ যে ভক্ষ্য-অন্ন লাভেরই কৌশল ছিলো—সে-কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়নি। কিন্তু অন্যত্র তা বলা হয়েছে :

    একদা যজ্ঞ ভক্ষ্য-অন্নসমেত দেবগণের নিকট হইতে চলিয়া গিয়াছিলেন। দেবগণ বলিলেন, যজ্ঞ ভক্ষ্য-অন্নসমেত আমাদের নিকট হইতে চলিয়া গিয়াছেন, এই যজ্ঞের অনুসরন করিয়া আমরা অন্নেরও অন্বেষণ করিব। তাঁহারা বলিলেন, কিরূপে অন্বেষণ করিব? ব্রাহ্মণদ্বারা ও ছন্দোদ্বারা (অন্বেষণ) করিব। এই বলিয়া তাঁহারা (দীক্ষণীয়েষ্টি) যজ্ঞকে সমাপ্তি পৰ্যন্ত বিস্তৃত করিয়াছিলেন; অপিচ (দেব-) পত্নীগণেরও সংযোগ করিয়াছিলেন। সেই হেতু এখনও দীক্ষণীয়া ইষ্টতে যজ্ঞকে সমাপ্তি পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয় ও (দেব-) পত্নীগণেরও সংযোগ করা হয়। (দেবগণকৃত) সেই কর্মের অনুসরণ করিয়া মনুষ্যরাও তদ্রুপ করিয়া থাকে।… এইরূপে উত্তরোত্তর সারবান কর্মের অনুষ্টান দ্বারা দেবগণ এই যজ্ঞকে পাইয়াছিলেন…
    সেই যজ্ঞকে পাইয়া দেবগণ বলিলেন, (অহে যজ্ঞ), তুমি আমাদের ভক্ষণীয় আয়ের জন্য অবস্থান কর। যজ্ঞ বলিলেন, না, কেন আমি তোমাদের জন্য অবস্থান করিব? এই বলিয়া যজ্ঞ দেবগণের প্রতি দৃষ্টিক্ষেপ করিলেন। দেবগণ তাঁহাকে বলিলেন, ব্রাহ্মণদ্বারা ও ছন্দোদ্বারা সংযুক্ত হইয়া তুমি ভক্ষণীয় অন্নের জন্য অবস্থিতি কর। (যজ্ঞ বলিলেন), তাহাই হইবে। সেইহেতু অদ্যাপি যজ্ঞ ব্রাহ্মণদ্বারা ও ছন্দোদ্বারা সংযুক্ত হইয়া দেবগণের নিকট হব্য বহন করিয়া থাকেন।(৬২)

    শুধু তাই নয়। ঐতরেয় ব্ৰাহ্মণেই এমন ইংগিত পাওয়া অসম্ভব নয় যে, পরবর্তী যুগে পুনর্গঠিত ওই যজ্ঞের সঙ্গে শ্রেণীসমাজের নির্দিষ্ট শ্রেণীরই সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো :

    প্ৰজাপতি যজ্ঞের সৃষ্টি করিয়াছিলেন; যজ্ঞসৃষ্টির পর ব্ৰহ্ম ও ক্ষত্রের সৃষ্টি করিলেন ও ব্ৰহ্মক্ষত্রের পর এই দ্বিবিধ প্ৰজার সৃষ্টি করিলেন। ব্ৰহ্মের অনুরপ হুতাদ এবং ক্ষত্রের অনুরূপ অহুতাদ সৃষ্টি করিলেন। এই যে ব্রাহ্মণগণ, ইঁহারাই হুতাদ (হুতশেষভোজী) প্রজা; আর রাজন্য বৈশ্য ও শূদ্র, ইঁহারাই অহুতাদ। যজ্ঞ তাঁহাদের নিকট হইতে চলিয়া গিয়াছিল; ব্ৰহ্ম ও ক্ষত্র যজের অনুগমন করিয়াছিলেন। ব্রহ্মের যে-সকল আয়ুধ তাহার সহিত ব্ৰহ্ম ও ক্ষত্রের যে-সকল আয়ুধ তাহার সহিত ক্ষত্র,—তাহার অনুগমন করিয়াছিলেন। যজ্ঞের যে-সকল আয়ুধ তাহাই ব্রহ্মের আয়ুধ; আর অশ্বযুক্ত রথ, কবচ ও বাণযুক্ত ধনু-ইহাই ক্ষত্রের আয়ুধ। ক্ষত্রের আয়ুধে ভয় পাইয়া যজ্ঞ না ফিরিয়া পলাইতে লাগিল; ক্ষত্র তাহাকে ধরিতে না পাইয়া ফিরিয়া আসিলেন। ব্ৰহ্ম তাহার অনুসরণ করিয়া তাহাকে ধরিয়া ফেলিলেন ও তৎপরে তাহার সম্মুখে দাঁড়াইয়া তাহার গতি (পথ) রোধ করিলেন। এইরূপে (পথ) রুদ্ধ হইলে যজ্ঞ দাঁড়াইল এবং ব্রহ্মের নিকট আপনারই আয়ুধসকল দেখিয়া তাহার নিকট উপস্থিত হইল। সেই হেতু অদ্যাপি যজ্ঞ ব্রহ্মস্বরূপ ব্রাহ্মণেই প্রতিষ্ঠিত রহিয়াছে। তখন ক্ষত্র সেই ব্রহ্মের অনুগমন করিয়া তাহাকে বলিলেন, আমাকে এই যজ্ঞে আহ্বান কর। ব্ৰহ্ম বলিলেন আচ্ছা, তাহাই হইবে; কিন্তু তুমি আপনার আয়ুধসকল ফেলিয়া দিয়া ব্রহ্মের আয়ুধ লইয়া ব্রহ্মের রূপ ধরিয়া ব্রহ্মসদৃশ হইয়া যজ্ঞের নিকট উপস্থিত হও। “তাহাই হউক” বলিয়া ক্ষত্র আপন আয়ুধ ফেলিয়া ব্রহ্মের আয়ুধ গ্রহণ করিয়া ব্রহ্মের রূপ ধরিয়া ব্রহ্মসদৃশ হইয়া যজ্ঞের নিকট উপস্থিত হইলেন। সেইহেতু অদ্যাপি ক্ষত্রিয় যজমান আপন আয়ুধ ফেলিয়া ব্রহ্মের আয়ুধ গ্রহণ করিয়া ব্রহ্মের রূপ ধরিয়া ব্রহ্মসদৃশ হইয়া যজ্ঞের নিকট উপস্থিত হন।(৬৩)

    ঐতরেয় ব্রাহ্মণের সামাজিক পটভূমিতে কীভাবে ক্ষত্রিয়, ব্রাহ্মণ, বৈশ্য, শূত্র প্রভৃতি বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে বিভেদাদি প্রকট হয়ে পড়েছিলো তারই দৃষ্টান্ত হিসেবে এখানে কয়েকটি উদ্ধৃতি অপ্রাসঙ্গিক হবে না।

    যে যজমান যজ্ঞ আরম্ভ করে, সে ব্রাহ্মণেরই শরণ লয়; কেননা যজ্ঞ ব্রহ্মস্বরূপ।…ব্রহ্মের শরণাপন্ন সেই যজমানকে ক্ষত্র হিংসা করিতে পারে না। আর “ব্রহ্ম মা ক্ষত্রাদ্‌ গোপায়তু” এই মন্ত্রাংশ বলিলে ব্ৰহ্ম সেই যজমানকে ক্ষত্র হইতে রক্ষা করেন। আর “ব্রহ্মণে স্বাহা” বলিলে ব্রহ্মকে প্রীত করা হয়; ব্ৰহ্ম প্রীত হইয়া তাহাকে ক্ষত্র হইতে রক্ষা করেন।…(৬৪)

    কিংবা

    যে ব্যক্তি রাষ্ট্র লাভ করে সে ক্ষত্রের শরণ লয়; রাষ্ট্রই ক্ষত্রস্বরূপ। ক্ষত্রের শরণাপন্ন সেই যজমানকে ব্ৰহ্ম হিংসা করিতে পারেন না। আর ক্ষত্র তাহাকে ব্ৰহ্ম হইতে রক্ষা করিবে, এই উদেশে “ক্ষত্ৰং মা ব্রাহ্মণে গোপায়ুতু” বলা হয়; আর “ক্ষত্রায় স্বাহা” বলিলে ক্ষত্রকে প্রীত করা হয়; ক্ষত্র প্রীত হইয়া তাহাকে ব্ৰহ্ম হইতে রক্ষা করেন।…(৬৫)

    কিংবা

    ব্ৰহ্ম ক্ষত্রের পূর্ববর্তী; ব্ৰহ্ম পূর্ববর্তী থাকিলে ক্ষত্রিয় যজমানের রাষ্ট্রও উগ্র হইয়া অন্যের নিকট ব্যথা পায় না।…(৬৬)

    কিংবা

    ক্ষত্র নিশ্চয়ই ব্রহ্মে প্রতিষ্ঠিত এবং ব্রহ্মও ক্ষত্রে প্রতিষ্ঠিত…(৬৭)

    কিংবা

    ব্ৰহ্ম ক্ষত্রের পূর্ববর্তী; ব্রহ্ম পূর্বে থাকিলে যজমানের রাষ্ট্র উগ্র হইবে না এবং অপরের নিকট ব্যথা পাইবে না। সপ্তদশ স্তোম বৈশ্বস্বরূপ এবং একবিংশ স্তোম শূদ্রবর্ণের অনুরূপ। এতদ্বারা বৈশ্যকে ও শূদ্ৰবৰ্ণকে ক্ষত্রিয়ের বর্ত্মানুগামী করা হয়।।…(৬৮)

    ঐতরেয় ব্রাহ্মণের যুগে যে রাষ্ট্রশক্তির আবির্ভাব ঘটেছিলো, এ-বিষয়ে আধুনিক বিদ্বানেরা অবশ্যই নিঃসন্দেহ, যদিও সেগুলি খণ্ড ও সীমাবদ্ধ রাষ্ট্রমাত্র। অধ্যাপক কীথ্(৬৯) যেমন ঐতরেয় ব্রাহ্মণের রাজনৈতিক পটভূমি প্রসঙ্গে বলছেন,

    The political references do not hint at any great kingdoms, but at a large number of petty princes, who, despite their titles and claims to sovereignty, were doubtless rulers of limited portions of territory.

    কিন্তু এই রাষ্ট্রশক্তি যে প্রাক্-বিভক্ত প্রাচীন সমাজের ধ্বংসস্তুপের উপরই আবির্ভূত হয়, সে-বিষয়ে আধুনিক বিদ্বানের সচেতন হতে চান না বলেই ঋগ্বেদের সমাজ থেকে—ঋগ্বেদের প্রাচীনতর অংশে যে সাম্যজীবনের আভাস পাওয়া যায় তা থেকে—এই ব্রাহ্মণ-বর্ণিত রাষ্ট্রশক্তির উদ্ভব কাহিনী আজো আমাদের কাছে অস্পষ্ট। আর এই কারণেই অস্পষ্ট হয়ে থেকেছে বৈদিক যজ্ঞের ইতিহাসটুকুও।

    আমাদের যুক্তি অনুসারে, বৈদিক সমাজে রাষ্ট্রশক্তির এই আবির্ভাব এবং বৈদিক যজ্ঞের উপরোক্ত রূপান্তর, উভয়ই হলো বৈদিক মানুষদের জীবনে একটি মূল পরিবর্তনের দ্বিবিধ পরিণাম। ঐতরেয় ব্রাহ্মণের রচনাকালে এই মূল পরিবর্তনটি প্রকট হয়েছিলো, কেননা ঐতরেয় ব্রাহ্মণে আমরা ওই দ্বিবিধ পরিণামেরই সুস্পষ্ট পরিচয় পাই।

    ঋগ্বেদের সাক্ষ্য অনুসারে অনুমান করা যায়, অতীতে বৈদিক মানুষেরাও সমাজ-বিকাশের প্রাক্-বিভক্ত পর্যায়ে—আদিম সাম্যাবস্থায়—জীবন-যাপন করতেন। তখনো তারা লেখার হরফ আবিষ্কার করেননি; মুখেমুখে গান রচনা করতেন। পার্থিব সুখ-সম্পদের কামনাই সে-গানের প্রাণবস্তু। এ-সম্পদ কিন্তু একার জন্য নয়—সকলের জন্য, সমষ্টির জন্য : ‘আমার’ নিজের জন্য চাওয়া নয়, ‘আমাদের’ সকলের জন্য চাওয়া। এবং এ-সম্পদ কারুর একার নয় বলেই তাতে সকলের সমান অধিকার—সমান অংশ, সমান ভাগ, সমান ভগ। অতএব এ-পর্যায়ে সমবণ্টন বা অংশবণ্টনের প্রসঙ্গও স্বাভাবিক। কোথাও কোথাও দেখা যায় মানুষেরা নিজেরাই অংশবণ্টনের কাজে ব্যাপৃত হয়েছেন; কিন্তু প্রধানত দেবতাদের উপরই তার দায়িত্ব ছিলো। কিন্তু বৈদিক দেবতাদের তখনো আধুনিক আধ্যাত্মিক অর্থে দেবত্বপ্রাপ্তি ঘটেনি। তাই প্রায়ই তাদের ‘সখা’ বলে এবং কখনো বা নিরদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ‘নর’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এবং আদিম সাম্যসমাজের পরিচায়ক হিসেবে শুধুই যে ঋগ্বেদের মানুষেরাই পরস্পরের সঙ্গে সমান তাই নয়, দেবতারাও পরস্পরের সঙ্গে সমান; এমনকি অতীতে দেবতারাও যে মানুষের সঙ্গে সমান ছিলেন বা মানুষেরাও দেবতাদের সঙ্গে সমান হয়েছিলেন—তার স্মৃতিটুকুও ঋগ্বেদ থেকে বিলুপ্ত হয়নি। স্বভাবতই, দেবতারাও মানুষের মতো সচেতনভাবে একত্র তাদের ভাগ গ্রহণ করতেন এবং সভায় গমন করতেন।

    অন্যান্য প্রাচীন সমাজের মতোই বৈদিক সমাজের প্রাচীন পর্যায়েও সমবণ্টনের কৌশল হিসেবে অক্ষের ব্যবহার হতো কিনা তা ভেবে দেখবার অবকাশ আছে। হয়তো বৈদিক সভাতে এই কৌশলে অংশ-বণ্টন হতে বলেই সভাস্থান এবং দূতগৃহ অনেকাংশেই অভিন্ন ছিলো। এই কারণেই অক্ষকে মহৎগণের সেনানী এবং ব্রাতর রাজা বলে কল্পনা করা হয়েছিলো কিনা ভেবে দেখা যেতে পারে। কিন্তু এ-বিষয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই যে, এই সভা বা বিদথই ছিলো ধন-বিভাগ বা অংশ-বণ্টনের স্থান।

    অতএব, ঋগ্বেদের অন্তত প্রাচীনতর অংশগুলিতে রাষ্ট্রশাসনের উল্লেখ অস্বাভাবিক হবে। এবং সে-উল্লেখ দেখা যায় না। তাহলে প্রশ্ন ওঠে, সে-পর্যায়ে বৈদিক সমাজের শাসন পরিচালনের কাজ কী ভাবে চলতো? ট্রাইব্যাল সমাজে যে-ভাবে চলে—অর্থাৎ, সভা-সমিতির উপর নির্ভর করেই। এইদিক থেকেই আমরা ঋগ্বেদে সভা, সমিতি ও বিদধের অমন অসামান্য গৌরবকে বোঝবার চেষ্টা করেছি। ঋগ্বেদোত্তর সাহিত্যে সভা, সমিতি ও বিদখের এই অতীত গৌরব ম্লান হয়েছে এবং মহাভারতাদিতে তা বিলুপ্ত হয়েছে। ঐতরেয় ব্রাহ্মণে দেখা যায়, সভা-সমিতির মহিমার পরিবর্তে জেগে উঠছে ব্ৰহ্মসমর্থিত ও ক্ষত্ৰ-শাসিত রাষ্ট্রশক্তির মহিমা। এ-রাষ্ট্রের উদ্ভব হলো কী করে? ঐতিহাসিক বিবর্তনের সাধারণ নিয়ম হিসেবে আমরা জানি, জ্ঞাতিভিত্তিক প্রাক্-বিভক্ত সমাজের ধ্বংসস্তূপের উপরই রাষ্ট্রের আবির্ভাব হয় :

    …the state was built on the ruins of the gentile constitution.(৭০)

    বৈদিক মানুষদেরও প্রাক্-বিভক্ত প্রাচীন জ্ঞাতিভিত্তিক সমাজ কালক্রমে ভেঙে গিয়েছিলো এবং তারই ধ্বংসস্তুপের উপর আবির্ভূত হয়েছিলো শ্রেণীবিভক্ত সমাজ। ঐতরেয় ব্রাহ্মণের পরিভাষায় নবপর্যায়ের শাসক-শ্রেণী বলতে প্রধানতই ক্ষত্র এবং শাসন-যন্ত্রের নাম রাষ্ট্র—যদিও ওই ক্ষত্র ব্রহ্ম-সমর্থিত বা ব্রাহ্মণ-সমর্থিত।

    আমরা দেখাবার চেষ্টা করেছি, বৈদিক মানুষদের জীবনে এই মৌলিক পরিবর্তনটিরই আর-এক পরিণাম হলো বৈদিক যজ্ঞের রূপান্তর। সে-রূপান্তরের মূল কথা কী? সংক্ষেপে : অতীতে অনুষ্ঠান-নির্ভরতা (ritual) সত্ত্বেও যা ছিলো লোকায়তিক কামনা-চরিতার্থতার—অন্ন-লাভের—যৌথ পদ্ধতি, কালক্রমে তা শুধুই যে লোকোত্তরের কল্পনায় অনুষ্ঠান-মাত্রে পরিণত হলো তাই নয়, সামগ্রিক স্বাৰ্থ থেকে বিচ্যুত হয়ে ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থে নিযুক্ত বলেও কল্পিত হলো।

    অতীতে কী রকম ছিলো? ধনী যজমানের পক্ষে অর্থব্যয় করে ঋত্বিক নিয়োগের পরিচয় নেই; তার বদলে যজমান নিজেই যজ্ঞকর্মে অংশগ্রহণ করতেন। যজমান শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থই তার একমাত্র প্রমাণ নয়; ঋগ্বেদে দেখা যায় সোমসবন, হবিপ্রদান প্রভৃতি ঋত্বিক-কর্ম যজমান স্বয়ংই সম্পাদন করছেন। আরো উল্লেখযোগ্য হলো, যজমান বলতে ব্যক্তিবিশেষ নন—অনেকে; তাই ‘যজমানগণ’। কিন্তু ঋগ্বেদের সাক্ষ্য অনুসারেই দেখা যায়, যজমানের সঙ্গে হোতা, ঋত্বিক প্রভৃতির পার্থক্য ক্রমশই ফুটে উঠছে। তখনো কিন্তু অসিক্‌নীতীরে যজমান এবং হোতার মধ্যে প্রভেদ ফুটে ওঠেনি : অসিক্‌নীতীরে যজমানই যেন হোতা। ঋগ্বেদের অর্বাচীনতম অংশে আমরা দেখছি, যজ্ঞ কর্মের সঙ্গে এবং যজ্ঞকৰ্ম-সম্পকিত জ্ঞানের সঙ্গে যজমানের কোনো সম্পর্কই নেই : সমস্ত যজ্ঞকৰ্মই যখন ঋত্বিকের উপর নির্ভরশীল তখন আর যজমানের পক্ষে চৈতন্তের প্রয়োজন কী? এর সঙ্গে প্রাচীনকালের সোমসবনকারী যজমানগণের তুলনা করলে বৈদিক যজ্ঞে কতোখানি রূপান্তর ঘটেছিলো তার আভাস পাওয়া যেতে পারে।

    অতএব, অনুমিত হয় উত্তরকালে যজ্ঞের যাই পরিণতি হোক না কেন, অতীতে তা যৌথ কর্মপদ্ধতিই ছিলো।

    কিন্তু সেই যৌথ-কর্মপদ্ধতির উদ্দেশ্য তখন কী? লোকোত্তর নয়; লোকায়তিক। অয়লাভ। ঐতরেয় ব্রাহ্মণে তার ইংগিত অস্পষ্ট নয়। “যজ্ঞ দেবগণের নিকট হইতে ‘আমি তোমাদের অন্ন হইব না’, ইহা বলিয়া চলিয়া গিয়াছিলেন”। “একদা যজ্ঞ ভক্ষ্য-অন্নসমেত দেবগণের নিকট হইতে চলিয়া গিয়াছিলেন। দেবগণ বলিলেন, যজ্ঞ ভক্ষ্য-অন্নসমেত আমাদের নিকট হইতে চলিয়া গিয়াছেন, এই যজ্ঞের অনুসরণ করিয়া আমরা অন্নেরও অনুসরণ করিব”। যা চলে গেলে ভক্ষ্য-অন্নও চলে যায়, যাকে অনুসরণ করলে ভক্ষ্য-অন্নেরও অমুসরণ করা হয় তাকে অন্নলাভের পদ্ধতি বা উপায় হিসেবেই চেনবার চেষ্টা করা স্বাভাবিক। অতএব আমরা যজ্ঞের আদিরূপকে অন্ন-লাভের যৌথ কৌশল বা প্রাচীন প্রাক-বিভক্ত সমাজের যৌথ উৎপাদন-কৌশল বলেই গ্রহণ করতে চেয়েছি, যদিও কালক্রমে তা লোকোত্তরের মোহে এবং ব্যষ্টি-স্বার্থে নিযুক্ত হতে দেখা যায়। স্বভাবতই, আমাদের যুক্তি অনুসারে বৈদিক মানুষদের প্রাচীন প্রাক্-বিভক্ত সমাজ ভেঙে শ্রেণীসমাজের আবির্ভাবই এ-পরিবর্তনের মূল কারণ বলে প্রতীত হয়েছে।

    ————-
    ৬০. ঐতরেয় ব্রাহ্মণ (ত্রিবেদী) ৫৬।
    ৬১. ঐ ১৮৩-৪ ।
    ৬২. ঐ ২৩৮ ।
    ৬৩. ঐ ৪৫০ ।
    ৬৪. ঐ ৪৫১।
    ৬৫. ঐ ।
    ৬৬. ঐ ৪৬৭ ।
    ৬৭. ঐ ৪৬৯ ।
    ৬৮. ঐ ৪৭০-১ ।
    ৬৯. A. B. Keith RVB 45.
    ৭০. F. Engels OFPPS276.

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article যে গল্পের শেষ নেই – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    পৃথিবীর ইতিহাস – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    ফ্রয়েড প্রসঙ্গে – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    যে গল্পের শেষ নেই – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }