Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প891 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩১. কৃষিকেন্দ্রিক জাদু-বিশ্বাস : প্রজনন ও উৎপাদন

    কৃষিকেন্দ্রিক জাদু-বিশ্বাস : প্রজনন ও উৎপাদন

    কৃষিকাজ মেয়েদের আবিষ্কার, মেয়েলি ব্যাপার। তাই কৃষিকেন্দ্রিক আদিম জাদুবিশ্বাসটির মূল কথা হলো, উর্বরাশক্তির দিক থেকে নারীর সঙ্গে প্রকৃতির নিবিড় ও গভীর যোগাযোগের কল্পনা। মাতৃপ্রধান সংস্কৃতির স্মারকগুলিকে বৈজ্ঞানিকভাবে বোঝবার কাজে এই জাদুবিশ্বাসটিই সবচেয়ে মূল্যবান মূলসূত্র।

    পৃথিবীর পিছিয়ে-পড়া মানুষদের চেতনায় আজো এই বিশ্বাসটির স্পষ্ট রূপ দেখতে পাওয়া যায়। তাই তাদের ধ্যানধারণা থেকে শুরু করলে প্রাচীন সংস্কৃতির নানান ভূর্বোধ্য বিষয় বুঝতে পারা যেতে পারে।

    আদিম চিন্তা অনুসারে, মেয়েরা যে সার্থকভাবে কৃষিকাজের দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারে তার কারণ মেয়েদের মধ্যে একটি অদ্ভুত শক্তি লুকোনো আছে; এই শক্তির দরুনই মেয়ের সন্তানবতী হয় এবং এই শক্তির প্রভাবে তারা পৃথিবীকেও ফলপ্রসূ করে। আমেরিকায় ওরিনোকো(৪৪৭) বলে রেড-ইণ্ডিয়ানদের মধ্যে দেখা যায়, প্রখর রোদে মেয়েরা ছেলে-কোলে ক্ষেতের কাজ করছে। এই নিয়ে জনৈক খৃস্টান পাত্রী দলের পুরুষদের ভর্ৎসনা করেন। কিন্তু তিনি যে-জবাব পান তা খুবই আশ্চর্য : “এ-সব ব্যাপার আপনি বোঝেন না বলেই অমন বিরক্ত হচ্ছেন। আপনি তো জানেন, একমাত্র মেয়েরাই সন্তানের জন্ম দিতে পারে; আমরা পুরুষেরা তা পারি না। তাই মেয়েরা যখন বীজ বোনে তখন জনার-ক্ষেতের প্রতি ডাঁটায় দুটো—এমন কি তিনটে—করে শিষ গজায়, ম্যানিওক-ক্ষেতে প্রতিটি গাছ থেকে দু’তিন ঝুড়ি করে মূল পাওয়া যায়। কেন? কেননা, মেয়েরা জানে কেমন করে সন্তানের জন্ম দেওয়া যায় এবং সেইভাবেই ওরা ক্ষেতের ফলকেও অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে। বীজ বোনবার পর তা থেকে কী করে শস্য-উদ্গম হবে তা শুধু ওরাই জানে। তাই বীজ বোনবার কাজটা ওদের ওপরেই ছেড়ে দেওয়া ভালো। এ-সব ব্যাপার আমাদের চেয়ে ওরা ঢের ভালো জানে।”

    ব্যাভেরিয়া আর অস্ট্রিয়ার চাষীরা(৪৪৮) এখনো বিশ্বাস করে যে, অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে গাছের প্রথম ফলটি খাওয়ানো গেলে পরের বছর সেই গাছ থেকে অজস্র বেশি ফল পাওয়া যাবে। স্যর্‌ জেমস্‌ ফ্রেসার(৪৪৯) বলছেন, এর থেকেই বোঝা যায়, প্রকৃতিকে ফলপ্রসূ করবার আশায় নারীর ফলপ্রসূতার উপযোগিতায় কতোখানি বিশ্বাস! আবার উগাণ্ডায়(৪৫০) সাধারণের বিশ্বাস, বন্ধ্যা স্ত্রী ক্ষেতের পক্ষে ক্ষতিকর, বহু সন্তানবতী স্ত্রীর দরুন ক্ষেত থেকেও বহুলভাবে ফসল পাওয়া যায়। নিউজিল্যাণ্ড-এ(৪৫১) দেখা যায় অন্তঃসত্ত্বা নারী সম্বন্ধে যে-সব বিধি-নিষেধের ব্যবস্থা আছে, ঠিক সেই বিধিনিষেধই রাঙালুর চাষ করবার সময় মেয়েদের উপর প্রযোজ্য হয়। ব্রিফন্ট(৪৫২) দেখাচ্ছেন, এমন কি আজকের ইয়োরোপে চাষীদের মধ্যে এই ধরনের বিশ্বাসের রেশ দেখা যায়। যেমন দক্ষিণ ইতালিতে কৃষকেরা মনে করে, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মেয়েরা যদি বীজ বোনে তাহলে গর্ভস্থ ভ্রণের অনুপাতেই গাছটি বড়ো হবে। স্যর্‌ জেমস্ ফ্রেসার(৪৫৩) এই জাতীয় কয়েকটি দৃষ্টান্তের উল্লেখ করে বলছেন, আদিম মানুষদের ধারণায় প্রকৃতিকে ফলপ্রসূ করবার ব্যাপারে নারীর উর্বরাশক্তির উপযোগিতা যে কতোখানি তা এই থেকেই বুঝতে পারা যায় : সন্তানবতী নারী গাছগাছড়াকেও সুফলা করবে, বন্ধ্যা নারী গাছগাছড়াকেও নিষ্ফল করবে।

    ব্রিফন্ট(৪৫৪) বলছেন,

    the assimilation of the fruit-bearing soil to the child-bearing woman is universal.
    ফলপ্রস্থ পৃথিবীর সঙ্গে সন্তান-প্রসূ নারীর সম্পর্ক-কল্পনা সার্বভৌম।

    কিংবা(৪৫৫)

    The fecundity of the earth and the fecundity of women are viewed as being one and the same quality.
    পৃথিবীর উৎপাদিক-শক্তি এবং নারীর উৎপাদিক-শক্তি উভয়কেই এক এবং অভিন্ন ধরনের মনে করা হয়।

    এই বিশ্বাস যে কতো ব্যাপক ও বহুমুখী রবার্ট ব্রিফন্ট-এর রচনা অনুসরণ করে তারই আরো কিছু কিছু পরিচয় পাবার চেষ্টা করা যাক।

    ব্ৰেজিলে(৪৫৬) শস্যের উৎপত্তি নিয়ে নিম্নোক্ত কাহিনী প্রচলিত আছে : একটি কুমারী মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিলো এবং সে জন্ম দিলো তুষার-শুভ্ৰ এক শিশুর। শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়েই মারা যায়, তখন তাকে কবর দেওয়া হয়। এই কবরের উপরেই একটি গাছ গজায়। সে-গাছে ফল ফলে। ফল খেয়ে মানুষদের মনে হলো, দেবতা তাদের শরীরে প্রবেশ করছে। এই গাছই পৃথিবীর প্রথম শস্য-গাছ এবং ওই ফলই পৃথিবীর প্রথম ফসল।

    শস্য যে নারীদেহ সমুদ্ভূত—এই আদিম বিশ্বাসটিকে গ্ৰীক কৃষকদের(৪৫৭) লোকসংগীতের মধ্যে এখনো টিকে থাকতে দেখা যায় : এক ইহুদি মেয়ে ফসল কাটে, মেয়েটি কখনো থামে কখনো নুয়ে পড়ে গমের শিষের উপর—মেয়েটি প্রসব করলো সোনার শিশু।

    আবার, আমরা আগেই দেখেছি, নারী ও প্রকৃতির উর্বর-শক্তির সাদৃশ্য-নির্ভর ওই জাদুবিশ্বাটির বিকাশ উল্টে দিক থেকেও হতে পারে। তাই প্রকৃতির ফলপ্রসূতার সাহায্যেই নারীকেও ফলপ্রসূ করবার আয়োজন দেখা যায়। দৃষ্টান্ত হিসাবে স্তর জেমস্ ফ্রেসার(৪৫৮) বলছেন, দক্ষিণ আমেরিকায় গুয়ারানি বলে রেড্‌-ইণ্ডিয়ানদের বিশ্বাস, মেয়ের যদি জোড়া-ফল খায় তাহলে যমজ সন্তানের জন্ম হবে। আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চলেও ঠিক এই বিশ্বাসেরই নমুনা পাওয়া কঠিন নয়। স্যর্‌ ফ্রেসার(৪৫৯) আমাদের দেশ থেকেই এই বিশ্বাসের অন্যান্য দৃষ্টান্ত উদ্ধৃত করছেন। যেমন : উত্তর-ভারতের প্রায় সর্বত্রই মেয়েলি আচার-অনুষ্ঠান এবং পূজা-পার্বণের একটি প্রধান অঙ্গ হলো নারকেল-এর ব্যবহার। নারকেল উর্বর-শক্তিরই প্রতীক বা হয়তো সন্তানের প্রতীক। সন্তান-লাভের কামনা সফল করবার আশাতেই পুরোহিতেরা মেয়েদের নারকেল দেয়।

    অন্যান্য লেখকদের রচনা থেকে এই বিশ্বাসেরই অন্যান্য নমুনা উদ্ধৃত করা যায়। যেমন, উইলিয়াম ক্রুক্‌(৪৬০) বলছেন, প্রাকৃতিক উর্বরতার মূলে রয়েছে জল আর তাই দেখা যায় সন্তানকামনায় বন্ধ্যা নারী জলের সাহায্য চাইছে। খণ্ডদের বিশ্বাস,—বন্ধ্যা নারীকে দুটি স্রোতের সঙ্গমস্থলে স্নান করিয়ে আনলে তার বন্ধ্যাত্ব দূর হবে। পাঞ্জাবের দিকে দেখা যায়, বন্ধ্যা নারীকে চৌকিতে বসিয়ে কুয়োর মধ্যে নামিয়ে দেওয়া হয়, কুয়োর মধ্যে সে নগ্ন হয়ে স্নান করবে আর তারপর জামাকাপড় পরে চৌকিতে বসে উপরে উঠে আসবে। কুয়োর মধ্যে নামানো সম্ভব না হলে পিপুল গাছের তলায় কুয়োর জল এনে এই অনুষ্ঠান সমাধান করতে হবে। মধ্যভারতে জাঠদের বিশ্বাস, তিনটি গ্রামের সীমানায় গিয়ে স্নান করলে বন্ধ্যা নারী সন্তান-লাভ করবে। পাঞ্জাবের নানান জায়গায় মানুষের ধারণা, চৌমাথার মোড়ে পাঁচ-কুয়োর জলে নগ্ন হয়ে স্নান করলে বন্ধ্যা নারী সন্তান-লাভ করবে। রবার্ট ব্রিফণ্ট(৪৬১) দেখাচ্ছেন, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের মধ্যেও ঠিক একই বিশ্বাসের পরিচয় পাওয়া যায়, কেননা তাদের মধ্যেও দেখা যায় সন্তান-লাভের কামনায় মেয়েরা বৃষ্টিতে ভিজছে।

    বন্ধ্যাত্ব-নিরসনের কামনা ছাড়াও বিবাহের একটি অনুষ্ঠান হিসাবে বর বা বধূ বা উভয়ের গায়েই জল ঢালবার প্রথা প্রচলিত আছে—মূল উদ্দেশ্যটা অবশ্যই ওই বন্ধ্যা-নিরসনের মতোই, অর্থাৎ উর্বরতা-মূলক প্রাকৃতিক বিষয়ের সাহায্যে নরনারীকেও ফলপ্রসূ করা। গোগু-রা(৪৬২) বিয়ের সময় বরের গায়ে এমনভাবে জল ঢালে যাতে তা গড়িয়ে বধূর গায়েও পড়ে। হিমালয়অঞ্চলে(৪৬৩) দেখা যায়, বিয়ের সময় মেয়ের বাপ মেয়ে-জামাই-এর হাত এক করে ধরে এবং তার উপর জল ঢালা হয়।

    কিংবা, প্রাকৃতিক ফলপ্রসূতার সাহায্যে মানবীয় ফলপ্রসূতার কামনা সফল করবার বিশ্বাসের বিকাশ বিবাহ-অনুষ্ঠান উপলক্ষেই আরো নানানভাবে চোখে পড়তে পারে। থার্স্টন(৪৬৪) বলছেন, দক্ষিণ ভারতে নানা উপজাতির মধ্যে দেখা যায়, বিবাহ অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে বরকে মাটি চষবার বা মাটি-চষা সংক্রান্ত কোনো ক্রিয়ার অনুকরণ করতে হয়। কূর্মীদের(৪৬৫) প্রথা অনুসারে নববধূর আঁচলে শস্যের বীজ বেঁধে দিতে হবে। অন্যত্র(৪৬৬) দেখা যায়, বিবাহ অনুষ্ঠানের একটি অঙ্গ হলো গাছ পোতবার ব্যবস্থা। বম্বে গেজেটিয়ার-এ(৪৬৭) অনুমান করা হয়েছে, মেয়েদের মাথায় সিঁথি কাটবার প্রথাটিতে ক্ষেতের ফাল অনুকরণ করবার আয়োজন—অন্তত সিঁথির সিঁদুর যে ফলপ্রসূ হবার কামনাতেই ব্যবহৃত হয় সে-বিষয়ে সন্দেহ নেই।

    থার্স্টন(৪৬৮) বলছেন, দক্ষিণভারতের স্থানবিশেষে বিবাহ-অনুষ্ঠানের আয়োজন হিসেবেই উইঢিবির উপর ধান এবং ডালের বীজ ছড়িয়ে দেওয়া হয়—বিবাহ-অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে বীজগুলিতে অঙ্কুর উদ্গম হবে, তখন বরবধু মিলে এই অঙ্কুরিত শস্য কুয়োয় বিসর্জন দিয়ে আসবে।

    অন্যত্র(৪৬৯) ব্যবস্থা হলে, নবদম্পতী সরার উপর ন’-রকম বীজ বুনবে। কোথাও(৪৭০) আবার প্রথা আছে, বরকে ছুরি দিয়ে একটুখানি জমি কোপাতে হবে—তার উপর নববধূ বীজ বপন করবে, বীজ বপন করে জলসিঞ্চন করবে।

    কোথাও(৪৭১) বা প্রথা আছে, বিবাহের সময় নববধূর কোলে একটি শিশুসন্তান বসিয়ে দেওয়া—কিন্তু মানব সন্তানের বদলে গাছের ফলও হতে পারে। উত্তরভারত থেকে শুরু করে দক্ষিণভারত পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে নানা জায়গায় এই প্রথাটি দেখা যায়। গাছের ফল এবং মানুষের ফলকে সমজাতীয় মনে করবার স্পষ্ট দৃষ্টান্ত এই প্রথার মধ্যে রয়েছে।

    কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায়, বিবাহের প্রাথমিক অনুষ্ঠান হিসেবে বর বা বধু বা উভয়কেই প্রথমে গাছের সঙ্গে মিলিত হতে হচ্ছে। রিজলি-র(৪৭২) বর্ণনা অনুসারে, বাংলাদেশে বাগদিদের মধ্যে প্রথা হলো, বিয়ের দিন সকাল বেলায় বরের সঙ্গে মহুয়াগাছের বিয়ে হবে : যুবকটি মহুয়া গাছকে আলিঙ্গন করবে, মহুয়াগাছের গায়ে সিঁদুর মাখিয়ে দেবে, তার কব্জিতে সুতো বেঁধে সুতোর অপর প্রান্ত গাছের চার পাশে জড়িয়ে দেওয়া হবে এবং শেষ কালে ওই সুতো দিয়ে বরের কব্জিতে মহুয়া পাতা বেঁধে দেবার পরই সে কনে-বাড়ি গিয়ে বিয়ে করতে পারবে। অন্যত্র, বিয়ের আগে বর ও বধূ উভয়ের সঙ্গেই আমগাছের বিয়ে হয়, আমগাছের বদলে আমের ডালও হতে পারে। কূর্মীদের(৪৭৪) মধ্যে প্রথা হলো, বিয়ের আগে বরের সঙ্গে বিয়ে হবে আমগাছের, বধূর সঙ্গে বিয়ে হবে মহুয়াগাছের।

    ব্রিফন্ট(৪৭৫) বলছেন, সারা পৃথিবী জুড়ে দেখতে পাওয়া যায়, বিবাহঅনুষ্ঠানের একটি অঙ্গ হলো, বর-বধুর মাথায় শস্য স্থাপন করা। আমাদের দেশে ধান-দুর্বার ব্যবহার অত্যন্ত ব্যাপক; ব্রিফট-এর রচনা অনুসরণ করলে দেখা যায়, ইয়োরোপের কৃষক মহলেও এই অনুষ্ঠানই হয়তো অল্পবিস্তর রূপান্তরের আড়ালে আজো টিকে রয়েছে।

    এই জাতীয় সমস্ত অনুষ্ঠানেরই মূল কথা হলো, প্রাকৃতিক ফলপ্রসূত এবং মানবীয় ফলপ্রসূতা উভয়ের মধ্যে সাদৃশ্য ও যোগাযোগে বিশ্বাস। কৃষি-আবিষ্কারের প্রাথমিক পর্যায়ে এ-বিশ্বাস অনিবাৰ্যভাবেই বসুমাতার আদিরূপটির জন্ম দিয়েছে। কৃষিকাজ মেয়েদের আবিষ্কার। কৃষিভিত্তিক সমাজ মাতৃ-প্রধান। এই স্তরের মানুষদের ধারণায়, প্রজননের মূল রহস্য নারীপ্রকৃতির মধ্যে—পুরুষ অপ্রধান, বীজ অপ্রধান; নারীই প্রধান, ক্ষেত্রই প্রধান। মানবীয় ফলপ্রসূতা বলতে মূলতই নারীর ফলপ্রসূতা, উৎপাদিক-শক্তি। এই স্তরের চেতনায়, পৃথিবী ও জননী এক এবং অদ্বিতীয়। পৃথিবীই আদি-জননী, আদি-জননীই পৃথিবী। রবার্ট ব্রিফন্ট (৪৭৬)বলছেন, মানবসংস্কৃতির আদিম পর্যায়ের বসুমাতাগুলিকে এই বিশ্বাসের বিকাশ হিসেবেই চেনবার চেষ্টা করতে হবে :

    পশ্চিম এসিয়া ও ইয়োরোপের ধর্মবিশ্বাসে মহামাতৃকাগুলি যে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেছে তার মূলে ছিলো কৃষি-অনুষ্ঠানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক—ফসলের মা, বা, সোনালি ফসলের জন্মদায়িনী বসুমাতা হিসেবেই তারা কল্পিত হয়েছিলো।

    ব্রিফন্ট(৪৭৭) দেখাচ্ছেন, নারী ও পৃথিবীর মধ্যে অভেদ-কল্পনার দৃষ্টান্ত এতো অজস্র যে, তা নিয়ে পাতার পর পাতা লিখে যাওয়া যায়। রোমান আইনকর্তাদের মতে জননী ও জমি একই ধরনের। খৃস্টানদের ধর্মপুঁথিতে বলা হয়েছে, মাতৃগর্ভ থেকে আমি নগ্নভাবেই ভূমিষ্ঠ হয়েছি, নগ্ন অবস্থাতেই আমি সেখানে ফিরে যাবো। এস্কাইলাস বলছেন, পৃথিবীই সর্বমাতৃকা—কেননা পৃথিবী থেকেই সবকিছুর জন্ম এবং পৃথিবীতেই সবকিছুর লয়। ভার্জিল বলছেন, বন্দে শস্য-মাতৃকা, বন্দে সর্বমানবমাতৃকা। প্রায় একই ভাষায় অসভ্য জার্মানের গান গাইতে; বন্দে পৃথিবী, মানবমাতৃকা; দেবতার আলিঙ্গনে তুমি মানব কল্যাণে অন্নদায়িনী হয়ে ওঠো। প্রাচীন ইরাণী ধর্মবিশ্বাস অনুসারে পৃথিবী থেকেই মানুষের উদ্ভব হয়েছিলো। মানবার্থক Homo শব্দটি ক্ষেত্রবাচক Humus শব্দ থেকে এসেছে। পৃথিবী থেকেই আদি-মানব আদমের উৎপত্তি; তবুও মানুষ পোকার মতো মাটি থেকে জন্মেছিলো এ-কথা বিশ্বাস করবার জন্যে ল্যাক্টানটিউস ডিমোক্রিটাসকে ভর্ৎসনা করেছেন। জবাবে লুক্রেটিউস বলছেন, জন্তুজানোয়ার তো আর আকাশ থেকে পড়তে পারে না, পৃথিবীর বাসিন্দারা লোনা জলের হ্রদ থেকেও জন্মাতে পারে না; পৃথিবীকে যে মা বলা হয় তা ঠিকই বলা হয়—কেননা পৃথিবী থেকেই সমস্ত কিছু সৃষ্ট হয়েছে। এই প্রাচীন বিশ্বাসটির আরো অজস্র পরিচয় রবার্ট ব্রিফল্ট-এর(৪৭৮) রচনায় দেখতে পাওয়া যায়। আমরা এখানে আমাদের দেশের কিছু দৃষ্টান্ত উদ্ধৃত করতে পারি।

    মেদিনীকোষ(৪৭৯) অনুসারে, মাতৃ শব্দের অর্থ পৃথিবী। বিশ্বকোষে(৪৮০) বলা হয়েছে : ‘আত্ম-মাতা, গুরুপত্নী, ব্রাহ্মণী, রাজপত্নী, গাভী, ধাত্রী এবং পৃথিবী–এই সাতজনকে মাত কহে। ঋগ্বেদে(৪৮১)আছে, ‘যদূর্ধ্বস্তিষ্ঠা দ্রবিণেহ ধত্তাদ্‌ যদ্বা ক্ষয়ো মাতুরস্যা উপস্থে’–ব্যাখ্যাকারেরা(৪৮২) বলছেন, এখানে ‘মাতার’ বলতে ‘পৃথিবীর’ বোঝায়—‘মাতুঃ অস্যাঃ পৃথিব্যাঃ’।

    সন্তানের জন্ম হওয়াকে আমরা বলি ভূমিষ্ঠ হওয়া। কেন বলি? এর পিছনে ওই আমি বিশ্বাসেরই রেশ খুজে পাওয়া যায় : মানবসন্তান পৃথিবীজাত—তাই ভূমিতে স্থিত বা ভূমিতে পতিত ফলের মতোই তাকে দেখবার চেষ্টা। ব্রিফন্ট(৪৮৩) বলছেন,

    জন্মের পরেই শিশুকে মাটিতে শুইয়ে দেবার প্রথা ব্যাপকভাবে চোখে পড়ে। শিশুর সঙ্গে পৃথিবীর সম্পর্কমূলক বিশ্বাস এই প্রথার মধ্যে প্রকাশিত।

    সিংহলের অসভ্য আদিবাসীরা(৪৮৪) মনে করে, জন্মের পরই শিশুকে মাটির উপর শুইয়ে দেওয়ার প্রথাটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ব্রিফন্ট(৪৮৫) দেখাচ্ছেন, ব্ৰেজিল, গোল্ডকোস্ট ও মধ্য-আফ্রিকার অসভ্য মানুষদের মধ্যে ঠিক একই অনুষ্ঠান প্রচলিত আছে। সিসিলিতে এখনো এই বিশ্বাস টিকে আছে : মেয়েরা মনে করে, সন্তান-জন্মের পরই যদি নবজাতককে ভূমিষ্ঠ করা বা মাটিতে শোয়ানো না হয় তাহলে হাসপাতালেই তার মৃত্যু হবে।

    অস্ট্রেলিয়া(৪৮৬) এবং উত্তর-আমেরিকায়(৪৮৭) আদিবাসী মেয়েদের বিশ্বাস, পৃথিবীরই কোনো কোনো গুহা থেকে তারা পেটের ছেলে পেটে পায়। ওরা বলে, গুহাগুলোর আশপাশে মাটির উপর কান দিলে অজাত-শিশুদের কণ্ঠস্বর শুনতে পাওয়া যায়।

    আফ্রিকার(৪৮৮) এক আদিবাসী-সর্দারকে চেয়ারে বসতে বলা হয়েছিলো। সে বললো, তার চেয়ে মায়ের কোলে বসা ঢের ভালো। এই বলে সে মাটির উপর বসে পড়লো।

     

     

    সংক্ষেপে : আদিম মানুষের বিশ্বাস, মানবীয় ফলপ্রসূতা ও প্রাকৃতিক ফলপ্রসূতা  উভয়ের মধ্যে সম্পর্ক আছে। কৃষিআবিষ্কারের পর্যায়ে স্বভাবতই এই বিশ্বাসটির উপরই বিশেষ গুরুত্ব অর্পিত হয়। কৃষিকাজ মেয়েদের আবিষ্কার। কৃষিকেন্দ্রিক ধ্যানধারণা তাই নারীকেন্দ্রিক—প্রজনন ব্যাপারে পুরুষের ভূমিকা অপ্রধান। মানবীয় উৎপাদন-শক্তি বলতে নারীর ভূমিকাটুকুই, প্রধান। অতএব, এই পর্যায়ের ধ্যানধারণা অনুসারে নারীর উৎপাদিক-শক্তি এবং প্রকৃতির উৎপাদিকা-শক্তি—উভয়ের মধ্যে গভীর ও নিবিড় যোগাযোগ পরিকল্পিত হয়েছে।

    অতএব একদিকে দেখা যায়, নারীর উৎপাদিকা-শক্তির উপরই প্রাকৃতিক উর্বরতা নির্ভরশীল : পৃথিবীর আদি-শস্য নারীদেহ-সমুদ্ভূত বলেই কল্পিত, কিংবা প্রজনন-সংক্রান্ত কোনো মেয়েলি ব্যাপারের সাহায্যেই প্রাকৃতিক ফলপ্রসূত আয়ত্বে আনবার কল্পনা।

    অপরদিকে দেখা যায়, প্রাকৃতিক উৎপাদিকা-শক্তির উপরই নারীর উৎপাদিকা-শক্তি নির্ভরশীল : পৃথিবীই আদি-জননী, মানবসন্তান পৃথিবী-সমুদ্ভূত, কিংবা প্রাকৃতিক ফলপ্রসূতা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ের সাহায্যেই মানবীর সন্তান-কামনা সফল করবার আয়োজন করা হচ্ছে।

    সমাজ-বিকাশের পিছন-দিককার পর্যায়ের মামুষেরা—confused the process by which human beings reproduce their kinds with the process by which plants discharge the same function, and fancied that by resorting to the former they were simultaneously forwarding the latter(৪৮৯)—দুটি বিষয়ের মধ্যে তফাত করতে শেখেনি : একটি বিষয় হলো নিজেদের বংশবৃদ্ধি সংক্রান্ত পদ্ধতি, আর একটি বিষয় হলো গাছগাছড়ার বংশবৃদ্ধি সংক্রান্ত পদ্ধতি। অতএব তারা কল্পনা করেছে যে, প্রথমটির সাহায্যেই দ্বিতীয়টিকেও আয়ত্বে আনা সম্ভবপর।

    কিন্তু সেই সঙ্গেই মনে রাখা দরকার যে, কৃষিকেন্দ্রিক সমাজে প্রকৃতিকে আয়ত্বে আনবার কল্পনায় এই যে অনুষ্ঠান এরই সঙ্গে নারীপ্রাধান্যের যোগাযোগও অত্যন্ত স্পষ্ট। তার কারণ, কৃষিকাজ মেয়েদের আবিষ্কার, তাই প্রাকৃত পর্যায়ের কৃষিকেন্দ্রিক সমাজ নারীপ্রধান এবং অতএব, কৃষিকেন্দ্রিক এই অনুষ্ঠানটিও নারীপ্রধান। অধ্যাপক জর্জ টম্‌সন(৪৯০) যেমন বলছেন :

    the ritual for fertilising the soil was modelled on the ritual for reproducing the human species, that is the ritual of childbirth. The socialstatus of the women corresponded fo the importance of their part in the economic life. The community was ruled by female chiefs, whose sexual life was treated as a teremonial cycle of mimetic magic. The queen had to conceive in order that the earth might become fruitful.

    জননী ও পৃথিবী এক। আদিম Earth-goddesses al Earth-mothers বা বসুমাতাগুলি এই বিশ্বাসেরই বিকাশ।

    শ্রীযুক্ত রমাপ্রসাদ চন্দ(৪৯১) অনুমান করছেন, যে-বিশ্বাসটি থেকে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে আদিম বসুমাতা-পরিকল্পনার জন্ম সেই বিশ্বাসটিই আমাদের দেশের শাক্ত মতবাদকে বোঝবার মূলসূত্র। এবং লোকায়তিক ধ্যানধারণার উৎস-সন্ধানে অগ্রসর হয়ে আমরা দেখেছি, লোকায়তিক ধ্যানধারণাকে বোঝবার জন্য শাক্ত মতবাদের আদি-তাৎপর্য বোঝবার প্রয়োজন আছে। অতএব আমাদের পক্ষে ওই আদিম বসুমাতাগুলির কিছুটা পরিচয় পাবার চেষ্টা অপ্রাসঙ্গিক হবে না।

    ——————
    ৪৪৭. R. Briffault 3:54-5.
    ৪৪৮. J. Frazer GB 28.
    ৪৪৯. Ibid. 28-9.
    ৪৫০. R. Briffault op. cit. 3.55.
    ৪৫১. Ibid.
    ৪৫২. Ibid.
    ৪৫৩. J. Frazer op. cit. 29.
    ৪৫৪. R. Briffault op. cit. 3:59.
    ৪৫৫. Ibid. 3:55.
    ৪৫৬. Ibid. 3:54.
    ৪৫৭. Ibid. 3:55. ৪৫.
    ৪৫৮. J. Frazer op. cit. 29.
    ৪৫৯. Ibid. 119.
    ৪৬০. W. Crooke op, cit. 242.
    ৪৬১. R. Briffault op. cit. 3:56.
    ৪৬২. W. Crooke op. cit. 242.
    ৪৬৩. Ibid.
    ৪৬৪. E. Thurston CTSI 1:144; 6:20, 355; 3:103; 7.193.
    ৪৬৫. Ibid. 3:103.
    ৪৬৬. Ibid. 7:226.
    ৪৬৭. B G xxiii (1884) 45.
    ৪৬৮. E. Thurston op, cit. 1:205.
    ৪৬৯. Ibid. 2:359.
    ৪৭০. Ibid. 4:364.
    ৪৭১. BG xii (1880) 117; xx (1884) 132.
    ৪৭২. H. H. Risley TCB 139.
    ৪৭৩. Ibid. 2201, 229.
    ৪৭৪. E. T. Dalton DEB 194; H. H. Risley TCB 2:102.
    ৪৭৫. R. Briffault op. cit. 3:55.
    ৪৭৬. Ibid. 3:54.
    ৪৭৭. Ibid. 3:57.
    ৪৭৮. Ibid. 3:54ff.
    ৪৭৯. বিশ্বকোষ ১৪:৫৫০ |
    ৪৮০. ঐ।
    ৪৮১. ঐ । ( শুদ্ধিপত্র দ্রষ্টব্য)
    ৪৮২. ঐ।
    ৪৮৩. R. Briffault 3:58,
    ৪৮৪. Ibid.
    ৪৮৫. Ibid.
    ৪৮৬. Ibid.
    ৪৮৭. Ibid.
    ৪৮৮. Ibid.
    ৪৮৯. J. Frazer op. cit. 136.
    ৪৯০. G. Thomson R 10.
    ৪৯১. R. P. Chanda op. cit. ch. iv.

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article যে গল্পের শেষ নেই – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    পৃথিবীর ইতিহাস – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    ফ্রয়েড প্রসঙ্গে – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    যে গল্পের শেষ নেই – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }