Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প891 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৩. প্রাক-বিভক্ত সমাজ ও প্রাক-অধ্যাত্মবাদী চেতনা

    প্রাক-বিভক্ত সমাজ ও প্রাক-অধ্যাত্মবাদী চেতনা

    লোকায়ত, তন্ত্র, সাংখ্য—আমরা দেখাবার চেষ্টা করেছি কৃষিকেন্দ্রিক জাদুবিশ্বাসের মধ্যেই এই ধ্যানধারণাগুলির উৎস, এবং এ-দেশের উৎপাদন কৌশলের বিকাশ অনেকাংশে বাধাপ্রাপ্ত বলেই অপেক্ষাকৃত অনুন্নত পর্যায়ের কৃষিকাজই এখানে প্রধানতম জীবনোপায় হয়েছে। ফলে তারই উপর প্রতিষ্ঠিত ওই ধ্যানধারণাগুলিই দেশের সংস্কৃতিতে বহু দীর্ঘদিন ধরে গভীর ও ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছে। লোকায়ত-মতকে এইদিক থেকেই লোকেষু আয়ত—অর্থাৎ, জনসাধারণের মধ্যে পরিব্যাপ্ত—মনে করা যায়।

    অপরপক্ষে, লোকায়তর আর একটি অর্থ আছে। শ্ৰীযুক্ত রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়(৭৫৮) যেমন বলছেন, ‘ইহলোক ঐ দর্শনের সর্বস্ব, তজ্জন্যই উহার ঐরূপ নামকরণ হয়’। মহামহোপাধ্যায় পঞ্চানন তর্করত্নের(৭৫৯) মতেও লোক—অর্থাৎ দৃশ্যমান ইহলোক—ব্যতীত, উত্তরকাল স্বীকার করে না বলেই এ-দর্শনের নাম লোকায়ত। সেণ্ট পিটার্সবার্গ অভিধানেও(৭৬০) লোকায়ত শব্দকে materialism বা বস্তুবাদ অর্থেই গ্রহণ করা হয়েছে।

    তন্ত্রের দেহতত্ত্ব এবং সাংখ্যের প্রধানকারণবাদ এই দ্বিতীয় অর্থটির উপর আলোকপাত করে। মানবদেহের অনুরূপ হিসেবেই তন্ত্রে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে চেনবার প্রচেষ্টা দেখা যায়। ফলে উত্তরকালে তন্ত্রের উপর অধ্যাত্মবাদ ও ভাববাদের প্রলেপ যতোই পড়ক না কেন, তার আদিরূপটি ওই দেহবাদ বা বস্তুবাদই—সে-বস্তুবাদ যতো মূক, অব্যক্ত ও অচেতন হোক না কেন, যতোই অসম্ভব হোক না কেন তার বাস্তব জ্ঞানের দৈন্য। আদি-সাংখ্যের প্রধানকারণবাদ বা অচেতনকারণবাদ এই অফুট বস্তুবাদেরই পরিচ্ছন্ন দার্শনিক সংস্করণ, এবং বৈদান্তিক বা চেতনকারণবাদী চিন্তাধারার প্রধানতম প্রতিপক্ষ।

    আমরা যে-চিন্তাধারাকে লোকায়ত বলে সনাক্ত করবার চেষ্টা করেছি বস্তুবাদ ছাড়াও তার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নারীপ্রাধান্য বা মাতৃপ্রাধান্য। আমরা ইতিপূর্বেই এই বৈশিষ্ট্যটির ব্যাখ্যা করবার চেষ্টা করেছি। বর্তমানে আমরা লোকায়তিক চিন্তাধারার বস্তুবাদমূলক বৈশিষ্ট্যের আলোচনা উত্থাপন করবো।

    আমাদের প্রধান প্রতিপাদ্য হবে, প্রাক্-বিভক্ত সমাজের স্বাক্ষর বহন করছে বলেই লোকায়ত-মত প্রাক-অধ্যাত্মবাদী, এবং সেই অর্থেই অচেতনকারণবাদ বা বস্তুবাদ। এবং আমাদের মূল যুক্তি হবে, চেতনকারণ-বাদ বা ভাববাদের যেটা বাস্তব ভিত্তি (material basis), প্রাক্-বিভক্ত সমাজে তার বিকাশ সম্ভব নয় অতএব সে-পর্যায়ের ধ্যানধারণাও চেতনকারণ-বাদ বা ভাববাদে পরিণত হবার সুযোগ পায় না। অর্থাৎ, লোকায়তর অচেতনকারণ-বাদকে বোঝবার উদ্দেশ্বেই আমাদের প্রধানতম আলোচ্য হবে চেতনকারণ-বাদের জন্মকাহিনী।

    ভারতীয় দর্শনের ইতিহাসে চেতনকারণ-বাদের আবির্ভাব কাহিনী নিয়ে আলোচনা তোলবার আগে সাধারণভাবে চেতনকারণ-বাদের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

    চেতনকারণ-বাদের মূল কথাটা কী? চিন্তা বা ধারণা বা জ্ঞান বা মন বা ইন্দ্রিয়ানুভূতি—এককথায় কোনো-না-কোনো প্রকার চেতন-পদার্থই—চরম সত্য বা পরম সত্তা। যা-কিছু সত্য, যা-কিছু বাস্তব তা এর উপর নির্ভরশীল হিসেবে, এরই দাবি মিটিয়ে, তবে সত্য বা বাস্তব। অতএব তথাকথিত বহির্বাস্তব, চেতন-নিরপেক্ষ অর্থে সত্য নয়। চেতনা বা মানবসত্তার দাবি মেটানো-না-মেটানোর উপরই সবকিছুর সত্তা নির্ভরশীল।

    অবশ্যই দর্শনের ইতিহাসে ভাববাদ বা চেতনকারণ-বাদের রূপ সর্বত্রই এক নয়। কিন্তু উপরোক্ত যুক্তিটিই চেতনকারণ-বাদমাত্রের মূল ভিত্তি। বিভিন্ন চেতনকারণ-বাদী দার্শনিক এই কাঠামোটির ভিতরেই বিভিন্নভাবে তাঁদের মন্তব্য ব্যক্ত করেছেন।

    চেতনাই সর্বশক্তিমান,—অষ্টার মতো। মানুষের ধ্যানধারণায় এ-জাতীয় কথা আবির্ভাব হবার বাস্তব সর্ত কী? জ্ঞান ও কর্মের মধ্যে সম্পর্ক বিচ্ছেদ; শুধু তাই নয়, জ্ঞানের তুলনায় কর্মকে হেয় বা নিম্নবৃত্তি বলে মনে করা। কেননা, কর্মের মধ্যে বহির্বাস্তবের অবধারিত যাথার্থ্যের অনিবার্য স্বীকৃতি(৭৬১); কর্ম বাদ দিয়ে বিশুদ্ধ জ্ঞানের উপর নির্ভর করে সত্যনিরূপণের প্রচেষ্টা তাই বহির্বাস্তবের যাথার্থ-স্বীকৃতির দায়মুক্ত। তখন চেতনাই চরম সত্য, সর্বশক্তিমান, সর্বনিয়ন্ত।

    আমরা ইতিপূর্বেই দেখেছি (পৃ. ৭৯–৮৬) আদিম প্রাক্-বিভক্ত সমাজের ধ্যানধারণা অনিবার্য ঐতিহাসিক কারণে এই পর্যায়ে পৌঁছতে পারে না। কেননা, উৎপাদন-কৌশলের দৈন্য বা অনুন্নতিই সে-সমাজের ভিত্তি—এই দৈন্যের দরুনই উদ্ধৃত্ত-উৎপাদন সম্ভব নয়, তাই উদ্ধৃত্তজীবী শ্রেণীর আবির্ভাবও সম্ভব নয়। শ্রমে অংশগ্রহণ করবার দায়িত্ব সকলেরই। আর তাই মানুষের ধ্যানধারণাও বহির্বাস্তবের যাথার্থ্য-স্বীকৃতির দায়মুক্ত নয়। উৎপাদনকৌশলের উন্নতির ফলে উদ্ধৃত্ত-উৎপাদন—এবং অতএব উদ্ধৃত্তজীবী শ্রেণীর আবির্ভাব—হবার পরই বহির্বাস্তব এই শ্রেণীর মনের চাহিদা মেটাতে বাধ্য হয়েছে আর তখন থেকেই মানুষের মাথায় এ-যুক্তির আবির্ভাব হয়েছে যে, মনের চাহিদাই—চেতনার চাহিদাই—সর্বশক্তিমান, জগৎ-নির্মাতা। মিশরের পুরোহিত-রাজ পিরামিডের কথা ভাবলেন, বহির্জগতে গগন-চুম্বী পিরামিড গড়ে উঠলো—বহির্জগৎ মনের দাবি মানলো। কেননা, যে লক্ষ মানুষের কায়িক শ্রম এই অসাধ্য-সাধন করতে পেরেছে তারা দাস, তারা হীন, তারা নীচ—সমাজের সদর-মহলে তাদের স্থান নেই, আর তাই সদর-মহলের ধ্যানধারণায় তাদের ওই অবদানটারও স্বীকৃতি নেই।

    In the face of all these creations, which appeared in the first place to be products of the mind, and which seemed to dominate human society, the more, modest productions of the working hand retreated into the background, the more so, since the mind that plans the labour-process…was able to have the labour that had been planned, carried out by other hands than its own. All merit for the swift advance of civilization was ascribed to the mind…and so there arose, in the course of time, that idealistic outlook on the world which, especially since the decline of the ancient world, has dominated men’s minds.(৭৬২)

    আমরা দেখেছি (পৃ. ৩১–৩৩) লোকায়তিকদের ধ্যানধারণা এইভাবে শ্রমের দায়িত্ব থেকে মুক্তি পায়নি, কেননা বার্তা বা কৃষিকাজই তাদের কাছে প্রধানতম বিদ্যা। আর তাই তাদের চেতনাও মুক্তি পায়নি বহির্বাস্তবের যাথার্থ্য-স্বীকৃতির দায়িত্ব থেকে। প্রাচীন সমাজের সেই পর্যায়টি—মেয়েরা যখন কৃষিকাজ আবিষ্কার করে নিজেদের ফলপ্রসূতার অনুরূপ হিসেবেই প্রাকৃতিক ফলপ্রসূতাকে বোঝবার চেষ্টা করছে, এবং নিজেদের দেহের উপমান হিসেবেই প্রকৃতিকেও বুঝতে চেষ্টা করছে—প্রকৃত-পক্ষে প্রাক্-বিভক্ত সমাজেরই একটি পর্যায়। এই কারণেই বার্তাকেন্দ্রিক ওই ধ্যানধারণাও প্রাক্অধ্যাত্মবাদী, এবং সেই অর্থে বস্তুবাদী—সে-বস্তুবাদ যতো অফুট ও প্রাকৃতই হোক না কেন।

    লোকায়তিক অচেতনকারণ-বাদের তাৎপর্য বোঝবার আশায় আমরা অধ্যাত্মবাদ বা চেতনকারণ-বাদের উৎস নিয়ে আলোচনা তুলবো। ঘুরিয়ে বা নেতিমূলকভাবে হলেও এ-আলোচনা লোকায়তিক বস্তুবাদের উপর আলোকপাত করতে পারে। কেননা, ধ্যানধারণার ক্রমবিকাশের ইতিহাসে এই চেতনকারণ-বাদ যে-পর্যায়টিকে পিছনে ফেলে এসেছে সেই পর্যায়টিই হলো ওই লোকায়তিক প্রাক-অধ্যাত্মবাদ বা অফুট বস্তুবাদ।

    কিন্তু যে-হেতু আমরা চেতনকারণ-বাদের আবির্ভাবকে শ্রেণীসমাজ-জনিত জ্ঞান ও কর্মের বিচ্ছেদের পরিণাম হিসেবেই বোঝবার চেষ্টা করবো, সেই হেতু আমাদের পক্ষে প্রথমে সাধারণভাবে শ্রেণীসমাজের উৎপত্তি-সংক্রান্তু ঐতিহাসিক নিয়মের পটভূমিটিকে মনে রাখা প্রয়োজন। উৎপাদনকৌশলের উন্নতিই আদিম প্রাক্-বিভক্ত সমাজ থেকে শ্রেণীবিভাগের দিকে অগ্রগতির মূল কারণ। কিন্তু প্রশ্ন হলো, উৎপাদন-কৌশলের উন্নতির ঠিক কোন বৈশিষ্ট্যটি থেকেই মানবসমাজে ক্রমশ শ্রেণীবিভাগ পরিস্ফুট হয়ে উঠতে লাগলো? এঙ্গেলস্ দেখাচ্ছেন, পৃথিবীর সমস্ত মানবজাতির বেলাতেই হুবহু একরকম নয়। কোথাও বা কৃষিকাজের উন্নতি থেকে, আবার কোথাও বা পশুপালনের উন্নতি থেকে শ্রেণীবিভক্ত (ও রাষ্ট্রশক্তি-শাসিত) সমাজের উদ্ভব। কেননা, একদিকে যেমন কৃষিকাজের উন্নতি, অপরদিকে তেমনি পশুপালনের উন্নতি থেকেই মানুষের পক্ষে উদ্ধৃত্ত-উৎপাদনের ক্ষমতা প্রভূত পরিমাণে বেড়ে গেলো। (পৃ. ৩০০  দ্রষ্টব্য)।

    আমেরিকার ইরোকোয়া নামের আদিবাসীরা কৃষি-উন্নতির পথ ধরেই প্রাক্-বিভক্ত সমাজের সীমারেখা পেরিয়ে শ্রেণীবিভক্ত সমাজের দিকে অগ্রসর হবার উপক্রম করেছিলো; সেই অবস্থাতেই কলম্বাসের অনুগামীদের আক্রমণে তাদের অগ্রগতি নিরুদ্ধ হয়। আমাদের দেশের ক্ষেত্রে সিন্ধু-উপত্যকার ধুলোর নিচে এই অগ্রগতির কাহিনী নিশ্চয়ই ঢাকা পড়ে রয়েছে। কেননা, ওখানের প্রত্নতত্ত্বমূলক নিদর্শনগুলির মধ্যে একদিকে আমরা খুঁজে পাচ্ছি কেন্দ্রীভূত রাষ্ট্র-শক্তি এবং শ্রেণীশোষণের পরিচয়, আবার অপরদিকে দেখা যাচ্ছে কৃষিউৎপাদনই ছিলো ওই নাগরিক জীবনের প্রধানতম সম্পদ। দ্রষ্টব্য এই যে, ওই শ্রেণীশোষণ ও কেন্দ্রীভূত রাষ্ট্র-শক্তির পর্যায়ে পৌঁছেও সিন্ধুসভ্যতার মানুষগুলির চেতনা থেকে মাতৃপ্রধান ধ্যানধারণার স্মৃতি সম্পূর্ণ মুছে যায়নি। অবশ্যই আদি-তন্ত্র ও আদি-সাংখ্যের মতো এই মাতৃপ্রধান ধ্যানধারণা তখনো প্রাক-অধ্যাত্মবাদ বা অচেতনকারণ-বাদের পর্যায়েই ছিলো কিনা, তা খুবই সন্দেহের কথা। বরং রাষ্ট্র-শক্তি ও শ্রেণীশোষণের পটভূমিকায় টিকে থাকবার সময় এগুলির পক্ষে অধ্যাত্মবাদী চেতনার অঙ্গীভূত হওয়াই স্বাভাবিক। তবুও মাতৃপ্রাধান্যমূলক ধ্যানধারণার সঙ্গে কৃষি-আবিষ্কারের সম্পর্ক যে কতো ঘনিষ্ঠ এবং মানবচেতনায় এই মাতৃপ্রধান ধ্যানধারণার প্রভাব যে কতো দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, হরপ্পা-মোহেনজোদারোর প্রত্নতত্ত্বমূলক নিদর্শনগুলিই তার পরিচায়ক। অর্থাৎ, সিন্ধুসভ্যতা নিশ্চয়ই রাতারাতি গড়ে ওঠেনি; তার পিছনেও একটা দীর্ঘযুগের ক্রমোন্নতির ইতিহাস অনুমান করতে আমরা বাধ্য। সে-ইতিহাস নিশ্চয়ই কৃষিকাজ আবিষ্কার থেকে শুরু করে কৃষিকর্মের ওই অতোখানি উন্নত পৰ্যায় পর্যন্ত ব্যাপৃত, যে-পর্যায়ে পৌঁছে কৃষিজাত উদ্ধৃত্তের উপর নির্ভর করে অমন নগরজীবন ইত্যাদি গড়ে তোলা সম্ভবপর। অতএব অনুমান করবার সুযোগ আছে যে, সিন্ধু-উপত্যকায় যে-মাতৃপ্রধান ধ্যানধারণার পরিচয় পাই, তারও আদিরূপ আদি-তন্ত্রের মতোই প্রাক্‌-অধ্যাত্মবাদীই ছিলো, যদিও যে-পটভূমিকায় মাতৃপ্রধান ধ্যানধারণার এই স্মারকগুলি পাওয়া গিয়েছে, সেখানেও এগুলির পক্ষে ওই আদিম প্রাক-অধ্যাত্মবাদসূচক হবার সম্ভাবনা নিশ্চয়ই নেই।

    তন্ত্রের দুটো দিক। মাতৃপ্রধান ও প্রাক্-আধ্যাত্মিক। কৃষি-আবিষ্কারজাত ধ্যানধারণা বলেই তা মাতৃপ্রধান। প্রাক্-বিভক্ত-সমাজ-জাত বলেই তা প্রাক্-আধ্যাত্মিক। কৃষি-আবিষ্কারের প্রাথমিক পর্যায়ে মানব-সমাজ শ্রেণী-বিভক্ত হয়নি।

    অপরপক্ষে, প্রাক্‌-অধ্যাত্মবাদী ধারণামাত্রেই মাতৃপ্রধান হতে বাধ্য নয়। তার কারণ, প্রাক্-বিভক্ত সমাজমাত্রই কৃষিনির্ভর—বা অনুন্নত পর্যায়ের কৃষিনির্ভর—হতে বাধ্য নয়। এ-আলোচনার জন্য প্রাক্-বিভক্ত সমাজ ছেড়ে শ্রেণীবিভক্ত সমাজের দিকে অগ্রসর হবার দ্বিতীয় পথটির কথা উত্থাপন করা প্রয়োজন।

    আমরা ইতিপূর্বে দেখেছি (পৃ. ৩০০–৩০২), বৈদিক মানুষদের ইতিহাস এই পথটির পরিচায়ক। পশুপালনের উন্নতির উপর নির্ভর করেই তারা প্রাক্-বিভক্ত সমাজ ছেড়ে শ্রেণীসমাজের দিকে অগ্রসর হতে পেরেছিলো। পশুপালন-নির্ভর সমাজ পিতৃপ্রধান, বৈদিক ধ্যানধারণাও তাই পুরুষ-প্রধান (পৃ. ৩২০—৩২৮)। কিন্তু পুরুষ-প্রধান এই ধ্যানধারণার আদিপর্যায়ের মধ্যে প্রাক-অধ্যাত্মবাদী চেতনার পরিচয় পাওয়া যায় (পৃ. ১০২— ১১২ এবং পৃ. ১৫১–১৫২); সেই দিকটি হলো বৈদিক সমাজের প্রাক্-বিভক্ত পর্যায়ের স্বাক্ষর। কেননা, প্রাক্‌-অধ্যাত্মবাদী ধ্যানধারণায় প্রাক্-বিভক্ত সমাজের প্রতিবিম্ব : কৃষি-নির্ভর প্রাক্-বিভক্ত সমাজের ধ্যানধারণা মাতৃপ্রধান, পশুপালন-নির্ভর প্রাক্-বিভক্ত সমাজের ধ্যানধারণা পুরুষপ্রধান–কিন্তু দুই-ই প্রাক্‌-অধ্যাত্মবাদী। এবং এইদিক থেকেই বুঝতে পারা সম্ভব, বৈদিক চিন্তাধারার সঙ্গে উত্তরযুগে লোকায়তিক চিন্তাধারার যতোই পার্থক্য থাকুক না কেন, বৈদিক চিন্তাধারারও প্রাক্-আধ্যাত্মবাদী অর্থে একটা লোকায়তিক অতীত ছিলো।

    অধ্যাত্মবাদের আবির্ভাব-ইতিহাস প্রসঙ্গে আমরা এই বৈদিক ধ্যানধারণার ক্রমবিকাশ নিয়েই আলোচনা তুলবো। তার প্রধান কারণ হলো, প্রাক্-বিভক্ত সমাজ থেকে শ্রেণীবিভক্ত সমাজের দিকে অগ্রগতির, —এবং তারই প্রতিবিম্ব হিসেবে প্রাক্‌-অধ্যাত্মবাদী ধ্যানধারণার পক্ষে অধ্যাত্মবাদে পরিণতির—সুবিস্তীর্ণ সাহিত্য ওই বৈদিক সংস্কৃতির ক্ষেত্রেই মুলভ। পরবর্তী পরিচ্ছেদে আমরা প্রধানত তারই আলোচনা করবো।

    ————————
    ৭৫৮. বঙ্গদর্শন, শ্রাবণ ১২৮১।
    ৭৫৯. চতুর্দশ বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনের দর্শন শাখার সভাপতির অভিভাষণ।
    ৭৬০. সেন্ট পিটার্সবার্গ অভিধান দ্রষ্টব্য।
    ৭৬১. K. Marx C 177f. Contrast শঙ্কর : ব্রহ্মসূত্রভাষ্য ১. ২. ৪ । কালীবর বেদান্তবাগীশ ১:১০৭ ৷
    ৭৬২. F. Engels DN 288-9.

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article যে গল্পের শেষ নেই – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    পৃথিবীর ইতিহাস – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    ফ্রয়েড প্রসঙ্গে – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    যে গল্পের শেষ নেই – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }