Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প891 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. বৈদিক যজ্ঞের আদিরূপ ও রূপান্তর

    বৈদিক যজ্ঞের আদিরূপ ও রূপান্তর

    পূর্বপক্ষ বলবেন, বৈদিক যজ্ঞই হলো সামগ্রিকভাবে বৈদিক সাহিত্যের প্রাণবস্তু। অতএব, ঋগ্বেদের মন্ত্রগুলিকে বিচার করবার বা বোঝবার একমাত্র যুক্তিসঙ্গত পটভূমি বলতে এই যজ্ঞই। তাই, কোন্‌ যজ্ঞে কোন্‌ মন্ত্রের কী বিনিয়োগ তার আলোচনা বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ঋগ্বেদের মন্ত্রগুলির উপর নির্ভর করে বৈদিক মানুষদের সমাজ-ইতিহাস অন্বেষণ করার প্রচেষ্টা ভ্রান্ত হতে বাধ্য।

    যজ্ঞই মুখ্য। যজ্ঞই প্রাথমিক। সায়নাচার্যও এই রকমই একটা যুক্তির উপর নির্ভর করেছেন বলেই ঋগ্বেদের আগে যজুর্বেদের ভাষাকে স্থান দেবার প্রয়োজন বোধ করেছেন—যজ্ঞই যজুর্বেদের প্রধানতম উপজীব্য। এবং সায়ন(৪৬) বলছেন, “যজ্ঞে যজুর্বেদবিৎ ঋত্বিকের প্রাধান্য পরিকীর্তিত হইয়া থাকে। সেইজন্য সর্বপ্রথম যজুর্বেদের ব্যাখ্যা করা হইয়াছে। অতঃপর হোমকরণসমর্থ ঋত্বিকের জন্য ঋগ্বেদের ব্যাখ্যা করা যাইতেছে।” কেননা, “অধ্বর অর্থাৎ যজ্ঞকে যোজিত যিনি করেন—ইহাই অধ্বর্য্যু বা অধ্বরষু শব্দের যোগার্থ এবং যজ্ঞের নেতা এইটিই তাৎপর্য।”(৪৭) অবশ্যই শ্রুতিতে যে ঋগ্বেদের শ্রেষ্ঠত্ব ও প্রথমত্ব কথিত হয়েছে সে-কথা স্বয়ং সায়নও স্বীকার করছেন; কিন্তু শ্ৰুতির এই মন্তব্যের অর্থ ঠিক কী? সায়্ন(৪৮) বলছেন, “সর্বাগ্রে ঋকের পাঠ করা হয় বলিয়া যে উহার শ্রেষ্ঠত্ব বা উপাদেয়ত্ব, তাহা নহে। যজ্ঞের অঙ্গকে দৃঢ় করিবার ক্ষমতা ইহার আছে, সেইজন্য এই ঋক্ শ্রেষ্ঠ বলিয়া পরিগণিত হয়।…মন্ত্রার্থজ্ঞান ব্যতীত যজুর্বেদ-বিহিত যজ্ঞানুষ্ঠানের প্রবৃত্তি আসিতে পারে না। সুতরাং মন্ত্রার্থজ্ঞান বিষয়ে এবং অনুষ্ঠানের প্রবৃত্তিকরণাংশে যজুর্বেদেরই প্রাধান্য দেখা যাইতেছে। অতএব তাহার ব্যাখ্যাই প্রথমে করা উচিত।”…

    অতএব, আগে যজ্ঞ এবং এই যজ্ঞের পটভূমিকা বাদ দিয়ে ঋগ্বেদের মন্ত্রের আলোচনা ব্যর্থ ও ভ্রান্ত।

     

    উত্তরে আমরা নিশ্চয়ই এমন দাবি করবো না যে, কোন যজ্ঞে ঋগ্বেদের কোন্‌ মন্ত্রের কী ভাবে বিনিয়োগ হচ্ছে তার থেকে মন্ত্রগুলির আদি-তাৎপর্যের উপর কোনোরকম আলোকপাতই হয় না। বস্তুত, পৃথিবীর পিছিয়ে-পড়া মানুষদের সম্বন্ধে সাধারণভাবে জানতে-পারা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা মনে করতে পারি, আদিম সমাজে কাজ বা উৎপাদনক্রিয়া ছাড়া গান হয় না এবং গান ছাড়া কবিতা হয় না এবং জাদুবিশ্বাসগত অনুষ্ঠান (ritual) আদিম মানুষের কাছে জীবনসংগ্রামের—উৎপাদন-ক্রিয়ার—একটি অন্যতম সহায়। ঋগ্বেদ যদি প্রাচীন সমাজের গান ও কবিতার সঙ্কলন হয়, তাহলে সে-গান বা কবিতার সঙ্গে কাজের—অতএব, জাদুঅনুষ্ঠান বা ritual-এরও—কোনো-না-কোনো প্রকার আদি-সম্পর্ক অনুমিত হতে বাধ্য। পরের যুগে মন্ত্রগুলির বিনিয়োগ থেকে সেই আদি-সম্পর্কের ইংগিত খুঁজে পাওয়া অসম্ভব নয়। কেননা, যজুর্বেদ ও ব্রাহ্মণ-সাহিত্যে যেভাবে যজ্ঞকথা বর্ণিত হয়েছে তা পরবর্তী যুগের ব্যাপার—অতএব অনেকাংশে কৃত্রিম—হলেও শুধুমাত্র আকস্মিক উদ্ভাবনের পরিণাম নয়; অর্থাৎ তার পিছনেও একটা পুরোনো ইতিহাসের কিছু কিছু ইংগিত খুঁজে পাওয়া যেতে পারে এবং সে-ইতিহাস অনুসরণ করলে আমরা হয়তো প্রাচীন-সমাজের জাদুঅনুষ্ঠান বা ritual-এরই পরিচয় পেতে পারি।

    কিন্তু তার মানে নিশ্চয়ই এই নয় যে, উত্তরকালে আমরা যজ্ঞ-অনুষ্ঠানের যে-পরিচয় পাই তা প্রাচীনসমাজের জাদুঅমুষ্ঠান বা ritual-এর সঙ্গে অভিন্ন। অর্থাৎ, যজ্ঞের পিছনে তার স্মৃতি লুকোনো থাকলেও যজ্ঞের মধ্যেই তার আদি-আকৃত্রিম রূপটির পরিচয় টিকে থাকার সম্ভাবনা অল্পই। কিংবা, যা একই কথা, উত্তরকালে যজুর্বেদ ও ব্রাহ্মণে আমরা যজ্ঞের যে-রূপ দেখি তাই যজ্ঞের আদিরূপ নয়। প্রাচীন সমাজের ritual থেকেই যজ্ঞের জন্ম; কিন্তু যজ্ঞের মধ্যেই সে-ritual-এর আদি-তাৎপর্য নেই। এই বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচনা করা প্রয়োজন।

    আধুনিক জ্ঞানের মানদণ্ডে প্রাচীন সমাজের জাদুঅনুষ্ঠান নিশ্চয়ই অবাস্তব, অসম্ভব, ভ্রান্ত। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কামনা-সফল হবার একটা কাল্পনিক ছবি ফুটিয়ে তুলেই আধা-অসহায় অবস্থার মানুষগুলি মনে করে যে, এইভাবে কামনা বাস্তবিকই সফল হতে বাধ্য। কিন্তু সমস্ত ক্রিয়াটুকু কাল্পনিক হলেও ওই পর্যায়ের মানুষদের কাছে তা সম্পূর্ণ নিষ্ফল নয়। কেননা, ওই কল্পনাই তাদের জীবন-সংগ্রামে মানসিক উদ্দীপনার একটি প্রধানতম উৎস। এই কারণেই অধ্যাপক জর্জ টম্‌সন(৪৯) প্রাচীন মানুষদের জাদুঅনুষ্ঠানকে ‘an illusory technique supplementary to the real technique’ বলে বর্ণনা করেছেন : বাস্তব পৃথিবীর উপর এই কাল্পনিক অনুষ্ঠানটির কোনো প্রত্যক্ষ প্রভাব নিশ্চয়ই নেই, কিন্তু একটা পরোক্ষ প্রভাব থাকতে বাধ্য। কেননা, যারা এতে বিশ্বাস করছে তাদের মনের বল, তাদের সাহস ও বিশ্বাস, অনেকাংশে এই সাফল্য-কল্পনার সাহায্যেই বেড়ে যাচ্ছে; তাই তারা অনেক ভালো করে, অনেক সার্থকভাবে, জীবনসংগ্রামে লিপ্ত হতে পারছে। ফলে শেষ পর্যন্ত এই বিশ্বাস ও অনুষ্ঠান বাস্তব পৃথিবীকেও প্রভাবিত করছে। অধ্যাপক জর্জ টম্‌সন(৫০) বলছেন, ‘It changes their subjective attitude to reality, and so indirectly it changes reality.’

    এ-জাতীয় অনুষ্ঠান কাল্পনিক হওয়া সত্ত্বেও যে প্রাচীন-সমাজের পটভূমিতে বাস্তব জীবন-সংগ্রামের সহায়ক হতে পারে, তার মূল কারণ হলো প্রাচীন-সমাজের সমষ্টিজীবন। শ্ৰীমতী জেন হ্যারিসন্‌(৫১) বলছেন,

    Collectivity and emotional tension, two elements that tend to turn the simple reaction into a rite, are—specially among the primitive peoples—closely associated, indeed scarcely separable. The individual among savages has but a thin and meagre personality; high emotional tension is to him only caused and maintained by a thing felt socially; it is what the tribe feels that is sacred, that is matter for ritual.

    কিন্তু তার মানে নিশ্চয়ই এই নয় যে, সমাজের পটভূমি-পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই মানুষ প্রাচীন ritual-গুলিকে বর্জন করতে পারে; যে-সব আচার-অনুষ্ঠান পূর্বপুরুষদের জীবনে দীর্ঘ যুগ ধরে পরম গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছে পরবর্তী পর্যায়েও মানুষ সেগুলিকে পরম পবিত্র বলেই আঁকড়ে থাকতে চায়। তাই, শ্রেণীসমাজের পটভূমিতেও ritual-গুলি টিকে থাকে, আকস্মিকভাবে উবে যায় না।

    কিন্তু তা হলেও ওই আচার-অনুষ্ঠানগুলির আদি-তাৎপর্য এবং উত্তর-তাৎপর্য এক নয়। অর্থাৎ, নবপর্যায়ে ritual-গুলিরও নবরূপ বিকশিত হয় এবং এই নবরূপটিকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এখানে ritual-গুলির আদি-তাৎপর্য বিপরীতে পর্যবসিত হয়েছে। তারও নির্দিষ্ট কারণ আছে।

    প্রথমত, প্রাচীন-পর্যায়ের মতো এগুলি আর সমষ্টিগত অনুষ্ঠান থাকে না, তার বদলে শ্রেণীবিশেষের গোপন বিদ্যার রূপ গ্রহণের দাবি করে।

    দ্বিতীয়ত, এগুলি আর সামগ্রিক স্বার্থে নিযুক্ত নয়—অন্তত নিযুক্ত বলে কল্পিত নয়; তার পরিবর্তে ব্যষ্টির স্বার্থে প্রযুক্ত বলেই কল্পিত হয়।

    তৃতীয়ত, উদ্বৃত্তজীবীর গোপন বিদ্যা হিসেবে এবং তারই খণ্ড স্বার্থে প্রযুক্ত হিসেবে কল্পিত বলে আদিম অনুষ্টানগুলির নবরূপ আর বাস্তব জীবনসংগ্রামের অঙ্গ নয়। কেননা মূলতই কাল্পনিক কৌশল হওয়া সত্ত্বেও প্রাচীন পৰ্যায়ে এগুলি যে-কারণে বাস্তব কৌশলকে সাহায্য করতে পেরেছে সে-কারণ বা সেই সর্ত-প্ৰাচীন মানুষের সমষ্টিজীবন-ইতিমধ্যে ভেঙে গিয়েছে এবং এইভাবে বাস্তব জীবনসংগ্রামের সঙ্গে সম্পর্কচ্যুত হবার ফলেই ওই আদিম আচার-অনুষ্ঠানের নেতিবাচক দিকটি—কাল্পনিক এবং অবাস্তব চরিত্রটিই–যেন বাধাবন্ধনহীন স্বাধিকারপ্ৰমত্ত ও সর্বশক্তিমান হয়ে ওঠবার আয়োজন করে। একই কারণে এগুলির নবরূপ অসামান্য জটিল ও পল্লবিত হয়ে ওঠাই স্বাভাবিক।

    এই কথাগুলিকে সাধারণভাবে জানতে-পারা মূলসূত্র হিসেবে গ্ৰহণ করেই আমরা বৈদিক যজ্ঞের ইতিহাস বোঝবার চেষ্টা করবো।

     

    ঋগ্বেদে অবশ্যই যজ্ঞ, যজমান, ঋত্বিক প্ৰভৃতির উল্লেখ আছে; এমন কি উত্তর-সাহিত্য বর্ণিত কোনো কোনো বিশিষ্ট যজ্ঞের পরিচয়ও পাওয়া যায়। যেমন, অধ্যাপক কীথ্‌(৫২) বলছেন, প্ৰথম মণ্ডলের ১৬২ এবং ১৬৩ সূক্ত অত্যন্ত স্পষ্টভাবেই অশ্বমেধ যজ্ঞের সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত। কিন্তু উত্তর-সাহিত্যে—যজুৰ্বেদ এবং ব্ৰাহ্মণাদি গ্রন্থে-বৈদিক যজ্ঞকে আমরা যে-জটিল ও পল্পবিতরূপে দেখি ঋগ্বেদে নিশ্চয়ই তার পরিচয় নেই। এর থেকে অনুমান করা যায় যে, ঋগ্বেদের যুগে যজ্ঞ পরবর্তী কালের মতো ছিলো না।

    বৈদিক যজ্ঞের আদিরূপ যে অনেকাংশেই আদিম-সমাজের জাদুঅনুষ্ঠান ধরনের ছিলো এবং পরবর্তী পৰ্যায়ে সেই আদিম অনুষ্ঠানগুলির যে মৌলিক রূপান্তর ঘটেছিলো,-এ-বিষয়ে ইতিপূর্বে ওল্ডেনবাৰ্গ, কীথ্‌ প্রমুখ আধুনিক বিদ্বানেরা আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। দৃষ্টান্ত হিসেবে এখানে আমরা অধ্যাপক কীথ্-এর(৫৩) একটি উক্তি উদ্ধৃত করবো।

    অশ্বমেধ-প্রসঙ্গে তিনি বলছেন,

    There is a good deal in the Indian ritual which is in accord with the theory of a vegetation ritual….The obscenity of the conversation, Oldenberg suggests, is possibly due to vegetation magic, and this is no doubt its function, as in the dialogue of ahetaria and a Brahmacarin at the Mahavrata, rather than an “entertainment of the gods or the remains of popular freedom of speech…The ritual was not in the Brahmana period consciously a vegetation ritual, but this does not disprove the possibility that this was part of its original character.

    যদি তাই হয়,–যদি আদিম সমাজের vegetation-ritual-ই কালক্রমে পরবর্তী-সাহিত্য বর্ণিত অশ্বমেধ-যজ্ঞে পরিণত হয়ে থাকে, তাহলে অশ্বমেধ-যজ্ঞের আদি-তাৎপৰ্য বোঝবার জন্য ওই vegetation-ritual এবং আদিম সমাজের পরিপ্রেক্ষিতে তার বাস্তব ভূমিকা বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন; এবং এ-বিষয়ে শ্ৰীমতী জেন হ্যারিসনের গবেষণা নিশ্চয়ই বেদবিদদের কাছে মূল্যবান বলে পরিগণিত হওয়া উচিত। কিন্তু দুঃখের বিষয় অধ্যাপক কীথ্ শুধুই যে এ-সম্ভাবনাকে অগ্ৰাহ করেছেন তাই নয় ; এইভাবে নৃতত্ত্বের আলোয় বৈদিক ক্রিয়াকাণ্ডের আদি-তাৎপৰ্য বোঝবার চেষ্টার বিরুদ্ধেই তার প্রবল প্ৰতিবন্ধ আছে। প্রসঙ্গান্তরে তিনি এই নৃতত্ত্বমূলক পদ্ধতি সম্বন্ধে বলেছেন,(৫৪)

    These speculations are acute and ingenious, but serious discussion they can hardly demand.

    এবং শ্ৰীমতী জেন্‌ হ্যারিসন্‌-এর গবেষণা তাঁর কাছে যেন নেহাতই হাসির ব্যাপার :

    The projection theory of religion is carried to its logical conclusions in a most amusing, because serious, work by Miss J. Harrison, Themis (1912). The author has a personal animus against the Olympians as non-matriarchal, and now interprets religion in terms of sociological epistemology.(৫৫)

    আমরা যদি অধ্যাপক কীথ্-এর প্রথমোক্ত উক্তিকে গ্ৰহণ করি, —অর্থাৎ, আদিম সমাজের vegetation-ritual-এর মধ্যেই যদি বৈদিক অশ্বমেধ যজ্ঞের আদিরূপটিকে খুঁজে পাওয়া যায় বলে স্বীকার করি,–তাহলে মানতে বাধ্য হবো যে, উত্তরকালে এই অনুষ্ঠান শুধুই যে জটিল ও পল্লবিত হয়েছে তাই নয়, অত্যন্ত স্পষ্টভাবেই শ্রেণীস্বার্থ-রঞ্জিতও উঠেছে। কেননা শ্ৰীমতী জেন্‌ হ্যারিসন্‌ প্ৰমুখের গবেষণাকে ও-রকম ঠাট্টার চোখে না দেখলে অধ্যাপক কীথ্‌ নিজেই স্বীকার করতেন, প্রাচীন সমাজের সমষ্টিগত পটভূমিতে vegetation-ritual বলে অনুষ্ঠান সামগ্রিকভাবে গোষ্ঠ-স্বার্থে নিযুক্ত ; অপরপক্ষে উত্তরকালের সাহিত্যে অশ্বমেধ যজ্ঞের সে-রূপ দেখা যায় না। আপস্তম্ব বলছেন, সার্বভৌম রাজা অশ্বমেধ-যজ্ঞ করতে পারেন (২০.১.১); বৌধায়নেরও সেই মত (২৫.১)। এবং অধ্যাপক কীথ্ এই জাতীয় আরো অন্যান্য তথ্যের উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত করছেন,(৫৬)

    As revealed in the later texts, the sacrifice is essentially one of princely greatness. The steed for a year roams under guardianship of a hundred princes, a hundred nobles with swords, a hundred sons of heralds and charioteers bearing quivers and arrows, and a hundred sons of attendants and charioteers bearing staves’

    বাজপেয় যজ্ঞ-প্রসঙ্গেও অধ্যাপক কীথ্ একই ইংগিত দিচ্ছেন—তাঁর মতে উত্তরকালে এ-যজ্ঞের আদিরূপটিকে পুরোহিত-শ্রেণী মৌলিকভাবে পরিবর্তন করে নিয়েছিলো(৫৭) :

    But the rite thus depicted is essentially already a priestly one; the original rite in its popular form has been intended in honour of Indra alone…But in sacerdotalizing the rite, the priests have still retained its popular features…

    কিন্তু আদিম প্ৰাক-বিভক্ত সমাজের সঙ্গে উত্তর-পৰ্যায়ের শ্রেণীবিভক্ত সমাজের পটভূমির পার্থক্য মনে না রাখলে এখানে sacerdotalizing এবং popular features বলতে ঠিক কী বোঝায় তা আমাদের কাছে স্পষ্ট হয় না।

     

    —————
    ৪৬. ঋগ্বেদ-সংহিতা (দুর্গাদাস লাহিড়ী) ১।
    ৪৭. ঐ ২।
    ৪৮. ঐ ৩।
    ৪৯. G. Thomson SAGS 440.
    ৫০. Ibid.
    ৫১. J. Harrison AAR 36-7.
    ৫২. A. B. Keith RPVU 2.345;VBYS Introduction crxxii.
    ৫৩. A. B. Keith VBYS Introduction crxxv.
    ৫৪. A. B. Keith RPVU 49.
    ৫৫. Ibid 49n.
    ৫৬. A. B. Keith VBYS Introduction czXxiii.
    ৫৭. Ibid cx.

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article যে গল্পের শেষ নেই – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    পৃথিবীর ইতিহাস – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    ফ্রয়েড প্রসঙ্গে – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    যে গল্পের শেষ নেই – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }