Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়

    ভবেশ রায় এক পাতা গল্প689 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য (১৪৮৬-১৫৩৩) – বৈষ্ণবধর্মের প্রবর্তক

    নিমাই পণ্ডিত গয়া থেকে ফিরে এসেছেন নবদ্বীপে। কিন্তু তিনি সম্পূর্ণ এক নতুন মানুষ। পাণ্ডিত্যের অভিমান, শাস্ত্রীয় তর্কের বিলাস, কিছুই আজ তাঁর নেই। তিনি আজ নিরভিমান, আপনভোলা এক মহাসাধক। মুখে তাঁর শুধু কৃষ্ণনাম, দু চোখ বেয়ে ঝরে অশ্রুধারা। নবদ্বীপের লোকজনতো অবাক—কেমন করে তাঁর রাতারাতি এমন পরিবর্তন হয়ে গেল।

    নিমাই পরলোকগত পিতার পিণ্ডদান করার জন্য গিয়েছিলেন গয়ায়। সেখানে ফল নদীতে স্নান করে শুদ্ধচিত্ত হয়ে বিষ্ণু-মন্দিরে প্রবেশ করেন। দলে দলে তীর্থযাত্রীরা আসছে, শ্রদ্ধা নিবেদন করছে— চারদিকে পবিত্র ভাব। এ সমস্ত দেখতে দেখতে নিমাই পণ্ডিতের এক সময় ভাবান্তর হলো। থরথর করে কেঁপে তাঁর সমস্ত শরীর। দু চোখ বেয়ে ঝরতে থাকে অবিরল অশ্রুধারা, ভক্তিরসের আবেশে তিনি আত্মহারা। একপর্যায়ে ভাবাবেশে মূর্ছা যাবার দশা হয়। এমন সময় একজন বৈষ্ণব তাঁকে ধরে ফেলেন। তাঁর বাহ্যজ্ঞানহীন দেহটাকে বুকে আশ্রয় দিয়ে আদর করতে থাকেন।

    এই বৈষ্ণব আর কেউ নন, পরম ভগবত ঈশ্বরপুরী। নবদ্বীপের নিমাই পণ্ডিতের সঙ্গে তাঁর আগে থেকেই পরিচয় ছিল। জ্ঞান ফিরে আসামাত্রই নিমাই পণ্ডিত ঈশ্বরপুরীকে চিনতে পারেন এবং তাঁকে প্রণাম করে বিনীতভাবে বলেন, “প্রভু, কৃপা করে আমায় মন্ত্র দিন, চরণে আশ্রয় দিন। সংসারবন্ধন থেকে মুক্তিলাভের মন্ত্র আমায় দান করুন। কীভাবে কৃষ্ণলাভ হবে আমায় বলে দিন।”

    কয়েকদিনের মধ্যে ঈশ্বরপুরী তাঁকে বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষা দিলেন। সেদিনের নিমাই পণ্ডিত হলেন পরবর্তীকালের প্রেম-ভক্তিধর্মের প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য বা মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেব।

    আজ থেকে পাঁচশো বছর আগে ১৪৮৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ফাল্গুনী দোল পূর্ণিমা তিথিতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপ শহরের এক ব্রাহ্মণ পরিবারে শ্রীচৈতন্যদেব জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম পণ্ডিত জগন্নাথ মিশ্র এবং মাতার নাম শচীদেবী 1 জগন্নাথের পিতা উপেন্দ্র মিশ্রের আদি নিবাস ছিল সিলেট জেলার ঢাকা-দক্ষিণ গ্রাম। বিদ্যার্জনের জন্য জগন্নাথের সিলেট থেকে নবদ্বীপে আগমন। এখানে শচীদেবীকে বিয়ে করে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকেন। শ্রীচৈতন্য জন্মগ্রহণ করার আগেও তাঁর মাতা শচীদেবীর কয়েকটি সন্তানের অকাল মৃত্যু হয়। বেঁচে থাকেন কেবল জ্যেষ্ঠপুত্র বিশ্বরূপ ও কনিষ্ঠপুত্র চৈতন্য। শ্রীচৈতন্যের বাল্যনাম নিমাই। কথিত আছে, তিনি নিম গাছের নিচে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে তাঁর নাম রাখা হয়েছিল নিমাই। তাঁর আরও একটি নাম ছিল বিশ্বম্ভর। পাড়ার লোকেরা তাঁর সোনার বরণ রূপ দেখে ডাকতেন শ্রীগৌরাঙ্গ বলে। আর ভক্তদের কাছে তিনি নবদ্বীপচন্দ্র, মহাপ্রভু এবং গৌরসুন্দর নামে পরিচিত হন।

     

    আরও দেখুন
    বৃন্দাবন
    বিজ্ঞান
    ভ্রিন্দাভান
    চৈতন্যচরিতামৃত
    বৃন্দাবনের
    গীতার
    শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
    বিজ্ঞানের
    শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতা
    বইয়ের

     

    নিমাইয়ের যখন দশ-এগারো বছর বয়স, তখন তাঁর পিতার মৃত্যু হয়। বিধবা মাতা পুত্রকে গঙ্গাদাস পণ্ডিতের টোলে পড়তে পাঠালেন। নিমাইয়ের ছিল অসাধারণ মেধা। অল্প কয়েকদিনের মধ্যে তিনি পাণ্ডিত্য অর্জন করে নিজেই অধ্যাপনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই কিশোর বয়সেই তিনি কাশ্মিরের বিখ্যাত পণ্ডিত কেশব মিশ্রকে শাস্ত্রীয় তর্কে পরাজিত করে খ্যাতি অর্জন করেন।

    নিমাইয়ের বড় ভাই বিশ্বরূপ সংসার ছেড়ে চলে গেছেন— নিমাইও যাতে বিবাগী না হন, সেজন্য শচীদেবী এক পরমা সুন্দরী কন্যার সঙ্গে তাঁর বিয়ে দিলেন অল্প বয়সেই। চৈতন্যদেবের প্রথম বিয়ে হয়েছিল ১৫০২ সালে পণ্ডিত বল্লভাচার্যের কন্যা লক্ষ্মীদেবীর সঙ্গে।

    এই সময় তাঁর খুব আর্থিক কষ্ট যাচ্ছিল। তার পিতৃপুরুষদের অনেক সম্পত্তি ছিল সিলেটে। সেই সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য তিনি জলপথে সিলেট গমন করেন। তাঁর অনুপস্থিতকালে সর্পদংশনে লক্ষ্মীদেবীর মৃত্যু হয়। টাকাকড়ি নিয়ে তিনি সিলেট থেকে নবদ্বীপ ফিরে আসেন। তিনি স্ত্রীর মৃত্যু সংবাদ শুনে ব্যথিত হন এবং ভক্তি অনুশীলনে মনোনিবেশ করেন। কিন্তু মায়ের অনুরোধে তিনি দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন রাজপণ্ডিতের কন্যা বিষ্ণুপ্রিয়াকে। কিন্তু সংসারের বন্ধন তাঁকে ধরে রাখতে পারল না।

     

    আরও দেখুন
    বৃন্দাবন
    গীতার
    শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতা
    ভ্রিন্দাভান
    চৈতন্যচরিতামৃত
    শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    বৃন্দাবনের
    ই-বুক রিডার

     

    ততদিনে চৈতন্যদেবের পাণ্ডিত্যের খ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। দিগ্বিজয়ী পণ্ডিত কেশব কাশ্মিরি, পুরীর বাসুদেব সার্বভৌম ও কাশীর প্রকাশনন্দ সরস্বতীকে বিদ্যার প্রতিযোগিতায় তিনি পরাজিত করেন।

    তিনি মাত্র ২৩ বছর বয়সে পিতার পিণ্ডদানের জন্য গয়ায় গমন করেন ১৫০৮ সালে। সেখানে তিনি বৈষ্ণবভক্ত ঈশ্বরপুরীর কাছে দশাক্ষর গোপাল মন্ত্রে দীক্ষা গ্রহণ’ করেন। দীক্ষা গ্রহণের পর তাঁর মনে প্রবল ভক্তিভাবের উদয় হয়। কৃষ্ণপ্রেমে আসক্ত হয়ে তিনি গৃহে প্রত্যাবর্তন করেন। টোলের অধ্যাপনা ছেড়ে দিয়ে নিজে নাম-সংকীর্তন শুরু করলেন এবং অন্য আর সবাইকে উৎসাহিত করতে লাগলেন। তিনি ছাত্র ও শিষ্যদের স্বরচিত পদ গেয়ে সংকীর্তনে শিক্ষা দিতে লাগলেন এই বলে—

    “হরি হরয়ে নমঃ কৃষ্ণ যাদবায় নমঃ।
    গোপাল গোবিন্দ রাম শ্রীমধুসুগন। ”

    অদ্বৈত আচার্য, নিত্যানন্দ, হরিদাস, শ্রীবাস পণ্ডিত, মুকুন্দ দত্ত প্রমুখ বৈষ্ণবভক্ত চৈতন্যদেবের সঙ্গে যোগ দিলে বৈষ্ণবদের প্রভাব বেড়ে যায়। এরপর নবদ্বীপের ঘরে ঘরে “হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে/হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে”–সংকীর্তন শুরু হয়ে যায়। কৃষ্ণপ্রেমের বন্যায় “শান্তিপুর ডুবু ডুবু নদে (নদীয়া) ভেসে যায়” অবস্থার সৃষ্টি হয়।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    ভ্রিন্দাভান
    বৃন্দাবন
    গীতার
    বিজ্ঞানের
    শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
    বৃন্দাবনের
    চৈতন্যচরিতামৃত
    শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতা
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    হিন্দুদের মধ্যে যারা বৈষ্ণমতের বিরোধী ছিল, তারা চৈতন্যদেবের কার্যকলাপকে হিন্দু ধর্ম বিরোধী বলে আখ্যায়িত করে নবদ্বীপের মুসলিম শাসক চাঁদ কাজির কাছে অভিযোগ করে। এছাড়া নবদ্বীপের মুসলিম শাসকরা তাঁকে ভুল বুঝতেও শুরু করেন। তাঁরা চৈতন্যদেবের কার্যক্রমের মধ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য খুঁজতে থাকেন। তারা এও বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে, শ্রীচৈতন্যদেব তাঁর সংকীর্তন আন্দোলনের মধ্য দিয়ে হিন্দু জাগরণ এবং নিজের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ঘটাতে শুরু করেছেন।

    শ্রীচৈতন্য প্রতিদিন তাঁর শিষ্যদের নিয়ে সন্ধ্যাউত্তীর্ণ হলেই সংকীর্তণ করে নগর পরিক্রমণ করতেন। মুসলিম শাসক বৈষ্ণবদের এই কীর্তন নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও শ্রীচৈতন্যদেব ব্যাপারটিকে সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি। সেদিনই তিনি তাঁর শিষ্যদের নিয়ে সংকীর্তন শোভাযাত্রা করে কাজির বাড়ির কাছে পৌঁছুলেন। তখন তাঁর বাড়ির ভেতর থেকে বেরিয়ে এসে তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং তার ভক্ত হয়ে যান। চাঁদ কাজি তার সংকীর্তন সম্পর্কে জারি করা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেন। এঘটনার পর চারদিকে শ্রীচৈতন্যের জয় জয়কার শুরু হয়ে যায়।

    শ্রীচৈতন্যদেব প্রবর্তিত বৈষ্ণবতত্ত্ব হিন্দু ধর্মের নব সংস্করণ। তাঁর উদ্ভাবিত বৈষ্ণবধর্মের একটি সামাজিক তাৎপর্য বিদ্যমান। জাতিভেদ প্রথা অস্বীকার করায় বৈষ্ণবতত্ত্ব সমাজের নির্যাতিত মানুষের কাছে প্রবল আবেগের সঞ্চার করে।

     

    আরও দেখুন
    গীতার
    বৃন্দাবনের
    চৈতন্যচরিতামৃত
    শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
    শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতা
    ভ্রিন্দাভান
    বৃন্দাবন
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    অনলাইন বই

     

    তিনি সংসারের সমস্ত চিন্তা পরিত্যাগ করে বিভোর হয়ে থাকতেন কেবল ভগবানের ধ্যানে। তিনি কৃষ্ণনামের সংকীর্তন করার জন্য নবদ্বীপে গঠন করেন দল। দলে দলে বৈষ্ণবরা এসে তাঁর সাথে মিলিত হতে থাকে। শ্রীবাসের অঙ্গনে নিয়মিত কীর্তন চলতে থাকে। আর তিনি কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা হয়ে থাকেন। একদিন তিনি তাঁর ভক্তদের ডেকে বললেন, এই নবদ্বীপে আরেক মহান পুরুষ আছেন। আমি তাঁর সঙ্গে মিলিত হবার জন্য বড়ই ব্যাকুল হয়ে পড়েছি। এরপর তিনি একদিন সকল শিষ্যকে নিয়ে সোজা নন্দন আচার্যের গৃহে গিয়ে উপস্থিত হলেন। যে মহাপ্রেমিক সন্ন্যাসীকে সেদিন তিনি আবিষ্কার করে নিয়ে এলেন, তাঁর নাম শ্রীনিত্যানন্দ। তিনি চৈতন্যদেবের পরম ভক্ত হয়ে তাঁরই নামের সাথে যুক্ত হয়ে আছেন গৌরনিতাইরূপে।

    এভাবে চৈতন্যদেব তাঁর পাশে টেনে আনলেন চট্টগ্রামের পুণ্ডরীক বিদ্যানিধিকে, দরিদ্র শ্রীধর পণ্ডিত এবং ভক্ত হরিদাসসহ আরও অনেককে। এমনি করেই তাঁর নবপ্রবর্তিত প্রেম-ভক্তির ধর্ম দেখতে দেখতে শক্তিশালী হয়ে উঠল। এ-রকম অবস্থাতেই নিমাই একদিন সংসারত্যাগী হলেন—হলেন সন্ন্যাসী। নাম হলো চৈতন্য। তখন তাঁর বয়স মাত্র ২৪।

     

    আরও দেখুন
    চৈতন্যচরিতামৃত
    বিজ্ঞান
    শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতা
    গীতার
    বিজ্ঞানের
    বৃন্দাবন
    ভ্রিন্দাভান
    শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
    বৃন্দাবনের
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

     

    এই বয়সেই তিনি অর্থাৎ ১৫১০ সালের ২৬ জানুয়ারি মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের একরাত্রে সন্ন্যাস গ্রহণের জন্য গৃহত্যাগ করে কাটোয়ায় গমন করেন। সেখানে কেশব ভারতী নামের একজন প্রসিদ্ধ আচার্যের কাছে সন্ন্যাসদীক্ষা গ্রহণ করেন। গুরু কেশবভারতী শিষ্যের নাম রাখেন শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য। সন্ন্যাস নেয়ার পর চৈতন্যভক্তির ভাবাবেগে আপ্লুত হয়ে দিগ্‌বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়লে শিষ্যরা বৃন্দাবন যাবার নাম করে তাঁকে ভুলিয়ে শান্তিপুরে অদ্বৈত আচার্যের বাড়িতে নিয়ে আসেন। কিন্তু সেখানেও তাঁকে বেশিদিন ধরে রাখা যায়নি।

    চলে এলেন পুরীতে। পুরীতে জগন্নাথদেবের মন্দির। মন্দিরে ঢুকেই চৈতন্যদেব ভাবে বিভোর হয়ে গেলেন। দু হাত বাড়িয়ে জগন্নাথদেবকে বুকে জড়িয়ে ধরতে গেলে পাণ্ডারা বাধা দিলেন। শ্রীচৈতন্যদেব পড়ে গেলেন। জ্ঞানহারা হলেন। এ সময়ে মন্দিরে এলেন পুরীর রাজপণ্ডিত বাসুদেব সার্বভৌম। তিনি চৈতন্যদেবকে দেখে অবাক হলেন। তিনি তাঁকে এ-অবস্থায় নিয়ে গেলেন নিজের বাড়িতে। ভক্তরা সাথে গেলেন। বাসুদেব শ্রীচৈতন্যদেবের পরিচয় জানলেন। কিছুক্ষণ পরে তিনি সুস্থ হয়ে উঠলেন। বাসুদেব তাঁর সাথে শাস্ত্র আলোচনা করে অত্যন্ত আনন্দিত হলেন। শেষে তিনি শ্রীচৈতন্যদেবকে প্ৰভু বলে স্বীকার করলেন।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতা
    গীতার
    ভ্রিন্দাভান
    শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
    বৃন্দাবন
    বিজ্ঞান
    চৈতন্যচরিতামৃত
    বৃন্দাবনের
    অনলাইন বই

     

    সেখান থেকে তিনি যান নীলাচলে। পুরী থেকে প্রেমভক্তি প্রচারের জন্য তিনি দাক্ষিণাত্য গমন করেন। সেখানে তিনি ১৫১০ থেকে ১৫১২ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ ভারতের তীর্থস্থানসমূহ দর্শন করে বেড়ান। এসময় রামানন্দ রায় এবং পরমানন্দপুরী তাঁর ভক্তিবাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাঁর কাছে দীক্ষা গ্রহণ করেন।

    এরপর তিনি সেখান থেকে বৃন্দাবন যান। সেখানে গিয়ে তিনি অনেক লুপ্ত তীর্থস্থান উদ্ধার করেন। এখানে রূপ, সনাতন, রঘুনাথ ভট্ট, শ্রীজীব ও গোপাল ভট্টকে বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষা দান করেন। তাঁরা ‘ছয় গোসাই’ নামে পরিচিত। চৈতন্যদেবের নির্দেশে তাঁরা বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারে ব্রতী হন।

    এরপর অরণ্যপথে কাশী, প্রয়াগ, মথুরা ও বৃন্দাবন ভ্রমণ করেন তিনি। ১৫১৬ সালে তিনি আবার নদীয়াতে ফিরে আসেন। নবদ্বীপ এসে মাকে শেষবারের মতো দেখে যান। তিনি এসেছেন জেনে পত্নী বিষ্ণুপ্রিয়া স্বামীকে দেখার জন্য আকুল হয়ে ওঠেন। মাকে দেখে তিনি বিষ্ণুপ্রিয়ার ঘরের দিকে তাকান। বিষ্ণুপ্রিয়াও স্বামীকে প্রণাম করলেন।

    শ্রীচৈতন্যদেব পত্নীকে জিগ্যেস করেন, তুমি কে? বিষ্ণুপ্রিয়া উত্তর দেন, আমি বিষ্ণুপ্রিয়া।

     

    আরও দেখুন
    ভ্রিন্দাভান
    গীতার
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বৃন্দাবন
    চৈতন্যচরিতামৃত
    শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতা
    বৃন্দাবনের
    শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
    Library

     

    —তুমি কৃষ্ণপ্রিয়া হও। একথা বলেই তিনি তৎক্ষণাৎ প্রস্থান করেন সেখান থেকে।

    তখন বৃন্দাবনের খুবই দুরবস্থা। তাই শ্রীচৈতন্যদেব সেখানে বৈষ্ণবধর্মের প্রচার ও সংস্কার করলেন। বৃন্দাবনের কাজ শেষ করে তিনি গেলেন কাশীতে। এভাবে শ্রীচৈতন্যদেব ২০-২২ বছর কাটিয়ে দিলেন জীবনের শেষ আঠারো বছর তিনি পুরীতে বসবাস করেন। শেষ জীবনে তিনি সর্বক্ষণ শ্রীকৃষ্ণের ধ্যানে দিব্যভাবে বিভোর অবস্থায় দিন যাপন করতেন।

    জয়ানন্দের ‘চৈতন্যমঙ্গল’ কাব্যে আছে রথের সামনে নাচবার সময় চৈতন্যদেবের পায়ে ইটের টুকরো বিধে যায়। পরে সেখান থেকেই বিষাক্ত ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এই ব্যাধিতেই তাঁর জীবনের অবসান ঘটে ১৫৩৩ সালের ২৯ জুন।

    তাঁর মৃত্যুমুহূর্ত নিয়ে একটি কিংবদন্তিও প্রচলিত আছে। সেখানে বলা হয়েছে, তিনি সেদিন জগন্নাথদেবের মন্দিরে প্রবেশ করার। সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরের দরজা গেল বন্ধ হয়ে যায়। সবাই বাইরে অপেক্ষা করছেন, ভেতরে শুধু তিনি আর জগন্নাথ।

     

    আরও দেখুন
    বৃন্দাবনের
    বৃন্দাবন
    শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতা
    বিজ্ঞানের
    শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
    চৈতন্যচরিতামৃত
    বিজ্ঞান
    গীতার
    ভ্রিন্দাভান
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

     

    তারপর যখন কপাট আপনা থেকেই খুলে গেল, তখন ভেতরে আর শ্রীচৈতন্যদেবকে দেখা গেল না। তিনি চিরতরে অন্তর্হিত হয়েছেন। অনেকের ধারণা, তিনি জগন্নাথদেবের বিগ্রহে বিলীন হয়ে যান।

    শ্রীচৈতন্য ছিলেন বৈষ্ণব ধর্মান্দোলনের নেতা। প্রাচীন বৈষ্ণবধর্মের দ্বৈতবাদ অস্বীকার করে তিনি অচিন্ত্যভেদাভেদবাদের আদর্শে বৈষ্ণবধর্মকে নতুন রূপদান করেন। তাঁর মত অনুসারে ভক্তির দ্বারাই ঈশ্বর লাভ করা সম্ভব। ঈশ্বর প্রেমময় ও করুণার আধার। প্রেমাস্পদে ও সর্বজীবে মায়া ও মমতারূপে তাঁর প্রকাশ। ঈশ্বরকে প্রেমাস্পদের মতো ভালবাসলে তাঁকে লাভ করা যায়। রাধাকৃষ্ণের (জীবাত্মা-পরমাত্মা) প্রেমের রূপকল্পে তিনি ভগবানের প্রতি ভক্তের প্রেমের লীলামাধুর্য উপস্থাপন করে গেছেন। শ্রীচৈতন্যদেব প্রবর্তিত বৈষ্ণবতত্ত্ব হিন্দুধর্মের নব সংস্করণ। বর্ণাশ্রম প্রথাকে অস্বীকার করে গীতার ভক্তিবাদকে নতুনভাবে উপস্থাপন করে তিনি হিন্দুধর্মকে অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে গেছেন। তাঁর উদ্ভাবিত বৈষ্ণব ধর্মের একটি সামাজিক তাৎপর্য বিদ্যমান। জাতিভেদ প্রথায় নিপীড়িত হিন্দুরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে থাকলে চৈতন্যদেব তাঁর ধর্মীয় আন্দোলনের মাধ্যমে তা প্রতিরোধ করতে সক্ষম হন।

     

    আরও দেখুন
    বৃন্দাবনের
    শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতা
    চৈতন্যচরিতামৃত
    বিজ্ঞানের
    বৃন্দাবন
    বিজ্ঞান
    গীতার
    শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
    ভ্রিন্দাভান
    বাংলা সাহিত্য

     

    ধর্ম সাধনায় নর্তন-কীর্তন ও শোভাযাত্রার প্রবর্তন এবং জাতিভেদ প্রথা অস্বীকার করায় বৈষ্ণবতত্ত্ব সমাজের নির্যাতিত মানুষের কাছে প্রবল আবেগের সঞ্চার করে। বর্ণাশ্রম প্রথায় নিপীড়িত বাঙালি হিন্দু-সমাজ ব্যাপকভাবে চৈতন্যবাদ গ্রহণ করে। ভক্ত হরিদাসের মতো অনেক মুসলমানও বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করে তাদের জীবন ধন্য করে।

    চৈতন্যদেবের আবির্ভাব কেবল ধর্ম ও সামাজিক ক্ষেত্রে নয়, বাংলা সাহিত্যের অঙ্গনেও এক বৈপ্লবিক ঘটনা। তাঁর বৈষ্ণবতত্ত্বকে অবলম্বন করে বৈষ্ণব কবিরা রচনা করেন পদাবলী গান। বৈষ্ণবদের কীর্তনের জন্য রচিত হলেও প্রেমমূলক গীতিকবিতা হিসেবে এর মূল্য অসাধারণ। বৈষ্ণবতত্ত্বের অনেক শিক্ষাগুরু চৈতন্যদেবকেও ঈশ্বররূপে বিশ্বাস করে তাঁর প্রতি ভক্তি প্রকাশের জন্য তাঁর প্রশংসামূলক জীবনী রচনা করেন।

    বৈষ্ণবতত্ত্বকে কেন্দ্র করে বাংলা কাব্যসাহিত্যে যে নতুন ধারার সৃষ্টি হয়, সাহিত্যের ইতিহাসবিদরা তাকে ‘চৈতন্যযুগ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। চৈতন্যদেবের ভক্তদের মতে তিনি কৃষ্ণের অবতার। কিন্তু তাঁর দেহকান্তি ও আচরণ বিরহিণী রাধার মতো। তাই তাঁকে বলা হয় রাধা ও কৃষ্ণের মিলিত বিগ্রহ।

     

    আরও দেখুন
    বৃন্দাবন
    ভ্রিন্দাভান
    বিজ্ঞানের
    শ্রীমদ্ভাগবদ্গীতা
    শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
    বিজ্ঞান
    গীতার
    বৃন্দাবনের
    চৈতন্যচরিতামৃত
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    সনাতন ধর্মের এক দুর্যোগপূর্ণ সময়ে শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাব হয়েছিল। এই সময়েই তিনি প্রচার করলেন ঈশ্বরের আরাধনায় সকলের সমান অধিকার। প্রাণে ভক্তি নিয়ে ঈশ্বরকে ডাকলে তাঁকে পাওয়া যায়। ভক্তিতেই মুক্তি।

    যেই ভজে সেই বড় অভক্তিহীন ছার।
    কৃষ্ণ ভজনে নাহি জাতি-কুলাদি বিচার

    —শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত

    তিনি সকল মানুষের জন্য যে মহানাম প্রচার করে গেছেন, তা হলো-

    হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
    হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।

    শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা ছিল চিরন্তন এবং শাশ্বত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Next Article স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    Related Articles

    ভবেশ রায়

    বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }