Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়

    ভবেশ রায় এক পাতা গল্প689 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রামকৃষ্ণ পরমহংস (১৮৩৬–১৮৮৬) – ‘হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আমি ঈশ্বরকে দর্শন করেছি’

    যুগে যুগে এ উপমহাদেশে যেসব লোকোত্তর মহাপুরুষ জন্মগ্রহণ করে অমৃতত্ব লাভের পথনির্দেশ করে গেছেন, রামকৃষ্ণ পরমহংস তাঁদের অন্যতম। যে সময় তাঁর জন্ম, সে সময়টি ছিল এদেশের ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। এদেশের জাতীয় জীবনে ইংরেজ শাসকদের বিরুদ্ধবাদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইউরোপীয় সংস্কৃতির ঢেউ লেগেছিল সর্বত্র। ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত নব্য যুবসমাজ এদেশের ধর্ম ও সংস্কৃতির ওপর আস্থা হারিয়ে বিপথগামী হতে বসেছিল। এমনই এক যুগসন্ধিক্ষণে শ্রীরামকৃষ্ণের আবির্ভাব।

    শ্রীরামকৃষ্ণের জন্ম হয় ১৮৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতার অনতিদূরে হুগলি জেলার কামারপুকুর গ্রামে। পিতার নাম ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায় এবং মায়ের নাম চন্দ্রমণি। একদিন ক্ষুদিরাম স্বপ্ন দেখেছিলেন, গয়াধামের তীর্থদেবতা গদাধর তাঁকে বলছেন, আমি শীঘ্রই তোর ঘরে গিয়ে জন্ম নেব। এই কথা শুনে ক্ষুদিরাম ভয়ে বিস্ময়ে শ্রদ্ধা ও সম্ভ্রমে অভিভূত হয়ে পড়েন এবং জড়িতকণ্ঠে নিবেদন করেন, না প্রভূ, এত সৌভাগ্য আমার প্রয়োজন নেই। এই অভাজনকে যে আপনি দর্শন দিয়েছেন, এটাই আমার পক্ষে যথেষ্ট। আমি এক অতি দরিদ্র ব্রাহ্মণ।

    উত্তর শুনে দিব্যপুরুষের বদনমণ্ডল আরও প্রসন্ন হয়ে উঠল। তিনি স্নেহ ও করুণার ভাব প্রকাশ করে বললেন, তুমি যা দেবে, আমি তাতেই সন্তুষ্ট থাকব। আমার অভিলাষে তুমি বাধা দিও না।

    নিদ্রাভঙ্গের পর তাঁর কেবলই মনে হতে লাগল, এ কী অলৌকিক স্বপ্ন তিনি দেখলেন!

    অন্যদিকে এমনই অলৌকিক ঘটনা ঘটল চন্দ্রমণির ক্ষেত্রেও। তিনিও প্রকাশ্য দিবালোকে দেখলেন অনুরূপ এক দৃশ্য।

    বাড়ির সামনেই ছিল যোগীদের শিবমন্দির। তিনি সেদিন মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে মহাদেবকে দর্শন করছেন, এমন সময় চন্দ্রমণির মনে হতে লাগল, এক প্রগাঢ় দিব্যজ্যোতি শিবলিঙ্গ থেকে ছুটে এসে যেন তাঁর শরীরে প্রবেশ করতে লাগল। তিনি আতঙ্কে সহসা মূর্ছিত হয়ে পড়লেন।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    PDF
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ভাষা
    বাংলা সাহিত্য
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা উপন্যাস
    গ্রন্থাগার

     

    প্রতিবেশী রমণীরা তাঁকে তুলে নিয়ে এল ঘরে। অনেকক্ষণ পরে তাঁর জ্ঞান ফিরে এল। কিন্তু তার পর থেকেই ঘটতে লাগল বিস্ময়কর সব ঘটনা। সর্বক্ষণ মনে হতে লাগল তাঁর শরীর থেকে যেন দিব্যগন্ধ বের হচ্ছে, আর তার গন্ধে ভরে যাচ্ছে সমস্ত ঘরবাড়ি।

    তীর্থস্থান থেকে স্বামী ঘরে ফিরলে স্বামীকে তিনি সব কথা খুলে বললেন। তখন ক্ষুদিরামও তাঁর অপূর্ব স্বপ্নদর্শনের কথা স্ত্রীর কাছে ব্যক্ত করলেন।

    তখন ক্ষুদিরামের মনে দৃঢ় প্রত্যয়ের জন্ম নিল যে, নিশ্চয় কোনো মহাপুরুষের আবির্ভাব ঘটবে তাঁদের পর্ণ কুটিরে।

    এই ঘটনার বছরকাল পরেই ক্ষুদিরামের ঘরে জন্ম নিলেন পরমপুরুষ শ্রীরামকৃষ্ণ। পিতা তাই স্বপ্নের কথা স্মরণ করে পুত্রের নাম রাখলেন গদাধর।

    গদাধর বাল্যকাল থেকেই ছিলেন ভাবুক প্রকৃতির। প্রকৃতি তাঁকে আকর্ষণ করত বেশি। স্কুলের লেখাপড়ার দিকে তেমন মন ছিল না। গদাধর বলতেন, ওই টাকা রোজগারের পড়াশোনায় আমার প্রয়োজন নেই।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    বাংলা কবিতা
    বাংলা কমিকস
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য

     

    গদাধর ভাবুক প্রকৃতির হলেও বেশ চঞ্চল ছিলেন। অতি শৈশবেই তাঁর মধ্যে অনেক অসাধারণ গুণাবলিরও প্রকাশ ঘটেছিল। ভয়ের শাসন তিনি মানতেন না। তিনি যখন কোনো বিষয়ে জেদ ধরতেন, তখন তার থেকে তাঁকে নিরস্ত করা যেত না।

    যেহেতু ক্ষুদিরামের দৃঢ় বিশ্বাস জন্মেছিল, এই শিশু সাধারণ মানবশিশু নয়, তাই তাঁর দুরন্তপনা ও সকল আবদারকেই তিনি মেনে নিতেন।

    তিনি লক্ষ করেছিলেন, স্কুলের পড়ার প্রতি আগ্রহ না থাকলেও ছেলের মেধা এবং স্মরণশক্তি খুবই প্রখর। পিতৃপুরুষদের নাম, নানা দেবদেবীর নাম, বেদমন্ত্র মুখে-মুখে শুনেই মুখস্থ করে ফেলতে পারেন। আরও বিস্ময়কর ব্যাপার, একবার যা শেখেন, কখনও তা ভোলেন না।

    পড়ার আগ্রহ না থাকলেও ক্ষুদিরাম তাঁর ছেলেকে ভর্তি করিয়ে দিলেন গ্রামের লাহাবাবুদের চণ্ডীমণ্ডপের পাঠশালায়। কিন্তু মন দিয়ে লেখাপড়া করতেন না গদাধর। বিশেষ করে অঙ্ক তাঁর মোটেই ভালো লাগত না।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বইয়ের
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    বয়স বাড়ার সাথে সাথে তাঁর মধ্যে যে বিশেষ গুণটির প্রকাশ হতে থাকে, তা হলো ভয়শূন্যতা। তাঁর মনে ভয়-ভাবনার লেশ মাত্র ছিল না। গ্রামের মধ্যে যেসব জায়গায় লোকে রাতে একা যেতে ভয় পেত, গদাধর সেসবখানে দিব্যি ঘুরে বেড়াতেন।

    তাঁর দ্বিতীয় গুণ ছিল প্রচণ্ড আকর্ষণশক্তি। তাঁর মধ্যে ছিল অপূর্ব মোহিনীশক্তি, যার ফলে সবাই তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হতো, তাঁর কথা শুনত, তাঁকে ভালোবাসত।

    তৃতীয় গুণটি ছিল তন্ময়তা। সুন্দর দৃশ্য দেখে, পৌরাণিক কাহিনী গান বা কথিকা শুনে তিনি মাঝেমধ্যে এমন তন্ময় হয়ে পড়তেন যে, জ্ঞান হারিয়ে ফেলতেন।

    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর এই ভাব-সমাধি আরও বৃদ্ধি পেতে থাকে। তিনি বলতেন, কোনো দেবদেবীর ধ্যান করতে বসলে তিনি অল্পক্ষণেই তাঁর ধ্যানের দেবতাকে দেখতে পান। তখন তাঁর আর কিছুই স্মরণ থাকে না তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বুক শেল্ফ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    নতুন উপন্যাস
    বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা লাইব্রেরী

     

    পিতার মৃত্যুর পর গদাধরের আরও ভাবান্তর দেখা দিল। তিনি সব কিছু ছেড়েছুড়ে পড়ে থাকতে লাগলেন শ্মশানে আর নির্জন স্থানে। একদিন বড় ভাই রাজকুমার তাঁকে নিয়ে (১৮৫৩ সালে) এলেন কলকাতায়। পিতার মৃত্যুর পর সংসারের সমস্ত দায়-দায়িত্ব পড়েছিল বড়ভাই রামকুমারের ওপরই। কিন্তু তিনি একা সামাল দিতে পারছিলেন না। ভাবলেন, এদিকে গদাধর যখন লেখাপড়াও করছে না, তাই শহরে নিয়ে যজমানি করে ও যদি দুটো পয়সা আয় করতে পারে, তাতেও তাঁর সহযোগিতা হয়।

    কলকাতা এসে গদাধর ঝামাপুকুরের গোবিন্দ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পূজারি হিসেবে কাজ করতে লাগলেন।

    এরপর দক্ষিণেশ্বরে রানি রাসমণির অর্থ সাহায্যে মন্দির প্রতিষ্ঠিত হলে বড় ভাই রামকুমার সেখানকার পূজারি মনোনীত হন। তিনি সঙ্গে নেন ভাই গদাধরকেও। বড় ভাই রামকুমার ছিলেন পূজারি আর গদাধর হন মা ভবতারিণীর সজ্জাকর। ফুলমালা দিয়ে গাদাধব প্রতিদিন মাকে নানা রূপে সাজান মনের মতো করে আর আবেগে উচ্ছ্বসিত হয়ে মুখে শুধু বলেন, মা মা।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইন বুক
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা উপন্যাস
    সেবা প্রকাশনী বই

     

    এর কিছুদিন পরেই বড় ভাই রামকুমারের হঠাৎ করেই মৃত্যু হলো। বড় ভাইয়ের মৃত্যুর পর এবার মা ভবতারিণীর পুজোর ভারও তাঁর ওপরেই বর্তালো।

    যেমন অদ্ভুত মানুষ, তেমনি অদ্ভুত তাঁর পুজো-পদ্ধতি। অলৌকিকভাবের ঘোরে সর্বক্ষণ বিভোর হয়ে থাকেন তিনি। পুজোর ফুল নিজের মাথায় তুলে নেন। নৈবেদ্যর ফল, আর মিষ্টি মাকে খাওয়াবার জন্য আকুল প্রার্থনা জানান খা মা, খা মা বলে।

    অনেক সময় তা নিজেই খেয়ে ফেলেন ছোট্ট ছেলের মতো। মায়ের সামনে নাচেন, হাসেন, কাঁদেন ছেলেমানুষের মতো। ভাবের ঘোরে মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। মৃন্ময়ী মা যেন চিন্ময়ী হয়ে ওঠেন ঠাকুর গদাধরের সামনে।

    সবাই ভাবে, মানুষটা বুঝি পাগল হয়ে গেছে।

    এদিকে ছেলের এই দিব্যোন্মাদনার কথা পৌঁছে যায় মায়ের কানে। ছেলে বিবাগি হয়ে যেতে পারে ভেবে মা বাড়িতে ডেকে এনে তাঁর বিয়ে দিলেন সারদা নামের এক পরমা সুন্দরী কন্যার সাথে। কিন্তু পত্নীকে তিনি কখনও স্ত্রীরূপে গ্রহণ করেননি। পত্নীর মধ্যেও তিনি দর্শন করেছেন মাতৃভাব। এরকম ঘটনার দৃষ্টান্ত বিশ্বে সত্যিই বিরল।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    Library
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা উপন্যাস
    Books
    অনলাইন বুক
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

     

    সারদামণি থাকেন তখন বাবার বাড়িতে। তিনি কিন্তু ঠিকই চিনেছিলেন স্বামীকে। তাই তো তিনি অলৌকিক চরিত্রের প্রভাবে একদিন হতে পেরেছিলেন মা সারদা। যোগীশ্রেষ্ঠ শ্রীরামকৃষষ্ণদেবের যোগ্য সহধর্মিণী।

    এদিকে পাগল ঠাকুর ছেলেমানুষের মতো তখনও কাঁদেন। মাটিতে গড়াগড়ি দেন, আর কণ্ঠে মাতৃদর্শনের ব্যাকুলতা প্রকাশ করে বলেন, দেখা দে মা, দেখা দে … ।

    শেষে একদিন ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়। সাধনা কি তবে ব্যর্থ হলো তাঁর? মা ভবতারিণীর হাত থেকে খাড়া খুলে নিয়ে আত্মহত্যার জন্য প্রস্তুত হলেন—দেখাই যখন পেলাম না তখন এ জীবন রাখার প্রয়োজনই-বা কী?

    পাগল ঠাকুরের সাধনা সফল হলো। সারা মন্দির যেন হাজার বাতির আলোয় ঝলমল করে উঠল। গদাধর সামনে দেখলেন জগজ্জননী মাকে জীবন্ত মূর্তিতে। অভয়া মূর্তি—সহাস্যবদন। পাগল ঠাকুরের অতৃপ্ত অশান্ত মন দারুণ প্রশান্তিতে ভরে উঠল

    ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে সিদ্ধা ভৈরবী যোগেশ্বরী এলেন দক্ষিণেশ্বরে এবং তিনি গদাধরকে দর্শন করে ঘোষণা করলেন তাঁকে অসামান্য যোগী ও অবতার বলে। এরপর তিনি প্রখ্যাত সাধক তোতাপুরীর কাছে সাধনার পথ, শাক্ত, বৈষ্ণব, তান্ত্রিক ও বেদান্ত বিষয়ে প্রচুর জ্ঞানলাভ করেন। সাধনায় সিদ্ধিলাভ করে তিনি উপলব্ধি করেন যে, ঈশ্বরের ভাব অনন্ত। তিনি সাকার, আবার নিরাকারও।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা অডিওবুক
    সাহিত্য পত্রিকা
    অনলাইন বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা কুইজ গেম
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

     

    ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনলীলানাট্যের এক নতুন দৃশ্যপট উন্মোচিত হয়। এবার আর তিনি আত্মসমাহিত সাধক নন, তিনি হন লোকগুরু। তাঁর বাণী শোনার জন্য দলে দলে লোক এসে তাঁর চারপাশে ভিড় করতে থাকে। কলকাতার শিক্ষিতসমাজের দৃষ্টিও নিবদ্ধ হয় তাঁর প্রতি। সেকালের মনীষী বাগ্মী কেশব সেন, বিজয়কৃষ্ণ, শশধর পণ্ডিত, সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, মাইকেল মুধুসূদন দত্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাধিকা গোস্বামী, নটগুরু গিরিশচন্দ্র ঘোষ, আমেরিকার বুথ সাহেব, প্রতাপ মজুমদার, শিবনাথ শাস্ত্রী প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তি ছুটে আসেন তাঁর সান্নিধ্য পাবার জন্য।

    একদিন কেশব সেন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে বলেন, ঠাকুর, বলে দিন কেন আমার ঠাকুর-দর্শন হয় না। উত্তরে ঠাকুর সোজাসুজি বললেন, সংসারের সম্মান, প্রতিপত্তি আর বিদ্যার মোহ নিয়ে আছ কিনা, তাই হয় না; ছেলে চুষনি নিয়ে যতক্ষণ চোষে, ততক্ষণ মা আসে না। খানিকক্ষণ পরে চুষনি ফেলে দিয়ে ছেলে যখন দু’হাত তুলে মা বলে চিৎকার করে, তখনই মা ভাতের হাঁড়ি নামিয়ে ছুটে আসেন।

    তিনি বলতেন, ঈশ্বরকে যে আন্তরিকভাবে জানতে চাইবে, তারই হবে, হবেই হবে। সত্য কথাই কলির তপস্যা। ঈশ্বরলাভের জন্য ব্যাকুলতাকে তিনি তিনটি টানের সাথে তুলনা করে বলেছেন, বিষয়ের প্রতি বিষয়ীর টান, পতির প্রতি সতীর টান, এবং সন্তানের প্রতি যেমন মায়ের টান—এমনি আন্তরিক তিনটি টান একসঙ্গে হলে তবেই ঈশ্বরলাভ হয়। এই তিনটি ভালবাসা যদি কেউ একসঙ্গে করে ভগবানকে দিতে পারে, তবে তৎক্ষণাৎ তার ঈশ্বরলাভ হবে।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    Books
    সেবা প্রকাশনীর বই
    নতুন উপন্যাস
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ভাষা
    ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য

     

    শ্রীরামকৃষ্ণের উপদেশবাণী প্রচার করার চমৎকার একটি রীতি ছিল। তিনি তাঁর ঈশ্বরতত্ত্ব বিষয়ের কথাগুলোকে সাধারণ ভক্তের কাছে পরিষ্কার করে বলার জন্য অবতারণা করতেন সুন্দর সুন্দর গল্পের। তিনি গল্পের ছলেই তাঁর বাণীগুলোকে ভক্তদের কাছে গ্রহণীয় করে তুলতেন।

    ঈশ্বরে বিশ্বাস ও ব্যাকুলতার দৃষ্টান্ত দিতে গিয়ে বলেছিলেন মধুসূদন দাদার গল্প। জটিল নামে এক অনাথ বালক। সে পাঠশালায় যেত। একটা বনের পথ দিয়ে পাঠশালায় যেতে হতো। তাই সে ভয় পেত। মাকে একথা বলাতে মা বললেন, তোর ভয় কী? তুই মধুসূদনকে ডাকবি। ছেলেটি জিগ্যেস করল, মা, মধুসূদন কে? মা বললেন, মুধুসূদন তোর দাদা হয়। যখন একলা যেতে যেতে ভয় করবে, তখন ডাকবি, দাদা মধুসূদন বলে।

    ছেলেটিও তাই যখন বনের ভেতরে গিয়ে ভয় পেল, অমনি সে একান্ত বিশ্বাসে ও ব্যাকুলতায় ডাকতে লাগল, দাদা মধুসূদন। কিন্তু কোথাও কোনো সাড়া নেই। তখন উচ্চস্বরে কাঁদতে লাগল, কোথায় দাদা মধুসূদন, তুমি এসো। আমি বড় ভয় পেয়েছি। ছেলেটির ব্যাকুল কান্নায় ঈশ্বর থাকতে না পেরে সত্যি সত্যি দাদা মধুসূদনের ছদ্মবেশে এসে দাঁড়ালেন তার সামনে। এই যে আমি তোর দাদা, ভয় কী? এই বলে তিনি সঙ্গে করে ছেলেটিকে পাঠশালায় পৌছে দিয়ে গেলেন। আর বলে গেলেন, তুই যখন ডাকবি আমি আসব। ভয় কী?

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা বই
    বই পড়ুন
    পিডিএফ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা কমিকস

     

    শ্রীরামকৃষ্ণ এই গল্পের দৃষ্টান্ত দিয়ে ভক্তদের বলতেন, এমনই বালকের মতো বিশ্বাস ও ব্যকুলতা যার আছে, তারই ঈশ্বরদর্শন হয়।

    দেখতে দেখতে এই সিদ্ধ সাধকের খ্যাতি সর্বস্তরের লোকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে প্রবীণদের মতো নবীনরাও ঠাকুরের কাছে আসতে থাকেন। প্রাচ্য-পাশ্চাত্য আদর্শের সংঘাতে দোলায়মান তরুণদের প্রতিভূ হিসেবে এলেন নরেন্দ্রনাথ দত্ত। ঈশ্বরদর্শন করেছেন এমন একজন সাধকের সন্ধান করে ফিরছিলেন তিনি। শ্রীরামকৃষ্ণের কাছে এসে তিনি বললেন, ঠাকুর, আপনার কি ঈশ্বরদর্শন হয়েছে? উত্তরে ঠাকুর বললেন, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই হয়েছে। তোকে যেমন দেখছি, তার চেয়ে স্পষ্ট দেখেছি। তুই যদি চাস, তোকেও দেখাতে পারি। নরেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৃপালাভ করে ঈশ্বরদর্শন করে ধন্য হয়েছিলেন এবং নিজেকে ঠাকুরের কাছে সমর্পণ করেছিলেন। এই নরেন্দ্রথাই হলেন শ্রীরামকৃষ্ণের শ্রেষ্ঠ শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ, যিনি পরবর্তীকালে ঠাকুরের বাণী ও আদর্শকে দেশ-দেশান্তরে প্রচার করে গেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণের উপদেশাবলি শুধু মুখের কথা নয়, সেগুলো ছিল তাঁর জীবনচর্চায় রূপায়িত সত্য। তিনি অহঙ্কারশূন্য হয়ে জীবকে শিবজ্ঞান করেছেন। কালীবাড়ির কাঙালিদের দরিদ্রনারায়ণজ্ঞানে নিজের হাতে ভোজন করিয়ে তিনি জীবসেবায় আদর্শ স্থাপন করেছেন। তাই তো ভক্তরা তাঁর উপদেশকে কথামৃত বলে গ্রহণ করে প্রতিনিয়ত ধন্য হচ্ছেন।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বাংলা ই-বুক রিডার
    পিডিএফ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা গল্প
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বইয়ের
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

     

    ধর্ম সম্পর্কে তিনি বলেছেন, আন্তরিক হয়ে সব ধর্মের ভেতর দিয়েই ঈশ্বরকে পাওয়া যায়। বৈষ্ণবরাও ঈশ্বরকে পাবে, বেদান্তবাদীরাও পাবে, ব্রহ্মজ্ঞানীরাও পাবে। আর ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরাও পাবে। আন্তরিক হলে সবাই পাবে। কেউ কেউ ঝগড়া করে বসে—তারা বলে, আমাদের কৃষ্ণকে না ভজলে কিছুই হবে না, কেউ বলে, আমাদের মা কালীকে না ভজলে হবে না—এসব বুদ্ধির নাম মতুয়াবুদ্ধি। অর্থাৎ আমার ধর্ম ঠিক, আর সকলের ধর্ম মিথ্যা। এ বুদ্ধি খারাপ, ঈশ্বরের কাছে নানা পথ দিয়ে পৌঁছানো যায়। যত মত তত পথ।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের মহাপ্রয়াণের দিন ঘনিয়ে আসে। কিছুদিন থেকে তিনি ভুগছিলেন গলার ক্ষতরোগে। ভক্তবৃন্দ তাঁকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন কলকাতার শ্যামপুকুর অঞ্চলে। তাঁর চিকিৎসায় কোনো ত্রুটি ছিল না। তবুও ঠাকুর মনে মনে হাসেন। প্রিয় শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দকে শোনান তাঁর প্রিয় সঙ্গীত—‘মন চল নিজ নিকেতনে’।

    তিনি বিবেকানন্দকে উদ্দেশ্য করে বললেন, নরেন, আমার এই ছেলেরা সব রইল। আর রইলি তুই। তুই ওদের দেখিস, ওদের সৎপথে চালাস, আমি শিগিরই দেহরক্ষা করব।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    Books
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গল্প
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইন বুক
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    অনলাইন বই

     

    ভক্তরা কাঁদেন, ঠাকুর, তোমাকে ছেড়ে আমরা কী করে থাকব? তুমি আমাদের ছেড়ে যেও না। ঠাকুর বললেন, তা কি হয় রে? জন্ম যখন নিয়েছি মৃত্যু তো একদিন আসবেই। তবে চিন্তা করিস নে। আমি তোদের মাধ্যেই থাকব।

    এই মহান সাধকপুরুষ শ্রীরামকৃষ্ণ ১৮৮৬ সালের ১৬ আগস্ট রোববার মহাসমাধিযোগে মানবলীলা সংবরণ করেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Next Article স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    Related Articles

    ভবেশ রায়

    বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }