Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়

    ভবেশ রায় এক পাতা গল্প689 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বারট্রান্ড রাসেল (১৮৭২–১৯৭০ ) – যুদ্ধ-বিরোধী ও মানবতাবাদী দার্শনিক

    বারট্রান্ড রাসেল (Bertrand Russell) তাঁর আত্মজীবনীর একটা জায়গায় নিজের কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, “একেবারে সাধারণ কিন্তু প্রচণ্ড শক্তিশালী তিনটি অনুভূতি আমার জীবনকে সতত পরিচালিত করেছে। এগুলো হলো, প্রেমের জন্য প্রবল আকাঙ্ক্ষা, জ্ঞানের জন্য সীমাহীন অনুসন্ধিৎসা এবং আর্তমানবতার জন্য মর্মবেদনা।

    আসলে এই আবেগগুলোই তাঁকে সর্বক্ষণ প্রচণ্ড বেগে তাড়িয়ে নিয়ে গেছে আপন স্বেচ্ছাচারিতার দিকে। এই তাড়না থেকেই তিনি করেছেন জ্ঞানের সাধনা, আকুল হয়েছেন প্রেমের জন্য। এই প্রেম ও জ্ঞানই তাঁকে কখনও কখনও আকাশচারী করলেও আর্তমানবতার প্রতি মর্মবেদনা তাঁকে পরমুহূর্তে টেনে নামিয়ে এনেছে পৃথিবীর মাটির ওপর।

    তিনি মনে করতেন, মানুষের মধ্যে তাঁর জন্মলগ্নে যে প্রবণতা ও প্রবৃত্তির জন্ম নেয়, তা-ই পরবর্তীকালে শিক্ষার মাধ্যমে পরিমার্জিত ও পরিশীলিত হয়। তাই মানবপ্রেমকে রাসেল সবকিছুর ওপরে স্থান দিয়েছেন।

    বারট্রান্ড রাসেলের জন্ম হয়েছিল সমাজের এক অভিজাত পরিবারে ১৮৭২ সালের ১৮ মে। বাবা ছিলেন ভিসকাউন্ট অ্যামবার্লি এবং মা ছিলেন লেডি কেট স্ট্যানলি। লেডি কেট ছিলেন অলডার্নের লর্ড স্ট্যানলির মেয়ে। ব্রিটেনের এক লর্ড পরিবার থেকে এসেছিলেন তাঁর মা।

    রাসেলের বাবাও ছিলেন লর্ড পরিবারের সদস্য। রাসেলের পিতামহ ছিলেন লর্ড জন রাসেল এবং পিতামহী ছিলেন লেডি রাসেল। বারট্রান্ডের জন্মের পর তাঁর নাম রাখা হয়েছিল গালাহাড (Galahad)। কিন্তু পিতামহী লেডি রাসেলের আপত্তির কারণে পরে পারিবারিক ঐতিহ্য অনুসারে রাখা হয় বারট্রান্ড রাসেল।

    রাসেলের যখন মাত্র এক বছর বয়স, তখনই তাঁর পিতার মৃত্যু হয়। তখন তাঁকে লালনপালন করার জন্য পাঠানো হয় রিচমন্ড পার্কের পেমব্রোক লজে বসবাসকারী তাঁর পিতামহ লর্ড জন রাসেলের কাছে।

    এখানে এসে তিনি পরম আদর-যত্ন এবং ঐশ্বর্যের মধ্যে পড়লেও তাঁকে পিতামহীর কড়া শাসনের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হতে হয়। পিতামহী ছিলেন কঠোর নিয়মনীতি মানা এক মহিলা। সকলের ওপরে তাঁর কড়া শাসন। এমনকি পিতৃহীন নাতিকেও তাঁর কড়া শাসনের আওতায় চলতে হতো। বাড়ির সর্বত্র ছড়িয়ে ছিল রাজকীয় পরিবেশ। ছিল রাজনৈতিক কর্মতৎপরতা। রাজনীতি নিয়ে মেতে থাকতেন তাঁর পিতামহ আর পিতামহী দু-জনেই।

     

    আরও দেখুন
    গণিত
    বিজ্ঞান
    গণিতের
    গাণিতিক
    Science
    সায়েন্স
    বিজ্ঞানের
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা কুইজ গেম

     

    রাসেল এই বাড়ির পরিবেশে এসে বুঝতে পেরেছিলেন, তাঁর এমনই এক পরিবারে জন্ম, যাদেরকে দেশের সাধারণ মানুষ সম্পর্কে ভাবতে হয়। সাধারণ মানুষের ভাগ্য ও দেশের উন্নয়নে তাঁদের অনেক কিছুই করণীয় আছে।

    কিন্তু তবু বাড়ির সার্বিক পরিস্থিতির সাথে নিজেকে পুরোপুরি খাপ খাওয়াতে পারলেন না তিনি। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে মেতে থাকতেও ভালো লাগত না তাঁর। তিনি সবার কাছ থেকে নিজেকে আড়াল করে থাকতে চাইতেন। তাঁর ভালো লাগত একা থাকতে। আরও বড় কথা হলো, তিনি বাল্যকালে ছিলেন অসম্ভব রকমের লাজুক। দশজনের সঙ্গে কথা বলার চেয়ে ঘরে বসে বই পড়তে তাঁর বেশি ভালো লাগত। বই পড়ার এমন একটা সুযোগ তাঁর এসেও গেল। দাদুর বাড়িতে ছিল মস্তবড় একটি পারিবারিক গ্রন্থাগার। সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান, ইতিহাস—নানা বিষয়ের ওপর অজস্র বই ছিল এখানে।

    রাসেল যেন এখানেই পেয়ে গেলেন সোনার খনির সন্ধান। তিনি সবার চোখের আড়াল হয়ে পড়ে থাকতেন গ্রন্থাগারে। ডুবে থাকতেন জ্ঞানের সমুদ্রে।

     

    আরও দেখুন
    গাণিতিক
    গণিত
    সায়েন্স
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    Science
    গণিতের
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা গল্প

     

    ছোটবেলায় তিনি কেমন লাজুক ছিলেন, সে সম্পর্কে তাঁর বড় ভাই ফ্রাঙ্ক তাঁর স্মৃতিকথায় লিখেছেন, “কেমব্রিজে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সে ছিল যেন একটা বাচ্চা শূকরের মতো, যে নিজের খাবারটাও নিজে তুলে খেতে পারত না।”

    পড়ার প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহের কারণে বাল্যকালেই গণিত, জ্যামিতি এবং অ্যালজেবরার মতো নীরস বিষয়গুলোও তাঁর কাছে প্রিয় হয়ে ওঠে। প্রাচীন অঙ্কশাস্ত্রবিদ ইউক্লিড-এর জটিল সমাধানগুলো তিনি কলেজে প্রবেশ করার আগেই আয়ত্ত করে ফেলেন।

    আসলে তাঁর ছিল অসম্ভব মেধা এবং জ্ঞানচর্চার প্রতি নিষ্ঠা। কিন্তু এই অধিক পড়াশোনার কারণেই মাত্র ষোল বছর বয়সেরই তাঁর চোখ খারাপ হয়ে যায়, যার ফলে ডাক্তারের পড়ামর্শে তাঁকে কিছুদিনের জন্য পড়াশোনা থেকে বিরত থাকতে হয়।

    কিন্তু রাসেলের জ্ঞানস্পৃহা এতই প্রবল ছিল যে, পড়াশোনা বন্ধ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হল না। অবশ্য তিনি ডাক্তারের পড়ামর্শকেও উপেক্ষা করতে পারলেন না। তাই একটু কৌশল পরিবর্তন করলেন। তিনি অঙ্কশাস্ত্র অধ্যায়ন ছেড়ে এবার মন দিলেন সাহিত্য ও দর্শনের দিকে।

     

    আরও দেখুন
    গাণিতিক
    গণিতের
    বিজ্ঞানের
    Science
    বিজ্ঞান
    গণিত
    সায়েন্স
    বাংলা কুইজ গেম
    বুক শেল্ফ
    বাংলা লাইব্রেরী

     

    চোখের অসুখের জন্য তিনি নিজে পড়তে পারতেন না। তাই আরেকজন বই পাঠ করত আর তিনি চোখ বুজে শুনতেন। এভাবেই তাঁর সাহিত্য ও দর্শনের পাঠ হতো। তিনি কান দিয়ে শ্রবণ করে হৃদয় দিয়ে তা অনুভব করতেন।

    এই সময় থেকেই তিনি ইংল্যান্ডের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দার্শনিক ও লেখক স্টুয়ার্ট মিলের রচনা পড়তে শুরু করেন। সেইসাথে অন্যান্য লেখকের রচনাও।

    তিনি বুঝতে পারলেন, জ্ঞান লাভ করা কোনো অলৌকিক কাজ নয়। জ্ঞান হলো অভিজ্ঞতার ফসল। অভিজ্ঞতা থেকেই জ্ঞান জন্ম নেয়।

    এমনি করে চোখের অসুখ জ্ঞানপিপাসু রাসেলের জন্য শাপে বর হয়ে দাঁড়াল। সাহিত্য ও দর্শন পড়ার পর তাঁর জ্ঞান আরও সম্প্রসারিত হলো। অঙ্কশাস্ত্রের জ্ঞানের সঙ্গে এবার সংযোজিত হলো সাহিত্য ও দর্শন। জ্ঞানের ক্ষেত্রে এলো পরিপূর্ণতা।

     

    আরও দেখুন
    গাণিতিক
    গণিতের
    বিজ্ঞান
    Science
    সায়েন্স
    বিজ্ঞানের
    গণিত
    বাংলা ভাষা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সাহিত্য পত্রিকা

     

    বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের আগে তাঁর পিতামহী লেডি জনের নির্দেশ মতো তাঁকে পাঠানো হলো একজন গৃহশিক্ষকের কাছে। সেখানে তিনি শিখতে লাগলেন ল্যাটিন ও গ্রিক ভাষা। এছাড়াও তিনি এরই মধ্যে নিজের চেষ্টাতেই জার্মান, ফরাসি এবং ইতালিয়ান ভাষাও শিখে ফেলেছিলেন।

    তারপর তাঁর বয়স যখন ১৮, তখন তাঁকে ভর্তি করানো হল ট্রিনিটি কলেজে। এই কলেজ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে রাসেল পরবর্তী সময়ে বলেছেন, “এটি হলো জ্ঞানের এক সীমাহীন জগৎ।” এই সীমাহীন জগতেই এবার তাঁর অভিযানের জাহাজ ভাসালেন রাসেল। ট্রিনিটি কলেজে এসে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হলো হেগেলের দার্শনিক মতবাদে বিশ্বাসী ম্যাক টাগার্ট এবং অপর আরেক গুণী ব্যক্তি জি. ই. মুরে সঙ্গে।

    আগেই বলেছি, প্রথম জীবনে রাসেল ছিলেন অত্যন্ত লাজুক প্রকৃতির। কারও সঙ্গে কথা বলতে গেলে আড়ষ্ট হয়ে পড়তেন। বিশেষ করে মেয়েদের সাথে কথা বলতে গেলে তাঁর আরও মুশকিল হতো। কোনো মেয়ের প্রেমে পড়লে তাঁর সাথেও গুছিয়ে কথা বলতে পারতেন না। তবু এরই মধ্যে কলেজের অ্যালিস পিয়ার্সাল স্মিথ নামের একটি মেয়ের সাথে তাঁর সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়ে গেল। গভীর প্রেমে পড়ে গেলেন তিনি।

    কিন্তু লর্ড পরিবারের শাসনকর্ত্রী লেডি জন এসব প্রেম নিয়ে ছেলেখেলা একেবারে পছন্দ করতেন না। তাঁর ভাষায়, পথেঘাটে ছেলেমেয়েদের প্রেম করে বেড়ানো খুবই খারাপ কাজ—খুবই খারাপ। এবার স্বয়ং তাঁর নিজের নাতিই এই ঘটনা ঘটিয়ে বসেছে। ক্ষমা করলেন না লেডি জন। নাতির মাথা থেকে যাতে করে প্রেমের ভূত নামিয়ে ফেলা যায়, সে ব্যাপারে কৌশল অবলম্বন করলেন।

    রাসেলের ট্রিনিটি কলেজে পড়াশোনা তখন শেষ হয়েছে। এই সাথে শেষ হয়েছে তাঁর ছাত্র জীবনেরও। তাই লেডি জন তাড়াতাড়ি করে নিজেই তদ্বির করে নাতির জন্য একটি চাকরি জোগাড় করে ফেললেন। প্যারিসে ব্রিটিশ দূতাবাসে চাকরি। তাঁর চালাকি ছিল—রাসেলকে মেয়েটার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে ফেলা। ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে প্রেমের বাতি আপনা থেকেই নিবে যাবে।

     

    আরও দেখুন
    গাণিতিক
    সায়েন্স
    বিজ্ঞানের
    গণিতের
    গণিত
    বিজ্ঞান
    Science
    বাংলা ভাষা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    প্রথমে রাসেলকে বাধ্য হয়েই চাকরি নিয়ে প্যারিসে যেতে হলো। কিন্তু অ্যালিসের প্রেমের আকর্ষণ শেষ পর্যন্ত লেডি জনের চোখ রাঙানিকেও হারিয়ে দিল। প্রেমেরই জয় হলো। রাসেল মাস কয়েক পরেই কাউকে কিছু না জানিয়ে চলে এলেন লন্ডনে। তারপর লন্ডনে এক বন্ধুর বাড়িতে উঠে ১৮৯৪ সালের ডিসেম্বর মসে গোপনে অ্যালিসকে বিয়ে করে ফেললেন।

    পরে একেবারে বউ নিয়ে গিয়ে হাজির হলেন শাসনকর্ত্রী লেডি জনের সামনে। সেই মুহূর্তে তিনি অবশ্য কিছু বলেননি। বরং রোগা-পটকা আর বইয়ের পোকা নাতিটার সাহস দেখে নিজেও খুশি হয়েছিলেন। ঘরে তুলেছিলেন নাতবৌকে। তাঁকেও আর চাকরি নিয়ে প্যারিস যেতে হয়নি। লেডি জন তাঁকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন।

    সবদিকেই রাসেলের জ্ঞানের প্রসারতা ছিল। কিন্তু প্রথম দিকে তাঁর আগ্রহ বেশি ছিল অঙ্কশাস্ত্রের ওপর। প্রথম জীবনে অঙ্কের উপরই তাঁর সাফল্য আসে। তাঁর যখন মাত্ৰ ৩৮ বছর বয়স, তখনই অঙ্কশাস্ত্রের ওপর প্রকাশিত হয় তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘প্ৰিন্সিপিয়া ম্যাথিম্যাটিকা’ (Principia Mathematica)। তিন খণ্ডে সমাপ্ত এই বিশাল গ্রন্থে তাঁর সহযোগী লেখক ছিলেন সহপাঠী এ. এন. হোয়াইটহেড (A. N. Whitehead)।

    এই গবেষণাগ্রন্থটি রচনা করতে তাঁদের সময় লেগেছিল দীর্ঘ সাত বছর। বইটি লেখা সম্পর্কে রাসেল বলেছেন, এর রচনার পূর্ব-প্রস্তুতি গ্রহণের জন্যই আমাদের সময় লেগেছে দু বছর। কাজে হাত দিয়ে লেগে যায় আরও পাঁচ বছর।

    এই পুস্তকে তিনি গণিতের অতি সূক্ষ্ম যুক্তিকে যেভাবে বিশ্লেষণ করেছেন, তা বিশেষজ্ঞ মহলে সেকালে প্রচণ্ড আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। রাসেল তাঁর লিখিত এই গ্রন্থে অসাধারণ পাণ্ডিত্যের পরিচয় দিয়েছেন

    আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের লর্ড পরিবার ছিল রাজনীতির সাথে জড়িত। তাই পারিবারিক ঐতিহ্য রক্ষার জন্য রাসেলও একসময় রাজনীতিতে নামার চেষ্টা করতে লাগলেন। ১৯০৭ সালে তিনি নারী স্বাধীনতা আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেবে ‘ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব উওম্যান’স সাফ্রেজ সোসাইটিজ’-এর মনোনয়ন নিয়ে পার্লামেন্টের নির্বাচনে অংশ নিলেন।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    গণিত
    বিজ্ঞানের
    সায়েন্স
    গাণিতিক
    গণিতের
    Science
    বাংলা ইসলামিক বই
    Books
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    কিন্তু মহিলাদের ভোটাধিকার সংক্রান্ত সমিতির মনোনয়ন পেলেও শহরের কোনো মহিলা ভোটার তাঁকে তেমন পছন্দ করলেন না। তিনি ৭০০০ ভোটে হেরে গেলেন।

    নির্বাচনে হেরে গিয়ে প্রথমটায় খুব দুঃখ পেলেন তিনি। পরে খেপে গেলেন। জেদ ধরলেন, যেমন করে হোক হাউস অব কমন্সে তাঁকে প্রবেশ করতেই হবে।

    ১৯১০ সালে অনুষ্ঠিত হাউস অব কমন্সের নির্বাচনী তাঁর স্থানীয় নির্বাচনী এলাকা থেকে আবার প্রার্থী হলেন রাসেল। কিন্তু এবারও জিততে পারলেন না। তাঁর বিরুদ্ধে এই বলে অভিযোগ উঠল যে, লোকটা পণ্ডিত হতে পারেন, ভালো অঙ্কও হয়তো জানেন, কিন্তু ধর্মকর্ম সম্পর্কে বিন্দুমাত্র জ্ঞান নেই। জীবনে কখনও গির্জার বারান্দায় পর্যন্ত প্রবেশ করেননি। এমন ধর্মহীন লোক পার্লামেন্টে যাবে কেন?

    দ্বিতীয়বারের নির্বাচনে হেরে গিয়ে রাসেল এবার আরও খেপে গেলেন। জ্ঞানসাধনায় নিমগ্ন থাকার কারণে ধর্মকর্মের দিকে নজর দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না, তাই বলে তিনিতো সমাজতন্ত্রী নন!

    কিন্তু লোকে যখন তাঁকে ধর্মহীন আর সমাজতন্ত্রী বলতেই শুরু করছে, তখন তিনি প্রকাশ্যেই নিজেকে সমাজতন্ত্রী বলেই ঘোষণা দিয়ে বসলেন এদিন।

    শুধু সমাজতন্ত্র নয়, তাঁর আরও কিছু কিছু মতবাদ ছিল, যেগুলো সমাজের উচ্চ বা বুদ্ধিজীবীমহলে বাহবা পেলেও সাধারণ রক্ষণশীল মানুষ তখনও গ্রহণ করতে শেখেনি। আর সেই কারণেই অতি সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর জনপ্রিয়তা ছিল না, যা একজন রাজনীতিবিদের থাকতে হয়। যা না থাকলে নির্বাচনে জয়লাভ করা যায় না।

    বিয়ে সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব মতবাদ ছিল। তিনি তাঁর ‘ম্যারেজ অ্যান্ড মরাল’ (Marriage and Moral) গ্রন্থে সব ধরনের শাসন, শোষণ ও উৎপীড়ন থেকে মুক্ত জীবন চেয়েছেন। তিনি প্রথাসিদ্ধ নৈতিকতার বিরুদ্ধেও বক্তব্য রেখেছেন। তিনি নর- নারীর মধ্যে বিদ্যমান বিবাহপ্রথারও বিরোধিতা করেছেন। তাঁর মতে, বিবাহ মানুষের ব্যক্তিস্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করে। তিনি স্বামী-স্ত্রীর কথা উল্লেখ করেছেন বটে, কিন্তু বিবাহের নামে সামাজিক বন্ধন মানতে চাননি—যদিও তিনি নিজেও বিয়ে করেছিলেন। শুধু এক বিয়ে নয়, তিনি পরপর চারটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী অ্যালিসের কাছ থেকে তিনি আলাদাভাবে বসবাস করতে থাকেন ১৯১০ সাল থেকে। কিন্তু তাঁর সাথে আনুষ্ঠানিক বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে এরও বহু বছর পরে ১৯২১ সালে। অ্যালিসের সাথে বিবাহবিচ্ছেদের পরই তাঁর চিন্তাধারা নতুন মোড় নিতে থাকে। তিনি পুরোপুরি সমাজতন্ত্রের দিকে ঝুঁকে পড়েন।

    এরই মধ্যে শুরু হয়ে যায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। তিনি এবার নেমে পড়লেন যুদ্ধ-বিরোধী আন্দোলনে।

    তিনি তাঁর নিজস্ব ধনতন্ত্রবাদী পরিমণ্ডল থেকে বের হয়ে সমাজতন্ত্র ও মানবতাবাদী ধ্যান-ধারণা ও বিশ্বাসের সাথে গড়ে তুললেন নতুন সম্পর্ক। তাঁর নতুন চিন্তাধারার বন্ধুদের মধ্যে ছিলেন সিডনি, বিয়োট্রিস ওয়েব, বার্নার্ড শ, চার্লস ট্র্যাভেলিয়ান এবং হারবার্ট স্যামুয়েল প্রমুখ।

     

    আরও দেখুন
    গাণিতিক
    গণিত
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    গণিতের
    Science
    সায়েন্স
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

     

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকা ও ধ্বংসযজ্ঞ তাঁর পুরাতন চিন্তা-চেতনাকে সম্পূর্ণ ভেঙেচুরে দিয়ে যায়। তিনি হয়ে ওঠেন একজন পুরোপুরি যুদ্ধ-বিরোধী মানুষ। যুদ্ধের বিরুদ্ধে তিনি বক্তব্য পেশ করতে শুরু করলেন উগ্রভাবে, অনেকটা খ্যাপার মতো করেই। তাই অচিরেই তিনি সারা দেশে একজন ভয়ঙ্কর মানুষ বলে পরিচিতি লাভ করলেন।

    যুদ্ধ-বিরোধী আন্দোলনকে জোরদার করার জন্য তিনি ‘নো কনসক্রিপশন ফেলোশিপ’ নামে একটি সংগঠনও গড়ে তোলেন। সংগঠনটির লক্ষ্য ছিল কেউ যেন সেনাবাহিনীতে যোগদান না করে। এটা ছিল তাঁর বিশ্ব থেকে সেনাবাহিনী বিলোপ করার আন্দোলন। সৈন্য না থাকলে যুদ্ধও থাকবে না। এই উদ্দেশ্যে প্রচার চালানোর জন্যই তিনি একটি যুদ্ধ-বিরোধী প্রচারপত্রও ‘লেবার লিডার’ নাম দিয়ে প্রকাশ করেন। এতে প্রকাশিত নিবন্ধাদির মাধ্যমে তিনি যুদ্ধের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাতে থাকেন।

    এই প্রচারপত্র বিলি করার অপরাধে তিনি ১৯১৬ সালের ১৫ জুন গ্রেফতার হন। বিচারে তাঁর ১০০ পাউন্ড জরিমানা হয়। শুধু তাই নয়, এর ফলে ট্রিনিটি কলেজের অধ্যাপকের পদটিও তাঁকে হারাতে হয়।

    কিন্তু তাতেও পরোয়া করলেন না রাসেল। তিনি তখন খ্যাপার মতো নেমেছেন আন্দোলনে। ব্রিটিশ সরকারও তাঁর প্রতি খুব অসন্তুষ্ট হলেন।

    এই সময় আমেরিকার হারভার্ড কলেজ থেকে তাঁকে বক্তৃতাদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হলো। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার তাঁকে আমেরিকা যাওয়ার পাসপোর্ট দিলেন না।

    এর পরেও তিনি দমলেন না। ১৯১৭ সালের শেষের দিকে আরও উগ্র ভাষায় যুদ্ধ- বিরোধী বক্তব্য দিয়ে ‘দি ট্রাইবুনাল’ নামে আরেকটি প্রচারপুস্তিকা প্রকাশ করলেন। এই অপরাধে আবার তাঁকে গ্রেফতার করা হলো এবং তাঁর সশ্রম কারাদণ্ড হলো ছয় মাসের।

    তবে জেলে থাকার সময়টা তিনি পুরোপুরি কাজে লাগালেন। এখানে বসেই তিনি বেশ কয়েকটি বই লিখে ফেললেন। যেমন ‘ইনট্রোডাকশন টু ম্যাথেম্যাটিক্যাল ফিলোসফি’ (Introduction to Mathematical Philosophy), দেওয়ে (Dewey) রচিত ‘এসেস ইন এক্সপেরিমেন্টাল লজিক’ (Essays in Experimental Logic) গ্রন্থের আলোচনা এবং ‘অ্যানালাইসিস অব মাইন্ড’ (Analysis of Mind) নামে একটি দর্শনগ্রন্থ।

    প্রথম মহাযুদ্ধের পর থেকে রাসেল পুরোপুরি সমাজতন্ত্রী হয়ে গেলেন। তিনি বলতেন, দেশে যে শিল্পায়ন হচ্ছে তার পুরো কাজটাই শ্রমিক শ্রেণী করছে, সেখানে সরকারের কোনো কৃতিত্ব নেই। তিনি রুশ বিপ্লবের আদর্শের প্রতি প্রচণ্ডভাবে শ্রদ্ধাশীল হয়ে পড়েন। ১৯২০ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের পক্ষ থেকে তাঁকে সোভিয়েত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

    তিনি রাশিয়ায় যান এবং রুশ নেতা লেনিনের সাথে সক্ষাৎ করেন। লেনিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি বলেন, ব্রিটেনেও সমাজতন্ত্র কায়েম করা সম্ভব। কিন্তু লেনিন তাঁর এই প্রস্তাবের প্রতি কোনো গুরুত্ব দেননি। বলেছিলেন, এসব উদ্ভট চিন্তাভাবনা এখন রাখুন।

     

    আরও দেখুন
    গণিতের
    Science
    বিজ্ঞানের
    গণিত
    বিজ্ঞান
    গাণিতিক
    সায়েন্স
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ইসলামিক বই

     

    তাঁর রুশ সফরের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই তিনি একটি গ্রন্থ রচনা করেন। নাম “দি প্র্যাকটিস অ্যান্ড থিওরি অব বলশেভিজম’ (The Practice and Theory of Bolshevism)। ওই একই বছর (১৯২০) তিনি চীনও সফর করেন। চীনে বেসরকারি অতিথি হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে দেওয়া হয় রাষ্ট্রীয় অভ্যর্থনা ও সম্মান।

    পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা তাঁর আগমন উপলক্ষে একটি বিশেষ ম্যাগাজিন প্রকাশ করে ‘রাসেল ম্যাগাজিন’ নাম দিয়ে এবং তাঁর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট সানইয়াৎ সেন বলেন, ‘গোটা ব্রিটিশ জাতির মধ্যে রাসেলই প্রথম ব্যক্তি, যিনি … চিনকে অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। ‘

    তিনি দেশে ফিরে গিয়ে চিন সফরের অভিজ্ঞতার ওপরও ‘দি প্রব্লেম অব চায়না’ (The Problem of China) শীর্ষক একটি বই শেখেন।

    চীন সফরে গিয়ে এক মজার ঘটনা হয়েছিল। তিনি সহসা ঠাণ্ডা লেগে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। ক্রমে তাঁর অসুখ এমন খারাপ পর্যায়ে এসে পৌঁছুল যে পত্রিকাতে একদিন খবর রটে গেল ব্রিটিশ সমাজতন্ত্রী বারট্রান্ড রাসেল মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর তিনি নিজেই পাঠ করলেন পত্রিকায়। এই সময় তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন নতুন প্রেমিকা (পরবর্তীকালে দ্বিতীয় স্ত্রী) ডোরা ব্ল্যাক। ডোরার সেবাযত্নে অবশেষে তিনি ভালো হয়ে দেশে ফিরে এলেন।

    দ্বিতীয় স্ত্রী ডোরাকে নিয়েই ১৯২৭ সালে লন্ডনে ‘বেকন হিল স্কুল’ একটি শিক্ষায়তন প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তী সময়ে এটি ‘প্রগেসিভ স্কুল’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।

    ট্রিনিটি কলেজের চাকরি চলে যাওয়ার পর থেকে তিনি লেখালিখি করেই জীবিকা নির্বাহ করতে শুরু করেন। ১৯৩০ সালের মধ্যে তিনি রচনা করেন “দি কনকোয়েস্ট অব হ্যাপিনেস’ (The Conquest of Happiness), ‘ইন প্রেইজ অব আইডলনেস’ (In Praise of Idleness) ও ‘রিলিজিয়ন অ্যান্ড সায়েন্স’ (Religion and Science) ইত্যাদি গ্ৰন্থ।

    প্রথম মহাযুদ্ধের পর রাসেল তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং তিন সন্তানকে পঠিয়ে দিয়েছিলন আমেরিকায়। তিনি নিজেও ছয় বছর কাটিয়ে এসেছিলেন ওখানে। কিন্তু মজার ঘটনা হলো, রাশিয়া কিংবা চীনে দুদিনের সফরে গিয়েই সে দুটি দেশ সম্পর্ক আস্ত আস্ত বই লিখে ফেলেছিলেন। কিন্তু আমেরিকায় ছয় বছর থেকেও দেশটি সম্পর্কে একটি পাতাও লিখতে পারেনি।

    ১৯৪০ সালে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। এর পরের বছর ১৯৪১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি যোগদান করেন কলেজ অব নিউ ইয়র্ক সিটিতে। তিনি এখানে ছিলেন ১৯৪২ সালের জুন পর্যন্ত। এখান থেকেই তিনি অবসর গ্রহণ করেন।

    আমেরিকাতে চাকরি করতে এসেও তাঁকে কম হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়নি। ১৯৪০ সালে তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার বিরুদ্ধে স্থানীয় গির্জার পাদরিরা এই বলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন যে, তাঁকে এদেশে চাকরি দেওয়া যাবে না, কারণ, তিনি আমেরিকার নাগরিক নন। দ্বিতীয়ত তিনি একজন ধর্মবিরোধী ব্যক্তি ও নৈতিকতায় বিশ্বাস করেন না। তৃতীয়ত, তিনি কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে যোগ্যতা অর্জন করেননি। কিন্তু তা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে যথাযোগ্য মর্যাদা দিয়েছিলেন।

    চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর হারভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁকে বক্তৃতা দেয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। পরে তিনি ১৯৪৩ সালে জনৈক কোটিপতির অধীনে চাকরি নিয়েছিলেন। কিন্তু বেশিদিন সেখানে টিকতে পারেননি।

    ১৯৪৩ সালেই তিনি রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘এ হিস্টোরি অব ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি’ (A History of Western Philosophy)।

    ১৯৪৪ সালে আবার ট্রিনিটি কলেজ তাঁকে ডেকে পাঠায়। আবার তিনি সেখানে যোগদান করেন। তখন চলছিল দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ। তিনি আবার পারমাণবিক অস্ত্র- নিরোধের সংগ্রামে যোগ দেন। ১৯৪৮ সালে তিনি পারমাণবিক অস্ত্ররোধের ওপর বিবিসি থেকে ভাষণ দেন।

    ১৯৪৯ সালে তাঁকে অর্ডার অব মেরিট সম্মানে ভূষিত করা হয় এবং ১৯৫০ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

    ১৯৫২ সালে তিনি চতুর্থবার বিয়ে করেন মিস এডিথ ফিঞ্চ নামের এক মহিলাকে। ১৯৫৯ সালের জানুয়ারিতে তিনি পারমাণবিক অস্ত্রনিরোধের ওপর ওয়েস্ট মিনস্টার সেট্রাল হলে বক্তৃতা দেন।

    ১৯৭০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ৯৮ বছর বয়সে এই বিশ্ববিশ্রুত মনীষী পরলোকগমন করেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Next Article স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    Related Articles

    ভবেশ রায়

    বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }