Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়

    ভবেশ রায় এক পাতা গল্প689 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হিপোক্র্যাটিস (আনু: ৪৬০–৩৭০ খ্রি. পূ.) – চিকিৎসাশাস্ত্রের আদিজনক

    কুসংস্কারের অন্ধকার—সে সত্যি বড় দীর্ঘ দীর্ঘকালের ইতিহাস। আদিম পৃথিবীতে প্রতিদিনই সূর্যোদয় হলেও জ্ঞানালোকের সূর্য উঠেছিল বড্ড দেরিতে। আজও তার আলো পৃথিবীর সমস্ত প্রান্তে পৌঁছুতে পারেনি।

    কয়েক হাজার বছর আগে তার অবস্থা ছিল আরও করুণ। তবু সেই নিবিড় অন্ধকারেই জ্ঞানসূর্যের সন্তানেরা কেউ কেউ আলোর মশাল হাতে এগিয়ে এসেছিলেন। তাঁদের হাতের মশাল তাঁরা তুলে ধরেছিলেন ঘন অন্ধকারে ঢাকা দিক থেকে দিগন্তরে। আর সেই আলোয় কেউ কেউ খুঁজে পেয়েছিলেন নিজেদের পথের দিশা।

    আদিকালের সেই আলোর মশাল হাতে এগিয়ে আসা তেমনি এক সূর্যসন্তান ছিলেন বিজ্ঞানী হিপোক্র্যাটিস (Hippocrates)।

    তখন বলা হতো, মানুষের যে রোগব্যাধি, আপদবালাই—এসব কিছুর মূলে দেবতাদের আক্রোশ। মানুষের প্রতি তাঁদের অভিশাপের ফল। মানুষের পাপের শাস্তি। মানুষ দেবতার কাছে অপরাধ করলেই দেবতারা তাদের শাস্তি দিয়ে থাকেন।

    কিন্তু এই ভ্রান্ত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রথম হিপোক্র্যাটিসই প্রতিবাদ করেন। তিনিই প্রথম বললেন যে, রোগবালায়ের জন্য স্বর্গের দেবতারা দায়ী নন। রোগব্যাধিতে মানুষ আক্রান্ত হয় একান্তই প্রাকৃতিক কারণে। এখানে দেবতাদের কোনো হাত নেই। এর মধ্যে রয়েছে মানুষের শরীরের বিভিন্ন অংশের নানারকম প্রতিক্রিয়া—একান্ত বাস্তবসম্মত কারণ। এর জন্য দায়ী কিছু বিজ্ঞানভিত্তিক তত্ত্ব। ইতিহাসে এই তত্ত্বই হিপোক্র্যাটিক তত্ত্ব (Hippocratic Method) নামে সুবিদিত।

    মহাজ্ঞনী হিপোক্র্যাটিসের জন্ম হয়েছিল এশিয়া মাইনরের উপদ্বীপের নিকটবর্তী কস দ্বীপে ৪৬০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ। তিনি ছিলেন ওই দ্বীপের প্রাচীন বৈদ্য বা চিকিৎসক সম্প্রদায় এসক্লেপিয়াডার লোক। এই বিখ্যাত বৈদ্য সম্প্রদায়ের আদিপুরুষ ছিলেন চিকিৎসক- দেবতা এসক্লেপিয়স।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    Books
    অনলাইন বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বই পড়ুন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    সাহিত্য পত্রিকা

     

    হিপোক্র্যাটিসের পিতাও ছিলেন একজন চিকিৎসক। তিনি ছিলেন রাজবৈদ্য। তাই চিকিৎসাশাস্ত্রে হিপোক্র্যাটিসের ছিল জন্মগত অধিকার। পিতার উৎসাহ এবং আগ্রহেই তিনিও চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যয়ন করেন। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির পর উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি গ্রিক সাম্রাজ্যের বহু দেশে ঘুরে বেড়ান। বহু জ্ঞানীগুণী এবং রাজবৈদ্যের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। তিনি তাঁদের সাথে জ্ঞানের আদান-প্রদান করেন।

    জানা যায়, হিপোক্র্যাটিস তাঁর জীবিতকালেই গোটা গ্রিক সাম্রাজ্যে প্রচুর সুনাম অর্জন করেন। বহু দূরদূরান্তের দেশ থেকে রোগী এবং শিক্ষার্থীরা আসত তাঁর কাছে চিকিৎসা করাতে বা তাঁর কাছে এই বিদ্যা শিখতে। তিনি তাঁর জীবনের অভিজ্ঞতার ফসল হিসেবে চিকিৎসাশাস্ত্রের ওপর যে লেখা তৈরি করেছিলেন, সেগুলোই পরবর্তীকালে সংকলিত হয়ে প্রকাশিত হয়েছে ‘হিপোক্র্যাটিক সংকলন’ (Hippocratic Collection) নামে।

    অবশ্য তাঁর এই রচনাবলির সংকলন প্রকাশিত হয় তাঁর মৃত্যুরও কয়েক শতাব্দী পরে। তাই অনেকে অনুমান করেন, তাঁর নামে সংকলিত ও প্রকাশিত রচনার সবগুলোই হয়ত তাঁর নিজের রচনা নয়। এমনও হতে পারে, তাঁর অনেক শিষ্যের রচনাও তাঁর নামেই প্রকাশিত হয়েছে। সংকলনের সব লেখা যে তাঁর নয়, এমনটা মনে করার পেছনে যুক্তি হলো, এখানে এমন অনেক তথ্য আছে, যা তিনি সর্বপ্রথম প্রবর্তন করেননি। এগুলো তাঁর সময়ের আগে বা পরের বিষয়। যেমন, চিকিৎসকদের আজও একটি নিয়ম পালন করতে হয়। আর সেটা হলো, এই পেশা শুরু করার আগে এর আদর্শ ও সততা সম্পর্কে প্রত্যেককে একটি শপথবাক্য পাঠ করতে হয়। বলা হয়ে থাকে, ডাক্তারদের শপথবাক্য পাঠ করার নিয়ম হিপোক্র্যাটিসই প্রথম প্রবর্তন করেন। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা তা নয়। এ ধরনের শপথবাক্য পাঠের নিয়ম তাঁর জন্মেরও বহু বছর আগ থেকেই ইউরোপের বহু জায়গায় প্রচলিত ছিল। তাই এর প্রবর্তক হিপোক্র্যাটিস নন। অথচ তাঁর নামে এ ধরনের একটি রচনা গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। এটা সম্ভবত গুরুর কৃতিত্ব জাহির করার জন্য তাঁর কোনো অতি উৎসাহী শিষ্য করে থাকতে পারেন। হিপোক্র্যাটিসের শপথবাক্যটি হলো এ-রকমের :

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা কমিকস
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ই-বই
    অনলাইন বুক
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

     

    “আমি আমার সাধ্য ও বিবেকবুদ্ধি দ্বারাই একজন রোগীর সেবা ও চিকিৎসা করব। একজন রোগীর মঙ্গলসাধনই হবে আমার একমাত্র ব্রত। আমি পবিত্রতা, সততা ও নিষ্ঠার মধ্য দিয়ে আমার চিকিৎসক জীবন অতিবাহিত করতে চাই।”

    তাঁর সংকলনে অন্তর্ভুক্ত বিখ্যাত রচনাগুলোর মধ্যে আছে রোগের লক্ষণ (Prognostics), মহামারী (Epidemics) এবং বায়ু-মাটি-স্থান (Air, Earth and Place) অর্থাৎ রোগ হওয়ার এবং আরোগ্যলাভের জন্য বায়ু, মাটি ও স্থান—এই এই তিনের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে কার্যকর। অর্জিত জ্ঞান থেকেই তিনি উপলব্ধি করতে শেখেন যে, মানুষের রোগব্যাধির রয়েছে বিজ্ঞানসম্মত কারণ। এখানে অলৌকিকতার কোনো স্থান নেই। অথচ তখনকার যুগে লৌকিক বিশ্বাস বা কুসংস্কারের প্রভাব ছিল সমাজে প্রবল। দেবতাদের প্রভাব ছিল অসীম।

    চিকিৎসাশাস্ত্রে এমন অনেক শব্দ প্রচলিত আছে, যেসবের উৎপত্তি সেই প্রাচীন অলৌকিক বিশ্বাস থেকেই। যেমন, প্লেগ রোগকে সেকালে বলা হতো দেবতার অভিশাপ বা আঘাত। প্লেগ শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ প্লাগা থেকে, যার অর্থ আঘাত। হাইজিন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ হাইজিয়া থেকে। হাইজিয়া হলো ঔষধের দেবতা, এসক্লেপিয়স-এর কন্যা।

     

    আরও দেখুন
    PDF
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা কবিতা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ইসলামিক বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

     

    এসব থেকেই অনুমান করা যায়, সেকালে চিকিৎসাশাস্ত্রে অলৌকিক বিশ্বাস কেমন করে প্রভাব বিস্তার করেছিল। আর এসব কিছুর মূলে যিনি প্রথম আঘাত করেন, তিনি হলেন চিকিৎসাবিজ্ঞানী হিপোক্র্যাটিস। আর তাই তো তাঁকে আজও সম্মান করা হয় ‘চিকিৎসাশাস্ত্রের জনক’ হিসেবে।

    হিপোক্র্যাটিসের চিকিৎসা গবেষণার মূল কেন্দ্রস্থল ছিল নিজের দ্বীপ কস-এ।

    তাঁর সময়ে আর একটি চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্র ছিল এশিয়া মাইনরের দক্ষিণ- পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত স্নিডোস-এ। কিন্তু কস ও স্নিডোসের চিকিৎসাপদ্ধতির মধ্যে যেমন কিছু কিছু মিল ছিল, তেমনি অনেক অমিলও।

    যেমন, স্নিডোসের চিকিৎসকদের বিশ্বাস ছিল, মানবদেহের চারটি প্রধান জলীয় পদার্থই মানসিক ও শারীরিক দিক থেকে তাকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালিত করে থাকে। এই চারটি জলীয় পদার্থ হলো, কফ বা শ্লেষ্মা, রক্ত, পিত্তরস এবং জল।

    কসের হিপোক্র্যাটিস গোত্রীয় চিকিৎসকদেরও ধারণা ছিল প্রায় একই রকমের। হিপোক্র্যাটিস বলেন, মানবদেহের মূল নিয়ন্ত্রক জলীয় পদার্থ হলো শ্লেষ্মা, রক্ত, পিত্তরস বা হলুদ পিত্ত এবং অবসাদ বা কালপিত্ত।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ভাষা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ই-বই

     

    এখানে একটা বিষয় তাৎপর্যপূর্ণ, তা হলো, দুটো দলই মানবদেহের চারটি মৌলিক উপাদানের কথা বলেছেন এবং উভয় সম্প্রদায়ই আরও একটি বিষয়ে একমত ছিলেন যে, ঔষধ হলো যুক্তিসিদ্ধ চিকিৎসাপদ্ধতি, যা বিজ্ঞানভিত্তিক। এখানে ঐশ্বরিক বা অলৌকিক বলে কিছু নেই। এই দুটো সম্প্রদায়ই চিকিৎসাশাস্ত্রকে অলৌকিক স্বর্গ থেকে মাটির পৃথিবীতে নামিয়ে নিয়ে এসেছেন এবং চিকিৎসাশাস্ত্রের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা ও আবিষ্কারের পথ খুলে দিয়েছেন।

    অবশ্য এ ধরনের আধুনিক চিন্তাভাবনা হিপোক্র্যাটিসের আগ থেকেই চলে আসছিল। যেমন, পূর্বসুরি চিকিৎসক ইম্‌পেডোক্লেস (৫০০–৪৩০ খ্রি. পূ.) বলেছিলেন, মানবদেহের রোগব্যাধি ঈশ্বরের দান নয়। এটা হলো শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও শারীরিক উপাদানসমূহের ত্রুটি কিংবা ভারসাম্যহীনতা।

    হিপোক্র্যাটিসও তাই বলেছেন, মানুষের শরীরে তখনি রোগব্যাধি দেখা দেয়, যখন তার শরীরের কোনো একটি অংশ তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তিনি আরও বলেছেন, শরীরের একটি রোগ ক্রমে অন্য রোগে রূপান্তরিত হতে পারে। এটা আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্রেও স্বীকার করা হয়েছে। শরীরের একটি রোগ ক্রমে অন্য আরও জটিল রোগের জন্ম দিতে পারে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    PDF
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ই-বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা গল্প
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

     

    অতীতে অনেক জটিল রোগের নিরাময় করা সম্ভব হতো না। কারণ, আধুনিক কারিগরি জ্ঞানের অভাবে এসব জটিল রোগের গতিপ্রকৃতি জানা সম্ভব ছিল না। আর তার ফলেই হিপোক্র্যাটিসের মতো সেকালের চিকিৎসাশাস্ত্রবিদদের পক্ষেও এসব রোগের নিরাময় করা সম্ভব হতো না। কারণ, তাদের জ্ঞান ছিল সীমাবদ্ধ এবং চিকিৎসাপদ্ধতিতেও ছিল না শৃঙ্খলা।

    তবু হিপোক্র্যাটিসকেই চিকিৎসাশাস্ত্র বা মেডিসিনের আদি জনক বলা হয়। এ-রকমটা বলার কারণ হলো, সেকালের সীমিত জ্ঞান নিয়েও তিনিই সর্বপ্রথম রোগের কারণ নির্ণয় ও চিকিৎসাপদ্ধতিতে একটি নিয়ম বা নীতিমালা প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাঁর প্রণীত নিয়ম-শৃঙ্খলাগুলো ছিল সম্পূর্ণ বাস্তবসম্মত এবং বিজ্ঞানভিত্তিক।

    কিন্তু তবু একটা প্রশ্ন থেকেই যায়। আর সেটা হলো, হিপোক্র্যাটিস কি তা হলে সত্যি সত্যি চিকিৎসাশাস্ত্রকে বিজ্ঞানভিত্তিক করতে সক্ষম হয়েছিলেন?

    এর উত্তর হলো হ্যাঁ, কথাটা সত্যি। অবশ্য এখানে তাঁর অবদান ছিল খুবই সামান্য। তিনি বিষয়টির সূত্রপাত করেছিলেন মাত্র। বিরাট সাফল্যজনক কিছু করতে সক্ষম না হলেও অবশ্যই বলতে হবে, হিপোক্র্যাটিস চিকিৎসাশাস্ত্রের আদিতে যে সামান্য প্রাথমিক অবদানটুকু রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন, তা যদি না হতো তা হলে চিকিৎসাশাস্ত্রের আধুনিকায়নের ভিত্তি স্থাপনের কাজটিও অনেক দেরিতে হতো। ফলে চিকিৎসাশাস্ত্রের আজকের অগ্রগতিও নিঃসন্দেহে এতদূর আসতে পারত না। আর সেকারণেই তাঁকে চিকিৎসাশাস্ত্রের আদি জনক বলা হয় এবং সে মর্যাদা তাঁর অবশ্যই প্ৰাপ্য।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা লাইব্রেরী
    অনলাইন বই
    বই পড়ুন
    বাংলা অডিওবুক
    Library
    বাংলা গল্প
    বুক শেল্ফ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    এই মহান জ্ঞানসাধকের বাণী ছিল : “জীবন খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু শিক্ষা দীর্ঘতর। সুযোগ চলে যাচ্ছে। পরীক্ষানিরীক্ষা করা বিপজ্জনক এবং বিচার-বিবেচনা করাও খুব কঠিন কাজ। তবু আমাদের তৈরি থাকতে হবে, সে শুধু আমাদের নিজের সুখের জন্য নয়, অন্যের জন্যও।”

    হিপোক্র্যাটিসের মৃত্যু হয় ৩৭০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Next Article স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    Related Articles

    ভবেশ রায়

    বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }