Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়

    ভবেশ রায় এক পাতা গল্প689 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মাদাম কুরি (১৮৬৭–১৯৩৪) – সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহিলা বিজ্ঞানী

    জীবনের একেবারে শুরুতেই দুঃখ-দারিদ্র্য আর প্রিয় ব্যক্তিকে কাছে না পাওয়ার মর্মবেদনায় যিনি আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন, বলেছিলেন, “এই ঘৃণিত পৃথিবী থেকে আমি বিদায় নিলে ক্ষতি খুব সামান্যই হবে” সেই অভিমানী তরুণীই নিজের প্রচেষ্টায় পরবর্তীকালে হয়েছিলেন জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী এবং বিশ্বের সর্বকালের সেরা মানুষদের একজন। তিনিই একমাত্র বিজ্ঞানী যিনি বিজ্ঞান গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ দু-দুবার নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। উল্লেখ্য, নোবেল পুরস্কারের আর কোনো বিভাগেই এযাবৎ আর কেউ, তিনি পুরুষ কি মহিলা, দু’বারের মতো এই বিরল সম্মানের অধিকারী হতে পারেননি। ভাঙতে পারেননি তাঁর রেকর্ড।

    এই প্রাতঃস্মরণীয় বিজ্ঞানী মাদাম মারি কুরির (Madam Marie Curie) জন্ম পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহরে ১৮৬৭ সালের ৭ নবেম্বর। তাঁর বাল্যনাম ছিল মানিয়া (Manya)। মানিয়ারা ছিলেন মোট পাঁচ ভাইবোন। বড় বোনের নাম জোসিয়া, তারপর ভাই জোসেফ, তারপর ব্রোনিয়া এবং ব্রোনিয়ার পর হেনা।

    পিতা ভ্লাডিশ্লাভ স্লোডোভস্কি ছিলেন একজন শিক্ষক। মাও ছিলেন স্থানীয় মেয়েদের একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষয়িত্রী ও পরিচালিকা।

    এই সময় পোল্যান্ড ছিল জারশাসিত রাশিয়ার একটি ঔপনিবেশিক রাজ্য। তাই স্বাভাবিকভাবেই অত্যাচারী শাসকদের হাতে সীমাহীন নির্যাতনের শিকার হতেন দেশটির সাধারণ মানুষ। ফলে পরাধীন পোল্যান্ডবাসীর মনে ছিল মুক্তির প্রবল আকাঙ্ক্ষা, আর ছিল অত্যাচারী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে চরম ঘৃণা।

    এই ঔপনিবেশিক শাসনের বেড়াজাল থেকে দেশকে স্বাধীন করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যাঁদের মনে ছিল, তাঁদের অন্যতম ছিলেন মারির পিতা। এর পরিণামে যা হবার তা-ই হয়েছিল। ১৮৬৩ সালে দেশদ্রোহিতার অপরাধে স্কুল থেকে তাঁর চাকরি চলে যায়। ফলে আরও তীব্র অর্থসংকটের শিকার হয় কুরিদের পরিবার।

    এই অবস্থায় মারির বাবা পাঁচ পাঁচটি সন্তানকে বাঁচানোর জন্য একটি বোর্ডিং স্কুল খুলে বসলেন। কিন্তু এর মধ্যেই ঘটল আরও বড় ধরনের একটা দুর্ঘটনা। মারির যখন দশ বছর বয়স, তখনই যক্ষ্মারোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মায়ের মৃত্যু হলো। এবার আরও এলোমেলো হয়ে গেল তাঁদের পরিবার।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    Science
    বাংলা ভাষা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা বই
    Books
    বুক শেল্ফ
    ই-বই ডাউনলোড

     

    মারি বাল্যকাল থেকেই ছিলেন অসম্ভব মেধাবী। অবশ্য এই পরিবারের প্রত্যেকেই পড়াশোনায় ছিল অত্যন্ত ভালো। ১৮৮৩ সালে স্কুল ফাইনাল পরীক্ষায় মারি লাভ করেন স্বর্ণপদক।

    বয়সের দিক দিয়ে ক্লাসে সে সকলের ছোট অথচ পড়াশোনায় সকলের ওপরে। একবার যা পড়ে, অমনি সেটা তাঁর মুখস্থ হয়ে যায়।

    একবার তাঁদের স্কুলে হয়েছিল একটা মজার কাণ্ড। ক্লাসে শিক্ষয়িত্রী পোলিশ ভাষায় পোল্যান্ডের ইতিহাস পড়াচ্ছিলেন। পড়ানো শেষ করে ছোট্ট মারি অর্থাৎ মানিয়াকে প্রশ্ন করলেন শিক্ষয়িত্রী, অমনি সে ঝরঝর করে দিয়ে গেল সব উত্তর।

    অথচ এ-রকম ব্যাপার ছিল নিষিদ্ধ। রাশিয়ার জার শাসনামলে স্বদেশের ইতিহাস ক্লাসে শিক্ষা দেওয়া ছিল দেশোদ্রোহিতার সামিল। আর ঠিক সেই সময় কি না সোজা তাদের ক্লাশরুমে ঢুকলেন স্কুল ইনস্পেক্টর মঁসিয়ে হরনবের্গ। ঢুকেই তিনি সবার মুখের দিকে তাকালেন। আকস্মিক এই ঘটনার মুখে ক্লাসের শিক্ষয়িত্রী তুপস্কাও ভয় পেয়ে গেলেন।

     

    আরও দেখুন
    Science
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বুক শেল্ফ
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    হরনবের্গের সন্দেহ হল, ক্লাসে অন্যরকম কিছু একটা হচ্ছিল। তাই তিনি সরাসরি শিক্ষকাকেই জিগ্যেস করলেন—ক্লাসে আপনি কী পড়াচ্ছিলেন?

    –ক্রিলভের একটি রূপকথার গল্প।

    –ডাকুন তো ছাত্রীদের।

    ডাক পড়ল মানিয়ার। তাকেই প্রশ্ন করা হলো। সেও অবশ্য ততক্ষণে ব্যাপারটি বুঝে গিয়েছিল। কারণ মানিয়ার বয়স কম হলেও বুদ্ধিতে ছিল বেশ প্রখর।

    মানিয়াকে প্রশ্ন করা হলো, বলো তো রাশিয়ার সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী কে?

    মানিয়া কৌশলে উত্তর দিল, রাশিয়ার মহামান্য জার।

    ইনস্পেক্টর খুশি হলেন। বেঁচে গেলেন দেশপ্রেমিক শিক্ষিকা তুপস্কা। ইনস্পেক্টর চলে গেলে এই চমৎকার উপস্থিত বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়ার জন্য শিক্ষিকা আনন্দে জড়িয়ে ধরলেন মানিয়াকে।

     

    আরও দেখুন
    Science
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা কবিতা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার

     

    এই ঘটনার মাত্র কিছুদিন আগে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। তাই বাবার মনে ভয়, মানিয়াও যদি ক্ষয়রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে! তাই তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় গ্রামের বাড়িতে। সেখানে তাঁকে নাচগান শেখার ব্যবস্থা করে দেওয়া হলো। নাচ খুব ভালো ব্যায়ামও বটে। ব্যায়াম করলে শরীর সুস্থ থাকবে। রোগ-বালাই তাহলে দূরে থাকবে। তাই এই ব্যবস্থা।

    দেশের বাড়িতে মানিয়া প্রায় বছরখানেক ছিলেন। কিন্তু নাচ তাঁর মোটেও ভালো লাগল না। মন পড়ে ছিল গণিতের বইয়ের পাতায়। তাই তিনি আবার ওয়ারশয় ফিরে এসে কলেজে ভর্তি হবার চেষ্টা করতে লাগলেন। কিন্তু তখন তাঁর পিতার আর্থিক অবস্থা মোটেও ভালো ছিল না। পাঁচটি সন্তানের একসাথে লেখাপড়ার খরচ চালানোর সামর্থ্য ছিল না তাঁর

    কিন্তু পড়াশোনা যে তাঁকে করতেই হবে। তাঁকে বড় হতেই হবে। কিন্তু কেমন করে? কী আর করা, অনেক ভাবনা শেষে মানিয়া আর তাঁর বড় বোন ব্রোনিয়া দুজনে বসে তাঁদের ভবিষ্যৎ জীবন সম্পর্কে একটা পরিকল্পনা এঁটে ফেললেন।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    Science
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ইসলামিক বই

     

    দু’জনের মধ্যে এই মর্মে চুক্তি হলো, মানিয়া প্রথমে চাকরি নেবে, আর বড় বোন ব্রোনিয়া প্যারিসের বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ভর্তি হবে। মানিয়া চাকরি করে তাঁর পড়ার খরচ চালাবে, তারপর ব্রোনিয়ার পড়া শেষ হলে সে নিজে চাকরি নিয়ে মানিয়াকে পড়াশোনার সুযোগ করে দেবে।

    এই চুক্তি অনুসারেই মানিয়া চাকরি নিল একজন অভিজাত রুশীয়ের বাড়িতে। কিন্তু এই রুশীয় আইনজীবী ভদ্রলোকের বউটা ছিল ভয়ানক বদমেজাজি। ফলে এখানে বেশিদিন টিকে থাকা মানিয়ার পক্ষে সম্ভব হলো না।

    পরে সে চাকরি নিল অন্য একটা বাড়িতে। এখানে সে তিন বছর পর্যন্ত গভর্নেসের চাকরি করে। চাকুরি করতে করতেই গৃহকর্তার ছেলের সঙ্গে তাঁর অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু ছেলের মা একজন গভর্নেসের সঙ্গে ছেলের বিয়ে দিতে রাজি হলেন না। ফলে মানিয়া অর্থাৎ ভবিষ্যতের মারি কুরি মানসিক ভাবে দারুণ আঘাত পান এবং জীবনে নেমে আসে ঘোর হতাশা। এই সময় তাঁর লেখা এক চিঠিতে তাঁর সেই গভীর হতাশারই ছবি ফুটে উঠেছে এইভাবে। “এই ঘৃণিত পৃথিবী থেকে আমি বিদায় নিতে চাই। এতে ক্ষতি হবে খুব সামান্যই।’

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    Science
    বিজ্ঞানের
    বাংলা লাইব্রেরী
    অনলাইন বই
    বাংলা ভাষা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

     

    এদিকে ব্রোনিয়া ডাক্তারি পাস করে তাঁরই এক ক্লাসফ্রেন্ডকে বিয়ে করে বসেন।

    আর মানিয়া হতাশা কাটিয়ে নিজের কিছু জমানো টাকা আর ব্রোনিয়ার আশ্বাসের ওপর ভরসা করে প্যারিসের সারবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ভর্তি হলেন বিজ্ঞান বিভাগে। জীবনকে পরিপূর্ণ ভাবে গড়ে তোলার জন্য নামলেন একান্ত সাধনায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান গবেষণাগারের নির্জন পরিবেশে কাটাতে লাগলেন দিনের পর দিন।

    চলছিল ভয়ানক অর্থকষ্টও। বড় বোন যা দিতেন, পরিমাণ ছিল খুবই সামান্য। তাই প্রায় প্রতিদিনই তাঁকে কেবল রুটি-মাখন খেয়ে আধপেটা হয়ে কাটাতে হতো। এই কঠোর পরিশ্রম, উপরন্তু খাদ্যের অভাবজনিত অপুষ্টি। এর জন্য তাঁর স্বাস্থ্য খুব দ্রুত ভেঙে পড়তে থাকে। কিন্তু গবেষণায় তাঁর ক্ষান্তি নেই।

    ১৮৯৩ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে প্রথম স্থান অধিকার করে Master of Science ডিগ্রি লাভ করেন এবং পরের বছর পদার্থ বিজ্ঞানেরই অপর আরেকটি শাখায় অধিকার করেন দ্বিতীয় স্থান।

    ১৮৯৮ সালে প্যারিসে সফররত তাঁর পূর্বপরিচিত পোলিশ অধ্যাপক কোভ্যালস্কির মাধ্যমে ফরাসি তরুণ বিজ্ঞানী পিয়েরে কুরির (Pierre Curie) সঙ্গে তিনি পরিচিত হন। এই সময় মারির বয়স ছিল ২৭ এবং পিয়েরের বয়স ৩৫ বছর।

     

    আরও দেখুন
    Science
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    Books
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    পিয়েরে কুরিও ছিলেন পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়নবিজ্ঞানের প্রতিভাবান বিজ্ঞানী। ইতিমধ্যেই চৌম্বকত্ব ও পদার্থবিজ্ঞানের শাখায় তিনি মৌলিক গবেষণায় অবদান রেখেছেন। তিনি তাঁর ভাই জ্যাক-এর সাথে একত্রে কাজ করে আবিষ্কার করেছেন পিজো বিদ্যুতের সূত্র।

    কোভ্যালস্কির বাড়িতে মানিয়াকে প্রথম দেখে এবং তাঁর সঙ্গে বিজ্ঞানের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা শেষে খুবই খুশি হন পিয়েরে। এতদিন তাঁর ধারণা ছিল, মেয়েরা স্বল্পবুদ্ধিসম্পন্ন এবং তারা বিজ্ঞান-শিক্ষা ও গবেষণাকাজের জন্য একেবারেই অনুপযোগী। কিন্তু মানিয়ার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ আর আলাপেই পিয়েরে কুরির সেই পুরনো ধারণা পালটে গেল। এই স্বর্ণকেশী সুন্দরী এবং বিরল প্রতিভার অধিকারিণীর রূপ আর গুণের পরিচয়ে তাঁর মুগ্ধতার আবেশ যেন কাটতেই চায় না।

    এর পর থেকেই মানিয়া অধ্যাপক শুজেন বার্জারের গবেষণাগারে তরুণ বিজ্ঞানী পিয়েরে কুরির সঙ্গে একত্রে গবেষণা করার অনুমোদন লাভ করেন। এই একত্র কাজ করার মধ্য দিয়েই পিয়েরের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পায়। তাঁদের দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে একটি নিবিড় সম্পর্ক। এর এক বছরের মধ্যে অর্থাৎ ১৮৯৫ সালে মানিয়া পিয়েরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর থেকে তিনি স্বামীর নাম ব্যবহার করে মানিয়ার পরিবর্তে পরিচিত হয়ে ওঠেন মাদাম মারি কুরি নামে। বিশ্ব জুড়ে আজ এ নামেই তাঁকে একডাকে চেনে। বিয়ের অব্যবহিত পর থেকে মারি একান্তভাবে স্বামীর সঙ্গে চুম্বক ও বিদ্যুতের সমস্যাবলি নিয়ে গবেষণায় আত্মনিয়োগ করেন।

     

    আরও দেখুন
    Science
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    গ্রন্থাগার সেবা
    বই পড়ুন
    সেবা প্রকাশনী বই

     

    ১৮৯৬ সালে মারি কুরি প্রথম হয়ে ফেলোশিপ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এই সময় বিজ্ঞানী অরি বিক্‌কুয়েরেল (Henri Becquerel) ইউরেনিয়াম নিয়ে পরীক্ষা করতে গিয়ে লক্ষ্য করেন, সূর্যের আলো ছাড়াই ইউরেনিয়াম এক নতুন ধরনের আলোকরশ্মি বিকিরণ করছে। ঘটনাটা আকস্মিকভাবেই ঘটেছিল। একদিন তিনি অন্ধকার ঘরে ফটোগ্রাফি প্লেটের ওপর কাগজে কিছু ইউরেনিয়াম যৌগ রেখে যান। খানিকক্ষণ পরে এসে দেখেন, কোনোরকমের আলো ছাড়াই ইউরেনিয়াম যৌগ থেকে বিকীর্ণ রশ্মি প্লেটের ওপর ছবি এঁকে দিয়েছে। তিনি এই নতুন রশ্মির নাম দেন বিক্‌কুয়েরেল রশ্মি। তিনি বুঝতে পারেন, ইউরেনিয়ামের নিজস্ব গুণের মাধ্যমেই এমনটা হচ্ছে। কিন্তু এক পর্যায়ে তিনি তাঁর গবেষণা নিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হলে তাঁর সাহায্যে এগিয়ে আসেন কুরি দম্পতি। উদ্ভূত সমস্যা পর্যবেক্ষণ করে কুরির ধারণা হলো, অপরিশোধিত খনিজ পদার্থ ইউরেনিয়াম পিচব্লেন্ডের (Uranium Pitch Blaende) ভেতর ইউরেনিয়াম ছাড়াও নিশ্চয়ই অন্য আর কোনো পদার্থও আছে। তাই তিনি শুরু করলেন পিচব্লেন্ড খনিজ পদার্থ নিয়ে গবেষণা। কিন্তু এই মূল্যবান খনিজ পদার্থ পিচব্লেন্ড একমাত্র অস্ট্রিয়া ছাড়া আর কোথাও পাওয়া যায় না। তাই অনেক চেষ্টা-চরিত্রের পর অস্ট্রিয়া থেকেই সংগ্রহ করে আনা হলো পিচব্লেন্ড খনিজ পদার্থ।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    Science
    বিজ্ঞান
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা কমিকস
    বাংলা কবিতা
    বইয়ের
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    Books

     

    এরপর কুরি দম্পতি লেগে গেলেন এই অপরিশোধিত খনিজ পদার্থ শোধনের কাজে। একটানা দীর্ঘ দুবছর কঠোর পরিশ্রমের পর তাঁরা আবিষ্কার করলেন ‘বিসমার্থ’ যৌগিক উপাদান। আর বিসমার্থকে আরও শোধন করতে গিয়েই তাঁরা পেয়ে যান তাঁদের কাঙ্ক্ষিত বস্তু।

    ১৮৯৮ সালের জুলাই মাসে কুরি দম্পতি ঘোষণা করলেন তাঁদের নতুন আবিষ্কৃত উপাদানের কথা। এর তেজষ্ক্রিয়তা ইউরেনিয়ামের চেয়ে ৪০০ গুণ বেশি। এর নাম রাখা হলো পোলোনিয়াম (Polonium)। কিন্তু কুরি দম্পতি তাতেও খুশি হলেন না। ফলে তাঁদের গবেষণা চলতেই থাকল। অবশেষে এর কিছুদিন পর পাওয়া গেল আরও অত্যাশ্চর্য কিছু নতুন উপাদানের। তাঁরা এই নতুন পদার্থটির নাম দিলেন রেডিয়াম (Radium)।

    এই রেডিয়াম সত্যিকারভাবেই অদ্ভুত এক উপাদান। এটা ইউরেনিয়ামের থেকেও দশ লক্ষ গুণ তেজস্ক্রিয়তাসম্পন্ন। আর এর পরিমাণও খুবই কম। যেমন এক টন পিচব্লেন্ড, পঞ্চাশ টন জল আর ছয় টন রাসায়নিক পদার্থ শোধন করলে, পাওয়া যায় ভাগ্য ভালো হলে, মাত্র এক গ্রেন পরিমাণ রেডিয়াম।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    Science
    বিজ্ঞানের
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বইয়ের
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা উপন্যাস
    বুক শেল্ফ
    অনলাইন বুক
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

     

    এই অত্যাশ্চর্য আবিষ্কারের জন্য ১৯০৩ সালে লন্ডনের রয়্যাল সোসাইটি কুরি দম্পতিকে ‘ডেভি পদক’-এ ভূষিত করে এবং একই বছর মাদাম কুরি বিজ্ঞানী অরি বিকুয়েরেল (Henri Becquerel) এবং তাঁর স্বামী পিয়েরে কুরির সাথে একত্রে লাভ করেন নোবেল পুরস্কার।

    কুরি দম্পতির প্রথম কন্যাসন্তানের জন্ম হয় ১৮৯৭ সালে। নাম রাখা হয়েছিল ‘ইরেন’ (Irene)। তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান ‘ইভ’ (Eve)-এর জন্ম হয় ১৯০৪ সালে।

    ১৯০৬ সালে মাদাম কুরির জীবনে ঘটে যায় চরম শোকাবহ ঘটনা। স্বামী পিয়েরে কুরি এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। এই দুর্ঘটনায় মেরির হৃদয় সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। কিন্তু বিজ্ঞান গবেষণা তাঁর অব্যাহত থাকে। তিনি ১৯১০ সালে একক প্রচেষ্টায় বিশুদ্ধ অবস্থায় রেডিয়ামকে পৃথক করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। এই কৃতিত্বের জন্য তিনি এককভাবে দ্বিতীয়বারের জন্য ১৯১১ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

    ১৯১৩ সালে তিনি নিজের দেশ পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহরে একটি রেডিয়াম ইনস্টিটিউট স্থাপন করেন। ১৯১৪ সালে তিনি প্যারিসের নবপ্রতিষ্ঠিত রেডিয়াম ইনস্টিটিউটের তেজস্ক্রীয় গবেষণাগারের প্রধান নির্বাচিত হন।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    Science
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ই-বই
    বাংলা কমিকস

     

    এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে তিনি গবেষণার কাজ ছেড়ে আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। তিনি মেডিকেল সার্ভিসে যোগ দেন। গঠন করেন ইউনিয়ন অব উইমেন অব ফ্রান্স।

    ১৯২১ সালে তিনি ৫৪ বছর বয়সে আমেরিকা সফরে যান। এসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁকে এক গ্রাম রেডিয়াম উপহার দেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মহিলা সংগঠনও তাঁকে সমপরিমাণ রেডিয়াম উপহার দেয়। তিনি এগুলো নিয়ে আসেন নিজের দেশে এবং ওয়ারশ হাসপাতালে চিকিৎসাকাজে ব্যবহার করেন।

    ১৯২৯ সালে দ্বিতীয়বারের মতো তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন।

    এদিকে স্বামীর শোক এবং দীর্ঘ দিনের একটানা পরিশ্রমে মাদাম কুরির শরীর ভেঙে পড়ছিল। ১৯৩৪ সালের মে মাসে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং এর দুমাস পরে জুলাই মাসে এই মহীয়সী বিজ্ঞানীর মৃত্যু হয়। জানা যায়, রেডিয়ামের তেজস্ক্রীয়তাই ছিল তাঁর মৃত্যুর কারণ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Next Article স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    Related Articles

    ভবেশ রায়

    বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }