Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়

    ভবেশ রায় এক পাতা গল্প689 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মার্কোনি (১৮৭৪–১৯৩৭) – বেতারযন্ত্রের আবিষ্কারক

    ১৯০১ সালে যখন ইউরোপীয় ভূখণ্ড থেকে সর্বপ্রথম আটলান্টিক মহাসাগরের অপর পারে বেতার-সংকেত পাঠানো সম্ভব হয় তখন সারা বিশ্বের এই অভূতপূর্ব সাফল্যে বিস্ময়ের সীমা ছিল না। নিউ ইয়র্ক টাইমস্ পত্রিকার ১৪ ডিসেম্বর (১৯০১) তারিখের সংখ্যার প্রথম পৃষ্ঠার খবরে বলা হয়, আজ রাতে আধুনিককালের সবচেয়ে বিস্ময়কর বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    অথচ এই চরম সাফল্যের দুদিন আগেও দেশের ঝানু ঝানু বিজ্ঞানী এই প্ৰচেষ্টাকে স্রেফ আহাম্মকি কাজ বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সবার মুখে কালি দিয়ে তরুণ বিজ্ঞানী গুলিয়েলমো মার্কোনি (Guglielmo Marconi) তাঁর বেতারযন্ত্র আবিষ্কারকে সত্যি সত্যি চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন।

    মার্কোনির এই বিস্ময়কর আবিষ্কার কিন্তু রাতারাতি সম্ভব হয়নি, দীর্ঘদিনের অক্লান্ত পরিশ্রম আর নিষ্ঠার মাধ্যমেই তিনি এই অসাধ্য সাধন করেন।

    বেতার মাধ্যমে সংকেতবার্তা প্রেরণের প্রথম চিন্তা যখন তাঁর মাথায় ঢোকে তখন তিনি মাত্র কিশোর।

    ইতালির বোলোনে শহরের উপকণ্ঠে ‘ভিলা গ্রিফোন’ নামের বিশাল এক দোতলা বাড়ির দুটি ভিন্ন ভিন্ন চিলেকোঠায় বসে দুজন যুবক নানারকম যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করছিল। এদের একজন বিশ বছর বয়সী গুলিয়েলমো মার্কোনি এবং তাঁর বড় ভাই ঊনত্রিশ বছরের আলফনসো।

    ছোট ভাই মার্কনি দোতলার চিলেকোঠার ঘরে স্থাপন করেছেন একটি ট্রান্সমিটার যন্ত্র এবং ঘরের অপর প্রান্তে একটি কম্পাস নিড্‌ল্। এই ট্রান্সমিটারে তিনি সাধারণ টেলিগ্রাফিক কি-বোর্ডের মাধ্যমে মোর্স কোড-এর মতো সংকেত প্রেরণ করলেই তা অন্য প্রান্তে রক্ষিত কম্পাস নিড়লে ধরা পড়ছে। মাঝে কোনো তার সংযোজনেরও প্রয়োজন হয় না।

    আসলে মার্কোনি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে দেখতে পান যে, ট্রান্সমিটারের সাহায্যে সংকেত প্রেরণ করলে তার শব্দতরঙ্গ বাতাসে ভর করে চারদিকে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং এই সংকেতই দূরে রক্ষিত কম্পাস নিভূলে প্রতিফলিত হয়ে থাকে। ফলে সংকেত-শব্দ বেজে ওঠে।

     

    আরও দেখুন
    রেডিও
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বেতারের
    বৈজ্ঞানিক
    বেতার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা কুইজ গেম
    অনলাইন বুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

     

    এটা ছিল তাঁর কাছে প্রথমে একটি মজার খেলা। কিন্তু খেলাটি তিনি একা খেলতে পারছিলেন না। এতে দুজন মানুষের প্রয়োজন হয়। তাই তিনি তাঁর এই খেলার সঙ্গী করে নেন বড় ভাই আলফনসোকে। তবে পুরো কাজটি করতেন মার্কোনি নিজে।

    বস্তুত তাঁরা দুজনেই ক্রমে দূরে, তারপর আরও দূরে সংকেত প্রেরণ করা যায় কি না, করছিলেন সেই চেষ্টাই।

    কিন্তু মার্কোনির বাবা ব্যাপারটাকে মোটেও গুরুত্ব দিলেন না। ভাবলেন হয়তো ওটা ছেলেমানুষি খেলা ছাড়া আর কিছু নয়। তাই তিনি একদিন রেগে গিয়ে ছেলেদের খেলার যন্ত্রপাতিগুলোও সোজা ভেঙে ফেলে দিলেন। অবশেষে মা এসে শেষরক্ষা করেন।

    বাবা যতই অপছন্দ করুন না কেন, ছোট ছেলে মার্কোনির মাথা থেকে কিন্তু বেতার তৈরির চিন্তা গেল না। বরং দু’ভাই দ্বিগুণ উৎসাহে শুরু করে দিলেন তাঁদের কাজ। আর কেবলি উপায় খুঁজতে লাগলেন, কীভাবে তাঁদের উদ্ভাবিত যন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করা যায়! ভাবনা মতো, তাঁরা এবার তাঁদের যন্ত্রটিকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়ে আসেন।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বেতার
    রেডিও
    বেতারের
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞানের
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    গ্রন্থাগার সেবা

     

    প্রথম দিকে তাঁরা ট্রান্সমিটারটি বসিয়েছিলেন চিলেকোঠার একটা ঘরের মধ্যে এবং ঘরের বাইরে সামান্য দূরেই এর গ্রাহকন্ত বা রিসিভারটি। এবার তাঁরা ট্রান্সমিটারটি স্থাপন করলেন চিলেকোঠায় আর রিসিভার স্থাপন করলেন একেবারে নিচের তলায়। এবং এবারই তাঁরা তাঁদের লক্ষ্য অর্জনে সফলকাম হলেন। মার্কনি অনায়াসে চিলেকোঠার ঘর থেকে সংকেত পাঠিয়ে তা নিচের তলার ঘরে রাখা রিসিভারের মাধ্যমে ধরতে সক্ষম হলেন। তাঁরা সংকেত পাঠিয়েছিলেন মাত্র একটি শব্দ। একটি ইংরেজি বর্ণমালা এস (S)। এই শব্দের উচ্চারণই রিসিভারে ধরা পড়ে।

    মার্কোনির মনে তখন দৃঢ় বিশ্বাস জন্মালো, যদি তাঁর ট্রান্সমিটার থেকে শব্দতরঙ্গ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তা নিচের তলার ঘর পর্যন্ত পৌঁছুতে পারে, তা হলে এই শব্দতরঙ্গ আরও দূরেও নিশ্চয়ই যেতে পারবে। তখন তাঁরা দুভাই ব্যপারটিকে আরও যাচাই করে দেখার জন্য এবার ঘর থেকে বাইরে নিয়ে গেলেন তাঁদের সমস্ত যন্ত্রপাতি।

    বড় ভাইকে সঙ্গে নিয়েই মার্কোনি গেলেন বাড়ি থেকে দূরে একটি পাহাড়ে। এবার ট্রান্সমিটারটি তাঁরা স্থাপন করলেন একটি উঁচু পাহাড়ের মাথায়। ভাইকে বলে দিলেন, তিনি ট্রান্সমিটারের সামনে পিস্তল দিয়ে গুলি করবেন। যদি তাঁদের যন্ত্রপাতি ঠিকঠাক থাকে, তা হলে ট্রান্সমিটার থেকে বেশ দূরে পাহাড়ের ঢালে রাখা গ্রাহকান্ত্র বা রিসিভারে এই গুলির শব্দ ধরা পড়বেই।

     

    আরও দেখুন
    বেতারের
    বৈজ্ঞানিক
    রেডিও
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বেতার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    গ্রন্থাগার
    বাংলা কবিতা
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    অল্পক্ষনের মধ্যে সত্যি সত্যি তা-ই হলো। মার্কোনির কথামতো পাহাড়ের মাথায় বসানো ট্রান্সমিটারের সামনে বড় ভাই পিস্তল থেকে গুলি করতেই তার সব্দ স্পষ্ট প্রতিধ্বনিত হলো রিসিভার বা গ্রাহকযন্ত্রে। এখানে গাছপালা বা পাহাড় কোনোটাই বাধার সৃষ্টি করতে পারল না। সব ডিঙিয়ে তাদের শব্দতরঙ্গ এসে আছড়ে পড়ল রিসিভারে। তাঁরা এই সাফল্যজনক পরীক্ষাটি করেছিলেন ১৮৯৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।

    এই ঘটনা ঘটার পর থেকে মার্কোনির বাবা দু’ছেলের ব্যাপারে বেশ নরম আচরণ করতে শুরু করলেন। তিনি বুঝতে পারলেন তাঁর ছেলেরা, বিশেষ করে বেশি ধীরস্থির ও বুদ্ধিমান ছোট ছেলে মার্কোনি হয়তো সত্যি সত্যি একটা চমৎকার কিছু করে ফেলেছে। এখন আর তাদেরকে অবহেলা করা চলবে না।

    গুলিয়েলমো মার্কনির জন্ম ১৮৭৪ সালের ২৫ এপ্রিল ইতালির বলোনে শহরে। পিতার নাম জুসেপ্পে মার্কোনি এবং মায়ের নাম ছিল অ্যানি জেমসন। তিনি ছিলেন আয়ারল্যান্ডের অধিবাসী। ইতালিতে এসেছিলেন সঙ্গীতের ওপর পড়াশোনা করাতে। কিন্তু পড়াশোনা শেষ হওয়ার আগেই ইতালির ধনাঢ্য ব্যক্তি জুসেপ্পে মার্কোনির সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। তখন অ্যানির সাথে জুসেপ্পের বয়সের পার্থক্য ছিল ১৭ বছর। এ ছাড়া তিনি ছিলেন বিপত্নীক। কিন্তু তারপরও অ্যানি জুসপ্পেকে ভালবেসে ফেললেন এবং অভিভাবকের সম্পূর্ণ অমতে বিয়ে করে বসলেন তাঁকে। তাঁর আর তাঁর দেশে যাওয়া হল না। তিনি উঠে এলেন জুসেপ্পের বোলোগ্নার রাজপ্রাসাদতুল্য বাড়ি ভিলা গ্রিফোর-এ।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বেতার
    বেতারের
    রেডিও
    বিজ্ঞান
    বৈজ্ঞানিক
    অনলাইন বুক
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার

     

    বিয়ে হওয়ার দেড় বছরের মধ্যেই তাঁদের প্রথম সন্তান আলফনসোর জন্ম হয়। দ্বিতীয় পুত্র গুলিয়েলমোর জন্ম হয় এর নয় বছর পরে।

    গুলিয়েলমোর যখন মাত্র দশ বছর বয়স, তখন থেকেই তিনি বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নিয়ে নাড়াচাড়া করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। এ ব্যাপারে তাঁর মা অ্যানি ছেলেকে খুবই উৎসাহ দিতেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, তাঁর ছোট ছেলে গুলিয়েলমো নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে একটা কিছু করবে। তাই তাঁকে উৎসাহ দেওয়া তাঁর নৈতিক দায়িত্ব। প্রয়োজন তাঁর জন্য একটি গবেষণাগারও প্রতিষ্ঠা করে দেওয়ার। তাই তিনি নিজেই বাড়ির ছাদের চিলেকোঠাটি তাঁদের গবেষণার জন্য বরাদ্দ করে দিলেন। এরপর এখানে বসেই মার্কোনি তাঁর বৈজ্ঞানিক গবেষণায় লাভ করেন প্রাথমিক সাফল্য।

    আর এবার বাবা জুসেপ্পে নিজেই এগিয়ে এলেন ছেলেদের সাহায্যে। ভাবলেন, তাঁর ছেলের এই আবিষ্কার যদি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভ করে, তাহলে একটা বড় কাজের কাজ হবে। বিশ্বজুড়ে তাঁর নাম ছড়াবে। একজন বিজ্ঞানী হিসেবেও স্বীকৃতি পাবে গুলিয়েলমো।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বেতার
    বেতারের
    বিজ্ঞান
    বৈজ্ঞানিক
    রেডিও
    বাংলা কুইজ গেম
    Books
    অনলাইন বুক
    বাংলা ভাষা

     

    এই উদ্যেশ্য থেকে মার্কোনির বাবা জুসেপ্পে নিজেই উদ্যোগী হয়ে ছেলের পক্ষে ইতালির পোস্ট অ্যান্ড টেলিগ্রাফ বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে ছেলের আবিষ্কারের স্বীকৃতির জন্য আবেদন জানালেন। কিন্তু কোনো লাভ হলো না। ইতালি সরকার মাত্র ২০/২২ বছরের একজন যুবকের আবিষ্কারের প্রতি কোনো গুরুত্বই দিলেন না। এই ঘটনায় ভয়ানক দুঃখ পেলেন মার্কোনি। দুঃখ পেলেন তাঁর মা-বাবাও। ছেলের আবিষ্কার নিয়ে তাঁদের দু’জনেই অসম্ভব আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু যে দেশে তাঁর জন্ম, সেই দেশই তাঁকে স্বীকৃতি দিল না! কিন্তু হতাশ হলেও তাঁরা ভেঙে পড়লেন না। দেশে তাঁদের স্বীকৃতি নাই-বা মিলল। বিদেশে নিশ্চয়ই অনাদর হবে না।

    এরপর মার্কোনি ইংল্যান্ডে যাবার সিদ্ধান্ত নিলেন। ছেলেকে অতদূরে একা যেতে রাজি ছিলেন না। মা অ্যানি তাই নিজেই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে রওনা দিলেন লন্ডনের পথে। সঙ্গে নিলেন মার্কোনির আবিষ্কৃত বেতারযন্ত্রের যাবতীয় সাজসরঞ্জাম।

    কিন্তু পথেই ঘটল একটা অঘটন। তাঁরা যখন ইংলিশ চ্যানেল পার হচ্ছিলেন, তখন শুরু হলো কাস্টম চেকিং। কাস্টম অফিসাররা বুঝতেই পারলেন না এসব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির গুরুত্ব। তাই তাঁরা ভড়কে গেলেন। ভাবলেন, নিশ্চয়ই এরা গুপ্তচর। মহারানি ভিক্টোরিয়াকে হত্যা করার জন্যই ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে জাহাজে চেপে বসেছে। তাই তাঁরা কিছু বুঝতে না চেয়েই মার্কোনির বেতারযন্ত্রটি ভেঙেচুরে একেবারে নষ্ট করে দিল। কী আর করা, মার্কোনি এবং তাঁর মা অ্যানি চোখের জল মুছতে মুছতেই বেতারের ভাঙা যন্ত্রাংশগুলো নিয়েই অবশেষে পৌঁছুলেন লন্ডনে।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বেতারের
    বিজ্ঞানের
    বেতার
    রেডিও
    বৈজ্ঞানিক
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    অনলাইন বুক
    বাংলা সাহিত্য

     

    এখানকার ভিক্টোরিয়া স্টেশনে অ্যানির এক মামাত ভাই থাকতেন। তাঁর বাড়িতেই গিয়ে উঠলেন মা ও ছেলে। ভাগ্নের এই কৃতিত্বপূর্ণ আবিষ্কারের কথা শুনে মামা তো মহাখুশি। আবার দুঃখিতও হলেন জাহাজে ঘটে যাওয়া অপ্রত্যাশিত ঘটনার জন্য। কিন্তু ওই পর্যন্তই। তারপর একটু ভেবে ভাগ্নে মার্কোনির দিকে ফিরে মামা বললেন, যা হবার হয়ে গেছে। ভাগ্নে, তুমি শিগগিরই যন্ত্রপাতি কিনে তোমার মেশিন আবার ঠিকঠাক করে ফেলো। আর আমি ততদিনে খোঁজখবর নিতে থাকি তোমার এই আবিষ্কারের কথা কারকাছে কিভাবে পেশ করা যায়।

    মামা এবং মায়ের উৎসাহে মাসকয়েকের মধ্যেই মার্কোনি তাঁর ভেঙে ফেলা বেতার- যন্ত্রটি আবার নতুন করে তৈরি করে ফেললেন। তারপর মেশিন, মেশিনের নকশাসহ জমা দিলেন লন্ডনে পেটেন্ট অফিসে ১৮৯৭ সালের ২ জুলাই তারিখে। নতুন আবিষ্কার হিসেবে মার্কনি পেটেন্ট নম্বরও পেলেন। তাঁর বেতার-যন্ত্রের পেটেন্ট নম্বর ছিল ১২,০৩৯, ঠিকানা : গুলিয়েলমো মার্কোনি, ৭১ হেয়ারফোর্ড রোড, বয়েস ওয়াটার, লন্ডন।

    এরপর তিনি মামার মাধ্যমেই তাঁর বেতারযন্ত্রটি পেশ করলেন পোস্টঅফিসের প্রধান প্রকৌশলী উইলিয়াম প্রিস-এর কাছে।

     

    আরও দেখুন
    বেতারের
    বিজ্ঞানের
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞান
    রেডিও
    বেতার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বই
    গ্রন্থাগার

     

    ৬৩ বছর বয়স্ক প্রিস ছিলেন অত্যন্ত অমায়িক এবং নিজেও ছিলেন একজন প্রকৌশল-বিজ্ঞানী। তিনি সাদরে গ্রহণ করলেন এই তরুণ বিজ্ঞানীকে। তারপর মার্কোনিকে তিনি তাঁর নিজের গবেষণাগার ব্যবহার করারও অনুমতি দিলেন।

    উল্লেখ্য, মার্কোনি যে বেতারযন্ত্রটি ইতিমধ্যে আবিষ্কারে সক্ষম হয়েছেন, সে- রকমেরই একটি যন্ত্র আবিষ্কারের জন্য উইলিয়াম প্রিসও দীর্ঘ দিন ধরে গবেষণা করে আসছিলেন। তিনি যা পারেননি, এই যুবক সেই অসাধ্য সাধন করেছেন জেনে তাঁর যেন খুশির অন্ত নেই। প্রথম দিনেই এই তরুণ ও প্রবীণ বিজ্ঞানীর মধ্যে গড়ে উঠল অন্তরঙ্গ সম্পর্ক।

    প্রিসের গবেষণাগারে জর্জ কেম্প নামের একজন টেকনিশিয়ান ছিলেন। মার্কোনি তাঁরও আন্তরিক সহযোগিতা পেলেন।

    ইতিমধ্যে তিনি তাঁর বেতারযন্ত্রের শক্তি আরও বাড়াতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূর পর্যন্ত সংকেত পাঠাতে পারা যাচ্ছে। ব্যাপারটা একদিন তিনি প্রমাণ করেও দেখালেন।

    সেন্ট মার্টিনে অবস্থিত পোস্টঅফিসের ছাদ থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরবর্তী কুইন ভিক্টোরিয়া স্ট্রিটের সেভিংস ব্যাংক ডিপার্টমেন্টের ছাদে সংকেত পাঠিয়ে তিনি উপস্থিত সবাইকে তাক লাগিয়ে দিলেন। মাঝখানে ছিল অনেক উঁচু উঁচু ভবন আর দেয়াল। সবকিছু ডিঙিয়ে তাঁর পাঠানো সংকেত রিসিভার বা গ্রাহকযন্ত্রে ধরা দেয়।

     

    আরও দেখুন
    বেতারের
    বৈজ্ঞানিক
    বেতার
    বিজ্ঞানের
    রেডিও
    বিজ্ঞান
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    PDF
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    তিনি এবার তাঁর যন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করতে করতে লাগলেন। এ চেষ্টায় সফলকামও হলেন। প্রথমে তিনি এক কিলোমিটিার, পরে দুই কিলোমিটার— এভাবে পনেরো কিলোমিটার পর্যন্ত দূরে শব্দ-সংকেত পাঠাবার উপযোগী করে তুললেন তার আবিষ্কৃত যন্ত্রটিকে।

    ফলে বিনা তারের এই টেলিগ্রাফ পদ্ধতি একটি ব্যবহারিক পর্যায়েও চলে আসে। পোস্টঅফিস, সেনাবাহিনী এবং জাহাজ চলাচলে এটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে।

    অবশ্য মার্কোনি আবিষ্কৃত যন্ত্রটি তখনও রেডিও নাম ধারণ করেনি। তাই তার সাহায্যে আজকের মতো বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচারের কাজ তখন শুরু করা সম্ভব হয়নি। তখনও মার্কোনির যন্ত্রটি শুধু বেতার-সংকেত প্রেরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

    পনেরো কিলোমিটারদূর সংকেতবার্তা পর্যন্ত পাঠাতে সক্ষম হওয়ার পরই আরও উচ্চাকাঙ্খী হয়ে ওঠেন। এই সময় তিনি তাঁর এক বন্ধুকে তাঁর সাফল্য সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছিলেন, “আমার জীবনের স্বপ্ন সফল হয়েছে এখন।”

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    রেডিও
    বিজ্ঞানের
    বৈজ্ঞানিক
    বেতারের
    বেতার
    বাংলা গল্প
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ভাষা

     

    ১৮৯৭ সালে তিনি ইংলিশ চ্যানেলের এপার থেকে ওপার পর্যন্ত সংকেত পাঠাতে সক্ষম হন। সেই বছরেরই শেষের দিকে তিনি ইতালি সরকারের আমন্ত্রণে দেশে ফিরে আসেন। ইতিমধ্যেই তারা জানতে পেরেছিল যে, তাদের দেশের একজন নাগরিকেরই আবিষ্কৃত একটি বেতার ইংল্যান্ডে নানাভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টাকরা হচ্ছে। অথচ এটির ন্যায্য হকদার ইতালি। মার্কোনি দেশে ফিরেই ইতালির স্পেজিয়া নৌ ঘাঁটি থেকে অনেক দূরে সংকেত পাঠিয়ে তাঁর আবিষ্কৃত বেতার যন্ত্রের কার্যকারিতা প্রমাণ করে দেখালেন। ফলে ইতালি সরকার আগ্রহী হয়ে উঠলেন তাঁর আবিষ্কারের প্রতি এবং তাঁরা তাকে দেশেই স্থায়িভাবে বসবাস করার অনুরোধ জানালেন।

    কিন্তু ততদিনে ইংল্যান্ডে তাঁর কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হয়ে গেছে এবং সেখানে তাঁর বেতার-যন্ত্র বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরির তখন চেষ্টা চলছে। কোম্পানির নামকরণ করা হয়েছে মার্কনি’স ওয়্যারলেস টেলিগ্রাফ কোম্পানি।

    শুধুতাই নয়, ইতিমধ্যে তাঁর বেতারযন্ত্র সমুদ্রের বিভিন্ন লাইটহাউসহ, জাহাজে পর্যন্ত ব্যবহৃত হতে শুরু করেছে এবং চারদিকে তা অত্যন্ত গুরুত্বও পেতে শুরু করেছে। এরপর ১৯০১ সালে আসে মার্কোনির জীবনের চরম সাফল্য। তিনি ইংল্যান্ড থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিম পারে নিউফাউন্ডল্যান্ডে বার্তা পাঠাতে সক্ষম হন। এই দূরত্ব ছির ৩,৩৭৮ কিলোমিটার।

     

    আরও দেখুন
    বেতার
    বেতারের
    রেডিও
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    Books
    গ্রন্থাগার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা গল্প

     

    তাঁর এই বিস্ময়কর বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের জন্যই তিনি ১৯০৯ সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। এর পর থেকেই তাঁর নাম ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। তিনি একজন যুগস্রষ্টা বিজ্ঞানী বলেও স্বীকৃতি লাভ করেন। একসময় তারা যাঁকে অনাদরে-অবহেলায় দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন, সেই ইতালি সরকার তাঁকে আনুষ্ঠানিক ভাবে সম্মান জানান এবং নির্বাচিত করেন আজীবন সিনেট সদস্য।

    প্রথম মহাযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) সময় মার্কোনি নিজের দেশেই ছিলেন এবং দেশের সেনা ও নৌবাহিনীতে কাজ করেন। কিছুদিন তিনি যুদ্ধে মিত্রপক্ষের বেতার যোগাযোগ বিষয়ক উপদেষ্টাও ছিলেন।

    প্রথম মহাযুদ্ধের পর মার্কোনির বেতারের ব্যবহার আরও বেড়ে যায়। প্রত্যেকটি সামুদ্রিক জাহাজে বাধ্যতামূলকভাবে বেতারযন্ত্র ব্যবহার করা হতে থাকে।

    এরপর শুরু হয় তাঁর আবিষ্কৃত বেতারযন্ত্রের আরও বিচিত্রমুখি ব্যবহার। এতদিন তার ব্যবহার ছিল কেবল বিপদসংকেত, আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং ঝড়ের সংকেত প্রেরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এবার তাকে বিনোদনমূলক কাজেও ব্যবহার করা হতে থাকে। বেতার-যন্ত্রের মাধ্যমে শোনা যেতে লাগল গানবাজনা এবং ঘটে যাওয়া ও চলমান ঘটনার বিবরণ সংবলিত সংবাদ। বেতারযন্ত্র এভাবেই পেল তার পূর্ণাঙ্গ রূপ। ১৯২০ সালে মার্কোনির মা অ্যানির মৃত্যু হয়। অবশ্য মারা যাবার আগেই তিনি ছেলের চূড়ান্ত সাফল্য দেখে যেতে পেরেছিলেন।

     

    আরও দেখুন
    বেতারের
    বিজ্ঞানের
    বৈজ্ঞানিক
    বেতার
    বিজ্ঞান
    রেডিও
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    ই-বুক রিডার
    বাংলা লাইব্রেরী
    বুক শেল্ফ

     

    এত সম্মান ও স্বীকৃতি লাভ করার পরও তিনি বেতার যন্ত্রের আরও উন্নতি সাধনে ব্যয় করতে থাকেন দিন ও রাতের প্রায় অধিকাংশ সময়। এরই এক পর্যায়ে তিনি দেখতে পান যে, শর্টওয়েভ বেতার সংকেতকে বিমের মধ্য দিয়ে চালানো সম্ভব। ১৯২৪ সালে তিনি বিম-পদ্ধতিতে শর্টওয়েভ বেতার সংকেতের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সঙ্গে বেতার সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হন। অবশেষে এভাবেই বেতারযন্ত্র তার উন্নতির চূড়ান্ত পর্যায়ে উন্নীত হয়।

    মার্কোনি জীবনে দুবার বিয়ে করেছিলেন। পিতার আদেশে প্রথমে বিয়ে করেন ব্রিটেনের এক মেয়েকে। কিন্তু তাঁর সেই বিয়ে সুখের হয়নি। এরপর তিনি নিজেই পছন্দ করে বিয়ে করেন এক ইতালিয়ান মেয়েকে। মেয়েটির নাম ছিল ম্যারিয়া ক্রিসটিনা বেজি স্ক্যালি। ম্যারির যখন বিয়ে হয় তখন মার্কনির বয়স ছিল ৫৬ বছর এবং ম্যারির তেইশ। বয়সের বিস্তর ব্যবধান সত্ত্বেও ম্যারিকে নিয়েই সুখী ছিলেন মার্কোনি।

    তিনি মারা যান ১৯৩৭ সালের ৯ জুলাই। তিনি নেই, কিন্তু তাঁর বেতারযন্ত্র আজ বিশ্বজয় করে বসে আছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Next Article স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    Related Articles

    ভবেশ রায়

    বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }