Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়

    ভবেশ রায় এক পাতা গল্প689 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হেলেন কেলার (১৮৮০-১৯৬৮) – যাঁর খ্যাতিকে নেপোলিয়নের সঙ্গে তুলনা করা হতো

    কেবল মনের বল এবং কর্মোদ্যমের মাধ্যমে যাঁরা নিজের জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, মহিমান্বিত করেছেন, তাঁদের অন্যতম ছিলেন মহীয়সী নারী হেলেন কেলার (Helen Keller)।

    জন্মগ্রহণের সময় হেলেন অবশ্য আর দশটি স্বাভাবিক শিশুর মতোই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। জন্মগ্রহণের বছর দেড়েক তিনি আর দশটা শিশুর মতোই দেখতে পেতেন, কানে শুনতেন এবং কথাও বলতে পারতেন। কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁর জীবনে নেমে এল এক মহাদুর্যোগ। তিনি পড়লেন ভয়ানক অসুখে। ফলে মাত্র উনিশ মাস বয়সে তিনি হয়ে গেলন বধির, বোবা এবং অন্ধ। তাঁর জীবনের সুদীর্ঘ নয়টি বছর তিনি ছিলেন বাকশক্তিহীন।

    অথচ এই মহীয়সী নারীই পরবর্তী জীবনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি রাজ্যে বক্তৃতা দিয়ে ফিরেছেন এবং ভ্রমণ করেছেন ইউরোপের প্রায় সবগুলো দেশ।

    হেলেন কেলারের জন্ম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলবানা অঙ্গরাজ্যের তাসকামবিয়া শহরে ১৮৮০ সালের ২৭ জুন। পিতা ক্যাপটেন আর্থার কেলার এবং মা ক্যাথেরিন। আর্থার কেলার ছিলেন সুইডেনের অধিবাসী। আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় (১৮৬১-৬২ সালে) তিনি ভাগ্যের অন্বেষণে সুইডেন ছেড়ে চলে আসেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। তারপর স্থায়ীভাবে এখানেই বসবাস করতে থাকেন। এখানে আসার পরই হেলেন কেলারের জন্ম হয়।

    তাঁর বাল্যজীবন ছিল খুবই দুঃখের। বোবা, কালা আর অন্ধত্বের অভিশাপ নিয়ে তিনি বড় হয়েছেন অবোধ বন্যপ্রাণীর মতো। যা কিছু তাঁর খারাপ লাগত, রাগে-ক্ষোভে ভেঙে চুরমার করতেন। ছোটবেলায় তিনি দুহাতে মুখে খাবার গুঁজে দিতেন বিশ্রীভাবে। অবশেষে অসহ্য হয়ে হেলেনের মা-বাবা তাঁদের মেয়েকে বোস্টনে অন্ধদের এক প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দেন। বলতে গেলে এই প্রতিষ্ঠানেই হয় হেলেন কেলারের নবজন্ম মিস অ্যান সুলিভান ( Annie Mansficld Sullivan) নামের একজন শিক্ষিকার কল্যাণে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বই পড়ুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    বুক শেল্ফ
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা কুইজ গেম
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

     

    অশেষ দরদ আর স্নেহ ভালবাসা দিয়ে সেবাশুশ্রূষা করে সুলিভান হেলেনের জীবনে ঘটান আশ্চর্য পরিবর্তন। তাঁরই চেষ্টায় হেলেন কেলার যেদিন প্রথম কথা বলতে শিখেছিলেন, সেদিন তাঁর যে আনন্দানুভূতি হয়েছিল, সে কথা হেলেন পরবর্তী সময়ে তাঁর স্মৃতিকথায় লিখে গেছেন।

    হেলেন কেলারের যখন সাত বছর বয়স, তখন এক মজার ঘটনা ঘটে। হেলেনের মা ক্যাথেরিন কেলার সেদিন বিখ্যাত লেখক চার্লস ডিকেন্সের ‘আমেরিকান নোট্স্’ (American Notes) পড়ছিলেন। তার থেকেই তিনি জানতে পারেন, বোস্টন শহরে পারকিন্স্ ইনস্টিটিউট নামে একটি হাসপাতালে মূক বধির এবং অন্ধ ছেলেমেয়েদের চিকিৎসা এবং সেবাশুশ্রূষা করা হয়।

    তখন পারকিন্‌স্ ইনস্টিটিউটের প্রধান ছিলেন মাইকেল অ্যানাগনোস। এই ইনস্টিটিউটেই হেলেন কেলারকে ভর্তি করা হয় এবং তাঁর দেখাশোনার দায়িত্ব পড়ে অ্যান সুলিভানের ওপর। তাঁকে এখানে ভর্তি করা হয় ১৮৮৭ সালের ৩ মার্চ।

    প্রথম যখন হেলেনকে এখানে এনে সুলিভানের হাতে তুলে দেওয়া হয় তখন তিনি ছিলেন একেবারেই উন্মাদ এবং মানবাকৃতির একটি জন্তুবিশেষ। কিন্তু সেই অবস্থা থেকে সুলিভান তাঁকে মানুষ করে তুলতে চেষ্টা চালিয়ে লাভ করেন অভাবনীয় সাফল্য।

     

    আরও দেখুন
    Library
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    PDF
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সাহিত্য

     

    মাত্র বছরখানেকের চেষ্টার ফলেই হেলেন কথা বলতে শেখেন এবং ব্রেইল পদ্ধতিতে প্রথমে ইংরেজি, তারপর ল্যাটিন, গ্রিক, ফ্রেঞ্চ এবং জার্মানভাষা শিখে ফেলেন। ১৮৯০ সালের ২৬শে মার্চ ছিল হেলেন কেলারের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় দিন। এদিনই তিনি কারো সাহায্য ছাড়াই ‘ইট ইজ ভেরি হট’—চার শব্দের এই বাক্যটি উচ্চারণ করেন।

    শুধু ভাষা শেখা নয়, তিনি আঙুল দিয়ে স্পর্শ করে করেই বাক্য বিনিময় করতেও শেখেন। তিনি শুধু অনুভূতি দ্বারাই তাঁর চারপাশে কে আছে, তার নাম-পরিচয় পর্যন্ত বলে দিতে পারতেন।

    তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র দশ বছর। এই সময়েই নরওয়ের একটি মূক ও বধির মেয়েকে হাসপাতালের ডাক্তাররা কথা বলাতে সক্ষম হন। এটা দেখে হেলেন নিজেও দাবি পেশ করে বসেন, তাঁকেও যেন কথা বলানোর চেষ্টা করা হয়।

    তারপর তা-ই করা হয় এবং বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, সুলিভান মাত্র ১১টি লেসনের মাধ্যমেই হেলেনকে কথা বলাতে সক্ষম হন। হেলেন অসম্ভব দক্ষতায় প্রতিটি লেসন আয়ত্ত করেন এবং কথা বলে ওঠেন।

    তিনি সহসাই ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে বলে ওঠেন, আমি এখন আর বোবা নই (I am not dumb now)।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    অনলাইন বুক
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার

     

    এর মাত্র মিনিট কয়েক পরই আনন্দিতা হেলেন সুলিভানের হাত স্পর্শ করে দ্বিতীয় বার উচ্চারণ করেন, টিচার (Teacher), অর্থাৎ সুলিভান হলেন হেলেনের শিক্ষিকা।

    ইনস্টিটিউটের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির পর ১৯০০ সালে এবার হেলেনকে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয় র‍্যাডক্লিফ কলেজে। চার বছর পড়ার পর এই কলেজ থেকেই তিনি সবার চেয়ে বেশি নম্বর পেয়ে বি. এ. পাস করেন। কলেজের দৃষ্টি ও শ্রবণেন্দ্রিয়সম্পন্ন ছেলেমেয়েদের চেয়েও হেলেন বেশি নম্বর পেয়েছিলেন।

    অবশ্য তিনি কলেজে পড়তেন তাঁর নিজস্ব পদ্ধতিতে। তাঁর জন্যই বিশেষ ব্যবস্থায় কলেজ কর্তৃপক্ষ পাঠ্যবইসমূহকে ব্রেইল পদ্ধতিতে ছাপার ব্যবস্থা করে দেন। তাঁর লেখা ও পরীক্ষার খাতা দেখার জন্যও অন্ধদের জন্য তৈরি বিশেষ ধরনের টাইপ-মেশিনের ব্যবস্থা করা হয়।

    কলেজ শিক্ষকদের পাশাপাশি সুলিভান নিজেও সর্বক্ষণই তাঁর পাশে থাকতেন। তিনিই কলেজের শিক্ষকদের ক্লাসের বক্তৃতা প্রথমে নিজে মুখস্থ করে রাখতেন, তারপর সেগুলো বলে যেতেন আর হেলেন সুলিভানের গণ্ডদেশ স্পর্শ করে সব কথা বুঝে নিতেন। তিনি মানুষের গলার স্বরতন্ত্রের যে কম্পন, সেই কম্পন অনুভব করেই বুঝতে পারতেন গলা দিয়ে কোন্ শব্দ নির্গত হচ্ছে।

     

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    অনলাইন বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    Books
    গ্রন্থাগার সেবা
    গ্রন্থাগার
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা গল্প
    অনলাইন বুক

     

    তিনি র‍্যাডক্লিফ কলেজে পড়ার সময়েই আত্মজীবনীমূলক একটি গ্রন্থ রচনা করেন। নাম ‘অপটিমিজম’ (Optimism)। তারপর কলেজ থেকে বেরিয়ে আসার মুহূর্তে রচনা করেন ‘দি স্টোরি অব মাই লাইফ’ (The Story of My Life)। কলেজ ছেড়ে আসার অল্প কিছুদিন পরেই প্রকাশ করেন তাঁর তৃতীয় গ্রন্থ ‘দি ওয়ার্ল্ড আই লিভ ইন’ (The world I Live in)। এর প্রায় একই সাথে প্রকাশিত হয় তাঁর একটি কবিতার বই “দি সঙ অব দি স্টোন ওয়াল’ (The Song of the Stone Wall)। তিনি তাঁর বইগুলো প্রথমে লিখতেন ব্রেইল পদ্ধতিতে, পরে এগুলোকে স্বাভাবিক হরফে ছাপিয়ে প্রকাশ করা হতো।

    তাঁর বইগুলো প্রকাশিত হবার পরপরই কিন্তু দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করে। তিনি এমন এক জগতের কথা লিখতেন, যে জগতের রহস্য কোনো স্বাভাবিক মানুষের পক্ষেই জানা সম্ভব নয়। এক অজানা অন্ধকারময় জগতের অভিযাত্রীর গল্প সেগুলো। পড়তে পড়তে মানুষের মন এক অজানা অনুভূতি এবং রহস্যময়তায় ভরে উঠত।

    আর তা ছাড়া যখনই কেউ জানতে পারতেন যে, এই লেখিকা নিজেই একজন অন্ধ ও বধির, তিনি নিজেই তাঁর অন্ধকার জগতের বাস্তব কথা বলেছেন, তখন পাঠকদের মন আরও কৌতূহলে ভরে উঠত।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বই
    বাংলা গল্প
    বই পড়ুন

     

    হেলেন কেলারের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে কিংবদন্তির মতো। এরপর বহু স্থান থেকে তাঁর কাছে বক্তৃতা দেয়ার জন্য আমন্ত্রণ আসত। তিনি সব অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বক্তৃতা দিতেন। তবে সর্বক্ষণই তাঁর পাশে থাকতেন সুলিভান।

    কিন্তু এর মধ্যে একটি অসুবিধা দেখা দিল। সুলিভান ম্যাকি নামের এক লোককে বিয়ে করে সংসার পেতে বসলেন। বিয়ের পরেও সুলিভান তাঁর ছাত্রী হেলেনের সাথে থাকতে চেষ্টা করতেন। তবু তাঁর নিজের একটি সংসার আছে, তাই সর্বক্ষণই থাকা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই সুলিভান নিজেই হেলেনের সহযোগিনী হিসেবে দুটি মেয়েকে নিয়োগ করলেন।

    তখন হেলেন বই লেখা এবং বক্তৃতা দেওয়াকেই নিজের পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বিয়ে হলেও সুলিভান প্রত্যেক অনুষ্ঠানেই হেলেনের সাথে থাকতেন এবং তাঁর বক্তৃতা ব্যাখ্যা করে শ্রোতাদের শোনাতেন।

    তারপর দেখা দিল আরেক বিপদ। সুলিভান এবার নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন। তাঁর চোখের দৃষ্টিশক্তি আগে থেকেই দুর্বল ছিল, এবার আরও খারাপ হয়ে গেল। প্রায় অন্ধ হয়ে যাবার মতো অবস্থা হলো তাঁর।

    তখন বাধ্য হয়ে সুলিভানের মতো একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মহিলার দরকার পড়ল হেলেনের জন্য, তাঁর একান্ত সহকারিণী হিসেবে যিনি কাজ করবেন।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা লাইব্রেরী
    বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    অনলাইন বুক
    নতুন উপন্যাস

     

    অবশেষে পাওয়া গেল সেই কাঙ্ক্ষিত মহিলাকে। স্কটল্যান্ডের পলি থমসন (Polly Thomson) নামের এক মহিলাকে নিয়োগ করা হলো হেলেন কেলারের প্রাইভেট সেক্রেটারি কাম কেয়ারটেকার হিসেবে।

    ১৯১৮ সালে হলিউড থেকে হেলেন কেলারের কাছে তার ওপর একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রস্তাব এলো। এই চলচ্চিত্র নির্মিত হবে তাঁর নিজেরই অন্ধকার জগতের কাহিনী নিয়ে।

    আশ্চর্য হলেও সত্যি, হেলেন কেলার সত্যি সত্যি একটি চলচ্চিত্র তৈরি করে ফেললেন। ‘ডেলিভারেন্স’ (Deliverance) নামের এই চলচ্চিত্র অন্ধ ও বধির নায়িকার ভূমিকায় হেলেন কেলার নিজেই অভিনয় করলেন।

    হেলেন কেলারের অন্যতম গুণগ্রাহী এবং বন্ধু ছিলেন টেলিফোন আবিষ্কারক আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল। কারণ গ্রাহাম নিজেও ছিলেন মূক ও বধির স্কুলের শিক্ষক।

    তিনি হেলেন কেলার এবং সুলিভানকে নানাভাবে সহযোগিতা করতে লাগলেন। গ্রাহাম বেল নিজেই দিতে লাগলেন প্রয়োজনীয় অর্থসাহায্য। তারপর হেলেনকে যুক্তরাষ্ট্রের নানা প্রদেশে ঘুরিয়ে আনা হলো। সেসব স্থানেও হেলেন বক্তৃতা দিলেন।

     

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা গল্প
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ভাষা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা ই-বই

     

    দেশভ্রমণ করতে গিয়ে তাঁর সাথে পরিচয় ঘটে বহু বিশ্বখ্যাত ব্যক্তির। তিনি তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন, অ্যান্ড্রু কার্নেগি, স্যার হেনরি আরভিং, মার্ক টোয়েন (Mark Tawin)-এর মতো ব্যক্তিদের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ লাভ করেন। হেলেন তাঁদের গণ্ডদেশ স্পর্শ করেই তাঁদের বক্তব্য বুঝে নিয়েছেন এবং তাঁদের কথার উত্তর দিয়েছেন।

    হেলেনের এই অনুভূতি জাত ক্ষমতা ছিল সত্যি এক বিস্ময়কর ব্যাপার। তিনি কারও গণ্ডদেশে হাত বুলিয়ে বলতে পারতেন তাঁর সামনের লোকটি কী বলছেন। তাঁর হাত স্পর্শ করে বলতেন তিনি কে, কী নাম বা তাঁর বংশপরিচয় কী? তিনি শুধু ফুলের গন্ধ শুঁকেই বলতে পারতেন ওটা কী ফুল।

    কিন্তু এই যে নিষ্পাপ, পবিত্র ও বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারিণী হেলেন কেলার, তাঁরও শত্রু ছিল। অনেকে তাঁর বিস্ময়কর প্রতিভা এবং জনপ্রিয়তাকে হিংসার চোখে দেখতেন। অনেকে তাঁর প্রতিভাকে খাটো করে দেখার চেষ্টা করতেন।

     

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা কবিতা
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    অনলাইন বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা লাইব্রেরী

     

    কেউ কেউ বলতেন, তিনি আসলে অন্ধ বা বধির ছিলেন না, তিনি ছিলেন একান্তই স্বাভাবিক মানুষ। তিনি অন্ধ বা বধিরের ভান করতেন মাত্র।

    আবার কেউ কেউ বলতেন, হেলেন কেলার ছিলেন আসলে এক বোকা মহিলা। সব কারসাজি অ্যান সুলিভানের। হেলেন ছিলেন আসলে সুলিভানের হাতের নাচের পুতুল। তিনি যা শিখিয়ে দিতেন, হেলেন তাই হুবহু অনুকরণ করতেন মাত্র। এখানে হেলেনের নিজস্ব কোনো কৃতিত্ব নেই। একটি নাচের পুতুল যেমন করে অন্তরালে বসে থাকা আসল খেলোয়াড়ের হাতের আঙুলের সুতোর টানে নাচে, এখানেও তেমনি নাচতেন হেলেন। নাচের পুতুলের মতোই। এখানেও হেলেনের নিজস্ব ক্ষমতা বলে কিছু নেই।

    কিন্তু হেলেন কেলারের বেলায় নিন্দুকদের এই অভিযোগ সত্যি নয়। তারা হেলেনকে সঠিকভাবে উপলদ্ধি করতে পারতেন না বলেই তাঁর সম্পর্কে তাঁর ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করতেন।

    গ্রাহাম বেলের মৃত্যুর এক বছর পরে ১৯২৩ সালে হেলেন কেলার আমেরিকান ফাউন্ডেশন ফর দি ব্লাইন্ড-এ যোগদান করেন। যুদ্ধে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন এমন অনেক সৈনিক সেখানে আসতেন। হেলেন তাঁদের জন্য ছিলেন প্রধান অবলম্বন। তিনি তাঁদেরকে অন্ধকারে কীভাবে চলতে হয়, তা শেখাতেন। তিনি অন্ধ ব্যক্তিদের চলাফেরার এমন একটি পদ্ধতি বের করলেন যা একজন অন্ধকে দান করতে পারে নতুন জীবন। ১৯৩৬ সালে হেলেনের শিক্ষিকা সুলিভান নিজেই সম্পূর্ণ অন্ধ হয়ে যান। তখন হেলেন নিজেই তাঁর দেখাশোনা করতে শুরু করেন। সুলিভান অন্ধ হয়ে যাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই মারাও যান। সুলিভানের মৃত্যুর পর অনেকে ধারণা করেছিলেন, এবার হয়তো হেলেন সত্যি সত্যি অসহায় হয়ে পড়বেন।

     

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা বই
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ইসলামিক বই
    গ্রন্থাগার

     

    কিন্তু তা হয়নি। তিনি দিব্যি একাই চলতে-ফিরতে পারতেন। তিনি তখন স্বাবলস্বী হয়ে উঠেছেন।

    দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় যুদ্ধে আহত এবং অন্ধ হয়ে যাওয়া সৈন্যদের মনোবল ফিরিয়ে আনার জন্য হেলেন তাদের কাছে ছুটে গেলেন, এবং নিজের অন্ধকার জীবনের গল্প বলে তাদের সান্ত্বনা দিতে থাকেন। তাদের নির্বিঘ্নে চলাফেরার প্রশিক্ষণও দিতেন তিনি। যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও অন্ধ মানুষদের সমাবেশে তাঁর বক্তৃতা দেয়ার কর্মসূচি অব্যাহত ছিল। তিনি বক্তৃতা-সফরে ঘুরে বেড়ান বিশ্বের বহু দেশ।

    হেলেন কেলার সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে প্রখ্যাত লেখক ও মনীষী মার্ক টোয়েন বলেছিলেন, “ঊনবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দুটো চরিত্র হলো সম্রাট নেপোলিয়ন এবং হেলেন কেলার।” মার্ক টোয়েন এও বলেছিলেন, “জোয়ান অব আর্কের পর ধরিত্রীর বুকে এমন গুণবতী নারী বিরল।” শুধু ঊনবিংশ শতাব্দী নয়, এই বিংশ শতাব্দীতেও হেলেন কেলার পৃথিবীর সর্বাধিক আলোচিত ব্যক্তিদের একজন। অথচ তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ অন্ধ। তারপরও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন বহু জ্ঞানীলোকের চেয়ে তিনি অধিক বই পড়েছেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বই পড়ুন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    PDF
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    অনেকে বলেন, অন্ধদের জীবন সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং দুর্ভাগ্যজনক। কিন্তু হেলেন কেলারই তাঁর জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন, অন্ধদের জীবন অভিশপ্ত নয়। দৃষ্টিহীনতা, বধিরতা জীবনের উন্নতির জন্য কোনো বাধা নয়।

    পরিপূর্ণ অন্ধকার এবং নিস্তদ্ধতা তাঁর জীবনকে জগতের আলোময় ও কলকোলাহলমুখরিত জীবন থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিল বটে, কিন্তু স্তদ্ধ করে দিতে পারেনি।

    এই মহীয়সী নারীর মৃত্যু হয় ১৯৬৮ সালের ১ জুন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Next Article স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    Related Articles

    ভবেশ রায়

    বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }