Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়

    ভবেশ রায় এক পাতা গল্প689 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নেলসন ম্যান্ডেলা (১৯১৮) – দক্ষিণ আফ্রিকার মুক্তিদাতা পুরুষ

    নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela) আজ আর কেবল একটি নাম নয়। আজ তিনি আফ্রিকা, তথা গোটা বিশ্বের নিপীড়িত-নির্যাতিত কোটি কোটি মানুষের মুক্তিসংগ্রামের মূর্ত প্রতীক।

    তাঁরই নেতৃত্বে আজ দক্ষিণ আফ্রিকায় কয়েকশো বছরের শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবসান ঘটেছে এবং তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর সম্প্রতি অবসর নিয়েছেন। কিন্তু তারপরও তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার মহানায়ক। শুধু কৃষ্ণাঙ্গ নয়, শ্বেতাঙ্গদেরও রয়েছে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ।

    নেলসন রোলিহ্লাহ্লা ম্যান্ডেলার জন্ম ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রান্সকেই শহরে। পিতা ছিলেন কৃষ্ণাঙ্গ থিম্বু উপজাতীয় গোত্রের সর্দার হেনরি গাডিলা ম্যান্ডেলা। তাঁর যখন মাত্র বারো বছর বয়স, তখন তাঁর বাবার মৃত্যু হয়।

    তবে সচ্ছল ছিল তাঁদের পারিবারিক অবস্থা। বাল্যকালটা সুখেই কেটেছে। বাকি জীবনটাও সুখেই কেটে যাবার কথা ছিল। এসব গোত্রপতিদের সন্তানদের জীবন যেরকম আনন্দের ভেতর দিয়ে কাটে, তেমনই বাল্যকাল সেভাবেই কেটেছে।

    ম্যান্ডেলার প্রথম জীবনও কেটে যাচ্ছিল ভোগবিলাসে। কিন্তু অচিরেই তাঁর জীবন মোড় নিল ভিন্ন খাতে। স্বাধীন প্রকৃতি তাঁকে নিয়ে গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন এক সংকটময় পথে। স্কুলের পড়া শেষ করে তিনি নিয়মমতো ভর্তি হয়েছিলেন কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য নির্ধারিত স্কুল ফোর্ট হেয়ার কলেজে। কিন্তু পড়াশোনা বেশিদূর এগোতে পারেনি। ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯৪০ সালে কলেজ থেকে বহিষ্কৃত হন।

    কলেজের পড়াশোনা হল না বলে পরিবার থেকে চাপ এল বিয়ে করার জন্য। কিন্তু ম্যান্ডেলা এত শিগিরই দাম্পত্যজীবনে জড়িয়ে পড়ার পক্ষপাতী ছিলেন না। তাই বিয়ের ব্যাপারে পারিবারিক চাপ এড়ানোর জন্য তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে চলে এলেন জোহান্সবার্গে। সেখানে এসে তিনি পুলিশের চাকরি নিলেন।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    বুক শেল্ফ
    অনলাইন বুক
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    Library
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    চাকরি করার পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে লাগলেন। তিনি করসপন্ডেন্স কোর্সে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করলেন।

    ডিগ্রি পাস করার পর পুলিশের চাকরি ছেড়ে জোহান্সবার্গের একটি আইন প্রতিষ্ঠানে নতুন করে চাকরি নিলেন।

    রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক তখনও ছিল। তবে জোহান্সবার্গে এসে তিনি রাজনীতির সঙ্গে আরও বেশি করে জড়িয়ে পড়লেন। তাঁরই প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ১৯৪৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আফ্রিকান জাতীয় কংগ্রেস (African National Congress), সংকেক্ষপে এ এন সি। দেশপ্রেম, সংগ্রামী চেতনা ও সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য তিনি অচিরেই হয়ে উঠলেন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা

    এ সময়ই তিনি ইভেলিন নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ মেয়েকে বিয়ে করেন।

    তিনি রাজনীতিতে জড়াবার পর এত অল্পদিনের ব্যবধানে যে এতটা সাফল্য অর্জন করবেন, কেউ সেটা ভাবতে পারেননি। অবশ্য এই সাফল্যের পেছনে কারণও ছিল। তিনি বাল্যকাল থেকেই ছিলেন একরোখা, দৃঢ়চেতা চরিত্রের মানুষ। অভিনব ছিল তাঁর চিন্তা-চেতনা। তাই অনেকে ভেবেছিল, তিনি হলেন ধনাঢ্য গোত্রপতির এক বখাটে ছেলে দুদিন পরেই তাঁর এই খেয়ালিপনা বদলে যাবে। তিনি বুঝতে পারবেন তাঁর ভুল। ফিরে যাবেন তাঁর নিজের জগতে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ই-বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সাহিত্য

     

    কিন্তু ম্যান্ডেলা ছিলেন সত্যিকার অর্থেই এক ভিন্ন প্রকৃতির মানুষ। তিনি অটল রইলেন তাঁর নিজের লক্ষ্য ও আদর্শে। তাঁর আদর্শ ছিল দেশে শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী শাসনের অবসান ঘটানো এবং মাতৃভূমির স্বাধীনতা অর্জন তথা কৃষ্ণাঙ্গদের পরিপূর্ণ মুক্তি।

    ১৯৫০ সালে তিনি আফ্রিকান জাতীয় কংগ্রেসের যুব শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। দেশের প্রতি প্রচণ্ড ভালোবাসা এবং নিষ্ঠা যেমন তাঁকে একদিকে দেশবাসীর কাছে দ্রুত জনপ্রিয় করে তুলতে থাকে, তেমনি বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গ সরকারেরও সতর্ক দৃষ্টি পড়ে তাঁর প্রতি।

    প্রথমে বর্ণবাদী সরকার ম্যান্ডেলাকে লোভ দেখিয়ে, ভয় দেখিয়ে তাঁর সংগ্রামী পথ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু ম্যান্ডেলাকে তাঁর আন্দোলন ও আদর্শ থেকে বিন্দুমাত্র সরাতে না পেরে সরকার তাঁর ওপর শুরু করে জোর-জুলুম আর নির্যাতন।

    এই জুলুমের প্রতিবাদে ম্যান্ডেলাও ১৯৫২ সালের জুন মাস থেকে আন্দোলনকে আরও জোরদার করে তোলেন। ফলে তিনি গ্রেফতার হন এবং বিচারে তাঁর নয় মাসের কারাদণ্ড হয়।

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ই-বই
    বাংলা কমিকস
    বাংলা উপন্যাস
    বইয়ের
    অনলাইন বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা কবিতা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    ই-বই ডাউনলোড

     

    শুধু তা-ই নয়, এবছরেরই ডিসেম্বর মাসে জারি করা আরেক আদেশে শ্বেতাঙ্গ সরকার তাঁর নাগরিক অধিকার কেড়ে নেয় এবং তাঁর জোহান্সবার্গের বাইরে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। বর্ণবাদী সরকার ক্রমাগত একের পর এক বৈষম্যমূলক আইন জারি করে দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের ওপর নির্যাতন চালিয়েই যেতে থাকে। নির্যাতন ক্রমে চরম আকার ধারণ করে।

    ১৯৫৮ সালে ম্যান্ডেলা দ্বিতীয়বার আবার বিয়ে করেন। তাঁর এই দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম ছিলেন উইনি ম্যাডিকিজিলা। পরে ম্যান্ডেলাকে বিয়ে করে ইনিই পরিচিত হন উইনি ম্যান্ডেলা নামে। উইনি শুধু ম্যান্ডেলার স্ত্রীই ছিলেন না, ছিলেন তাঁর রাজনৈতিক ও সংগ্রামী জীবনেরও সার্বক্ষণিক সহকারিণী।

    ১৯৬০ সালে সংঘটিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার শার্পভিল নামক স্থানে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড। শ্বেতাঙ্গ সরকারের পুলিশের গুলিতে নিহত হয় ৭০ জন কৃষ্ণাঙ্গ এবং আহত হয় ১৭৬ জন। পুলিশ এক শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর আকস্মিক হামলা চালিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বই
    বই পড়ুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    এতদিন দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল। চলছিল অহিংস সংগ্রামের ধারা অনুসরণ করে। কিন্তু শ্বেতাঙ্গ সরকার যখন হিংস্রতার পথ বেছে নিল, তখন বাধ্য হয়েই আফ্রিকানরাও তার মোকাবেলা করার সিদ্ধান্ত নিল।

    ম্যান্ডেলা এর তীব্র প্রতিবাদ করলেন। আন্দোলন ক্রমে সশস্ত্ররূপ নিতে শুরু করল। ম্যান্ডেলার বিরুদ্ধে আগে থেকেই রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা ঝুলছিল। ১৯৬১ সালের ২ মার্চ তিনি একটি ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি পেলেন। কিন্তু তাতে তাঁর মন শান্ত হলো না। তিনি বুঝতে পারলেন, শুধু আন্দোলন চালিয়ে শ্বেতাঙ্গদের মোকাবেলা করা যাবে না। নামতে হবে সশস্ত্র সংগ্রামে। ১৯৬১ সালের ৩০ মে ম্যান্ডেলা ঘোষণা করলেন, “অহিংসনীতির অধ্যায়টি আমরা শেষ করেছি বলে আমি মনে করি।”

    কিন্তু সশস্ত্র সংগ্রাম করতে গেলে চাই সামরিক প্রশিক্ষণ, চাই অস্ত্রশিক্ষা। তাই তিনি সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য চলে গেলেন বিদেশে। তবে বিদেশে যাবার আগেই তিনি নিজের হাতেই বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সশস্ত্র সংগ্রামের উদ্বোধন করে দিয়ে গেলেন। সেই থেকেই শুরু হলো দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গদের সশস্ত্র সংগ্রাম।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন বই
    বিনামূল্যে বই
    পিডিএফ
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    Books
    বই পড়ুন
    ই-বুক রিডার
    Library

     

    এক বছর প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি ১৯৬২ সালে আফ্রিকান জাতীয় কংগ্রেসের সামরিক শাখার প্রধান হয়ে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করলেন।

    এর পরই ম্যান্ডেলার নেতৃত্বে কৃষ্ণাঙ্গরা শুরু করল সহিংস পালটা প্রতিরোধ। শুরু হলো শ্বেতাঙ্গ সরকারের অফিস ও কলকারখানা ইত্যাদির ওপর হামলা। গঠন করা হলো উমুখোস্তো উয়ে সিজউলে (জুলু ভাষায় যার অর্থ জাতির বর্শা) নামে একটি গোপন সংগঠন। এই সংগঠনই চালাতে লাগল সশস্ত্র হামলা।

    দীর্ঘ দুবছর আত্মগোপন করে রইলেন ম্যান্ডেলা। রইলেন ছদ্মবেশে। ছদ্মবেশেই তিনি সাহায্য ও সমর্থন আদায়ের জন্য সফর করতে লাগলেন পৃথিবীর বহু দেশ। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলো তাঁর আহ্বানে কোনো সাড়া দিল না।

    ১৯৬২ সালের ৫ আগস্ট নাটাল নামক স্থানে সাতজন সহকর্মীসহ ম্যান্ডেলা ধরা পড়েন। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সি. আই. এ-র সহায়তায় শ্বেতাঙ্গ সরকার তাঁকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    আদালতে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হল, তাঁরা জনগণকে ধর্মঘটে অংশ গ্রহণ করতে উসকানি দিচ্ছেন এবং বৈধ পাসপোর্ট ছাড়াই দেশত্যাগে প্ররোচিত করছেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    সেবা প্রকাশনী বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    ই-বুক রিডার
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা কমিকস

     

    আদালত তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে পাঠাল আফ্রিকার সবচেয়ে ভয়ঙ্কর একটি কারাগারে। দুবছর পর রাষ্ট্র উৎখাতের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার আরেকটি সাজানো অভিযোগে ম্যান্ডেলাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বোরেন দ্বীপের কারাগারে।

    ম্যান্ডেলা জেলে গেলেও কৃষ্ণাঙ্গদের সশস্ত্র সংগ্রাম বন্ধ হলো না। তিনি কারাগারের ভেতর থেকেই গোপনে যোগাযোগ করে সশস্ত্র লড়াই পরিচালনা করে যেতে লাগলেন। তাঁর বিবৃতি এবং পত্রাদি বোরেন দ্বীপ থেকে গোপনে পাচার করা হতে লাগল বাইরে।

    ১৯৮৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট পি. ডব্লিউ. বোথা একটা চালাকির আশ্রয় নিলেন। লোভ দেখিয়ে আন্দোলনে ভাঙন ধরানোর মতলব আঁটলেন। বোথা ম্যান্ডেলাকে মুক্তিদানের প্রস্তাব দিয়ে বললেন, সরকার ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দিতে রাজি আছে। তবে সেটা এই শর্তে যে, তাঁকে (ম্যান্ডেলাকে) সশস্ত্র আন্দোলন পরিত্যাগ করতে হবে এবং রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে হবে।

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    অনলাইন বুক
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বই
    ই-বুক রিডার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা কমিকস
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ইসলামিক বই

     

    বোথার ধারণা ছিল, কৃষ্ণাঙ্গ ম্যান্ডেলা মুক্তির লোভে তাঁর প্রস্তাব সানন্দে মেনে নেবেন। আর ম্যান্ডেলাকে যদি আন্দোলন থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়, তবে অন্য কৃষ্ণাঙ্গ নেতাদের কাবু করা সহজ হবে।

    কিন্তু ম্যান্ডেলা শ্বেতাঙ্গ সরকারের এই টোপ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলেন, বরং তিনি আরও তীব্র বেগে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁর সংগ্রামী সাথিদের আহ্বান জানালেন। দিতে লাগলেন সশস্ত্র যুদ্ধের নির্দেশনা।

    ১৯৮৭ সালে কৃষ্ণাঙ্গদের আন্দোলন আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। সেই বছরের মে মাসে ‘সি সোয়েটান’ সংবাদপত্রের পাঠকরা তাদের প্রিয় নেতা নেলসন ম্যান্ডেলাকে দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করল।

    এর পরের বছর ১৯৮৮ সালের ১১ জুন উইমব্লেতে অনুষ্ঠিত হয় ‘নেলসন ম্যান্ডেলার মুক্তি চাই’ শীর্ষক এক সেমিনার।

    অন্যদিকে শ্বেতাঙ্গ সরকারও ম্যান্ডেলার ভাবমূর্তি বিনষ্ট করা এবং তাঁকে মানসিকভাবে দুর্বল করে দেওয়ার জন্য জঘন্য সব। কূটকৌশল অবলম্বন করতে লাগল। যেমন ১৯৮৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে স্টমপি মইকেটজি নামে ১৪ বছর বয়সের এক কৃষ্ণাঙ্গ ছেলের মৃতদেহ পাওয়া যায়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত করা হয় ম্যান্ডেলার স্ত্রী উইনি ম্যান্ডেলাকে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    ই-বই ডাউনলোড
    বইয়ের
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    কিন্তু তাতেও ম্যান্ডেলাকে দুর্বল করা গেল না। বিফল হলো কূটকৌশল। অগত্যা ক্রমেই দুর্বল হয়ে আসতে লাগলেন শ্বেতাঙ্গ সরকার প্রধান বোথা নিজেই।

    তিনি এবার ভালোভাবেই বুঝতে পারলেন যে, দমননীতি চালিয়ে আর কালোচামড়ার লোকগুলোকে দমন করা যাবে না। ওদের শরীরটাই শুধু লোহার বর্ণ নয়, মনটাও লোহার মতো শক্ত—বিশেষ করে ওদের নেতা ম্যান্ডেলা সত্যি যেন এক লৌহমানব।

    শ্বেতাঙ্গদের মধ্যেও দলমত নির্বিশেষে সবাই যে কৃষ্ণাঙ্গ-বিরোধী ছিলেন, তা নয়। তাদের মধ্যেও অনেক বিবেকবান ও রাজনীতিসচেতন ব্যক্তি ছিলেন, তাঁদের অনেকেরই সহানুভূতি ছিল কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি। তাঁরা জানতেন, এখানে অন্যায়কারী শ্বেতাঙ্গরা, কৃষ্ণাঙ্গরা নয়। শ্বেতাঙ্গরাই দখলদার। কৃষ্ণাঙ্গরা তাদের দেশের স্বাধীনতা চায় মাত্র। এটা তাদের মৌলিক দাবি। এই দাবি খর্ব করার কী অধিকার আছে শ্বেতাঙ্গদের?

    এ-রকমই নরমপন্থি রাজনীতিবিদদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এফ. ডব্লিউ. ডি. ক্লার্ক। তিনিই উদ্যোগী হয়ে প্রেসিডেন্ট বোথার সঙ্গে বৈঠক করে এই মর্মে প্রস্তাব দিলেন যে, কৃষ্ণাঙ্গদের সাথে বন্দুকযুদ্ধে না গিয়ে তাদের আলোচনা বৈঠকে ডাকা হোক। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি দেখানো হোক।

     

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা কবিতা
    বাংলা সাহিত্য
    Library
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

     

    এই আলোচনা সফল হলো। তার পর থেকেই শ্বেতাঙ্গদের মনের বরফ গলতে শুরু করল। তারা বাস্তবকে স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে লাগল।

    এই আলোচনার কিছুকাল পরেই উগ্রপন্থি বোথা রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন এবং তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন উদারপন্থি ডি. ক্লার্ক। এবার কৃষ্ণাঙ্গদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হওয়ার পরিবেশ তৈরি হলো। ডি. কার্ক রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েই দক্ষিণ আফ্রিকাকে পর্যায়ক্রমে স্বাধীনতাদানের কথা ঘোষণা করলেন।

    কৃষ্ণাঙ্গদের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের স্মারক হিসেবে ক্লার্ক সরকার মুক্তি দিলেন ম্যান্ডেলার অন্যতম প্রধান সহকর্মী এবং তাঁর প্রথম পক্ষের স্ত্রীর মামা ওয়াল্টার সিসুলুকে। সিসুলু ২৫ বছর কারাভোগের পর মুক্তিলাভ করেন ১৯৮৯ সালের অক্টোবর মাসে।

    এর কিছু দিন পরই অর্থাৎ ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে কেপটাউনে রাষ্ট্রপতি ডি. ক্লার্ক আলোচনায় মিলিত হন কৃষ্ণাঙ্গ নেতা ম্যান্ডেলার সঙ্গে। সেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার আশু স্বাধীনতাদানের প্রস্তুতি ও প্রক্রিয়া নিয়ে দু নেতার মধ্যে আন্তরিক পরিবেশে বৈঠক হয়।

     

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    বইয়ের
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ই-বই
    Books
    পিডিএফ
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

     

    এই আলোচনার মাস দুয়েকের মধ্যেই ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ২৭ বছর কারা-ভোগের পর মুক্তিলাভ করেন ম্যান্ডেলা। এটি ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসের একটি স্মরণীয় এবং কৃষ্ণাঙ্গ জনতার সংগ্রামের চূড়ান্ত সাফল্যসূচক ঘটনার পরিচায়ক। এই ঘটনার ভেতর দিয়েই শুরু হয় দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩৫৭ বছরের শ্বেতাঙ্গ শাসনের পতনের সূচনা।

    কারামুক্তির পর দক্ষিণ আফ্রিকার লাখ লাখ কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ তাদের প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার জন্য ছুটে আসতে থাকে। মুক্তির পর ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষের এক সমাবেশে তিনি ভাষণ দেন।

    ১৯৯০ সালের ২ মার্চ তিনি আফ্রিকান জাতীয় কংগ্রেসের (ANC) ডেপুটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

    ম্যান্ডেলাকে মুক্তিদান এবং দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাধীনতাদানের প্রশ্নে ডি. ক্লার্ক সরকার কর্তৃক আশ্বাসদানের প্রেক্ষিতে এএনসি তাদের দীর্ঘ ২৯ বছরের সশস্ত্র সংগ্রাম স্থগিত ঘোষণা করেন।

    ১৯৯০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ম্যান্ডেলার সভাপতিত্বে ৩৯ বছরের মধ্যে এএনসি প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের প্রথম বৈধ সম্মেলন করে।

     

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    ই-বুক রিডার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    অনলাইন বই
    বাংলা ই-বই
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    Books
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    এএনসির সভাপতি ছিলেন প্রবীণ কৃষ্ণাঙ্গ নেতা অলিভার ট্যাম্বো। এবার ট্যাম্বো তাঁর আসন ছেড়ে দিলেন প্রিয় নেতা ম্যান্ডেলাকে। ম্যান্ডেলা এএনসির সভাপতি নির্বাচিত হন ১৯৯১ সালের ৭ জুলাই।

    ১৯৯২ সালের ১৩ এপ্রিল ম্যান্ডেলার জীবনে ঘটে একটি দুঃখজনক ঘটনা। তাঁর সুদীর্ঘ সংগ্রামী ও ব্যক্তিজীবনের একান্ত সহচরী তাঁর দ্বিতীয় পত্নী উইনি ম্যান্ডেলার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। উইনি ১৯৮৯ সালের কৃষ্ণাঙ্গ কিশোরহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। এই ঘটনার পর থেকেই ম্যান্ডেলার সঙ্গে তাঁর ভুল বোঝাবুঝি শুরু হয়।

    প্রিটোরিয়ার বিরুদ্ধে অবশিষ্ট অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবিতে ম্যান্ডেলার আহ্বানে ১৯৯২ সালের ৪ আগস্ট সারা দেশে পালিত হয় দুদিন ব্যাপী ধর্মঘট এবং প্রিটোরিয়ার লাখো মানুষের মিছিলে নেতৃত্ব দেন নেলসন।

    ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি ডি. ক্লার্কের সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন ম্যান্ডেলা।

    ১৯৯৪ সালের ২ জানুয়ারি নেলসন ম্যান্ডেলার উদ্যোগে দক্ষিণ আফ্রিকার ২৬টি রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ আলোচনা করে দেশে প্রথমবারের মতো সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা ঘোষণা করে। নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয় ২৭ এপ্রিল (১৯৯৪)।

    এই নির্বাচনে (২৬ থেকে ২৯ এপ্রিল) দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় অবর্ণবাদী গণতান্ত্রিক নির্বাচন। নির্বাচনে ম্যান্ডেলার দল এএনসি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ৯ মে তারিখে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম অবর্ণবাদী পার্লামেন্টের বৈঠক বসে এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন নেলসন ম্যান্ডেলা।

    তিনি শুধু দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট নন, আজও সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা। স্বেচ্ছায় ক্ষমতা থেকে সরে গিয়ে বর্তমানে তিনি অবসর জীবন যাপন করছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Next Article স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    Related Articles

    ভবেশ রায়

    বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }