Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়

    ভবেশ রায় এক পাতা গল্প689 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অ্যারিস্টটল (৩৮৪-৩২২ খ্রি. পূ.) – যুক্তিশাস্ত্রের জনক

    মহাবীর আলেকজান্ডার একবার বলেছিলেন, আমার জীবনের জন্য হয়তো আমি আমার জন্মদাতা পিতার কাছে ঋণী, কিন্তু আমাকে পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য সত্যিকার মানুষ করে গড়ে তুলেছেন আমার শিক্ষাগুরু অ্যারিস্টটল (Aristotle)।

    গ্রিসের এই মহান জ্ঞানের সাধক অ্যারিস্টটল ছিলেন আলেকজান্ডারের শিক্ষক এবং তাঁর সারা জীবনের সুমন্ত্রণাদাতা। কথিত আছে, গ্রিকবাহিনীর মহাশক্তিধর সেনাপতিরা পর্যন্ত যাঁর সামনে দাঁড়িয়ে মাথা তুলে কখনও কথা বলতে সাহস করেননি, সেই মহাবীর আলেকজান্ডারও অ্যারিস্টটলের প্রতিটি বাক্য সুবোধ বালকের মতো মেনে চলতেন। গ্রিক সম্রাটের কাছে জ্ঞানের সম্রাট অ্যারিস্টটলের ছিল এমনই সম্মান ও শ্রদ্ধা।

    জ্ঞানসাধক অ্যারিস্টটলের জন্ম হয়েছিল বর্তমান গ্রিসের উত্তর উপদ্বীপের থ্রেস অঞ্চলের স্টাগিরা নামক শহরে ৩৮৪ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে। তাঁর পিতা নিকোমাচাস ছিলেন একজন বিখ্যাত শল্যচিকিৎসক এবং মেসিডোনিয়ার সম্রাট দ্বিতীয় ফিলিপ্‌স্-এর অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

    অ্যারিস্টটলের প্রথম জীবনে পিতার কাছেই শিক্ষা লাভ করেন দর্শন ও চিকিৎসাশাস্ত্র। তারপর ১৭ বছর বয়সে তিনি এথেন্সে চলে আসেন। এখানে তাঁর আগমনের উদ্দেশ্য ছিল দার্শনিক প্লেটোর কাছে শিক্ষালাভ করা।

    এই সময় একটি মজার ঘটনা ঘটেছিল। নবীন যুবক মাত্র। এথেন্সে এসে একজনকে জিগ্যেস করলেন দার্শনিক প্লেটোর বাড়ির ঠিকানা।

    অ্যারিস্টটল যার কাছে কথাটা জিগ্যেস করেছিলেন, তিনি ছিলেন জাতে নাপিত। তিনি মহাজ্ঞানী প্লেটো সম্পর্কে এমন তাচ্ছিল্যের ভাব দেখালেন যে, অ্যারিস্টটলের মেজাজ, গেল বিগড়ে। তাই তিনি বেশ রাগত সুরেই সেই লোকটাকে বললেন, আমি দর্শনশাস্ত্রে শিক্ষালাভ করার জন্য এখানে এসেছি, কারও নিন্দা শোনার জন্য নয়।

    লোকটি তখন বোকা বনে গিয়ে বললেন, এ যে দেখছি ভয়ানক তুখোড় ছেলে। সামান্য কথাতেই রেগে আগুন। তা যাও না, ওই তো তোমার মহাজ্ঞানী প্লেটোর শূন্য বিদ্যালয়। ওখানে গিয়ে দেখবে কিচ্ছু নেই। তিনি যে কখন কোন চুলোয় থাকেন, কেউ তা জানে না। যাঁর নিজেরই কোনো ঠায়-ঠিকানা নেই, সে আবার পণ্ডিত!

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    পলিটিক্স
    বিজ্ঞানের
    Republic
    রাজনীতি
    Politics
    রিপাবলিক
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    অনলাইন বুক

     

    হয়েওছিল তা-ই। অ্যারিস্টটল এসে দেখলেন প্লেটো বাড়িতে নেই। স্কুলও বন্ধ।

    যুবক অ্যারিস্টটলের সাথে প্লেটোর সাক্ষাৎ হয়েছিল এই ঘটনার আরও তিন বছর পর। কারণ এই তিন বছরই প্লেটো দেশের বাইরে কাটিয়েছিলেন দর্শনের ওপর বক্তৃতা দিয়ে দিয়ে। দেশে ফিরে আসবার পরই সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন তাঁর এই সুযোগ্য শিষ্যের। প্লেটো যখন এথেন্সে ফিরে আসেন, তখন অ্যারিস্টটলেরও প্রচুর নামডাক।

    অ্যারিস্টটল এই তিন বছর নিজের চেষ্টাতেই এথেন্সের শীর্ষস্থানীয় পণ্ডিত- দার্শনিকদের মধ্যে নিজের স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছিলেন।

    শহরে ফিরে এসেই প্লেটো নাম শুনলেন তরুণ দার্শনিক অ্যারিস্টটলের। তারপর মুখোমুখি সাক্ষাৎ ঘটল গুরু-শিষ্যের। অ্যারিস্টটল শ্রদ্ধায় শিষ্যত্ব গ্রহণ করলেন প্রবীণ দার্শনিক প্লেটোর। আর প্লেটোও সানন্দে বুকে টেনে নিলেন তাঁর এই যোগ্যতম শিষ্যকে। তারপর থেকে অ্যারিস্টটল দীর্ঘ বিশ বছর ছিলেন গুরুর সান্নিধ্যে। প্লেটোর মৃত্যু হয় ৩৪৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। গুরুর মৃত্যু পর্যন্ত অ্যারিস্টটল ছিলেন তাঁর কাছে। প্লেটোর মৃত্যুর পর অ্যারিস্টটল কেন এথেন্স ছেড়ে চলে এসেছিলেন, তা নিয়ে বিস্তর মতপার্থক্য আছে। কেউ বলেন, গুরুর মৃত্যুর পর শিষ্যদের মধ্যে শুরু হয় দলাদলি। সবার ধারণা ছিল, প্লেটোর মৃত্যুর পর অ্যাকাডেমির অধ্যক্ষ হবেন তাঁরই যোগ্যতম শিষ্য অ্যারিস্টটল। কিন্তু সেই তিনি নিজেই অ্যাকাডেমির সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে বেরিয়ে এলেন এবং তাঁর সমর্থকদের নিয়ে প্লেটোর মতবাদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে তুললেন একটি সংগঠন।

     

    আরও দেখুন
    পলিটিক্স
    বিজ্ঞানের
    Politics
    রিপাবলিক
    বিজ্ঞান
    Republic
    রাজনীতি
    গ্রন্থাগার
    বই পড়ুন
    বই

     

    এই সময় তাঁর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন দার্শনিক হারমিয়াস। অ্যারিস্টটলের চেয়ে তিনি বয়সে বড় হলেও দু জনের মধ্যে ছিল গভীর বন্ধুত্ব। পরে এই বন্ধুত্ব আত্মীয়তায় রূপ নেয়। অ্যারিস্টটল বন্ধু হারমিয়াসের বোন পাইথিয়াসকে বিয়ে করেন।

    কিন্তু দুর্ভাগ্য, এর কিছুদিন পরেই হারমিয়াস মারা যান। বন্ধুর মৃত্যুতে অ্যারিস্টটলের মন আরও ভেঙে যায়। তিনি এথেন্স ছেড়ে সস্ত্রীক চলে আসেন লেসবস নামের একটি দ্বীপে।

    এখানে এসে তিনি নতুন করে শুরু করেন জীববিজ্ঞানের ওপর গবেষণা। এখানে থাকাকালেই তিনি রচনা করেন জীববিজ্ঞানের ওপর তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘হিস্টোরিয়া অ্যানিম্যালিয়াম’।

    এর কিছুদিন পর রাজনৈতিক কারণে তিনি চলে যান মেসিডোনিয়ায়।

    এথেন্সের সাথে মেসিডোনিয়ার রাজনৈতিক সম্পর্ক তখন খুব ভালো ছিল না। এসময় মেসিডোনিয়ার সম্রাট ছিলেন দ্বিতীয় ফিলিপ্‌স্‌। সম্রাটের সাথে অবশ্য অ্যারিস্টটলের সম্পর্ক ভালো ছিল। বিশেষ করে অ্যারিস্টটলের পিতা ছিলেন সম্রাটের ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং বন্ধু। তাই সম্রাট ফিলিপ্‌স্‌ নিজেই একদিন (৩৪২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে) ডেকে পাঠালেন অ্যারিস্টটলকে। তাঁকে নিয়োগ করলেন রাজকুমার এবং ভবিষ্যতের বিশ্ববিজয়ী বীর আলেকজান্ডারের গৃহশিক্ষক হিসেবে। অ্যারিস্টটল সানন্দে গ্রহণ করলেন এই পেশা।

     

    আরও দেখুন
    Republic
    বিজ্ঞান
    রিপাবলিক
    বিজ্ঞানের
    রাজনীতি
    Politics
    পলিটিক্স
    বাংলা ই-বই
    Library
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    তারপর তাঁর জীবনের সাতটি বছর কাটিয়ে দিলেন এই মেসিডোনিয়াতেই। তিনি প্রথমে ছিলেন আলেকজান্ডারের গৃহশিক্ষক। পরে হয়েছিলেন তাঁর পরামর্শদাতা ও বন্ধু। তিনি আলেকজান্ডারকে পড়াতেন গ্রীক কাব্য ও নাটক। সেইসাথে পড়াতেন রাস্ট্রবিজ্ঞান। আলেকজান্ডারকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ওপর শিক্ষা দিতে গিয়ে এই সময় অ্যারিস্টটল দুটো গ্রন্থও রচনা করেন। গ্রন্থ দুটির নাম ‘কলোনিস্টস’ (Colonists) এবং ‘মোনার্কি’ (Monarchy)।

    পিতার মৃত্যুর পর আলেকজান্ডার মেসিডোনিয়ার সিংহাসনে বসেন এবং দিগ্বিজয় শুরু করেন। আলেকজান্ডার বিশ্বজয়ের পরিকল্পনা নিয়ে এশিয়া মাইনরের দিকে অগ্রসর হওয়ার পরই অ্যারিস্টটল পান তাঁর গৃহশিক্ষকতার কাজ থেকে ছুটি। তাই কী আর করা, শূন্য নগরী মেসিডোনিয়া ছেড়ে তিনি আবার ফিরে এলেন এথেন্সে। এখানে এসেই তিনি খুঁজে বের করলেন তাঁর পুরনো ভক্ত আর বন্ধুদের। তিনি এথেন্সের লাইসিয়াম নামক স্থানে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করলেন এবং আপন আদর্শে শিক্ষা দিতে লাগলেন ছাত্রদের।

    লাইসিয়ামে দেবতা অ্যাপোলোর একটি মন্দির ছিল। দেবতা অ্যাপোলোর আরেকটি নাম লাইসিয়াম। এই দেবতার নামেই জায়গটির নামও লোকের মুখে-মুখে লাইসিয়াম হয়ে যায়। অ্যারিস্টটলের স্কুলটিও এই মন্দিরের পাশেই ছিল। তাই জায়গার নামানুসারে তাঁর স্কুলটিকেও বলা হতো লাইসিয়াম স্কুল। শুধু স্কুল নয়, এখানে তিনি একটি গ্রন্থাগারও প্রতিষ্ঠা করেন, যেখানে সংরক্ষিত হয় পুরনো গ্রন্থের বহু পাণ্ডুলিপি এবং মানচিত্র। গ্রন্থাগারের একটি অংশ জাদুঘর হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। শুধু তাই নয়, এখানে সংরক্ষণ করা হয় জীববিজ্ঞান ও উদ্ভিদ বিজ্ঞানের নানা দুর্লভ নমুনা।

     

    আরও দেখুন
    পলিটিক্স
    বিজ্ঞানের
    রাজনীতি
    Republic
    রিপাবলিক
    বিজ্ঞান
    Politics
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

     

    কথিত আছে, অ্যারিস্টটলের প্রতিষ্ঠিত গ্রন্থাগার ও জাদুঘরকে সমৃদ্ধিশালী করে গড়ে তোলার জন্য আলেকজান্ডার প্রচুর অর্থ অনুদান হিসেবে দিয়েছিলেন। সমগ্র গ্রিক সাম্রাজ্যে এই বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল যে, কেউ যদি কোথাও কোনো বিচিত্র ধরনের পশুপাখি, মাছ বা উদ্ভিদের সন্ধান পায়, তা হলে সঙ্গে সঙ্গে তা এথেন্সের জাদুঘর কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। এর জন্য দেওয়া হবে প্রচুর পুরস্কার।

    এভাবেই অ্যারিস্টটল গড়ে তুলেছিলেন তাঁর গ্রন্থাগার ও জাদুঘর।

    অ্যারিস্টটলের স্কুলের ছাত্ররা এসব নমুনার সাহায্য গবেষণা করার সুযোগ পেত। তিনি স্কুলের শিক্ষাদানেরও কতগুলো চমৎকার নিয়ম করেছিলেন। নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে, কখনও মাসে আয়োজন করা হতো আলোচনা সভা, নানা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান এবং একত্রে বসে খাওয়া বা প্রীতিভোজের। এতে ছাত্রদের মধ্যে গড়ে ওঠে আন্তরিক সৌহার্দ্য। বেড়ে যায় তাদের শিক্ষালাভের আগ্রহও। তারা পরস্পরের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়েরও সুযোগ পায়।

     

    আরও দেখুন
    রিপাবলিক
    বিজ্ঞানের
    Politics
    Republic
    বিজ্ঞান
    পলিটিক্স
    রাজনীতি
    বাংলা গল্প
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ই-বই

     

    অ্যারিস্টটলের গ্রন্থাগার ও জাদুঘরে ছাত্ররা জীববিজ্ঞান ও প্রত্নতত্ত্ব ইত্যাদির পাশাপাশি অন্য বহু বিষয়ের ওপর গবেষণা করার সুযোগ পেত।

    অ্যারিস্টটলের প্রথম পাইথিয়াস নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেলে তিনি আবার বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্ত্রীর গর্ভে তাঁর এক পুত্রসন্তান হয়। তার নাম রাখা হয় পিতামহের নামে নিকোমাচাস।

    কেউ কেউ বলেন, অ্যারিস্টটল শুধু তাঁর পিতার নামে নিজের ছেলের নামই রাখেননি, তিনি ছেলেকে গড়েও তুলেছিলেন সম্পূর্ণ পিতার আদর্শে। পুত্রকেও তিনি পিতার মতো চিকিৎসাশাস্ত্রে পণ্ডিত করে তুলেছিলেন। আর এর জন্য তিনি নিজেই একটি গ্রন্থ প্রণয়ন করেছিলেন। যার নাম ছিল ‘নিকোমাচিয়ান এথিস্‌’ (Nicomachean Ethics)। পিতার আদর্শ ও গবেষণার ওপর ভিত্তি করেই রচিত হয়েছিল এই গ্রন্থ। এটাই ছিল পুত্র নিকোমাচাসের পাঠ্য গ্রন্থ।

    পরে নিকোমাচাসও খুব বড় পণ্ডিত হয়ে উঠেছিলেন এবং পিতা ও পিতামহের আদর্শের হয়ে উঠেছিলেন যোগ্য উত্তরসুরি। তিনি বড় হয়ে পিতা অ্যারিস্টটলের রচিত ও তাঁর পাঠ্য গ্রন্থ নিকোমাচিয়ান এথিক্‌স্‌ গ্রন্থটি সম্পাদনা করে আবারও প্রকাশ করেছিলেন।

     

    আরও দেখুন
    রিপাবলিক
    পলিটিক্স
    Republic
    বিজ্ঞান
    রাজনীতি
    Politics
    বিজ্ঞানের
    PDF
    অনলাইন বুক
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার

     

    অ্যারিস্টটল তাঁর স্কুল, গ্রন্থাগার এবং জাদুঘরের কাজ শুরু করলেও তা শেষ করে যেতে পারেননি, তার আগেই তাঁর জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়।

    মহাবীর আলেকজান্ডার তাঁর সামরিক অভিযান নিয়ে দেশ জয় করতে করতে একেবারে চলে এসেছিলেন ভারতবর্ষ পর্যন্ত। তারপর বিজয় অভিযান শেষ করে স্বদেশে প্রত্যাবর্তনকালে পথিমধ্যেই মৃত্যুবরণ করেন ৩২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।

    আলেকজান্ডারের মৃত্যুর সাথে সাথে সমগ্র গ্রিক সাম্রাজ্যে শুরু হয়ে যায় লঙ্কাকাণ্ড। সবগুলো বিজিত দেশ সুযোগ বুঝে আবার স্বাধীনতা ঘোষণা করে বসে। ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় পুরো সাম্রাজ্য। তাঁর সেনাপতিরাই একেকটি দেশ দখল করে নিয়ে সেসবের স্বাধীন রাজা হয়ে বসেন।

    এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির উদ্ভব হয় তাঁর নিজের দেশেও। আলেকজান্ডার ছিলেন মেসিডোনিয়ার রাজা। এথেন্সে তখনও চলছিল ভিন্ন রাজার রাজত্ব। আলেকজান্ডার এথেন্স দখল করার পর তাকে নিজের সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে নেন

     

    আরও দেখুন
    পলিটিক্স
    রাজনীতি
    রিপাবলিক
    বিজ্ঞানের
    Republic
    Politics
    বিজ্ঞান
    বাংলা লাইব্রেরী
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা কবিতা

     

    এথেন্স মেসিডোনিয়ার অধীনস্থ হলেও এথেন্সবাসী আলেকজান্ডারকে তাদের নিজেদের রাজা ভাবতে পারেনি। সেইসাথে মেসিডোনিয়ার লোকদেরও তারা বিদেশী দখলদার বাহিনীর অংশ বলে মনে করত।

    ফলে আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর তারা স্বাধীন হবার চেষ্টা করতে লাগল। শুরু হলো বিদেশী হটানোর অর্থাৎ মেসিডোনিয়ানদের বিতাড়নের পালা। এই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মধ্যে পড়ে গেলেন স্বয়ং অ্যারিস্টটল। তাঁর ওপর এথেন্সবাসীদের আক্রোশ ছিল আরও বেশি। কারণ তিনি একজন সাধারণ মেসিডোনিয়ান ছিলেন না, ছিলেন স্বয়ং আলেকজান্ডারের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহচর, তার গৃহশিক্ষক এবং পরামর্শদাতাও। সকলের ধারণা, তাঁর পরামর্শেই আলেকজান্ডার এথেন্স দখল করেছিলেন।

    তবে এথেন্সবাসীরা তাঁকে হত্যা করল না, কারণ, এ ধরনের একটি কলঙ্কজনক হত্যাকাণ্ড ঘটে গেছে এই এথেন্সেই অল্প কিছুদিন আগে। মহাজ্ঞানী সক্রেটিসকে মিথ্যে অভিযোগে বলপূর্বক বিষপানে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছিল। তাই আবারও সে-রকমের কোনো ঘটনা ঘটুক, তেমনটা কেউ চাইল না। তাই অ্যারিস্টটলকে প্রাণে না মেরে সসম্মানে এথেন্স ছেড়ে চলে যেতে বলা হলো। এ-রকম অবস্থায় তিনি তাঁর বিদ্যালয়টিকে এথেন্সবাসী শিষ্যদের হাতে তুলে দিয়ে চলে গেলেন ইউবোয়া দ্বীপের রাজধানী চালসিস নগরীতে। সেখানেই তিনি এক বছর পর ৩২২ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে পরলোকগমন করেন।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    রিপাবলিক
    বিজ্ঞান
    রাজনীতি
    Republic
    Politics
    পলিটিক্স
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ই-বুক রিডার

     

    প্রাচীন লিখিত বিবরণী থেকে জানা যায়, অ্যারিস্টটল দেখতে ছিলেন ছোটখাটো। মুখাবয়বে ছিল প্রচণ্ড গাম্ভীর্য। কথা বলতেন স্পষ্ট ভাষায়। তাঁর বাগ্মিতা ছিল তুলনাবিহীন। সবসময় ঝলমলে পোশাক পরতে ভালবাসতেন।

    তবে রাজাদের মতো অহঙ্কারী এবং নিষ্ঠুর ছিলেন না। তিনি ক্রীতদাসদের উপর কখনও নিষ্ঠুর আচরণ করতেন না। এমন বহু ক্রীতদাস ছিল, যাদের তিনি নিজের অর্থে অত্যাচারী মনিবদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে তাদের মুক্ত করে দিয়েছেন। তাদেরকে আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করেছেন।

    অ্যারিস্টটলের অধিকাংশ রচনা এবং বৈজ্ঞানিক সংগ্রহই নষ্ট হয়ে গেছে। সামান্য কিছু রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তাঁর রক্ষা পাওয়া সেসব রচনাকর্মও যথাসময়ে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করা যায়নি। প্রকাশিত না হওয়ার অবশ্য অনেক কারণও ছিল। তাঁর বিক্ষিপ্ত রচনাকে সুবিন্যস্ত করে সম্পাদনা করা ছিল এক দুরূহ কাজ। অনেক লেখাই এমন টুকরো টুকরো অবস্থায় পাওয়া গেছে যে, সেগুলোকে একত্রিত ও বিন্যস্ত করা সহজ কাজ ছিল না।

    কথিত আছে, রাজরোষ থেকে রক্ষা করার জন্য অ্যারিস্টটলের রচনাসমূহ প্রায় দুশো বছর পর্যন্ত লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। তারপর এই দুষ্প্রাপ্য রচনাসমূহ ৮৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নিয়ে যাওয়া হয় রোমে। সেখানে এগুলো গ্রন্থাকারে প্রকাশ করা হয় যিশু খ্রিস্টের জন্মের সামান্য কিছু আগে।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    রাজনীতি
    পলিটিক্স
    Politics
    রিপাবলিক
    Republic
    বিজ্ঞান
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    নতুন উপন্যাস

     

    রোম থেকে তাঁর রচনাকর্ম প্রকাশিত হওয়ার আগ থেকেই অনেকে অ্যারিস্টটলের নাম জানতেন, তাঁর মূল্যবান রচনার কথাও জানতেন, কিন্তু কারও পড়ে দেখার সৌভাগ্য হয়নি।

    আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর থেকে তিনশো বছর পর্যন্ত অনাদর-অবহেলা এবং তাঁর রচনাবলির দুষ্প্রাপ্যতার কারণে অ্যারিস্টটল বিস্মৃতির অতলে প্রায় হারিয়ে যেতেই বসেছিলেন।

    অবশেষে রোম থেকে যখন তাঁর রচনাবলি প্রকাশিত হলো এবং তাঁর অনুসারীরা যখন অনুশীলন শুরু করলেন, তখন থেকেই আবার নতুন করে শুরু হলো তাঁর উত্থান। শুরু হলো নতুন অ্যারিস্টটলীয় দর্শনের পঠন ও গবেষণার কাজ নতুন উৎসাহে।

    তবে আরেকটি মজার ব্যাপার হলো, অ্যারিস্টটলীয় দর্শন যতখানি ইউরোপীয় পণ্ডিতদের প্রভাবিত করতে পেয়েছিল, তার চেয়ে বেশি জয় করেছিল মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম মনীষীদের মন। অ্যারিস্টটলের বহু রচনা আবু সিনা, আবু রুশদ প্রমুখ মুসলিম মনীষী আরবি ভাষায় অনুবাদ করে প্রকাশ করেছিলেন। তাঁরা সেসবের টীকাভাষ্য ও রচনা করেছিলেন। পরবর্তীকালে মুসলিম পণ্ডিতদের আরবি অনুবাদই ল্যাটিন ভাষায় রূপান্তর করা হয়। এই সমস্ত রচনা মধ্যযুগে সুগভীর প্রভাব বিস্তার করতেও সক্ষম হয়েছিল। তাঁরা অ্যারিস্টটলকে নতুন করে চিনেছিলেন মুসলিম মনীষীদের কল্যাণে।

     

    আরও দেখুন
    রাজনীতি
    Politics
    Republic
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    পলিটিক্স
    রিপাবলিক
    পিডিএফ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বই

     

    অ্যারিস্টটল প্রথমে লিখতে শুরু করেন তাঁর শিক্ষাগুরু তাঁর অনুকরণে। প্লেটোর মতো করেই তিনি ডায়লগ্স্‌ (Dialogues ) লিখতে শুরু করেন। কিন্তু অচিরেই তার রচনাকর্ম আপন বৈশিষ্ট্যে ভাস্বর হয়ে ওঠে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে তিনি প্লেটোর মতবাদের বিরোধিতা পর্যন্ত করতে শুরু করেন। তিনি ছিলেন একজন দার্শনিক এবং প্রকৃতিবিজ্ঞানীও। তাই তিনি প্লেটোর অনেক বক্তব্য বাতিল করে দিয়েছেন। প্রতিষ্ঠিত করেছেন নিজের বাস্তববাদী মত।

    অ্যারিস্টটলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানভিত্তিক গ্রন্থ হলো ‘মেটাফিজিক্স’ (Metaphysics)। এই গ্রন্থে তিনি বিশ্বের যাবতীয় বস্তুকে তিনটি বিভাগে ভাগ করেছেন। যথা :

    ১. পচনশীল বস্তু : যেমন,—পৃথিবীর যাবতীয় বৃক্ষলতা ও প্রাণিকুল।

    ২. ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বস্তু : মহাকাশের বস্তুসমূহ তথা গ্ৰহ-নক্ষত্র ইত্যাদি।

    ৩. অন্যান্য বস্তু : যা পচনশীলও নয়, ইন্দ্রিয়গ্রাহ্যও নয়, যেমন, ঈশ্বর ও জীবের বিদেহী আত্মা।

     

    আরও দেখুন
    Politics
    Republic
    পলিটিক্স
    বিজ্ঞানের
    রাজনীতি
    রিপাবলিক
    বিজ্ঞান
    বইয়ের
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা কবিতা

     

    অ্যারিস্টটল ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করতেন। তিনি বলতেন, বিশ্বজগতের যাবতীয় বস্তুর আদি স্রষ্টা হলেন ঈশ্বর। বিশ্বজগতের সকল বস্তুই গতিশীল এবং তার শুরু আছে, শেষও আছে। কিন্তু একমাত্র ঈশ্বরই হলেন স্থির এবং অবিনশ্বর। তাঁর কোনো উৎস কিংবা শুরু নেই, শেষও নেই। ঈশ্বর জীবন্ত, সদা জাগ্রত, অবিনশ্বর এবং সদা মঙ্গলময়। তাই ঈশ্বরের সাথে মিলিত হবার কারণে জীবসমূহ অবিরাম ঘুরে মরছে।

    অ্যারিস্টটল তাঁর ‘অন দি সৌল’ (On the Soul) গ্রন্থে প্লেটো এবং পিথাগোরাসের আত্মার জন্মান্তরবাদকে উপহাস করেছেন। প্লেটো এবং পিথাগোরাস বিশ্বাস করতেন, আত্মা অবিনশ্বর। তা এক দেহ ছেড়ে করে অন্য দেহে আশ্রয় গ্রহণ করে। এভাবেই ঘটে তার জন্মান্তর।

    কিন্তু অ্যারিস্টটল বলেন, আত্মা হলো দেহেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। দেহ বিনাশের সঙ্গে সঙ্গে আত্মারও বিলুপ্তি ঘটে।

    তবে তিনি বলেন, জীবের মন হলো একটি স্বাধীন সত্তা। এই মন তার দেহ ও আত্মার বিনাশের পরও নিজেকে ধ্বংস থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়।

    তিনি বংশ মর্যাদা এবং আভিজাত্য মেনে চলতেন প্রচণ্ডভাবে। তাঁর মতে, বংশ- মর্যাদা ও আভিজাত্য হলো স্বর্গীয় দান। দেশ শাসনে তাই অভিজাতদেরই একচেটিয়া অধিকার থাকবে। কারণ, তাঁরাই সমাজের সর্বোচ্চ শ্রেণীর মানুষ। তাঁরা পবিত্র এবং উচ্চগুণসম্পন্ন আত্মার অধিকারী। সমাজের সাধারণ মানুষ কখনও এই উচ্চস্তরে আসার কথা চিন্তা করতে পারে না। পুণ্য খুব কম মানুষের ভাগ্যেই জুটে থাকে। এমন লোকের সংখ্যা সমাজে খুবই কম।

    তিনি তাঁর ‘পলিটিক্স’ (Politics) গ্রন্থে বলেছেন, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকার গঠন উত্তম পন্থা। তিনি তাঁর এই গ্রন্থের মাধ্যমে প্লেটোর ‘রিপাবলিক’ (Republic) গ্রন্থের সমালোচনা করেছেন।

    গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের মতবাদ পশ্চিম ইউরোপে প্রসার ঘটে মধ্যযুগ থেকে। কিন্তু প্রথম দিকে ইউরোপীয় পণ্ডিতরা তাঁর মতবাদকে গ্রহণ করেছিলেন দ্বিধাদ্বন্দ্বের সঙ্গে। ত্রয়োদশ শতকে এসে ইউরোপীয় পণ্ডিতদের মধ্যে অ্যালবার্টাস ম্যাগনাস এবং টমাস অ্যাকুইনাস প্রমুখ পণ্ডিত অ্যারিস্টটলকে সাদরে গ্রহণ করেন। পরে চতুর্দশ শতকে এসে দান্তের মতো জগদ্বিখ্যাত লেখকও অ্যারিস্টটলকে শ্রদ্ধার সাথে গ্রহণ করেন। আজ তাঁর জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে। আজ সারা বিশ্বে অ্যারিস্টটল তাঁর জীবিতকালের চেয়েও বহুগুণে বেশি সমাদৃত এবং জনপ্রিয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Next Article স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    Related Articles

    ভবেশ রায়

    বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }