Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়

    ভবেশ রায় এক পাতা গল্প689 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেখ মুজিবর রহমান (১৯২০–১৯৭৫) – বাংলাদেশের জাতির জনক

    যাঁর নিরলস সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও আত্মত্যাগের কল্যাণে বাঙালি জাতি বিশ্ব-মানচিত্রে প্রথম একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠন করেছে, জাতি হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা তুলে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে, তিনি আর কেউ নন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মহান স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman)। এই বিশ্বেবরেণ্য নেতার জন্ম ফরিদপুর জেলার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ। তাঁর পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান, মাতার নাম সাহেরা খাতুন।

    বাল্যে গৃহশিক্ষক পণ্ডিত সাখাওয়াউল্লাহর কাছেই পড়াশোনার হাতেখড়ি হয় শেখ মুজিবের। এরপর তিনি ভর্তি হন মাদারীপুর ইসলামিয়া হাই স্কুলে চতুর্থ শ্রেণীতে। শেখ মুজিব পড়াশোনায় বেশ মেধাবী ছিলেন, আর ছিলেন দুরন্ত এবং বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী। জীবনের শুরু থেকেই অন্যায়, অবিচার আর অসত্যের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াতে শিখেছিলেন। দশ-এগারো বছর বয়স থেকেই শুরু হয় তাঁর রাজনৈতিক জীবন। তিনি কোনো ভুঁইফোঁড় রাজনীতিবিদ ছিলেন না। জীবনের শুরু থেকে ধাপে ধাপে একাগ্র আন্দোলন-সংগ্রামের পর সংগ্রামের ভেতর দিয়ে গড়ে তুলেছিলেন তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সুদৃঢ় ভিত্তি।

    স্কুলজীবনে মাত্র ১৯ বছর বয়সেই এক অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রথম কারাবরণ করেন ১৯৩৯ সালে। শেখ মুজিব গোপালগঞ্জের মিশন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন ১৯৪২ সালে। এই মিশন স্কুলে থাকতেই শেখ মুজিবের সাক্ষাৎ হয় তৎকালীন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং বাংলার সর্বাধিক জনপ্রিয় নেতা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের সঙ্গে। এই সক্ষাৎকারও ছিল এক চমকপ্রদ ঘটনা।

    শেখ মুজিব তখন গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলের ছাত্র। স্কুল পরিদর্শন করতে আসছেন তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এবং খ্যাদ্যমন্ত্রী হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি। স্কুলের সভা শেষ করে মন্ত্রীদ্বয় কর্মক্লান্ত হয়ে ডাকবাংলোয় ফিরছিলেন। তাঁদের সঙ্গে স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

     

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    সেবা প্রকাশনী বই
    Library
    বাংলা উপন্যাস
    বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন বই
    বিনামূল্যে বই

     

    এমন সময় কয়েকজন সহপাঠীকে সঙ্গে নিয়ে মন্ত্রী মহোদয়ের পথ আগলে দাঁড়াল একটি হ্যাংলা-পাতলা গড়নের ছেলে। এই কিশোরই ছিলেন স্বয়ং শেখ মুজিব। তাঁর দাবি ছিল তাঁরা যে হোস্টেলে থাকেন, তার ছাদ ফেটে গেছে। ফলে বর্ষার পানি পড়ে বিছানাপত্র নষ্ট হয়। তার দাবি, ফাটা ছাদ মেরামত করে দিতে হবে।

    শেখ মুজিবের সাহস দেখে তো প্রধান শিক্ষক ভড়কে গেলেন। তাঁর স্কুলের ছেলেরা স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বেয়াদবি করছে, না জানি এ অপরাধের কী শাস্তি হবে!

    কিন্তু ছেলেটির সাহস দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা। তিনি তখন নিজেই এগিয়ে এসে বললেন, এই ছেলে, তুমি কী বলতে চাও?

    শেখ মুজিব তাঁদের ছাত্রদের দাবির কথা বললেন। শেরে বাংলা হেসে বললেন, তার আমি কী করব?

    —হোস্টেলের ছাদ মেরামত করে না দিলে পথ ছাড়ব না।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    অনলাইন বুক
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    সেবা প্রকাশনী বই
    বইয়ের
    Books
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বুক শেল্ফ

     

    —বেশ, এই ছাদ মেরামত করতে কত লাগবে?

    –বারোশো টাকা।

    শেরে বাংলা ছেলেটির সাহস দেখে সত্যি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। হয়তো বাংলার এক ব্যাঘ্রপুরুষ সবিস্ময়ে তাকিয়ে দেখছিলেন ভবিষ্যতের আরেক সিংহশাবককে। ভবিষ্যতের বিপুল সম্ভাবনা তিনি লক্ষ্য করেছিলেন সেদিন সেই কিশোরের চোখেমুখে। শেরে বাংলা ঘটনাসস্থলে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থেকেই তাঁর স্বেচ্ছাধীন তহবিল থেকে কিশোর শেখ মুজিবের দাবি মতো বারোশো টাকা মঞ্জুর করে দিয়েছিলেন স্কুল হোস্টেলের নামে।

    কিন্তু ঘটনার এখানেই শেষ হল না। শেরে বাংলা ডাকবাংলোতে গিয়েই আবার ডেকে পাঠালেন শেখ মুজিব নামের সেই সাহসী ছেলেটিকে। সেই থেকেই শেখ মুজিব হলেন শেরে বাংলা ও সোহরাওয়ার্দির রাজনৈতিক শিষ্য। এই সম্পর্ক তাঁদের আজীবন অটুট ছিল। এরপর কলকাতায় এসে শেখ মুজিব ভর্তি হন ইসলামিয়া কলেজে। পরে তিনি এই কলেজের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৪৭ সালে ওই কলেজ থেকেই তিনি বিএ পাশ করেন। কোলকাতার শিক্ষাজীবনে তিনি শহিদ সোহরাওয়ার্দির প্রিয় পাত্রদের একজন ছিলেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লাইব্রেরী
    Library
    বাংলা ই-বই
    বই
    Books
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

     

    ১৯৪৬ সালে পাকিস্তান ইসুর ওপর ভিত্তি করে অনুষ্ঠিত হয় গণভোট। গণভোটে শেখ মুজিবেরও ছিল সবিশেষ ভূমিকা। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর তিনি ঢাকায় এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন।

    এসময়ই তিনি নিজের উদ্যোগে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু স্বপ্নভঙ্গ হতে বেশি দেরি হল না তাঁর। যে লক্ষ্যে নিয়ে তিনি পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করেছিলেন, অচিরেই টের পেলেন, তাঁর সে স্বপ্ন ভুল। দেখলেন, পূর্ব বাংলার মানুষেরা আর একটি নব্য ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে এসে পড়েছে। শুরু হলো পশ্চিমাদের শাসন আর শোষণ।

    এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন শেখ মুজিব। তিনি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র। ১৯৪৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের ন্যায়সংগত দাবি আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে শেখ মুজিব কারাবরণ করেন এবং সেখানেই তাঁর ছাত্রজীবনেরও পরিসমাপ্তি ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়। ফলে প্রথম থেকেই ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের বিষ নজর পড়ে তাঁর ওপর। এরপর দেশে খাদ্যসংকটের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে গিয়ে তিনি মওলানা ভাসানীর সঙ্গে কারাবরণ করেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা উপন্যাস
    বুক শেল্ফ
    বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ই-বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    Books

     

    ১৯৫২ সালে বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে জীবন দান করেন রফিক, বরকত মতো তরুণেরা। ঐ সময় শেখ মুজিব ছিলেন কারান্তরালে। জেল থেকেই তিনি এই আন্দোলনের প্রতি তাঁর সমর্থন দান করেন।

    ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট পূর্ব পাকিস্তানে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে প্রাদেশিক সরকার গঠন করে। শেখ মুজিব এই মন্ত্রিসভায় পল্লি উন্নয়ন মন্ত্রী নিযুক্ত হন। কিন্তু যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। তারপর আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হলে সেখানে শেখ মুজিব শিল্প ও বাণিজ্য দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্ৰী হন। এ মন্ত্রিপরিষদও বেশিদিন টেকেনি।

    ১৯৫৮ সালে জেনারেল আইয়ুব খান দেশে সামরিক শাসন জারি করে ক্ষমতা দখল করে বসেন এবং ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার জন্য শুরু করেন নির্যাতন। দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার করা হয় নানা অজুহাতে। শেখ মুজিবকেও গ্রেফতার করা হয়।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    PDF
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    অনলাইন বুক
    বাংলা কমিকস
    বইয়ের

     

    শেখ মুজিবের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা বাংলাদেশের স্বাধিকারের বীজমন্ত্র তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা। তথাকথিত দ্বি-জাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৯৪৭-এর পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী, স্বরূপ প্রকাশিত হতে থাকে। বাঙালিদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের উপর নেমে আসে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের নির্যাতন আর শোষণ। শেখ মুজিব পশ্চিম পাকিস্তানি শোষকগোষ্ঠীর হাত থেকে বাঙালি জাতির স্বার্থ রক্ষা করার উদ্দেশ্যেই ১৯৬৬ সালের ৭ জুন পেশ করেন তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা।

    ছয় দফা গোটা বাঙালি জাতির অকুণ্ঠ সমর্থন লাভ করে। গোটা জাতি ঐক্যবদ্ধ হয় এই আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের প্রশ্নে। তৎকালীন একনায়ক আইয়ুব খানের শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে অসন্তোষ ক্রমেই ঘনীভূত হতে থাকে। ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রবক্তা শেখ মুজিবও তাঁর সহযোগী নেতৃবৃন্দের ওপর নেমে আসে জেল, জুলুম ও নির্যাতন। শুধু তা-ই নয়, এই আন্দোলনকে দমন করার জন্য শেখ মুজিবের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয় তথাকথিত আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলা। মামলায় জড়িয়ে শেখ মুজিবকে আসামি করে ঢোকানো হয় জেলে। কিন্তু এত করেও আন্দোলন দমন করা গেল না। বরং আরও প্রচণ্ড বিক্ষোভে ফেটে পড়ল গোটা বাঙালি জাতি। দায়ের করা মিথ্যে মামলার বিরুদ্ধে শুরু হয় আরও দুর্বার গণআন্দোলন। এবার আপামর জনতার সঙ্গে যোগ দিলেন দেশের তরুণসমাজ তথা ছাত্রসমাজ। ছয় দফার পাশাপাশি ছাত্রসমাজের পক্ষ থেকেও পেশ করা হলো তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা দাবি। শেষে ছয় দফা এবং ১১ দফার যৌথ দাবিতে শুরু হলো তীব্র আন্দোলন। এই আন্দোলন এবং প্রচণ্ড বিক্ষোভের মুখে স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার শেষ পর্যন্ত ১৯৬৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাধ্য হয়ে মিথ্যে মামলা প্রত্যাহার করে এবং শেখ মুজিবকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়। ২৩শে ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের তরফ থেকে রেসকোর্সে ময়দানে আয়োজিত বিশাল জনসমাবেশে তাঁকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেয়া হয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    PDF
    Books
    বাংলা কবিতা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সাহিত্য
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা লাইব্রেরী

     

    বঙ্গবন্ধু জেলের বাইরে এসে আবার নেতৃত্ব দিতে লাগলেন গণআন্দোলনের। ১৯৬৯ সালের ২৪ মার্চ আইয়ুব খান পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন। তারপর ক্ষমতায় এলেন আরেক সামরিক জেনারেল ইয়াহিয়া খান। তিনি ক্ষমতায় এসে আন্দোলন রহিত করার কৌশল হিসেবে ঘোষণা করেন সাধারণ নির্বাচন।

    নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর। নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ লাভ করল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা। বঙ্গবন্ধুর এই বিপুল বিজয়ে পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর টনক নড়ে উঠল। শেখ মুজিব যাতে ক্ষমতায় আসতে না পারেন, তার জন্য পশ্চিম পাকিস্তানের পিপল্স পাটির প্রধান জুলফিকার আলি ভুট্টো প্রকাশ্যেই শেখ মুজিবের নায্য অধিকারের বিরোধিতা করতে লাগলেন। ইয়াহিয়াও চাইছিলেন না বাঙালি জাতির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে। তিনি মুখে শেখ মুজিবকে পাকিস্তানের ভাবী প্রধানমন্ত্রী বলে ঘোষণা করলেও গোপনে চলতে লাগল ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ১ মার্চ তারিখে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হলো। তখন বাঙালিমাত্রই হতবুদ্ধি হয়ে গেল। বঙ্গবন্ধু বুঝলেন, পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকরা সহজে বাঙালিকে ক্ষমতায় যেতে দেবে না। মেনে নেবে না তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার। কিন্তু বাঙালিরাই-বা সহজে নতি স্বীকার করবে কেন?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    উপন্যাস সংগ্রহ
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা কুইজ গেম

     

    বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে আন্দোলন এবার রূপ নিল গণসংগ্রামের। সারা দেশে তাঁর নির্দেশে শুরু হলো তীব্র অসহযোগ আন্দোলন। পথে, ঘাটে, কলে-কারখানায়, স্কুল- কলেজে, অফিস-আদালতে ছড়িয়ে পড়ল এই অসহযোগ আন্দোলন।

    ১৯৭১-এর ৭ মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো এক বিশাল জনসভা। এই ঐতিহাসিক জনসভায় বঙ্গবন্ধু পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংগ্রামের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলেন। তিনি বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করলেন, “রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ্। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।

    ইয়াহিয়া এবার যেন আরও হিংস্র হয়ে উঠলেন। অস্ত্র প্রয়োগ করে বাঙালি জাতির আন্দোলনকে দমন করার জন্য জোর ষড়যন্ত্র শুরু করলেন। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে গোপনে নামাতে লাগলেন অস্ত্রশস্ত্র। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ছদ্মবেশে আমদানি করতে লাগলেন সৈন্য, সবই বাঙালিকে দমন করার জন্য। আর এই ষড়যন্ত্র যাতে বাঙালিরা টের না পায় তার জন্য ইয়াহিয়া তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গদের নিয়ে ঢাকায় এলেন শেখ মুজিবের সঙ্গে আপস আলোচনার ছলচাতুরি করতে। দিন কয়েক চলল আলোচনা। কিন্তু শেখ মুজিব তাঁর দাবি থেকে এক পাও সরে এলেন না। ফলে আলোচনা ভেঙে গেল। কুখ্যাত ইয়াহিয়া খান সেদিনই, অর্থাৎ ২৫ মার্চ থেকে বাঙালি হত্যার নির্দেশ দিয়ে গোপনে ঢাকা ত্যাগ করলেন। সেদিন মধ্যরাত থেকেই হিংস্র পাকবাহিনী ঢাকায় শুরু করল তাদের নারকীয় হত্যালীলা।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বই
    Books
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    ই-বই ডাউনলোড
    বুক শেল্ফ
    PDF
    বাংলা কমিকস
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা বই

     

    ওই রাতে নিজের বাসবভন থেকে বঙ্গবন্ধুও বন্দি হলেন পাকবাহিনীর হাতে। তবে বন্দি হবার আগে তিনি দিয়ে গেলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা, যা পরে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়েছিল এবং ২৬ মার্চ ঘোষিত হয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এইভাবে শুরু হয়ে যায় মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতি সত্ত্বেও তাঁর নামে আর আদর্শে অনুপ্রাণিত গোটা বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে সশস্ত্র মুক্তি যুদ্ধে।

    দেশ স্বাধীন হবার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করে তিনি গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রীর পদ। শুরু করেন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলার নতুন সংগ্রাম। তিনি বাংলাদেশের জন্য একটি শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করেন এবং চারটি রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ঘোষণা করেন। এই চার মূলনীতি হলো : বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা।

    ১৯৭০ সালের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে তিনি গঠন করেন গণপরিষদ। এই গণপরিষদই দেশের জন্য প্রস্তুত করে এই সংবিধান। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান গণপরিষদে অনুমোদিত হয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গল্প
    সাহিত্য পত্রিকা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা লাইব্রেরী
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ইসলামিক বই
    অনলাইন বুক

     

    বাঙালি জাতির প্রাণপুরুষ, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুকে তাঁর সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে এবং বিশ্বমানবতার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য বিশ্বশান্তি পরিষদ ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ ‘জুলিও কুরি’ পদকে ভূষিত করে।

    বঙ্গবন্ধু তাঁর মাত্র সাড়ে ৩ বছরের শাসনামলে যেসব যুগান্ত সৃষ্টিকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে : প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা, ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে বই এবং গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পোশাক প্রদান, ইসলাম-বিরাধী কাজ বিবেচনাকরে রমনা রেসকোর্স ময়দানে ঘোড়দৌড় নিষিদ্ধ করা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, টঙ্গিতে বিশ্ব-এজতেমার জন্য জমি বরাদ্দ করা, মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করা, নারী পুনর্বাসন ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা, ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ এবং ১শ বিঘা জমির সিলিং ধার্য করা, সামরিক একাডেমী প্রতিষ্ঠা করা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী প্রতিষ্ঠা করা ইত্যাদি। এছাড়া বিদ্রোহী কবি নিয়ে আসা এবং তাকে তাকে নাগরিকত্ব প্রদান করা, সরকারি বেসরকারি অফিস-আদেশসহ সবধরনের রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে বাংলাভাষার প্রচলন বাদ্যতামূলক করা।

    শুধু তাইনয়, ১৯৭৩ সালের অক্টোবর মাসে তিনি যমুনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের গুরুত্ব উপলব্ধি করে জাপান সরকারের কাছে ওই সেতু নির্মাণের প্রস্তাব করেন এবং তার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। বর্তমানে তা বাস্তবরূপ লাভ করেছে।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    Library
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ভাষা
    বই

     

    এছাড়া ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় পর্যায়ে মন্ত্রী হলে তাঁর একান্ত প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা তথা এফ ডি সি। ১৯৭৪ সালে তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথম বাংলা ভাষায় বক্তৃতা করে বাংলাভাষাকে বিশ্বের দরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেন।

    যুদ্ধের পর বাংলাদেশ এক ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল। রাস্তাঘাট, রেলপথ, মিল-কারখানা, সবকিছুই পাক হানাদার বাহিনী ধ্বংস করে দিয়ে গিয়েছিল। দেশে অন্ন, বস্ত্র ও খাদ্যের প্রচণ্ড অভাব দেখা দিয়েছিল। এছাড়া দেশি-বিদেশি শক্তির সক্রিয় সমর্থনে ছিল অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা ও ষড়যন্ত্র। তিনি এসব সমস্যা দূর করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতি ছিল তাঁর প্রতিকূলে। বিশ্বব্যাপী তখন শুরু হয় মুদ্রাস্ফীতি। সেই মুদ্রাস্ফীতির ঢেউ এসে লাগে বাংলাদেশেও। অন্যদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগেরও শিকার হয় বাংলাদেশ। উপর্যুপরি বন্যায় দেশের বিপুল ফসল নষ্ট হয়ে যায়। চারদিকে দেখা দেয় খাদ্যের অভাব। এই পরিস্থিতির মোকাবেলায় বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানির ব্যবস্থা করেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খাদ্য পাঠানোর অঙ্গীকার করেও শেষমুহূর্তে কথা না রাখার ফলে, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    Library
    বাংলা অডিওবুক
    Books
    ই-বুক রিডার
    বাংলা কবিতা
    PDF
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    এই অবস্থার প্রেক্ষাপটে দেশের অর্থনৈতিক এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ২৪ মার্চ তারিখে তিনি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনি আনেন। দেশের সকল রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত হয় ‘বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ’ বা সংক্ষেপে ‘বাকশাল’। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু তাঁর ‘দ্বিতীয় বিপ্লবের’ প্রাতিষ্ঠানিক রূপরেখা ঘোষণা করেন। দ্বিতীয় বিপ্লবের প্রাতিষ্ঠানিক রূপরেখা ঘোষণা করার দুমাস পর সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের জনসভায় বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেন। এটাই ছিল তাঁর জীবনের শেষ জনসভা। সে দিন ছিল ১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ।

    তিনি তাঁর ভাষণে সেদিন বলেছিলেন,

    “প্রেসিডেন্সিয়াল ফরম্ অব গভর্নমেন্ট করেছি। জনগণ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবে। পার্লামেন্ট থাকবে। পার্লামেন্টের নির্বাচনে একজন, দুইজন, তিনজনকে নমিনেশন দেওয়া হবে। জনগণ বাছবে, কে ভালো, কে মন্দ। আমরা চাই শোষিতের গণতন্ত্র, আমরা চাই না শোষকের গণতন্ত্র।”

    কিন্তু তা আর হয়নি। তার আগেই নেমে আসে এক চরম আঘাত। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতের অন্ধকারে ক্ষমতালোলুপ কতিপয় বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে তিনি সপরিবারে নিহত হন। ঘাতকদের নির্মমতার হাত থেকে তাঁর চার বছরের শিশুপুত্র রাসেলও রক্ষা পায়নি। এ ধরনের নিষ্ঠুর রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে নজিরবিহীন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Next Article স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    Related Articles

    ভবেশ রায়

    বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }